Category: প্রশাসন

  • জামালপুরের সেই ডিসি বরখাস্ত

    জামালপুরের সেই ডিসি বরখাস্ত

    অনলাইন ডেস্ক :

    নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের ঘটনায় জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই ঘটনার পর উপসচিব কবীরকে ডিসি পদ থেকে সরিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়।

    গত বুধবার ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী আহমেদ কবীরকে সাময়িক বরখাস্ত করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সিচিব (শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগ) মো. মনির উদ্দিন এ তথ্য জানান।

    অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আহমেদ কবীরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত করার মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়ে গেছে। এরপর অন্যান্য ব্যবস্থাগুলো নেয়া হবে।’

    আহমেদ কবীরের নারী কেলেঙ্কারীর ঘটনায় গঠিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তদন্ত কমিটি গত রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

    গত মাসের শেষের দিকে জামালপুরের ডিসির একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে ডিসি আহমেদ কবীরের সঙ্গে তার অফিসের এক নারী কর্মীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। ওই ঘটনায় জামালপুরসহ সারাদেশের মানুষের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

    এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে গত ২৫ আগস্ট (ওএসডি) আহমেদ কবীরকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা করে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    ওই দিনই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখা) মুশফিকুর রহমানকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

    কমিটিতে সদস্য হিসেবে ছিলেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনারের একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) একজন প্রতিনিধি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন শৃঙ্খলা অধিশাখার উপসচিব সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    প্রথমে কমিটিকে ১০ কর্মদিবস সময় দেয়া হয়েছিল। এই সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ না হওয়ায় কমিটি সময় আরও ১০ দিন বাড়িয়ে নেয়।

  • বরিশালে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের পর ভিডিও, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    বরিশালে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের পর ভিডিও, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেয়ার মামলায় বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বহিষ্কৃত মেম্বার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম তালুকদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজিহার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার শামীম তালুকদার রাজিহার এলাকার বাসিন্দা এবং একই ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা।

    আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন বলেন, স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেয়া ছাড়াও আরেকটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি শামীম তালুকদার। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আগৈলঝাড়ার এক স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের পর মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় ইউপি সদস্য শামীম তালুকদারসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন স্কুলছাত্রীর মা।

    ওই মামলায় শামীমসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন পুলিশের ওসি খন্দকার আবুল খায়ের। বর্তমানে ওই মামলার বিচার চলছে।

    পুলিশের চার্জশিটভুক্ত আসামি হওয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ইফতেখার আহম্মেদ চৌধুরী ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে শামীম তালুকদারকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

    এরই মধ্যে গ্রামের লোকজনকে হয়রানিসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ব্যাপক অভিযোগ ওঠে শামীমের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে মারামারির মামলা করা হয়। ওই মামলায় শামীমকে গ্রেফতার করা হয়।

  • গরুর হাটেও চাঁদাবাজি করতেন জি কে শামীম

    গরুর হাটেও চাঁদাবাজি করতেন জি কে শামীম

    অনলাইন ডেস্ক ::

    যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম (জি কে শামীম) একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক এবং জুয়ার ব্যবসায়ী (ক্যাসিনো) হিসেবে পরিচিত। শুধু তাই নয়, স্থানীয় টার্মিনাল, গরুর হাট-বাজারেও চাঁদাবাজি করতেন তিনি। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রাথমিক অনুসন্ধানে এমনই তথ্য উঠে এসেছে।

    আজ বৃহস্পতিবার জি কে শামীমসহ তার সাত দেহরক্ষীকে গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদনে করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু সাঈদ। আবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।

    আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী তার সাত দেহরক্ষীকে মানিলন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার দেখান। জি কে শামীম অন্য মামলায় রিমান্ডে থাকায় তার উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানোর আবেদনের শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন গুলশান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রকিবুল হাসান।

    শামীমের সাত দেহরক্ষী হলেন দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ্য করেন, শামীম তার দেহরক্ষীদের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে নিজ নামে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র প্রকাশ্য বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে আসছিলেন। বিভিন্ন ধরনের টেন্ডারবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসাসহ স্থানীয় টার্মিনাল, গরুর হাট-বাজারে চাঁদাবাজি করে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের মালিক হওয়ায় গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে আসামিদের পুনঃগ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালতে আরজি জানান তিনি।

    এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলে পরবর্তীতে জি কে শামীমসহ তার সাত দেহরক্ষীর পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

    রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষী
    এদিকে জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষী চার দিনের রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

    বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গুলশানের অস্ত্র আইনের মামলায় চারদিনের রিমান্ড শেষে সাত দেহরক্ষীকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ফজলুল হক।

    অপরদিকে, তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম হাবিবুর রহমান চৌধুরী ওই সাতজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে জামিন শুনানির জন্য আগামী রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন।

    আবেদনপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, চারদিনের রিমান্ডে নিয়ে আসামিদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তারা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যাদি মামলার তদন্তকাজে যথেষ্ট সহায়ক হবে। তাদের দেয়া তথ্য ও নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হওয়ার আশঙ্কা আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    জি কে শামীমের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, এ আসামির পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে।

    এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর অবৈধ অস্ত্র ও মাদক মামলায় আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় পাঁচদিন ও মাদক মামলায় পাঁচদিন। এ ছাড়া সাত দেহরক্ষীকে অস্ত্র মামলায় চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

    টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত ২০ সেপ্টেম্বর যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে আটক করে র‌্যাব। পরদিন তাদের গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    ওই অভিযানে এক কোটি ৮০ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার ওপর এফডিআর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়, যার মধ্যে তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি ও ২৫ কোটি টাকা শামীমের নামে। একই সঙ্গে পাওয়া যায় মার্কিন ডলার, মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র।

  • বরিশালে ডিবি পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ দুই পুলিশ সদস্য আটক

    বরিশালে ডিবি পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ দুই পুলিশ সদস্য আটক

    নিউজ ডেস্ক ::

    বিপুল পরিমান ইয়াবসহ দুই পুলিশ সদস্য ও একজন মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে আটক করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নগরীর কাশিপুর এলাকা থেকে ২৫০ পিচ ইয়াবাসহ তাদের আটক করে।

    আটককৃত পুলিশ সদস্যরা হলো- ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার বাসিন্দা ও পুলিশ কনস্টেবল মো. ইমরান (২৩) ও পুলিশ কনস্টেবল সালাহউদ্দিন (২৩)। তারা উভয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে পিওএম শাখায় কর্মরত। এছাড়া আটকৃত অপর একজন হলো, নগরীর কাউনিয়া এলাকার মাদক বিক্রেতা সোহাগ হাওলাদার (৩০)।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার বরিশাল ক্রাইম নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, মাদক উদ্ধারে বৃহস্পতিবার দুপুরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের কাশিপুরে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালয়। এ সময় একটি মোটরসাইকেলের আরোহীদের থামানোর জন্য সংকেত দেওয়া হয়। কিন্তু আরোহীরা সংকেত না মেনে দ্রুত গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা ধাওয়া করে ওই তিন আরোহীকে আটক করে। এ সময় তাদের দেহ তল্লাশি করে ২৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    আটকৃতদের মধ্যে ইমরান ও সালাহউদ্দিন পুলিশ সদস্য উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলাসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • পুলিশ না পেলেও র‌্যাব পেল মাদকের আখড়া

    পুলিশ না পেলেও র‌্যাব পেল মাদকের আখড়া

    রাজধানীর তেজগাঁও ফুওয়াং ক্লাবে অভিযানে বিপুল অবৈধ মদ-বিয়ার ও এবং আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট ও সাত লাখ টাকা জব্দ করেছে র‌্যাব। বৈধ কোনও কাগজ দেখাতে না পারায় মাদকগুলো জব্দ করা হয়েছে। সিলগালা করে দেয়া হয় ক্লাবটি। গ্রেপ্তার করা হয় তিনজনকে।

    অভিযান শেষে আজ র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান বলেন, ১১ ঘণ্টাব্যাপী আমাদের এ অভিযান শেষ হয়েছে। ফুওয়াং ক্লাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, সিগারেট ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২ হাজার ২০০ বোতল মদ আর ১০ হাজারের বেশি বিয়ারের ক্যান। যার সবই অবৈধ ও অনুমোদনহীন।

    গেল সোমবার রাজধানীর তেজগাঁও ফুওয়াং ক্লাবে অভিযান চালায় পুলিশ। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ নেতৃত্বে কয়েক ঘণ্টার অভিযানের পর সাংবাদিকদের জানানো হয় ক্লাবটি সকল নিয়ম মেনে চলছে। পাওয়া যায়নি অবৈধ কোনকিছু।

    তবে এর তিনদিনের মধ্যে আবারও অভিযান চালায় র‌্যাব। মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এ অভিযান শেষ হয় বৃহস্পতিবার দুপুরে। পাওয়া যায় বিপুল অবৈধ মাদক। র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয় এ ঘটনায় মালিকসহ চারজনের নামে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    রাজধানীর ক্লাবগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে বলেও জানায় র‌্যাব। অনিয়ম পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারিও দেয় সংস্থাটি।

  • র‌্যাবের পর এবার জুয়ার আসর বন্ধে মাঠে নেমেছে পুলিশ

    র‌্যাবের পর এবার জুয়ার আসর বন্ধে মাঠে নেমেছে পুলিশ

    র‌্যাবের পর এবার জুয়ার আসর বন্ধে মাঠে নেমেছে পুলিশ। রাজধানীর মতিঝিল-আরামবাগ এলাকার চার ক্লাবে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে ক্যাসিনোর সরঞ্জাম, মদ ও নগদ টাকা।

    রোবার দুপুরে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব, দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাব ও আরামবাগ ক্রীড়া সংঘে একযোগে এই অভিযান শুরু হয় বলে জানান পুলিশের মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার শিবলী নোমান। এর মধ্যে ভিক্টোরিয়া ক্লাব থেকে বিভিন্ন ধরনের জুয়া খেলার নয়টি বোর্ড, এক লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ তাস, জুয়ায় ব্যবহৃত চিপস ও মদ পাওয়া গেছে

    মোহামেডানে পাওয়া গেছে দুটো রুলেট টেবিল, নয়টি বোর্ড, বিপুল পরিমাণ কার্ড, ১১টি ওয়্যারলেস সেট ও ১০টি বিভিন্ন ধরনের চাকু।আরামবাগ ও দিলকুশা ক্লাবেও বাকারা ও রুলেট টেবিলসহ বিভিন্ন জুয়ার সরঞ্জাম পেয়েছে পুলিশ।

    তবে অভিযানের সময় সবগুলো ক্লাবই বন্ধ ছিল।

  • ঝালকাঠির সকল ফেইসবুক আইডি সার্বক্ষণিক পুলিশের নজরে থাকবে

    ঝালকাঠির সকল ফেইসবুক আইডি সার্বক্ষণিক পুলিশের নজরে থাকবে

    জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে একান্ত আলাপকালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ‍ পলক বলেন, ঝালকাঠিতে যত ফেইসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে প্রত্যেকের ID সার্বক্ষণিক পুলিশি নজরদারীতে রাখতে হবে। প্রত্যেকের পোষ্ট, কমেন্ট, লাইক এবং শেয়ার ফলো করার জন্য পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন তিনি। এসময় পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন বলেন, আরো আগ থেকেই জেলা পুলিশের আইটি বিভাগ এবিষয়ে কাজ শুরু করেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশ ও জাতির ক্ষতি হয় এমন বিষয়ে গুজব ছড়ানো, সরকার বিরোধী লেখা, জাতির জনক ও প্রধানমন্ত্রীর বিরদ্ধে অপপ্রচার চালানো ফেইবুকারদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে। বর্তমান সরকার প্রযুক্তিগত বিষয়ে দেশের মানুষকে যত সুবিধা দিয়েছে তার যেন কেউ অপব্যবহার না করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

    সরকারী সফরে গতকাল ২৫ সেপ্টেম্বর (বুধবার) ঝালকাঠি আসেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ‍ পলক। রাত ১০ টার কিছু আগে তিনি সার্কিট হাউসে পৌছলে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলা প্রশাসক জোহর আলী ও পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন। পরবর্তীতে জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগ পৃথকভাবে প্রতিমন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

  • বসুন্ধরায় ৮ তলা ভবনের মালিক চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার ওসি সাইরুল ইসলাম

    বসুন্ধরায় ৮ তলা ভবনের মালিক চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার ওসি সাইরুল ইসলাম

    এ যেন ‘আঙুল ফুলে বটগাছ’ হওয়ার কাহিনি। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ৮ তলা ভবনের মালিক হয়েছেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার ওসি সাইরুল ইসলাম। ভবনটির আনুমানিক মূল্য ১১ কোটি টাকা। কনস্টেবল থেকে পদোন্নতি পেয়ে ওসি হওয়া এই পুলিশ কর্মকর্তা নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। একুশে পত্রিকার অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে ওসি সাইরুলের সম্পদের ভান্ডার।

    অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজধানীর অভিজাত এলাকা হিসেবে খ্যাত বসুন্ধরা আবাসিকের এম ব্লকে ৪২১৪ নম্বর প্লটে ৪ কাটা জমি কিনেছেন সাইরুল ইসলাম। উক্ত জমিতে তিনি নির্মাণ করেছেন ৮ তলা সুরম্য ভবন। ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে সম্প্রতি। নজরদারির সুবিধার্থে ভবনটির বাইরে স্থাপন করা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা।

    ভবনটির বর্তমান বাজার মূল্য সম্পর্কে একটি আবাসন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘৪ কাটা জমির উপর ৮ তলা ভবন করা হলে এটির মোট স্পেস দাঁড়াবে প্রায় ১৮ হাজার ৪৩২ বর্গফুট। এটি নির্মাণে ব্যয় হতে পারে প্রায় ৩ কোটি ৬৮ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। বর্তমানে এটির বাজার মূল্য হতে পারে প্রায় ১১ কোটি ৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা।’

    অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, যশোরের প্রাণকেন্দ্র কোতোয়ালী থানার সিটি কলেজ পাড়ায় ওসি সাইরুল ইসলামের রয়েছে ৬ দশমিক ৬০ শতক জমি। যশোরের একজন সংবাদকর্মী জানিয়েছেন, সিটি কলেজের সামনেই মনিহার সিনেমা হল। সেখানে আগে বাসস্ট্যান্ড থাকলেও এখন নেই। তবে রাতের বেলা দূরপাল্লার বাসগুলো মনিহার থেকেই ছাড়ে। ওই এলাকায় জমির প্রচুর দাম। সিটি কলেজ পাড়ায় প্রতি শতক জমির দাম সর্বনিম্ন ৭ লাখ টাকা; রাস্তার পাশে বা একটু ভালো জায়গায় হলে জমির দাম প্রতি শতক ১০ লাখ টাকা। সে হিসেবে ওসি সাইরুলের উক্ত জমির মূল্য হতে পারে সর্বোচ্চ ৬৬ লাখ টাকা।

    এদিকে ছেলে মো. সৌমিক হাসানকে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ হার্টফোরশায়ারে পড়ালেখা করাচ্ছেন ওসি সাইরুল ইসলাম। ২০১৫ সাল থেকে লন্ডন, তুরস্ক, ইটালি, মালয়েশিয়া, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমন করেছেন সৌমিক; যা তিনি নিজের ফেইসবুক পাতায় শেয়ার করেছেন। এমনকি প্রাইভেট হেলিকপ্টারেও সৌমিকের চলাফেরা করার মুহুর্ত ফেইসবুকে দেখা গেছে।

    ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে যোগ দেন সাইরুল ইসলাম। মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানার ওমেদপুর গ্রামের শেখ আবদুল আলেক ও শেখ সবুরন নেছার সন্তান তিনি। আর্থিকভাবে অসচ্ছল ছিলেন তারা। যার কারণে পুলিশের কনস্টেবল পদে যোগ দিয়ে পরিবারের হাল ধরেন সাইরুল। পরে পদোন্নতি পেয়ে চট্টগ্রামের চান্দগাঁও, বায়েজিদ বোস্তামী ও মিরসরাই থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাইরুল। চাকরিজীবনে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যাননি। শুধুমাত্র পুলিশে চাকরি করে ওসি সাইরুল সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলে অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    সম্প্রতি দুদকে জমা হওয়া আয়শা আকতার কাকলী নামের চান্দগাঁওয়ের এক বাসিন্দার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সাইরুলের স্ত্রী সৈয়দ তাসলিমা ইসলাম ব্যক্তিগত চালকসহ ব্যবহার করেন দামি প্রাইভেট কার। ওসি সাইরুলসহ পরিবারের সদস্যরা বহুবার বিভিন্ন উন্নত দেশে সফর করেছেন। এত বিলাসী জীবনযাপনের পরও আয়কর বিবরণীতে বছরে মাত্র আড়াই লাখ টাকা পারিবারিক ব্যয় দেখিয়েছেন ওসি সাইরুল ইসলাম।

    এদিকে দুদকের কাছে তথ্য আছে, আয়কর বিবরণীতে ৫০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১১ লাখ ২৩ হাজার ৯৫৮ টাকা আছে বলে তথ্য দিয়েছেন ওসি সাইরুল। তার সম্পদ স্ত্রী ও নিকটাত্মীয়দের কাছেও রয়েছে। স্ত্রী সৈয়দা তাসলিমা ইসলামের নামে ঢাকায় কোটি টাকা দামের ফ্ল্যাট আছে। সেখানে স্ত্রী-সন্তানরা বসবাস করেন। বিলাসবহুল উক্ত ফ্ল্যাটে রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ দামি আসবাবপত্র। বনানীতেও একটি বহুতল ভবন আছে। সাইরুলের সম্পদ ভাই সাইফুল ইসলামের নামেও রয়েছে। নামে-বেনামে অন্তত ৮০টি কাভার্ড ভ্যান রয়েছে ওসি সাইরুল ইসলামের; যা তার ভাই সাইফুল পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ। তার পরিবারের সদস্যদের ব্যবহারের জন্য রয়েছে একাধিক গাড়িও। ওসি সাইরুল বেনামে কুমিল্লায় দুটি পেট্রোল পাম্পেরও মালিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে দুদকে যাওয়া ওই অভিযোগে।

    দুদক কর্মকর্তাদের ধারণা, ওসি সাইরুলের যেসব সম্পদের তথ্য তাদের হাতে আছে, তার বাইরেও অনেক সম্পদ রয়েছে। চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন হিলভিউ হাউজিং সোসাইটির এক নম্বর সড়কে হিলভিউ টাওয়ারের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে থাকেন ওসি সাইরুল; ওই ফ্ল্যাটটি তিনি কিনেছেন বলে ধারণা করছেন দুদক কর্মকর্তারা। সত্যতা যাচাইয়ে এসব বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান করছে দুদক।

    দুদকে জমা পড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সাইরুল ইসলামের একান্ত অনুগত কিছু পুলিশ সদস্য রয়েছেন; ওসি সাইরুলের যে থানায় যোগ দেন তাদেরও একই থানায় বদলি করে নিয়ে যান। তাদের মধ্যে রয়েছেন এসআই পীযুষ কান্তি সিংহ, এসআই গোলাম মোহাম্মদ নাসিম, এএআই মনিরুল ইসলাম, এএসআই আতাউর রহমান, কনস্টেবল মো. রহিম। এই পুলিশ সদস্যরা ওসি সাইরুলের ‘টাকা আয়ের মেশিন’ হিসেবে কাজ করেন বলে দুদকে অভিযোগ করেছেন আয়শা আকতার কাকলী।

    তিনি দুদককে আরো তথ্য দিয়েছেন, বোয়ালখালী থানায় ওসি হিসেবে যোগ দেয়ার দিনই নিজের কক্ষে ব্যক্তিগত খরচে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র স্থাপন করেন সাইরুল ইসলাম। বোয়ালখালীর সিও অফিসের মীর পাড়া সড়কে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন তিনি; সেখানেও লাগিয়েছেন শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র।

    অভিযোগ রয়েছে, বোয়ালখালীতে যোগ দিয়েই সরকারবিরোধী লোকজনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন ওসি সাইরুল ইসলাম। বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন খান মুকুলের পরামর্শ মতো ওসি সাইরুল কাজ করেন বলেও অভিযোগ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বোয়ালখালীর একজন বাসিন্দা একুশে পত্রিকাকে জানান, কর্ণফুলী নদীর তীরের একটি জমি রেজিস্ট্রি করে কেনার পরও সেটা তারা ভোগ-দখল করতে পারছেন না। বিএনপি নেতা মুকুলের পক্ষ নিয়ে ওসি সাইরুল তাদেরকে ভোগ-দখলে বাধা দিচ্ছেন।

    অভিযোগের বিষয়ে বোয়ালখালী থানার ওসি সাইরুল ইসলাম একুশে পত্রিকাকে বলেন, এগুলো ভিত্তিহীন অভিযোগ। এগুলো করে কি লাভ? এ অভিযোগগুলোর কোন সত্যতা নেই। আমার ব্যক্তিগত, পারিবারিক সম্পদ থাকতে পারে না? এটা কী কথাবার্তা।

    দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মো. আবদুল করিম একুশে পত্রিকাকে বলেন, ওসি সাইরুলের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সাইরুলের বিরুদ্ধে আরো কোন অভিযোগ থাকলে দুদককে সরবরাহ করার জন্য তিনি আহ্বান জানিয়েছেন।

    প্রসঙ্গত গত বছরের সেপ্টেম্বরের শুরুতে বোয়ালখালী থানায় ওসি হিসেবে যোগ দেন সাইরুল ইসলাম। এর আগে ২০১৫ সালে নগরের চান্দগাঁও থানায় ওসি সাইরুলের দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে ফাঁদে ফেলে নিরীহ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায়, মাদক দিয়ে মামলায় জড়ানো, টাকার বিনিময়ে অব্যাহতি দেয়া, দুর্ব্যবহার, ধরে নিয়ে গুলি করাসহ বেশকিছু অভিযোগ উঠে।

    এর আগে গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর ‘সরকারি গাড়ি নয়, কর্মস্থলে ব্যক্তিগত গাড়িতে ঘোরেন ওসি!’ শিরোনামে একটি বিশেষ সংবাদ প্রকাশ করে একুশে পত্রিকা। এতে উল্লেখ করা হয়, বোয়ালখালী থানার নতুন ওসি সাইরুল ইসলাম সরকারি গাড়ির পরিবর্তে ব্যক্তিগত বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার করছেন।

    ওই প্রতিবেদনে ক্ষুব্ধ হয়ে গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর একুশে পত্রিকার সম্পাদক আজাদ তালুকদারের বিরুদ্ধে নিজের থানায় ‘সাধারণ ডায়েরি’ (জিডি) করেন বোয়ালখালী থানার ওসি সাইরুল ইসলাম।

    নিজের অনৈতিক কর্মকাণ্ড আড়াল করতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওসি সাইরুলের জিডি করায় সে সময় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

    জানতে চাইলে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) খন্দকার গোলাম ফারুক একুশে পত্রিকাকে বলেন, অভিযোগের সত্যতা থাকলে ওসি সাইরুলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার দুদকের রয়েছে। এর বাইরে আমরাও অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখবো। সত্যতা পেলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবো।

    সুত্র:ক্রাইম সিলেট

  • অভিযান চললে অপরাধ কমে আসবে : সেনাপ্রধান

    অভিযান চললে অপরাধ কমে আসবে : সেনাপ্রধান

    দেশজুড়ে অবৈধ ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে চলমান অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। ২৪ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সকালে সাভার সেনানিবাসের মিলিটারি ফার্মে অত্যাধুনিক মিল্কিং পার্লারের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

    এসময় সেনাপ্রধান বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে শক্তিশালী অবস্থান সেটার বহিঃপ্রকাশ হয়েছে। এ ধরনের একটা ড্রাইভ দরকার। আমি এটাকে স্বাগত জানাই।’

    চলমান অভিযানকে অব্যাহত রাখার তাগিদ দিয়ে আজিজ আহমেদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন তা অত্যন্ত পজেটিভ। ঠিকঠাক মতো এই অভিযান চললে অনেক অপরাধ কমে আসবে।’

    এ সময় সেনাবাহিনী নাম ভাঙিয়ে সৈনিক ক্লাব কিংবা রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস ক্লাবের নামে যারা এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন সেনাপ্রধান।

    আজিজ আহমেদ বলেন, ‘এ বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে এ ব্যাপারে আরো খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে। আমি নিশ্চিত করে বলছি, এ বিষয়ে আমাদের যা করণীয় আমরা তা করব।’

    আয়ারল্যান্ডের প্রযুক্তিতে সরকারি পর্যায়ে স্থাপিত প্রথম এই মিল্কিং পার্লার থেকে জীবাণুমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে প্রতি ১৫ মিনিটে একসঙ্গে ২০টি গাভী থেকে দুধ সংগ্রহ করা হবে। যা থেকে ডেইরি ফার্ম ব্যবস্থাপনায় সময় ও শ্রম সাশ্রয় হবে বলেও জানান সেনাপ্রধান।

    এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল শামসুল হক, মাস্টার জেনারেল অব অর্ডিন্যান্স মেজর জেনারেল আবু সাঈদ সিদ্দিক। নয় পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও সাভার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল আকবর হোসেন।

  • খুলনায় র‍্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে মাদক ব্যবসায়ী নিহত

    খুলনায় র‍্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে মাদক ব্যবসায়ী নিহত

    খুলনা প্রতিনিধি//জান্নাতুল ফেরদৌস:

    খুলনার ডুমুরিয়ায় র‍্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে বিকাশ (৪০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় র‍্যাবের তিন সদস্যও আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলার ধানিবাড়িয়া এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

    র‍্যাব-৬ এর মেজর আশরাফ বলেন, আমাদের নিয়মিত টহল চলাকালীন রাত ১টার দিকে ডুমুরিয়ার ধানিবাড়িয়া এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের ধাওয়া করলে তারা গুলি ছোড়ে। র‍্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে।

    এক পর্যায়ে তারা একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান তার নাম বিকাশ। ঘটনাস্থল থেকে দুটি পিস্তল, ৫৫ বোতল ফেনসিডিল, ২২০ পিস ইয়াবা ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

    ডুমুরিয়া থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, বিকাশকে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেছেন। সে কৈয়াবাজার এলাকার ধীরেন দের ছেলে।