Category: প্রশাসন

  • হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালালেন স্বামী

    হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালালেন স্বামী

    চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যা করার পর হাসপাতালে লাশ ফেলে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মো. টিপু (২৮) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

    ওই গৃহবধূর নাম রোমানা আকতার (১৯)। মিরসরাই পৌরসভার বটতলী এলাকার মৃত জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে রোমানা। পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে।

    পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, রোমানা তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। গতকাল রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে রোমানাকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন টিপু। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে রোমানাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপরই তাঁর স্বামী টিপু সেখান থেকে সটকে পড়েন। টিপুর বাড়ি উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের পূর্ব দুর্গাপুর গ্রামে। বাবার নাম জসিমউদ্দিন। এক বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়।

    রোমানার মা নূরজাহান বেগম বলেন, আজ সকাল আটটায় টিপুর এক প্রতিবেশীর কাছে মেয়ের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন তিনি। মেয়ের বাবা নেই। তিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। তাঁর অভিযোগ, যৌতুকের জন্য রোমানার ওপর অত্যাচার চালাতেন টিপু। বিয়ের সময় টিপু ১ লাখ ১০ হাজার টাকা যৌতুক নিয়েছিলেন। তাঁকে একটি আলমারি দেওয়ার কথা ছিল। টাকার অভাবে তখন তা দিতে পারেননি। আলমারির জন্য মেয়ের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন টিপু। মেয়ে লজ্জায় তা জানাতে চাইত না। এ ছাড়া সন্তান হচ্ছিল না বলেও নির্যাতন করতেন।

    জোরারগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলাউদ্দিন বলেন, রাতে হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে রোমানার লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করা হয়। তাঁর গলার চারপাশে গোলাকার দাগ দেখা যায়। সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুরো ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ঊর্মি রায় বলেন, গতকাল রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে রোমানা আকতার নামের এক গৃহবধূকে তাঁর স্বামী হাসপাতালে আনেন। পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁর গলার চার পাশে দাগ ছিল। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে কাউকে না পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

    এ ঘটনায় টিপু বা তাঁর পরিবারে কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • ১০ মাসে ৪৩৭টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড

    ১০ মাসে ৪৩৭টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড

    মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ৪৩৭ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। আর এই সময় গুমের শিকার হয়েছেন ২৬ জন।

    আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ডেইলি স্টার সেন্টারের আজিমুর রহমান মিলনায়তনে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠানে এক প্রতিবেদনে আসকের পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

    আসকের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু এবং অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জড়িত থাকার অভিযোগের ব্যাখ্যা চেয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন চিঠি পাঠায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। সেসব বিষয়ের ১৫৪টির উত্তর এখনো মেলেনি।

    চলতি বছরের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে আসক বলেছে, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১৫ মে থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ২৭৬ জন নিহত হয়েছেন।

    আসক মনে করে, প্রতিটি ব্যক্তির বেঁচে থাকার এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনী নয়, আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই কেবল ব্যক্তিকে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী শাস্তি দিতে হবে।

    অনুষ্ঠানে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, আসকের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

  • বরিশালে নাতিকে মারধরের প্রতিবাদ করায় দাদিকে পিটিয়ে হত্যা

    বরিশালে নাতিকে মারধরের প্রতিবাদ করায় দাদিকে পিটিয়ে হত্যা

    শামীম ইসলাম:

    বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় নাতিকে মারধরের প্রতিবাদ করায় প্রতিবেশীরা রাশিদা বেগম (৫৫) নামে এক বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার কাজিরহাট থানাধীন ভোংগা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানান, গাছের নিচে পড়ে থাকা সুপারি নিয়ে রাশিদা বেগমের নাতি তামিমের সঙ্গে প্রতিবেশী এনামুলের ছেলে জিসানের কথা কাটাকাটি হয়। এরপর তামিমকে মারধর করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে জিসানের স্বজনদের মারধরে রাশিদা বেগমের মৃত্যু হয়।

    নিহত রাশিদা বেগমের ছোট ছেলে মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, গাছের নিচে পড়ে থাকা সুপারির মালিকানা নিয়ে গত রোববার দুপুরে প্রতিবেশি রহিম খা আমার ভাই আরিফ হোসেনের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে তামিমকে মারধর করে। নাতিকে মারধরের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে যান আমার মা রাশিদা বেগম। এ সময় রহিম ও তার স্ত্রী তাসলিমা, ছেলে এনামুল, মিরাজ, নাজমুল ও এনামুলের স্ত্রী আসমা একত্রিত হয়ে আমার মাকে (রাশিদা) বেদম মারধর করে বাড়ির পার্শ্ববতী পুকুরে ফেলে দেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মুলাদী হাসপাতালে নেয়া হলে সেখান থেকে বরিশালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। রাতে শের-ই-বাংলা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় আমরা কেউ বাড়িতে ছিলাম না। তাই বাধা দিতে পারেনি। বাড়িতে থাকলে আমার মাকে তারা পিটিয়ে মেরে ফেলতে পারতো না।

    কাজিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুল ইসলাম জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে আরিফ হোসেন বাদী হয়ে কাজিরহাট থানায় হত্যা মামলা করেছেন। ঘটনার পর আসমিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • স্ত্রীকে হত্যা করে ঘুমিয়ে ছিলেন স্বামী

    স্ত্রীকে হত্যা করে ঘুমিয়ে ছিলেন স্বামী

    ঢাকার রামপুরার পূর্ব হাজীপাড়ার বউবাজার এলাকার এক বস্তি থেকে গতকাল রোববার রাতে নূপুর নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁকে শ্বাস রোধে হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ অভিযোগে ওই গৃহবধূর স্বামী দুলালকে শেরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ বলছে, ছোট সংসার ছিল নূপুর (২১) ও মো. দুলালের। পাঁচ বছর বয়সী একমাত্র ছেলে মুন্নাকে নিয়ে তাঁরা ভাড়া থাকতেন ঢাকার রামপুরার পূর্ব হাজীপাড়ার বউবাজার এলাকার এক বস্তিতে। নূপুর ও দুলালের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এরই জের ধরে নূপুরকে হত্যা করে থাকতে পারেন দুলাল। তাঁকে আজ সোমবার ভোরে শেরপুরের শ্রীবর্দী থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের সময় নিজ বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন দুলাল।

    দুলালকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় আনা হচ্ছে—এ কথা জানিয়ে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বলেন, দুলাল রামপুরা এলাকায় রিকশা চালাতেন। তাঁর স্ত্রী নূপুর বিভিন্ন বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। গতকাল রাত ১২টার দিকে থানায় খবর আসে, নূপুরকে হত্যার করে তাঁর স্বামী দুলাল ঘরের দরজা তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নূপুরের লাশ দেখতে পায়।

    তাঁর দুই হাত বাঁধা ও গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল। এরপর দুলালের গতিবিধি শনাক্ত করা হয়। অবস্থানের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে দুলালের গ্রামের বাড়ি অভিযান চালায় রামপুরা থানার পুলিশের একটি দল। আজ ভোরে অভিযানের সময় দুলাল তাঁর বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করে আজ বিকেলের দিকে তাঁকে ঢাকায় আনা হবে।

    হত্যার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ওসি এনামুল হক বলেন, নূপুর পরকীয়ায় জড়িত বলে সন্দেহ করতেন দুলাল। এ নিয়ে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। এর জের ধরে এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে গতকাল সন্ধ্যার দিকে দুজনই একসঙ্গে কাজ শেষ করে তাঁদের ঘরে ঢোকেন। তাঁদের ছেলেটি পাশে মায়ের বাসায় থাকত। নূপুরের লাশ উদ্ধার করে আজ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • জেনে-শুনে-বুঝে মন্তব্য করুন

    জেনে-শুনে-বুঝে মন্তব্য করুন

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার মন্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তাঁর বক্তব্যকে ‘হাস্যকর’ উল্লেখ করে তাঁকে জেনে, শুনে, বুঝে মন্তব্য করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

    আজ সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠানই বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে না, তারা ধোয়া তুলসীপাতা। আমরা বুক ফুলিয়ে স্বীকার করি আমাদের এখানে দুর্নীতি আছে। আমরা ব্যবস্থাও নিই। আমাদের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি গেছে। অনেকের বিভাগ পরিবর্তন হয়েছে। অনেককে অন্য কোথাও চাকরিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ৮ নভেম্বর আয়কর বিভাগে দুর্নীতির উৎস এবং তা প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালা পাঠানো হয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। তাতে দুর্নীতির ১৩টি উৎস এবং সার্বিক দুর্নীতি প্রতিরোধে ২৩ দফা সুপারিশ ছিল। ওই প্রতিবেদন প্রসঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া উষ্মা প্রকাশ করেন। ১১ নভেম্বর আয়কর মেলা নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করলে দুদকেও নানা ধরনের দুর্নীতি বের হবে। তিনি বলেন, শুধু কর ও শুল্ক বিভাগকে লক্ষ্য করে কোনো কিছু করা হলে এবং এসব বিভাগে দুদকের অফিস করতে চাইলে, সেটা হতে দেওয়া হবে না।

    দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘এনবিআরের দুর্নীতি দূর করা, কারণ বা উৎস অনুসন্ধান আমাদের কাজ নয়। কাউকে ধরে জেলে দেওয়াও আমাদের কাজ নয়। আমরা স্পাই (গোয়েন্দা) নই। এটা আপনার কাজ। আপনার দায়িত্ব। আপনি কী ব্যবস্থা নিয়েছেন, “টেল আস” (আমাদের বলুন)।

    ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘সবকিছু স্বীকার করতে সাহস লাগে। ভিশন লাগে। আমরা চাই সবাই দুদকের দুর্নীতির উৎস খুঁজুক। আমরা সবার সমালোচনা ইতিবাচকভাবেই দেখি।’

    আয়কর বিভাগের দুর্নীতির কারণ চিহ্নিত করা ও সুপারিশ প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের কাছে দেওয়া ওই অনুসন্ধান ও সুপারিশের বিষয়টি আমলে নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। তিনি আরও বলেন, ‘এটা শতভাগ সঠিক না-ও হতে পারে। আমরা আমাদের প্রতিবেদনের কোথাও কি লিখেছি যে আমরা এনবিআরে আমাদের অফিস বসাতে চাই? এটা নিয়ে হঠাৎ করা তাঁর (এনবিআর চেয়ারম্যান) মন্তব্য হাস্যকর।

    সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনে যাঁরা জনপ্রতিনিধি হবেন, তাঁরা হলফনামায় সম্পদের সঠিক হিসাব দেবেন বলে তাঁর বিশ্বাস। কেউ সঠিক তথ্য না দিলে তাঁর বিরুদ্ধে দুদক অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না, কোনো দুর্নীতিবাজকে দেশের মানুষ নির্বাচিত করবে। যদি এমন কিছু হয়, তাহলে আমরা আমাদের আওতায় আনার চেষ্টা করব এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনকারীদের চরিত্র জনসমক্ষে তুলে ধরব।’

    দুর্নীতিবাজদের নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার বিষয়ে ইসিতে দুদকের সুপারিশ থাকবে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘না, সুপারিশ আমাদের থাকবে না। কারণ হচ্ছে, আরপিও অনুসারে যে কেউ নির্বাচন করতে পারেন, তাতে আমাদের কিছু করার নেই। সেটার সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। আমরা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ইসিকে কিছু বলব না বা সুপারিশ করব না। এটা তাদের বিষয়। সাজাপ্রাপ্তদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন।

  • পরীক্ষাকেন্দ্রের বদলে লাশঘরে

    পরীক্ষাকেন্দ্রের বদলে লাশঘরে

    বান্ধবীকে নিয়ে রিকশা করে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাচ্ছিল পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী সুমনা আক্তার। মাঝপথে তাদের বহনকারী রিকশাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় টমটম গাড়ি। গুরুতর আহত অবস্থা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। পরীক্ষাকেন্দ্রের পরিবর্তে ১০ বছর বয়সী সুমনার ঠাঁই হয় হাসপাতালের লাশঘরে।

    আজ সোমবার সকাল পৌনে ১০টায় চট্টগ্রাম নগরের ওল্ড পোর্ট মার্কেটের সামনে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে। একই রিকশায় থাকা আরেক পরীক্ষার্থী ফারজানা আক্তার বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন। সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে বাংলা পরীক্ষা ছিল।

    চট্টগ্রাম নগরের বন্দরের ঘাসফুল প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিল সুমনা আক্তার। সে পোর্ট কলোনির বাসিন্দা ও ট্রাকচালক মো. বাবর উদ্দিনের মেয়ে। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয় সুমনা। বাসা থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে হালিশহর মকবুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাদের পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল।

    গাড়িচাপায় মেয়ে সুমনা আক্তারের মৃত্যুসংবাদ শুনে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন মা নাসিমা আক্তার। সঙ্গে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা ছিলেন। সবার আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে হাসপাতালের পরিবেশ।

    সোমবার বেলা ৩টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের লাশঘরের সামনে নির্বাক হয়ে বসে ছিলেন নাসিমা আক্তার। মাঝেমধ্যে ‘আমার মেয়ে কই’ বলতে বলতে বিলাপ শুরু করেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে থাকেন, ‘মা রে, তুই কেমনে চলে গেলি। তোকে ছাড়া আমি কীভাবে থাকব। এখন আমাকে মা ডাকবে কে।

    মেয়েকে নিয়ে বিভিন্ন স্মৃতির কথা মনে পড়লেই আহাজারি শুরু করেন নাসিমা আক্তার। তিনি বলেন, সকালে পড়লে মেয়ের পড়া মনে থাকে। তাই ভোরেই ঘুম থেকে ডেকে দিয়েছিলেন। পড়া শেষ হলে স্নান করে আর ভাত খেয়ে বিদায় নেয়। ঘর থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মেয়ের মৃত্যু হবে, তা কিছুতেই মানতে পারছিলেন না তিনি। মেয়েকে নিয়ে তাঁর সব স্বপ্ন শেষ।

    পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য সুমনাদের রিকশা ঠিক করে দেন প্রতিবেশী জসিম উদ্দিন। তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না সুমনার মৃত্যু। তিনি বলেন, তাঁর মেয়েও এবার পরীক্ষা দিচ্ছে। নিজের মেয়ে ও সুমনাকে আলাদা আলাদা রিকশায় তুলে দিয়ে বাসায় চলে আসেন। কিছুক্ষণ পরেই গাড়ি চাপায় সুমনার আহত হওয়ার খবর শোনেন। এরপরই হাসপাতালে ছুটে আসেন। কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে গেছে।

    চালক পলাতক। তবে টমটম গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে বলে বন্দর থানা-পুলিশ জানায়।

  • জেলা প্রশাসনের অভিযান : অবৈধ বিলবোর্ড অপসারণ

    জেলা প্রশাসনের অভিযান : অবৈধ বিলবোর্ড অপসারণ

    শেখ সুমন :

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী গত রবিবার রাতে শেষ হয়েছে বিলবোর্ড, সাইনবোর্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণের সময়সীমা। বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে যারা সংশ্লিস্ট বিলবোর্ড, ব্যানার, পোস্টার অপসারণ করেনি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অবৈধ ওইসব সামগ্রী অপরসরণে মাঠে নেমেছে প্রশাসন।

    আজ সোমবার দুপুরে বরিশালের রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানের নির্দেশে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোজাম্মেল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। তবে এর আগেই নগরীর অধিকাংশ স্থানের বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন এবং পোস্টার অপসরণ হয়ে গেছে। এ কারণে আজকের অভিযানে কারো বিরুদ্ধেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

  • মির্জা আব্বাসের বাসার সামনে কয়েকজনকে আটকের অভিযোগ

    মির্জা আব্বাসের বাসার সামনে কয়েকজনকে আটকের অভিযোগ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বাসার সামনে থেকে তাঁর দলের কর্মীদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর স্ত্রী ও মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। তবে পুলিশ বলছে, এ রকম কিছু তারা জানে না। রাজধানীর শাহজাহানপুরের বাসার সামনে থেকে আজ রোববার বিকেল চারটার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে সাংবাদিকদের জানান আফরোজা আব্বাস।

    নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও সংঘর্ষের তিন মামলায় আজ মির্জা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাস হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেন।

    আফরোজা আব্বাস বলেন, ‘নয়াপল্টনের ঘটনায় মামলা থেকে আগাম জামিন নিয়ে ফিরছিলাম। তখন বাসা থেকে খবর পেলাম বাসার চারদিকে সাদাপোশাকের পুলিশ ঘেরাও করেছে।’ তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির অনেক কর্মীই এখন তাঁর বাসায় আসা-যাওয়া করছেন, কাজ করছেন। তাঁদের সঙ্গেও অনেকে কোর্টে গিয়েছিলেন। বাসা থেকে কোনো কর্মী বের হলে তাঁকেই গ্রেপ্তার করেছে।

    আফরোজা আব্বাস অভিযোগ করেন, অন্তত সাত থেকে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাউকে কাউকে মারধর করা হয়েছে। তবে কারা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোন সদস্যরা তাঁদের নিয়ে গেছেন, তা তিনি জানাতে পারেননি।

    আফারোজা আব্বাস বলেন, ‘আমরা কি নির্বাচন করব না? এভাবে ভয় দেখালে, অত্যাচার করলে, লেভেল প্লেয়িংয় ফিল্ড হলো না।

    এ বিষয়ে শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, এ রকম কোনো কিছু তিনি জানেন না। তাঁর থানাসংশ্লিষ্ট কেউ সেখানে যাননি।

  • ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, বাংলাদেশ দল মাঠে গেল বিকল্প সড়কে

    ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, বাংলাদেশ দল মাঠে গেল বিকল্প সড়কে

    চট্টগ্রাম নগরের ওমরগণি এমইএস কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে আজ রোববার সংঘর্ষ হয়েছে। এ কারণে ২৫ মিনিট দেরিতে বিকল্প সড়ক হয়ে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলন করতে যেতে হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেন নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ান। তিনি বলেন, বেলা ১টার দিকে হোটেল রেডিসন ব্লু  চিটাগাং বে ভিউ থেকে ক্রিকেটারদের বাস ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই সময়েই এমইএস কলেজের সামনে ঝামেলা শুরু হয়। তাই ঝুঁকি এড়াতে ১টা ২৫ মিনিটে ক্রিকেটারদের বিকল্প সড়ক দিয়ে মাঠে নেওয়া হয়।

    সূত্র জানায়, সাধারণত হোটেল থেকে জাকির হোসেন সড়ক হয়ে মাঠে যায় ক্রিকেটারদের বহনকারী বাস। আজ এই সড়কের বদলে আমবাগান হয়ে মাঠে যান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে অংশ নিতে চট্টগ্রামে অবস্থান করা ক্রিকেটাররা।

    পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সিনিয়রের সামনে জুনিয়র কর্মীর সিগারেট খাওয়া নিয়ে ওমরগণি এমইএস কলেজে গতকাল শনিবার দুপুরে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এ ঘটনার জের ধরে আজও দুই পক্ষ মারামারিতে জড়ায়। পরে পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দিলে এক পক্ষ জিইসি মোড় এলাকায় দুটি দোকানে ভাঙচুর চালায়। এ সময় কয়েকটি ককটেলও ফাটায় তারা।

    আজ বেলা দেড়টার দিকে জিইসি মোড় এলাকার সাদিয়াচ কিচেন নামের একটি খাবারের দোকান এবং হোসাইন লাইটিং নামের একটি ঝাড়বাতি বিক্রির দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়। ভাঙচুরের পরপরই দোকান বন্ধ করে দেন দোকানের কর্মচারীরা। বিকেল চারটার দিকেও তাঁদের আতঙ্কিত দেখা গেছে। দুটি দোকানের সামনেই পুলিশ অবস্থান করছিল।

    সাদিয়াচ কিচেনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি। এক কর্মচারী বলেন, হঠাৎ করে ইট ও পাথর মারতে থাকেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। সঙ্গে ককটেলও ফাটানো হচ্ছিল।

    এ সময় তাঁদের এবং দোকানে আসা ক্রেতাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তাঁরা দোকানের পেছনের দিকে আশ্রয় নেন। শুধু এবার নয়, এর আগেও চার-পাঁচবার ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হোসাইন লাইটিংয়ের ব্যবস্থাপক সাইদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘নিজেদের মধ্যে কিছু হলেই আমাদের দোকান ভাঙচুরের চেষ্টা চালানো হয়। প্রথমদিকে ছোট পাথর ও ইটের টুকরা দোকানের দিকে ছুড়ে মারা হয়। কিন্তু তাতে কাচ না ভাঙলে তাঁরা বড় বড় ইটের টুকরা ছুড়ে মারেন। এতে সামনের কাচসহ দোকানের মালামাল ভেঙে গেছে।’ এ ঘটনায় মামলা করবে কি না, এমন প্রশ্ন করা হলে সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘মামলা করলে এ জায়গায় থাকতে পারব?

    সিগারেট খাওয়া নিয়ে কলেজের ছাত্রলীগের সিনিয়র ও জুনিয়র নেতা-কর্মীদের মধ্যে মারামারির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঘটনাস্থলে থাকা খুলশী থানার উপপরিদর্শক নুর উদ্দিন। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ নাসির উদ্দিন বলেন, পুলিশ ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দিলে তারা দুটি দোকান ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওমরগণি এমইএস কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ উদ্দিন বলেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। আমরা দুই পক্ষের সঙ্গে বসে সমাধানের চেষ্টা করছি।

  • থার্টি ফার্স্ট নাইট’ উদযাপনে নিষেধাজ্ঞা

    থার্টি ফার্স্ট নাইট’ উদযাপনে নিষেধাজ্ঞা

    সংসদ নির্বাচনের কারণে এবার ‘থার্টি ফার্স্ট নাইটে’ সব ধরনের উদযাপনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘৩০ তারিখ আমাদের নির্বাচন। পরদিন থার্টি ফার্স্ট নাইট। এ কারণে কোনো জনসমাগমস্থল, খোলা জায়গা বা ছাদে কাউকে কোনো ধরনের উদযাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত থাকবে। কাজেই আমরা নিরুৎসাহিত করছি কোনো জায়গায় যেন থার্টি ফার্স্ট নাইটের অনুষ্ঠান না হয়।’ থার্টি ফার্স্টে কোথাও কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করে সেখানে ডিজে পার্টি করা, আতশবাজি কিংবা পটকা ফোটানো যাবে না বলেও জানান তিনি।

    আসাদুজ্জামান খান বলেন, উদযাপন নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের হোটেল ও বার ছাড়া সব বার-হোটেলে ৩১ ডিসেম্বর বিকেল থেকে ১ জানুয়ারি বিকেল পর্যন্ত বিয়ার-ওয়াইন এবং এ ধরনের পানীয় নিষিদ্ধ থাকবে। তিনি আরও জানান, এ দিনে লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র বহন নিষিদ্ধ থাকবে।

    খ্রিষ্টানদের সবচেয়ে বড় উৎসব ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন উদযাপনে আতশবাজি ও পটকাবাজি নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ওই দিন দেশজুড়ে প্রায় তিন হাজার গির্জায় নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া ২৫ ডিসেম্বর ও ৩১ ডিসেম্বর কূটনৈতিক পাড়া গুলশান-বনানী-বারিধারায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।