Category: ফুটবল

  • বিশ্বকাপে ইরানকে ‍বুট দেবে না নাইকি

    বিশ্বকাপে ইরানকে ‍বুট দেবে না নাইকি

    ফুটবল বিশ্বের সেরা তারকাদের লড়াইয়ের মঞ্চ প্রস্তুত। প্রস্তুত ৩২টি দেশের খেলোয়াড় ও ভক্ত-সমর্থকরা। প্রস্তুত রাশিয়ার মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামও। কারণ এই স্টেডিয়ামেই যে বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) উদ্বোধন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পর্দা উঠবে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপের। তাই প্রতিটি দল যখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, সে সময় নতুন দুশ্চিন্তায় পড়েছে ইরান দল। মাত্র দু’দিন আগে ইরানের অফিসিয়াল কিটস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নাইকি জানিয়ে দিয়েছে, ইরান জাতীয় দলকে বুট (জুতো) দেবে না তারা।

    মূলত নাইকির এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রভাব। ফুটবল দুনিয়ায় মার্কিন প্রতিষ্ঠান নাইকির তৈরি বুটের দারুণ কদর। দীর্ঘদিন থেকে ইরানও তাদের থেকেই বুট সংগ্রহ করছে। এমনকি ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপেও ইরান নাইকির বুট পরেই মাঠে নেমেছে। রাশিয়া বিশ্বকাপের জন্যও সেখান থেকেই বুট আসার কথা ছিলো।

    কিন্তু বিশ্বকাপের মাত্র দু’দিন আগে নাইকি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অবরোধের কারণেই তারা বুট সরবরাহ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে করা পারমাণবিক চুক্তি সম্প্রতি বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এ কারণেই নাইকির এমন সিদ্ধান্ত।

    তবে ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপের সময় অর্থনৈতিক অবরোধ থাকলেও নাইকি ঠিকই ইরানি দলকে ক্রীড়া সামগ্রী দিয়েছিল। শেষ মুহূর্তে বুট না পাওয়ায় ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়েছে ইরানি ফুটবল ফেডারেশন। এমনকি ফিফার সাথেও এ বিষয়ে কথা বলেছে ইরানি ফেডারেশন।

    ইরানের কোচ হতাশা ও বিরক্তি প্রকাশ করে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের খেলোয়াড়েরা যে সব সরঞ্জামে অভ্যস্ত, সেটা যদি মূল আসরের ৩/৪ দিন আগে পরিবর্তন করা হয়, সেটা অন্যায়। সেই পরিবর্তনটা ঠিক নয়।’

    শেষ মুহূর্তে নতুন বুট সংগ্রহ করাও সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কোচ। আপাতত পুরোনো ও ধার করা বুট দিয়েই চলছে ইরানের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি। মূল লড়াইয়েও হয়তো পুরনো বুট পায়ে দিয়েই নামতে হবে তাদের।

    ১৫ জুন মরক্কো ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ইরান। ‘বি’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ স্পেন ও পর্তুগাল।

  • বিশ্বকাপে সবচেয়ে দামি দল ফ্রান্স, কম দামি পানামা

    বিশ্বকাপে সবচেয়ে দামি দল ফ্রান্স, কম দামি পানামা

    ফুটবল জ্বরে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। আর কয়েক ঘণ্টা পরই রাশিয়ায় পর্দা উঠছে ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’র ২১তম আসরে। শুধু আয়োজক রাশিয়া, কিংবা অংশগ্রহণকারী ৩২টি দেশেই নয়, সারাবিশ্বই এখন মেতে রয়েছে ফুটবলে।

    ফরাসি সৌরভ, ফরাসি ফ্যাশনের পর ফুটবলেও ফরাসি বিপ্লব! দিদিয়ের দেশম যে দলটা নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে আসছেন, তাতে তারকার ছড়াছড়ি, প্রতিভার গড়াগড়ি।

    এদিকে আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান বলেন, আমায় দেখো, ওপাশ থেকে হয়তো পল পগবা বলবেন আমিও আছি। ডানে তাকালে চোখ পড়বে কিলিয়ান এমবাপ্পের ওপর তো বাঁয়ে চোখ ফেরালেই উসমান দেম্বেলে!

    তাইতো এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে দামি দলের তকমা নিয়ে মাঠে নামছে ফ্রান্স। ক্লাব ফুটবলে খেলোয়াড়দের বাজারমূল্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে সুইজারল্যান্ডের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ফুটবল অবজারভেটরি অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব স্পোর্ট’ (সিআইইএস)।

    সংস্থাটির তথ্য মতে, ফরাসি স্কোয়াডের ২৩ সদস্যের মোট বাজারমূল্য ১,৪১০.৩ মিলিয়ন ইউরো। আর ৩২টি দলের সব খেলোয়াড়ের মোট বাজারমূল্য ১২.৬ বিলিয়ন ইউরো।

    ফ্রান্সের পরেই রয়েছে ইংল্যান্ড। হ্যারি কেইনদের বাজারমূল্য ১,৩৯০ মিলিয়ন ইউরো। দামি দলের তালিকায় ৩ নম্বরে আছে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ব্রাজিলিয়ান স্কোয়াডটির বাজারমূল্য ১,২৭০ মিলিয়ন ইউরো। চতুর্থ দামি দল নিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ২০১০’র চ্যাম্পিয়ন স্পেন। দলটির বাজারমূল্য ৯৬৫ মিলিয়ন ইউরো।

    তালিকার ৫ নম্বরে রয়েছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসিদের মোট বাজারমূল্য ৯২৫ মিলিয়ন ইউরো। এ তালিকায় শেষের দিকে রয়েছে কোস্টারিকা, ইরান, সৌদি আরব ও পানামা।

    অন্যদিকে মধ্য আমেরিকার দলগুলোর খেলোয়াড়দের মোট বাজারমূল্য ১৫ মিলিয়ন ইউরো। গবেষণায় স্কোয়াডের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ের তথ্যও উঠে এসেছে। ফরাসি দলের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় পিএসজির তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। ১৯ বছর বয়সী এই তারকার বাজার ১৮৭ মিলিয়ন ইউরো। যা দলের মোট মূল্যের ১৩ শতাংশ। ২৪ বছর বয়সী ইংলিশ অধিনায়ক তার দলের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়। তার বাজারমূল্য ২০১ মিলিয়ন ইউরো, যা দলের ১৫ শতাংশ। ব্রাজিল দলের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় নেইমার।

    বিশ্বের সবচেয়ে দামি এই ফুটবলারের বাজারমূল্য ১৯৬ মিলিয়ন ইউরো, যা দলের ১৫ শতাংশ। স্পেনের দামি খেলোয়াড় সুল নিগাজ। আটলেটিকো মাদ্রিদের এই তারকার বাজারমূল্য ১০১ মিলিয়ন ইউরো, যা দলের ১০ শতাংশ। আর্জেন্টিনার দামি খেলোয়াড় মেসি। তার বাজারমূল্য ১৮৪ মিলিয়া ইউরো, যা দলের ২০ শতাংশ।

    এদিকে ১০৩ মিলিয়ন ইউরোর বাজারমূল্য নিয়ে পর্তুগাল দলের দামি খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। যা দলের মোট মূল্যের ১০ শতাংশ। তবে দলের দামি খেলোয়াড়ের শীর্ষে রয়েছেন মিশরীয় সুপারস্টার মোহাম্মদ সালাহ। লিভারপুলের এই তারকার বাজারমূল্য ১৭১ মিলিয়ন ইউরো। যা মিশর স্কোয়াডের মোট বাজারমূল্যের ৭৪ শতাংশ।

    অন্যদিকে সবচেয়ে কম বাজারমূল্য পানামার। প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে আসা কনকাকাফ অঞ্চলের দলটার বাজারমূল্য মাত্র ৯.৪৩ মিলিয়ন ইউরো।

  • বিশ্বকাপের জ্যোতিষী; পল থেকে অ্যাকিলিস

    বিশ্বকাপের জ্যোতিষী; পল থেকে অ্যাকিলিস

    অক্টোপাস পলকে মনে পড়ে? ২০১০ বিশ্বকাপে একের পর এক ম্যাচে বিজয়ীদের নাম মিলিয়ে দিয়ে মেসি-নেইমার-মুলারদের জয়প্রিয়তায় ভাগ বসিয়েছিল৷ সেই পল এখন আর নেই৷ বয়সজনিত কারণে বিশ্বকাপের পর মারা যায় সেই অক্টোপাস৷ রাশিয়া বিশ্বকাপে অবশ্য পলের অভাব ঢেকে দেবে নতুন অতিথি৷ পলের উত্তরসূরি পেয়ে গেল রাশিয়া৷

    এবার অক্টোপাসের পরিবর্তে এক চার পেয়ে প্রাণীকে দেখা যাবে জ্যোতিষীর ভূমিকায়৷ নাম অ্যাকিলিস৷ অ্যাকিলিস একটি সাদা পুরুষ বিড়াল৷এটি রাশিয়ার রাজধানী সেন্ট পিটার্সবার্গের হার্মিটেজ যাদুঘরের পোষা৷ ইতিমধ্যে ২০১৭ কনফেডারেশন কাপের ওপেনিং ও ফাইনাল ম্যাচের ফল মিলিয়ে দিয়েছেন এই বিড়াল৷

    বিজয়ী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও এবার কিছু পরিবর্তন থাকছে৷ শেষবার দুটি বক্সের মধ্যে রাখা খাবার বেছে নিয়ে জয়ী দলের কথা জানত অক্টোপাস পল৷ এবার দুটি বাটি রাখা থাকবে অ্যাকিলিসের সামনে৷ সঙ্গে থাকবে দুই প্রতিপক্ষ দলের জাতীয় পতাকা৷ সেখান থেকেই একটি বেছে নেবে অ্যাকিলিস৷

    বিশ্বকাপের ঢাকে কাঠি পড়তে বাকি আর মাত্র তিন দিন৷ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিজের কাজ শুরু করে দেবে অ্যাকিলিস৷ ইতিমধ্যেই তাই তাঁর ঠিকানা বদল করে ফেলা হয়েছে৷ মিউজিয়াম থেকে এখন স্থানীয় একটি ক্যাট ক্যাফেতে থাকবে বিশ্বকাপের এই জ্যোতিষী৷

    জানা গেছে, ১৪ জুন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের দুই প্রতিপক্ষ রাশিয়া ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্ভাব্য বিজয়ীকে বেছে নেবে অ্যাকিলিস৷ পলের জনপ্রিয়তায় রাশিয়া বিশ্বকাপের নয়া জ্যোতিষী ভাগ বসাতে পারে কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়৷

  • বরিশাল বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি আসাদুজ্জামান খসরু গ্রেফতার

    বরিশাল বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি আসাদুজ্জামান খসরু গ্রেফতার

    বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান খসরুকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

    গতকাল রোববার রাতে গোয়েন্দা পুলিশের এসআই দেলোয়ার হোসেন সহ একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। রাতেই তাকে কোতয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

    এব্যাপারে কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ আওলাদ জানিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে অভিযোগের ব্যাপারে তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।

    উল্লেক্ষ মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খসরু দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় রয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরেই দলীয় কোন কর্মকান্ডে তাকে মাঠে দেখা যায়নি।

  • রাশিয়া বিশ্বকাপে ফিক্সিং! ‘ঘুষ’ নিতে গিয়ে ধরা পড়লেন রেফারি

    রাশিয়া বিশ্বকাপে ফিক্সিং! ‘ঘুষ’ নিতে গিয়ে ধরা পড়লেন রেফারি

    রাশিয়া বিশ্বকাপ নিয়ে উন্মাদনার শেষ নেই। মাঠের তর্ক-বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে বাইরেও। ফুটবলপ্রেমীরা অপেক্ষায় আছেন তারকা খেলোয়াড়দের চমক দেখতে। এরই মাঝে বিশ্বকাপের ঠিক আগে সামনে এলো ফিক্সিংয়ের অন্ধকার দিক। এক আন্তর্জাতিক প্রচারমাধ্যমের স্টিং অপারেশনে ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়লেন বিশ্বকাপের জন্য তালিকাভুক্ত রেফারি। শুধু রেফারিই নন, আফ্রিকান ফুটবলের কয়েকজন পদস্থ কর্মকর্তাকেও দেখা গেল ঘুষ নিতে।

    বিশ্বকাপের আগেই আফ্রিকান ফুটবল ফেডারেশনের কয়েক জন পদস্থ কর্তা এবং নামী রেফারিদের মধ্যে একটি স্টিং অপারেশন আয়োজন করে এক বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম। সেখানেই ধরা পড়ে বিশ্ব ফুটবলের অন্ধকার দিক।

    নামী রেফারিদের মধ্যে রয়েছেন কেনিয়ার আদেন র‌্যাঞ্জে মারোয়া। রাশিয়ার আসন্ন বিশ্বকাপে বেশ কিছু ম্যাচ পরিচালনা করার দায়িত্বে রাখা হয়েছিল তাকে। আফ্রিকান ফুটবল সংস্থার পক্ষ থেকে তার নাম সুপারিশ করা হয়েছিল বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার কাছ থেকে। তবে এমন কীর্তি ফাঁস হওয়ার পরেই প্রশ্ন উঠে যায়, তিনি কি নিরপেক্ষতা বজায় রেখে রেফারিং করাতে পারবেন? তবে আগেভাগেই অবশ্য ফিফার রেফারির প্যানেল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

    মারোয়ার পাশাপাশি নাম জড়িয়েছে ফিফা কাউন্সিলের সদস্য কেশি ন্যান্টাকির। যিনি আবার ঘানা ফুটবল সংস্থার সভাপতি। আফ্রিকার পাশাপাশি ফিফাতেও বেশ প্রভাব সম্পন্ন তিনি। ফলে এখন থেকেই প্রশ্ন উঠে গেছে বিশ্বকাপের স্বচ্ছতা নিয়ে। এর আগে দুর্নীতির অভিযোগের জন্য সরে দাঁড়াতে হয়েছিল তৎকালীন ফিফা সভাপতি শেপ ব্লাটারকে।

    ঘানার ফেডারেশন আপাতত ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

  • অবশেষে সেই ইনজুরি নিয়ে মুখ খুললেন সালাহ

    অবশেষে সেই ইনজুরি নিয়ে মুখ খুললেন সালাহ

    রাশিয়া বিশ্বকাপে তারকা ফুটবলারদের চমক দেখতে মুখিয়ে আছে পুরো বিশ্ব। যার মধ্যে অন্যতম মিশরের মোহাম্মদ সালাহ। তবে গত মাসে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে কাঁধের ইনজুরি তার বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে সংশয়ের সৃষ্টি করে। সেই ঘটনা নিয়ে এতোদিন নিজে কিছু না বললেও শেষ পর্যন্ত স্প্যানিশ পত্রিকা মার্কার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ‘স্বপ্ন ভঙ্গের’ সেই মুহূর্ত নিয়ে মুখ খুললেন সালাহ।

    ইনজুরি নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালের প্রায় মাঝপথে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়ার সেই মুহূর্তকে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে মুহূর্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন মোহাম্মদ সালাহ। আলাপচারিতায় ২৫ বছর বয়সী এই তারকা বলেন, ‘আমি ভাবতে শুরু করেছিলাম, আমি হয়তো বিশ্বকাপ মিস করবো, এটা ছিল ভয়ানক ব্যাপার’।

    বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ইনজুরি থেকে সেরে উঠতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন সালাহ। ২৭ বছর পর বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে তার দেশ মিশর। এমন এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত নিয়ে সালাহ বলেন, ‘বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করা আমাদের কাছে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের সমান’।

    এদিকে মিশর সমর্থকদের জন্য সুখবর দিয়ে কোচ হেক্টর কুপার জানিয়েছেন, বিশ্বকাপে থাকছেন মোহাম্মদ সালাহ। তার চিকিৎসক জানিয়েছেন, প্রথম দুই ম্যাচে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে গোল্ডেন বুটজয়ীর খেলার সম্ভাবনা কম।

  • ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার স্বপ্নের ফাইনাল

    ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার স্বপ্নের ফাইনাল

    ফুটবলের ইতিহাসে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ধ্রুপদী লড়াই বরাবরই নাড়া দিয়েছে সমর্থকদের। শর্ষে ফুল রঙা হলুদ আর আকাশি-নীল সাদা রঙের জার্সিতে সয়লাব হয়ে যায় স্টেডিয়ামের গ্যালারি। কেবল গ্যালারি? ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সুপারক্ল্যাসিকো লড়াইয়ের উত্তাপ পাওয়া যায় হাজার হাজার মাইল দূর থেকেও। ল্যাটিন আমেরিকায় অনুষ্ঠিত ম্যাচ নিয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের কমনরুমে দুই ভাগ হয়ে খেলা দেখতে বসে যায় পড়ুয়ারা। সাধারণ সুপারক্ল্যাসিকো নিয়েই আগ্রহটা আকাশের উচ্চতায়। আর বিশ্বকাপ হলে? আরও এক ধাপ এগিয়ে, বিশ্বকাপ ফাইনাল হলে?

    বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ধ্রুপদী লড়াই দেখার আগ্রহটা সবার। সে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থক হোক বা না হোক। এমন একটা ফাইনাল যে পুরো ফুটবল দুনিয়ারই আরাধ্য! রাশিয়া বিশ্বকাপের সূচিই সেই সুযোগ নিয়ে এসেছে। নেইমারের ব্রাজিল আর মেসির আর্জেন্টিনা সব বাধা ঠিকঠাক পাড়ি দিতে পারলে ফাইনালে দেখা হতে পারে ফুটবলের দুই পুরনো যোদ্ধার। ল্যাটিন ফুটবলের সৌন্দর্য্যে বিমোহিত হতে পারেন ভক্তরা। সুপারক্ল্যাসিকোর দেখা মিলতে পারে বিশ্বকাপের ২১তম ফাইনালে!

    গত ২০টি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত মঞ্চে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই দেখেছেন সমর্থকরা কেবল চার বার। এর মধ্যে ব্রাজিল জিতেছে দুবার। আর্জেন্টিনা একবার। একবার ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল। চারটা লড়াইয়ের মধ্যে দুইটা ছিল গ্রুপ পর্বে, দুইটা দ্বিতীয় রাউন্ডে। এর চেয়ে সামনে এগিয়ে কখনোই দুই দল মুখোমুখি হয়নি। তবে এবারের বিশ্বকাপ দারুণ এক সুযোগ নিয়ে এসেছে।

    ডি গ্রুপে আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে আইসল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও নাইজেরিয়ার। র‌্যাঙ্কিং এবং অভিজ্ঞতা সব দিক থেকেই এই গ্রুপে এগিয়ে আর্জেন্টিনা। হোসে মরিনহোর মতো ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, ডি গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে আর্জেন্টিনাই। মেসিদেরকে ডি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ধরে নিলে নেইমারদেরও ই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ধরতে হয়। হোসে মরিনহোও তাই বলছেন। ই গ্রুপে ব্রাজিল মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ড, সার্বিয়া এবং কোস্টারিকার। নেইমার পুরো ফিট থেকে খেলতে পারলে ব্রাজিলকে রুখবে, সাধ্য কার! ডি ও ই গ্রুপে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হলে দুই দলের ফাইনালের আগে আর দেখা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে সি গ্রুপ রানার্সআপের। সি গ্রুপে ফ্রান্স, পেরু, ডেনমার্ক এবং অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হচ্ছে। এই গ্রুপে ফ্রান্সকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ধরে নিলে রানার্সআপ হতে পারে অন্য তিন দলের যে কেউ। এক্ষেত্রে কেউ অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে রাখছেন। কেউবা এগিয়ে রাখছেন পেরুকে। আর্জেন্টিনা দ্বিতীয় রাউন্ডের বাধামুক্ত হলে কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে বি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং এ গ্রুপ রানার্সআপের মধ্যকার লড়াইয়ে বিজয়ী দলের। বি গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে স্পেন। আর্জেন্টিনা এই বাধাটা অতিক্রম করলে সেমিফাইনালে দেখা হতে পারে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানির সঙ্গে। গতবারের ফাইনালে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়ে আর্জেন্টিনা ফাইনালে পৌঁছতে পারলেই কেবল সুপারক্ল্যাসিকো হতে পারে রাশিয়ায়। অবশ্য ব্রাজিলকেও সব বাধা অতিক্রম করে আসতে হবে ফাইনাল পর্যন্ত।

    ই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল দ্বিতীয় রাউন্ডে মুখোমুখি হবে এফ গ্রুপ রানার্সআপের। এফ গ্রুপে জার্মানি ছাড়াও আছে মেক্সিকো, সুইডেন এবং দক্ষিণ কোরিয়া। এই গ্রুপে জার্মানিকে চ্যাম্পিয়ন ধরে নিলে মেক্সিকো, সুইডেন কিংবা দক্ষিণ কোরিয়ার যে কোনো একটা হতে পারে রানার্সআপ। ব্রাজিলের জন্য তিনটা দলই খুব সহজ শিকার! কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল মুখোমুখি হবে জি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং এইচ গ্রুপ রানার্সআপের মধ্যকার বিজয়ী দলের। জি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হতে পারে বেলজিয়াম অথবা ইংল্যান্ড। ব্রাজিলের জন্য দুইটা দলই মোটামুটি সহজ শিকার। সেমিফাইনালে নেইমাররা মুখোমুখি হতে পারেন সি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের। অবশ্য ফ্রান্সকেও সব বাধা অতিক্রম করে শেষ চারে আসতে হবে। নেইমাররা সেমিতে ফ্রান্সকে হারালেই ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল! বিশ্বকাপ ফাইনালের আলাদা একটা উত্তাপ আছে। সেই উত্তাপে সুপারক্ল্যাসিকো যোগ হলে, তা হবে ফুটবল দুনিয়ার জন্য সেরা উপহার।

    ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই হতে পারে সেমিতেও। দুই দলের কোনো একটা যদি গ্রুপে রানার্সআপ হয় তাহলেই শেষ চারে লড়াই হবে মেসি-নেইমারের। আবার দুই দলই গ্রুপ পর্বে রানার্সআপ হলে ফাইনাল হতে পারে তাদের মিলনকেন্দ্র। অবশ্য দুই দলই সেমিফাইনাল হেরে গেলে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও হতে পারে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার লড়াই।

  • বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনাকে বহিষ্কারের দাবি

    বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনাকে বহিষ্কারের দাবি

    ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বাতিল করায় আর্জেন্টিনার উপর ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটির ফুটবল ফেডারেশন। এর প্রেক্ষিতে আগামী ১৪ জুন শুরু হতে যাওয়া রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে লিওনেল মেসিদের বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

    বিশ্বব্যাপী তীব্র সমালোচনা, নিরাপত্তা শঙ্কা ও ফিলিস্তিনের ঘোর আপত্তির মুখে দখলদার ইসরাইলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ বাতিল করায় ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটি জোরালো সমর্থন জানিয়েছে ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী এক কোম্পানিও।

    তাদের মতে, এবারের আসর থেকে আর্জেন্টিনাকে নিষিদ্ধ করা উচিত ফুটবলের অভিভাবক সংস্থার (ফিফা)। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, এই ম্যাচ বাতিলের ফলে ধর্মীয় বৈষম্য ফুটে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে ধর্ম নিয়ে একে অপরের মধ্যে যে অন্তঃকোন্দল তা আরো উসকে দিয়েছে দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা!

    শনিবার টেডি স্টেডিয়ামে গড়ানোর কথা ছিল আর্জেন্টিনা-ইসরাইল প্রীতি ম্যাচ। কথিত আছে- এই ম্যাচ থেকে অর্জিত টাকা নিরীহ, নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের গুপ্তহত্যায় ব্যবহৃত হতো। এখানে নির্বিচারে তাদের হত্যা করে ইসরাইল। ঐতিহাসিকভাবে স্টেডিয়াম ও সংলগ্ন এলাকা ফিলিস্তিনিদের দখলে থাকলেও জোরজুলুম করে তাদের বিতাড়িত করে বর্তমানে সেই অঞ্চল দখল করে রেখেছে দেশটি। ফলে স্বাভাবিকভাবে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিল ফিলিস্তিন। খেললে মেসির জার্সি-ছবি পোড়ানোর হুমকি দেন ফিলিস্তিনিরা।

    এদিকে, ইহুদি রাষ্ট্রটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাভিগদর লেইবারম্যান বলেন, ইসরাইল বিদ্বেষীদের চাপের মুখে ম্যাচ বাতিল বড়ই হতাশার। এতে বিচক্ষণতার পরিচয় দেয়নি আর্জেন্টিনা।

  • ব্রিটিশ শ্রমিক ফুটবলারদের রাশিয়া সফরের গল্প

    ব্রিটিশ শ্রমিক ফুটবলারদের রাশিয়া সফরের গল্প

    গ্রীষ্মে রাশিয়ার সেইন্ট পিটার্সবার্গে গ্যারেথ সাউথগেটের দল যখন খেলতে যাবে, তার প্রায় এক শতাব্দি আগে ১৯২৭ সালে সেখানে গিয়েছিল আরেকটি ব্রিটিশ দল। রাশিয়ার আমন্ত্রণে ইংল্যান্ডের শ্রমিক শ্রেণির প্রতিনিধিত্বশীল সেই দলটি লিভারপুল স্ট্রিট স্টেশন থেকে রওনা দিয়েছিল।

    আর তাদের প্রস্তুতি, তাদের বাহন সবই ছিল সেই গ্রীষ্মের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ দলের চেয়ে আলাদা। নিজের কাজের জায়গা থেকে ছুটি না পাওয়ায়, যাত্রার ঠিক আগের দিন চারজন খেলোয়াড়ের জায়গায় অন্য খেলোয়াড় নিয়োগ করতে হয়।

    আর ১৪ সদস্যের প্রাথমিক দল নির্বাচিত হয়েছিল যাত্রার তিনদিন আগে শহরতলীর কাছের এক পার্কে ‘সম্ভাব্য’ এবং ‘হতে পারে’ এমন দুটি দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক ম্যাচের মাধ্যমে।

    কিন্তু সেই যাত্রার উদ্দেশ্যও কম আকর্ষণীয় ছিলো না। এক মাসের বেশি সময় ধরে সাতটি ম্যাচ খেলা, আর মস্কো, সেইন্ট পিটার্সবার্গ, কারকিভ এবং কিয়েভের মত আধুনিক শহরে থাকা এসব ভাবনা ছিলো। কিন্তু এই দলটি মানব ইতিহাসের এক মর্মস্পর্শী এক অধ্যায়ের সাক্ষী হতে চলছিল।

    দশ বছর আগে ভ্লাদিমির লেনিন রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লব করের। কম্যুনিজমকে স্রেফ এক রাজনৈতিক তত্ত্বের বাইরে এনে বাস্তবে চর্চার পথ তৈরির মাধ্যমে, তিনি প্রতিশ্রুতি দেন সাধারণ মানুষ দেশের অর্থনীতি এবং নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

    কিন্তু ১৯২৪ সালে লেনিনের মৃত্যুর পর জোসেফ স্ট্যালিন, বিশ্বে বিপ্লবের নেতৃত্ব দিতে তৈরি হচ্ছেন, পরবর্তীতে যিনি দ্য গ্রেট টেরর বা অত্যন্ত ভীতির কারণ হয়ে উঠেছিলেন।

    আর খেলাধুলার ক্ষেত্রেও ওই সফর ছিল ঐতিহাসিক। ইংল্যান্ড এর আগে কখনো রাশিয়ার সাথে কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি। আর এর পরেও ত্রিশ বছরের বেশি সময় খেলেনি পরস্পরের বিরুদ্ধে।

    খেলোয়াড় ও ম্যানেজার জর্জ সিনফেল্ড, যিনি কারখানায় পিয়ানোর যন্ত্রাংশ বানাতে বেশি অভিজ্ঞ ছিলেন, তিনি পরে লিখেছেন, সোভিয়েত ফুটবলের মান সম্পর্কে কোন ধারণাই ছিল না আমাদের।

    তারা ভেবেছিল, তারা অনেক ভালো মানের কোন ফুটবল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলবে। আমরা ব্রিটেন মানে ফুটবলের তীর্থভূমি থেকে এসেছি, রাশিয়ানরা ভেবেছিলো আমরা সবাই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বা সেল্টিকের মানে খেলি। কিন্তু আদতে আমরা তা ছিলাম না।

    এই দল যখন বার্লিন হয়ে তিনদিনের রাস্তা পেরিয়ে মস্কো পৌঁছাল, তাদের স্থানীয় কয়েক শো মানুষজন অভ্যর্থনা জানালো। কিন্তু শুরুর ম্যাচে অন্তত ত্রিশ হাজার দর্শক ছিলো বলে ধারণা মিঃ সিনফেল্ডের।

    প্রচণ্ড গরম আর অমসৃণ মাঠে ঐ ম্যাচে মস্কো ট্রেড ইউনিয়ন দলের কাছে ব্রিটিশ দলটি ১১-০ গোলে হেরে যায়।

    বলের আকৃতি এবং রেফারির কঠোর আচরণকে এজন্য পরে দায়ী করা হয়েছিল। এরপরে ভেন্যু বদলাতে থাকে, কিন্তু ফল একই হতে থাকে। পরের পাঁচটি ম্যাচেও শোচনীয়ভাবে হেরে যায় ব্রিটিশ দলটি। শেষ ম্যাচটিতে ২-১ গোলে জয়ের দেখা পায় মিঃ সিনফেল্ডের দল।

    তবে খেলার মাঠে হারলেও শ্রমিকদের নিয়ে তৈরি দলটি সোভিয়েত ইউনিয়নের বিভিন্ন দর্শনীয় জায়গা এবং কলকারখানা ঘুরে দেখেন। তারা সফর নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট ছিলেন।

    এখনো এ বছরের গোঁড়ার দিকে রাশিয়ার সাথে ব্রিটেনের কূটনৈতিক দূরত্ব সৃষ্টি হয় তখনো শ্রমিকদের সংগঠন রাশিয়ার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল।

    সাবেক রুশ গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপাল ও তার কন্যাকে বিষ প্রয়োগের ঘটনার উল্লেখ করে, ইংল্যান্ড থেকে যারাই রাশিয়া যাচ্ছেন, সবাইকে ব্রিটিশ বিরোধী সেন্টিমেন্ট বা হয়রানির ব্যপারে সাবধান করা হয়েছে।-বিবিসি বাংলা

  • উরুগুয়ের ভারসাম্যপূর্ণ দল ঘোষণা

    উরুগুয়ের ভারসাম্যপূর্ণ দল ঘোষণা

    জমে উঠেছে রাশিয়া বিশ্বকাপ। এরই মধ্যে চুড়ান্ত দল ঘোষণা করা শুরু করেছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো। আর তারই জের ধরে এবার দল ঘোষণা করেছেন উরুগুয়ের কোচ অস্কার তাবারেজ।

    রাশিয়া বিশ্বকাপে উগুরুয়ে দলে যারা সুযোগ পেয়েছেন তাদের ১১ জনই ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে খেলেছেন। ফলে তারুণ্য আর অভিজ্ঞতার মিশেলে বেশ ভারসাম্যপূর্ণ দল সাজিয়েছে উরুগুয়ে।

    এবারও উরুগুয়ের মূল দুই ভরসা বার্সা তারকা লুইস সুয়ারেজ ও পিএসজির এডিনসন কাভানি। এই দুজনের সঙ্গে আক্রমণে বদলি হিসেবে থাকতে পারেন সেল্টা ভিগোর ফরোয়ার্ড ম্যাক্সিমিলিয়ানো গোমেজ ও গিরোনার ক্রিস্টিয়ান স্টুয়ানি।

    উরুগুয়ের ২৩ সদস্যের স্কোয়াড:

    গোলরক্ষক: ফার্নান্দো মুসলেরা, মার্টিন সিলভা, মার্টিন কামপানা।

    রক্ষণভাগ: সেবাস্টিয়ান কোতেস, মার্টিন ক্যাসেরাস, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, দিয়েগো গোডিন, ম্যাক্সিমিলিয়ানো পেরেইরা, গ্যাস্টন সিলভা, গুইলারমো ভারেলা।

    মধ্যমভাগ: রদ্রিগো বেনটানকার, গিওর্গিয়ান ডি আরাসকায়েটা, দিয়েগো লাক্সাল্ট, নাহিটান নানডেজ, ক্রিস্টিয়ান রডরিগুয়েজ, কার্লোস সানচেজ, লুকাস টোরেইরা, মাটিয়াস ভেসিনো।

    আক্রমণভাগ: লুইস সুয়ারেজ, এডিনসন কাভানি, ম্যাক্সিমিলিয়ানো গোমেজ, ক্রিস্টিয়ান স্টুয়ানি।