Category: প্রশাসন

  • নিরাপত্তা আইন: সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে পুলিশকে

    নিরাপত্তা আইন: সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে পুলিশকে

    বাংলাদেশের সংসদে পাশ হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোন পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশকে গ্রেফতারের যে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, সেটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন করবে বলে আশংকা করছেন সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মীরা।

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রস্তাবে পরোয়ানা ছাড়া পুলিশকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল যেই ধারার অধীনে, সেই ধারায় সংসদীয় কমিটি প্রস্তাব করেছিল যে পরোয়ানা ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করা বা ব্যক্তিমালাকানাধীন ডিজিটাল ডিভাইস তল্লাশি বা জব্দ করার ক্ষেত্রে সরকারের ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালকের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

    তবে শেষমুহুর্তে মহাপরিচালকের অনুমোদন নেয়ার বিধানটি বাদ দিয়ে সংসদে পাস হয়েছে বিলটি।

    অর্থাৎ একজন পুলিশ অফিসার এখন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই সন্দেহভাজন ব্যক্তির ব্যবহার করা ডিজিটাল ডিভাইস তল্লাশি ও জব্দ করাসহ ঐ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারও করতে পারবেন।

    কেন বাদ দেয়া হলো মহাপরিচালকের অনুমোদন নেয়ার বিধান?

    মহাপরিচালকের অনুমোদনের বিধানটি কোন যুক্তিতে বাদ দেয়া হলো, সে-বিষয়ে বাংলাদেশের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, “একটি ঘটনা ঘটার সময় পুলিশের যদি মহাপরিচালকের অনুমতির অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে অন্তত ডিজিটাল অপরাধ দমন করা সম্ভব নয়।”

    মি. জব্বার বলেন অপরাধ সংঘটনের সময় যেন পুলিশ আমলাতান্ত্রিক জটিলতার শিকার হয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধাগ্রস্থ না হয় সেজন্যেই বাদ দেয়া হয়েছে মহাপরিচালকের অনুমোদনের বিধানটি।

    “অপরাধ সংঘটনের সময় পুলিশ যদি পদক্ষেপ নিতে না পারে, তাহলে তো অপরাধ সংঘটিত হয়েই যাবে, সেটিকে আর থামানো যাবে না”, বলেন মি. জব্বার।

    এই আইনের বিভিন্ন অনুষঙ্গ নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিল সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীসহ নানা পক্ষ।

    সাংবাদিকদের আপত্তি কী নিয়ে?

    সাংবাদিকরা বলছেন পুলিশ অফিসারের হাতে এই পরিমাণ নির্বাহী ক্ষমতা থাকলে সাংবাদিকদের কাজের স্বাধীনতা খর্ব ও নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি হয়রানিরও সম্ভাবনা থাকে।

    সম্পাদকদের পরিষদ ‘এডিটরস কাউন্সিল’এর সাধারন সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, “এই আইন বাস্তবায়িত হলে একজন পুলিশ অফিসারের চিন্তায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নির্ভর করবে। পত্রিকায় কি ছাপানো হবে, তার ফলে সাংবাদিককে গ্রেপ্তার হতে হবে কিনা – এসব বিষয়ে একজন পুলিশ অফিসার শুধুমাত্র সন্দেহও যদি পোষণ করেন তবুও একজন সাংবাদিকের স্বাধীনতা বিঘ্ন হয়।”

    মি. আনাম মন্তব্য করেন শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা বা তাঁর ব্যবহারের ডিজিটাল ডিভাইস বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি করার ক্ষমতা একজন পুলিশ অফিসারের হাতে অর্পণ করা উচিত নয়।

    তবে তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর মতে, আইন শষৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্বারা এই ধারার অপব্যবহারের সুযোগ নেই।

    “একজন পুলিশ অফিসার আইনের অপব্যবহারও করলেও চূড়ান্ত বিচার করার ক্ষমতা তো তাঁর নেই। বিচার তো আইন অনুযায়ী আদালতই করবে। কাজেই এই ধারার অধীনে আইনের অপব্যবহারের সুযোগ নেই”, বলেন মি. জব্বার।

    পাশাপাশি এই আইন থেকে সাংবাদিকদের বাদ রাখার যে আবেদন করা হয়েছিল তা বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করেন তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী।

  • সাড়ে তিন কোটি টাকার ইয়াবাসহ মডেল আটক

    সাড়ে তিন কোটি টাকার ইয়াবাসহ মডেল আটক

    শনিবার রাত ৮টার দিকে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার শান্তিরহাট এলাকায় ইয়াবাসহ এক র‌্যাম্প মডেল ও তার দুই সহযোগীকে আটক করেছে র‌্যাব। উদ্ধারকৃত ১ লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবার দাম প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা।

    উপজেলার শান্তিরহাট মোড় থেকে আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন র‌্যাম্প মডেল সুমাইয়া আকতার (১৯) ও  মডেল অর্পন দাস (৩০) এবং প্রাইভেটকার চালক মো. শরীফ (৩২)। ইয়াবাসহ এসময় তাদের প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়।

    র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাশকুর রহমান জানান, আটককৃতরা কক্সবাজার থেকে নম্বরবিহীন একটি প্রাইভেটকার যোগে ইয়াবাসহ ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। এমন সংবাদ পেয়ে পটিয়া উপজেলার শান্তিরহাট এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

  • ইয়াবাসহ পুলিশের খাঁচায় এবার বরিশালের সেই অনিক চৌধুরী

    ইয়াবাসহ পুলিশের খাঁচায় এবার বরিশালের সেই অনিক চৌধুরী

    বরিশাল শহরের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চল চৌমাথা এলাকায় অনিক চৌধুরী একটি আতংকিত নাম। কেউ এই নামটি জোপে ভয়ে। আবার কেউ তাকে তোয়াজ করে অনৈতিক সুবিধা হাসিলের কারণে। এই অনিক স্থানীয় ব্যক্তি বিশেষকে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে চৌমাথা এলাকায় গড়ে তুলেছেন মাদকের একটি শক্তপোক্ত সিন্ডিকেট।

    অবশ্য মাদকের হোলসেলর নামের তকমাটি জুড়তে গিয়ে তিনি কতিপয় ব্যক্তিকে অর্থনৈতিক সুবিধা দিয়েই ব্যবসাটি চালাচ্ছিলেন। এমনকি শোনা গেছে, অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে পুলিশও ছিল ম্যানেজ। কিন্তু সেই অনিকের লাগাম এবার টেনে ধরার সক্ষমতা দেখালো কোতয়ালি থানা পুলিশ।

    শনিবার রাতে এই থানা পুলিশের একটি টিম নবগ্রাম রোড এলাকা থেকে অনিক চৌধুরী ও তার সহযোগী রিপন দাস কালুকে গ্রেফতার করে। ওই সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করার বিষয়টি জানিয়েছে পুলিশ। অনিক চৌধুরী বরিশাল শহরের স্বনামধন্য চিকিৎসক মজিবুর রহমান রিপন ওরফে এমআর চৌধুরীর ভাতিজা।

    ভয়াঙ্কর এই যুবক সাম্প্রতিকালে এক তরুণীকে প্রকাশ্যে সড়কে ফেলে পিটিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় তুলেছিলেন। এমনকি সেই ঘটনায় কোতয়ালি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নিয়েছিল। কিন্তু তখন থানার তদন্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান অনিককে রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নেন। ফলে সেই দফা তরুণীর কাছে হাত পা ধরে মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পেয়েছিলেন।

    তবে ভেতরের খবর হচ্ছে ওসি আসাদ লাখ টাকা সন্ধিচুক্তিতে তাকে রক্ষায় অগ্রসর হয়েছিলেন। সেই ঘটনার মাস দুয়েকের মাথায় অনিক চৌধুরী ইয়াবা নিয়ে পুলিশের জালে আসার বিষয়টি ব্যাপক ভাবে আলোড়িত হচ্ছে। বরিশাল কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, সহকারী কমিশনার রাসেল হোসেনের নেতৃত্বে শনিবার রাতে নবগ্রাম রোডে অভিযান করে অনিক ও তার সহযোগী কালুকে আটক করা হয়। ওই সময় অনিকের কাছ থেকে ২০ ও কালুর কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের পরবর্তী তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই অনিক ওই এলাকার অনিচুর রহমান ওরফে বাবুল চৌধুরীর ছেলে।

    এদিকে অনিকের গ্রেপ্তারের খবরে নগরীর চৌমাথা এলাকার বাসিন্দাদের স্বস্তি এনেছে। এমনকি অনেকে গ্রেফতারের খবর শুনে আনন্দ উল্লাসও প্রকাশ করেছেন।

  • বরিশালে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ তুহিনের মরদেহ উদ্ধার

    বরিশালে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ তুহিনের মরদেহ উদ্ধার

    বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার কাজীরহাট থানার জয়নগর ইউনিয়নে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে লতা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ যুবক শফিকুল ইসলাম তুহিনের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    রোববার দুপুরে লতা নদীতে তুহিনের মরদেহ পাওয়া যায়। শনিবার বিকেলে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পালাতে গিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিল তুহিন। মৃত শফিকুল ইসলাম তুহিন হিজলা উপজেলার হরিণাথপুর ইউনিয়নের আহসান উল্লাহ খানের ছেলে।

     এ ঘটনায় মৃতের পরিবার থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তুহিনের স্বজনরা। পুলিশ মরদেহের ময়নাতদন্ত না করেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।

    স্থানীয়রা জানায়, শনিবার দুপুরে উপজেলার জয়নগরের আয়নাল কাজীর ঘরে জুয়া খেলা চলছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সাদা পোশাকে এসআই মো. মিজান, এসআই মো. শহিদ, এএসআই মো. সাগর ও এএসআই মো. রশিদসহ আটজনের একটি টিম অভিযান চালায়। এ সময় চারজন ওই ঘর থেকে বেরিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেয়। পরবর্তীতে টিপু হাওলাদার, আলতাফ সরদার ও সুলতান হাওলাদার সাঁতরে তীরে উঠলে পুলিশ তাদের আটক করে। সেখানে তুহিন নিখোঁজ হয়।

    রোববার দুপুর ১২টার দিকে নদীতে তুহিনের মরদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে পরিবারকে মরদেহ হস্তান্তর করে পুলিশ।

    তুহিনের বাবা আহসান উল্লাহ খান বলেন, অভিযানে অংশ নেয়া এসআই ও এএসআইসহ আট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি। অভিযানের সময় পুলিশের কেউ পোশাকধারী ছিল না।

    কাজীরহাট থানা পুলিশের ওসি হারুন অর রশিদ বলেন, শনিবার মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে জয়নগরের আয়নাল কাজীর বাড়িতে পুলিশ হানা দেয়। এ সময় সেখানে জুয়া খেলারত একদল যুবক পুলিশ দেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়। তাদের মধ্যে তুহিন নামের ওই যুবক নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হয়। রোববার দুপুরে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

    ওসি বলেন, পুলিশের কাছে তথ্য ছিল জয়নগরে মাদকের ব্যবসা হচ্ছে। পুলিশ গিয়ে সেখানে যুবকদের জুয়া খেলারত অবস্থায় দেখতে পান। দুর্ঘটনার শিকার তুহিন নিজ বাড়ি থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে জয়নগর ইউনিয়নের ওই বাগানে জুয়া খেলায় অংশ নিয়েছিল। জুয়া খেলায় অংশ নেয়া যুবকরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত।

    তবে হরিণাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন, তুহিন মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। সে ডিগ্রি পাস করে ফিলিপাইন যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তার ভিসাও হয়ে গেছে। এক সপ্তাহের মধ্যে তার ফিলিপাইন যাওয়ার কথা ছিল। তার আর ফিলিপাইন যাওয়া হলো না।

  • বরিশালের জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি

    বরিশালের জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি

    অতিরিক্ত সচিবের পর এবার জনপ্রশাসনে ১৫৪ কর্মকর্তাকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। উপ-সচিব থেকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির আদেশটি বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বরিশালের জেলা প্রশাসক  মোঃ হাবিবুর রহমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।

    আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জনপ্রশাসনে তিনস্তরে পদোন্নতির গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। এর মধ্যে গত ২৯ আগস্ট অতিরিক্ত সচিব পদে ১৬৩ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়। এখন যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি চূড়ান্ত হলো।

    পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫ জন বিদেশে কর্মরত রয়েছেন। এই ৫ জনের জন্য আলাদা পদোন্নতির আদেশ জারি করা হয়েছে। ১৪৯ জনের পদোন্নতির জন্য আরেকটি আদেশ জারি করা হয়েছে।

    ‘সরকারের উপ-সচিব, যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’ বলা হয়েছে, হয়েছে, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপ-সচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

    বিধিমালা অনুযায়ী, উপ-সচিব পদে কমপক্ষে ৫ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা উপ-সচিব পদে কমপক্ষে ৩ বছর চাকরিসহ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে কোনো কর্মকর্তা যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।

  • প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় চক্রের ৪ তরুণী গ্রেফতার

    প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় চক্রের ৪ তরুণী গ্রেফতার

    নওগাঁয় ধনাঢ্য পরিবারের সদস্যদের টার্গেট করে প্রেমের আহ্বান জানিয়ে বাড়িতে ডেকে এনে বিশেষ কৌশলে বেকায়দায় ফেলে অর্থ আদায়ের মতো প্রতারক চক্রের ৪ তরুণী ও তাদের সহযোগী ৪ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এই চক্র বেশ কিছুদিন ধরে নওগাঁ শহরের বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে এই অপকর্ম করে আসছিল।অবশেষে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে একজনের অভিযোগের ভিত্তিতে নওগাঁ শহরের পার-নওগাঁ (দক্ষিনপাড়া) এলাকায় অভিযান চালিয়ে মৃত শহিদুল ইসলামের বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। আজ শুক্রবার সকালে তাদেরকে নওগাঁ জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    গ্রেফতারকৃতরা হলো পার-নওগাঁ দক্ষিনপাড়া এলাকার মৃত শহিদুল ইসলামের মেয়ে শান্তা খাতুন (৩০), নিপা খাতুন (৩২) ও সন্ধ্যা খাতুন (১৯), বগুড়া জেলাধীন আদমদিঘী থানার কেল্লা গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে  রিয়া খাতুন, সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ মন্ডলের ছেলে হারুন মন্ডল (৩৬), আজাহার আলীর ছেলে মো. আরিফ হোসেন (২৫), মো. আফজাল হোসন মোল্লার ছেলে নুর ইসলাম নোবেল (২০) এবং আব্দুস সালামের ছেলে মো. আশিক (১৯)।

    গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নওগাঁ শহরের বাঙ্গাবাড়িয়া এলাকার শিউলী ম্যানসনের চতুর্থতলায় ভাড়া থাকাকালীন সময় মঙ্গলপুর গ্রামের জনৈক রফিকুল ইসলামকে এমন ফাঁদে ফেলে নগদ ৫০ হাজার টাকা আদায় করে এবং ৮ লাখ টাকা দাবী করে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    এদিন, শহরের একটি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের সহকারী পরিচালককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাড়িতে ডেকে ফাঁসিয়ে অর্থ আদায়ের কৌশল অবলম্বন করে। কৌশলে তিনি থানায় জানালে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অফিসার্স ইনচার্জ মো. আব্দুল হাইয়ের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    নওগাঁ সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. আব্দুল হাই জানান, গ্রেফতারকৃত শান্তা, নিপা, সন্ধ্যা ও রিয়া নামের মেয়ের সহযোগিতায় যে কোন ধনাঢ্য ব্যক্তিকে টার্গেট করে মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করে তাদের প্রথমে প্রেমের অফার দিয়ে বাড়িতে ডাকে। এই ডাকে কেউ কেউ সাড়া দিয়ে ফেঁসে যায়। তাদের বাড়িতে ডেকে এনে ঘরের দরজা বন্ধ করে উভয়ে বিবস্ত্র হয়। তারপর ছেলে সহযোগীদের ফোন করে। তারা এসে দরজা নক করে ভিতরে প্রবেশ করে। তাদের বিবস্ত্র অবস্থায় বিভিন্ন আঙ্গিকের ছবি তোলে। সেই ছবি ফেসবুকে বা নানাভাবে প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের অর্থ আদায় করে।

  • সদর রোডে ডিবির হাতে রোগী ধরা  দালাল আটক-২

    সদর রোডে ডিবির হাতে রোগী ধরা দালাল আটক-২

    নগরীর সদর রোডের রোগীর দালালের আখড়ায় হানা দিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তবে তেমন একটা সুবিধা করতে পারেনি তারা। দু’জনকে আটক করতে পারলেও বাকিরা সবাই পালিয়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার নাসির উদ্দিন মল্লিক’র নেতৃত্বে এসআই ফিরোজ আলম’র দল এই অভিযান পরিচালনা করে।

    অভিযানে আটক দুই দালাল হলো বাদল ও শাহ আলম। অভিযোগ অভিযানের বিষয়টি আগেভাগেই জানতে পেরে আত্মগোপনে যায় দালাল সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যরা।
    খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, নগরীর সদর রোডস্থ বিবির পুকুরের পশ্চিম পাড় ডাক্তার পাড়া হিসেবে পরিচিত। এখানে নামি-দামী চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বার। সেই সুবাদে প্রতিদিন দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী আসছে চিকিৎসা নিতে। এসেই পড়ে যাচ্ছে দালালদের খপ্পড়ে।

    বাটার গলি সহ আশপাশের গলির মুখে অবস্থান নিয়ে থাকা দালালরা কৌশলে ফাঁদে ফেলছে রোগীদের। নির্দিষ্ট কোন হাতুড়ে কিংবা নামসর্বস্ব চিকিৎসকদের কাছে ধরে নিয়ে যাচ্ছে তারা। বিনিময়ে চিকিৎসক এর ভিজিট এবং পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে পাচ্ছে মোটা অংকের পার্সেন্টেজ। কিন্তু নাম সর্বস্য চিকিৎসকের দেয়া চিকিৎসা আসছে না রোগীদের কোন উপকারে। বরং অর্থের দন্ডি এমনকি ঘটছে ওষুধের রিয়াকশন।

    স্থানীয়রা জানায়, সদর রোডে বিবির পুকুর পাড় এলাকার চিকিৎসক পাড়া দখল নিয়ে থাকে প্রায় অর্ধশত দালাল। সদর রোডেই নয়, লঞ্চঘাট, বাস টার্মিনাল এলাকাতেও তাদের অবস্থান। রিক্সা চালক, অটো চালক বেশে দালাল চক্র ফাঁদ পেতে থাকে রোগী ধরার আশায়। তবে ভ্রাম্যমান দালালের সংখ্যাই বেশি। যার মধ্যে সদর রোড এলাকায় স্বপন, রমজান, মাসুম, সুমন, বাদল, রিক্সা চালক শাহ আলম, শুক্কুর, মাসুম, সাদ্দাম, মিজান, রিক্সা চালক নগা অন্যতম। প্রায় সময় এদের মধ্যে অনেকেই আটক হচ্ছে পুলিশ কিংবা ডিবি’র হাতে। কিন্তু দুর্বল আইনের ফাঁক ফোকড় দিয়ে আবার বেরিয়ে আসছে দালাল সদস্যরা। রোগী ধরতে পুনরায় তৈরী করছে নতুন ফাঁদ।

    স্থানীয়রা জানায়, দালালরা এতটাই চতুর যে মুহুর্তের মধ্যেই রোগীরা তাদের পাতা জালে আটকে যাচ্ছে। রোগীদের ফাঁদে ফেলতে কখনো কখনো কথার ছলে খ্যাতনামা চিকিৎসকদের মেরেও ফেলছে। পাঠিয়ে দিচ্ছে দেশের বাইরেও। দালালদের সাজানো গোছানো মিথ্যাচারগুলো খুব সহজেই মেনে নিতে হচ্ছে রোগীদের। শুধু তাই নয়, দালাল চক্র এতোটাই চতুর যে তারা প্রশাসনের চোখেও ধুলা দিচ্ছে খুব সহজে।

    কেননা প্রশাসন মাঝে মধ্যে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। কিন্তু হাতে গোনা দু’চারজন আটক হলেও বাকিরা থেকে যাচ্ছে ধরা ছোয়ার বাইরে। অবশ্য অভিযোগ রয়েছে থানা এবং ডিবি পুলিশের কতিপয় অ-সাধু সদস্য দালালদের কাছ থেকে মাসোয়ারা পাচ্ছে। যে কারনে অভিযানের আগেই দালালরা টের পেয়ে যাচ্ছে।

    চলে যাচ্ছে আত্মগোপনে। ঠিক তেমনটাই ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার। ডিবির অভিযান টের পেয়েই সটকে পড়ে দালাল চক্র।মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. নাসির উদ্দিন মল্লিক বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আমাদের কয়েকটি টিম এক যোগে সদর রোড এলাকায় অভিযানে নামে। এসময় এসআই ফিরোজ আলম এর টিম দুই দালালকে আটক করে।

    এরা হলো বাদল ও শাহ আলম। তাদেরকে কোতয়ালী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তবে একাধিক টিম নামলেও বাকিরা কাউকে ধরতে পারেনি। ডিবির উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে গেছে। তবে ডিবি পুলিশের অভিযান এবং দালালদের বিষয়ে নজরদারী অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

  • বরিশালে ডিবি’র হাতে হেরোইন ব্যবসায়ী আটক

    শামীম ইসলাম:

    বরিশাল নগরীর ২৯নং ওয়ার্ড দক্ষিন বাঘিয়া লুৎফর রহমান সড়ক এলাকার জনৈক মিঠুর বাসার ভাড়াটিয়া মোঃ কাজিমুদ্দিন মালিথা ওরফে বাদশা মালিথা (৪৫) কে ২১ (একুশ) পুরিয়া হেরোইন সহ আটক করেছে ডিবি পুলিশ।

    এসআই মোঃ ইউনুস আলী ফরাজী ও তার সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স অভিযান চালিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর তাদেরকে আটক করে।

    আটক হেরোইন ব্যবসায়ী বাদশা কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার ৩নং ওয়ার্ডের মীরের পাড়া এলাকার মোঃ আজুবর -আজবর মালিথা এর পুত্র।
    পরে এ সংক্রান্তে এয়ারপোর্ট থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু হয়।

  • আমার স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ওসি

    আমার স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ওসি

    দীর্ঘ ৯ মাস ধরে আমার স্ত্রীর সঙ্গে প্রেম করছেন গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশের ওসি একেএম এনামুল কবীর। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে আমাকে নির্যাতন করা হয়। ওসির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলে বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ইয়াছিন শেখ (৩৫) নামের এক যুবক।

    ইয়াছিন শেখ বলেন, দীর্ঘ ৯ মাস ধরে টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশের ওসি একেএম এনামুল কবীর আমার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেম করে আসছেন। সবশেষ গত ১৩ সেপ্টেম্বর ব্যক্তিগত কাজে আমি ঢাকায় যাই। ঢাকা থেকে ওইদিন গভীর রাতে ফিরে আসি। ঘরে ঢুকে দেখি ওসি এনামুল কবীর আমার স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত। এ সময় আমি চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে ওসি ঘর থেকে বের হয়ে আমাকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে ফেলে। সেই সঙ্গে পাগল আখ্যা দিয়ে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালায় ওসি।

    ইয়াছিন আরও বলেন, এ ঘটনার পর থেকে ওসি আমাকে হয়রানি করে চলছেন। আমাকে মাদক মামলার আসামি করার হুমকিও দিয়েছেন। ইতোমধ্যে আমাকে বাগেরহাট থানার একটি মাদক ও ব্যাংক চেক প্রতারণার মামলার আসামি করা হয়েছে। আমার স্ত্রীর সঙ্গে ওসির পরকীয়া নিয়ে আমি গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। গোপালগঞ্জের এএসপি (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন বিষয়টি তদন্ত করছেন। আমার সংসারের সুখ-শান্তি ফিরিয়ে আনতে আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচার দাবি করছি।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশের ওসি একেএম এনামুল কবীর পরকীয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি ইয়াছিন ও তার স্ত্রীকে চিনি না। বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। একটি মহল ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ইয়াছিনকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে এমন কাজ করাচ্ছে। আমি তাকে কখনো মামলা দেয়ার হুমকি দিইনি। আমার জানামতে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তবে চাকরি দেয়ার কথা বলে ইয়াছিন বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা আদায় করেছে বলে শুনেছি।

    এ ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা ও গোপালগঞ্জের এএসপি (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন বলেন, এ নিয়ে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন ইয়াছিন। পুলিশ সুপার আমাকে ঘটনার তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযোগপত্রের সঙ্গে ইয়াছিন তার স্ত্রী, শাশুড়ি ও গাজীপুরের এক হুজুরের মোবাইল নম্বর দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করছি আমি।

  • বিপুল পরিমাণ জাল দলিলসহ বরিশালে চার প্রতারক আটক

    বিপুল পরিমাণ জাল দলিলসহ বরিশালে চার প্রতারক আটক

    কাজী সাইফুলঃ

    জাল দলিল তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জামসহ প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার বরিশাল নগরী এবং বানারীপাড়া উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    বুধবার ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে বরিশাল পুলিশ লাইনে ইন সার্ভিস সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইলুহার গ্রামে অভিযান চালিয়ে জাল দলিল তৈরির হোতা মুহুরী আবদুল মন্নান তালুকদারকে আটক করে বানারীপাড়া থানা পুলিশ।

    পরে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে নগরীর চকবাজার ও বগুড়া রোড থেকে বাবুল চৌকিদার, শাহজাহান হাওলাদার ও নজর আলী মৃধাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় তাদের কাছ থেকে ব্রিটিশ আমল থেকে দলিল প্রস্তুতের স্ট্যাম্প, অসংখ্য জাল দলিল, বিভিন্ন অফিস আদালতের কয়েকশ সিল, ডিক্রি, আদালতের রায়ের কপি, ভুয়া ওয়ারেন্ট, ডেথ সার্টিফিকেট, ১৯০০ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বর্ষপঞ্জিকা, রোটারি জাল কাগজ সহ অনান্য কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছে।

    এদের মধ্যে বাবুল চৌকিদার মেহেন্দিগঞ্জের আলিমাবাদ গ্রামের মোঃ আবুল হোসেন চৌকিদারের ছেলে, শাহজাহান হাওলাদার উজিরপুরের কেশবকাঠী গ্রামের মৃতঃ আঃ রহিম হাওলাদারের ছেলে ও নজর আলী মৃধা আগৈলঝাড়া উপজেলার মৃতঃ রহিম উদ্দিন মৃধার ছেলে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম।