Category: প্রশাসন

  • নোয়াখালীতে আ.লীগ বিএনপির সংঘর্ষে খোকন আহত

    নোয়াখালীতে আ.লীগ বিএনপির সংঘর্ষে খোকন আহত

    নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে নোয়াখালী-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন আহত ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন। আজ শনিবার বিকেল চারটার দিকে সোনাইমুড়ী বাজারে এ সংঘর্ষ হয়।

    আহত খোকনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি ছাড়াও এ ঘটনায় উভয় পক্ষের আরও কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়।

    সংঘর্ষ চলাকালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যালয়, সোনাইমুড়ী বাইপাসের ১০টি পরিবহনের কাউন্টার ও চার-পাঁচটি দোকান, একটি কোম্পানির শো-রুম এবং চারটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। পরে সোনাইমুড়ী থানা-পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    ছররা গুলিতে আহত বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী ইকবাল হোসেন (৩৫) ও বিএনপি কর্মী মো. সোহেলকে (৩০) ছররা গুলিতে আহত অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া আহত বাকিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি চিকিৎসক সৈয়দ কামরুল হোসাইন বলেন, বিএনপির প্রার্থী মাহবুব উদ্দিন ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন। তাঁর পিঠে পাঁচটি ও থুতনিতে একটি গুলির আঘাত দেখা গেছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁর অবস্থা শঙ্কামুক্ত। তিনি চাইলে কিছু সময় হাসপাতালে থেকে বাড়ি ফিরে যেতে পারেন।হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে এসেছেন আহত একজন। ছবি: প্রথম আলোপ্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় লোকজনের ভাষ্য, গতকাল দুপুরে সোনাইমুড়ী বাজারে নির্বাচনী শো ডাউন করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী এইচ এম ইব্রাহিম। তিনি সোনাইমুড়ী কলেজ মাঠে পথসভা করেন। এরপর বিকেল চারটার দিকে বিএনপির প্রার্থী মাহবুব উদ্দিন খোকন কয়েকশ নেতা-কর্মী নিয়ে সোনাইমুড়ী বাজারে নির্বাচনী মিছিল বের করেন।

    সূত্র জানায়, বিএনপির মিছিলটি সোনাইমুড়ী বাইপাস হয়ে বাজারের দিকে ঢোকার পথে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ঢিল ছুড়লে দুই পক্ষে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দও শোনা যায়। একপর্যায়ে পুলিশ দুই পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে বিএনপি কর্মীদের ধাওয়া ও লাঠিপেটা করে তাড়িয়ে দেয়।

    আহত বিএনপি নেতা এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন হাসপাতালে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি তিনি শান্তিপূর্ণভাবে বাজারে গণসংযোগ করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁর মিছিলে হামলা করে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা সোনাইমুড়ী থানার ওসি আবদুল মজিদ বিএনপির কর্মীদের ধাওয়া ও তাঁদের লক্ষ করে এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে তিনিসহ দলের কমপক্ষে ১০ জন নেতা-কর্মী ছররা গুলিতে আহত হয়।

    অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমিনুল ইসলাম বাকের বিএনপির মিছিলে হামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁরা দুপুরে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করে চলে যান। বিকেল চারটার দিকে বিএনপির প্রার্থী কয়েকশ লোক নিয়ে বাজারে ওঠে আওয়ামী লীগের কর্মীদের ওপর হামলা, দলীয় একটি নির্বাচনী কার্যালয়সহ দোকানপাটে হামলা ভাঙচুর করে তাণ্ডব চালান। এতে আওয়ামী লীগের চার-পাঁচজন কর্মী আহত হয়।

    সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মজিদ বিএনপির কর্মীদের লক্ষ করে গুলির অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, বিএনপির কর্মীরা নিজেরা নিজেরা মারামারিতে লিপ্ত হয়ে বাজারে তাণ্ডব চালিয়েছে। পুলিশ ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে তাঁদের পরিস্থিতি সামাল দেয়। বিএনপির কর্মীরা এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল, দোকানপাট ভাঙচুর। এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, মাহবুব উদ্দিন খোকন ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন কি না তিনি জানেন না।

  • উড়োজাহাজের আসনে দুই কোটি টাকার সোনা

    উড়োজাহাজের আসনে দুই কোটি টাকার সোনা

    সিলেটের এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি উড়োজাহাজ থেকে ৫২টি সোনার বার জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। এই সোনার বারগুলোর ওজন ৬ কেজি ৩২ গ্রাম।

    শুল্ক বিভাগ সূত্র বলছে, জব্দ করা সোনার বারের আনুমানিক মূল্য দুই কোটি দুই লাখ ২৪ হাজার টাকা।

    আজ শনিবার সকাল সোয়া নয়টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইট থেকে সোনার বারগুলো জব্দ করা হয়। সোনার বারগুলো বিমানের আসনের ওপর একটি ব্যাগের ভেতরে রাখা ছিল। ব্যাগের ভেতরে দুটি মোবাইল ফোন ও ১১ কার্টন সিগারেট ছিল।

    শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আহমেদুর রেজা চৌধুরীর ভাষ্য, এ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় তদন্ত চলছে।

  • গ্রেপ্তারের ক্ষমতা নিয়েই নামছে সেনাবাহিনী

    গ্রেপ্তারের ক্ষমতা নিয়েই নামছে সেনাবাহিনী

    আসন্ন নির্বাচনে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে সেনাবাহিনী। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ ও ১৩০ ধারা অনুযায়ী। এবার মোতায়েন করা হচ্ছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭, ১২৮, ১২৯, ১৩০, ১৩১ ও ১৩২ ধারায়।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ থেকে ১৩২ ধারার মধ্যে ১৩১ ধারায় সেনাবাহিনীর কোনো কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারকে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতেও জননিরাপত্তা বিপদগ্রস্ত হওয়ার মতো সমাবেশ ভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা দেওয়া আছে।

    ইসির খসড়া পরিপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক সভার পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার ওই বৈঠক হয়েছে।

    নির্বাচন নিয়ে তৃতীয় কোনো শক্তির ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকেও এ বিষয়ে সতর্ক নজরদারি রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গতকাল আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক সমন্বয় সভায় সিইসি ওই নির্দেশ ও পরামর্শ দেন।

    সভায় বক্তব্যে সিইসি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মতো ভয়াবহ পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে কি না, তা-ও নজরে রাখতে বলেন। ২০১৪ সালের সহিংস অবস্থার কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তার ছক তৈরি করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেন তিনি।

    ইসির আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক সভার কার্যপত্রে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভোটগ্রহণের আগে, ভোটগ্রহণের দিন ও পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার জন্য ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ১ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত (যাতায়াত সময় ব্যতীত) সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে এরই মধ্যে অনুরোধ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখ হতে নির্বাচনী এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা, ভৌত অবকাঠামো এবং নির্বাচনী পরিবেশ-পরিস্থিতির ওপর প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার জন্য প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনীর ছোট আকারের টিম পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্ব পালন সম্পর্কে কার্যপত্রে বলা হয়েছে, ‘(ক) সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট এবং অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকবে। (খ) রিটার্নিং অফিসারের সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজন অনুসারে উপজেলা/থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োগ করা হবে। (গ) রিটার্নিং অফিসার সহায়তা কামনা করলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা প্রদান অথবা ফৌজদারি কার্যবিধির, অন্যান্য আইনের বিধান ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নির্দেশনা অনুসারে সশস্ত্র বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। (ঘ) রিটার্নিং অফিসার বা প্রিসাইডিং অফিসারের চাহিদা ব্যতিরেকে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে কিংবা ভোট গণনা কক্ষে কোনো প্রকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে না। (ঙ) ইনস্ট্রাকশন রিগার্ডিং এইড টু দি সিভিল পাওয়ার এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। (চ) উপকূলবর্তী এলাকায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। (ছ) ঝুঁকি বিবেচনায় প্রতিটি জেলায় নিয়োজিত সেনা সদস্যের সংখ্যা রিটার্নিং অফিসারের সাথে সমন্বয় করে কমবেশি করা যাবে। (জ) সেনা সদরের বিবেচনায় প্রতিটি স্তরে প্রয়োজনীয়সংখ্যক সেনা সদস্য সংরক্ষিত হিসেবে মোতায়েন থাকবে। (ঝ) গুরুত্বপূর্ণ সড়ক/মহাসড়কসমূহের নিরাপদ যান চলাচল এবং স্বাভাবিক আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করবে।

    এতে আরো বলা হয়েছে, ‘নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনী তাদের আওতাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকার মধ্যে যেসব কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে, সেসব কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এ ছাড়া ইভিএম কেন্দ্রে যেসব সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য থাকবে তাদের নিরাপত্তা বিধানসহ প্রয়োজন অনুসারে আনুষঙ্গিক বিষয়াদির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। (ণ) নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর টিম ওই ছয়টি নির্বাচনী এলাকায় ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণসংক্রান্ত নিরাপত্তা বিধানে নিবিড় ও অধিকতর গুরুত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। (ত) রিটার্নিং অফিসার ও প্রিসাইডিং অফিসারের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে দায়িত্ব পালন করবে।’

    জানা যায়, গত বছর ২৪ অক্টোবর ইসির সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে একজন সাবেক নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারায় সেনা নিয়োগ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সংলাপে কয়েকজন সাবেক নির্বাচন কমিশনার বলেছিলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ থেকে ১৩০ ধারায় এবং সেনা বিধিমালা ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেটের আওতায় সেনাবাহিনী মোতায়েনে কোনো কাজ হবে না। এ ছাড়া দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর উপজেলা নির্বাচনে ইসি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা অনুসারে সেনাবাহিনী নিয়োগ করলে কয়েকটি নির্বাচনী এলাকায় ওই বাহিনী অনিয়ম রোধে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল। ওই সময় একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, ইসি সেনাবাহিনীকে ‘ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল ক্ষমতা’ দিয়েছে। এর জবাবে ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ইসি সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ‘উপজেলা নির্বাচনে কমিশন সশস্ত্র বাহিনী বা সেনাবাহিনীকে ম্যাজেস্ট্রিয়াল বা বিচারিক ক্ষমতা দেয়নি। এ নির্বাচনে কোনো সহিংসতা রোধে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্ট্রাইকিং হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতি নির্বাচনী এলাকায় দৃশ্যমান করার জন্য নির্বাচন কমিশন বিশেষভাবে নির্দেশনা প্রদান করে। এ নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো প্রকার দাঙ্গা-হাঙ্গামা বা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নজরে আসামাত্র সংশ্লিষ্ট সামরিক কর্মকর্তা দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (ফৌজদারি কার্যবিধি), ১৮৯৮-এর ধারা ১৩১ অনুসারে তাত্ক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে মর্মে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়।’

    ফৌজদারি কর্যবিধির ১৩১ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যখন এইরূপ কোনো সমাবেশ দ্বারা জননিরাপত্তা সুস্পষ্টভাবে বিপদগ্রস্ত হয় এবং কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় না, তখন সেনাবাহিনীর কোনো কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে এইরূপ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং এইরূপ ছত্রভঙ্গ করার অথবা আইনানুসারে শাস্তি দেওয়ার জন্য ওই সমাবেশে অংশগ্রহণকারী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার বা আটক করতে পারেন। তবে এই ধারা অনুসারে কাজ করার সময় তাঁর পক্ষে যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হয়, তাহলে তিনি (কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক অফিসার) তা করবেন এবং অতঃপর কাজ চালিয়ে যাওয়া না বা না যাওয়া সম্পর্কে তাঁর (ম্যাজিস্ট্রেটের) পরামর্শ অনুসরণ করবেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত নতুন ঘর পেলেন ৪০ পরিবার

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত নতুন ঘর পেলেন ৪০ পরিবার

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত নতুন ঘর পেলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় হতদরিদ্র গৃহহীন ৪০ পরিবার। গতকাল শুক্রবার সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত গুচ্ছগ্রাম-২য় পর্যায়ে (সিভিআরপি) প্রকল্পের আওতায় পুরাতন লক্ষণশ্রী গুচ্ছগ্রাম-২ এর ৪০টি পরিবারের জন্য নির্মিত নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়।

    নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইয়াছমিন নাহার রুমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসক পরিবারগুলোর হাতে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন।

    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ সফিউল আলম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব প্রদীপ সিংহ, সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ফাতিমা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানিক মিয়া, গৌরারং ইউপি চেয়ারম্যান জনাব ফুল মিয়া। অনুষ্ঠান শেষে দুঃস্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র ও দেয়াল ঘড়িও প্রদান করা হয়।

  • বরিশালে ভেজাল তেলসহ আটক দুই

    বরিশালে ভেজাল তেলসহ আটক দুই

    স্টাফ রিপোর্টার/শামীম ইসলাম:

    বরিশাল নগরীর বান্দরোড থেকে ভেজাল তেলসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

    আটককৃত দুইজন হলেন চাঁদ মারি তেলের দোকানদার জাকির(৪০)ও অটোচালক দেলোয়ার ।

    স্থানীয় সূত্রে জানায়, জাকির দীর্ঘদিন যাবত চোরাই তেল ও ভেজাল তেলের ব্যবসা করে আসছে, এর আগেও জাকির একাধিকবার চোরাই তেলে বিক্রির অপরাধে আটক হয়েছিলো।

    আজ শনিবার দুপুরে দুই ব্রেল পেট্রোলে ডিজেল মেশানোর সময় হাতেনাতে এদুজনকে আটক করে কোতোয়ালি থানার এস আই মহিউদ্দিন (পিপিএম)। আটককৃতদের বিরুদ্ধে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন এস আই মহিউদ্দিন।

  • লাঙ্গলে ভোট চাইল আ.লীগ, মাঠে নামলেন সালাহউদ্দিন

    লাঙ্গলে ভোট চাইল আ.লীগ, মাঠে নামলেন সালাহউদ্দিন

    নির্বাচনের প্রচারণার সময় দলীয় নেতা-কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদ। তবে এই আসনে নির্বাচনী সভা ও মিছিল করেছেন অাওয়ামীলীগ মিত্র মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির সৈয়দ আবু হোসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার কদমতলী ও শ্যামপুর থানা এলাকায় পৃথক এই কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।

    সৈয়দ আবু হোসেন: জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা গত সোমবার লাঙ্গল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। গতকাল তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন শ্যামপুর এলাকায়। এখানে বালুর মাঠে বেলা তিনটায় ছিল তাঁর নির্বাচনী সভা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন এবং দলটির মিত্র জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে ভোট চান।

    নির্বাচনী সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা-৪ আসনের সাংসদ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা। তিনি বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে আমি নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নকাজ করেছি। ডিএনডি বাঁধ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ চলছে। অনেক সড়কের উন্নয়ন করা হয়েছে। এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন ভবন নির্মাণসহ শিক্ষাসহায়ক উন্নয়নকাজ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এখনো অনেক উন্নয়নকাজ বাকি আছে। সবার সহযোগিতায় আবারও এই আসনে সাংসদ নির্বাচিত হতে চাই। এ জন্য সবার ভোট চাই।’

    সালাহ উদ্দিন আহমেদ: কদমতলী থানা বিএনপির নেতা–কর্মীরা জানান, গত সোমবার সালাহ উদ্দিন প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর গতকালের গণসংযোগটি সবচেয়ে বড় ছিল। বেলা ১১টার দিকে ডিএসসিসির ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিক্রমপুর প্লাজা এলাকা থেকে কয়েক শ দলীয় নেতা–কর্মী নিয়ে গণসংযোগ শুরু হয়। এ ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত।

    জানতে চাইলে সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে নেতা–কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি করছে পুলিশ। জানতে চাইলে কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম এ জলিল বলেন, পুলিশ বিএনপির কাউকে হয়রানি করছে না।

  • একই রশিতে ফাঁস দিয়ে প্রেমের ইতি!

    একই রশিতে ফাঁস দিয়ে প্রেমের ইতি!

    মনির ও কল্পনার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে দুজনেরই ভিন্ন জায়গায় বিয়ে হয়। ভিন্ন দুটি সংসার ছিল তাঁদের। এতে সুখের বদলে প্রেম নিয়ে আসে বিড়ম্বনা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জলপাইগাছ থেকে একই রশিতে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাঁদের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

    ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায়। রাত ১১টার দিকে উপজেলার পশ্চিম পিরিজপুর গ্রামের একটি জলপাইগাছ থেকে একই রশিতে গলা বাঁধা অবস্থায় তাঁদের লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ বলছে, এটি আত্মহত্যা হতে পারে।

    মনির হোসেন (২২) উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের পশ্চিম পিরিজপুর গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে। কল্পনা বেগম (২০) একই গ্রামের আবদুল করিমের মেয়ে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পরকীয়ার জের ধরে তাঁরা আত্মহত্যা করেছেন।

    কাকিলাকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হামিদুল্লাহ তালুকদার আজ শুক্রবার বলেন, বিয়ের আগে থেকেই মনির ও কল্পনার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে তিনি শুনেছেন। পরে তাঁদের অন্যত্র বিয়ের হয়। বিয়ে হলেও কল্পনা বাবার বাড়িতে থাকতেন। মনির ছিল তাঁর (কল্পনা) প্রতিবেশী। ফলে বিয়ের পরেও তাঁদের সম্পর্ক ছিল। এই জটিল পরিস্থিতি এড়াতে দুজন আত্মহত্যা করেন বলে ইউপি চেয়ারম্যান মনে করছেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে শ্রীবরদী উপজেলার গড়খোলা গ্রামের তারেকের সঙ্গে কল্পনা বেগমের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই কল্পনা তাঁর বাবার পশ্চিম পিরিজপুর গ্রামের বাড়িতেই থাকতেন। প্রতিবেশী মনিরের সঙ্গে কল্পনার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মনির হোসেনও বিবাহিত ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময় মনির ও কল্পনা একই গ্রামের খাজলের বাড়ির সামনের একটি জলপাই গাছের ডালে একই রশিতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। এলাকাবাসীর কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে গতকাল রাত ১১টার দিকে শ্রীবরদী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।

    কল্পনার বাবা আবদুল করিম মুঠোফোনে বলেন, ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন। সংবাদ পেয়ে তিনি বাড়িতে এসেছেন। তবে মেয়ের মৃত্যুর জন্য তিনি কাউকে দায়ী করেননি।

    শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রুহুল আমিন তালুকদার বলেন, এ ঘটনায় শ্রীবরদী থানায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরকীয়ার জের ধরে তাঁরা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে ময়নাতদন্তের জন্য দুজনের লাশ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।

  • বরিশালে গোডাউন থেকে লুট করা মালামালসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতার

    বরিশালে গোডাউন থেকে লুট করা মালামালসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতার

    স্টাফ রিপোর্টার/শামীম ইসলাম:

    বরিশাল নগরীর রূপাতলী এলাকায় পারটেক্স স্টার গ্রুপের ডেনিস কনডেন্স মিল্কের গোডাউনে ডাকাতি মামলার ৩ আসামিকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

    গত বুধবার রাতে লুণ্ঠিত মালামাল বিক্রির সময় পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার তুষখালী বাজার থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    গ্রেফতারকৃতরা হলো, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার হরিনপালা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে একাধিক ডাকাতি ও হত্যা মামলার আসামি বাবুল, বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ উপজেলার বেতবুনিয়া গ্রামের সেকান্দার শেখের ছেলে আলমগীর হোসেন শেখ এবং একই উপজেলার ডউয়াতলা গ্রামের ইসরাত আলীর ছেলে আশিক।

    কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই ফিরোজ আল-মামুন জানান, গত ২৮ নভেম্বর নগরীর রূপাতলী ডেনিস কনডেন্স মিল্কের গোডাউনে ডাকাতি হয়। দুর্বৃত্তরা নৈশ প্রহরীদের বেঁধে ওই গোডাউন থেকে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য লুট করে। এ ঘটনায় ওই গোডাউনের মালিক মো.বাপ্পী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

    বরিশালে ডেনিস কনডেন্স মিল্কের গোডাউন থেকে লুট করা বিপুল পরিমাণ কনডেন্স মিল্ক মঠবাড়িয়ার তুষখালী বাজারে বিক্রি করার গোপন খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই ৩ জনকে ৮ কার্টুন কনডেন্স মিল্কসহ গ্রেফতার করে। ডাকাতির মূল হোতা আনোয়ারসহ অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।

    এসআই আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

  • ঢাকা-১ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী আবু আশফাক গ্রেফতার

    ঢাকা-১ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী আবু আশফাক গ্রেফতার

    নির্বাচনী গণসংযোগের সময় ঢাকা-১ আসনের (দোহার-নবাবগঞ্জ) বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাককে আটক করেছে পুলিশ। আজ বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে তাঁকে আটক করে দোহার থানা- পুলিশ। তবে পুলিশের বক্তব্য, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

    বিএনপির নেতা-কর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দোহারের বাঁশতলা মোড় থেকে করম আলী মোড় হয়ে জয়পাড়া পর্যন্ত তাদের প্রার্থীর নির্বাচনী গণসংযোগ ছিল। কিন্তু বিকেল পাঁচটার দিকে এই প্রচারণা থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে নিয়ে যায়।

    আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলে প্রার্থীর নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে থানায় নেওয়া হয়েছে।’ তবে খন্দকার আবু আশফাককে ছেড়ে দেওয়া হবে কি না, এমন প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি ওসি।

    নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার কালাম বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে এবং অন্যায়ভাবে আমাদের নেতাকে তুলে নিয়েছে।

    দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন অভিযোগ করেন, ‘সরকার দলীয় প্রার্থী দিন–রাত প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু তাদের কোন ধরনের বাধা দেওয়া হচ্ছে না। আর আমরা মাঠেই নামতে পারছি না।’ তিনি দাবি করেন, পুলিশ বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি করছে।

  • বরিশালে ওষুধ ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    বরিশালে ওষুধ ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    স্টাফ রিপোর্টার/শামীম ইসলাম:

    বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর মহসিন হাওলাদার (৩৭) নামে এক ওষুধ ব্যবসায়ীর গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার আন্ধারমানিক ইউনিয়নের লতা গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে কাজীর হাট থানা পুলিশ। গত ৯ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন তিনি।

    মহসিন হাওলাদার লতা গ্রামের মাস্টার বাড়ির হারুন মাস্টারের ছেলে। এক সন্তানের জনক মহসিন লতা বাজারে ওষুধের ব্যবসা করছিলেন।

    পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না-তদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে।

    হিজলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান,মহসিনের স্ত্রী কয়েকদিন আগে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। সর্বশেষ গত ৮ ডিসেম্বর স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে মহসিনের কথা হয়। সেসময় স্ত্রীকে ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে বাড়িতে ফিরে আসতে বলেন মহসিন।

    ৮ ডিসেম্বর দুপুরের দিকে ফোনে কথা বলার পরে রাতে মহসিনকে কল করেন তার স্ত্রী। কিন্তু তখন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। এর পর একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    মঙ্গলবার বাড়িতে ফিরে আসেন মহসিনের স্ত্রী। এদিন তাদের পাশের ঘরের আরেকটি ঘরে মহসিনের মরদেহ ঝুলতে দেখেন স্বজনরা, তখন সে ঘরটি বাইরে থেকে তালা দেওয়া ছিল। পরে দরজা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করে থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

    থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল খালেক বলেন,মহসিনের পরিবার প্রতিষ্ঠিত। তিনি নিজেও লতা বাজারে ওষুধের ব্যবসা করছিলেন। ইতিপূর্বে ঠিকাদারিও করতেন। যতটুকু শুনেছি তিনি অনেকের দেনাদার ছিলেন। হয়তো এজন্যই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। তাছাড়া মরদেহের পরে থাকা জামার পকেট থেকে তালাবদ্ধ ঘরের চাবিও উদ্ধার করা হয়েছে।

    তবে এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় জড়িত রয়েছে কি-না তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। তাছাড়া ময়না-তদন্তের রিপোর্ট পেলে হত্যা নাকি আত্মহত্যা সে বিষয়টিও পুরোপুরি স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে জানান ওসি।