Category: ফুটবল

  • বিশ্বকাপে স্মার্টফোনে নজরদারি

    বিশ্বকাপে স্মার্টফোনে নজরদারি

    রাশিয়া বিশ্বকাপে যোগ দিতে ইচ্ছুক জার্মান সরকারি কর্মকর্তাদের স্মার্টফোন হ্যাক করতে পারে রুশ গোয়েন্দারা৷ সরকারি কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সতর্ক করেছে জার্মানি৷

    এদিকে, ফ্যান আইডির মাধ্যমে অনেক তথ্য হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও উঠেছে৷ জার্মানির সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য নর্থ রাইন ওয়েস্টফালিয়া এ নিয়ে সবচেয়ে সরব৷ রাজ্যটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফেব্রুয়ারিতে দেয়া এক নিরাপত্তা বিবৃতিতে ব্যক্তিগত ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস রাশিয়ায় না নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দেয়া হয়েছে৷ ম্যুলহাইম আন ডেয়ার রুর শহরের কর্মকর্তা ফ্রাঙ্ক স্টাইনফোর্ট বলছেন, ‘‘ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে জরুরি ফোনবুক না রাখারও অনুরোধ করা হয়েছে৷” স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস অফিস জানিয়েছে, এর আগেও রাশিয়া ও তুরস্ক এমন ঘটনা ঘটিয়েছে৷

    অনেক ঘটনাতেই পর্যটকদের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে৷ পরবর্তীতে সেগুলো ফেরত দেয়া হলেও দেখা গেছে সেগুলোর অনেককিছুই পড়া হয়েছে৷ ‘‘এমন কিছু ঘটনার কারণে গত বছর অক্টোবরে তুরস্ক ও রাশিয়া ভ্রমণে কিছু সতর্কতা জারি করা হয়েছিল৷” জার্মানিতে ৩০টি বিপজ্জনক দেশের তালিকায় আছে রাশিয়ার নাম৷ কূটনীতিক, রাষ্ট্রীয় ও সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে এই তালিকা৷ এইসব দেশে ভ্রমণ করার সময় জার্মান উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নানা বিধিনিষেধের সম্মুখীন হতে হয়৷

    বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারীদের ফ্যান আইডি নেয়ার বাধ্যবাধকতার কারণে এ সন্দেহ আরো বেড়ে চলেছে৷ এই আইডি অনেকটা ফ্যান পাসপোর্টের মতো৷ ২০১৭ সালের কনফেডারেশনস কাপে প্রথম এটি পরীক্ষামূলকভবো চালু করা হয়৷ তবে এই আইডি পেতে গ্রাহকদের প্রচুর পরিমাণ তথ্য সরবরাহ করতে হয়৷-ডিডব্লিউ

  • রাশিয়া বিশ্বকাপ জিতবে আর্জেন্টিনা!

    রাশিয়া বিশ্বকাপ জিতবে আর্জেন্টিনা!

    বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনও বাকি ১০ দিন। কে জিতবে বিশ্বকাপ, তা নিয়েই ইতোমধ্যে চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়ে গেছে। প্রতিবারের মতো এবছরও একেক রকম ভবিষ্যদ্বাণী করছেন একেকজন জ্যোতিষী। দিন দুয়েক আগেই কয়েকজন সংখ্যাতত্ববিদ ব্রাজিলের ওপর বাজি রাখলেও এবার এক জ্যোতির্বিজ্ঞানীর দাবি, বিশ্বকাপ জিতবে আর্জেন্টিনা!

    ভারতীয় প্রখ্যাত জ্যোতির্বিদ গ্রিনস্টোন লোবো বলছে, এবছর বিশ্বকাপ জিতবে সেই দেশই যে দেশের অধিনায়কের জন্ম ১৯৮৬ বা ১৯৮৭ সালে। কারণ ওই বছরে জন্মালে গ্রহ নক্ষত্র নাকি বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেবে অধিনায়কদের।

    তাহলে কে জিতবেন বিশ্বকাপ? লোবোর যুক্তি অনুযায়ী ব্রাজিলের কোনো সম্ভাবনা নেই, কারণ ব্রাজিল অধিনায়ক নেইমারের জন্ম ১৯৯২ সালে। সম্ভাবনা নেই ক্রিশিয়ানো রোনালদোরও, কারণ তাঁর জন্ম ১৯৮৫ সালে। তাহলে কারা আছেন লড়াইয়ে?

    এই তালিকায় রয়েছেন জার্মান অধিনায়ক ম্যানুয়েল ন্যুয়ার, ফ্রান্সের অধিনায়ক হুগো লরিস, স্পেনের অধিনায়ক সার্জিও ব়্যামোস এবং আর্জেন্টিনার অধিনায়ক মেসি। কিন্তু এই চার দলের মধ্যে কে এগিয়ে কে পিছিয়ে? সেটার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন গ্রিনস্টোন লোবো।

    তার যুক্তি, জার্মান অধিনায়ক ম্যানুয়েল ন্যুয়ার এবং কোচ জোয়কিম লো যেহেতু এর আগে একবার বিশ্বকাপ জিতেছেন তাই এবছর তাদের সুযোগ কম। গ্রহ নক্ষত্রের বিচারে যে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল তা জার্মান অধিনায়ক আগের বার পেয়েছেন। তাহলে রইল বাকি তিন দল। স্পেনের অধিনায়ক সার্জিও ব়্যামোসও আগে বিশ্বকাপ জিতেছেন, তাছাড়া রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এ বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগও জিতেছেন, তাই তারও সুযোগ কম। বাকি ২টি দল ফ্রান্স এবং আর্জেন্টিনা।

    লোবোর দাবি, ফ্রান্স এবং আর্জেন্টিনা দুটি দলেরই প্রায় সমান সুযোগ রয়েছে বিশ্বকাপ জেতার। তবে, ফ্রান্সের থেকে আর্জেন্টিনা কিছুটা এগিয়ে। কারণ, ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশাম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছেন ইতিমধ্যেই, সে তুলনায় আর্জেন্টিনার জর্জে সাম্পাওলি এখনও বড় কোনও ট্রফি জেতেননি তাই অঙ্কের বিচারে এবার আর্জেন্টিনারই চ্যাম্পিয়ন হওয়া উচিত।

    এর আগে নাকি একাধিকবার লোবোর ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হয়েছে। ২০১০ সালে স্পেন এবং ২০১৪ সালে জার্মানি চ্যাম্পিয়ন হবে তাও নাকি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন গ্রিনস্টোন লোবো। তবে কী গত দুবারের মত এবারেও মিলবে লোবোর ভবিষ্যৎবাণী? আর সেটা হলে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উল্লাস থামাবে কে?

  • রাশিয়ার ২৩ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা

    রাশিয়ার ২৩ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা

    রাশিয়া বিশ্বকাপের উত্তেজনা ক্রমশই ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র। এরইমধ্যে নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করেছে দলগুলো। আর তারই জের ধরে বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ রাশিয়া তাদের ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে।

    দলে বড় তারকাদের মধ্যে রয়েছেন চেলসির সাবেক তারকা ইউরি জিরকভ ও আর্টেম জুবা। এছাড়া রয়েছেন অ্যালান জিগোয়াভ, ইগোর আকিনফিভ।

    ২৩ সদস্যের রাশিয়ান স্কোয়াড

    গোলকিপার: ইগোর আকিনফিভ, ভ্লাদিমির গাবুলোভ, আন্দ্রে লুনেভ।

    ডিফেন্ডার: ফেদোর কুদ্রাইয়াসহোভ, ভ্লাদিমির গ্রানাত, ইলা কুতেপোভ, আন্দ্রে সেমেনোভ, সের্গেই ইগনাশিভিচ, মারিও ফের্নান্দেস, ইগোর স্মোলনিকভ।

    মিডফিল্ডার: আলেকজান্দার গোলভিন, ইউরি গাজিন্সস্কি, অ্যালান জিগোয়াভ, আলেকজান্দার রখিন, ইউরি জিরকভ, ডেলার কুজিয়াভ, রোমান জোবনিন, আনেকজান্দার সামিডোভ, আন্তন মিরানচুক, ডেনিস চেরিশিভ।

    ফরোয়ার্ড: আর্টেম জুবা, আলেক্সি মিরানচুক, ফেদরে সমোলোভ।

  • মেসির বিশ্বকাপ প্রস্তুতির ‘ফ্রি-কিক’ ভাইরাল

    মেসির বিশ্বকাপ প্রস্তুতির ‘ফ্রি-কিক’ ভাইরাল

    গত বিশ্বকাপে দেশকে কাপ এনে দিতে পারেননি লিওনেল মেসি। সেই মেসিকে কেন্দ্র করেই আসন্ন বিশ্বকাপে ফের স্বপ্ন দেখা শুরু করে দিয়েছে আর্জেন্টিনা। ফর্মের শীর্ষে থেকে এটাই শেষ সুযোগ মেসির কাছে দেশকে ৩২ বছর পর কাপ এনে দেওয়ার।

    ফলে রাশিয়া বিশ্বকাপকে মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে নীল-সাদা শিবিরে। কোচ সাম্পাওলির তত্ত্বাবধানে মেসির ক্লাবের শহর বার্সেলোনায় নিজেদের তৈরি করার কাজে ব্যস্ত গোটা দল। এবং তার কেন্দ্রবিন্দুতে যে মেসিই থাকবেন সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সবার আড়ালে চুপিসারে নিজের নতুন টেকনিকের ব্লু-প্রিন্ট ইতিমধ্যেই তৈরি করে ফেলেছেন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়।

    আর্জেন্টাইন ফুটবল সংস্থার সরকারি টুইটার অ্যাকাউন্টে তা প্রকাশ হতেই রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মেসির বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া ফ্রি-কিক হাওয়ার বাঁক খেয়ে গোলে ঢুকে যায়। গোলকিপার চেষ্টা করলেও তা আটকাতে ব্যর্থ হন।

  • মেসির জার্সি পুড়িয়ে ফেলবে ফিলিস্তিনিরা

    মেসির জার্সি পুড়িয়ে ফেলবে ফিলিস্তিনিরা

    ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে বহু বছর ধরেই চলছে দ্বন্দ্ব-সংঘাত। অবৈধভাবে ফিলিস্তিনের ভূমি দখল করে ইসরায়েলের উপনিবেশ স্থাপনের বিরুদ্ধে লড়াই করছে দেশটি। নিজেদের বেহাত হওয়া ভূমি উদ্ধারে দীর্ঘদিন ধরে চলছে এ যুদ্ধ। এবারের রাশিয়া বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে আগামী শনিবার ফিলিস্তিনের ‘রাজনৈতিক শত্রু’ ইসরায়েলের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। এ ব্যাপারটিকে ভালো চোখে দেখছে না ফিলিস্তিনিরা। ফিলিস্তিনের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধানের মতে, আর্জেন্টিনার জায়ান্ট লিওনেল মেসি যদি এই ম্যাচে অংশগ্রহণ করে, তবে ভক্তদের উচিত হবে তাঁর ছবি ও তাঁর শার্ট পুড়িয়ে ফেলা।

    আর মাত্র ১০ দিন পরই শুরু হচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে অন্যান্য দলের মতো শেষ মুহূর্তে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে ও টিম কম্বিনেশন ঠিক করতে জর্জ সাম্পাওলির দলও বেশ কয়েকটি প্রস্তুতি ম্যাচে অংশ নিচ্ছে। এর আগের ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে ৪-০ গোলের ব্যবধানে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। পরের ম্যাচে ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচে নামবে মেসি বাহিনী। এই ম্যাচের মাধ্যমেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি পর্ব শেষ করবে আর্জেন্টিনা শিবির। ওই ম্যাচকে ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। ফিলিস্তিন মনে করছে, আন্তর্জাতিক এই প্রীতি ম্যাচকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই ফিলিস্তিনের ভক্তদের উচিত হবে, মেসির ছবি ও তাঁর নামের জার্সি পুড়িয়ে ফেলা। এমনটাই বলেছেন ফিলিস্তিনের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান জিবরিল রাজব।

    পুরো আর্জেন্টিনা দলই ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলবে। তবে শুধু মেসিকেই কেন আক্রমণ? এই প্রশ্নেরও জবাব দিলেন জিবরিল। তিনি বলেন, ‘মেসি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। তাঁর যেকোনো কাজই গুরুত্ব বহন করে। তাই আমরা তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে টার্গেট করেছি। এবং সবাইকে বলব, যদি মেসি এই ম্যাচে খেলে, তবে ভক্তদের উচিত হবে তাঁর ছবি ও নামসংবলিত জার্সি পুড়িয়ে ফেলে প্রতিবাদ করা। আমরা সবাই আশা করি, মেসি এই ম্যাচ খেলতে আসবেন না।’

  • বিশ্বকাপ জিতলে কত বোনাস পাবে নেইমাররা?

    বিশ্বকাপ জিতলে কত বোনাস পাবে নেইমাররা?

    রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দল ব্রাজিল। শিরোপা জয়ের লক্ষ্যেই এবার মাঠে নামবে নেইমাররা। আর এরই মধ্যে নেইমারদের জন্য বিশাল অঙ্কের বোনাস ঘোষণা করেছে ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন।

    বিশ্বকাপ এবার ঘরে তুলতে পারলে স্কোয়াডে থাকা প্রতিটি ফুটবলারকেই দেওয়া হবে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার পাউন্ড।

    বিশ্বকাপের বল গড়ানোর আগে বিভিন্ন দেশের ফুটবল ফেডারেশন বোনাস ঘোষণা করে থাকে। প্রতিবার বিশ্বকাপের আগেই এমন ঘোষণা করে থাকে।

    ষষ্ঠবার বিশ্বকাপ ঘরে তুলতে পারলে বোনাস হিসেবে ব্রাজিলীয় ফুটবল ফেডারেশনের কাছ থেকে এই বিশাল অঙ্কের বোনাস পাবে দেশটির ফুটবলাররা।

  • বর্ণবিদ্বেষের আশঙ্কায় ভুগছে রাশিয়া বিশ্বকাপ

    বর্ণবিদ্বেষের আশঙ্কায় ভুগছে রাশিয়া বিশ্বকাপ

    জমে উঠেছে রাশিয়া বিশ্বকাপ। এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে সকল প্রস্তুতি। আলোয় মুড়ে ফেলা হয়েছে মস্কোর লুজিনিক স্টেডিয়াম থেকে সরানস্ক শহরের মরডোভিয়া এরিনা। পুরো বিশ্ব অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রয়েছে ফুটবলে সবচেয়ে বড় লড়াইয়ের জন্য। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও মাঠে রাশিয়ান হুলিগানসদের বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করার রেওয়াজ চিন্তায় ফেলছে ইংরেজ ফুটবলারদের।

    রাশিয়ান ফুটবলের উগ্র সমর্থক হুলিগানস। এর আগে একাধিকবার ঝামেলায় জড়িয়েছেন ইংল্যান্ড এবং রাশিয়ান হুলিগানসরা। ২০১৬ ইউরো কাপে দুই দেশের উগ্র ফুটবল সমর্থকদের লড়াইকে কেন্দ্র করে স্টেডিয়ামের গ্যালারি কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। রাশিয়াতে বিশ্বকাপ শুরুর আগে হুলিগানসরা বেশ চিন্তায় রাখছে ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের।

    বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ফুটবলার অ্যাসলে ইয়ং বলেন, ‘আমরা যখন মাঠে থাকব, জানিনা আমাদের প্রতিক্রিয়া কি হবে! আমরা এই বিষয়টা নিয়ে নিজেদের মধ্যে কথা বলেছি। আশা রাখছি ফিফা যেকোনো ধরনের বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যকে কঠোরভাবে সামলাবে।’

  • ব্রাজিলের কে কত নম্বর জার্সি পেলেন?

    ব্রাজিলের কে কত নম্বর জার্সি পেলেন?

    ব্রাজিল দলে ডাক পাওয়া বড় ব্যাপার। বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাওয়া আর স্বপ্ন ছোঁয়া তো অনেকটা সমর্থক। দলটা ব্রাজিল বলেই তাদের জন্য জার্সি নম্বরটাও গুরুত্বপূর্ণ। ‘দশ নম্বর’ কিংবা ‘নয় নম্বর’ জার্সিটা যে কেউ গায়ে চাপাতে পারেন না। আর তাই ব্রাজিলের নাম্বার টেন, নাইন জার্সিগুলো কারা পরবেন তা ঠিক থাকলেও দেশটির ফুটবল কনফেডারেশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জার্সি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

    তাতে পেলে, রিভালদো, জিকোদের মতো দশ নাম্বার জার্সি পরে মাঠে নামবেন নেইমার। জেসুস ব্রাজিলের প্রথম একাদশে খেলবেন না ফিরমিনো এটা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। জেসুসের শুরুর একাদশে খেলা অবশ্য মোটামুটি নিশ্চিতই ছিল। এবার তিনি বিশ্বকাপের নাম্বার নাইট হচ্ছেন তা ঠিক হয়ে গেছে। গোলরক্ষক আলিসন এক নম্বর জার্সি পরবেন। আর থিয়াগো সিলভা ফিরে পেয়েছেন তার দুই নম্বর জার্সিটা।

    জার্সি নম্বরের ক্রম অনুযায়ী নাম:

    ১. আলিসন       ২. থিয়াগো সিলভা      ৩. মিরান্দা

    ৪. জেরোমেল      ৫. কাসেমিরো         ৬. ফিলিপে লুইস

    ৭. ডগলাস কস্তা    ৮. রেনাতো আগুস্তো     ৯. গ্যাবিয়েল জেসুস

    ১০. নেইমার      ১১. কৌতিনহো         ১২. মার্সেলো

    ১৩. মারকুইনস    ১৪. দানিলো           ১৫. পাউলিনহো

    ১৬. ক্যাসিও      ১৭. ফার্নান্দিনহো        ১৮. ফ্রেড

    ১৯. উইলিয়াম     ২০. ফিরমিনো          ২১. তাইসন

    ২২. ফাগনার      ২৩. এদেরসন।

  • তারা এক গোল করলে ১০ হাজার শিশু খাবার পাবে

    তারা এক গোল করলে ১০ হাজার শিশু খাবার পাবে

    রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম দুই তারকা মেসি এবং নেইমার। সবার চোখ থাকবে তাদের দিকে। আর শিশুদের জন্য তো দুই তারকা অনুপ্রেরণার নাম, অনুসরণীয় নাম। রাশিয়া বিশ্বকাপের আসরে মেসি-নেইমারকে নিয়ে তাই নতুন একটি উদ্যোগ নিয়েছে মাস্টারকার্ড নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

    এই দুই তারকার একজন একটি করে গোল করলে ১০ হাজার স্কুল পড়ুয়া শিশুকে খাবার দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মাস্টারকার্ড। দক্ষিণ আমেরিকা এবং ক্যারিবিও অঞ্চলের ক্ষুধা পিড়ীত শিশুদের মধ্যে চালু থাকবে এই কার্যক্রম।

    মাস্টারকার্ড এই দুই তারকার গোল প্রতি এই খাদ্য অনুদান দেবে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (ডব্লিউএফপি)। বিষয়টি মেসি এবং নেইমারের কানে পৌঁছেছে। তারা দু’জনই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। এছাড়া তাদের করা গোলের বিনিময়ে কিছু ক্ষুধার্ত শিশু খাবার পাবে ব্যাপারটাই তাদেরকে উচ্ছ্বসিত করেছে।

    এ বিষয়ে মেসি বলেন, ‘আমি এই কর্মসূচির অংশ হতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। এটা হাজারো শিশুর জীবনে পরিবর্তন আনতে সাহায্য করবে। আমাদের গোল অনেকের মুখের হাসি হয়ে ফুটবে বলে আশা করছি।’

    ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার এই কর্মসূচির অংশ হতে পেরে খুশি বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে এই অঞ্চলের প্রতিটি শিশুর এক প্লেট খাবার থাকবে এবং অনেক আশা থাকবে। আমরা দক্ষিণ আমেরিকানরা জানি এক সঙ্গে থাকলে অনেক বড় কিছু করতে পারি আমরা। আমরা এক সঙ্গে ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারি।’

  • ১৪ গোল খেয়েও শিরোপা জেতা যায়!

    ১৪ গোল খেয়েও শিরোপা জেতা যায়!

    বিশ্বকাপ ফাইনাল মানেই শিরোপা জয়ের লড়াই। এই লড়াইয়ে দেশকে আরাধ্য সাফল্য এনে দিতে সব খেলোয়াড়ই মরিয়া থাকেন। এতে রেফারিকেও বেশ ব্যস্ত থাকতে হয়। হাওয়ার্ড ওয়েব তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন ২০১০ বিশ্বকাপের ফাইনালে। স্পেন-নেদারল্যান্ডস ফাইনালে শশব্যস্ত সময় কেটেছে এই ইংলিশ রেফারির। তাঁকে স্রেফ কার্ডের পসরা সাজিয়ে বসতে হয়েছিল।

    স্পেনের খেলোয়াড়েরা দেখেছেন ৫টি হলুদ কার্ড। আর ডাচরা ৯টি—এর মধ্যে লাল কার্ড একটি। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছেড়েছিলেন ডাচ সেন্টার ব্যাক জন হেইটিঙ্গা। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো ফাইনালে সর্বোচ্চ ১৪টি কার্ড দেখার রেকর্ড গড়েছে ২০১০ ফাইনাল।

    ‘ডার বম্বার’কে মনে আছে? চিনতে না পারলে জার্ড মুলার নামটাই যথেষ্ট। তৎকালীন পশ্চিম জার্মানির জার্সিতে তাঁর ক্যারিয়ার মাত্র ৮ বছরের। কিন্তু এই স্বল্প সময়েই মুলার নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন জার্মানি তো বটেই, ফুটবল বিশ্বেরই অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার হিসেবে। সেটা বিশ্বকাপে তাঁর অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য। ’৭০ মেক্সিকো টুর্নামেন্ট দিয়ে মুলারের অভিষেক বিশ্বকাপে। পশ্চিম জার্মানি জিততে না পারলেও মুলার জিতেছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতার (১০) পুরস্কার।

    ১৯৭৪ বিশ্বকাপে পশ্চিম জার্মানি চ্যাম্পিয়ন হলেও মুলার আগের টুর্নামেন্টের মতো ভালো করতে পারেননি। ৪ গোল করেছিলেন। এতে একটি রেকর্ড হয়ে যায় মুলারের—বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা। ২০০৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের রোনালদো এই রেকর্ড নিজের করে নেওয়ার তিন দশকেরও বেশি সময় টিকে ছিল মুলারের সেই ১৪ গোলের মাইলফলক।

    রোনালদোর সেই রেকর্ড ২০১৪ বিশ্বকাপে জার্মানিতে ফিরিয়ে আনেন মিরোস্লাভ ক্লোসা। বিশ্বকাপে জার্মানির সাবেক এই স্ট্রাইকারের গোলসংখ্যা ১৬। ক্লোসার আরও একটি রেকর্ড এখনো কেউ ভাঙতে পারেনি। ২০০২ থেকে ২০১৪—এই চার বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডটাও ক্লোসার। ১৪ ম্যাচ।

    বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত মোট আটটি দেশ শিরোপা জিতেছে। তবে ব্রাজিলের মতো গোল পার্থক্য নিয়ে কোনো দলই শিরোপা জিততে পারেনি। ২০০২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩ ম্যাচে ১১ গোল করেছিল ব্রাজিল। হজম করেছিল ৩ গোল অর্থাৎ ৮ গোল পার্থক্য। এরপর নকআউট পর্বে ৪ ম্যাচে ৭ গোল করার বিপরীতে হজম করেছে ১ গোল। অর্থাৎ নকআউট পর্বে ব্রাজিলের গোল–পার্থক্য ছিল ৬। সব মিলিয়ে ‍১৪ গোল পার্থক্য নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ‘বিগ ফিল’ লুই ফেলিপে স্কলারির দল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে আর কোনো দলই এত বেশি গোল–পার্থক্য নিয়ে শিরোপা জিততে পারেনি।

    ১৯৫৪ বিশ্বকাপে ফেরেঙ্ক পুসকাস-স্যান্ডর ককসিস-ন্যান্দর হিদেকুটিদের হাঙ্গেরিকে মনে রেখেছে সবাই। সেবার বিশ্বকাপের এক টুর্নামেন্টে রেকর্ড ২৭ গোল করেছিল হাঙ্গেরি। শিরোপা জয়ের আশায় ফাইনালে তাঁরা মুখোমুখি হয়েছিল পশ্চিম জার্মানির। কিন্তু হাঙ্গেরিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ‘মিরাকল অব বার্ন’-এর জন্ম দিয়েছিলেন ফ্রিৎজ ওয়াল্টার-ওটমার ওয়াল্টাররা।

    মজার ব্যাপার হলো, ফাইনালেও হারলেও পুসকাসদের সেই হাঙ্গেরিকে পশ্চিম জার্মানির তুলনায় সবাই বেশি মনে রেখেছ। তার অন্যতম কারণ বোধ হয় একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড—বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে সর্বোচ্চ গোল হজমের রেকর্ডটা সেবারই গড়েছিল ফ্রিৎজ ওয়াল্টারদের পশ্চিম জার্মানি। তাঁরা হজম করেছিল ১৪ গোল। আবার এই পরিমাণ গোল করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ডও আছে। ১৯৬২ গারিঞ্চার ব্রাজিল কিংবা ১৯৮৬ ডিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনা—এই দুই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে দুটি দলই ১৪ গোল করেছিল।