Category: ফটো ফিচার

  • চরমোনাই বার্ষরিক অগ্রাহায়নের ওয়াজ মাহফিল শুরু আগামীকাল

    চরমোনাই বার্ষরিক অগ্রাহায়নের ওয়াজ মাহফিল শুরু আগামীকাল

    সিমু আক্তার

    বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই দরবার শরীফের ৩দিন ব্যাপী অগ্রাহায়নের বার্ষরিক ওয়াজ-মাহফি আগামিকাল রবিবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে । বুধবার সকালে আখেরী মোনাজাতের মাধ্য দিয়ে বার্ষরিক মাহফিলের সমাপ্তি হবে। বিশ্ব ইজতেমার পর চরমোনাই মাহফিলকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইসলামী সমাবেশ হিসাবে গণ্য করা হয় ।

    শনিবার জোহরের নামাজের পর চরমোনাই পীর মাওলানা মুফতি সৈয়দ মোহাম্মাদ রেজাউল করীম উদ্বোধনী বয়ানের মাধ্যমে মাহফিলের সূচনা করবেন । সুত্র মতে, ৩ দিনে মোট ৭টি বয়ান হবে। তার মধ্যে ৫টি বয়ান করবেন চরমোনাই পীর ও ২টি বয়ান করবেন চরমোনাই পীরের ভাই মাওলানা মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম। উদ্বোধনী বয়ানের পর প্রত্যেক দিন ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর মুসুলীদের উদ্যেশ্যে বয়ান করবেন চরমোনাইর পীর।

    বুধবার সকাল ৮টার দিকে আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিলের সমাপ্তি হবে।  এদিকে মাহফিল উপলক্ষে আগ থেকেই চরমোনাই অনুসারীরা মাহফিলে আসতে শুরু করেছেন।  মুসুলীদের জন্য মাঠে প্যান্ডেল করার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। মাহফিলে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করার জন্য মুজাহিদ কমিটিও মাহফিলে উপস্থিত হয়েছেন ।

  • কুমিল্লায় স্ত্রীর মৃত্যু শোকে স্বামীর মৃত্যু

    কুমিল্লায় স্ত্রীর মৃত্যু শোকে স্বামীর মৃত্যু

    স্ত্রীর মৃত্যু সংবাদ শুনে বাড়ির পাশে এসে স্বামীও জ্ঞান হারিয়ে মারা গেছেন।  আজ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বামনিশাইর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মারা যাওয়া দুই জন হলেন, দেবিদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ ইউনিয়নের বামনিশাইর গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৮) ও তার স্ত্রী একই গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে রিফা আক্তার (২৪)। এক বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল।

    নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার সন্ধ্যায় রিফা আক্তার স্বামীর বাড়ির পুকুরের ঘাটলায় বসে মোবাইল ফোনে ঢাকায় স্বামী আনোয়ারের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এক পর্যায়ে মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি পুকুরের পানিতে ডুবে যান। বাড়ির লোকজন পুকুর হতে তার নিথর দেহ উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    স্ত্রীর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে স্বামী আনোয়ার হোসেন রাতে ঢাকার রামপুরা থেকে বামনিশাইরের নিজ বাড়িতে রওনা দেন। রাত তিনটায় তিনি বাড়ির কাছাকাছি এসে পৌঁছান। এ সময় তিনি স্ত্রীর নাম ধরে চিৎকার করে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে পথচারীরা তার লাশ দেখে বাড়িতে খবর দেন।

    স্ত্রী-স্বামীর এ মৃত্যুর সংবাদ শুনে এলাকাবাসী বামনিশাইর গ্রামের বাড়িতে ভিড় জমায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুই জনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

    আনোয়ারের বড় বোন শিউলী বেগম বলেন, তার ভাই ঢাকার রামপুরার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। স্ত্রীর মৃত্যুর সংবাদ শুনে তার ভাই বাড়িতে আসার পথে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান।

    এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে স্বামী-স্ত্রীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • স্বাধীনতা

    স্বাধীনতা

    মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ

    স্বাধীনতা তুমি গ্রাম বাংলার মৃদু হাসির সুর,

    স্বাধীনতা তুমি মুক্তিসেনার স্বপ্ন বহুদুর।

    স্বাধীনতা তুমি গ্রাম বাংলার নব বধূর চলন,

    স্বাধীনতা তুমি লাল সবুজের নতুন একটি গড়ন।

    তোমার জন্য হাজারো প্রান,

    হাজারো মনের ডাক,

    তোমার স্মৃতিতে ক্লান্ত শিশুর

    আমার বাংলা’ নামের বাক।

    তোমার জন্য লক্ষ মানুষের

    দান কৃত সেই প্রান,

    তোমায় সেবিতে মাটি মানুষের জন্য

    বিলায়েছে যারা প্রান।

    তুমি সেই প্রানের স্বাধীনতা

    তুমি সেই অন্তরেরই কথা।

    যাহার জন্য আজো বাঙালি আজো স্বপ্ন দেখে,

    যাহার জন্য ঐ পথিকে জয় বাংলা আঁকে।

    তোমার জন্য মুজিবের কথা অমরত্ব পায়,

    ওসমানীর সেই প্যারেড স্বপ্ন একে যায়।

    শেখ মুজিবের ভাষনে আজো কম্পিত হয় সুর,

    স্বাধীনতা তোমায় নিয়ে যাব আমি বহুদূর।

  • খুন হতে পারেন সানি লিওন!

    খুন হতে পারেন সানি লিওন!

    ভক্তের সংখ্যা তার অগুন্তি। তালিকায় প্রায় সকলেই পুরুষ।

    এ খবর শুনলে মুহূর্তে থমকে যাবে তার হৃদস্পন্দন। যে কোনও দিন খুন হতে পারেন অভিনেত্রী সানি লিওন। অভিনেত্রী নিজেই এ খবর জানিয়েছেন।

    ভারতীয় এক টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে সানি জানিয়েছেন, আপনি দেখলে অবাক হবেন, গত দুই দিনে অসংখ্যবার খুনের হুমকি দিয়ে তার মুঠোফোনে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

    গত ৬ বছর ধরেই এ রকম একাধিক খুনের হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন তিনি। কিন্তু তাতে ভয় না পেয়ে পুলিশকে জানিয়েছেন। তাতেও অবশ্য থামেনি হুমকি। উল্টে বেড়েছে ক্ষুদেবার্তার পরিমাণ। তাই আর পুলিশকে না জানিয়ে নিজেই সেগুলোর মোকাবেলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সানি।

     

    সে কারণে এখন আর এসব হুমকি ভরা ক্ষুদেবার্তা তার জীবনে কোনও প্রভাব ফেলে না। উল্টো খোশ মেজাজে নিজের কাজ করেন বলে জানান এই অভিনেত্রী। -আজকাল।

  • আজ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী মনোরমা বসু মাসীমা’র ১২০ তম জন্মদিন

    আজ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী মনোরমা বসু মাসীমা’র ১২০ তম জন্মদিন

    হুজাইফা রহমান:

    মনোরমা বসু মাসীমার জন্ম ১৮৯৭ সালের ১৮ নভেম্বর বরিশাল জেলার বানারীপাড়ায় এক মধ্যবিত্ত পরিবারে তাঁর জন্ম। আশৈশব দারিদ্র্য তাঁকে কঠোর সাধনায় সিদ্ধ হতে সাহায্য করেছে। তিনি নিজের জীবনে শিক্ষার তেমন সুযোগ পাননি, কিন্তু সন্তানদের শিক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর আগ্রহ ও চেষ্টার কোনো ত্রুটি ছিল না। জন্মস্থানের অনুকূল পরিবেশ মনোরমা বসুকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। তাই মাত্র এগারো বছর বয়সে ক্ষুদিরামের আত্মত্যাগে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হন। চৌদ্দ বছর বয়সে বরিশালের বাঁকাই গ্রামের জমিদার চিন্তাহরণ বসুর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয় এবং স্বামীর প্রত্যক্ষ সমর্থনে তিনি স্বদেশী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। জমিদার বাড়ির রক্ষণশীলতা ও বিধিনিষেধ অতিক্রম করে তিনি মুক্ত জীবনে প্রবেশ করেন। ছেলেমেয়েদের শিক্ষা ও সুষ্ঠু মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে তিনি জমিদার বাড়ি ছেড়ে বরিশালে স্থায়ী আবাস গড়ে তোলেন। বরিশালে অবস্থানকালে মনোরমা স্বদেশী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং নারী অধিকার রক্ষায় ‘সরোজনলিনী মহিলা সমিতি’র শাখা প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশে এটিই ছিল প্রথম মহিলা সংগঠন। এ সমিতির মাধ্যমেই তিনি নারী সমাজকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করেন।

    ১৯৩০ সালে তিনি কংগ্রেস মহিলা কর্মী হন এবং ১৯৩২ সালে কংগ্রেসের ডাকে আইন অমান্য আন্দোলনে যোগ দিয়ে কারাবরণ করেন। এ সময় বহরমপুর জেলে তিনি উর্মিলা দেবী (দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের বোন), জ্যোতির্ময়ী দেবী প্রমুখ প্রখ্যাত কংগ্রেস নেত্রীর সান্নিধ্য লাভ করেন।মনোরমা বসু ছিলেন একজন একনিষ্ঠ সমাজসেবক এবং স্বদেশী আন্দোলনের নেত্রী।। তিনি অনাথ ও দুঃস্থ মহিলাদের, বিশেষ করে বিধবা ও কুমারী মেয়েদের আশ্রয় দানের জন্য বরিশালের কাউনিয়ায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘মাতৃমন্দির আশ্রম’। আজীবন তিনি এটি পরিচালনা করেন। চল্লিশের দশকের প্রথম দিকে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হন। তিনি ‘মহিলা আত্মরক্ষা সমিতি’র বরিশাল জেলা শাখার অন্যতম নেত্রী ছিলেন।

    ১৯৪৩-৪৪ সালে দুর্ভিক্ষ ও মহামারীর সময় লঙ্গরখানা, চিকিৎসালয় ও উদ্ধার আশ্রম স্থাপন এবং পুনর্বাসন কাজে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বরিশাল জেলার বিভিন্ন নারী আন্দোলন, সমাজসেবা ও রাজনৈতিক কাজের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বরিশাল জেলা শাখা’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি নারীমুক্তি আন্দোলনকে গতিশীল করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি এ পরিষদের সহসভানেত্রী ছিলেন। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর নতুন শাসকদের শাসন ও শোষণ জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালে বরিশালের খাদ্য-আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তিনি এক বছর সশ্রম কারাদন্ড ভোগ করেন এবং সে সঙ্গে জননিরাপত্তা আইনে আরও তিন বছর কারাভোগের পর ১৯৫২ সালের ২৫ এপ্রিল মুক্তি লাভ করেন। ১৯৫৪ সালের ১০ এপ্রিল স্বামীর মৃত্যুতে তিনি কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়েন, কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই সে আঘাত কাটিয়ে উঠে তিনি পুনরায় স্বীয় কর্মকান্ড শুরু করেন।

    ১৯৫৪ সালে তদানীন্তন পূর্ব বাংলায় রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিলে মনোরমা বসু আত্মগোপন করেন এবং সে অবস্থা থেকে আত্মপ্রকাশের পর তিনি ‘মাতৃমন্দির আশ্রম’-এর কাজে ব্যস্ত থাকেন। একই সঙ্গে গড়ে তোলেন আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়, পল্লিকল্যাণ অমৃত পাঠাগার (শহীদ অমৃতলালের নামে), আর শিশুদের জন্য মুকুল মিলন খেলাঘর। তাঁর অবর্তমানে মাতৃমন্দিরের কার্যনির্বাহের জন্য নিজের সব সম্পত্তি মন্দিরের নামে দান করে যান।১৯৬২ ও ৬৪’র গণআন্দোলন এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে মহিলাদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও তাঁর অগ্রণী ভূমিকা ছিল। দেশপ্রেম, সমাজসেবা ও মানুষের প্রতি ভালবাসার কারণে দলমত-নির্বিশেষে সকলে তাঁকে ‘মাসীমা’ বলে ডাকত। বিরল ব্যক্তিত্বের অধিকারী, দৃঢ়চেতা, পরোপকারী এবং আদর্শনিষ্ঠ মনোরমা বসুর সমগ্র জীবন ছিল দেশপ্রেমে নিবেদিত। তিনি ছিলেন সাম্যবাদের মন্ত্রে দীক্ষিত এবং যেকোনো সামাজিক ও রাজনৈতিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চারকণ্ঠ। তাঁর জীবদ্দশাতেই সত্যেন সেনের মনোরমা মাসীমা গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। ১৯৮৬ সালের ১৬ অক্টোবর তাঁর মৃত্যু হয়

  • স্বাধীনতা

    মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ

    স্বাধীনতা তুমি গ্রাম বাংলার মৃদু হাসির সুর,

    স্বাধীনতা তুমি মুক্তিসেনার স্বপ্ন বহুদুর।

    স্বাধীনতা তুমি গ্রাম বাংলার নব বধূর চলন,

    স্বাধীনতা তুমি লাল সবুজের নতুন একটি গড়ন।

    তোমার জন্য হাজারো প্রান, হাজারো মনের ডাক,

    তোমার স্মৃতিতে ক্লান্ত শিশুর আমার বাংলা’ নামের বাক।

    তোমার জন্য লক্ষ মানুষের দান কৃত সেই প্রান,

    তোমায় সেবিতে মাটি মানুষের জন্য বিলায়েছে যারা প্রান।

    তুমি সেই প্রানের স্বাধীনতা

    তুমি সেই অন্তরেরই কথা।

    যাহার জন্য আজো বাঙালি আজো স্বপ্ন দেখে,

    যাহার জন্য ঐ পথিকে জয় বাংলা আঁকে।

    তোমার জন্য মুজিবের কথা অমরত্ব পায়,

    ওসমানীর সেই প্যারেড স্বপ্ন একে যায়।

    শেখ মুজিবের ভাষনে আজো কম্পিত হয় সুর,

    স্বাধীনতা তোমায় নিয়ে যাব আমি বহুদূর।

  • ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তারকারা

    ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তারকারা

    কমল হাসান: ভারতের বর্ষীয়ান এই অভিনেতা টাইপ ১ ডায়াবেটিসের শিকার। কিন্তু এই রোগ তার কর্মজীবনে কোনও প্রভাব ফেলেনি।

    কমল জানিয়েছেন, রোগকে বশে রাখতে নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন তিনি। মেনে চলেন চিকিৎসকের পরামর্শও। আর অ্যালকোহল থেকেও দূরে থাকেন।

    সোনম কাপুর: নিয়মিত ইনসুলিন নিতে হয় সোনমকে। কিন্তু রোগকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিব্যি বলিউড কাঁপাচ্ছেন এই নায়িকা। বয়ঃসন্ধিকালেই ডায়াবেটিস ধরা পড়ে সোনমের। এর কারণ তার ওবেসিটি। রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে, নিয়মিত যোগব্যায়াম, ডায়েট করেন সোনম। কত্থক নাচের প্রশিক্ষণও নিচ্ছেন তিনি।

    ফাওয়াদ খান: পাকিস্তানের হার্টথ্রব ফাওয়াদ খানও ডায়াবেটিসের শিকার। ১৭ বছর বয়সে টাইপ-১ ডায়াবেটিস ধরা পড়ে ফাওয়াদের। তার কথায়, অতিরিক্ত ধূমপানের কারণেই এই রোগ থাবা বসায় তার শরীরে। নিয়মিত শরীরচর্চা এবং খাদ্যাভাসে বদল এনেই নিজেকে চনমনে রেখেছেন এই অভিনেতা।

    ওয়াসিম আকরাম: ৩০ বছর বয়সে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন পাকিস্তানি ক্রিকেট তারকা ওয়াসিম। তবে নিয়মিত ইনসুলিন এবং সঠিক ডায়েট মেনে নিজেকে সুস্থ রেখেছেন।

  • আওয়ামী লীগের সভাস্থলে ময়লার স্তূপ, মোটরসাইকেলে আগুন

    আওয়ামী লীগের সভাস্থলে ময়লার স্তূপ, মোটরসাইকেলে আগুন

    পুরান ঢাকায় আওয়ামী লীগের দুই নেতার বিরোধের কারণে দলের একটি বর্ধিত সভাস্থলের রাস্তা ময়লা ফেলে আটকে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় লালবাগ থানার আজিমপুর পার্ল হারবার কমিউনিটি সেন্টারে ওই বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়।

    এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সেখানে কামরাঙ্গীর চর, লালবাগ ও কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচির আয়োজন করেন দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ।

    আর মেয়র সাঈদ খোকনের সমর্থক হিসেবে পরিচিত ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার আবু আহমেদ মান্নাফিকে ‘লাঞ্ছিত’ করার প্রতিবাদে তার সমর্থকরা পার্ল হারবারের সামনের সড়কে একই সময়ে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি দেয়।

    এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে উঠেই তারা সেখানে ময়লার স্তূপ দেখতে পান। তাদের ধারণা রাতে অন্ধকারে সেখানে এই ময়লাগুলো ফেলা হয়েছে।

    এ বিষয়ে শাহে আলম মুরাদ অভিযোগ করেন, তাদের কর্মসূচি কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করার জন্য সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি দিয়ে ময়লা ফেলে কমিউনিটি সেন্টারের প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    কমিশনার আবু আহমেদ মান্নাফি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “ময়লার মালিক তো আর আমি না।

    অনেক সময় গাড়ির সঙ্কট থাকে… অনেক জায়গায় ময়লা জমে থাকে। হয়ত সরিয়ে নিয়ে যাবে। ”

  • দেশের প্রথম রোবট রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরু

    দেশের প্রথম রোবট রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরু

    দেশের প্রথম রোবট রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরু হলো রাজধানী ঢাকার আসাদ গেটের ফ্যামিলি ওয়ার্ল্ডে। রাজধানী ঢাকাতেই পাওয়া যাচ্ছে যান্ত্রিক রোবটের কাছ থেকে ‘মানবিক’ সেবা।

     

    রেস্টুরেন্ট জুড়ে রোবট ঘুরছে, কথা বলে গ্রাহকদের পছন্দের খাবারের অর্ডার নিচ্ছে। আবার রোবটের পেছনে থাকা মনিটরের স্ক্রিনে ভেসে ওঠা বাটন টিপে গ্রাহকরাও দিচ্ছেন খাবারের অর্ডার।

    বুধবার নিজস্ব অডিটোরিয়ামে রেস্টুরেন্টটির উদ্বোধন করা হয়। যাত্রা শুরু উপলক্ষে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ এবং রোবট প্রস্তুতকারী চীনা সংস্থা এইচ জেড এক্স ইলেকট্রনিক টেকনোলজি কোম্পানি যৌথ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আয়োজকরা বলেন, বাংলাদেশে এটিই এ ধরনের  প্রথম রেস্টুরেন্ট, যেখানে রোবটের মাধ্যমে গ্রাহকদের খাবার সরবরাহ করা হবে।   এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে একটি নতুন মাইলফলক এবং নতুন দিগন্তের সূচনা হলো।

    সংবাদ সম্মেলনে রোবটের কাজের পদ্ধতি তুলে ধরেন চীনা নির্মাতারা। শিশুদের বিনোদন ও খাবারের বিষয়টি চিন্তা করেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রোবটের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন অনেক গ্রাহক।

    উপস্থিত সবার জন্যই এটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আনোয়ারুন নবী মজুমদারের দুই সন্তান তাসিন রওনাক নবী ও রাহিন রাইয়ান নবী বিদেশে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়ণরত অবস্থায় চীনে যান। সেখানে তারা চীনের রোবটদের দিয়ে খাবার সরবরাহ পদ্ধতি দেখে আকৃষ্ট হন। এরপর সংশ্লিষ্ট রোবট কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাক্স সোয়ার্জের সঙ্গে বাংলাদেশে রোবট রেস্টুরেন্ট চালুর বিষয়ে আলোচনা করেন। ওই আলোচনার ভিত্তিতেই এটি বাংলাদেশে চালু করা হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন রেস্টুরেন্টটির পরিচালক রাহিন রাইয়ান নবী, এইচ জেড এক্স ইলেকট্রনিক টেকনোলজি কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাক্স সোয়াজ, কাস্টমার রিলেশন ম্যানেজার তানভিরুল হক।