Category: প্রশাসন

  • অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    শেখ সুমন :

    বিবিবি-৪, ওজোপাডিকো, খুলনা দপ্তরের আওতাধীন এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ আদালত খুলনা এর বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

    পাঁচটি স্পটে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারের দায়ে সব জায়গায় মামলা দায়ের করা হয়। একই সাথে প্রায় ছয়লক্ষ টাকা পেনাল বিল আদায় হয়েছে। অভিযানে সহায়তা করেন সোনাডাঙ্গা থানার পুলিশ সদস্যরা। অভিযানে বিদ্যুৎ আদালতের সহকারী প্রকৌশলী, অত্র দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলীদ্বয়, উপ-সহকারী প্রকৌশলীবৃন্দ ও কারিগরী কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিল। নির্বাহী প্রকৌশলী মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনায় অত্যন্ত সফলভাবে আজকের মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এই ধরনের অভিযান শহরে এখন থেকে প্রতিনিয়ত চলমান থাকবে ।

  • বরিশালের দুইজন সহ ৮ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি

    বরিশালের দুইজন সহ ৮ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি

    বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৮ জন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

    বদলি করা কর্মকর্তাগণ হলেন- পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাহাত গাওহারীকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাইবান্ধা জেলা, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলামকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঠাকুরগাঁও জেলা, বরিশাল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হুমায়ুন কবিরকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ময়মনসিংহ জেলা, ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজীকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেঞ্জ ডিআইজি অফিস বরিশাল, ১০ এপিবিএন বরিশালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুলকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চট্টগ্রাম জেলা, এন্টি টেররিজম ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দীনকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল নড়াইল, রেলওয়ে সৈয়দপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমানকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সিএমপি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শচীন চাকমাকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স (টিআর পদে) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

    গত ২৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১) আমিনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়।

  • চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় রেলের নিরাপত্তাকর্মী নিহত

    চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় রেলের নিরাপত্তাকর্মী নিহত

    চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় আবদুল আজিজ (২৯) নামে রেলওয়ের এক নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার থানার চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান খুলশী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মহিবুর রহমান। এ ঘটনায় ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে।

    নিহত আজিজ কুমিল্লার কোতোয়ালী কাপ্তানবাজার এলাকার রশিদ আহমদের ছেলে। তিনি রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীতে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

    মো. মহিবুর রহমান বলেন, আজিজ খুলশীর বাসা থেকে মোটর সাইকেল করে পাহাড়তলী তার কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকামুখী দেশ ট্রাভেলসের বাস পেছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে নিহত হন তিনি। ঘটনার পরপরই দেশ ট্রাভেলসের বাসের চালক ও সহকারী পালিয়ে গেলেও বাসটি আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত আবদুল আজিজের ভাই আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে খুলশী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।

  • পুলিশের এসআই’র বিরুদ্ধে দুদকের মামলা:সাংবাদিককে মারধর করে ঘুষ গ্রহণ

    পুলিশের এসআই’র বিরুদ্ধে দুদকের মামলা:সাংবাদিককে মারধর করে ঘুষ গ্রহণ

    বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরে আলমের বিরুদ্ধে সংবাদকর্মীকে মারধর করে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করা করেছে।

    গতকাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরিশাল অফিসের উপ-পরিচালক এবিএম আবদুস সবুর বাদী হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা নুরে আলম বর্তমানে বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) থানা পুলিশে কর্মরত রয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    এজাহার সূত্রে জানাগেছে, ‘এসআই নুরে আলম স্ত্রীকে খুনের পর লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে’ শিরোনামে একটি সংবাদ গত বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে নুরে আলম সেই সংবাদের প্রতিবেদক কাওসার মাহমুদ মুন্নাকে একই বছরের ৪ এপ্রিল কাউনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিছনে পেয়ে মারধর করেন।

    এমনকি মাদক দিয়ে তাকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকাও দাবি করেন। এমন পরিস্থিতিতে কাওসার মাহমুদ মুন্না তাৎক্ষণিক ১৮ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে রক্ষা পান। এই বিষয়টি সংবাদপত্রে ফলাও করে প্রকাশ পেলে দীর্ঘদিন তদন্ত করে এসআই নুরে আলমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করার পাশাপাশি ঘুষ গ্রহণের বিষয়টির প্রাথমিক সত্যতা মেলে। যে কারণে তার বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ১৬১ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ১৯৪৭ সনের ৫(২) ধারা উল্লেখ করে মামলাটি করে দুদক। এমনকি এই মামলাটি কমিশনের কাছে তদন্তের অনুমতিও চেয়েছে বরিশাল দুদক অফিস। তবে মামলায় আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন এসআই নুরে আলম।

     

  • খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে রিট শুনানি মঙ্গলবার

    খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে রিট শুনানি মঙ্গলবার

    কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিষেশায়িত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানির দিন আগামীকাল মঙ্গলবার ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

    আজ সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর বিশেষায়িত বেসরকারি হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সুবিধা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন তাঁর আইনজীবী কায়সার কামাল। সেদিন তিনি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট করেন।

    আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অপরদিকে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

    প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্র দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। এর পর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন তিনি।

  • কাশিপুরে খাজা মাঈনুদ্দিন মাদ্রাসা নির্মান এর জায়গা পরিদর্শনে: হাসানাত আবদুল্লাহ

    কাশিপুরে খাজা মাঈনুদ্দিন মাদ্রাসা নির্মান এর জায়গা পরিদর্শনে: হাসানাত আবদুল্লাহ

    মিজানুর রহমান:

    বরিশাল নগরীর কাশিপুরে খাজা মাঈনুদ্দীন মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, স্থাপনের নির্ধারিত জায়গা পরিদর্শন করেন, পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী ) ,স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এমপি।

    এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন,জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাইদুল ইসলাম,ও বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন স্বপন এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ বিশিস্ট ব্যাক্তিবর্গ।

  • বরিশালের ১০টি স্কুল সরকারি হলো

    বরিশালের ১০টি স্কুল সরকারি হলো

    সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তে জাতীয়করণ (সরকারি) হলো বরিশালের আরও ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নীতিগত অনুমোদনে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি করা হয়েছে।

    সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (সরকারি মাধ্যমিক) লুৎফুন নাহার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষক অন্যত্র বদলি হতে পারবেন না বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

    উজিরপুর ডব্লিউ বি ইউনিয়ন মডেল ইনিস্টিটিউশন, গৌরনদী পইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মুলাদী মাহামুদজান মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আগৈলঝাড়ার গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চরফ্যাশন টি ব্যারেট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মনপুরা হাজির হাট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গলাচিপা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাউফল মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খেপুপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

  • সাতটি বিভাগীয় শহরে বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনাল

    সাতটি বিভাগীয় শহরে বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনাল

    টেলিফোন, অনলাইন এবং ই-মেইল হ্যাকিং-সংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের জন্য সরকার ২০১৩ সালে একটি সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। বর্তমানে ঢাকার আদালতে স্থাপিত সাইবার ট্রাইব্যুনালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে (আইসিটি অ্যাক্ট) দায়ের করা এক হাজার ৫০টি মামলার বিচারকাজ চলছে। এ ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য আসা ৯০ ভাগই আইসিটি আইনের ৫৭ ধারার মামলা।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের বিচার দ্রুত নিশ্চিত করার জন্য সাত বিভাগীয় শহরে সাতটি সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করছে সরকার। সাইবার ট্রাইব্যুনাল আইনের-২০০৬-এর বিধানের আলোকেই এসব ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। এই সাতটি বিভাগীয় শহর হচ্ছে- চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ।

    আপত্তি ও মতামত উপেক্ষা করে গত বুধবার জাতীয় সংসদে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস হয়েছে। ওই আইনে দায়ের করা মামলাগুলো নিষ্পত্তি হবে সাইবার ট্রাইব্যুনালে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে মিথ্যা ও গুজব রটানোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে এবং ৫৭ ধারায় আগের করা প্রায় ৭০০ মামলার দ্রুত বিচার শেষ করতে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মানহানিকর তথ্য প্রকাশ, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো, অনুমতি ছাড়াই ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের বিচার হবে এই ট্রাইব্যুনালে।

    প্রশাসনিক সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে খুব শিগগির আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা। এরপরই ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হবে।

    আইন মন্ত্রণালয়-সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাতটি বিভাগীয় শহরে নতুন সাইবার ট্রাইব্যুনাল স্থাপনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেছে। সব প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এরই মধ্যে জনবল নিয়োগের ব্যাপারে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

    এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, খুব শিগগির ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। আর ডিজিটাল আইনে দায়ের করা মামলার বিচার হবে সাইবার ট্রাইব্যুনালে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পৃথক সাতটি সাইবার ট্রাইব্যুনালের জন্য এরই মধ্যে ৪২টি পদ সৃজন করা হয়েছে। এর মধ্যে জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার সাতজন বিচারক থাকবেন। এ ছাড়া সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর সাতজন, বেঞ্চ সহকারী সাতজন, আউটসোর্সিং গাড়িচালক সাতজন, আউটসোর্সিং জারিকারক সাতজন ও এমএলএসএসের সাতটি আউটসোর্সিং পদ রয়েছে। পাশাপাশি সাতটি ট্রাইব্যুনালে গাড়ি, কম্পিউটার ও ফটোকপিয়ার মেশিন সংশ্নিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    এসব ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠায় প্রাথমিক পর্যায়ে জনবল, অবকাঠামোসহ আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয়ও নির্ধারণ করা হয়েছে। সাতটি সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন হলে এক হাজার মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির পথ উন্মুক্ত হবে।

    পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে সাইবার ক্রাইম বেড়ে যাওয়ায় মামলার সংখ্যাও বাড়ছে। ফেসবুকে নারীদের নিয়ে আপত্তিকর ছবি ও অশ্নীল ভিডিও পোস্টের অভিযোগে ৫৭ ধারায় সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর মন্তব্য প্রচার, অনলাইনে মানহানিকর সংবাদ প্রচারের অভিযোগেও ৫৭ ধারায় মামলা হচ্ছে। পাশাপাশি হ্যাকিং ও অনলাইনে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আইসিটি অ্যাক্টের ৫৫ ও ৫৬ ধারায় মামলা হয়ে থাকে।

    জানা গেছে, সম্প্রতি পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যুক্ত হয়েছে ঔপনিবেশিক আমলের সমালোচিত আইন ‘অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট’। অর্থাৎ ডিজিটালের মাধ্যমে কেউ অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট ভঙ্গ করলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার বিচার করা হবে। এই অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা ১৪ বছর। তা ছাড়া আইনের ১৪টি ধারায় অপরাধ হবে অজামিনযোগ্য।

    এদিকে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাইবার ক্রাইমকে হুমকি হিসেবে দেখছে পুলিশ। তবে এ অপতৎপরতা ঠেকাতে পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট সজাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনের সময় একটি চক্র অনলাইনে মিথ্যা ও গুজব রটাতে পারে। এ জন্য পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট সজাগ রয়েছে। তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বদ্ধপরিকর।

  • মহেশখালীর পাহাড়ে অস্ত্রের কারখানা, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

    মহেশখালীর পাহাড়ে অস্ত্রের কারখানা, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

    কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় পাহাড়ের গহিন অরণ্যে দেশীয় অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। রোববার বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত বড় মহেশখালী ইউনিয়নের পাহাড়তলির পাহাড়ি এলাকার গহিন অরণ্যে এ অভিযান চালানো হয়।

    মহেশখালী থানা-পুলিশের ভাষ্যমতে, অস্ত্রের কারিগরদের ধরার জন্য বিকেলে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল পাহাড়ের গহিন অরণ্যে অভিযান চালায়। একপর্যায়ে পাহাড়ের ভেতরে শোয়ারের ঘোনায় পৌঁছালে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়।

    আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় অস্ত্র কারখানার লোকজনের সঙ্গে পুলিশের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করেন। এ সময় পুলিশ পাহাড়ের ভেতরে গিয়ে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পায়। সেখানে অস্ত্র তৈরির কারিগর ইছাহাককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পাশাপাশি কারখানা থেকে ১০টি অস্ত্র, ১০টি গুলিসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় রাতে ইছাহাকের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আরও একটি মামলা হচ্ছে।

    জানতে চাইলে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, পুলিশ পাহাড়ের গহিন অরণ্যে একটি অস্ত্রের কারখানার সন্ধান পেয়েছে। এ সময় অস্ত্র তৈরির কারিগর ইছাহাককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর কারখানা থেকে ড্রিল মেশিন, বন্দুক তৈরির পাইপসহ অস্ত্র তৈরির ৩৩ ধরনের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। তবে অস্ত্র কারখানার সন্ধান পেতে পাহাড়ে পুলিশের সঙ্গে কারিগরদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশের পক্ষ থেকে ৫০টি গুলি ছোড়া হয়।

    ওসি জানান, ইছাহাক উপজেলার বড় মহেশখালী ইউনিয়নের পাহাড়তলি এলাকার অলি আহমদের ছেলে। পুলিশ বলছে, ইছাহাক তালিকাভুক্ত অস্ত্রের কারিগর। তাঁর বিরুদ্ধে দুই অস্ত্র আইনসহ তিনটি মামলা রয়েছে।

  • মোনালিসা হত্যা মামলার আসামিকে আনা হলো দুবাই থেকে

    মোনালিসা হত্যা মামলার আসামিকে আনা হলো দুবাই থেকে

    নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্কুলছাত্রী মোনালিসা আক্তারকে (১২) ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবু সাঈদকে (২৮) সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করে দেশে আনা হয়েছে। দীর্ঘ আট মাস পর গ্রেপ্তার করে আজ রোববার দুপুরে তাঁকে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসা হয়। আবু সাঈদ ফতুল্লা পশ্চিম দেওভোগের বড় আমবাগান এলাকার ইকবাল হোসেনের ছেলে।

    নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, মোনালিসা হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবু সাঈদ দেশ ছেড়ে পালানোর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এনসিবি শাখার মাধ্যমে ইন্টারপোলের কাছে তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ সেপ্টেম্বর আবু সাঈদকে গ্রেপ্তার করে দুবাই পুলিশ।

    ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের বলেন, ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তারের পর আসামি আবু সাঈদের সব প্রক্রিয়া শেষে আজ রোববার তাঁকে দেশে নিয়ে আসা হয়। তাঁকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড প্রার্থনা করা হবে।

    মামলার এজাহার, পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে আবু সাঈদ বিয়ে করার জন্য দুবাই থেকে দেশে আসেন। পরে পাশের বাড়ির ফতুল্লার কাশিপুর আমবাগান এলাকার ব্যবসায়ী শাহীন ব্যাপারীর মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির স্কুলছাত্রী মোনালিসাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় সাঈদের পরিবার।

    কিন্তু মেয়ের বয়স অল্প হওয়ায় সাঈদের পরিবারের প্রস্তাবে রাজি হয়নি মোনালিসার পরিবার। পরে সাঈদ পাশের এলাকার এক মেয়েকে বিয়ে করেন। ওই বছরের ২ ফেব্রুয়ারি পরিবারের লোকজন নরসিংদীতে বেড়াতে গেলে মোনালিসাকে একা বাড়িতে পেয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে মোনালিসার লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। পুলিশ মোনালিসার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ দিকে ঘটনার পর আবু সাঈদ দুবাই পালিয়ে যান।

    ওই সময় মোনালিসার ছোট ভাই শাহেদ বলেছিল, সাঈদ নামে এলাকার এক ছেলে পানি খাওয়ার কথা বলে তাঁদের ঘরে যান। খেলার কথা বলে তাকে বাইরে পাঠিয়ে দেন সাঈদ। পরে সে ঘরে এসে দেখেন তার বোন ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে মোনালিসাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। মোনালিসা হাজী উজির আলী উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।