Category: প্রশাসন

  • মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কপিতে ভয়াবহ বর্ণনা

    মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কপিতে ভয়াবহ বর্ণনা

    রিফাত হত্যাকাণ্ডের ২০ দিন পর গ্রেফতার হন তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। গ্রেফতারের পরই মিন্নি প্রধান সাক্ষী থেকে হন আসামি। পাঁচ দিনের রিমান্ডের দু’দিন শেষ হতেই রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি।

    রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া মিন্নির সেই স্বীকারোক্তি হুবহু  পাঠকদের কাছে তুলে ধরা হলো।

    আমি বরগুনা সরকারি কলেজে ডিগ্রি প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করি। ২০১৮ সালে বরগুনা আইডিয়াল কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি পাস করি। আইডিয়াল কলেজে পড়াশোনা করাকালীন ২০১৭ সালে আমার প্রেমের সম্পর্ক হয়। ওই সময় রিফাত শরীফ বামনা ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ছিল। রিফাত শরীফ আমাকে তার কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে পরিচয় করে দেয় তার মধ্যে নয়ন বন্ড একজন। কলেজে যাওয়া আসার পথে নয়ন বন্ড আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে জ্বালাতন করতো। আমি তার প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় সে আমার বাবা ও ছোট ভাইকে ক্ষতি করার ভয় দেখাতো। বিষয়টি আমি রিফাত শরীফকে জানাইনি।

    আমি রিফাত শরীফকে ভালোবাসতাম। কিন্তু রিফাত শরীফ অন্য মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক করার কিছু বিষয় আমি লক্ষ্য করি এবং এ কারণে রিফাতের সঙ্গে আমার সম্পর্কের কিছুটা অবনতি ঘটে এবং আমি ধীরে ধীরে নয়ন বন্ডের দিকে ঝুঁকে পড়ি এবং নয়ন বন্ডের সঙ্গে আমার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

    আমি নয়নের মোবাইল নম্বরে আমার মায়ের মোবাইল নম্বর এবং নয়নের দেয়া নম্বর শেষে ৬১১৩ ও একটি নম্বর শেষে ৪৫ দিয়ে নয়নকে কল, ম্যাসেজ এবং ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে কল দিতাম। বরগুনা সরকারি কলেজে পড়াকালীন ধীরে ধীরে রিফাত ফরাজী, রিফাত হাওলাদার ও রাব্বি আকনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। রিফাত ফরাজী ও নয়ন বন্ডের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। প্রেমের সম্পর্কের কারণে নয়ন বন্ডের বাসায় আমার যাতায়াত ছিল। নয়নের বাসায় দুজনের শারীরিক সম্পর্কের কিছু ছবি ও ভিডিও নয়ন গোপনে ধারণ করে। যা আমি প্রথমে জানতাম না।

    নয়নের বাসায় আমি প্রায়ই যেতাম এবং আমাদের শারীরিক সম্পর্ক চলতে থাকে। এরপর গত ১৫/১০/১৮ আমি রোজী অ্যান্টির বাসায় যাওয়ার পথে বিকেল বেলা ব্যাংক কলোনি থেকে নয়ন বন্ড রিকশাযোগে আমাকে তার বাসায় নিয়ে যায়।

    নয়নের বাসায় গিয়ে আমি শাওন, রাজু, রিফাত ফরাজী এবং আরও ৭/৮ জনকে দেখি। শাওন বাইরে গিয়ে কাজী ডেকে আনে এবং নয়নের বাসায় আমার ও নয়নের বিয়ে হয়। তারপর আমি বাসায় চলে যাই। বাসায় গিয়ে নয়নকে ফোন করে বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখতে বলি। তখন নয়ন বলে- ওইটা বালামে ওঠে নাই। বালামে না ওঠলে বিয়ে হয় না।

    এরপরও আমি নয়নের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখি। নয়নের সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি আমার পরিবারের কেউ জানে না। ২০১৯ সালের শুরুর দিকে কলেজ থেকে পিকনিকে কুয়াকাটা যাওয়ার বাস আমি মিস করি। তখন নয়নের মোটরসাইকেলে আমি কুয়াকাটা যাই এবং নয়নের সঙ্গে একটি হোটেলে রাত্রিযাপন করি।

    আমি নয়নের বাসায় আসা যাওয়া কালে জানতে পারি নয়ন মাদকসেবী, ছিনতাই করে এবং তার নামে থানায় অনেক মামলা আছে। এ কারণে নয়নের সঙ্গে আমার সম্পর্কের অবনতি হয় এবং রিফাত শরীফের সঙ্গে আমার পূর্বের ভালোবাসার সম্পর্ক আবার শুরু হয়। গত ২৬ এপ্রিল পারিবারিকভাবে রিফাত শরীফের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। রিফাত শরীফের সঙ্গে বিয়ের পরও নয়নের সঙ্গে আমার দেখা-সাক্ষাৎ শারীরিক সম্পর্ক, মোবাইলে কথা-বার্তা, ম্যাসেজ এবং ফেসবুকের মেসেঞ্জারে যোগাযোগ-সবই চলতো।

    বিয়ের পর জানতে পারি রিফাত শরীফও মাদকসেবী। সে মাদকসহ পুলিশের কাছে ধরা খায়। বিষয়টি জানতে পেরে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। আমি রিফাতসহ আমার বাবার বাসায় থাকতাম। মাঝে মাঝে তাদের বাসায় যেতাম। নয়ন বন্ডের বিষয় নিয়ে রিফাত শরীফের সঙ্গে আমার মাঝে মাঝে কথা কাটাকাটি হতো এবং রিফাত শরীফ আমার গায়ে হাত তুলতো।

    গত ২৪ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নয়ন বন্ড আমাকে ফোন দিয়ে বলে, তোর স্বামী, হেলালের ফোন ছিনাইয়া নিয়েছে। পরে রিফাত ফরাজীও আমাকে ফোন দিয়ে বলে, হেলালের মোবাইলটি রিফাতের কাছ থেকে নিয়ে হেলালকে ফেরত দিতে। আমি রিফাত শরীফকে হেলালের ফোন ফেরত দিতে বললে রিফাত শরীফ আমাকে চড় থাপ্পড় মারে এবং তলপেটে লাথি মারে। রাতে মোবাইল ফোনে নয়নকে জানাই এবং কান্না করি।

    পরদিন ২৫ এপ্রিল আমি কলেজে গিয়ে নয়নের বাসায় যাই। রিফাত শরীফকে একটা শিক্ষা দিতে হবে এ কথা নয়নকে বললে নয়ন বলে, হেলালের ফোন নিয়ে যে ঘটনা তাতে রিফাত ফরাজী তাকে মারবে। তারপর আমি বাসায় চলে আসি এবং এ বিষয়ে কয়েক বার আমার নয়ন বন্ডের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয় এবং নয়ন বন্ডের সঙ্গে আমার স্বামী রিফাত শরীফকে মাইর দিয়া শিক্ষা দিতে হবে, এ পরিকল্পনা করি।

    ২৬ এপ্রিল আমি কলেজে যাই এবং সায়েন্স বিল্ডিং এর পাশের বেঞ্চের উপর রিফাত ফরাজী রাব্বি আকনকে বসা পাই। রিফাত হাওলাদার পাশে দাঁড়ানো ছিল। তখন আমি রিফাত ফরাজীর পাশে বসি এবং রিফাত ফরাজীকে বলি, ওকি ভাইটু খালী হাতে আসছ কেন, এ কথার জবাবে রিফাত হাওলাদার বলে, ওকে মারার জন্য খালি হাত যথেষ্ট।

    এরপর রিফাত ফরাজীকে জিজ্ঞাসা করি, নয়ন বন্ড ও রিফাত শরীফ কলেজে এসেছে কীনা? তখন নয়ন বন্ড আমাকে ফোন দেয়। সে কোথায় জানতে চাইলে নতুন ভবনের দিকে যেতে বলে এবং ওই সময় নয়ন নতুন ভবনের পাশের দেয়াল টপকায়ে ভেতরে আসে। আমি হেঁটে নতুন ভবনের দিকে যাই এবং নয়নের সঙ্গে রিফাত শরীফকে মারপিটের বিষয়ে কথা বলি। এরপর রিফাত শরীফ কলেজের ভেতরে আসে এবং আমাকে নিয়ে চলে যাওয়ার জন্য কলেজ থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলের কাছে নিয়ে আসে।

    কিন্তু আমি মোটরসাইকেলে না উঠে সময় ক্ষেপণ করার জন্য পুনরায় কলেজ গেটে ফিরে আসি। রিফাত শরীফ আমার পেছন পেছন ফিরে আসে। তখন রিশান ফরাজী কিছু পোলাপানসহ আসে এবং রিশান ফরাজী জিজ্ঞাসা করে, তুমি আমার বাবা-মাকে গালি দিয়েছো কেন? রিফাত শরীফ বলে, আমি গালি দেই নায়। ওই সময় রিফাত ফরাজী জামার কলার ধরে এবং রিশান ফরাজী রিফাত শরীফকে জাপটে ধরে। রিফাত ফরাজী, টিকটক হৃদয়, রিশান ফরাজীসহ রিফাত হাওলাদার এবং আরও অনেকে রিফাত শরীফকে পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মারধর করতে করতে এবং টেনে হেঁচড়ে ক্যালিক্সের দিকে নিয়ে যায়।

    ক্যালিক্সের সামনে তারা রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। আমি তখন সবার পেছনে ধীরে ধীরে হেঁটে যাচ্ছিলাম। ওই সময় নয়ন বন্ড ক্যালিক্সের সামনে এসে রিফাত শরীফকে কিল ঘুষি মারতে থাকে। মারপিটের মধ্যেই রিফাত ফরাজী টিকটক হৃদয় ও রিফাত হাওলাদার দৌড়ে যায় এবং রিফাত ফরাজী দুটি দা ও টিকটক হৃদয় এবং রিফাত হাওলাদার লাঠি নিয়ে আসে।

    একটি দা দিয়ে নয়ন বন্ড ও ১টি দা দিয়ে রিফাত ফরাজী রিফাত শরীফকে কোপাচ্ছিল। রিশান ফরাজী রিফাত শরীফকে জাপটে ধরে রাখে যাতে রিফাত শরীফ পালাতে না পারে। রিফাত শরীফকে কোপাইতে দেখে আমি নয়ন বন্ডকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করি। দায়ের কোপের আঘাতে রিফাত শরীফ রক্তাক্ত হয়। সে রক্তাক্ত অবস্থায় পূর্ব দিকে হেঁটে যায় এবং আমি রাস্তায় পড়ে থাকা জুতা পরি এবং উপস্থিত একজন আমার হাতে ব্যাগ তুলে দিলে আমি রিকশা করে তাকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি।

    এরপর আমার বাবাকে ফোন করি। আমার বাবা ও চাচা হাসপাতলে আসে। এরপর রিফাত শরীফকে বরিশাল পাঠানো হয়। আমার কাপড়-চোপড়ের রক্ত লেগে থাকায় আমি বাসায় চলে যাই। পরে আমি জানতে পারি রিফাতের অবস্থা খারাপ। এরপর নয়নকে ফোনে বলি তোমরা ওকে যেভাবে কোপাইছো তাতে তো ও মারা যাবে এবং তুমি আসামি হবা। তারপর ওর অবস্থান জানতে চাই এবং পালাতে বলি। দুপুরের পর খবর পাই রিফাত শরীফ মারা গেছে।

  • বরিশালে আর্য্য বেকারীকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

    বরিশালে আর্য্য বেকারীকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

    স্টাফ রিপোর্টার ::

    বরিশাল নগরীর পলাশপুর এলাকায় আর্য্য বেকারীতে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

    বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তারের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    জানা গেছে, অভিযান পরিচালনাকালে বেকারীর ভিতরের পরিবেশ নোংরা, বিভিন্ন পণ্যের গায়ে ওজন উল্লেখ না করা এবং নতুন চিপস উৎপাদন করে কোন রকম পরীক্ষা বা লাইসেন্স ছাড়া বিএসটিআই’র লোগো ব্যবহার করায় তাদের ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    এ সময় অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করেন বিএসটিআই’র ফিল্ড অফিসার (সিএম) প্রকৌশলী মো. মাহফুজুর রহমান এবং পুলিশের এসআই মামুন।

  • বরিশালে সেই ওসি ও কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা

    বরিশালে সেই ওসি ও কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা

    বরিশালের উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিশির কুমার পালের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ওসির নির্যাতনের শিকার রাশিদা বেগম (৫২) বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

    রাশিদা বেগম পুলিশের সাবেক এএসআই মরহুম মো. হেলাল মাতুব্বরের স্ত্রী।

    আদালতের বিচারক সানা মো. মাহরুফ হোসাইন মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ সুপারকে তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    মামলার অপর অভিযুক্ত হলেন একই থানার কনস্টেবল মো. জাহিদুল ইসলাম।

    তিনি মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা পুলিশ বিভাগে কর্মরত থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন সময় মানুষকে হয়রানি করে আসছেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ওসি শিশির কুমার পালের নির্দেশে কনস্টেবল জাহিদুল ইসলাম তার ঘরের মালামাল জব্দ করেন।

    পরে একই দিন মালামাল ফেরত নেওয়ার জন্য রাশিদাকে থানায় ডাকা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি থানা সংলগ্ন বাচ্চুর দোকানে চা পান করতে যান। এসময় কনস্টেবল জাহিদুল সেখানে এসে নাম জিজ্ঞাসা করলে জবাব দিতে বিলম্ব হওয়ায় তাকে গালাগাল করেন। এর প্রতিবাদ করায় জাহিদুল দোকানের দেয়ালের সঙ্গে চেপে ধরে তার দুই গালে ও ঠোঁটে সিগারেটের আগুনের ছ্যাকা দেন।

    এ ঘটনায় ওসি শিশির কুমার পালের কাছে বিচার দিতে গেলে তিনি ডিআইজির কাছে যেতে বলেন। এসময় রাশিদা বেগম তাকে বিচার করার জন্য বললে ওসি তার চুলের মুঠি ধরে মারধর করেন। একপর্যায় উঠিয়ে আছাড় দিলে রাশিদা বেগম সেখানে মলত্যাগ করেন।

    এসময় রাশিদা বেগমের ছেলে বাবু এসে প্রতিবাদ করলে তাকে থাপ্পড় দেওয়াসহ সাদা কাগজে সই নেওয়া হয়। এছাড়া, রাশিদা বেগমের সঙ্গে থাকা ১৩ হাজার টাকা দামের একটি স্বর্ণের চেইনও নিয়ে যান তারা। এই ঘটনায় মামলা করলে তাদের অবস্থা আরও ভয়াবহ হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

    এদিকে, উজিরপুর থানার ওসি শিশির কুমার পাল এ অভিযোগ অস্বীকার করেন ও মামলার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।

    এর আগে, ওই নারীকে নির্যাতনের ঘটনায় ডিআইজি ও পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি, অভিযুক্ত কনস্টেবল জাহিদুল ইসলামকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

     

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি : দুদুর বিরুদ্ধে মামলা

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি : দুদুর বিরুদ্ধে মামলা

    অনলাইন ডেস্ক :: শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা ও হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।ৎ

    আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লার আদালতে মামলাটি করেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমদ। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ দেবেন বলে জানান

    মামলার বাদী মহিউদ্দিন আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ডিবিসির টকশোতে শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন শেখ মুজিব যেভাবে বিদায় নিয়েছেন, শেখ হাসিনাকেও সেভাবেই বিদায় নিতে হবে।

    তিনি বলেন, এই বক্তব্যের মাধ্যমে দুদু প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। প্রধানমনন্ত্রীকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এই বক্তব্যও হত্যাচেষ্টার সামিল। তাই আদালতে এ মামলা দায়ের করেছি।

  • ৯৯৯-এ কল দিয়ে বোনকে ধর্ষণ থেকে বাঁচালেন ভাই

    ৯৯৯-এ কল দিয়ে বোনকে ধর্ষণ থেকে বাঁচালেন ভাই

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ভৈরবে জরুরি সেবা ৯৯৯ কল দিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা করেছেন ভাই। এ সময় ধর্ষণের চেষ্টায় অভিযুক্ত হৃদয় মিয়া (২৩) নামে এক বখাটেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী তরুণী স্থানীয় একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা।

    অপরদিকে হৃদয় মিয়ার বাড়ি উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের টানকৃষ্ননগর গ্রামে, বাবার নাম কাজল মিয়া।

    এ ঘটনায় ভৈরব থানায় একটি ধর্ষণ চেষ্টার মামলা হয়েছে। গ্রেফতার যুবককে বুধবার কিশোরগঞ্জ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

    ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, ওই কলেজছাত্রীর মা-বাবা মারা গেছেন, ভাই থাকেন ঢাকায়। এ অবস্থায় পরিবারের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে পাশের বাড়ির বখাটে হৃদয় মিয়া দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্যক্ত করে আসছিল। কলেজে আসা-যাওয়ার পথে প্রায়ই অশ্লীল কথাবার্তাসহ বিরক্ত করত। এ নিয়ে ছাত্রীটি বখাটের পরিবার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে একাধিকবার নালিশ করেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে কয়েক মাস আগে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এতে কিছুদিন চুপচাপ ছিল হৃদয়।

    সম্প্রতি ফের উত্যক্ত করা শুরু করলে ছাত্রীটি ভৈরব থানায় একটি জিডি করেন। এরপর মঙ্গলবার তাকে বাসায় একা পেয়ে হৃদয় ভিতরে ঢুকে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। এ সময় ছাত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এসে মোবাইলে ঢাকায় তার ভাইকে জানায়। তার ভাই ৯৯৯ এ কল করে পুলিশের সহযোগিতা চান। ৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বখাটে হৃদয়কে গ্রেফতার করে।

    ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান জানান, ‘৯৯৯’ থেকে থানায় ডিউটিরত পুলিশকে ঘটনাটি জানানো হয়। থানা থেকে বিষয়টি আমাকে জানালে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ওই বখাটেকে গ্রেফতার করি।

    তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় তরুণীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা হয়েছে। তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • চরকাউয়া খেয়াঘাটের যাত্রী ছাউনিতে জন্ম নেয়া শিশু হাসান ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে

    চরকাউয়া খেয়াঘাটের যাত্রী ছাউনিতে জন্ম নেয়া শিশু হাসান ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    বরিশাল নগরের চরকাউয়া খেয়াঘাট এলাকার যাত্রী ছাউনিতে জন্ম নেয়া ছেলে সন্তানটিকে তার মায়ের সাথে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রয়েছেন।

    বরিশাল মেট্রোপলিটনের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের তত্ত্বাবধায়নে নিরাপত্তাজনিত কারনে শিশুটিকে তার মায়ের সাথে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রয়েছে।

    সেখানে তাদের দেখভাল করার জন্য নারী পুলিশ সদস্যদের সার্বোক্ষনিক দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আর পুলিশের নারী সদস্য রিপা আক্তারসহ সকলেই বেশ ব্যস্ত সময় পাড় করছেন শিশুটি ও তার মায়ের দেখভালের মধ্যদিয়ে।

    বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) শিশুটির শারিরীক অসুস্থতা দেখা দিলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে আসা হয়। তবে সার্বিকভাবে ৭ দিন বয়সী এই শিশুটি ভালো রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

    শিশুটির সাথে আসা এসআই আকলিমা জানান, ৭ দিন বয়সী এই ছেলে শিশুটির নাম রাখা হয়েছে হাসান। তার মা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন, তাই তার মা ও শিশুটিকে কোতোয়ালি মডেল থানার পাশে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। যেখানে আমাদের নারী সদস্যরা শিশুটি ও তার মায়ের দেখভাল করছে।

    এদিকে হাসপাতালে দায়িত্বরত এসআই নাজমুল হুদা জানান, ওই নারীর স্বজনদের খোজা হচ্ছে, পাশাপাশি তিনি যাতে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন সে দিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, গত বুধবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরের চরকাউয়া খেয়াঘাট এলাকার যাত্রী ছাউনিতে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী ফুটফুটে একটি বাচ্চা প্রসব করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম-পিপিএম মানসিক ভারসাম্যহী ওই নারীসহ শিশুটির খোজ-খবর নিতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।

    এসময় তিনি বাচ্চা ও মানসিক ভারসাম্যহীন (পাগলী) মায়ের চিকিৎসার খোজ খবর নেন। পাশাপাশি বাচ্চা ও মায়ের সার্বাধিক চিকিৎসা সেবা দিতে শেবাচিম কর্তৃপক্ষ ও সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সংশ্লীষ্টদের সাথে কথা বলেন। একইসাথে শিশুটি ও তার মায়ের নিরাপত্তার স্বার্থে মহিলা পুলিশ নিযুক্ত করেন। চিকিৎসা শেষে তাদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নেয়া হয়।

  • বরিশালে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

    বরিশালে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

    বরিশালে নিষেধাজ্ঞা আরোপের মৌসুমকে টার্গেট করে কিছু অসাধু মাছ ও জাল ব্যবসায়ীরা সরকার ও আইনের তোয়াক্কা না করে অবৈধ ভাবে তৈরি করে যাচ্ছে কারেন্ট জাল। প্রশাসন বিভিন্ন সময় অভিযানের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার এ সব অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে। জব্দ হওয়া এ সকল কারেন্ট জাল প্রশাসনের নেতৃত্বে পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। তাছাড়া এ বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের ফলে প্রতিনিয়তই অভিযান অব্যাহত আছে।

    এদিকে মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য ৯ অক্টোবর থেকে ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য অধিদফতর। এ সময় ইলিশ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ আদেশ অমান্য করলে কারাদন্ড, অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডের বিধান রেখেছে মৎস্য অধিদফতর। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা জারিকৃত জেলার নদ-নদীতে ইলিশ মাছ পাওয়া যায় সেখানকার জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। ১৯৮৫ সালের মাছ রক্ষা ও সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী প্রতি বছর আশ্বিনী পূর্ণিমার সময় ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। পূর্বে এ সময় ছিল ১৫ দিন। বর্তমান বছরে সময় বৃদ্ধি করে ২২ দিন করা হয়। মূলত এ মৌসুমে ডিমওয়ালা মা ইলিশ সাগর থেকে স্রোতযুক্ত মিঠা পানিতে এসে ডিম ছাড়ে বলে জানান মৎস্য গবেষকরা

    এ দিকে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার আগ মুহুর্তে গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার বরিশাল সদর নৌ থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বরিশালের কীর্তনখোলা, কালাবদর, আড়িয়াল খা নদীতে এ অভিযান চালানো হয়। এছাড়া গত ১২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কোষ্ট গাড কীর্তনখোলা নদীর বেলতলা এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তিন লাখ মিটার কারেন্ট নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে

    সরকারের এতো কঠোর আইনের পরেও এই অবৈধ জাল দিয়ে কেন মাছ ধরতে চান এমন প্রশ্নে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু জেলে জানায়, আমরা তো চাই সরকার ও তাদের আইন মেনে চলতে কিন্তু তারপরও কিছু লোক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আমাদের এই অবৈধ কাজে বাধ্য করে। সরকার এই মৌসুমে যা সাহায্য করে সেই সাহায্য যদি আর একটু বাড়িয়ে দেয় তাহলে ভালো হয়।

    এ সম্পর্কে জানতে চাইলে ভোলা দক্ষিন জোনের লেফটেন্যান্ট ওয়াসীম জানান, আমরা আমাদের অভিযান অব্যাহত রাখছি।আমরা এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে আছি। যতদূর সম্ভব আমরা অভিযানের মাধ্যমে নদী কারেন্ট জাল মুক্ত রাখবো।

  • আগৈলঝাড়ায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    আগৈলঝাড়ায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পয়সারহাট বন্দরে জেলা ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের উদ্যেগে ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

    আইন-শৃংখলা বাহিনীর সহায়তায় আজ বুধবার উপজেলার পয়সারহাট বন্দরে ভোক্তা অধিকার আইনের অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শাহ সোয়াইব মিয়া।

    জানা গেছে, বাকাল ইউনিয়নের পয়সারহাট বন্দরের মিষ্টির দোকানে সঠিক মালামাল না পাওয়ায় মুনির ওঝার মিষ্টির দোকান মালিক মনিকে ৫হাজার টাকা, সাধন ঘোষের মিষ্টির দোকানের সাধনকে ১হাজার ৫শত টাকা, রতন মিষ্টির দোকানে রতনকে ১হাজার ৫শত টাকা, ও রেবা ফার্মেসীতে ঔষুধের শ্যাম্পেল বিক্রি করায় মালিক নয়ন পান্ডেকে ১হাজার ৫শত টাকাসহ মোট ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৯হাজার ৫শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    এসময় উপজেলা সেনেটারী ইন্সেপেক্টর সুকলাল সিকদার উপস্থিত ছিলেন।

  • বরগুনার রিফাত হত্যা : মিন্নির জামিন বহাল, ৬ জনের বাতিল

    বরগুনার রিফাত হত্যা : মিন্নির জামিন বহাল, ৬ জনের বাতিল

    বরগুনা প্রতিনিধি ::

    আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করেছে আদালত। বুধবার বরগুনার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক পলাতক ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ও ৬ জনের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে নিহত রিফাতের স্ত্রী ও মামলার প্রধান সাক্ষী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন বহাল রেখেছেন। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

    চাঞ্চল্যকর রিফাত হত্যা মামলায় বরগুনার পুলিশ মিন্নিকে গত ১৬ জুলাই গ্রেপ্তার দেখায়। যদিও এই হত্যাকাণ্ডের একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবেই মামলায় নাম ছিল তার।

    এর আগে, মামলার বাদী নিহত রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ গত ১৩ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, তার পুত্রবধূ (মিন্নি) এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে তিনি সন্দেহ করছেন।

    গত ২৬ জুন সকালে বরগুনা জেলা শহরের কলেজ রোডে রিফাত শরীফকে তার স্ত্রীর সামনেই কুপিয়ে জখম করে একদল লোক। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ঐ ঘটনার একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

    অভিযুক্ত হামলাকারীদের একজন, যিনি এলাকায় ‘নয়ন বন্ড’ নামে পরিচিতি ছিল, পুলিশ তাকে আটক করে। পরে, কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তার মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

  • বরিশালে ৫ মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত যুবদল নেতা গ্রেফতার

    বরিশালে ৫ মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত যুবদল নেতা গ্রেফতার

     

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ::

    বরিশালের বাবুগঞ্জে ৫ মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত হযরত আলী বাবু ওরফে স্টোরের বাবু (২৪) নামের এক যুবদল নেতাকে গ্রেফতার করেছেন পুলিশ।

    গ্রেফতার হওয়া ওই আসামী বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের রাকুদিয়া গ্রামের মোঃ আব্বাস উদ্দিন ফরাজির ছেলে।

    বাবুগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমান জানান, বিগত দিনের রাজনৈতি কর্মসূচির নামে বিএনপি জামায়াতের দেশব্যাপী নৈরাজ্যসৃষ্টির লক্ষে হরতাল কর্মসূচির নামে গাড়ি ভাংচুর, জালাও পোড়াও,ককটেল নিক্ষেপ’র অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিল থানায় দায়েরকৃত রাজনৈতিক ৫ টি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৬ অক্টোবর সোমবার বাবুগঞ্জ থানার এএসআই জয় ব্যনার্জি ও এএসআই কামাল হোসেন’র নেতৃত্বে সংঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নারায়নগঞ্জ জেলার সোনার গাঁও থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আটকৃত হযরত আলী বাবু ওরফে স্টোরের বাবু ঢাকা মতিঝিল থানা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক এবং বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের অনুসারী।

    বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।