Category: প্রশাসন

  • যে কারণে আদরের সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করলেন বাবা

    যে কারণে আদরের সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করলেন বাবা

    অনলাইন ডেস্ক:

    মূলত নিজেকে বাঁচাতে এবং প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে শিশু তুহিনকে হত্যা করেছেন বাবা আব্দুল বাছির। তুহিনকে হত্যায় বাবার সঙ্গে অংশ নিয়েছেন চাচা নাছির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার।

    ঘটনার দিন শিশু তুহিনকে ঘুমন্ত অবস্থায় তার বাবা আব্দুল বাছির ঘর থেকে বের করে নিয়ে যান। এরপর তুহিনের বাবা, চাচা ও চাচাতো ভাই মিলে হত্যা করেন। এরপর তুহিনের পেটে দুটি ছুরি বিদ্ধ করে গাছে ঝুলিয়ে দেন।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান নিজ কার্যালয়ের সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, মূলত প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে শিশু তুহিন হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর সঙ্গে আছে পারিবারিক বিরোধ। তুহিন হত্যায় অংশ নেয়া বাবা-চাচা এবং চাচাতো ভাই আগে থেকেই হত্যা মামলার আসামি।

    তুহিনের বাবা একটি হত্যা মামলার পাশাপাশি আরও দুটি মামলার আসামি। এই এলাকায় আরও দুটি খুনের ঘটনা ঘটেছে। ওসব মামলার আসামি তুহিনের বাবা-চাচা এবং চাচাতো ভাইসহ অন্যরা। তবে তুহিন হত্যায় জড়িত মূলত তিনজন। তারা হলেন বাবা আব্দুল বাছির, চাচা নাছির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার। মূলত প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই তুহিন হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

    তবে স্থানীয়রা বলছেন, পারিবারিক বিরোধ ও হত্যা মামলা থেকে নিজেকে বাঁচাতে সন্তান তুহিনকে বলি দিয়েছেন বাবা আব্দুল বাছির। আগে থেকেই আব্দুল বাছির প্রতিপক্ষের করা হত্যা মামলার আসামি। ওই মামলা থেকে নিজেকে বাঁচাতে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন তুহিনের বাবা।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউড়া গ্রামের সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে শিশু তুহিনের পরিবারের বিরোধ দীর্ঘদিনের। ২০০৫ সালে ওই গ্রামে মুজিব নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। নিহত মুজিব আনোয়ার মেম্বারের আত্মীয়। এরপর ২০১৫ সালে নিলুফা নামে এক নারীকে হত্যা করা হয়। নিহত নিলুফা তুহিনের বাবা আব্দুল বাছিরের আত্মীয়। তবে দুটি হত্যা মামলার আসামি হয়ে যান তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির।

    এ নিয়ে গ্রামে মারাত্মক বিরোধ দেখা দেয়। নিলুফা হত্যা হামলায় আসামি হওয়ার বিরোধকে কেন্দ্র করে আব্দুল বাছিরের সঙ্গে আনোয়ার মেম্বারের পরিবার বিভক্ত হয়ে যায়। সেই সঙ্গে গ্রামে শুরু হয় আধিপত্য বিস্তারের লড়াই। মাঝে দীর্ঘদিন তাদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে না এলেও শিশু তুহিন হত্যাকে কেন্দ্র করে প্রকাশ পায় দীর্ঘদিনের ক্ষোভ।

    এদিকে, তুহিন হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিতে ছালাতুল ও সোলেমান নামে দুজনের নাম লেখা রয়েছে। তারা দুজন মূলত আনোয়ার মেম্বারের লোক। ছুরিতে প্রতিপক্ষের দুজনের নাম লেখা দেখে পুলিশ নিশ্চিত হয় পূর্ববিরোধকে কেন্দ্রে করে তুহিন হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

    এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, ছুরিতে যে দুই ব্যক্তির নাম লেখা রয়েছে তারা মূলত আনোয়ার মেম্বারের লোক এবং তুহিনের পরিবারের প্রতিপক্ষ। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে দুজনের নাম ছুরিতে লেখা হয়েছে। তুহিনের পরিবারের সঙ্গে তাদের বিরোধ দীর্ঘদিনের। তবে দুটি ছুরির ওপর থেকে হাতের ছাপ ও যে নামগুলো লেখা আছে তা হ্যান্ড রাইটিং বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকে প্রতিবেদন আসার পরই আদালতে চার্জশিট দেয়া হবে।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান আরও বলেন, পৃথিবীতে শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ স্থান বাবার কোল। কিন্তু তুহিনকে বাবার কোলেই হত্যা করা হয়। পরে তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কেটে ফেলা হয়। এরপর পেটে দুটি ছুরি ঢুকিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। তুহিনের বাবা আব্দুল বাছিরের সঙ্গে চাচা নাছির মিয়া ও ভাতিজা শাহরিয়ার ছিলেন।

    তিনি আরও বলেন, প্রতিহিংসাবশত হতে পারে তুহিন হত্যা, পূর্বশত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে হতে পারে, আবার মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে তদন্তের স্বার্থে সবকিছু এখনই বলছি না।

    এর আগে বিকেলে তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির, চাচা আব্দুর মুছাব্বির এবং প্রতিবেশী জমশেদ আলীকে তিনদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। একই সময় আদালতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তুহিনের আরেক চাচা নাছির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার। তারা পাঁচজন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

    এ ব্যাপারে তুহিন হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দিরাই থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবু তাহের মোল্লা বলেন, তিনজন আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডে তাদের কাছ থেকে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে।

    সোমবার রাতে এ ঘটনায় তুহিনের মা মনিরা বেগম অজ্ঞাত ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় এ পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    গ্রেফতারের আগে তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তার তিন ছেলে ও এক মেয়ে। এর মধ্যে তুহিন দ্বিতীয়। গত ১৫ দিন আগে তার এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।

    রোববার রাতে খেয়ে-দেয়ে সন্তানদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তারা। রাত আড়াইটার দিকে তার এক ভাতিজি ঘুম থেকে ডেকে তুলে বলে তাদের ঘরের দরজা খোলা। এরপর সবাই জেগে ওঠে দেখেন তুহিন নেই। তখন প্রতিবেশীদেরও ডেকে তোলা হয়। একপর্যায়ে বাড়ির পাশে রাস্তায় একটি কদম গাছের ডালে তুহিনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।

    এ ব্যাপারে রাজানগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৌম চৌধুরী বলেন, এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড দিরাই উপজেলার মানুষ এর আগে দেখেনি। আমরা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই, ঘটনাটি তদন্ত করে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হোক।

  • বরিশালে বেস্ট অফিসারের সম্মাননা পেলেন এএসআই কামরুল ইসলাম

    বরিশালে বেস্ট অফিসারের সম্মাননা পেলেন এএসআই কামরুল ইসলাম

    স্টাফ রিপোর্টার//রাতুল হোসেন রায়হান:

    মাদক উদ্ধারের ক্ষেত্রে সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) কামরুল ইসলামকে সেরা অফিসার ঘোষণা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। সফলতাসূচক তাকে পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) মাসিক অপরাধ সভায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ মো. শাহাবুদ্দিন খান কোতয়ালী মডেল থানার এএসআই কামরুল ইসলামের হাতে ক্রেস্টটি তুলে দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএমপি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার প্রলয় চিসিম, উপপুলিশ কমিশনার (হেডকোয়াটার্স)  আবু সালেহ মোঃ রায়হান, উপপুলিশ কমিশনার (সাউথ) মোয়াজ্জেম হোসেন ভূইয়া, উপপুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) খায়রুল আলমসহ বিএমপির উধ্বতন কর্মকর্তারা।

    এর আগেও তিনি ৩ বার সেরা অফিসার নির্বাচিত হন এবং তাকে সফলতার কারণে তাকে সেই মাসেও সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়েছিল।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্র জানায়- কোতয়ালী মডেল থানার এএসআই কামরুল ইসলাম সেপ্টেম্বর মাসে সর্বাধিক গ্রেপ্তারী পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।

    এছাড়া এএসআই কামরুল ইসলাম কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ে সাহসী ভুমিকা রেখে বহুবার প্রসংশিত হয়েছেন।

  • বরিশাল র‌্যাবের অভিযানে ভুয়া এমবিবিএস ডাক্তার গ্রেপ্তার, জেল জরিমানা

    বরিশাল র‌্যাবের অভিযানে ভুয়া এমবিবিএস ডাক্তার গ্রেপ্তার, জেল জরিমানা

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলা থেকে র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার পরবর্তী রফিকুল ইসলাম (৩৮) নামে এক কথিত এমবিবিএস চিকিৎসককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এক বছরের সাজার পাশাপাশি তাকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা নতুবা আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    আগৈলঝাড়া উপজেলার রাংটা গ্রামের হাতেম আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার দাবি করে বাকেরগঞ্জে একটি কেন্দ্র খুলে দুই শতাধিক নারীকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছিলেন।

    বরিশাল র‌্যাব অফিস সূত্র জানায়- কোন ধরনের সনদ ছাড়াই রফিকুল ইসলাম নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছিলেন। এই খবরে অভিযান চালিয়ে চৌমাথা এলাকায় সিনেমা হল বাজারের হাওলাদার মাকের্টের একটি চেম্বার থেকে তাকে গ্রেপ্তার পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি সেখানে ডাক্তারি কোন সনদপত্র দেখাতে পারেনি।

    রফিকুল যে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন এই বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তাকে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলামের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতের বিচারক তাকে এক বছরের সাজার পাশাপাশি তাকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা নয়তো আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন।

    পরে বিকেলে তাকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান অভিযান পরিচালনাকারী র‌্যাব কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মো. খালেদ মাহমুদ।

  • ১০ দিনের রিমান্ডে সম্রাট

    ১০ দিনের রিমান্ডে সম্রাট

    অস্ত্র ও মাদক মামলায় গ্রেপ্তার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

    মঙ্গলবার সম্রাটকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তার পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তার দেখানো পূর্বক ২০ দিনের রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন সম্রাটের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।

    শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন অস্ত্র মামলায় পাঁচদিন ও মাদক মামলায় পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী দুই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখান।

    রিমান্ড শুনানির জন্য এর আগে তাকে আদালতে নেয়া হয়। এছাড়াও আদালতে নেওয়া হয় সম্রাটের সহযোগী দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকেও।

    সম্রাটকে আদালতে আনার খবরে সকাল থেকেই পুরান ঢাকার আদালত পাড়ায় ভিড় করেছেন সম্রাটের কর্মী ও সমর্থকরা। সম্রাটের মুক্তির দাবিতে তারা বিক্ষোভও করেন। সম্রাটের আনাকে কেন্দ্র করে আদালত এলাকার নিরাপত্তা জোরদারও করে পুলিশ।

    সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনের পৃথক দুই মামলায় ১০ দিন করে মোট ২০ দিনের এবং আরমানের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ১০ দিন রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল গত ৯ অক্টোবর। একই সঙ্গে এসব মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের ওপরও শুনানি ছিল। কিন্তু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় ওই দিন সম্রাটকে আদালতে হাজির করা হয়নি। ফলে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো ও রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি।

    আরমানকে অবশ্য মাদকদ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তবে রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়। দুজনের রিমান্ড শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করেন ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী।

    গত ৭ অক্টোবর রাতে রমনা থানা পুলিশ অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায় সম্রাটকে গ্রেপ্তার দেখানোর পাশাপাশি ১০ দিন করে ২০ দিন রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আরমানকেও মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো ও দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়।

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে গত ৬ অক্টোবর ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়। আরমান মদ্যপ অবস্থায় থাকায় তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়। আর সম্রাটকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এরপর ওই দিনই সম্রাটের কার্যালয় রাজধানীর কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে অভিযান চালায় র‌্যাব। উদ্ধার করা হয় এক হাজার পিস ইয়াবা ও সংরক্ষণের আড়াই হাজার জিপার প্যাকেট।

    সম্রাটের কক্ষে একটি লাগেজ থেকে ১৯ বোতল মদ, একটি বিদেশি পিস্তল এবং পাঁচ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব-১-এর ডিএডি আবদুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন।

  • ভিক্ষা তোলা পুলিশের দিন শেষ, জনবান্ধব পেশাদার পুলিশ হতে হবে : বিএমপি কমিশনার

    ভিক্ষা তোলা পুলিশের দিন শেষ, জনবান্ধব পেশাদার পুলিশ হতে হবে : বিএমপি কমিশনার

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, ভিক্ষা তোলা পুলিশের দিন শেষ, জনবান্ধব পেশাদার পুলিশ হতে হবে।

    সোমবার (১৪ অক্টোবর) বরিশাল পুলিশ লাইনসে মাসিক কল্যাণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন আরও বলেন, যারা দালাল প্রশ্রয় দিয়ে নিরীহ মানুষকে সঠিক সেবা দেবে না, তারা পুলিশ বিভাগে অযোগ্য। তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে বলেও জানান তিনি।

    পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও সচেতন হওয়ার আহব্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো পুলিশ সদস্য যেন কোনো অপরাধে জড়িয়ে গোটা পুলিশ বিভাগের দুর্নাম এর কারণ না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

    মাসিক কল্যাণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিশিম, উপপুলিশ কমিশনার (সদর) আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ, উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোয়াজ্জেম হোসেন ভূইয়াসহ আরও অনেকে।

  • বরিশালে মা ইলিশ ধরায় কারেন্ট জাল জব্দ, ২ জনের জেল-জরিমানা

    বরিশালে মা ইলিশ ধরায় কারেন্ট জাল জব্দ, ২ জনের জেল-জরিমানা

    অনলাইন ডেস্ক:

    নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ ধরায় ঝালকাঠীর সুগন্ধা নদী থেকে ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও তিন মণ ইলিশসহ
    দুজনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত থেকে আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত নদীতে অভিযান চালিযে এদের
    আটক করা হয়।
    পরে আটক সঞ্জীব হালদারকে (২২) এক মাসের কারাদণ্ড এবং আব্দুর রাজ্জাককে (৫০) পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা
    করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
    গতকাল শুক্রবার রাতে মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাে. বশির গাজী ও বরিশাল
    র‌্যাব ৮-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকুর চাকমার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় নদী থেকে ৩০
    হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও তিন মণ ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।
    অন্যদিকে আজ শনিবার সকালে একই নদীর নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় জেলেদের ঘরে ঘরে অভিযান চালিয়ে ২০
    হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করেন প্রাম্যমাণ আদালত।
    জব্দকৃত জালগুলো সকালে সুগন্ধা নদী তীরের ফেরিঘাট এলাকায় জনসম্মুখে পুড়িয়ে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের
    বিচারক নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম সিকদার। এ সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রমনি
    কান্ত মিস্ত্রি উপস্থিত ছিলেন।
    জব্দ ইলিশ মাছগুলাে স্থানীয় এতিমখানায় দিয়ে দেওয়া হয়।

  • ভোলায় ইলিশ ধরার অপরাধে ৩ জেলের কারাদণ্ড

    ভোলায় ইলিশ ধরার অপরাধে ৩ জেলের কারাদণ্ড

    ভোলা প্রতিনিধি//মো: নিশাত::

    ইলিশ ধরার অপরাধে ভোলায় ৩ জেলেকে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ নিয়ে পুরো জেলায় গত তিনদিনে ৪২ জনের কারাদণ্ড দেওয়া হলো।

    শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাওসার হোসেন এ রায় দেন। অভিযানকালে হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।

    দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ভোলা সদরের ইলিশা এলাকার মহসিন (৩৫), ভেদুরিয়া এলাকার সাগর (২০) ও দৌলতখানের মেদুয়া এলাকার আব্বাস (২৮)।

    ভোলা সদর মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ রক্ষায় মৎস্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে নৌ-পুলিশ ও থানা পুলিশকে নিয়ে একটি দল নদীতে নামে। এ সময় বিকেল পর্যন্ত মেঘনার ভোলার খাল, ইলিশা ও মেদুয়া পয়েন্ট থেকে তিন জেলেকে আটক করা হয়।পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড দেন।

    উল্লেখ্য, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম রক্ষায় ৯-১১ অক্টোরর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা, বিক্রি, মজুদ ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

  • নিষেধাজ্ঞা অমান্য ইলিশ শিকার : ভোলায় ২২ জেলের কারাদণ্ড

    নিষেধাজ্ঞা অমান্য ইলিশ শিকার : ভোলায় ২২ জেলের কারাদণ্ড

    ভোলা প্রতিনিধি//মো: নিশাত ::

    সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ ধরার অপরাধে ২৩ জেলেকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২০ জনকে এক বছর করে কারাদণ্ড ও দু’জনকে আট হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

    ইলিশ প্রজনন মৌসুমের তৃতীয় দিনে শুক্রবার (১১ অক্টোকর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা সদর, মনপুরা, তজুমদ্দিনের মেঘনা ও চরফ্যাশনের তেঁতুলিয়া নদী থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটকদের জেল-জরিমানা করা হয়।

    এছাড়াও এসব অভিযানে জব্দ করা হয়েছে একটি ফিশিং বোর্ট ও এক হাজার ২৬০ কেজি ইলিশ। জব্দ ইলিশ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

    ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আজাহারুল ইসলাম জানান, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় মৎস্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে পুলিশ ও কোস্টগার্ড নিয়ে পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় চার উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ২৩ জেলেকে জাল, ট্রলার ও মাছসহ আটক করা হয়। পরে আটকদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত অভিযুক্তদের জেল জরিমানা করেন।

    গত তিন দিনে এ পর্যন্ত ৩৯টি অভিযানে ৫২ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান ওই জেলা মৎস্য কর্মকর্তা।

  • ঝালকাঠিতে বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল উদ্ধার, ২ জনের কারাদণ্ড

    ঝালকাঠিতে বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল উদ্ধার, ২ জনের কারাদণ্ড

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি ::

    ঝালকাঠি শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে আট হাজার মিটার কারেন্ট জালসহ আটক দুই ব্যক্তিকে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    শুক্রবার (১১ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এনডিসি মো. বশির গাজী জানান, গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে আটক দুই ব্যক্তিকে অবৈধ কারেন্ট জাল রাখার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে শুক্রবার দিনগত রাতে ডিবির অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার খানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ আট হাজার মিটার কারেন্ট জালসহ মৌসুমি জেলে কাঞ্চন মোল্লাহ ও তার জামাতা সুমন হাওলাদারকে আটক করা হয়। অবৈধ কারেন্ট জাল রাখার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মো. বশির গাজী তাদের এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

    এছাড়া জব্দ করা জালগুলো লঞ্চঘাট এলাকায় প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

  • বরগুনায় এক লাখ মিটার জাল জব্দ

    বরগুনায় এক লাখ মিটার জাল জব্দ

    বরগুনা প্রতিনিধি ::

    আইন অমান্য করে মাছ শিকারের দায়ে বিষখালী নদী থেকে এক লাখ মিটার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে বরগুনা মৎস্যবিভাগ।

    শুক্রবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ১ নম্বর বদরখালী ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া এলাকায় জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এর আগে সকালে জালগুলো জব্দ করা হয়।

    এ ব্যাপারে বরগুনা সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন জানান, ইলিশ উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন (৯-৩০ অক্টোবর) দেশব্যাপী ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, কেনাবেচা ও বাজারজাতকরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মৎস্য বিভাগ। নির্দেশনা অনুযায়ী মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) দিনগত রাত ১২টার পর থেকে জেলেরা নদী ও সাগরে ইলিশ মাছ শিকার বন্ধ রেখেছে।কিন্তু কিছু অবৈধ জেলেরা আইন না মেনে নদীতে নেমেছিলো। খবর পেয়ে জালগুলো জব্দ করতে পারলেও কোনো জেলেকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া প্রশাসনের সহায়তা আমাদের সবসময় প্রয়োজন।

    বরগুনা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের (ওসি) হারুন-অর-রশিদ জানান, সরকারি আইন সবার মানতে হবে। তাই মৎস্য বিভাগের সঙ্গে একত্রিত হয়ে আমরা অবৈধ জেলেদের ব্যাপারে সতর্ক থাকবো