Category: প্রশাসন

  • নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো বরগুনা

    নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো বরগুনা

    রিফাত শরীফ হত্যার পর থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পুলিশের চেকপোস্ট দিয়ে মোড়ানো রয়েছে বরগুনা জেলা। এতে বন্ধ হয়েছে মাদক ব্যবসা। সব যানবাহনে চেকিংয়ের ফলে মাদক কারবারিদের আনাগোনা নেই শহরে। এতে স্বস্তিতে রয়েছে জনগণ।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বরগুনা জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে টাউনহল বাসস্ট্যান্ড-পুরাকাটা, বরগুনা-বেতাগী-বরিশাল-নিশানবাড়ীয়া-বড়ইতলা-পরীরখাল-কালীবাড়ি-স্টেডিয়াম রুটে চেকপোস্ট বসিয়ে সব যানবাহন ও যাত্রীদের তল্লাশি করছে পুলিশ। এতে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে শহরের যানজট ও মাদক কেনাবেচা।

    সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি বাজার থেকে বরগুনা আসার পথে মহাসড়কে পুলিশ চেকপোস্টে গাড়ির কাগজপত্র দেখাতে বাধ্য হয়েছেন মিরাজ নামের এক ব্যক্তি। পরে মোটরসাইকেলের কাগজ ঠিক থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    মিরাজ খান বলেন, বিগত দিনে বরগুনায় এমন কড়া নিরাপত্তা দেখিনি। এ কারণে চুরি ছিনতাই বন্ধ হয়েছে।

    বরগুনার ডৌয়াতলা এলাকার বাসিন্দা সোহাগ জানান, কিছুদিন আগেও আমাদের এলাকায় নিত্যনতুন মোটরসাইকেলে এসে মাদক সরবরাহ করে দ্রুত বেগে তারা চলে যেতো। আর এসব মোটরসাইকেল নিয়ে অল্প বয়সী
    ছেলেরাই বেশি আনাগোনা করতো। রাস্তায় চেকপোস্ট থাকার কারণে এখন আর এলাকায় কোনো মোটরসাইকেল আসেনা। মাদক ব্যবসায়ীরাও রয়েছে চরম আতঙ্কে।

    বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বরগুনা জেলার দায়িত্বে থাকা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা কাদের জানান, এভাবে পুলিশের কড়া নিরাপত্তা থাকার কারণে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সব আসামি ধরা পড়ছে। বন্ধ হতে শুরু করেছে চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যাবসা। এভাবে সবসময় পুলিশ চেকপোস্ট থাকা উচিত।

    বরগুনা পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেন জানান, মাদক বহন ও বিক্রি থামাতে এমন অভিযান ও চেকপোস্ট সবসময় চলবে। রিফাত শরীফ হত্যাকারীদের ধরতে পুলিশের সব ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হত্যা মামলার আসামি যারা এখনো ধরা পড়েনি তারা পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে। শিগগিরিই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

  • ভয়ংকর কিশোর গ্যাং…

    ভয়ংকর কিশোর গ্যাং…

    অনলাইন ডেস্ক :

    টঙ্গীতে নবম শ্রেণির ছাত্র শুভ আহমেদ (১৬) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মৃদুল হাসান পাপ্পুসহ (১৭) চার কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১। এ সময় হত্যার কাজে ব্যবহৃত ধারালো সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতাররা হচ্ছে- টঙ্গী পাগার এলাকার কামাল পাঠানের বাড়ির ভাড়াটে মহিউদ্দিনের ছেলে মৃদুল হাসান পাপ্পু (১৭), একই এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে সাব্বির আহমেদ (১৬), নূরুল ইসলাম খোকনের ছেলে রাব্বু হোসেন রিয়াদ (১৬) ও আলতাফ উদ্দিনের ছেলে নূর মোহাম্মদ রনি (১৬)।

    র‌্যাব-১ এর গাজীপুরের কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত ৭ জুলাই গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন বিসিক ফকির মার্কেট পাগার মদিনাপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় পাগার ফিউচার ম্যাপ স্কুলের ৯ম শ্রেণির ছাত্র শুভ আহমেদকে বুকে, পিঠে ও মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করা হয়। নিহত শুভ আহমেদ বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান।

    ঘটনার পর দিন নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

    তিনি আরও জানান, টঙ্গী ও পার্শ্ববর্তী উত্তরা এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ বেশ কিছু কিশোর গ্যাং গ্রুপ বিদ্যমান। এসব গ্যাং গ্রুপ তাদের দেয়া বিভিন্ন নামে পরিচিত। সাধারণত উঠতি বয়সের কিশোররা এসব গ্যাং কালচারের সঙ্গে জড়িত। অভিভাবকের অবহেলা ও পশ্চিমা কালচারের অনুকরণে এসব গ্যাং গ্রুপ গড়ে উঠেছে। এসব গ্যাং গ্রুপের মধ্যে ছোট খাটো বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে। হত্যার এক দিন আটে ভিকটিমের সঙ্গে স্থানীয় নবগঠিত একটি গ্যাং গ্রুপের সদস্যদের ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়।

    উল্লেখ্য, নিহত স্কুলছাত্র শুভ আহমেদের বাবা-মা উভয়ই স্থানীয় গার্মেন্টেসে চাকরি করেন। ঘটনার দিন আনুমানিক রাত ৯টার দিকে ভিকটিম শুভ তার মায়ের কাছ থেকে চুল কাটার জন্য টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। গভীর রাতেও ছেলে বাড়ি ফিরে না আসায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। পরে টঙ্গী পাগার মদিনা পাড়াস্থ জনৈক স্বপনের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার পাশে ঝোপের মধ্যে মরদেহ দেখে স্থানীয়রা টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশে খবর দেন। পরে থানায় গিয়ে স্বজনরা শুভর মরদেহ শনাক্ত করে।

  • থানায় ডেকে নিয়ে নারীকে পিটিয়ে বের করে দিলেন পুলিশ কর্মকর্তা

    থানায় ডেকে নিয়ে নারীকে পিটিয়ে বের করে দিলেন পুলিশ কর্মকর্তা

    অনলাইন ডেস্ক : 

    বগুড়ার ধুনট উপজেলায় কৌশলে থানায় ডেকে এনে কহিনুর খাতুন (৪২) নামে এক নারীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহানুর রহমানের বিরুদ্ধে। আহত কহিনুর ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বগুড়া শহরের নাটাইপাড়া বৌ-বাজার এলাকার জাকির হোসেনের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী কহিনুর খাতুন। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে কহিনুর তার বাবা একই এলাকার জাবেদ আলীর বাড়িতে থাকেন। বগুড়া জজ কোর্টের সামনে খাবারের দোকানের আয় দিয়ে কহিনুর সংসারের খরচ চালান।

    অভিযুক্ত শাহানুর রহমান সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে। তিনি ২০১০ সালে বগুড়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে চাকরি করতেন। ওই সময় কহিনুরের দোকানে প্রতিদিন খাবার খেতেন শাহানুর রহমান। সেই সুবাদে কহিনুরের সঙ্গে তার গভীর সখ্যতা গড়ে ওঠে। কহিনুরের বাসায় শাহানুর রহমানের অবাধ যাতায়াত ছিল। ওই সময় শাহানুর কৌশলে কহিনুরের কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। বিগত ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে শাহানুর রহমান বগুড়া থেকে বদলি হয়ে ধুনট থানায় যোগদান করেন। এতে কহিনুরের সঙ্গে শাহানুরের সম্পর্কের ফাটল ধরে।

    এ অবস্থায় প্রায় দুই মাস আগে পাওনা টাকা চেয়ে শাহানুরকে উকিল নোটিশ দেন কহিনুর। কিন্ত উকিল নোটিশে সাড়া দেয়নি শাহানুর রহমান। ফলে বগুড়া আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার প্রস্তুতি নেন কহিনুর। খবর পেয়ে শাহানুর রহমান এক সপ্তাহ আগে কহিনুর খাতুনকে ৬০ হাজার টাকা দেয়ার কথা বলে বিষয়টি মীমাংসা করে নেন।

    এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালের দিকে কহিনুর খাতুন পাওনা টাকার জন্য ধুনট থানায় আসেন। এ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শাহানুর রহমান পিটিয়ে থানা থেকে কহিনুরকে বের করে দেন। আহত কহিনুর ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এলে সেখানেও পেটাতে থাকেন শাহানুর। এ সময় স্থানীয় লোকজন কহিনুরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

    এ বিষয়ে কহিনুর খাতুন বলেন, শাহানুর কৌশলে আমার কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা নিয়েছে। সেই টাকা চাইলে সে আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু আমি তার প্রস্তাবে রাজি হইনি। ফলে সে আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারপর থেকে শাহানুর আমাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে। ফলে তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেই। বিষয়টি জানার পর শাহানুর টাকা দেয়ার কথা বলে বৃহস্পতিবার কৌশলে থানায় ডেকে এনে আমাকে পিটিয়ে আহত করেছে।

    তবে ধুনট থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহানুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কহিনুর আমাকে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছিল। অবশেষে ঝামেলা এড়াতে তাকে ৬০ হাজার টাকা দিয়ে আপস নামায় স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। তারপরও বৃহস্পতিবার থানায় এসে আমাকে মামলার ভয়ভীতি দেখালে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে চড়থাপ্পর মেরেছি।

    এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে বগুড়ার সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোকবুল হোসেন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আহত কহিনুরের চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন।

    ধুনট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, এ ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে এসেছেন। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • রিফাত হত্যা: রাব্বি ও সাইমুন রিমান্ডে

    রিফাত হত্যা: রাব্বি ও সাইমুন রিমান্ডে

    বরগুনায় বেলায় প্রকাশ্যে শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি মো. আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকনের সাতদিন ও জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার কামরুল হাসান সাইমুনের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকাল সাড়ে চারটার দিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম গাজী এ রিমান্ড আদেশ দেন।

    বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ন কবির বলেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে গ্রেফতার হওয়া রাব্বি আকনকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। এসময় সাইমুনকেও পুনরায় পাঁচদিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত রাব্বি আকনের সাতদিন ও কামরুল হাসান সাইমুনের তিনদিন রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। সাইমুনকে এ নিয়ে চতুর্থ দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।’

    রিফাত হত্যা মামলায় এপর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ২ জুলাই ভোররাতে মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়। এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত তিনজনসহ সাত আসামি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এ ঘটনায় বর্তমানে ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও তাদের দমাতে পারেননি। একাধারে রিফাতকে কুপিয়ে বীরদর্পে অস্ত্র উঁচিয়ে এলাকা ত্যাগ করে হামলাকারীরা। তারা চেহারা লুকানোরও কোনও চেষ্টা করেনি। গুরুতর আহত রিফাতকে এদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

  • কোটি টাকার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী ধরা

    কোটি টাকার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী ধরা

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপালে অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার ৯৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. গাজী (৩৬) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব।

    বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আটক করা হয়।

    আটক মো. গাজী টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার মেঘার পটল গ্রামের মো. আজাহার আলী আজা হুজুরের ছেলে।

    র‌্যাব-৭ এর ফেনী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক সহকারী পুলিশ সুপার মো. জুনায়েদ জাহেদী জানান, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী ফেনীর সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ভ্যানযোগে মালামাল পরিবহনের আড়ালে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে ফেনী সদরের পাঁচগাছিয়া বাজার থেকে লালপুলের এলাকার দিকে যাচ্ছে- এমন খবর পেয়ে র‌্যাবের একটি দল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহিপাল ফ্লাইওভারের পার্শ্বে রেঙ্গুনী সুইটস অ্যান্ড বিরিয়ানী হাউস সংলগ্ন বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে।

    এ সময় পাঁচগাছিয়া বাজার হতে লালপুলগামী একটি ভ্যানকে তল্লাশির জন্য সংকেত দিলে ভ্যানের ড্রাইভার ভ্যানটিকে না থামিয়ে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে ভ্যানসহ মো. গাজীকে আটক করে।

    তিনি আরও জানান, তাকে জিজ্ঞাসাবাদে ভ্যান তল্লাশি করে ২০ হাজার ৯৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

    আটক মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪ লাখ ৮২ হাজার ৫শ টাকা। আটক গাজী ও ইয়াবাগুলো পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • ফুল-মিষ্টি নিয়ে সুষ্মিতার বাড়িতে পুলিশ সুপার

    ফুল-মিষ্টি নিয়ে সুষ্মিতার বাড়িতে পুলিশ সুপার

    মাটির বাড়ি, ওপরে টিনের চালা আর খড়ের ছাউনি, পাটকাঠি দিয়ে বাড়ির সীমানা ঘেরা । সেই বেড়ার ফাঁক দিয়ে পুলিশ সুপারের মিষ্টি কণ্ঠে ডাক- ‘সুষ্মিতা আপনি বাড়িতে আছেন? আমি দিনাজপুরের পুলিশ সুপার আপনাকে শুভেচ্ছা জানানোসহ মিষ্টি মুখ করাতে এসেছি। আপনি পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে গর্বিত করেছেন।

    আকস্মিক এ ডাক শুনে হকচকিয়ে গিয়েছিলেন সদ্য পুলিশে চাকরি পাওয়া সুষ্মিতা দেব শর্মা ও তার মা মমতা রাণী দেব শর্মাসহ পরিবারে সদস্যরা। শরীরে চিমটি কেটে তন্দ্রা কেটে দেখলেন সত্যি সত্যি বাড়ির সামনে মিষ্টি হতে দিনাজপুরের পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম।

    বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ নিজ হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টি মুখ করালেন সুষ্মিতাকে। শুনলেন পরিবারের সদস্যদের জীবন-সংগ্রামের কথা। সাহস দিলেন সামনে এগিয়ে যাওয়ার।

    এ সময় দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুশান্ত সরকার, বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম গোলাম রসুল, কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বজলুর রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সুষ্মিতার বাড়ি দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৯ নং মঙ্গলপুর ইউনিয়নের উত্তর বিষ্ণপুর গ্রামে। দরিদ্র ঘরের মেয়ে সুষ্মিতার বাবা মনতোষ দেবশর্মা এক বছর আগে পরলোকগমন করেন। মা মমতা রাণী দেবশর্মা একজন গৃহিণী।

    দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে মেজো সুষ্মিতা। তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্রী। স্বপ্ন ছিল বিসিএস করে অফিসার পদে চাকরি করার। কিন্তু সংসারের অভাব অনটন আর ভাইদের পড়ালেখা তার সেই স্বপ্নকে আপাতত আটকে দিয়েছে। পরিবারের অভাব অনটনের কথা বিবেচনা করে যে কোনো একটা চাকরি করা সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাই গত ৩ জুলাই দিনাজপুর পুলিশ লাইন্স মাঠে ট্রেইনি রিক্রুটিং কনস্টেবল পদে চাকরির জন্য লাইনে দাঁড়ান সুষ্মিতা এবং মনোনীত হন।

    পুলিশে চাকরি পাওয়া সুষ্মিতা দেব শর্মা বলেন, সবাই জানে বর্তমানে টাকা ছাড়া সরকারি চাকরি পাওয়া অসম্ভব। কিন্তু আমাকে একটিও টাকাও অবৈধ লেনদেন করতে হয়নি। বাবা না থাকায় চাকরির আবেদন, পুলিশ লাইনের মাঠে দাঁড়ানো, লিখিত ও অন্যান্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সম্পূর্ণ কাজ একাই করতে হয়েছে। কিন্তু একা গিয়েও কাঙ্ক্ষিত ১০৩ টাকার আবেদন ফরমের মাধ্যমে চাকরি পেয়েছি। এ জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি চির কৃতজ্ঞ। তাই চাকরি জীবনে আমি কোনো প্রকার অবৈধ লেনদেন বা অবৈধ টাকা আয় করবো না।

    সুষ্মিতার মা মমতা রাণী জানান, সুষ্মিতার পড়ালেখার প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ আগে থেকেই। সে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলাতেও বিদ্যালয় জীবনে সফল ছিল। তাই কোনো প্রকার অর্থ বিনিময় ছাড়াই নিজ যোগ্যতা ও পুলিশ সুপারের সততায় সে চাকরিটি পেয়েছে।

    মঙ্গলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেরাজুল ইসলাম জানান, অভাবের সংসারে স্বামীর অবর্তমানে মেয়ের লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছিলেন সুষ্মিতার মা। আজ সুষ্মিতা সম্মানজনকভাবে মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে পুলিশে চাকরি পেয়েছে।

    ইউপি সদস্য আম্পা রাণী দেব শর্মা জানান, পুলিশের চাকরি যে টাকা ছাড়াই পাওয়া যায় তার অন্যতম উদাহরণ সুষ্মিতা। এবার দিনাজপুর জেলায় সুষ্মিতার মতো অন্যারাও পুলিশে চাকরি পেয়েছে।

  • রিফাত হত্যার দায় স্বীকার করেছে রাব্বী

    রিফাত হত্যার দায় স্বীকার করেছে রাব্বী

    রিফাত শরীফ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৫৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে রাফিউল ইসলাম রাব্বী। বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে তাকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে হাজির করা হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যার পরে বিচারকের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।

    একই সময়ে ৫ দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ায় মামলার এজাহারভুক্ত ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয়কে আদালতে হাজির করে আরো ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। বিচারক তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। বরগুনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হুমায়ূন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    গত পহেলা জুলাই মামলার এজাহারভুক্ত ১১ নম্বর আসামি অলি ও তানভীর, ৪ জুলাই রাতে মামলার ৪ নম্বর আসামী চন্দন ও ৯ নম্বর আসামী মো. হাসান, ৫ জুলাই রাতে মো. সাগর ও নাজমুল হাসান এবং ১০ জুলাই রাতে রাফিউল ইসলাম রাব্বী আদালতে হাজির হয়ে বিচারকের সামনে রিফাত শরীফ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এখন পর্যন্ত ৭ জন আসামি হত্যার দায় স্বীকার করেছে।

    রিফাত হত্যা মামলায় বুধবার পর্যন্ত ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ২ জুলাই ভোররাতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজীকে ৩ জুলাই রাতে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজীকে হত্যা মামলায় ৭ দিন জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অস্ত্র মামলায় আরো ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কামরুল হাসান সাইমুন, আরিয়ান শ্রাবন ও টিকটক হৃদয়কে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। বরগুনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • সমস্যা নয়, জনসংখ্যা দেশের জন্য সম্ভাবনা: অজিয়র রহমান

    সমস্যা নয়, জনসংখ্যা দেশের জন্য সম্ভাবনা: অজিয়র রহমান

    অনলাইন ডেস্ক:

    বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে বরিশাল যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপ-পরিচালকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান।

    জনসংখ্যা দেশের জন্য সমস্যা নয়, সম্ভাবনা। যদি দেশের যুবক শ্রেণীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তবেই আমরা এর সুফল পাবো।

    জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) সহযোগিতায় বরিশাল যুব উন্নয়ন অধিদফতরের আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাকেরগঞ্জ যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর মো. সিদ্দিক আহাম্মেদ।

    এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বরিশাল যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ শোয়েব ফারুক, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা হোসাইন আহমেদ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিেস্ট্রটসুব্রত বিশ্বাস দাসসহ যুব উন্নয়ন অধিদফতরের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।

    অন্যদিকে, দিবসটি উপলক্ষে বরিশাল বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আয়োজনে নগরের সদর রোডের বিডিএস মিলনায়তনের সভা কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    পরিবার পরিকল্পনা জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় কমিশনার (যুগ্ম সচিব) রাম চন্দ্র দাস।

    এসময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন মানিক (বীর প্রতিক), জেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী পরিচালক শহিদুল ইসলাম।

    এর আগে নগরের অশ্বিনী কুমার হল প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়।

    র‌্যালিটি নগরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিডিএস ক্লাব মিলনায়তন সভাস্থলে এসে শেষ হয়।

  • নগরীর কাউনিয়ায় গাঁজাচাষী দুই যুবক আটক

    নগরীর কাউনিয়ায় গাঁজাচাষী দুই যুবক আটক

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশাল নগরীতে পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে গাঁজা গাছসহ দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের কাউনিয়া হাউজিং এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কাউনিয়া হাউজিং এলাকার সিকদার বাড়ির ভাড়াটিয়া ও দুলাল সিকদারের ছেলে তপু সিকদার (২০) এবং একই এলাকার নুরুল হকের ভাড়াটিয়া ও মোশারেফ হোসেনের ছেলে মো. তারেক হোসেন (৩০)।

    কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে তপু সিকদারকে একটি গাঁজা গাছসহ গ্রেফতার করা হয়।

    পরবর্তীতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে অভিযান চালিয়ে একই এলাকার নুরুল হকের বাসা থেকে আরেকটি গাঁজা গাছসহ তারেক হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত দুই যুবকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

  • প্রতিবন্ধী ধর্ষণের ২০ বছর পর শাস্তি পেল ধর্ষক

    প্রতিবন্ধী ধর্ষণের ২০ বছর পর শাস্তি পেল ধর্ষক

    অনলাইন ডেস্ক :

    প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের পর কেটে গেছে ২০ বছর। তবুও শেষ রক্ষা হল না। ২০ বছর পরেই দোষী প্রমাণিত হল অভিযুক্ত, পেল শাস্তিও।

    জানা গেছে, এটি ভারতের মালদহের ঘটনা। বুধবার মালদহ ফোর্থ কোর্টের অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক এন্ড সেশন জজ ভবানী শংকর শর্মা এই সাজা ঘোষণায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন নির্যাতিতা ওই যুবতীর পরিবার।

    সরকার পক্ষের আইনজীবী অমল কুমার দাস জানিয়েছেন, অভিযুক্ত যুবকের নাম মানিক মন্ডল। তার বাড়ি হবিবপুর থানার দক্ষিণ চাঁদপুর এলাকায়। প্রতিবেশী এক যুবতীকে পরিত্যক্ত জায়গায় নিয়ে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত মানিক মন্ডল। তার ওপর নৃশংস ভাবে শারীরিক অত্যাচার চালানো হয়। এরপরই নির্যাতিতা ওই যুবতীর পরিবারের পক্ষ থেকে হবিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই দিনই গুরুতর অসুস্থ প্রতিবন্ধী যুবতীকে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়৷

    এ ঘটনার পাশাপাশি হবিবপুর থানায় ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের হতেই পুলিশ মামলা রুজু করে। ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই অভিযুক্ত মানিক মন্ডলকে গ্রেফতার করে হবিপুর থানার পুলিশ। বিচারাধীন অবস্থায় মালদহ জেলা সংশোধনাগারে থেকেই শুরু হয় এই মামলাটি।

    অভিযোগের ভিত্তিতে মালদা হবিবপুর থানার তদন্তকারী অফিসার বিপুল সরকার ৩৭৬/(২)(১)এম ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেন। ১১জন সাক্ষী নেওয়া হয়। বুধবার দুপুর দুটোয় মালদহ আদালতে অভিযুক্ত মানিক মণ্ডলের ২০ বছরের জেল এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে আরও ৪ বছর জেল নির্দেশ দেয় আদালত।