Category: প্রশাসন

  • শহিদুল আলমের জামিন আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার

    শহিদুল আলমের জামিন আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার

    তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের জামিন আবেদনের ওপর কাল বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আরজির পরিপ্রেক্ষিতে শুনানির এ দিন ধার্য করেন।

    শুনানি নিয়ে ১ নভেম্বর হাইকোর্টের অপর একটি দ্বৈত বেঞ্চ জামিন আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। এরপর শহিদুল আলমের আইনজীবীরা আবেদনটি ওই বেঞ্চে উপস্থাপন করেন, যা আজ বেলা দুইটায় শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ছিল।

    আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সারা হোসেন ও জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যার্টনি জেনারেল মো. আলী জিন্নাহ। পরে মো. আলী জিন্নাহ বলেন, অ্যার্টনি জেনারেল শুনানি করবেন। তিনি অসুস্থ থাকায় এক দিন সময় চাওয়া হয়। আদালত বৃহস্পতিবার বেলা দুইটায় শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন।

    ওই মামলায় শহিদুল আলমের জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ অক্টোবর বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল দেন। কেন তাঁকে জামিন দেওয়া হবে না রুলে তা জানতে চাওয়া হয়। এই রুলের ওপর এখন শুনানি হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ‘উসকানিমূলক মিথ্যা’ প্রচারের অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে ১২ আগস্ট শহিদুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন নিম্ন আদালত। এর আগে গত ৫ আগস্ট রাতে তাঁকে ধানমন্ডির বাসা থেকে তুলে নেয় ডিবি। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন। ওই মামলায় ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শহিদুল আলমের জামিন নাকচ করেন। পরে গত ১৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন তিনি।

  • সাততলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে প্রান গেলো শিশুটির

    সাততলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে প্রান গেলো শিশুটির

    রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের একটি সাততলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে এক শিশু মারা গেছে। আজ বুধবার বিকেলে ছাদে খেলতে গিয়ে শিশুটি পড়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়।

    মারা যাওয়া শিশুটির নাম মিনহাজ। তার মায়ের নাম নাসরিন আকতার। মিনহাজের বাবা মিজানুর রহমান বেসরকারি একটি ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানিতে চাকরি করেন। তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা সদর উপজেলার নন্দীপুর গ্রামে। পরিবারসহ ওই বাসার ছাদের একটি কক্ষে ভাড়া থাকেন মিজানুর রহমান।

    শিশুটির মা নাসরিন আকতার বলেন, সাততলা ভবনের ছাদের ওপর একটি রুমে তারা ভাড়া থাকেন। বিকেলে তাঁর ছেলে খেলছিল, আর তিনি নামাজ পড়ছিলেন। নামাজ শেষে মিনহাজের আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তাকে খুঁজতে খুঁজতে ভবনের নিচে গিয়ে দেখা যায় সে পড়ে আছে। মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতাল নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, শিশুটির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

  • বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে দেখে ভারত আনন্দিত: শ্রিংলা

    বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে দেখে ভারত আনন্দিত: শ্রিংলা

    বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে দেখে ভারত আনন্দিত। তিনি বলেন, তাঁরা চান বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ধারা সব সময় অব্যাহত থাকুক এবং নির্ধারিত সময়ে সবার অংশগ্রহণে ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন হোক।

    সচিবালয়ে আজ বুধবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসে হাইকমিশনার এ কথা বলেন।
    এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সরকার সংবিধানসম্মতভাবে সব দলের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের জন্য সর্বদা বদ্ধপরিকর। সব দল নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে সর্বোচ্চ বন্ধুত্বমূলক সম্পর্ক বিরাজ করছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও উচ্চমাত্রায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণও স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের অবদানকে সব সময় কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে।

    ভারতের হাইকমিশনার বলেন, তাঁদের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে বাংলাদেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তালিকার শীর্ষে রেখেছে ভারত।

    ভারত মনে করে বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে এই অঞ্চলের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। এ সময়ে মোহাম্মদ নাসিম জানান, ভারত সরকারের সহযোগিতায় যশোর, পাবনা, নোয়াখালী, কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও জামালপুরে ছয়টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন। দেশে নতুন ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করার ক্ষেত্রে সে দেশের সরকারের সহযোগিতার কথা এ সময় স্মরণ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, শুধু স্বাস্থ্য খাত নয়, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভারতের অবদান দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নে প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে।

    হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষার সাম্প্রতিক মানোন্নয়নের জন্য সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিবছর ভারত থেকে আসা শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলো থেকে পাস করে দেশে ফিরে গিয়ে মানসম্মত সেবা দিতে সক্ষম হচ্ছে।

    এ সময়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ভারতীয় হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • আদালতে ব্যস্ত রাখলে নির্বাচন করব কীভাবে: খালেদা

    আদালতে ব্যস্ত রাখলে নির্বাচন করব কীভাবে: খালেদা

    বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আদালতের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আমাদেরকে আদালতে ব্যস্ত রাখলে নির্বাচন করব কীভাবে? অনেক প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে আমাদের এগোতে হচ্ছে। তার ওপর বারবার আদালতে আসতে হলে বলে দেন আমরা নির্বাচনে না যাই।’

    ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এ নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানির সময় খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন।

    মামলার অন্যতম আসামি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদও নির্বাচনী কাজে ব্যস্ততার কথা বলে মামলার কার্যক্রম নির্বাচন পর্যন্ত মুলতবি রাখার আরজি জানান।

    এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘মাননীয় আদালত, মওদুদ সাহেবের জন্য এই মামলা প্রায় দুই বছর পিছিয়েছে। গত ৮ তারিখ উনি বলেছিলেন, আজ ওনার বক্তব্য শেষ করবেন। কিন্তু আজ উনি বলছেন মামলার কার্যক্রম মুলতবি করার কথা। নির্বাচন কিংবা রাজনীতির সঙ্গে এই মামলার সম্পর্ক নেই।’

    এ সময় খালেদা জিয়া বলেন, ‘রাজনীতির সঙ্গে এ মামলার সম্পর্ক আছে। আইনজীবীরা অনেকেই নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। অন্য আইনজীবীদেরও নির্বাচনী কাজে ব্যস্ততা থাকবে। কয়েক দিন পর এদের কেউই আদালতে আসতে পারবেন না। আমি নিজেও পারব না। আমার শরীরটা ভালো নয়। তাই মামলার তারিখ পিছিয়ে নির্বাচনের পর দেওয়া হোক।’

    খালেদা জিয়ার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘আপনি আপনার অবস্থান থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন। আমরা আদালতের কার্যক্রম চালাতে চাই।’

    এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা একযোগে রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্যের প্রতিবাদ ও হইচই শুরু করলে বিচারক মাহমুদুল কবির বলেন, ‘আপনাদের সব বক্তব্যই বিবেচনা করা হবে। এখন মওদুদ সাহেব বক্তব্য শুরু করুন।

    আদালতের নির্দেশে মওদুদ আহামদ আগের দিনের দিনের বক্তব্য পুনরুল্লেখ করেই দিনের কার্যক্রম শেষ করার আরজি জানালে আদালত বলেন, ‘আপনি আজ বক্তব্য শেষ করবেন বলেছিলেন। কিন্তু এখন আদালতের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে যে আপনি শেষ করতে চান না। তাই আগামী ৩ ডিসেম্বর নতুন তারিখ ধার্য করা হচ্ছে।’

    মওদুদ আহামদ ৩ জানুয়ারি তারিখ ধার্য করার আরজি জানান। তিনি বলেন, ‘৩০ নভেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই। তারপর তো আমরা ঢাকায়ই থাকব না।’ খালেদা জিয়াও নির্বাচনের পর তারিখ নির্ধারণের জন্য বলেন। এ নিয়ে কথাবার্তার মধ্যে বিশেষ আদালতে উপস্থিত হন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন ও সম্পাদক মাহবুবউদ্দিন খোকন।

    তাঁরা দুজনই নির্বাচনের পর মামলার তারিখ নির্ধারণের জন্য আদালতে আরজি জানান। জয়নুল আবেদীন বলেন, গত রোববার সুপ্রিম কোর্টে এ ধরনের যতগুলো মামলা ছিল তার একটিরও কার্যক্রম চলেনি। আদালতই বলেছেন, যেহেতু নির্বাচন, সেহেতু এই মামলাগুলো এখন শুনবেন না। তাই বিশেষ আদালতের এই মামলার শুনানিও নির্বাচনের পর ধার্য করার অনুরোধ করেন তিনি।

    শেষ পর্যন্ত আদালত ৩ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

    আজ দুপুর ১২টায় খালেদা জিয়া হুইল চেয়ারে করে নারী পুলিশ পরিবেষ্টিত অবস্থায় আদালতকক্ষে ঢোকেন। হালকা ফিরোজা রঙের শিফন শাড়ি পরা খালেদার সঙ্গে ছিলেন তাঁর পরিচারিকা ফতেমা। শুনানির পর তাঁকে আবার জেলখানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    নাইকো দুর্নীতি মামলার ১১ আসামি হচ্ছেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব কামালউদ্দিন সিদ্দিকী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত জ্বালানিসচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, নাইকোর (দক্ষিণ এশিয়া) সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ, তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া, সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ইউসুফ হোসেন, মীর মঈনুল হক ও শফিউর রহমান।

    এর মধ্যে কামালউদ্দিন সিদ্দিকী, কাশেম শরীফ ও মীর মঈনুল হক পলাতক। শফিউর রহমান মারা গেছেন। জামিনে থাকা খন্দকার শহীদুল ইসলাম ও সেলিম ভূঁইয়া আজ আদালতে হাজির ছিলেন না।

  • পুলিশের ওপর বিএনপি কর্মীদের হামলা পরিকল্পিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    পুলিশের ওপর বিএনপি কর্মীদের হামলা পরিকল্পিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র হিসেবে নয়াপল্টনে বিএনপি পার্টি অফিসের সামনে পুলিশের ওপর বিএনপি কর্মীদের হামলা পরিকল্পিত।

    আজ বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, একটা নাশকতা সৃষ্টির মাধ্যমে ধুম্রজাল তৈরি করে নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র এটা।

    হামলাকারীদের ভিডিও ফুটেজ দেখে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

  • মায়ের সাথে অভিমানে স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা

    মায়ের সাথে অভিমানে স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা

    কলাপাড়া প্রতিনিধি//মোঃ হানিফ খান:

    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মায়ের সাথে অভিমানে গলায় ফাঁস লাগিয়ে সুখি (১২) নামের এক স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।

    ঘড়ের আড়ার সাথে ওড়না জড়িয়ে গলায় ফাঁস নেয় ওই স্কুল ছাত্রী। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করেছে কলাপাড়া থানা পুলিশ।

    সুখী বরগুনার আমতলী উপজেলার আমরাগাছিয়া গ্রামের দিনমজুর সেরাজুল ফকিরের মেয়ে। সেরাজুল কলাপাড়া পৌর শহরের রহমতপুর এলাকায় ভাড়াটিয়া বাসায় থাকতেন। নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশীদের সূত্রে জানা যায়, সুখি নারায়ণগঞ্জের পাগাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী।

    কলাপাড়া থানা ওসি (তদন্ত) আলী আহম্মেদ জানান, মেয়েটি ঢাকায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে ছিল। কিন্তু মা যেতে বাধা দেওয়া ঘরের দরজা বন্ধ করে আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেছিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। লাশ উদ্বার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হবে।

  • মনোনয়ন ফরম ছিঁড়ে ফেললেন খালেদা জিয়া

    মনোনয়ন ফরম ছিঁড়ে ফেললেন খালেদা জিয়া

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন করতে চান না জানিয়ে নিজের জন্য কেনা দলীয় মনোনয়ন ফরম ছিঁড়ে ফেলেছেন বিএনপির কারাবন্দী চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। তবে আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটকে নির্বাচনে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন তিনি।

    সোমবার দুপুরের পর কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসময় খালেদা জিয়ার জন্য একাধিক আসনে কেনা দলীয় মনোনয়নপত্র তার হাতে তুলে দেন মির্জা ফখরুল।

    এরপর খালেদা জিয়া বলেন, শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাবো না বলেই ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির তথাকথিত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিনি। এখনও তার অধীনে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই না। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দলগতভাবে আপনারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। আর জোট নেতাদের সাথে এমন আচরণ করবেন যাতে নির্বাচনী ঐক্য বিনষ্ট না হয়।

    কারাগারে খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে যাওয়া বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‌‘শুরুতেই মির্জা ফখরুল বলেন, ম্যাডাম- নির্বাচনী আমেজ উপলক্ষে আজ আমাদের উৎসবের দিন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজ আমরা খুবই শোকাহত, কারণ আপনি আজ কারাবন্দী। তবে আমরা সবসময় আপনাকে আমাদের সামনে আছেন বলেই ভাবি। এজন্য আপনার জন্য আমরা তিনটি আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছি।

    এসময় কারাকক্ষে সুনসান নীরবতা চলছিল। নীরবতা ভেঙে খালেদা জিয়া বললেন, আপনাদের কি মনে হয় আমার নির্বাচনে যাওয়া উচিত? মির্জা ফখরুল বললেন, ম্যাডাম আমরা তো আপনাকে ছাড়া নির্বাচন কল্পনা করতে পারছি না। এরপরও আপনি যা ভালো মনে করেন, সেই সিদ্ধান্ত অবশ্যই নিতে পারেন।

    এরপর খালেদা জিয়া একে একে সবগুলো ফরম ছিঁড়ে ফেললেন। জানালেন, আমি শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাই না। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন করলে অনেক আগেই অংশগ্রহণ করতাম। তবে এখনকার পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে আপনারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।’

    বিএনপির ওই নেতা বলেন, এছাড়াও খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত নানা বিষয়ে ওই সাক্ষাতে আলোচনা হয়েছে। খালেদা জিয়া অনেক ধরনের অসুস্থতা বোধ করছেন বলেও জানিয়েছেন। একতরফা নির্বাচন করতেই তফসিলের আগে ভয় পেয়ে তাকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেছেন।

    সোমবার বিকেল পৌনে তিনটার দিকে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমির উদ্দিন সরকার ও মির্জা আব্বাস। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর আজই প্রথমবারের মতো দলটির নেতারা খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ পেলেন।

    এর আগে সোমবার সকালে নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র সংগ্রহের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু করে বিএনপি। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে খালেদা জিয়ার জন্য তিনটি আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে।

    ফেনী-১ আসনে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর পরে বগুড়া সদর-৬ আসনে খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বগুড়া-৭ থেকেও নির্বাচন করবেন খালেদা জিয়া। এ আসনে খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

    পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে এসে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও কথা বলেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনী ঐক্য সুসংহত রাখতে কারাগার থেকে জোট নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।

    এছাড়া মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, কারাগারে বেগম খালেদা জিয়াকে দু’দিন ধরে থেরাপি দেয়া হচ্ছে না। তবে আজ থেরাপি দেয়া হতে পারে বলে জানান তিনি।

  • নয়াপল্টনে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিল বিএনপি নেতাকর্মীরা

    নয়াপল্টনে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিল বিএনপি নেতাকর্মীরা

    রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও একটি গাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন নেতাকর্মীরা।

    সংঘর্ষের সময় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের আশায় বুধবার সকাল ১০টা থেকে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে নেতাকর্মীদের ভিড়ে রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। বেলা ১টার দিকে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ছোড়ে। এ সময় সংঘর্ষ বেধে যায়।

    কিছুক্ষণ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলতে থাকে। পুলিশ মারমুখী হলে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন। এ সময় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেন বিএনপি কর্মীরা।

    এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের একজনকে আঞ্জুমানে মফিদুলের গাড়িতে করে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।

    বেলা ১টা ৩০ মিনিটে এ প্রতিবেদন লেখার সময় দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছিল। এ সময় অনেক নেতাকর্মী দৌড়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে গিয়ে অবস্থান নেন।

    কার্যালয়ে অবস্থান করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। এ সময় মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারাও কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে প্রার্থী দিতে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করছে বিএনপি। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তৃতীয় দিনের মতো চলছে মনোনয়ন ফরম বিক্রি।

    মনোনয়ন ফরম বিক্রির তৃতীয় দিনে আজ বুধবার সকালের দিকে বিএনপি নেতাকর্মীদের ভিড় ছিল। অনেকেই কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করছিলেন। কর্মী-সমর্থকরা নেতার ফরম সংগ্রহের সময় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছিলেন ও স্লোগান দিচ্ছিলেন। এ সময় সংঘর্ষ বেধে যায়।

    আজ সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্থাপিত ১০টি বুথে একযোগে এ মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    সকাল থেকেই নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে পুলিশের উপস্থিতি বেশি ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা কিছুটা ভীতসন্ত্রস্ত। গত দুদিনের মতো স্লোগানে ফেটে পড়ছেন না তারা।

  • সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ দেবেন: সিইসি

    সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ দেবেন: সিইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, যে যেই অবস্থানে থাকুক না কেন, প্রার্থীকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে হবে। সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ দিতে হবে। আইনগতভাবে কেউ যেন বঞ্চিত না হন, আবার কেউ যেন বাড়তি সুবিধা না পান।

    আজ বুধবার সকালে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে তাঁদের উদ্দেশে সিইসি এসব কথা বলেন।

    কে এম নুরুল হুদা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বলেন, ‘প্রার্থী ও রাজনীতিবিদদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখবেন। তাতে তাঁদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়া যাবে। পেশা ও দায়িত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। কেউ যেন নির্বাচনী আচরণবিধি অমান্য করতে না পারে, সেটা দেখবেন।

    সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিইসি আরও বলেন, ‘ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনাদের। কেন্দ্রগুলো জনগণের সুবিধাজনক জায়গায় স্থাপন করবেন। প্রার্থী ও প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে যদি কেন্দ্র থাকে এবং সেটা নিয়ে যদি আপত্তি থাকে, তবে তা ঠিক করা আপনাদের কাজ।

  • ৩ বছরের কারাদণ্ড ডেসটিনি চেয়ারম্যানের

    ৩ বছরের কারাদণ্ড ডেসটিনি চেয়ারম্যানের

    সম্পদের হিসাব জমা না দেওয়ার মামলায় ডেসটিনির চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ হোসেনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক শেখ গোলাম মাহবুব এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় হোসেনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

    পরে দুদকের কৌঁসুলি মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, সম্পদের হিসাব না দেওয়ায় ডেসটিনির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া আদালত তাঁকে এই সাজা দেন।

    মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার জন্য মোহাম্মদ হোসেনকে ২০১৬ সালের ১৬ জুন নোটিশ দেয় দুদক। তখন হোসেন অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন। আইনজীবীর মাধ্যমে দুদকের নোটিশ গ্রহণ করলেও সম্পদের হিসাব জমা দেননি। ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক সালাউদ্দিন বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলা করেন।

    পরের বছর ২০১৭ সালের ৬ জুন মোহাম্মদ হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। আদালত এই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত বছরের ১৫ অক্টোবর হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ মামলায় ৫ জনের সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।