Category: প্রশাসন

  • লামিয়ার পাশে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ

    লামিয়ার পাশে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ

    বরিশাল শহরে লামিয়া আক্তার মারিয়া (১২) নামে এক শিশু গৃহপরিচারিকার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে বাসার লোকজন। গত মাস তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে দিনের পরে দিন এই বর্বরতা চালানো হয়েছে। সোমবার (১৫ অক্টোবর) রাতে শহরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের মদিনা মসজিদ এলাকা থেকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম শিশুটিকে উদ্ধার করেছে।

    সেই সাথে ওই বাসার গৃহকর্ত্রী শারমিন আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে এসময় গৃহকর্তা এনজিওকর্মী আশরাফুল চৌধুরীকে বাসায় পায়নি পুলিশ।

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর গ্রামের ইকবাল সরদারের মেয়ে শিশু লামিয়া আক্তার মারিয়া গত ৪ মাস আগে বাসার টুকিটাকি কাজ করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিয়ে আসেন আশরাফুল চৌধুরী ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার।

    কিন্তু অভিযোগ রয়েছে- মেয়েটিকে নিয়ে আসার পরে বাসার সমস্ত কাজ করানো হচ্ছিল। সেই কাজে কোন ধরনের ত্রুটি হলে একটি কক্ষে আটকে অমানুষিক নির্যাতন করতেন এনজিওকর্মী আশরাফুল চৌধুরী ও তার শারমিন আক্তার। সর্বশেষ শিশুটিকে বেধম মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থান ক্ষতবিক্ষত করেছে। এমনকি দুটি চোখের উপর ও নিচের অংশও মারধরে ফুলে রক্ত জমাট বাধে। কিন্তু তাকে কোন ধরনের চিকিৎসা না দিয়ে আবারও নির্যাতন করা হয়।

    এই বিষয়টি সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউনুস ফরাজির নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। সেই অভিযানে শিশু লামিয়াকে উদ্ধার ও গৃহকর্ত্রী শারমিন আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ওই সময় গৃহকর্তা আশরাফুল চৌধুরীকে পাওয়া যায়নি।

    বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের সহকারি কমিশনার (এসি) নাসির উদ্দিন মল্লিক জানিয়েছেন- এই ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতির পাশাপাশি পলাতক গৃহকর্তাকে গ্রেপ্তারে কাজ করা হচ্ছে।

    সেই সাথে নির্যাতনের শিকার শিশুটির মা বাবাকে খবর দেওয়া হয়েছে। তদের কাছে শিশুটিকে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান এসি।’

  • পুলিশকে হুমকি দেওয়া শাওন এখন পুলিশ হেফাজতে

    পুলিশকে হুমকি দেওয়া শাওন এখন পুলিশ হেফাজতে

    শেখ সুমন :

    গত ২৭/৯/২০১৮ তারিখ রেজিস্ট্রেশন ও হেডলাইটবিহীন একটি মোটরসাইকেলের বেপরোয়া চালককে আটকে ঠিকভাবে গাড়ি চালানোর পরামর্শ দেয়ায় লাঞ্ছিত হতে হয় বরিশাল মেট্রোপলিটনে পুলিশের এক সদস্যকে।

    প্রায় একমাস { ১৯ দিন } পরে গ্রেফতার করা হয় লাঞ্ছনাকারী, বকাটে , মাদক সেবনকারী ও মাদক বিক্রেতা পুলিশকে হুমকি দেওয়া শাওন খান (২৩) কে ।আজ ১৬/১০/১৮ তারিখে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    লাঞ্ছনাকারী শাওন খান বরিশাল নগরীর বাংলাবাজার এলাকার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে।

    গত ২৭/৯/২০১৮ তারিখ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওটিতে দেখা যায়, বাংলাবাজার এলাকার নিউ হাউস রোডে নগরীর অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে (কালো শার্ট পরিহিত) বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালনা করায় তাকে ঠিকভাবে মোটরসাইকেল চালানোর পরামর্শ দিতে থাকেন একজন পুলিশ সদস্য।

    এমনকি সেই মোটরসাইকেলটির রেজিস্ট্রেশন ও হেডলাইটও ছিল না। একপর্যায়ে ওই এলাকার একজন ব্যক্তি (লাল টি শার্ট পরিহিত) সিগারেট হাতে নিয়ে মোটরসাইকেলটির পাশে এসে বলেন মোটরসাইকেলটি তার। একপর্যায়ে ওই পুলিশ সদস্যর পরিচয় জানতে চায় লাল টি শার্ট পরিহিত ব্যক্তি।

    কিছুক্ষণ পর সে আওয়ামী লীগের লোক বলে পরিচয় দেয় এবং তার কাছে র‌্যাব পুলিশ কোনো ব্যাপার না বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। কাউকে নিয়ম না শেখার জন্যও বলতে থাকে।

    একপর্যায়ে রাস্তার পাশে থাকা পুলিশ সদস্যর মোটরসাইকেলটিও ভাঙচুর করে এবং ওই পুলিশ সদস্যকে লাঞ্ছিতও করে আওয়ামী লীগ নেতা পরিচয় দেয়া লাল টি শার্ট পরিহিত ওই যুবক।

    কিন্তু বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধীক নেতার সাথে কথা বলে যানা জায় শাওন খান ওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের কোনটার সাথে জরীত নন।

    https://youtu.be/O03Hmk0MvPY

  • ইসির বিরুদ্ধে বাকস্বাধীনতা হরণের অভিযোগ মাহবুবের

    ইসির বিরুদ্ধে বাকস্বাধীনতা হরণের অভিযোগ মাহবুবের

    সভায় বক্তব্য দিতে না দেওয়ায় ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা আপত্তি দিয়ে তা বর্জন করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। আজ সোমবার সকালে শুরু হওয়া নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সভা শুরুর ৫ মিনিটের মধ্যে তা বর্জন করেন এই নির্বাচন কমিশনার।

    ‘নোট অব ডিসেন্টে’ মাহবুব তালুকদার লিখেছেন, ‘বাকস্বাধীনতা ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা সংবিধানপ্রদত্ত আমার মৌলিক অধিকার। নির্বাচন কমিশন কোনোভাবেই আমার এই অধিকার খর্ব করতে পারে না।’ তিনি বলেন, ‘এমতাবস্থায় অনন্যোপায় হয়ে আমি নির্বাচন কমিশনের এরূপ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নোট অব ডিসেন্ট প্রদান করছি এবং এর প্রতিবাদস্বরূপ কমিশনের সভা বর্জন করছি।’

    মাহবুব তালুকদার বলেন, গত বছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত কমিশন অংশীজনের সঙ্গে অর্থাৎ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপের আয়োজন করে। এতে ৪০টি দল অংশ নেয়। এসব দলের প্রস্তাব ও সুপারিশ নিয়ে এখন পর্যন্ত কমিশনের বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। এ কারণে তিনি তা পর্যালোচনা করে কমিশনের সভায় উত্থাপন করার অনুরোধ জানান।

    এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, তিনি যেন কমিশন সভায় প্রস্তাবগুলো উত্থাপন করতে না পারেন, সে জন্য অপর তিনজন নির্বাচন কমিশনার প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) অনুরোধ জানান। সিইসি ওই তিনজন কমিশনারের সঙ্গে একমত পোষণ করে বক্তব্য উপস্থাপন করতে দেননি। এই সিদ্ধান্তে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বিস্মিত ও মর্মাহত হয়েছেন বলে ‘নোট অব ডিসেন্টে’ উল্লেখ করেন।

    নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্র জানায়, মাহবুব তালুকদার তাঁর বক্তব্য নির্বাচনে সেনা মোতায়েন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি, সরকারের জন্য নির্বাচন নিয়ে সংলাপসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলেন।

    আপত্তির কথা জানিয়ে আজকের বৈঠকে যোগ দিয়েই বেরিয়ে যান নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। আজ বেলা ১১টা ১০ মিনিটে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক শুরু হয়। চলে বিকেল পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার আর বৈঠকে যোগ দেননি।

    বৈঠক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকেরা তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। সভা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন কি না, জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব বলেন, ‘হ্যাঁ’। কোনো বিষয়ে কোনো নোট অব ডিসেন্ট বা আপত্তি দিয়েছেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’।

    কী বিষয়ে আপত্তি দিয়েছেন? জানতে চাইলে মাহবুব তালুকদার কোনো উত্তর দেননি।

    মাহবুব তালুকদার সভা থেকে বেরিয়ে গেলেও সভার কাজ চলেছে। সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, কমিশন সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ ও অন্য কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

    আজ প্রায় দেড় মাস পর নির্বাচন কমিশনের সভা হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও তফসিল নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে।

    সর্বশেষ গত ৩০ আগস্ট নির্বাচন কমিশনের সভা হয়। ওই সময় আগামী সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে আইন সংশোধনের প্রস্তাবে আপত্তি দিয়ে সভা ত্যাগ করেন মাহবুব তালুকদার। এরপর আজই বৈঠক হলো।

    সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সিইসি ও অন্য চার কমিশনারের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। টানা দেড় মাস কোনো বৈঠক না হওয়ার এটাও একটা কারণ।

  • সম্প্রচার আইনের খসড়া অনুমোদন

    সম্প্রচার আইনের খসড়া অনুমোদন

    অনলাইন, টিভি, বেতার —এসব সংবাদমাধ্যম নিয়মের মধ্যে রাখতে সম্প্রচার কমিশন গঠনের প্রস্তাব রেখে সম্প্রচার আইন ২০১৮-এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

    আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

    সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, প্রস্তাবিত আইনে সাত সদস্যের একটি সম্প্রচার কমিশনের কথা বলা হয়েছে, যার সদস্যদের সার্চ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হবে। এই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি কমিশনের সদস্যদের ৩ বছরের জন্য নিয়োগ দেবেন। এই কমিশন সম্প্রচার যন্ত্রপাতির লাইসেন্স দেবে। অনলাইন গণমাধ্যমের অনুমোদন দিতে এই কমিশনের একক ক্ষমতা থাকবে।

    এ ছাড়া আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে গণমাধ্যম কর্মী (চাকরি শর্তাবলি) আইন-২০১৮–এর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

  • পুনরায় মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন জাফরুল্লাহ: আইএসপিআর

    পুনরায় মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন জাফরুল্লাহ: আইএসপিআর

    গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী গত শনিবার যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সেখানে কিছু বানোয়াট, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এটিকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করা হয়েছে। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর এ তথ্য প্রকাশ করে।

    বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘সময়’–এ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য গত শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে দুঃখ প্রকাশ করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

    আইএসপিআরের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলমগীর কবিরের স্বাক্ষরিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, জাফরুল্লাহ শব্দ চয়নে ভুল করে কোর্ট অব ইনকোয়ারির স্থালে কোর্ট মার্শাল বলেছেন, তাঁর এই তথ্যটিও সঠিক নয়। ব্যক্তি আজিজের বিরুদ্ধে কখনো কোর্ট মার্শাল তো হয়ইনি, বরং জেনারেল আজিজের সুদীর্ঘ বর্ণাঢ্য চাকরি জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো কোর্ট অব ইনকোয়ারিও হয়নি। বস্তুতপক্ষে জাফরুল্লাহার তথ্যটি চরম মিথ্যাচারের শামিল। এর আগে সময় টিভিতে ভুল, দায়িত্বহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্যের জন্য ভুল স্বীকার ও দুঃখ প্রকাশ করতে গিয়ে পুনরায় অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে জেনারেল আজিজ আহমেদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালিয়েছেন।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ৯ অক্টোবর টক শোতে তিনি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত আর্জেস গ্রেনেডের উৎস হিসেবে সুকৌশলে সেনাবাহিনীকে সম্পৃক্ত করার একটি চেষ্টা করেছিলেন, যা ছিল দুরভিসন্ধিমূলক। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে কোনো গ্রেনেড হারানো, চুরি বা বিক্রি হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা–সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণার আগের দিন টেলিভিশনে লাইভ টক শোতে এ ধরনের অসত্য বক্তব্য প্রদান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অসত্য বক্তব্যকে সংশোধনের কোনো চেষ্টা করেননি। তাঁর সামগ্রিক বক্তব্যে এটা স্পষ্ট, তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত সব পদবির সদস্যের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টার পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সেনাবাহিনীর প্রধানের ভাবমূর্তি এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালিয়েছেন।

    চ্যানেলে দেওয়া জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বক্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ ও ‘অসত্য’ বলে আখ্যায়িত করে শনিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়া হয়। আইএসপিআর বলেছে, ডা. জাফরুল্লাহর দায়িত্বজ্ঞানহীন অসত্য বক্তব্য কেবল সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে জেনারেল আজিজ আহমেদের সুনাম ও সামাজিক অবস্থানকে ক্ষুণ্ন করেনি, বরং তা সেনাবাহিনীর প্রধানের পদকে চরমভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘জেনারেল আজিজকে অসাবধানতাবশত কোনো মনঃকষ্ট দিয়ে থাকলে সে জন্য আমি পুনরায় আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি। উল্লেখ্য, আমি ইতিমধ্যে বিগত দুদিন কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে আমার বক্তব্যের ভুল শব্দচয়ন ও শব্দবিভ্রাটের বিষয়টি প্রকাশ করে সেনাপ্রধানের নিকট দুঃখ প্রকাশ করেছি। চূড়ান্তভাবে ভুল-বোঝাবুঝির অবসানকল্পে আজকের এই সংবাদ সম্মেলন।’

    জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সময় টেলিভিশনের বিশেষ অনুরোধে শারীরিক দুর্বলতা নিয়েই আমি ৯ অক্টোবর রাত ১০টায় তাদের টক অনুষ্ঠানটিতে অংশ নিই। ওই টক অনুষ্ঠানটিতে অপর অতিথিরা ছিলেন সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ আলম লেলিন। আলোচনাকালে আমি দেশের বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ সম্পর্কে অসাবধানতাবশত একটি ভুল তথ্য উল্লেখ করেছিলাম। জেনারেল আজিজ একজন দক্ষ আর্টিলারি সেনা কর্মকর্তা। তিনি চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ‘জিওসি’ ছিলেন না, ‘কমান্ড্যান্ট’ও ছিলেন না। তিনি তাঁর কর্মজীবনের একসময়ে চট্টগ্রাম সেনাছাউনিতে আর্টিলারি প্রশিক্ষক ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ‘কোর্ট মার্শাল’ হয়নি একবার ‘কোর্ট অব ইনকোয়ারি’ হয়েছিল। ভুল বক্তব্য ও শব্দবিভ্রাটের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং মর্মাহত। সেনাবাহিনী বা জেনারেল আজিজের সম্মানহানি করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না এবং এরূপ কোনো অভিপ্রায়ও আমার নেই। আমাদের সেনাবাহিনীর গৌরবে আমি গর্বিত।’

    জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘জেনারেল আজিজের সম্মানহানি করার কোনো চিন্তা বা উদ্দেশ্য আমার ছিল না।’

    সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সম্পর্কে ডা. জাফরুল্লাহর বক্তব্য নিয়ে আইএসপিআরের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সম্পর্কে জনাব ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বক্তব্য ছিল একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন অসত্য বক্তব্য। কারণ, বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ চাকরিজীবনে কখনোই চট্টগ্রামের জিওসি বা কমান্ড্যান্ট হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন না। তিনি ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত কুমিল্লায় ৩৩ আর্টিলারি ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার, ২০১১ সালের জুন থেকে ২০১২ সালের মে পর্যন্ত ঢাকার মিরপুরে ৬ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার এবং ২০১২ সালের মে থেকে ২০১২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কুমিল্লায় ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিএসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণিত সময়ে চট্টগ্রাম বা কুমিল্লা সেনানিবাসে কোনো সমরাস্ত্র বা গোলাবারুদ চুরি বা হারানোর কোনো ঘটনা ঘটেনি। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তাঁর দীর্ঘ, বর্ণাঢ্য সামরিক চাকরিজীবনে কখনোই কোর্ট মার্শালের সম্মুখীন হননি।’

    আইএসপিআরের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলমগীর কবিরের স্বাক্ষরিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘চাকরিরত একজন সেনাবাহিনীপ্রধান সম্পর্কে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মতো একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির এরূপ দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যা সেনাবাহিনীর প্রধানসহ সেনাবাহিনীর মতো রাষ্ট্রীয় একটি প্রতিষ্ঠানকে জনসমক্ষে হেয় করার হীন অপচেষ্টা মর্মে স্পষ্টত প্রতীয়মান।’

    আইএসপিআরের বক্তব্যে বলা হয়, ‘ডা. জাফরুল্লাহর দায়িত্বজ্ঞানহীন অসত্য বক্তব্য কেবল সেনাবাহিনীপ্রধান হিসেবে জেনারেল আজিজ আহমেদের সুনাম ও সামাজিক অবস্থানকে ক্ষুণ্ন করেনি, বরং তা সেনাবাহিনীপ্রধানের পদকে চরমভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেছে, যা প্রকারান্তরে সেনাবাহিনীর চাকরিরত সব সদস্যকে বিভ্রান্ত করেছে এবং তাঁদের মনোবলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ ছাড়া এরূপ অপপ্রচার সেনাবাহিনীর মতো সুশৃঙ্খল বাহিনীর সংহতি ও একতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত।

  • বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশ

    বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশ

    শেখ সুমন :

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অনান্য নেতৃবৃন্দকে দণ্ডিত করার প্রতিবাদে বরিশালে পুলিশের কঠোর বেষ্টনীতে পৃথকভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মিছিল করার চেস্টা করেছে স্বেচ্ছাসেবক দল।

    কেন্দ্রিয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে সোমবার সকাল ১০টায় কঠোর পুলিশী বেস্টনীতে নগরীর সদর রোডের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপনের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দক্ষিন জেলা বিএনপি’র সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি সাবেক এমপি মেজবাউদ্দিন ফরহাদ। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলেল সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জনিসহ অন্যান্যরা।

    এদিকে, কেন্দ্রিয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় একই স্থানে পুলিশ বেস্টনীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল। মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান পিন্টুর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি জাহিদুল ইসলাম সমির, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক খান মো. আনোয়ার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশেদ সহ অন্যান্যরা।

    সমাবেশ শেষে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তাদের বাঁধা দেয় পুলিশ। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাদানুবাদ হলেও শেষ পর্যন্ত তাদের মিছিল করতে দেয়নি পুলিশ। এদিকে, স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ কর্মসূচী উপলক্ষ্যে বিএনপি কার্যালয়ের আশপাশ সহ সদর রোডে মোতায়েন ছিলো বিপুল সংখ্যক পুলিশ।

  • হাসানাত আবদুল্লাহর সাথে দেখা করলেন নব নির্বাচিত কাউন্সিলর বৃন্দ

    হাসানাত আবদুল্লাহর সাথে দেখা করলেন নব নির্বাচিত কাউন্সিলর বৃন্দ

    ডেস্ক রিপোর্ট:

    পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক(মন্ত্রী) ,স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত  স্থায়ী কমিটির সভাপতিবাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত কাউন্সিলার বৃন্দ।

  • বরিশাল নগরীতে ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক, বস্তাভর্তি গাঁজা উদ্ধার

    বরিশাল নগরীতে ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক, বস্তাভর্তি গাঁজা উদ্ধার

     বরিশাল নগরীর টাউন স্কুলের পেছনে একটি ভাড়া বাসা থেকে বস্তা ভর্তি গাঁজাসহ আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি টিম । পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে ব্যবসার মূল পার্টনার ফিরোজ হোসনকেও আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রায় ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে দুপুর ২:৩০ পর্যন্ত চলে এই অভিযান। অভিযানে অংশ নেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর ফরহাদ হোসেন, সাব-ইন্সপেক্টর সুনীল কুমার দে এবং সিপাহী নজরুল ইসলাম।

    এই চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ ধরাছোয়ার বাইরে থেকে মাদক ব্যবসা করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাল পাতেন অভিযান পরিচালনাকারী এই কর্মকর্তারা। অবশেষ তাদের হাতে আটক হলো এই দুই ব্যবসায়ী। তবে আরো কে বা কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর ফরহাদ হোসেন ।

  • টেকনাফে ধানখেতে ইয়াবাভর্তি ব্যাগ

    টেকনাফে ধানখেতে ইয়াবাভর্তি ব্যাগ

    টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে ইয়াবার চালান পাচারের সময় ধানখেতের ভেতর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ইয়াবাভর্তি ব্যাগ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ব্যাগে ৪৪ হাজার ইয়াবা পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি বিজিবি।

    গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কের লেঙ্গুরবিল এলাকার একটি ধানখেত থেকে ইয়াবাভর্তি ব্যাগ জব্দ করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আছাদুদ জামান চৌধুরী।

    আছাদুদ জামান চৌধুরী বলেন, টেকনাফ থেকে ইয়াবার একটি চালান মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে কক্সবাজার পাচার হবে—এমন তথ্য পায় বিজিবি। সেই সূত্র ধরে, বিজিবির লেঙ্গুরবিল এলাকায় অস্থায়ী তল্লাশিচৌকি স্থাপন করে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়। ওই সময় একটি অটোরিকশা থেকে একজন যাত্রীকে ব্যাগ হাতে নিয়ে নেমে যেতে দেখা যায়। ওই লোককে সন্দেহ হওয়ায় টহলদল দাঁড়ানোর সংকেত দিলে দৌড়ে পালানোর সময় ওই লোক হাতের ব্যাগটি ধানখেতে ফেলে দিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামে ঢুকে যায়। পরে বিজিবি ধানখেত থেকে ব্যাগটি উদ্ধার করে তাতে ইয়াবা দেখতে পায়। গণনা করে এতে ৪৪ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    তিনি জানান, ইয়াবাগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ইয়াবাগুলো ধ্বংস করা হবে।

  • ইয়াবা এনে তিনি থাকতেন আড়ালে

    ইয়াবা এনে তিনি থাকতেন আড়ালে

    দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসা করেন মো. শাহেদ (৩৫)। কক্সবাজার থেকে ইয়াবার বিপুল পরিমাণ চালান রাজধানীতে আনতেন পুরান ঢাকার বংশাল এলাকার এই বাসিন্দা। তবে খুচরা পর্যায়ে ইয়াবা বিক্রির সময় মাঠে থাকতেন না তিনি। কক্সবাজারেও যেতেন না। কক্সবাজার থেকে বাসচালক ও তাঁর সহকারীর (হেলপার) মাধ্যমে ইয়াবার চালান ঢাকায় আনতেন। ঢাকায় আনার পর নিজস্ব লোক দিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করাতেন এই ইয়াবা।

    গতকাল বুধবার রাজধানীর শনির আখড়ার ২৪ ফুট এলাকা থেকে শাহেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকা মেট্রোর একটি দল।

    গত ১ মে ঢাকা-কক্সবাজার সড়কপথের রয়েল পরিবহনের একটি বাসের চালক মো. মনির হোসেন (৩৮) ও তাঁর সহকারী মো. নবীন হোসেনকে (২৪) দিয়ে প্রায় ৩০ হাজার ইয়াবা ঢাকায় এনেছিলেন শাহেদ। তবে ইয়াবার চালানটি হস্তান্তরের সময় মনির ও নবীন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশের হাতে আটক হন। চতুর শাহেদকে ধরতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই ঘটনার পর প্রায় পাঁচ মাস অধরা ছিলেন তিনি। অবশেষে গতকাল পুলিশ নাগাল পায় ইয়াবা ব্যবসার নেপথ্যের এই নায়কের।

    পিটিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার (ঢাকা মেট্রো) আবুল কালাম আজাদ বলেন, শাহেদের বাড়ি পুরান ঢাকার বংশালের ওসমান গণি রোডে। রয়েল পরিবহনের মনির ও নবীনকে দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় ইয়াবা আনতেন তিনি। কক্সবাজারের টেকনাফের আবদুল্লাহ (৩৭) নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে এই ইয়াবার চালান সংগ্রহ করতেন। ঢাকায় এসব ইয়াবা শাহেদ তাঁর নিয়ন্ত্রণে থাকা কিছু মাদক ব্যবসায়ীকে দিয়ে বিক্রি করাতেন। ১ মে রাত তিনটার দিকে যাত্রাবাড়ীর স্পিডবার্ড ফিলিং স্টেশনের সামনে ২৯ হাজার ৫০০ ইয়াবা হস্তান্তরের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালান। তাঁদের উপস্থিতি টের পেয়ে শাহেদ দৌড়ে পালালেও আটক হন মনির ও নবীন।

    আবুল কালাম আজাদ বলেন, মনির ও নবীনের কাছ থেকে মূল আসামি শাহেদের নাম জানা যায়। এ ঘটনায় সিটিটিসির পরিদর্শক আবুল বাশার বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন। পরে আদালতের আদেশে পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফরিদ উদ্দিন মামলার তদন্ত শুরু করেন। পিবিআইয়ের ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও দিকনির্দেশনায় গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে শনির আখড়ার ২৪ ফুট এলাকা থেকে শাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।