Category: প্রশাসন

  • আবরার ফাহাদের সেই স্টেটাস ফেসবুকে ভাইরাল

    আবরার ফাহাদের সেই স্টেটাস ফেসবুকে ভাইরাল

    বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদের ফেসবুকে দেয়া যে স্ট্যাটাসের কারণে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে সেটি এখন ফেসবুকে ভাইরাল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার আলোচিত স্ট্যাটাসটি ৫৬ হাজার শেয়ার হয়েছে।

    এতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ২ লাখ ৪২ হাজারেরও বেশি মানুষ। প্রতি মুহূর্তেই বাড়ছে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের সংখ্যা।

    ফাহাদের সেই স্ট্যাটাস-
    ‘‘১. ৪৭-এ দেশভাগের পর দেশের পশ্চিমাংশে কোনো সমুদ্রবন্দর ছিল না। তৎকালীন সরকার ছয় মাসের জন্য কলকাতা বন্দর ব্যবহারের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ করল। কিন্তু দাদারা নিজেদের রাস্তা নিজেদের মাপার পরামর্শ দিছিল। বাধ্য হয়ে দুর্ভিক্ষ দমনে উদ্বোধনের আগেই মংলা বন্দর খুলে দেয়া হয়েছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজ ইন্ডিয়াকে সে মংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য হাত পাততে হচ্ছে।

    ২. কাবেরি নদীর পানি ছাড়াছাড়ি নিয়ে কানাড়ি আর তামিলদের কামড়াকামড়ি কয়েকবছর আগে শিরোনাম হয়েছিল। যে দেশের এক রাজ্যই অন্যকে পানি দিতে চায় না সেখানে আমরা বিনিময় ছাড়া দিনে দেড়লাখ কিউসেক মিটার পানি দেব।’

    ৩. ভারতকে গ্যাস দেয়ার সমালোচনা করে বুয়েটের এই শিক্ষার্থী লেখেন, ‘কয়েকবছর আগে নিজেদের সম্পদ রক্ষার দোহাই দিয়ে উত্তর ভারত কয়লা-পাথর রফতানি বন্ধ করেছে অথচ আমরা তাদের গ্যাস দেব। যেখানে গ্যাসের অভাবে নিজেদের কারখানা বন্ধ করা লাগে সেখানে নিজের সম্পদ দিয়ে বন্ধুর বাতি জ্বালাব।

    হয়তো এসুখের খোঁজেই কবি লিখেছেন-
    ‘পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি
    এ জীবন মন সকলি দাও,
    তার মত সুখ কোথাও কি আছে
    আপনার কথা ভুলিয়া যাও।’’

    প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে শনিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন আবরার ফাহাদ। এর জের ধরে রোববার রাতে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে তার লাশ সিঁড়িতে ফেলে রাখা হয়।

  • ঝালকাঠিতে পাঁচ মাছ ব্যবসায়ীকে দন্ড

    ঝালকাঠিতে পাঁচ মাছ ব্যবসায়ীকে দন্ড

    ঝালকাঠি শহরের মাছের বড় বাজারে বুধবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে চার মাছ ব্যবসায়ীকে তিন দিনের কারাদ- ও একজনকে ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মৎস্য অভিযানে বাধা দেওয়ায় এবং জাটকা ইলিশ বিক্রির দায়ে তাদের দ- প্রদান করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এনডিসি) মো. বশির গাজী। এসময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বাবুল কৃষ্ণ ওঝা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে বুধবার রাতে ঝালকাঠির সুগন্ধ ও বিষখালী নদীতে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এক হাজার মিটার ইলিশ ধরার জাল জব্দ করা হয়।

    জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এনডিসি) মো. বশির গাজী জানান, সকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত শহরের কালিবাড়ি সড়কের বড় মাছের বাজারে অভিযানে যায়। এসময় জাটকা ইলিশ বিক্রি করছিল কয়েকজন ব্যবসায়ী। তাদের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নিতে গেলে কয়েকজন মাছ ব্যবসায়ী বাধার সৃষ্টি করে। পুলিশের সহযোগিতায় মাছ ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান, ছোহরাব বেপারী, কালাম বেপারী ও আকিব বেপারীকে আটক করে তিন দিনের কারাদ- প্রদান করা হয়। এছাড়া শহিদুল ইসলম নামে এক মাছ ব্যাসায়ীকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

    এদিকে ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে বুধবার থেকে টানা ২২দিন ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। প্রকৃত জেলেরা সরকারের নিষেধাজ্ঞা মানলেও মৌসুমি জেলেরা থেমে নেই। সকাল থেকে মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ অভিযান শুরু করেছে। অভিযানের মধ্যেও সুযোগ বুঝে নদীতে জাল ফেলছে মৌসুমি জেলেরা। সুগন্ধা নদীর দপদপিয়া পুরনো ফেরিঘাট এলাকা থেকে শুরু করে বিষখালী নদীর হদুয়া পর্যন্ত শতাধিক স্থানে জাল ফেলে মা ইলিশ ধরছে তারা।

    মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, ৯ অক্টোবর থেকে আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করার জন্য টানা ২২ দিন ইলিশ আহরণে, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও মজুদ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এসময়ে নদীতে মাছ ধরতে নামলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বাবুল কৃষ্ণ ওঝা।

  • ঝালকাঠিতে মৎস সংরক্ষন অভিযানে ১ হাজার মিটার জাল জব্দ

    ঝালকাঠিতে মৎস সংরক্ষন অভিযানে ১ হাজার মিটার জাল জব্দ

    গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মা ইলিশ সংরক্ষনে ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনই মৎস সংরক্ষন অভিযানের মাধ্যমে ঝালকাঠির বিভিন্ন নদী থেকে এক হাজার মিটার জাল জব্দ করছে জেলা প্রশাসন।

    সরকারি নির্দেশ মোতাবেক গতকাল দিবাগত রাত থেকে শুরু হয়ে আগামী তিরিশে অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরা দন্ডনীয় অপরাধ’। এরই প্রেক্ষাপটে বুধবার গভীর রাতে ১ টার দিকে ঝালকাঠির সুগন্ধ ও বিষখালী নদীতে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এক হাজার মিটার জাল জব্দ করা হয়।

    মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২ টার পর থেকে রাত ৩ টা পর্যন্ত সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে অভিযান চালায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন।অভিযানে সদর উপজেলাধীন সুগন্ধা নদীর তীরবর্তী পোনাবালিয়া এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাল ফেলে ইলিশ স্বীকার করছিল জেলে এ সময় অভিযানের বোর্ড দেখতে পেয়ে নৌকা ও জাল ফেলে মাছ নিয়ে পালিয়ে গেলে জেলা প্রশাসন ইলিশ ধরার জাল ও নৌকা জব্দ করে।

    মৎস সংরক্ষন অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুৎফুননেছা খানম, এনডিসি মো. বশির গাজী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা জাহান ও মাছুমা আক্তার অংশ নেন।

  • ‘ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত কেউ ছাড় পাবে না, শাস্তি পেতেই হবে’

    ‘ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত কেউ ছাড় পাবে না, শাস্তি পেতেই হবে’

    অনলাইন ডেস্ক:

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ঘটনায় যে বা যারা সম্পৃক্ত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের নেতাদের সঙ্গে এক অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ৷

    বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না, শাস্তি পেতেই হবে। জড়িত সবার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছি।

    এসময় ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    বুয়েটের হত্যাকাণ্ডসহ সার্বিক বিষয়ে বুধবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করবে ছাত্রলীগ ৷ প্রধানমন্ত্রীই ছাত্রলীগকে সংবাদ সম্মেলন করার নির্দেশ দিয়েছেন৷

    প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বৈঠক করেন।

    বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, বি এম মোজাম্মেল হক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এ কে এম এনামুল হক শামীম, মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্য প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র আরও জানায়, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, কাদের নির্দেশে এটা হয়েছে, সব খুঁজে বের করা হবে। খবরটি শোনার সঙ্গে সঙ্গেই আমি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছি। ইতোমধ্যে অনেককে আটক করা হয়েছে।

    এছাড়া ফাহাদের মৃত্যুর ঘটনার একদিন পর বুয়েটের উপাচার্যের ক্যাম্পাসে উপস্থিতি নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলন, উনি কেমন ভিসি? একটা ছাত্র মারা গেল, আর এতোটা সময় তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলেন!

    বুয়েটের এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কেউ যাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

  • বরিশালে ১শ পিস ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা আটক

    বরিশালে ১শ পিস ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা আটক

    বরিশালের বাকেরগঞ্জে ১শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মামুন হাওলাদার (৩৫) নামে এক মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে র‌্যাব ৮। সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকেল বাকেরগঞ্জ থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

    সোমবার রাতে র‌্যাবের এক প্রেস বিজ্ঞতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    বাকেরগঞ্জ উপজেলার শিবপুর গ্রামের রুস্তম আলী হাওলাদার ছেলে মোঃ মামুন হাওলাদার।

    র‌্যাব জানায়,  র‌্যাবের অভিযানে বিকেলে বাকেরগঞ্জ থানা এলাকা থেকে ১শ’ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। আটকের পূর্বে মামুন পালানো চেষ্টা করে। এ সময় তাকে আটকের পর পালানোর কারণ জিজ্ঞেস করলে সে এলোমেলো কথা বললে ৠাব সদস্যদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে তার সাথে থাকা ডিসকভার মোটরসাইকেলের সীট কভারে তল্লাশি করে ১ শ’ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    এঘটনায় ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে র‌্যাব-৮ এর সিপিএসসি’র ডিএডি মোঃ আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • আবরার হত্যা : ৪ ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ৬

    আবরার হত্যা : ৪ ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ৬

    অনলাইন ডেস্ক ::

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে (২১) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মোট ছয়জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এদের মধ্যে চারজন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগ নেতা। বাকি দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    আটককৃতরা হলেন- বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, তানভীরুল আবেদীন ইথান (১৬তম ব্যাচ) ও জিসান।
    সোমবার বেলা ৩টার দিকে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অনিক সরকার ও ক্রীড়া সম্পাদক ও নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেফতাহুল ইসলাম জিয়নকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) শেখ নাজমুল আলম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে সকালে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান এবং সহ-সভাপতি ফুয়াদ হোসেনকে আটক করে পুলিশ।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্র জানায়, বুয়েটের শেরেবাংলা হলের শিক্ষার্থী, সিসিটিভি ফুটেজ ও আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে।

    সূত্র জানায়, ফাহাদকে জেরা ও পেটানোর সময় ওই কক্ষে অমিত সাহা, মুজতাবা রাফিদ, ইফতি মোশারফ ওরফে সকালসহ তৃতীয় বর্ষের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী ছিলেন। ওই কক্ষে এসে দ্বিতীয় দফায় ফাহাদকে পেটান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক ও নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একই বর্ষের মেফতাহুল ইসলাম জিয়নসহ কয়েকজন। তারা সবাই মেহেদী হাসান রাসেলের অনুসারী।রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফাহাদকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢামেক ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. মো. সোহেল মাহমুদ বলেন, বাঁশ বা স্ট্যাম্প দিয়ে পেটানো হয়ে থাকতে পারে বুয়েটছাত্র আবরার ফাহাদকে। এর ফলেই রক্তক্ষরণ বা পেইনের (ব্যথা) কারণে ফাহাদের মৃত্যু হয়েছে।
    তিনি বলেন, ফাহাদের হাতে, পায়ে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এই আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। আঘাতের ধরন দেখে মনে হয়েছে ভোঁতা কোনো জিনিস যেমন, বাঁশ বা স্ট্যাম্প দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তবে তার মাথায় কোনো আঘাত নেই। কপালে ছোট একটি কাটা চিহ্ন রয়েছে।

    এদিকে দুপুরে ঢামেক হাসপাতাল মর্গের সামনে আবরার ফাহাদের মামাতো ভাই জহুরুল বলেন, ফাহাদের মরদেহ গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হবে।

  • রিফাত হত্যা : আরও এক আসামির আত্মসমর্পণ

    রিফাত হত্যা : আরও এক আসামির আত্মসমর্পণ

    বরগুনা প্রতিনিধি ::

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত পলাতক আসামি মো. সাইয়েদ মারুফ বিল্লাহ ওরফে মহিবুল্লাহ (১৭) আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। এ নিয়ে তিন দফায় ৬ আসামি আদালতে সেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছে।

    সাইয়েদ মারুফ বিল্লাহ সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে দশটায় বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করে। বিচারক মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম গাজী তাকে শিশু আদালতে পাঠান। শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে যশোর শিশু কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    এর আগে রবিবার মামলার ৩ নম্বর অভিযুক্ত আসামি মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত (১৮), ২ নম্বর রাকিবুল হাসান রিফাত হাওলাদার (১৫) ও ৩ নম্বর অভিযুক্ত আবু আবদুল্লাহ রায়হান (১৬) এবং ১২ নম্বর অভিযুক্ত প্রিন্স মোল্লা (১৫) আদালতে আত্মসমর্পণ করে। তাদের মধ্যে মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাতকে বরগুনা জেলা কারাগারে এবং বাকি তিন জনকে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় যশোর শিশু-কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ২ অক্টোবর অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি মারুফ মল্লিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে।

    এখন পর্যন্ত রিফাত হত্যা মামলার ১৫ জন আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে ৬ আসামি স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। যাদের মধ্যে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ও আরিয়ান শ্রাবণ জামিনে আছে।

    গত ৩ অক্টোবর বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী এ মামলার পলাতক আট অভিযুক্তের মালামাল জব্দের নির্দেশ দেন। এ মামলার তিন অভিযুক্ত আসামি এখনও পলাতক রয়েছে।

    তারা হলো অভিযোগপত্রের ৬ নম্বর আসামি মো. মুসা (২২), মো. নাইম (১৭) ও মো. রাকিবুল হাসান নিয়ামত (১৫)।

    গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। একই সঙ্গে রিফাত হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সোয়া ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিনই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পাঁচ-ছয় জনকে আসামি করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

  • শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষ্যে বরিশাল র‌্যাব-৮ এর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষ্যে বরিশাল র‌্যাব-৮ এর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    নিউজ ডেস্ক ::

    হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে র‌্যাব-৮ এর পক্ষ থেকে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি পূজা চলাকালীন এবং পূজার পরবর্তী সময়ে জনসাধারণ যাতে নির্বিঘ্নে যাতায়াত ও পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারে সে লক্ষে র‌্যাব-৮ এর দায়িত্বপূর্ণ সকল জেলায় সার্বক্ষণিক বিশেষ টহলের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

    গত ০৪ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় হিন্দু সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় অনুষ্ঠান দূর্গাপূজা। পাঁচ দিনের এ উৎসব শেষ হবে আগামীকাল মঙ্গলবার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।

    র‌্যাবের এই ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সকল এলাকার মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাব অত্যান্ত সতর্কতার সাথে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করছে।

    পূজা চলাকালীন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ পূজা কেন্দ্রে সাদা পোশাকধারী ও টহল দল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরনে বিশেষ দায়িত্ব পালন করছে। শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে এই বিশেষ টহল পূজা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলমান থাকবে।

    পূজা শেষে কর্মস্থানে যাত্রিসাধারন যেন নির্বিঘ্নে পৌঁছাতে পারে সে জন্য লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট ও বাসটার্মিনালে নিরাপত্তায় থাকবে র‌্যাব সদস্যগণ।

    সন্দেহভাজন ও কোন প্রকার বিশৃঙ্খলাকারীকে দেখা মাত্রই র‌্যাবকে অবগত করার জন্য র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আরও জানায়, জন সাধারনের জান মালের নিরাপত্তা রক্ষায় এবং যে কোন ধরনের নাশকতামূলক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অপচেষ্টা কারীদের কঠোর হস্তে দমনে র‌্যাব-৮ বরিশাল দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

  • বুয়েট ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২ ছাত্রলীগ নেতা আটক

    বুয়েট ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২ ছাত্রলীগ নেতা আটক

    অনলাইন ডেস্ক :

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদের মৃত্যুর ঘটনায় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

    আটককৃত রাসেল বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আর ফুয়াদ সহসভাপতি।

    সোমবার সকালে তাদের আটক করা হয়।

    চকবাজার থানার ওসি সোহরাব হোসেন জানান, বুয়েট শিক্ষার্থী ফাহাদের মৃত্যুর ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাসেল ও ফুয়াদকে আটক করা হয়েছে। তারা দুজনই বুয়েট শিক্ষার্থী। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।

    এর আগে রোববার দিনগত রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের নিচতলা থেকে ফাহাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

    পরিবার ও সহপাঠীদের অভিযোগ, ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    সহপাঠীরা বলছেন, রাত ৮টার দিকে শেরেবাংলা হলের এক হাজার ১১ নম্বর কক্ষ থেকে কয়েকজন ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায়। এর পর রাত ২টা পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

    তাদের ধারণা, ২ হাজার ১১ নম্বর রুমে নিয়ে তাকে পেটানো হয়। পরে শেরেবাংলা হলের একতলা ও দুই তলার মাঝখানের সিঁড়ি থেকে ফাহাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

    ফাহাদের এক সহপাঠী যমুনা টেলিভিশনকে বলেন, যারা ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায় তাদের আমরা চিনি। কিন্তু এ মুহূর্তে তাদের নাম বলতে চাচ্ছি না।

    তবে কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, এ বিষয়ে এখনও কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ। এদিকে এ বিষয়ে বুয়েট কর্তৃপক্ষও এখনও কিছু বলেনি।

    পুলিশ ও তার পরিবার বলছে, ফাহাদের গায়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। শরীরের পেছনে, বাম হাতে ও কোমর থেকে পায়ের নিচ পর্যন্ত আঘাতের কালো দাগ ছিল।

    ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের লেভেল-২ এর টার্ম ১-এর ছাত্র ছিলেন। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়া শহরে।

    ফাহাদের মামাতো ভাই জহিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ফাহাদের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না। সে কুষ্টিয়ায় গিয়েছিল। গতকালকেই বিকালে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকায় এসে হলে ওঠে। তার পর মধ্যরাতে খবর পাই ভাই মারা গেছে।

    হল প্রভোস্ট মো. জাফর ইকবাল খান বলেন, রাত পৌনে ৩টার দিকে খবর পাই এক শিক্ষার্থী হলের সামনে পড়ে আছে। কেন সে বাইরে গিয়েছিল, কী হয়েছিল, তা এখনও জানা যায়নি।

    ‘পরে বুয়েটের চিকিৎসক দিয়ে তাকে পরীক্ষা করা হয়। ওই চিকিৎসক জানান তিনি বেঁচে নেই। পরে পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ এসে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।’

    চকবাজার থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন বলেন, রাত পৌনে ৩টার দিকে বুয়েট কর্তৃপক্ষ আমাদের ফোন করে বিষয়টি জানায়। পরে আমরা গিয়ে শেরেবাংলা হলের বাইরে নিচতলা থেকে লাশ উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে আসি।

    ফাহাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে উল্লেখ করে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, আঘাত কোনো অস্ত্রের নয়। কোনো কিছু দিয়ে বাড়ি দেয়া হয়েছে। কেন এত রাতে সে বাইরে গিয়েছিল, তা কেউ বলতে পারেনি।

    তিনি বলেন, এ ঘটনায় সহপাঠীদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্ত হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

  • নতুন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পাচ্ছে বরিশাল, ঝালকাঠী ও পটুয়াখালী জেলা

    নতুন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পাচ্ছে বরিশাল, ঝালকাঠী ও পটুয়াখালী জেলা

    অনলাইন ডেস্ক ::

    বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১৫ জন ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। রোববার (৬ অক্টোবর) পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১) মো. আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়।

    বদলি করা পুলিশ সদস্যরা হলেন- পুলিশ সদর দফতরের (টিআর) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহকে ঝালকাঠী জেলায়, মালি মিশন থেকে প্রত্যাগত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ সরদারকে বরিশাল সদরে, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহরিয়ার বিন সালেহকে সিআইডিতে, এপিবিএন সদর দফতরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অধ্যয়ন শেষে রিপোর্টকৃত মো. খালেদ ইবনে মালেককে নোয়াখালী সদরে, হবিগঞ্জ বানিয়াচং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমাকে হবিগঞ্জেই ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, হবিগঞ্জ ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মো. সেলিমকে হবিগঞ্জ বানিয়াচং সার্কেলে।

    অধ্যয়ন শেষে রিপোর্টকৃত পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাবুদ্দিন কবীরকে পুলিশ সদর দফতরে, মালি মিশন থেকে প্রত্যাগত ও সদর দফতরে রিপোর্টকৃত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত শেখ শরীফ-উজ-জামানকে রাজবাড়ী সদর সার্কেলে, রাজবাড়ী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিমকে ৮ম এপিবিএন এ, মালি মিশন থেকে প্রত্যাগত ও রিপোর্টকৃত ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তৌহিদুল করিমকে যশোরে, একইভাবে পুলিশ সদরের (টিআর) মালি মিশন থেকে প্রত্যাগত ও রিপোর্টকৃত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাসুদ রানাকে নড়াইল সদরে বদলি করা হয়েছে।

    এছাড়া মালি মিশন থেকে প্রত্যাগত ও রিপোর্টকৃত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোবারক হোসেনকে মুন্সিগঞ্জ সদরে, পুলিশ সদরের (টিআর) মালি মিশন থেকে প্রত্যাগত ও রিপোর্টকৃত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহম্মদ আলীকে পটুয়াখালী কলাপাড়া সার্কেলে, একইভাবে মালি মিশন থেকে প্রত্যাগত ও রিপোর্টকৃত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত মোহাম্মদ মাসুদ রানাকে এসপিবিএনে, জাপানে অধ্যয়ন শেষে পুলিশ সদরে রিপোর্টকৃত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলামকে ডিএমপিতে বদলি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী পুলিশ সুপার সাদিয়া সাবরিনা চৌধুরীকে ঢাকা ১ম এপিবিএনে এবং ১ম এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার রেজওয়ানা চৌধুরীকে পুলিশ সদর দফতরে বদলি করা হয়েছে।