বরিশাল নগরীতে নোংড়া ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার উৎপাদন, বিক্রি ও বিক্রির জন্য প্রদর্শনের অপরাধে দুটি হোটেলকে ভ্রাম্যমান আদালতে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুম্পা ঘোষ পৃথকভাবে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।
ভ্রাম্যমান আদালতে প্রসিকিউশন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সৈয়দ এনামুল হক সাইফুল। এসময় কোতয়ালী মডেল থানার এসআই বশির আহমেদের নেতৃত্বাধিন পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করেন।
জানা গেছে, ‘বিকেল সোয়া ৪টা হতে ৫টা পর্যন্ত নগরীর সদর রোড সংলগ্ন আগরপুর রোড ও ফজলুল হক এভিনিউ সড়কে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় আগরপুর রোডের ‘হোটেল বিসমিল্লাহ’ মালিককে ১৫ হাজার এবং কাকলীর মোড় ফজলুল হক এভিনিউ সড়কের ‘মেহেন্দিগঞ্জ দদী ঘর’কে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ঢাকার আশুলিয়া থানা থেকে কয়েক শ গজ দূরে ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার (ডিইপিজেড) দক্ষিণ পাশের সীমানাপ্রাচীর ঘেঁষা একটি তিনতলা ভবন। ভবনটির মালিক পুলিশ কর্মকর্তা শেখ মো. বদরুল আলমের স্ত্রী মাসুমা খানম। শুধু এই বাড়ি নয়, মাসুমার নামে সাভারের আশুলিয়াতেই রয়েছে আরও ৪৯ শতাংশ জমি। খুলনাতে আছে তাঁর পাঁচতলা একটি বাড়ি।
অথচ মাসুমা কোনো চাকরি করেন না, তিনি গৃহিণী। তবে তাঁর স্বামী শেখ মো. বদরুল আলম হাইওয়ে পুলিশ গাজীপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় আদালত তাঁকে হাজতে পাঠান। ৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক আদেশে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে গাজীপুর থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করেছে।
আশুলিয়া থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শেখ মো. বদরুল আলম ২০১১ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আশুলিয়া থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই সময় তিনি আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ জমি ক্রয় করেন। স্ত্রী মাসুমা খানমের নামে কেনা এসব জমিতে তিনি একটি তিনতলা বাড়ি নির্মাণ করেন।
পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা যে এলাকায় কর্মরত থাকবেন ওই এলাকায় নিজের বা স্ত্রীর নামে কোনো স্থাবর সম্পদ কিনতে পারবেন না। অন্য এলাকায় কোনো স্থাবর সম্পদ করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। অথচ আশুলিয়ায় স্থাবর সম্পদ কিনলেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমোদন নেননি বদরুল আলম।
বদরুল আলমের স্ত্রীর নামে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় জমি ক্রয়–সংক্রান্ত তথ্য পেয়ে প্রথম আলোর পক্ষ থেকে অনুসন্ধান করা হয়। অনুসন্ধান চলাকালে তিনটি দলিলের তথ্য পাওয়া যায়। আশুলিয়া সাব–রেজিস্ট্রি কার্যালয় থেকে দলিল তুলে যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর বদরুল আলমের স্ত্রী মাসুমা খানমের নামে আশুলিয়ার বাইপাইল মৌজা থেকে সাড়ে ১৬ শতাংশ এবং উত্তর রামচন্দ্রপুর মৌজা থেকে ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়। ২০১৪ সালে গণকবাড়ি মৌজা থেকে মাসুমা খানমের নামে আরও ৬ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়। সেখানে তিনতলা বাড়িটি নির্মাণ করেছেন তাঁরা। বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী এর মূল্য প্রায় ৪ কোটি কোটি টাকা। এ ছাড়া খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার ২ নম্বর সড়কে মাসুমা খানমের আরও একটি পাঁচতলা বাড়ি রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রামচন্দ্রপুর মৌজায় ৩৩ শতাংশ জমির অবস্থান জাতীয় স্মৃতিসৌধ থেকে কয়েক শ গজ দূরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে। আর গণকবাড়ি ও বাইপাইল মৌজায় ক্রয় করা জমির অবস্থান আশুলিয়া থানার আশপাশে। এলাকার লোকজন বলেন, গণকবাড়িতে জমি কেনার পরপরই বদরুল আলম ওই জমির ওপর তিনতলা বাড়ি নির্মাণ করেন। এরপর ওই বাড়িতে অবৈধভাবে গ্যাসের সংযোগ নিয়ে ভাড়া দেন।
এ বিষয়ে বদরুল আলম বলেন, জমি ক্রয় বা বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই। তবে ওই সব জমি ও বাড়ির তথ্য আয়কর নথিতে দেওয়া হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ গাজীপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার ও দুদক ফরিদপুর জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বদরুল আলম ২০০৯ সালে যশোরের ঝিকরগাছা থানায় ওসি ছিলেন। সেখানে থাকা অবস্থায় দুদক থেকে তাঁর সম্পদের হিসাব চাওয়া হয়। সম্পদের হিসাব না দেওয়ায় দুদকের ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবুল হোসেন ওই বছরের ৮ সেপ্টেম্বর বদরুল আলমের বিরুদ্ধে ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেন।
মামলা দায়েরের পর বদরুল আলম হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নেন। পরে জামিন বাতিল হয়ে গেলে তিনি গত ১৭ জুলাই ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান। আদালত আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে ২৯ জুলাই তিনি কারাগার থেকে ছাড়া পান। ৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে গাজীপুর থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।
দুদকের ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সৌরভ দাস বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। এ অবস্থায় পুলিশ কর্মকর্তা বদরুল আলম যেসব স্থানে কর্মরত ছিলেন দুদকের নীতিমালা অনুযায়ী সেসব স্থানে তথ্য চাওয়া হয়েছে। কিছু তথ্য ইতিমধ্যে হাতে এসে পৌঁছেছে। সব তথ্য পাওয়ার পর তা যাচাই–বাছাই করে প্রতিবেদন তৈরি করা হবে।
বরিশালের উজিরপুরে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে গৃহবধু দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
নির্যাতিতা পরিবার সূত্রে জানা যায়, উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের নরসিংহা গ্রামের আঃ রব হাওলাদারের ছেলে কাওছার হোসেন(রিপন) ৫০ এর সাথে ৬ বছর পূর্বে রংপুর জেলার পাঠগ্রাম উপজেলার সৈয়দ পাড়া গ্রামের জিন্নাত মন্ডলের মেয়ে গার্মেন্টস কর্মী মনোয়ারা বেগম(৩০) এর প্রেমের সম্পর্কে বিবাহ হয়। বিবাহের পর ৫ বছর ধরে ঢাকার বাড্ডার নতুন বাজার এলাকায় ভাড়া বাড়ীতে বসবাস করত। গত ১ বছর ধরে সু-চতুর স্বামী কাওছার বিদেশ যাওয়ার কথা বলে স্ত্রীকে ফুসলিয়ে নগদ ৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। স্ত্রীর সরলতার সুযোগ পেয়ে পুনঃরায় ২ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবী করে। স্বামীর কুমতলব বুঝতে পেরে টাকা দিতে অস্বীকার জানালে তাকে মারধর করে বাসা থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় স্বামীর গ্রামের বাড়ীতে কয়েকবার শালিসি বৈঠক হয়। কিন্তু তাকে কোন সুরাহা হয়নি এমনকী উজিরপুর মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরেও স্বামীর পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় কোন বিচার পায়নি বলে জানান গৃহবধু।
নির্যাতিতা মনোয়ারা বেগম জানান আমি আমার স্বামীকে ইতিপূর্বে ৩ লক্ষ টাকা যৌতুক দিয়েছি তা তার ভাই স্বপন ও আসলামের স্ত্রী বিষয়টা জানেন। পরবর্তীতে আরো ২ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করলে আমি সেই টাকা না দেওয়ায় আমাকে মারধর করে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দিয়েও ক্ষান্ত হয়নি। তাকে স্বামীর পরিচয় দিলে আমাকে খুন করবে বলে হুমকী দেয়।
ওই প্রতারক যৌতুকলোভী স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান এবং স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেন নির্যাতিতা গৃহবধু।
বরিশালের উজিরপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা। থানায় মামলা দায়ের।
মামলা ও আহত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের খাটিয়ালপাড়া গ্রামের মৃত আবুল সিকদারের ছেলে মোটর পার্সের ব্যবসায়ী নজরুল সিকদার(৩৫) ও তার কর্মচারী মন্টু হাওলাদার(১৫), ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ৮টায় বাড়ী থেকে ডাবেরকুল বাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পথিমধ্যে একই এলাকার সন্ত্রাসী ইমাম হাওলাদার, রবিউল হাওলাদার, শফিকুল ইসলাম হাওলাদার, কবির হাওলাদার, শাহে আলম হাওলাদার, আমির হোসেন হাওলাদার সহ অজ্ঞাত ২/৩ জন মিলে রামদা দিয়ে তাদেরকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এতে নজরুলের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম হয়। পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদেরকে উদ্ধার করে উজিরপুর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নজরুল ইসলামের অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
আহতর পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিপক্ষরা এলাকায় বিভিন্ন কু-কর্মের সাথে জড়িত রয়েছে। অন্যের জমি দখল করা তাদের নেশা ও পেশা।
অভিযুক্তরা পালিয়ে থাকায় তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় উল্লেখ্য ৬ জন সহ অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামী করে আহত নজরুলের ছোট ভাই মিরাজ সিকদার বাদী হয়ে ঘটনার দিন উজিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
বরিশালের উজিরপুরে জুয়ার আসর থেকে ৬ জুয়ারীকে ৩৫পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস.আই হরিদাস নাগ সঙ্গীও ফোর্স নিয়ে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার উত্তর মাদার্শী শঙ্কর বাড়ৈ ওরফে গোসাই এর রান্নাঘরের মধ্যে মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়ারী পঙ্কজ নন্দী(২৬), শঙ্কর বাড়ৈ ওরফে গোসাই(৪৮), বিমল রায়(৩৩), সুভাষ চন্দ্র শীল(৩০), কাইউম খান(৩০), মেহেদী হাসান(২২) কে ৩৫পিচ ইয়াবাসহ ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানার এসআই হরিদাস নাগ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম-এমপি বলেছেন, বর্তমান সরকার ক্রিড়া বান্ধব সরকার। আর এর বড় পৃষ্ঠপোষক আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি খেলাধুলাকে এতোই ভালোবাসেন যে প্রটোকল মানেনও না অনেক সময়। খেলা দেখতে চলে যান স্টেডিয়ামে। আবার আমাদের বলেন, হতাশা ব্যক্ত করবা না, যাতে খেলোয়ারদের মনোবল ভেঙ্গে না যায়। ওরা যে ছোট শরীর নিয়ে বিশ্বের বড় বড় খেলোয়ারদের সাথে খেলছে এটাই তো অনেক কিছু।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াত আউটার স্টেডিয়ামে বিভগীয় পর্যায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্পকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুর্ধ্ব (১৭) বালক ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুর্ধ্ব-১৭ (বালিকা) ২০১৯ প্রতিযোগীতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, শেখ হাসিনার সরকার ক্রিড়া বান্ধব সরকার। সুস্থ দেহ, দুস্থ মন- এজন্য দরকার খেলাধুলার। কোমলমতিদের মাদক-জঙ্গি, সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। সুস্থধারার বাংলাদেশ বিনির্মানে প্রধানমন্ত্রীর হাতকে আরো শক্তিশালী করার জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভালোর পাশে থাকতে হবে।
তিনি বলেন, একময় রাজাকার-আলবদরদের হাতে দেশের পতাকা তুলে দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু নতুন প্রজন্মকে বাস্তব সত্য জানতে হবে। তাদের কাছে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতার আত্মত্যাগ, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ সম্পর্কে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে।
শ. ম. রেজাউল করিম বলেন, যদি কেউ দুর্নীতি করে আর সেখানে দলের কেউ থাকে, তাকেও ছাড় দেয়া হবে না। দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে সকলের সহায়তা করা প্রয়োজন। সরকারের চ্যালেঞ্জ সু-শাসন প্রতিষ্ঠা করা। বরিশালের সকল মানুষের এতে সমর্থন থাকবে এবং সমাজ থেকে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, ইভটিজিং মাদক ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। আমরা সবাই মিলে প্রাচ্যের ভেনিস ক্ষ্যাত বরিশালকে শান্তির জনপদে পরিণত করবো।
তিনি বলেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী আমাকে দেয়ার পর থেকে আমি কাজে গতিশীলতা আনার পাশাপাশি দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছি। এফআর টাওয়ার ঘটনায় আমি দায়িত্ব নেয়ার পরে ৬২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঘটনায় ৩০ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দুর্নীতির সঙ্গে নূন্যতম সক্ষ্যতা থাকলে কাউকে ছাড় দিবো না। সাম্প্রদায়িক অভিযানের বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় এ বিষয়ে মন্তব্য করবো না। তবে ঠিকাদারী কাজের সাথে সম্পৃক্ত একটি বিষয় আমাদের সামনে আসায় এরইমধ্যে গনপূর্তের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্লানিং মন্ত্রনালয়ের ২ জনকে প্রত্যাহার করার জন্য চিঠি দেয়া হচ্ছে। এককথায় আমি নিজেও অনিয়ম করবো না, বরদাস্তও করবো না।
মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয় বার জন্মাবে কি না জানিনা, তবে তিনি বার বার মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে এসেও দেশের ও মানুষের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার এম ডি আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশেনের মেয়র সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ শফিকুল ইসলাম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান, বরিশালের জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান।
বরিশালের আগৈলঝাড়ার গৈলা ইউনিয়নে মন্দিরে চুরি হওয়ার সন্দেহের তীর মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতির দিকে। ঠিক ৬ মাস পর মন্দিরের চুরি যাওয়া মালামালসহ পূজারী গ্রেফতার। বরিশালের আগৈলঝাড়ার গৈলা ইউনিয়নের পূর্ব পতিহার গ্রামে সরকার বাড়ি রাঁধা গোবিন্দ মন্দির ভাঙচুর, প্রতীমার স্বর্ণালঙ্কার ও প্রণামীর টাকাসহ অন্যান্য মালামাল চুরির মামলায় ওই মন্দিরের পূজারী আরতী রানী শীলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত ১৯ এপ্রিল রাতে এ চুরির ঘটনা ঘটে। চুরির ৬ মাস পর মন্দির সংলগ্ন বাড়ির পূজারী আরতীর ঘর থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুরে স্টিলের ৫০টি থালা উদ্ধার করে পুলিশ।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন জানান, গত ১৯ এপ্রিল রাতে কে বা কারা রাঁধা গোবিন্দ মন্দির ভাঙচুর করে এবং প্রতীমার স্বর্ণালঙ্কার ও প্রণামীর টাকাসহ অন্যান্য মালামাল চুরি করে।
এ ঘটনায় মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পরান শীল পরদিন থানায় একটি চুরির মামলা করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্তের সূত্র ধরে মঙ্গলবার দুপুরে ওই মন্দিরের পূজারী আরতী রানীর ঘরে অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া ৫০টি স্টিলের থালা উদ্ধার করে। পরে চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরতীকেও গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মন্দির কমিটির সভাপতি ও মামলার বাদীর নির্দেশে চুরি করার কথা পুলিশকে জানিয়েছেন। পুলিশ তার অভিযোগ খতিয়ে দেখছে। তাকেও সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। আপাতত আরতীকে আদালতে পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন ওসি।
বরিশাল নগরীতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ভেজাল বিরোধী অভিযানে ওষুধের ফার্মেসীসহ ৭টি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমি রাণী মিত্র ও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শাহ শোয়াইব মিয়া’র নেতৃত্বে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর রাসেল সিকদার এবং আর্মড ব্যাটালিয়ন পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য পাণ্য (মিষ্টি) তৈরির অপরাধে নগরীর বাজার রোডের হক মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ২০ হাজার টাকা ও মুধুর মোড়কে খুচরা বিক্রয় মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ না থাকায় নবগ্রাম রোডের মিম মধু ঘরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়াও বাংলাবাজার ও নবগ্রাম রোড এলাকায় মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি’র অপরাধে ইউনুচ মেডিকেল হলকে ৩ হাজার, রশিদ মেডিকেল হলকে ৩ হাজার, সামসুল হক স্টোরকে ১ হাজার, ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয় মূল্য না থাকায় নাহার ফার্মেসিতে ১ হাজার, সিকদার স্টোরকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়াও বিএসটিআই এর মানের পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ বিক্রয় নিষিদ্ধ ১৫ প্যাকেট মুসকান লাচ্ছা সেমাই ধ্বংস করা হয়েছে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে সরকার। টেন্ডারবাজি, জুয়া, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ক্ষমতাসীন দলের নেতারা গ্রেফতার হচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই শুদ্ধি অভিযান আরও বিস্তৃত হবে।
সরকারের চলমান শুদ্ধিঅভিযান জনপ্রশাসনেও আসছে, দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, সমাজের অসঙ্গতি এখন দূর করব। একে একে সব ধরতে হবে। জানি কঠিন কাজ কিন্তু আমি করব।
দুর্নীতির অভিযোগে ছাত্রলীগের শোভন-রাব্বানীকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন ক্যাসিনোগুলোতে অভিযান চলছে। অ্যাকশন নেয়া হচ্ছে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণের যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে র্যাব। পাশাপাশি তার মালিকানাধীন রাজধানীর ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থসহ ১৪২ জনকে আটক করেন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কলাবাগান ক্রীড়াচক্র ক্লাবে অভিযান চালিয়ে এর সভাপতি ও বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শফিকুল আলম ফিরোজসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে র্যাব।
একই দিন রাজধানীর গুলশানের নিকেতনের অফিসে অভিযান চালিয়ে জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের মালিক এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে গ্রেফতার করে র্যাব। অভিযানে এক কোটি ৮০ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার ওপরে এফডিআর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়।
জি কে শামীম সচিবালয়, র্যাব হেড কোয়ার্টার, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, পঙ্গু হাসপাতালসহ বড় বড় ১৭ প্রকল্পের প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ করছেন। অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করে এসব কাজ বাগিয়েছেন শামীম।
প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে জি কে শামীমকে সরকারের বিভিন্ন কাজের টেন্ডার পেয়েছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। অভিযুক্তদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না- জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘এটা নিয়ে তো আলাপ-আলোচনা হচ্ছে, ভাবা হচ্ছে। আমাদের তো নির্বাহী ইশতেহার রয়েছে- আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। সে হিসেবেই আমরা ব্যাপারটি দেখছি। একটা সময় নেয়া হয়েছে, আমরা সবগুলোই দেখব ইনশাআল্লাহ।’
শুদ্ধি অভিযান কী প্রশাসনেও আসছে- জানতে চাইলে ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘অবশ্যই, আমরা খুব শক্তভাবে এটা করব। আমরা তরুণদের ওপর যথেষ্ট নজর রাখছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এগুলোর সঙ্গে যারা জড়িত…তাহলে তো বিষয়গুলো এসেই যাচ্ছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মানুষের জীবন মান বাড়াতে চাই। অবকাঠামোগত উন্নয়ন আমরা করছি। ব্যাপকভাবে কাজগুলো করার ক্ষেত্রে দুর্নীতি একটা সমস্যা। এটা কারা করছে, কীভাবে করছে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছেন। প্রত্যেকটি সেক্টরকে ধরা হবে, সেটা ইঙ্গিত দেয়া হচ্ছে।’
‘সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, সেজন্য কার্যকরী ভূমিকা নেয়া ইতোমধ্যে শুরু করেছে, যেটা দৃশ্যমান হয়েছে। এটা আরও ব্যাপকভাবে দেখা যাবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান নিজের ঘর থেকেই শুরু হয়েছে, এটা মহত্মের পরিচয়। যেখানে যেটা পাওয়া যাবে, সেখানেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রশাসনের অনেকে মনে করতে পারেন, যা করছেন কেউ হয়তো দেখছে না। এটা মনে করার কোনো কারণ নেই।’
প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, দুর্নীতির বিষয়টি তো আছেই। সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নারী কেলেঙ্কারির বিষয়টিও জোরেশোরে আলোচিত হচ্ছে। অনেকের বিরুদ্ধেই নৈতিক স্খলনের অভিযোগ উঠছে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নজির চোখে পড়ছে না। এ অবস্থায় কেউ কেউ বেপরোয়া হয়ে উঠছেন।
গত মাসের (আগস্ট) শেষ দিকে জামালপুরের ডিসি আহমেদ কবীরের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে আহমেদ কবীরের সঙ্গে তার অফিসের এক নারীকর্মীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। ওই ঘটনায় জামালপুরসহ সারাদেশের মানুষের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তোলপাড় চলে প্রশাসনে। এই ঘটনা পুরো প্রশাসনকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়।
পরে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে আহমেদ কবীরকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। তদন্ত কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এর আগে বিয়ে না করে বান্ধবীকে নিয়ে সংসার করার অভিযোগ ওঠে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে।
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে রাত ১১টার পরে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মহিপুর থানা পুলিশের উদ্যোগে মঙ্গলবার মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। পর্যটকদের সেবার মানোন্নয়নে এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল আহম্মেদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ, কুয়াকাটা জোনের উপ-পরিদর্শক মো. হেলাল, মহিপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাহবুব আলম, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী সাঈদ, কুয়াকাটা পৌর শ্রমিকলীগের সভাপতি মো. আব্বাস কাজী, সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিব হাওলাদার, লতাচাপলী ইউনিয়ন শ্রমিকলীগ আহ্বায়ক আব্দুল মালেক হাওলাদার, মহিপুর মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড সভাপতি মো. তানিম আকন, বরহরপাড়া স্ট্যান্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মহসিন হাওলাদার প্রমুখ
এছাড়াও মোটরসাইকেল চালকদের পক্ষে বক্তব্য দেন মো. হেলাল, মো. তুহিন, মো. স্বপন শিকদার, মো. এমাদুল হাওলাদার প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন মহিপুর প্রেসক্লাবের দফতর সম্পাদক হাফিজুর রহমান আকাশ, সাংবাদিক আবুল হোসেন রাজু, মো. জহির খান, মো. মহিবুল্লাহ পাটোয়ারীসহ মহিপুর উপজেলার দুই শতাধিক মোটটরসাইকেল চালক।
সভায় পর্যটকদের সঙ্গে মোটরসাইকেল চালকদের আচরণবিধি, ভাড়া নির্ধারণ, পর্যটকদের সেবার মানউন্নয়নসহ পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেয়া হয়।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল আহম্মেদ সমাপনী বক্তব্যে মোটরসাইকেল চালকদের উদ্দেশ্যে বলেন, কুয়াকাটা সৈকতসহ পর্যটন এলাকার চালকদের বাধ্যতামূলক ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির কাগজপত্র ও হেলমেট ব্যবহার করতে হবে। সৈকতের ছাতা বেঞ্চ এলাকায় কোনো মোটরসাইকেল চালানো যাবে না।
তিনি আরও বলেন, ভাড়ায় চালিত প্রতিটি মোটরসাইকেল চালককে নম্বরসহ আলাদা পোশাক পরিধান করতে হবে। মাদক সেবন ও বহনসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।