Category: ফুটবল

  • ফুটবল বিশ্বে যত যৌন কেলেঙ্কারি

    ফুটবল বিশ্বে যত যৌন কেলেঙ্কারি

    ফুটবল তারকা মানেই নারীর স্বপ্নের পুরুষ। তারা শুধু খেলার মাঠ নয়, মাতান পরনারীর মনও। মাঠের মতো নারী হৃদয়েও তাদের ঝড় তোলার গতি কিন্তু খুব একটা কম নয়। তাদের এমন গল্প নতুন নয়। এমন বিতর্ক সেই আদিকাল থেকে। সময়ে সময়ে কম বেশি প্রায় সব জনপ্রিয় ফুটবল তারকা যৌন কেলেঙ্কারির সঙ্গে নিজেকে জড়িয়েছেন। ফুটবল বিশ্বে যৌন কেলেঙ্কারির সংখ্যা কম নয়। সেগুলোর কয়েকটি ঘটনা ও তাঁর সঙ্গে জড়িত তারকা ফুটলারদের গল্প বলা হল:

    ডিয়াগো ম্যারাডোনা

    নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে ম্যারাডোনা বারবার শিরোনাম হয়েছেন। ২০ বছরের সংসার ভেঙ্গে ২০০৪ সালে ক্লদিয়ার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি ঘটে। এ সংসারে দুই মেয়ে আছে। এ তো গেল বিয়ের খবর। তাঁর গার্লফ্রেন্ডের সংখ্যা কম নয়। বিয়ের পরই ক্রিস্টিনা সিনাগ্রা নামে এক ইতালীয় তরুণীর প্রেমে পড়েন তিনি। সিনাগ্রার গর্ভে একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। তবে সিনাগ্রাকে প্রথমে স্বীকার করেনি। ২০১০ সালে ম্যারাডোনার জীবনে আসে ভেরোনিকা ওজেদা নামে এক আর্জেন্টাইন মডেল। এখানে জন্ম দেয়া ছেলে নিয়েও তৈরি হয় যথেষ্ঠ বিতর্ক। ভেরোনিকার সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার আগেই আসে রোসিও ওলিভা নামে আরেক নারী। ম্যারাডোনার অর্ধেক বয়সেরও কম বয়সী ওলিভার সঙ্গে প্রেম মিডিয়ার সামনে প্রকাশ পায় ২০১০ সালে। সে সম্পর্কও বেশিদিন টেকেনি। ৫৭ বছর বয়সী ম্যারাডোনার এখনো রয়েছে একাধিক গার্লফ্রেন্ড। এছাড়া নানা সময়ে যৌন হেনস্থা করার অভিযোগ তো আছেই।

    ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

    ঘন ঘন প্রেমিকা বদলানোয় ওস্তাদ এই পর্তুগিজ তারকা। এক সম্পর্ক ভাঙার পর আরেক সম্পর্কে জড়াতে সময় লাগে না। রাশিয়ান সুন্দরী ইরিনা শায়াকের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার কয়েক দিন পরই শোনা যায়, সিআর-সেভেন স্প্যানিশ টিভি সাংবাদিক লুসিয়া ভিয়ালনের সঙ্গে মন দেওয়া-নেওয়া সেরে ফেলেছেন। নিজের চেয়ে চার বছরের এক নারীর সঙ্গে প্রেমটাও চলে কয়েকটা দিন। কোনো সম্পর্কই দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। আবার কখনো নিঃসঙ্গও থাকতে হয়নি রোনালদোকে। এভাবেই চার সন্তানের বাবা এই পর্তুগিজ তারকা। বান্ধবী বদল নিয়মিতই চলে।

    রোনালদো দ্যা ফেনোমেনা।

    ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক। ঘরে সুন্দরী বান্ধবী থাকা সত্বেও যৌন কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছেন এই তারকা। ২০০৮ সালে রিও ডি জেনিরোতে নিজের হোটেল কক্ষে তিনজন পতিতা নিয়ে থাকার জন্য বেশ সমালোচিত হন এই ফুটবল কিংবদন্তি।

    গ্যারিঞ্চা

    ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার গারিঞ্চার। ১৯৫৮ সালে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের পর যৌন কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বিশ্বকাপ জয়ের একবছর পর সুইডেনে অবকাশযাপনে গিয়েছিল এই কিংবদন্তি ফুটবলার। সেখানে এক স্থানীয় নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ওই মহিলা অন্তঃসত্বা হয়ে পড়লে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।

    অ্যশলে কোল

    মাঠে দূর্দান্ত পারফরম্যান্সে সুনাম কুড়ালেও মাঠের বাইরে যৌন কেলেঙ্কারির জন্যও তাঁর সমালোচনা ঝড় ওঠে। ঘরে পপ স্টার সুন্দরী বউ থাকলেও তা যথেষ্ট ছিল না ইংল্যান্ডের এই ডিফেন্ডার। এক মডেলের সঙ্গে নগ্ন ছবি ফাঁস হওয়ায় বেশ সমালোচিত হন অ্যশলে কোল।

    মার্টিন এডওয়ার্ডস

    ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক চেয়ারম্যান মার্টিন এডয়ার্ডস। এক হোটেলে যৌন হয়রানির স্বীকার হয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে এক মহিলা। এই ঘটনার পর তার যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে ইংলিশ গণমাধ্যমে সমালোচনার বান বয়ে যায়।

    হোসে আলতাফিনি

    ইতালির বিখ্যাত ফুটবলার হোসে আলতাফিনি। নাপোলিতে খেলার সময় সতীর্থ বারিসনের স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এই স্ট্রাইকার। তার এই যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনা তৎকালীন সময়ে ইতালিয়ান গনমাধ্যমে বেশ ঝড় উঠেছিল।

    ওয়েন রুনি

    স্ত্রী কলিন অন্তঃসত্ত্বা থাকার সময় যৌনকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছেন এমন অভিযোগ এনেছিল ব্রিটিশ মিডিয়া। জেনি থমসন নামের ২১ বছর বয়সী এক যৌনকর্মী মিডিয়ার কাছে এমন অভিযোগ করেন। টানা বেশ কয়েক মাস একটি পাঁচতারকা হোটেলে তাদের সম্পর্ক চলেছে। জেনির দাবি, স্ত্রী সন্তানসম্ভবা থাকার পরও রুনি তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের ব্যাপারে কোনো রকম দ্বিধা-দ্বন্ধে ভোগেননি।

    যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগে ফ্রান্স জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকার করিম বেনজেমা।

    রোনালদিনহোর ক্যারিয়ারটা তো শেষ করে দিয়েছে এই নারী কেলেঙ্কারি। শেষমেষ একসঙ্গে দুই নারীকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ব্রাজিলের ফুটবল লিজেন্ড রোনালদিনহো। প্রিসিলা কোয়েলহো ও বিয়াত্রিজ সুজা নামে এই দুইজনের সঙ্গেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।

    নেইমারও পিছিয়ে নেই। একাধিক গার্লফ্রেন্ড রয়েছে তাঁর।

  • সুবর্ণ সুযোগ মিস করলেন মেসি!

    সুবর্ণ সুযোগ মিস করলেন মেসি!

    না, আগের মতোই ফ্রি কিকে দক্ষতা দেখাতে পারলেন না আর্জেন্টিনার ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি। পরপর দুটি সুযোগ হেলায় হারালেন তিনি! দারুণ সুযোগ এসেছিল পেনাল্টির। ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে মেসিকেই ডি বক্সের মধ্যে ফাউল করে বসেন আইসল্যান্ডের সিগরুডসন। পেনাল্টি শট নিতে আসেন জাদুকর। কিন্তু তার শট অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন আইসল্যান্ড গোলকিপার হ্যালডরসন।

    এর আগে রাশিয়া বিশ্বকাপে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সের্হিও আগুয়েরোর দুর্দান্ত গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা।ম্যাচ শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যেই আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠানোর খুব ভালো একটা সুযোগ পেয়েছিল আইসল্যান্ড। নবম মিনিটে ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে ফরোয়ার্ড আলফ্রেদ ফিনবোগাসনের নিচু শট একটুর জন্য লক্ষ্যে থাকেনি।

    ম্যাচের ১৯তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকারকে খুঁজে পান মার্কোস রোহো। সঙ্গে লেগে খেলোয়াড়কে এড়িয়ে বুলেট গতির শটে বল জালে পাঠান আগুয়েরো। এর মাত্র ৫ মিনিট পর আর্জন্টিনার জালে বল পাঠিয়ে ম্যাচে ১-১ সমতা আনে আইসল্যান্ড।

    গোলকিপার উইলি কাবাইয়েরো একটি চেষ্টা ফিরিয়ে দিলে বল পেয়ে যান আইসল্যন্ড ফরোয়ার্ড আলফ্রেড ফিনবোগাসন। ২৪তম মিনিটে খুব কাছ থেকে বল জালে পাঠান এই ফরোয়ার্ড। প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা আইসল্যন্ড নিজেদের প্রথম ম্যাচেই গোলের দেখা পেয়ে গেল! সেটাও আবার আর্জেন্টিনার মতো তারকাবহুল দলের বিপক্ষে।

  • রেকর্ড গড়লেন মাচেরানো

    রেকর্ড গড়লেন মাচেরানো

    মস্কোর স্পার্তাক স্টেডিয়ামে ‘ডি’ গ্রুপের খেলায় আইসল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে আর্জেন্টিনা। আর এই ম্যাচের মাঠে নামার মধ্য দিয়ে দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়লেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার হাভিয়ের মাচেরানো।

    আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে এটি তার ১৪৪তম ম্যাচ। এর আগে রেকর্ডটি ছিল সাবেক মিডফিল্ডার হাভিয়ের জেনেতির। তিনি খেলেছেন ১৪৩ ম্যাচ।

    আর্জেন্টিনার জাতীয় দলে ৩৪ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডারের অভিষেক হয়েছিল ২০০৩ সালে। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে দলের রক্ষণভাগ সামলাচ্ছেন তিনি। ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার অধিনায়কত্বের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে শততম ম্যাচের কোটা পার করেন।

  • আর্জেন্টিনা ১ – ১ আইসল্যান্ড

    আর্জেন্টিনা ১ – ১ আইসল্যান্ড

    রাশিয়া বিশ্বকাপের ডি গ্রুপের প্রথম ম্যাচে আজ মাঠে নেমেছে আর্জেন্টিনা ও আইসল্যান্ড। আর প্রথমার্ধের ২৩ মিনিটের মধ্যেই গোল পেয়েছে দুই দুল। ১৯ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন আগুয়েরা। কিন্তু মাত্র ৪ মিনিটের ব্যবধানে আইসল্যান্ডকে সমতায় ফেরান আলফ্রিও ফিনবোগাসন।

    আর্জেন্টিনা একাদশ:

    উইলি কাবাইয়েরো, এদুয়ার্দো সালভিও, নিকোলাস ওতামেন্দি, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, মার্কোস রোহো, হাভিয়ার মাসচেরানো, আনহেল ডি মারিয়া, লুকাস বিগলিয়া, মাক্সিমিলিয়ানো মেসা, লিওনেল মেসি, সের্জিও আগুয়েরো।

    আইসল্যান্ড একাদশ:
    হান্নেস থর হালডরসন, সায়েভারসন, রাগনার সিগুর্ডসন, গুডমুন্ডসন, বিয়ার্নাসন, গিলফি সিগুর্ডসন, ফিনবগাসন, আরনাসন, মাগনুসন, গুন্নারসন, হালফ্রেডসন।

  • সালাহবিহীন মিশরের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় উরুগুয়ের

    সালাহবিহীন মিশরের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় উরুগুয়ের

    হোসে মারিয়া গিমেনেসের গোলে মিশরকে ১-০ গোলে হারিয়েছে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে। ৮৮ মিনিট পর্যন্ত উরুগুয়েকে গোলবঞ্চিত রাখতে পারলেও ৮৯ মিনিটে গোল খেয়ে বসে মোহাম্মদ সালাহবিহীন মিশর। এসময় বেঞ্চে বসে থাকা সালাহকে বেশ হতাশ দেখায়।

    এর আগে, উরুগুয়ের লুইস সুয়ারেজ একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করায় হতাশা নেমে আসে অস্কার তাবারেজের মুখজুড়ে। অন্যদিকে নিজেদের রক্ষণ সামলে আক্রমণে উঠেন মিশরের মারওয়ান মোহসেন, ত্রিজেগুয়েতরা। প্রথমার্ধে এভাবে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত ৪৫ মিনিট শেষে ০-০ গোলে বিরতিতে যায় দুই দল।

    দ্বিতীয়ার্ধের পর অবশ্য আক্রমণের ধার বাড়ায় সুয়ারেজ-কাভানিরা। এরই ধারাবাহিকতায় সুযোগও আসে। ৭২তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো উরুগুয়ে। কিন্তু সহজ একটা গোলের সুযোগ নষ্ট করে আরও একবার উরুগুইয়ান দর্শকদের হতাশ করেন সুয়ারেজ। গোলপোস্টের খুব কাছ থেকে সুয়ারেজের কাছ থেকে বলটি কেড়ে নেন মিশরের গোলরক্ষক মোহাম্মদ এল শেনাউয়ি। ৮৩ মিনিটে ডিবক্সের মধ্যে বল পেয়ে হেড দিয়ে কাভানিকে দেন সুয়ারেজ। কিন্তু পিএসজি তারকা জোরালো শট জালে ঢুকতে পারেনি। এবারও ত্রাতার ভূমিকায় শেনাউয়ি। ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে ডিবক্সের কাছ থেকে ফ্রি কিক পায় উরুগুয়ে। কিন্তু এবারও গোল আদায় করতে পারেনি কাভানির জোরালো শট।

    তবে রক্ষণ সামলাতেই যে কেবল ব্যস্ত ছিলেন মিশরীয়রা, তা কিন্তু নয়। পাল্টা আক্রমণে তারাও ভয় ধরানোর চেষ্টা করেছে বার বার। কিন্তু সালাহ না থাকায় একজন ফিনিশারের বেশ অভাব বোধ করেছিল মিশর। আর এই সুযোগে ম্যাচের ৮৯তম মিনিটে গোলবারের বাম পাসের এক ফ্রি কিক থেকে হেডে গোল আদায় করে উল্লাসে ফেটে পড়েন হোসে মারিয়া গিমেনেস। সুয়ারেজ-কাভানিরা যখন উল্লাসে ব্যস্ত তখন ক্যামেরায় হতাশ সালাহকে খুঁজে নেয় ক্যামেরা। নির্ধারিত সময়ের ১ মিনিট আগে দলের এমন হার মেনে নিতে পারছিলেন তিনি।

  • বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা ছিল

    বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা ছিল

    পর্দা উঠছে ২১তম ফুটবল মহাযজ্ঞের। মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে ৮১ হাজার দর্শক তার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হয়েছেন সেই মহাযজ্ঞের। সাথে সাথে টিভি সেটে চোখ রেখেছে সারা বিশ্বের কোটি কোটি দর্শক।

    বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে গান গেয়ে মাতিয়ে তুলেন অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ব্রিটিশ রক মিউজিক তারকা রবি উইলিয়ামস। ছিলেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ী সাবেক ফুটবলার রোনালদো। এছাড়াও আরও ছিলেন রাশিয়ার জনপ্রিয় শিল্পী আইদা গারিফুলিনা, অপেরা আইকন প্লাসিদো ডমিঙ্গো ও জনপ্রিয় শিল্পী জুয়ান দিয়েগো ফ্লোরেজ।

    জানা যায়, ১৯৮০ সালে মস্কো অলিম্পিকের পর এটাই রাশিয়ায় সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞ। তাই অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই একটু ব্যাতিক্রমভাবে আয়োজন করে দেশটি।

    উল্লেখ্য, রাশিয়া-সৌদি আরব ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ।

  • সৌদির জালে দারুণ এক গোল রাশিয়ার

    সৌদির জালে দারুণ এক গোল রাশিয়ার

    চোখ ধাঁধানো এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাঠে নেমেছে রাশিয়া ও সৌদি আরব। ম্যাচের ১২ মিনিটে কর্ণার থেকে ইউরি গাজিনস্কিয়ি দারুণ এক গোল দিয়ে স্বাগতিক রাশিয়াকে এগিয়ে দেন।

    রাশিয়া বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় মুখোমুখি হয়েছে স্বাগতিক রাশিয়া ও সৌদি আরব।

    রাশিয়া একাদশ
    গোলরক্ষক: ইগর আকিনফিভ
    রক্ষণভাগ: মারিও ফারনান্দেস, সের্গেই ইগনাশেভিচ, ইলিয়া কুতেপভ
    মধ্যমভাগ: ইউরি গাজিনস্কিয়ি, আলান জাগোয়েভ, রোমান জোবনিন, আলেক্সান্দর গোলোভিন, ইউরি ঝিরকভ, আলেক্সান্দর সামেদভ
    আক্রমণভাগ: ফেদর স্মলভ।

    সৌদি একাদশ

    গোলরক্ষক: আবদুল্লাহ আল মাইয়ুফ।
    রক্ষণভাগ: মোহাম্মদ আল বোরায়েক, ওমার হাউসাবি, ওসামা হাউসাবি, আল শাহরানি।
    মধ্যমভাগ: আবদুল্লাহ ওতাইফ, সালেম আল দাউসারি, সালমান আল ফারাজ, তাইসির আল জাসিম, ইয়াহিয়া আল শেহরি।
    আক্রমণভাগ: মোহাম্মদ আল সাহলাবি।

  • স্পেনের নতুন কোচ ফার্নান্দো

    স্পেনের নতুন কোচ ফার্নান্দো

    গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়ে বিশ্বকাপের পর্দা ওঠার ঠিক একদিন আগে বরখাস্ত হয়েছেন স্পেনের কোচ হুলেন লোপেতেগি।আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লোপেতেগির বিকল্প খোঁজে নিয়েছে স্পেন। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ফার্নান্দো ইয়েরো। বোল্টন ওয়ান্ডারার্সের সাবেক এই ডিফেন্ডারের অধীনেই রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলবেন পিকে-ইনিয়েস্তারা।

    ফার্নান্দো ইয়েরো স্পেনের জাতীয় ফুটবল দলের স্পোর্টিং ডিরেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন। মঙ্গলবার স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ তাদের পরবর্তী কোচ হিসেবে হুলেন লোপেতেগির নাম ঘোষণা করে। বিশ্বকাপ শেষ হলেই তিনি দায়িত্ব নেবেন বলেও জানায় রিয়াল মাদ্রিদ কর্তৃপক্ষ।

    রিয়ালের সঙ্গে চুক্তির খবরের ঠিক একদিন পর বুধবার লোপেতেগিকে বরখাস্ত করে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন। তার শূন্যস্থান পূরণে ফার্নান্দো ইয়েরোর নাম ঘোষণা করা হয়।

    ফার্নান্দো ইয়েরো এর আগে রিয়াল মাদ্রিদের সহকারী কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মালাগা ফুটবল ক্লাবের পরিচালকের দায়িত্বেও ছিলেন।

  • বিশ্বকাপের ১ দিন আগে হঠাৎ বরখাস্ত স্পেনের কোচ

    বিশ্বকাপের ১ দিন আগে হঠাৎ বরখাস্ত স্পেনের কোচ

    রাশিয়া বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে বৃহস্পতিবার। বিশ্বের ৩২টি দেশ মাঠে নামছে শিরোপার লড়াইয়ে। কিন্তু এর আগে স্পেন ভক্তদের জন্য বড় দুঃসংবাদ দিল লা রোজারা। সবাইকে অবাক করে দিয়ে বিশ্বকাপের ঠিক একদিন আগে জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হুলেন লেপেতগুইকে বরখাস্ত করল স্পেন।

    ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘গার্ডিয়ান’ এ খবর জানিয়েছে। বিশ্বকাপের পর লেপেতগুই রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্ব নেবেন- এমন ঘোষণার একদিন পরই লেপেতগুইকে বরখাস্ত করল ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অথচ বিশ্বকাপ শুরুর দ্বিতীয় দিন ১৫ জুন রাতে পর্তুগালের বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। লেপেতগুইকে বরখাস্ত করায় এখন কোচবিহীন খেলতে নামতে হতে পারে রামোসদের।

    রিয়াল মাদ্রিদ মূল দলের হয়ে একটি ম্যাচ খেলা লোপেতেগি ২০০৩ সালে স্পেন অনূর্ধ্ব-১৭ দলের সহাকারী কোচ হিসেবে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। পোর্তোয় যাওয়ার আগে স্পেন অনূর্ধ্ব-১৯, অনূর্ধ্ব-২০ ও অনূর্ধ্ব-২১ দলের কোচিং করান। ৫১ বছর বয়সী এই কোচের অধীনে এখন পর্যন্ত হারেনি স্পেন। এই হঠাৎ ঘোষণার কারণে খেলোয়াড়দের মনোবল ভেঙে যেতে পারে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।

  • মেসি-নেইমারের চেয়ে দুর্দান্ত এরদোগান, ১৫ মিনিটে হ্যাটট্রিক (ভিডিও)

    মেসি-নেইমারের চেয়ে দুর্দান্ত এরদোগান, ১৫ মিনিটে হ্যাটট্রিক (ভিডিও)

    শিরোনামটা দেখে অবাক হতে পারেন! এরদোগান আবার ফুটবল খেলেন নাকি।  হ্যাঁ খেলেছেন।বিশ্বকাপের হাওয়া লেগেছে তুরস্কেও। আর এরই অংশ হিসেবে একটি প্রীতি ম্যাচে অংশ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। আর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট যে নৈপুণ্য দেখালেন বলতে পারেন তা মেসি-নেইমারদের চেয়েও দুর্দান্ত। কারণ ৬৪ বছর বয়সেও এরদোগান যেরকম ফুটবল নৈপুণ্য দেখিয়েছেন তাতে চোখ কপালে ওঠার মতো অবস্থা।

    ডান ডানপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণ রচনা করে কমলা জার্সিধারীরা। লম্বা ক্রসে ডান প্রান্তে পাস দেন এক মিডফিল্ডার। উচুঁ হয়ে আসা বলটি বাম পায়ে রিসিভ করেন ১২ নম্বর জার্সিধারী ফরোয়ার্ড। রিসিভ করেই ডান পায়ের প্লেসিং শটে জালে জড়ান বল। প্রতিপক্ষে দুই ডিফেন্ডারের চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিলো না। গোল… বলে উল্লাসে ফেটে পড়েন দর্শকরা। সতীর্থরা অভিনন্দন জানায় গোলদাতাকে। সেই গোলদাতা আর কেউ নন, স্বয়ং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। একটি প্রীতি ম্যাচে দেখা গেছে তার এমন দুর্দান্ত ফুটবল নৈপুণ্য।

    ভিডিওর শুরুতেই দেখা যায় এরদোগান ড্রেসিং রুম থেকে তার দল নিয়ে মাঠে আসেন। ম্যাচের শুরুতে অবশ্য তিনি ছিলেন সাইডবেঞ্চে। তবে দল ৩-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর মাঠে নামেন তিনি। নেমেই দুর্দান্ত হ্যাট্রিক করে দলকে সমতায় ফেরান। এরপর জয়ও পায় তার দল। শেষ দিকে পেনাল্টি পেয়ে জয় পায় তার দল।

    প্রথম প্রচেষ্টায়ই প্রতিপক্ষের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের বাম পাশ দিয়ে শট নেন। তবে এরদোগানের বাম পায়ের শটটি ধরে ফেলেন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক। পরমূহুর্তে নিজেদের সীমানা থেকে আবার আক্রমণ রচনা করে তার দল। তবে এবার আর ব্যর্থ হতে হয়নি তাকে। ডান পায়ের শটে করেন প্রথম গোল। একটু পরই মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে অনেকটা দৌড়ে গিয়ে বা পায়ের শটে করেন দ্বিতীয় গোল। গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে জালে জড়ায় বল। এরদোগানের করা তৃতীয় গোলটি বক্সের ডান প্রান্ত দিয়ে করা । এই গোলটির মাধ্যমে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তিনি। অবশ্য গোলটি দেখে খটকা লাগতে পারে দর্শকদের। ভিডিও দেখে মনে হয়েছে, তার দলের অন্য খেলোয়াড়রা গোল করার সুযোগ পেয়েও গোলে শট নেননি। হয়তো এরদোগানকে হ্যাটট্রিক পূরণ করার সুযোগ দিতেই তাদের এই ত্যাগ!

    শেষ দিকে আবার বক্সের বাম পাশে উচু হয়ে আসা বল বুক দিয়ে পায়ে নামিয়ে ডান পায়ের দারুণ এক সাইড ভলিতে বক্সের মধ্যে ক্রস ফেলেন। এসময় গোলের সুযোগ থাকলেও এরদোগানের সতীর্থকে ফাউল করে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার। পেনাল্টি পায় দল। পেনাল্টি গোল থেকেই থেকে ৪-৩ ব্যবধানে জয় পায় তার দল।

    এক সময় আধাপেশাদার ফুটবল খেলতেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। পনের বছর বয়সে ক্লাব পর্যায়ে ফুটবল খেলতে শুরু করেন এই রাষ্ট্রনেতা। খেলোয়াড়ি জীবনে খেলেছেন ইস্তাম্বুলের এরোস্কপর, কামিয়ালটি ও আইইটিটি স্পোর ক্লাবে। এর মধ্যে কামিয়ালটিতেই খেলেছেন টানা সাত বছর। এরপর আইইটিটি স্পোরে যোগ দিয়ে খেলেছেন আরো সাত বছর। সেখানে ক্লাবটির হয়ে জিতেছেন পাঁচটি শিরোপা। এক পর্যায়ে পেশাদার ক্লাব পেনেরবাচ তাকে দলে টানতে চাইলেও তিনি আর আগ্রহ দেখাননি।

    তুরস্কে টিভি চ্যানেল এনটিভি স্পোরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এরদোগান জানিয়েছেন তার খেলোয়াড়ি জীবনের অনেক ঘটনা। মজা করে বলেছেন, পুরো ক্যারিয়ারে একবার মাত্র লাল কার্ড দেখেছিলেন তিনি। ফুবলার হওয়ার বিষয়ে পরিবারের অবস্থান সম্পর্কে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমার মা কখনো বাধা দিতেন না। তিনি সব সময় আমার জার্সি ধুয়ে, লন্ড্রি করে রাখতেন। তবে বাবাকে ম্যানেজ করতে কষ্ট হতো। তিনি পড়াশুনা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। অনেক পরে জেনেছেন যে আমি ক্লাব পর্যায়ে খেলি।

    ২০১৪ সালে ইস্তাম্বুলে একটি স্টেডিয়ামের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিলো প্রীতি ম্যাচটির। তবে ইউটিউবের কল্যাণে ভিডিওটি আবার আলোচনায় এসেছে সম্প্রতী। ইস্তাম্বুলের বাসাকসেহির ক্লাবের নিজস্ব ফুটবল স্টেডিয়াম উদ্বোধন উপলক্ষে ম্যাচটি খেলেছেন এরদোগান। ম্যাচে এরদোগানের দলে ছিলেন ইস্তাবম্বুলের মেয়র কাদির তোপবাস, বাক্সেটবল তারকা হেদায়েত তোরকোগলু, এরদোগানের পুত্র বিলাল। ম্যাচের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই অবশ্য পেশাদার ক্লাব বাসাকসেহির এর খেলোয়াড়।

    ইউটিউবে ভিডিওটিতে দর্শকদের প্রতিক্রিয়াও ছিলো দেখার মতো। বিভিন্ন দেশী দর্শকরা এরদোগানের ফুটবল নৈপুণ্যের প্রশংসা করেছেন। এক আবেগী দর্শক তো লিখেই ফেলেছেন, ‘প্লিজ  আপনি মাদ্রিদে আসুন’।

    ২০০৩ সাল থেকে তুরস্কের প্রথমে প্রধানমন্ত্রী ও পরে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় আছেন এরদোগান। আগামী মাসের নির্বাচনেও তার দল জয় পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।