Category: প্রশাসন

  • সম্রাট বের হতেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

    সম্রাট বের হতেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

    যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাটকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। কাকরাইলে তার কার্যালয়ে ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ায় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ কারাদণ্ড দেন।

    রোববার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে র‌্যাবের একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তালা ভেঙে সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান শুরু করে। অভিযান চলে সন্ধ্যা সোয়া ৭টা পর্যন্ত।

    এদিকে অভিযান শেষে ইসমাইল হোসেন সম্রাটকে র‌্যাবের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন যুবলীগ সমর্থকরা। কার্যালয় থেকে সম্রাট বের হতেই প্রায় ২ থেকে ৩শ’ যুবলীগ সমর্থক ‘জয় বাংলা’, ‘সম্রাট ভাই তোমার ভয় নেই, আমরা আছি তোমার সাথে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

    সম্রাটকে নিয়ে ৭টা ১০ মিনিটে র‍্যাবের সাদা মাইক্রো বের হতেই তারা স্লোগান শুরু করেন। একপর্যায়ে পুলিশ বাঁশি বাজিয়ে তাদেরকে সরিয়ে দেয়। তবে সম্রাটের গাড়ির সাথে তারা স্লোগান দিতে দিতে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত যান।

    অভিযানে সম্রাটের কার্যালয় থেকে দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ায় ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। চামড়া ছাড়াও সম্রাটের কার্যালয় থেকে একটি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ পেয়েছে র‌্যাব।

    এর আগে যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী ওরফে সম্রাটকে রোববার (৬ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে আটক করা হয়। এ সময় তার সহযোগী আরমানকেও আটক করা হয়।

  • বরিশালে প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে অবৈধ কারেন্ট জাল, নিশ্চুপ প্রশাসন!

    বরিশালে প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে অবৈধ কারেন্ট জাল, নিশ্চুপ প্রশাসন!

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    আগামীকাল রাত ১২টা থেকে সারাদেশের সাথে দক্ষিণাঞ্চলের সমস্ত নদী ও খালে ইলিশ শিকার বন্ধ হচ্ছে। ২২ দিন ব্যাপী মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ইলিশ শিকার, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ। ওদিকে সারাবছরই নদীতে কারেন্ট জাল পেতে মাছ শিকার এমনকি কারেন্ট জাল ও ক্রয়-বিক্রয় বা পরিবহন করা আইনগত দন্ডনীয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানকে সামনে রেখে অবৈধ কারেন্ট জাল প্রস্তুত এবং বিক্রি বেড়ে গিয়েছে বরিশালে। বিভিন্ন মৎস্যজীবির সাথে আলাপ করে এমন তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    কারেন্ট জাল বিক্রি নিয়ে মারামারির ঘটনার তথ্যও পাওয়া গেছে। বাসাবাড়িতে কারেন্ট জাল রাখার তথ্যে প্রশাসনের কিছু করার নেই বলে জানিয়েছে বরিশাল সদর নৌ পুলিশ। এছাড়া অন্যান্য বাহিনীর কাছেও এ সংক্রান্ত কোন তথ্য নেই বলে জানা গেছে। সরেজমিনে ৫ অক্টোবর দুপুরে কেডিসি বরফকল এলাকায় বিক্রির জন্য কারেন্ট জাল প্রস্তুত করছিলেন চারজন স্থানীয় জেলে। জেলেরা জানান, ওই জাল দিয়ে সারাবছরই কীর্তনখোলায় ইলিশ শিকার করেন তারা। আসন্ন মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে তার কোন ব্যত্যয় হবে না। তারা বেদে সম্প্রদায়ের লোকের সাথে জাল ফেলে মাছ শিকার করবেন বলে জানান। এর কারন হিসেবে জেলেরা জানান, বেদে সম্প্রদায় মানবেতর জীবনযাপন করে বিধায় কখনোই তাদের জাল জব্দ বা আটক করে না প্রশাসন। ফলে যে কোন অভিযানের সময় সাধারণ জেলেরা বেদে সম্প্রদায়ের সাথে মিলে জাল ফেলবে বলে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।

    জানা গেছে, দপদপিয়া ফেরীঘাট সংলগ্ন এবং চাঁদমারী এলাকার নদীতে জাল ফেলে ইলিশ শিকার করবেন তারা। অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, ৫ দিন আগে নৌ পুলিশের মাঝি হিসেবে পরিচিত কালামের নৌকায় অভিযানে গিয়ে নৌ পুলিশের এক সদস্য আটককৃত কারেন্ট জাল ৩৫ হাজার টাকায় চরকাউয়ার বাসিন্দা শহিদুল ইসলামের কাছে বিক্রি করে। ওই সময়ে কালামের নৌকায় সহযোগী মাঝি হিসেবে ছিল জুয়েল ও রবিউল। শেষে টাকা নিয়ে জুয়েল রবিউল ও ট্রলারের মালিক কালামের সাথে বাকবিতন্ডা হয়। শুধু এই দুটি ঘটনা নয় নদী থেকে আটককৃত কারেন্ট জাল নিয়মিতই বিভিন্নজনের কাছে বিক্রি করছে চিহ্নিত কয়েকজন। অভিযোগ রয়েছে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় বছরের পর বছর স্থানীয় মিডিয়া ম্যানেজ করে কারেন্ট জালের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

    পাশাপাশি স্বরুপকাঠির এবং বানারীপাড়ার সীমান্তে ইন্দিরহাট গ্রাম থেকে কারেন্ট জাল এনে বরিশালের বিভিন্ন অঞ্চলের জেলে ও মাঝিদের কাছে বিক্রি করছে। এতে করে কারেন্ট জাল নিধনের বদৌলতে ছড়িয়ে পড়ছে নদীমাতৃক বরিশালে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কারেন্ট জাল বিক্রিতে প্রশাসনের সাথে সখ্যতা রেখে চলা ট্রলার মালিকরা বেশি জড়িত। এদের ট্রলার হয়তো বিগত দিনে ভাড়া নিয়েছে নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড নয়তো বর্তমানে কারও ট্রলার এই দুটি বাহিনীর প্রয়োজনে ভাড়ায় খাটে। এসব ট্রলার মালিক বা মাঝিরা সোর্স হিসেবেও কাজ করে থাকে। অভিযোগ রয়েছে পুলিশ বা কোস্টগার্ড কোন এলাকায় কখন অভিযান চালাতে যাবে তার খোঁজ নিয়ে নদীতে কারেন্ট জাল ফেলানো মাঝিদের কাছে আগাম জানিয়ে দেয়। বিনিময়ে মাছ বা চুক্তিভিত্তিক টাকা নিয়ে থাকেন। ওদিকে অভিযানে গিয়ে খালি হাতেই ফিরতে হয় প্রশাসনকে।

    আবার প্রশাসনের কেউ কেউ এর সাথে জড়িত বলে শোনা যায়। জানা গেছে, কারেন্ট জাল বিক্রির সাথে জড়িত চক্রটি কেডিসি, রসুলপুর ও চরকাউয়া এলাকা ভিত্তিক গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে জড়িত রয়েছেন, কেডিসির বাসিন্দা কালাম, অলি, দুদু, হাসান, রুবেল, খোকন, পারভেজ, আল-আমিন, মিঠুন, রাজু, নজরুল। রসুলপুর এলাকার পলাশ ও তার ৪/৫ জন সহযোগী। চরকাউয়া এলাকার রফিক ও চন্দ্রমোহন এলাকার সোহরাফ। ওদিকে মৌসুমী কারেন্ট জাল বিক্রিতে রাজিব, দেলোয়ার, লিটন ও সহিদের নাম জানা গেছে। এসব মাঝিরা বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনের সাথে অভিযানে গিয়ে জাল ও ইলিশ মাছ চুরি করে রাখেন এমন তথ্য ওপেন সিক্রেট। যেকারনে অনেকেই মাঝি নেতাদের ঘুষ দিয়ে নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড বা নৌ-বাহিনীর সাথে ভাড়ায় চুক্তিবদ্ধ হতে চায়। এনিয়ে কিছুদিন পূর্বে বরিশালের মাঝি নেতা আনোয়ার শিকদারের বিরুদ্ধেও মুখ খুলেছিল মাঝিরা। কারেন্ট জাল বিক্রি চক্রের সাথে জড়িত কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে, দুটি মূল্য তালিকায় সাধারণত কারেন্ট জাল বিক্রি হয়ে থাকে।

    এরমধ্যে ৪০ শোল/ চোঙ এর জাল ১৮ হাজার টাকা, ৮০ শোল/ চোঙ এর জাল ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকায়। এই জালগুলোই পুরান হলে ৪ থেকে ৬ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হয়। মাঝিরা জানিয়েছে বিগত সপ্তাহখানেক সময়ধরে বরিশালে পুরানো কারেন্ট জালের চাহিদা ছিল। কারন মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে অবৈধভাবে যারা মাছ শিকার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা পুরানো জাল ফেলবে। মাঝিরা জানিয়েছে, অভিযানে জাল জব্দ হলে বেশি আর্থিক ক্ষতি হবে না। ওদিকে কেডিসি, রসুলপুর ও চরকাউয়ায় অনেকটা প্রকাশ্যে কারেন্ট জাল বিক্রি হচ্ছিল এমন কোন তথ্য জানা নেই বলে জানান, বরিশাল সদর নৌ থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান কারেন্ট জাল সারা বছরই নিষিদ্ধ।

    সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ বা প্রমান না থাকলে পুলিশ কোন পদক্ষেপ নিতে পারে না বলে দাবী করেন এই কর্মকর্তা। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল দাস জানিয়েছেন, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান- ২০১৯ সকল করার জন্য আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। জেলেদের সচেতনতায় পোষ্টার, লিফলেট ও মাইকিং করা হয়েছে। জেলেদের সাথে সভাও করা হয়েছে। কারেন্ট জাল প্রশ্নে এই কর্মকর্তা বলেন, কারেন্ট জাল হচ্ছে নিষিদ্ধ জাল। এর বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করা বিধান সম্মত। কেউ তথ্য পেয়েও যদি আইন প্রয়োগ না করে সেটি তার গাফেলতি। মজুদ করে জাল বিক্রির বিষয়ে তিনি বলেন, এমন তথ্য আমার জানা নেই। জানা থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • আরমানের ফাঁকা বাসায় ৫ ঘণ্টা তল্লাশি (ভিডিও)

    আরমানের ফাঁকা বাসায় ৫ ঘণ্টা তল্লাশি (ভিডিও)

    সম্রাটের বন্ধু এনামুল হক আরমানের বাসায় ৫ ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। মিরপুর ২ এর ই-ব্লকের ১০তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে সোমবার দুপুর ১টা থেকে তল্লাশি শুরু করে র‌্যাব। সন্ধ্যা ৬টার দিকে অভিযান শেষ হয়।

    অভিযান শেষে র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হক জানান, দুপুর একটার দিকে মিরপুর ২ নম্বরে যুবলীগের সহ-সভাপতি আরমানের বাসায় তল্লাশি শুরু হয়। দ্বিতীয় তলার ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে দেখা যায় বাসার তিনটি রুমই তালাবদ্ধ। তালা ভেঙে তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানা দলিল ও বেশ কয়েকটি ব্যাংকের চেক বই উদ্ধার করা হয়েছে। তার মধ্যে দশটি দলিল আরমানের দ্বিতীয় স্ত্রী বীথি বেগমের নামে এবং দুইটি দলিল আরমানের নামে।

    র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, মিরপুরের সি ব্লকের এই বাড়িতে আরমানের দ্বিতীয় স্ত্রী ও চার সন্তান মিলে থাকতেন। এ বাড়িতে তারা ভাড়া থাকতেন। আরমান মাঝে মাঝে এখানে যাতায়াত করতেন। তার প্রথম স্ত্রীও এই বাড়িতে মাঝেমাঝে আসতেন।

    তিনি বলেন, আমরা মনে করি র‌্যাবের অভিযানের বিষয়টি আগে থেকেই তারা জানতে পারে। ভোর সাড়ে চারটার দিকে আরমানের স্ত্রী ও তার সন্তানরা বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছে। হয়তো এ সময় নগদ টাকা ও অন্যান্য কিছু সঙ্গে নিয়ে গেছে। যার ফলে এ বাড়ি থেকে তেমন কিছু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তল্লাশি শেষে দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটের তিনটি রুম সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

    তিনি আরো বলেন, আরমানের স্ত্রীকে খোঁজা হচ্ছে। তাকে পেলে সকল বিষয়ে জানা যাবে।

    অভিযানের শুরু থেকে র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুল হক উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, সকাল ১১টার দিকে আরমানের স্ত্রী বাসায় তালা লাগিয়ে বাইরে বেরিয়ে গেছেন।

    যুবলীগ নেতার বাড়িতে তল্লাশির খবর শুনে এলাকাবাসী ও পথচারীরা এই বাড়ির সামনে ভিড় জমান।

    ইমরান উদ্দিন নামের এক প্রতিবেশী বলেন, প্রায় চার বছর ধরে যুবলীগের এই নেতা বাড়িটির দোতলায় বসবাস করছেন।

  • বরিশালে ইয়াবাসহ কথিত সাংবাদিক তুহিন আটক

    বরিশালে ইয়াবাসহ কথিত সাংবাদিক তুহিন আটক

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকা থেকে ৫ পিচ ইয়াবাসহ শরীফুল ইসলাম তুহিন নামের এক কথিত সাংবাদিককে আটক করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ।

    শনিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার কস্তুরী রেস্তরার সামনে তাকে আটক করা হয়।

    পুলিশ জানায়, বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার কস্তুরী রেস্তরার সামনে থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ অভিযান দেয়। এসময় শরীফুল ইসলাম তুহিন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এসময় তার দেহ তল্লাসী করে ৫ পিচ ইয়াবা এবং বিভিন্ন পত্রিকার বেশ কয়েকটি কার্ড পাওয়া যায়।

    এবিষয়ে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ বিন আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রনদ্রব্য আইনে মামলা দায়েরের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • যে কারণে সম্রাটকে ধরতে দীর্ঘ সময় লাগে র‌্যাবের

    যে কারণে সম্রাটকে ধরতে দীর্ঘ সময় লাগে র‌্যাবের

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ঢাকায় ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর দু-একদিন পরই ঢাকা ছাড়েন ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। এরপর ছিলেন আত্মগোপনে। নিয়েছিলেন এমন সব পদ্ধতি, যাতে থাকে খুঁজে না পাওয়া যায়। এমনটি জানিয়েছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ।

    রোববার (৬ অক্টোবর) র‌্যাব সদর দফতরে সংবাদ সম্মলনে তিনি এসব তথ্য জানান। কিন্তু কী পদ্ধতি অবলম্বন করে সম্রাট আত্মগোপনে ছিলেন তা বলেননি বেনজীর আহমেদ।

    তবে এসব পদ্ধতি অবলম্বন করার কারণেই সম্রাটকে ধরতে দীর্ঘ সময় লেগেছে র‌্যাবের। বেনজীর আহমেদ বলছিলেন, আত্মগোপনে থাকাকালে উনি এমন সব পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন যেন তাকে সহজে খুঁজে পাওয়া না যায়। এ জন্য উনাকে খুঁজতে আমাদের দীর্ঘ সময় লেগেছে।

    যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতির পদ থেকে রোববার তাকে বহিষ্কার করা হয়। এর আগে আজ ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।

    র‌্যাব ডিজি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা একটি ভাইব্র্যান্ট ডেমোক্রেসি এবং অর্থনীতিভাবে সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হতে যাচ্ছি। এ রকম পরিবেশে দেশে কারও হাওয়া হওয়ার কোনো কারণ নেই। পাশাপশি বলতে চাই, এ দেশের সবাই সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবেন, এটা যেমন সত্যি, তেমনি দয়া করে কেউ কোনো ধরনের কোনো অবৈধ বা বৈআইনি কাজে লিপ্ত হবেন না। কারণ, কোনো না কোনো সময় ডেফিনেটলি এটার জন্য আপনাকে পে করতে হবে। এবং সেটা আইনের মাধ্যমে হবে।’

    তিনি বলেন, ক্যাসিনো নিয়ে কাজ করতেই একাধিকবার তার নাম পেয়েছি। তাছাড়া ক্যাসিনোতে জড়িতের বিষয়ে গণমাধ্যমেও তার নাম এসেছে। ডেভিনেন্টলি এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    ‘আমরা যখন ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করি তার এক-দুদিনের মধ্যেই উনি ঢাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে যান। উনাকে খুঁজতে আমাদের দীর্ঘ সময় লেগেছে।’

    চট্টগ্রামের বাবর নামের আরও একজন যুবলীগ নেতার নাম সম্রাটের মতোই আসছে উনাকে আপনারা গ্রেফতার করবেন কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা অনেক দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, এর সফলও অনেকদিন মানুষ পাবে। তাই এক-দুজনকে গ্রেফতারের মাধ্যমে এটা সম্পূর্ণ হবে না। এ কার্যক্রমে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান নিয়ে রাষ্ট্র গড়ে উঠে। আমরা সবাই মিলে কাজ করছি। আশা করছি, আমরা ভালো কিছু করব।’

    সম্রাটের সঙ্গে আরমান নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, উনার পরিচয় জানতে চাইলে বেনজীর আহমেদ বলেন, ক্যাসিনোর সঙ্গে উনি যুক্ত।

    ক্যাসিনোর টাকা অনেক জায়গায় ভাগ হয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এখন আমরা আপাতত ক্যাসিনো বন্ধ করেছি। ক্যাসিনোর সঙ্গে যারা সরাসরি যক্তি ছিল, তাদের ধরার চেষ্টা করছি। আমরা আস্তে আস্তে এগোব।’

    ‘আমরা জানতে পেরেছি যে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগগুলো কী? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ক্যাসিনোটাও তো একটা অভিযোগ। মোদ্দা কথা হলো- প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে, কেঁচো খুঁজতে গিয়ে সাপ বের হচ্ছে। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল ক্যাসিনো বন্ধ করে দেয়া, সেটা করেছি। এখন লক্ষ্য হচ্ছে কারা ক্যাসিনো অপারেট করেছিল, তাদের আমরা আইনের আওতায় আনতে চেষ্টা করছি। যাতে করে ভবিষ্যতে এ বেআইনি কাজ কেউ করতে সাহস না পায়।’

  • ভোলায় পেঁয়াজের বাজারে অভিযান, ৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    ভোলায় পেঁয়াজের বাজারে অভিযান, ৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    ভোলা প্রতিনিধি//মো: নিশাত:
    ভোলার কাঁচা বাজার, চক বাজার ও খালপাড় রোডের বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে পেঁয়াজ এর দাম বেশি রাখায় ৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা  জরিমানা ও একটি গোডাউনের ৩৪৪০ কেজি পেঁয়াজ বাজেয়াপ্ত করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
    রবিবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার ভূমি কাওসার হোসেন এই অভিযান করে এই রায় দিয়েছেন।
    জানা যায়, দীর্ঘদিন ভোলার বাজারে পেঁয়াজ এর সিন্ডিকেট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তোলপাড় চলছে এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা এমন অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানে গিয়ে সত্যতা পেয়েছেন।
    এই সময় অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগে চক বাজারের কেদারী স্টোর এর মালিক রতন সাহাকে নগদ ৩০ হাজার, শহিদ স্টোরের জুয়েল ৫০ হাজার, মোঃ ফরিদ ৩০ হাজার, নোমান ৫ হাজার, মোঃ রুবেল ৫০ হাজার।
    মোট ১ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং খাল পাড় রোডের একটি গোডাউনে ৩৪৪০ কেজি বাজেয়াপ্ত করেছেন।
    এই সময় ভোক্তা অধিকার এর সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
  • ঝালকাঠিতে দুই পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

    ঝালকাঠিতে দুই পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

    কম দামে কিনে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে ঝালকাঠিতে দুই পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। রবিবার দুপুরে শহরের আড়তদারপট্টি এলাকার পেঁয়াজের দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বশির গাজী অভিযানের নেতৃত্ব দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আবুজর মো. ইজাজুল হক ও মাসুমা আক্তার।

    ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এনডিসি) মো. বশির গাজী জানান, পেঁয়াজের মূল্য নিয়ন্ত্রণসহ বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। শহরের আড়তদারপট্টি এলাকায় ব্যবসায়ী শংকর ও চন্দন ৬০ টাকায় পেঁয়াজ কিনে ৯০ টাকায় বিক্রি বিক্রি করছিলেন। তাদেরকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে জরিমানা করা হয়। এদিকে দুইটি সাইকেলের দোকানে অভিযান চালিয়ে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

  • ঝালকাঠির বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

    ঝালকাঠির বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

    আরিফুর রহমান আরিফ:

    ঝালকাঠির বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন। ৫ অক্টোবর (শনিবার ) ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি শহরের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন।এসময় তিনি পূজা মন্ডপ সংশ্লিষ্ট কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলেন এবং পূর্ণ নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন বলেছেন, সনাতন ধর্মাম্বলীদের সংখ্যালঘু না ভেবে দেশের একজন নাগরিক হিসেবে নির্ভয়ে তাদের দুর্গোৎসব পালন ও পূজার সময় সকল ধর্মের অনুসারীদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বজায় রাখা এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য সবার প্রতি আহবান জানান। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব সরকার। তাই শান্তিপূর্ণভাবে একে অপরে ধর্ম পালন করতে হবে। শারদীয় দুর্গোৎসব যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন হয় সেজন্য অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর আরো বেশী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সকলের সহযোগীতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবারের উৎসব পালিত হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশাসেই সঙ্গে তিনি জেলা উপজেলার সর্বস্তরের সনাতন ধর্মের সবাইকে শারদীয়া দূর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান। পূজা মন্ডপ পরিদর্শনকালে তার সাথে ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম মাহমুদ হাসান, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবু তাহের মিয়া, নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাখাওয়াত হোসেন, সদর ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আল মামুনসহ জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতার উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালে কোনো কিশোর গ্যাং তৈরি হবে না : বিএমপি কমিশনার

    বরিশালে কোনো কিশোর গ্যাং তৈরি হবে না : বিএমপি কমিশনার

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান-বিপিএম (বার) বলেছেন, বরিশালে কোন গ্যাং কালচার গড়ে উঠতে দেয়া হবে না। আমরা আগেই বলেছি কাউকে নয়ন বন্ড হতে দেবো না। আর নয়ন বন্ড যাতে তৈরি হতে না পারে সেজন্য পরিবারকে আগে সচেতন হবে। অভিভাবককে খেয়াল রাখতে হবে তার সন্তান কি করছে, কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে।

    আজ দুপুরে নগরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক, দুর্নীতি, সাইবার ক্রাইম, বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও ইভটিজিং বিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    এসময় তিনি আরো বলেন, পুঁথিগত শিক্ষার বাহিরেও সন্তানের ভেতর দেশপ্রেম তৈরি হচ্ছে কিনা সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানাতে হবে। দিতে হবে নৈতিকতার শিক্ষা, যাতে সে শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি একজন ভালো মানুষ হতে পারে।

    পুলিশ কমিশনার বলেন, আমরা চাই একটি আস্থাবান পুলিশী ব্যবস্থা গড়ে তুলেতে। তাই আমরা সেবার মান উন্নয়ন কল্পে কাজ করছি। কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামকে শক্তিশালী করেছি। প্রতি তিনমাসে প্রতিটি বিদ্যালয়ে অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের সাথে আমরা কথা বলছি। থানাগুলোতে প্রতিমাসে নির্ধারিত তারিখে ওপেন হাউজ ডে করিছ।

    তিনি বলেন, আমরা মাদক-সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রোধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। অপরাধী যদি পুলিশ বাহিনীরও হয়, তবে তাকেও ছাড় দেয়া হবে না। মনে রাখতে হবে মাদক একটা অভিশাপ। এটা সমাজ থেকে দূর করতে হবে। আর পুলিশী অভিযানের সাথে সামাজিক প্রতিরোধ একত্রিত হলেই সমাজ থেকে সকল অপরাধ দূর করা সম্ভব।

    সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিন) মোকতার হোসেন-পিপিএম (সেবা), উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিন) মোঃ খায়রুল আলম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. আব্বাস উদ্দিনসহ বাস-মাহিন্দ্রা মালিক ও শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি পুলিশের সদস্যবৃন্দ। সভা শেষে টার্মিনাল এলাকায় সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক, দূর্নীতি, সাইবার ক্রাইম, বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও ইভটিজিংসহ যে কোন অপরাধ প্রতিরোধে তথ্য বা অভিযোগ বক্স স্থাপন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান-বিপিএম (বার)।

    এসময় তিনি বলেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের যে কোন কর্মকর্তার কাছে যে কোন বিষয়ে অভিযোগ জানাতে পারেন। আমরা সবার অভিযোগ শুনতে চাই। এজন্য কাউকে হ্যাট-টুপিওয়ালা হওয়ার প্রয়োজন নেই, লুঙ্গি পড়া হলেও হবে। অর্থাৎ সমাজের সর্বোস্তরের মানুষ আমাদের কাছে তার অভিযোগ তুলে ধরতে পারবেন। বিশেষ করে আমার দরজা সবার জন্য খোলা, আমার সামনের চেয়ার বসার অধিকার সবার সমান।

    তিনি বলেন, এর বাহিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে, মোবাইল ফোনে , ই-মেইলে ও অভিযোগ জানাতে পারেন। আর এখন পরিচয় গোপন রেখেও এই অভিযোগ বক্সে তথ্য দেয়া যাবে। আমরা সকল তথ্যই গুরুত্ব দিয়ে দেখবো। তিনি বলেন, তথ্য হচ্ছে আমাদের মূল শক্তি। আমরা যতো তথ্য দিয়ে সমৃদ্দশালী হবো, ততো আমরা শক্তিশালী হবো। যে কোন অসঙ্গতি আমাদের জানান

  • বরগুনার রিফাত হত্যা: ৪ আসামির আত্মসমর্পণ

    বরগুনার রিফাত হত্যা: ৪ আসামির আত্মসমর্পণ

    বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার পলাতক ৮ আসামির মধ্যে চারজন স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন শিশু। রোববার সাড়ে ১০টার দিকে আসামিরা বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম গাজির আদালতে হাজির হয়।

    এসময় আদালতের বিচারক তিনজনকে শিশু আদালতে প্রেরণ করেন। প্রাপ্ত বয়স্ক আসামি সিফাতকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

    আসামিরা হলেন- প্রাপ্ত বয়স্ক মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, শিশু আসামি- প্রিন্স মোল্লা, রাকিবুল হাসান রিফাত, আবু আব্দুল্লাহ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী মোস্তফা কাদের। শিশু আসামিদের জামিন শুনানি চলছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সোয়া ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।