Category: বিনোদন

  • ‘টগর’ সিনেমা থেকে বাদ দীঘি, নেপথ্য কী?

    ‘টগর’ সিনেমা থেকে বাদ দীঘি, নেপথ্য কী?

    ‘টগর’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। এ সিনেমার টিজারও প্রকাশ হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি থেকে বাদ পড়েন দীঘি। তার পরিবর্তে নেওয়া জয় পূজা চেরীকে।

    এর কারণ হিসাবে সিনেমাটির পরিচালক আলোক হাসান দীঘির অপেশাদার আচরণের কথা উল্লেখ করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি নতুন করে মোশন পোস্টার প্রকাশ করে সিনেমাটির নতুন নায়িকার নাম প্রকাশ করে প্রযোজনা সংস্থা। মোশন পোস্টারে দেখা যায় আদরের সঙ্গে পূজা চেরীকে।

    তবে সিনেমা থেকে বাদ পড়ায় শিল্পী সমিতিতে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি মানহানির কারণে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছেন দীঘি।

    দীঘির এমন মন্তব্য ভালোভাবে নেয়নি টগর সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এ আর মুভি নেটওয়ার্ক। দীঘির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে সিনেমার টিমের সঙ্গে তার অডিও বার্তা অনলাইনে প্রকাশের হুমকি দিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি।

    এ বিষয়ে এ আর মুভি নেটওয়ার্কের ফেসবুক পেজ থেকে লেখা হয়, ‘(দীঘি) বরং নিজের পেশাদারত্বের দিকে মনোযোগ দিলে ভালো করতেন। একটি প্রজেক্টে অনবোর্ড হওয়ার পর দিনের পর দিন পার হয়ে যায়, তিনি স্ক্রিপ্টের ফাইনাল ড্রাফট পড়ার সময় পান না। পরিচালকের ফোন, মেসেজের রিপ্লাই করতে ২৪-৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে যায়, কনটেন্ট প্রমোশনের সময় পান না, এমন পরিস্থিতিতে একটা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের করণীয় কী থাকে? একটা প্রজেক্টের শুরুতেই যদি এত অনীহা ও দায়িত্বহীনতা কাজ করে, তাহলে রিলিজের সময় কী হবে?’

    দীঘির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি লেখেছে, ‘পরিচালক নিজে তাকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি জানান। এরপর তিনি পরিচালককে কল করেন। তবে তিনি দাবি করেছেন আমরা যুক্তিসংগত কারণ দেখাতে পারিনি। অথচ তিনি বাদ পড়েছেন গত ২২ জানুয়ারি। সেদিন তিনি পরিচালকের সঙ্গে ২০ মিনিট কথা বলেছেন। শেষ পর্যন্ত আমাদের সিদ্ধান্ত মেনেও নিয়েছেন। এরপর তিনি তার কো-আর্টিস্ট আদর আজাদের সঙ্গে ৩৪ মিনিট কথা বলেছেন। তারও ঠিক এক মাস পর যখন আমরা তাকে বাদ দিয়ে মোশন পোস্টার প্রকাশ করে টগরের নায়িকার নাম ঘোষণা করলাম, এখন তিনি শিল্পী সমিতিতে অভিযোগের কথা বলছেন। মানহানির কথা বলছেন। অভিযোগ তো আমাদের করার কথা তার অপেশাদারত্বের কারণে।’

    দীঘিকে পাল্টা হুমকি দিয়ে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ‘প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করবে; আর্টিস্টরা যদি কাজে কমিটেড না থাকেন, তাহলে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে। আমরা তো শুধু অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার শুট করেছি, বিশ্বব্যাপী সিনেমার মূল শুটিংয়ের পরও কাস্টিং পরিবর্তনের অসংখ্য নজির রয়েছে। দীঘির অপেশাদারত্বের আরেকটি নমুনা হচ্ছে, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে এক মাস পর অভিযোগের হুমকি দিচ্ছেন। তিনি যদি এ বিষয়ে আর জল ঘোলা করেন, তাহলে প্রমানস্বরূপ ২২ জানুয়ারি হওয়া তার সঙ্গে টিমের দুটি কনভারসেশনের অডিও অনলাইনে আপলোড করে দেব।’

    এবারই প্রথম নয়, এর আগেও নির্মাতার সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন দীঘি। ‘তুমি আছো তুমি নেই’ সিনেমার ট্রেলার নিয়ে নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। এরপর রায়হান রাফীর ‘সুড়ঙ্গ’ থেকে বাদ পড়েও একই কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন দীঘি।

  • সুখবর দিলেন অভিনেত্রী মিথিলা

    সুখবর দিলেন অভিনেত্রী মিথিলা

    অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী তাহসান খান শনিবার দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। জনপ্রিয় মেকওভার আর্টিস্ট রোজা আহমেদকে তিনি বিয়ে করেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তাহসান নিজেই। এবার সুখবর দিলেন তার সাবেক স্ত্রী অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। কিন্তু কী সেই সুখবর

    অভিনয়ের জগতে বরাবরই সফল মিথিলা। টেলিভিশন, ওয়েব সিরিজ থেকে শুরু করে কলকাতার সিনেমাগুলোতে নায়িকা চরিত্রে দেখা গেছে এ অভিনেত্রীকে। এবার জনপ্রিয় কোরিয়ান নাটক ‘ডেসেন্ড্যান্টস অফ দ্য সান (ডটস)’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। তবে অভিনয়ে নয়, নাটকটির গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে বাংলা ডাবিংয়ে কণ্ঠ দেবেন তিনি। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিথিলা নিজেই। তিনি বলেন, কাজটি করার ব্যাপারে আমি সম্মতি দিয়েছি। বর্তমানে বিদেশে আছি, দেশে ফিরেই কাজ শুরু করব।

    খালিদ হোসেন অভি নাটকটির বাংলা ডাবিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন।এর আগে ‘রিপ্লাই ১৯৮৮’, ‘লেজেন্ড অব দ্য ব্লু সি’ ও ‘মিস্টার কুইন’-এর মতো কোরিয়ান ড্রামাগুলোর বাংলা ডাবিং প্রযোজনা করেছেন। সিরিজটির দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ডক্টর ইউন মিউং জু চরিত্রে বাচিক অভিনয় করবেন অভিনেত্রী মিথিলা।

    এ ব্যাপারে অভি জানান, ‘ডটস’-এর সঙ্গে রয়েছেন মিথিলা। ‘ডেসেন্ড্যান্টস অফ দ্য সান’র বহুল প্রত্যাশিত বাংলা ডাবে উগ্র এবং শক্তিশালী ড. ইউন মিউং জু’র চরিত্রে কণ্ঠ দেবেন তিনি।

  • যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে সফল উদ্যোক্তা বরিশালের মেয়ে রোজা

    যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে সফল উদ্যোক্তা বরিশালের মেয়ে রোজা

    দীর্ঘ ৭ বছর সিঙ্গেল থাকার পর দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী-অভিনেতা তাহসান খান। তার স্ত্রী বরিশালের মেয়ে রোজা আহমেদ, পেশায় মেকওভার আর্টিস্ট।

    স্ত্রীকে একজন সফল উদ্যোক্তা জানিয়ে তাহসান বলেছেন, পড়াশোনা শেষ করে কসমেটোলজি লাইসেন্স অর্জন করে পরবর্তী সময়ে নিউইয়র্কের কুইন্সে রোজাস ব্রাইডাল মেকওভার প্রতিষ্ঠা করেছেন রোজা। তার ফেসবুক পেজ ‘রোজাস ব্রাইডাল মেকওভার’ পেজে অনুসারী সংখ্যা ১২ লাখের ওপরে।
    তবে বরিশাল শহরে বড় হওয়া রোজার যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা পেতে কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি। স্কুলে পড়ার বয়সে বাবাকে হারিয়ে মা-ভাইসহ রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন রোজা। সেখান থেকে কীভাবে আজ তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মেকওভার আর্টিস্ট – সে কথা নিজের ‘রোজাস ব্রাইডাল মেকওভার’ পেজে গত ২০২৪ সালের ৪ জুন এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে জানান রোজা।

    তিনি জানান, বাবা মারা যাওয়ার পর অনেকটা একা একাই সংগ্রাম করে বড় হয়েছেন রোজা। টিউশনি করে আর এলাকায় বিয়ের কনেকে সাজিয়ে নিজের খরচ জোগাতেন তিনি।

    স্ট্যাটাসে রোজা লিখেছেন, কোচিংয়ের পড়া আমার ভালো লাগত না তাই আমি নিজে নিজে বুঝে পড়তাম। কিন্তু বাসার কথা ছিল কোচিংয়ে পড়তেই হবে। তাই কোচিংয়ের সময়টা আমি স্টুডেন্ট পড়াতাম লুকিয়ে লুকিয়ে আর সেই টাকা জমিয়ে ভাই উৎসকে ঘুরতে নিতাম। কিছু একটা পছন্দ করলে কিনে দিতাম। বাবার যে আদর আমি পেয়েছি ও সেই আদর পায়নি সে। তাই বাবার আদর হয়তো দিতে পারতাম না তবে কখনো যাতে আফসোস না করে সেই চেষ্টা চালিয়ে যেতাম। আবার নিজের খরচটাও একটু বাড়ল। ওয়াইফাই ছিল না তাই এমবি কিনে ফেইসবুকিং শুরু করি। এভাবেই তিন মাস চলল। হঠাৎ বাজারে দাদা ভাইয়ের সঙ্গে স্যারের দেখা, স্যার বললেন রোজা আসে না কেন? এরপর কি হতে পারে যারা ফেইস করেছেন তারা বুঝবেন। শুরু হয়ে গেল বাসায় বিচার-সালিশ। যেহেতু সত্যি আমি কোচিংয়ে যাইনি তাই আমার জোর গোলায় কথা বলার মুখ ছিল না। আর কোচিংয়ের টাকা বন্ধ করে দিল আর বলল, তুই তো একা একাই সব পারিস তো কোচিংয়ে পড়তে হবে না। আর টিউশন দুটাও বাদ দিতে হলো। এখন স্কুল আর বাসা। স্কুলে আমি অনেক পপুলার ছিলাম নাচের জন্য। ওহ ক্লাস থ্রিতে থাকতে নাচের জন্য আমি জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছিলাম। আর তখন থেকেই একা একা সাজতাম আর যারা আমার সাথে নাচ করত ওদেরকেও সাজিয়ে দিতাম। আর সবাই আমার সাথে চলতে চাইত বিশেষভাবে মেয়েরা কারণ আমি খুব ভালো সাজাতে পারি।

    তিনি লেখেন, আমার এক দূরের কাজিনের বিয়ের প্ল্যান ছিল ঢাকা থেকে আর্টিস্ট আনবে। তখন বরিশালে ফ্রিলান্সার আর্টিস্টের নামটার সাথে কেউ পরিচিত ছিল না। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মেয়েটা ঢাকার আর্টিস্ট আনতে পারেনি। আমাকে কল দিয়ে খুব মন খারাপ করে বলল, পরিবার বিয়েতে অনেক খরচ করছে, এতো বড় আয়োজন কিন্তু মেকআপের জন্য এতো টাকা দেবে না। আর বরিশালের কোনো পার্লারের সাজ আমার পছন্দ না, তোর সাজটা আমার খুব ভালো লাগে। আমি একটু চুপ থেকে বললাম, আপু তোমার এতো বড় বিয়ের আয়োজনে আমার কাছে সাজবা শিওর তুমি? বলল হ্যাঁ, তোর মতো করে আমাকে সাজিয়ে দিস তাহলেই হবে। সেই থেকে মেকআপের প্রফেশনাল জার্নিটা শুরু। এর পর আপুকে সাজালেও খুব ভয় হচ্ছিল আমি কি বিয়েতে যাব? কারণ কেমন না কেমন হয়েছে সাজ? মা জোর করে নিয়ে গেলেন। সবার এতো প্রশংসা আর ফিডব্যাক পেয়ে আমি হতভম্ব। এরপর থেকেই আপুর অনেক ফ্রেন্ড আমার কাছে সাজা শুরু করল। মাত্র ২ হাজার টাকা করে নিতাম। তবে সেই বাসার সমস্যায় আবার পড়লাম। দাদা ভাইকে বলা হলো আমি পার্লারের কাজ করি, পার্লারের মেয়ে আমি। আমি বললাম হ্যাঁ তো? পার্লারে যারা কাজ করে ওরা কি মানুষ না? তাদের কি পরিবার নাই? দেখ তোমাদের মতো এক একটা পরিবার চালায় তারা। আমি তাদের রেস্পেক্ট করি। সেদিন সবাই অনেক উচ্চকণ্ঠে আমাকে বলল, এই মেয়ে আমাদের মানসম্মান ডোবাবে। সেদিন অনেক জেদ হলো! শুরু করলাম ফ্রিলান্সার মেকাপ আর্টিস্টের কাজ। বরিশাল শহরে কেউ এই টার্মটার সাথে পরিচিত ছিল না। কিন্তু এখন শত মেয়ে ফ্রিলান্সার মেকাপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছে দেখে খুব গর্ব হয়। যেহেতু বিয়েগুলো দুপুরে হতো মেক্সিমাম তাই অনেক সময় ব্রাইডের কাজ করতে গিয়ে স্কুল বন্ধ দিতাম। স্কুল ব্যাগে মেকাপ প্রডাক্ট নিয়ে চলে যেতাম সোজা ক্লায়েন্টের বাসায়, ছুটির সময়ে চলে আসতাম বাসায়। আর সেই খবর বাসায় চলে আসে। ওইদিন রাতে বুঝে যায়, আমাকে যদি কিছু বলতে আসে আমি কাউকে ছাড় দেব না। তাই এবার আর আমাকে না বলে আমার মাকে অনেক মন্দ বলে। মায়ের সেই সরল কান্না যতবার দেখেছি নিজের জেদকে আরও শক্তিশালী করেছি। নিজেকে তৈরি করেছি মানুষ হিসেবে, একবারও নারী হিসেবে নয়।

    তিনি আরও লেখেন, ব্রাইডের সংখ্যা বাড়তে থাকে বরিশাল থেকে পুরো দেশে নাম ছড়িয়ে পড়ল। বাসায় ফাইনান্সিয়াল্লি কন্ট্রিবিউশন করা শুরু করলাম। বাহ এবার আমার পরিবারের সবাই আমাকে নিয়ে গর্ব করছে, পরিচয় দিচ্ছে। আমি সবার মধ্যমনি। কিন্তু ওইদিনটাতে বাবার কথা খুব মনে পড়ছিল যে বাবা তোমার মৃত্যুর পর যতটা কষ্ট পেয়েছি তোমাকে হারিয়ে তার থেকে বেশি কষ্ট পেয়েছি এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করে।

    রোজা বলেন, ব্রাইডাল মেকাপ ট্রান্সফরমেশন ভিডিও আপলোড শুরু করলাম, নিজের ব্লগ, সব কিছু মিলিয়ে ভাইরাল হওয়া শুরু হলো। ঢাকা থেকে ক্লায়েন্টের নক আশা শুরু করল। কিন্তু ঢাকাতে তো কারো বাসায় উঠব না। অন্যদিকে পরের দিন বরিশালে ৪-৫ টা ক্লায়েন্ট। তাই সারাদিন কাজ করে রাত ৯ টায় লঞ্চে করে ঢাকা এসে সারাদিন কাজ করে আবার বরিশালে ব্যাক করি। এই যাতায়াতে করতে গিয়ে রাস্তাঘাটে কতো মানুষের কথা শুনেছি, তবে আমাকে কেউ নারী বলে হ্যারেসমেন্ট করার সাহস পায়নি। কারণ আমার চোখ তাদের বলে দিত যে আমি জীবনে কাউকে ছাড় দিই না, দেব না। তা বাসায় হোক আর বাইরে হোক।

    তিনি বলেন, ঢাকার ক্লায়েন্ট বাড়ল, বাজেট বাড়ল। বিবিএ’র স্টুডেন্ট ছিলাম, কাজের পাশাপাশি পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া সব মিলিয়ে বেশ একটা কঠিন সময় যাচ্ছিল। যাই হোক খুব সাহস করে বসুন্ধরাতে একটা ছোট বাসা নিয়ে স্টুডিও সেটাপ দিই। বাড়িওয়ালা খুব ভালো ছিলেন। তার পরিবার নিয়মিত আমার ব্লগ দেখতেন। কিন্তু এতো ক্লায়েন্ট আসত যে পাশের বাসা থেকে কমপ্লেইন আসা শুরু করল। পরে বাসাটা ছেড়ে একটু বড় পরিসরে বাসা নিয়ে আবার নতুন সেটাপ দিই। এবার দারোয়ান মামাকে বেশ ভাল বকশিস দেই তাই আর ঝামেলা হয় না। এভাবেই আস্তে আস্তে রোজাস ব্রাইডালকে ক্লায়েন্টের দোরগোড়ায় নিয়ে যাই। ঢাকা-বরিশাল সব সময় ক্লায়েন্ট। পরে ফ্লাইটে যাতায়াত শুরু করি। এমন হয়েছে সকালে বরিশালে ক্লায়েন্ট করে দুপুরে ঢাকাতে করেছি। আর সব সম্ভব হয়েছে মনের মধ্যে একটা জেদের কারণে। কারণ, এই সেক্টরের মেয়েরা অনেক অবহেলিত। আমাকে যে কথা শুনতে হয়েছে আমি আর একটি মেয়েকেও সেই কথা শুনতে দিতে চাই না। তাই শুরু করলাম মেকআপ ক্লাস। এক বছরে ৫০০ জনের বেশি মেয়েকে মেকআপ শেখালাম। শত শত মেয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াল। হঠাৎ একদিন মায়ের কল, ইউএসএ অ্যাম্বাসি তে দাঁড়াতে হবে ইমেগ্রেশন ভিসার জন্য। বড় মামা অনেক আগে থেকে আবেদন করেছিল। দেখতে দেখতে ভিসা হয়ে গেল। উৎস আর মায়ের জন্য দেশ ছাড়তে হবে। নিজের সাজানো সংসার বলা যায়, তা ছেড়ে যেতে যেমন লাগে দেশ ছেড়ে আমার যেতে ঠিক তেমন লেগেছে। একটু একটু করে এ দেশে নিজের অবস্থান তৈরি করেছি আর সেই সব ছেড়ে যাব? মজার কথা হল, যেদিন আমার ফ্লাইট ওইদিনও আমি ব্রাইডের কাজ করি। দেশে আমার সার্কেলটা খুব ভালো, দেশ ছাড়ার সময়ে আমি নিজের লাগেজ পর্যন্ত গুছাইনি। যা কিছু করার সব ওরা করেছে। ওদের ছেড়ে থাকাটাও আমার জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল।

    এরপর রোজা বলেন, নিজের ক্যারিয়ার, নিজের সার্কেল আর নিজের স্বপ্ন সব ফেলে অনিশ্চিত এক ভবিষ্যত নিয়ে চলে এলাম ইউএসএতে। এখানে আমি আসার আগেই বার্গারের দোকানে কাজ থেকে শুরু সব কাজ আমার জন্য দেখা হয়েছিল, আমাকে না জানিয়েই। আমি তো করবোই না, ওইযে আমি খুব জেদি, শুরু করলাম নিউইউর্কে প্রচারণা। মাত্র ১৫ দিনের মাথায় ক্লায়েন্ট পেলাম। আস্তে আস্তে ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানের প্রবাসীরাও আমার কাছে সাজা শুরু করল, ক্লাস করা শুরু করালাম। নিজেকে আবার এই দেশেও একজন প্রতিষ্ঠিত নারী উদ্যোক্তা হিসেবে দাড় করালাম। কসমেটোলজির মাধ্যমে স্কিন, হেয়ার এবং মেকআপ রিলেটেড স্টাডি করলাম কলেজে। আর সেখান থেকেই আজকের স্টুডিও। কসমেটোলজির ওপর নতুন করে আবার পড়াশোনা, লাইসেন্স নেওয়া সব চ্যালেঞ্জ নতুন করে আবার ফেইস করেছি। সেলুনে সব থেকে এক্সপেন্সিভ এবং কোয়ালিটিফুল প্রডাক্ট দিয়ে সাজিয়েছি সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট।

    তাহসানপত্মী বলেন, কথাগুলো খুব আবেগ নিয়ে লেখা। শুরুতেই বলেছিলাম, আমার মা একজন সরল মানুষ। বাবা মারা যাওয়ার পর জীবনে উচ্চস্বরে কথা বলতে পারেনি, কখনো হাসতে দেখিনি। আর আজ সেই মা উচ্চগলায় সবাইকে ফোনে বলে ‘হ্যাঁ আমার বড় মেয়ে রোজাই তো আমাকে দেখছে, আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ অনেক ভালো রাখছেন আমাদের। তিনি হয়ত স্বপ্ন দেখতে পারেননি কিন্তু তার মেয়ে হিসেবে একটু হলেও নতুনভাবে বাঁচতে শেখাতে সাহায্য করেছি। আজ খুব চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছে, বাবা তোমার সেই ছোট্ট পরীটা অনেক বড় হয়েছে! আমার সব স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দু তুমি বাবা। আমি শুধু একটা কথাই বলব, আপনাদেরকে ভেঙে দেওয়া জন্য হাজার মানুষ থাকবে কিন্তু প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আপনাকে একাই চলতে হবে।

  • ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনা, মেহজাবীনের আবেগঘন পোস্ট

    ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনা, মেহজাবীনের আবেগঘন পোস্ট

    হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় ছয়জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। আর এর মধ্যে সেখানে এক বাইকারের স্ত্রী আর সাত বছরের সন্তান নিহত হয়েছেন। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন সেই বাইকার। এ ঘটনা কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই নানা পোস্ট করছেন। সেই কাতারে আছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীও।

    সেই দুর্ঘটনার একটি ছবি পোস্ট করে মেহজাবীন লিখেছেন, আমি এই বাবার প্রতি সমবেদনা জানানোর কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। নিজের প্রিয়জনকে চোখের সামনে মরতে দেখা মানে নিজের ভেতরেও একটি অংশ মরে যাওয়া।

    তিনি বলেন, এই মানুষটা হয়তো এখন জীবিত, কিন্তু তার ভেতরটা তার পরিবারের সঙ্গে সঙ্গে ইতোমধ্যে মারা গেছে। আল্লাহ তাকে বেঁচে থাকার তৌফিক দিন।

    অভিনেত্রী বলেন, রাস্তাগুলো কখনই নিরাপদ নয়। সারা বছর ধরে অসংখ্য ঘটনা ঘটে, যা অবহেলার পরিচয় দেয়, কিন্তু এ ধরনের উদাসীনতা থামানোর জন্য কিছুই কার্যকর হচ্ছে না।

    মেহজাবীন বলেন, যতদিন না বড় কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে, ততদিন এটা প্রতিদিন শোনা, পড়া, অনুভব করা এবং ভুলে যাওয়া গল্প হয়েই থেকে যাবে।

    উল্লেখ্য, গতকাল ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত হন। এ ঘটনায় অন্তত আরও ১৫ জন গুরুতর আহত হন।

  • পুষ্পা-২ দেখতে গিয়ে পদপিষ্ট শিশুর অবস্থার উন্নতি, পাশে দাঁড়িয়েছেন আল্লু অর্জুন

    পুষ্পা-২ দেখতে গিয়ে পদপিষ্ট শিশুর অবস্থার উন্নতি, পাশে দাঁড়িয়েছেন আল্লু অর্জুন

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা-২’ সিনেমা দেখতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়েছিল শ্রী তেজ। গত ২০ দিন ধরে হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিল আট বছরের সেই শিশু। সম্প্রতি জানা গেছে, চিকিৎসায় সেভাবে সাড়া দিচ্ছে না। এর আগে চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, ভেন্টিলেশনে রয়েছে শ্রী তেজ। চিকিৎসায় কাজ হচ্ছে না। তাই এ অবস্থা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা কম।

    তবে আশার বিষয় হচ্ছে— মঙ্গলবার বাবা ভাস্কর জানিয়েছেন, ২০ দিন পর তার ছেলে চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে। জ্ঞানও ফিরেছে তার। তিনি বলেন, আমার সন্তান অবশেষে ২০ দিন পর চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে। আল্লু অর্জুন ও তেলেঙ্গানা সরকার আমাদের সাহায্য করছে।

    কেআইএমএস হাসপাতালের চিকিৎসকরাও সেই শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। তারা জানিয়েছেন, শ্রী তেজের জ্ঞান ফিরেছে। আর ভেন্টিলেশনে তার থাকার প্রয়োজন নেই। তবে এখনো পুরোপুরি সুস্থ হতে সময় লাগবে।

    এদিকে শ্রী তেজের বাবা জানিয়েছেন, ছেলে চোখ খুলেছে। কিন্তু কাউকে চিনতে পারছে না। চিকিৎসকরা বলেছেন— পরিবার ওর পাশে থাকলে এবং প্রায়ই নাম ধরে ডাকলে ও ক্রমশ আমাদের চিনতে পারবে। আমরা সোমবার থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছি, ও যাতে আমাদের চিনতে পারে।

    উল্লেখ্য, গত ৪ ডিসেম্বর হায়দরাবাদের সন্ধ্যা প্রেক্ষাগৃহে ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’-এর বিশেষ প্রদর্শন ছিল। উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণী তারকাও। তাকে ঘিরে উত্তেজনার কমতি ছিল না দর্শকদের। উপচে পড়েছিল ভিড়। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ৩৫ বছরের এক নারীর। সেই নারীর পুত্র শ্রী তেজও গুরুতর জখম হয়। পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় আল্লুর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। এমনকি গ্রেফতারও করা হয় তাকে। তবে একদিনের মধ্যেই অন্তর্বর্তী জামিন পান তিনি।

  • মিশর ভ্রমণ করে যে স্বপ্ন পূরণ হলো মেহজাবীনের

    মিশর ভ্রমণ করে যে স্বপ্ন পূরণ হলো মেহজাবীনের

    সম্প্রতি বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীরর অভিনীত দ্বিতীয় ছবি ‘প্রিয় মালতী’ কায়রো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৪-এ প্রিমিয়ার হয়েছে। যেখানে ‘প্রিয় মালতী’ সিনেমার পুরো টিম গিয়েছিল। তবে এই উৎসবে যোগ দিয়ে ছোটবেলা থেকে লালিত স্বপ্ন পূরণ হল অভিনেত্রীর।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মিশর ভ্রমণের সেই অভিজ্ঞতাই ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন মেহজাবীন।

    ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে মেহজাবীন লিখেছেন, ‘আমার কায়রো সফর সত্যিই অবিস্মরণীয় ছিল। যাদুঘরটিতে এমন কিছু ছিল যা আমি অধীর আগ্রহে দেখছিলাম। কয়েক বছর পরে অবশেষে মমি দেখতে পেয়েছি।’

    মিশরের ইতিহাস সম্পর্কে অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘যদিও দর্শকদের মমিগুলোর ছবি তোলার অনুমতি দেওয়া হয়নি, মিশরের অবিশ্বাস্য ইতিহাস দেখার অভিজ্ঞতা আমার মনে প্রাণবন্ত হয়ে থাকবে। এর বাইরে মিশরের আরও অনেক কিছু দেখেছি। মিশর সত্যিই জাদুকরী দেশ।’

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ‘আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞেস করে যে কোন দেশকে নিয়ে তোমার অনেক বেশি ভালো লাগা কাজ করে আমি সব সময় বলবো মিশর। ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন ও ইচ্ছা ছিল মিশরে যাওয়ার।’

    উল্লেখ্য, মেহজাবীন চৌধুরী তিনি ২০০৯ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে বিজয়ী হয়ে মিডিয়া জগতে আসেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন।

    মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংকের একটি টিভি বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের মাধ্যমে মেহজাবীন পরিচিতি অর্জন করেন। এটিএন বাংলায় প্রচারিত টেলিভিশন নাটক ‘তুমি থাকো সিন্ধু পাড়ে’র মাধ্যমে তার ছোট পর্দায় আত্মপ্রকাশ ঘটে।

  • শাড়িতে ভক্তদের নজর কাড়লেন শবনম ফারিয়া

    শাড়িতে ভক্তদের নজর কাড়লেন শবনম ফারিয়া

    শবনম ফারিয়া ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। নাটক ও টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পান। তিনি অনম বিশ্বাস পরিচালিত ‘দেবী’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন।

    যেখানে তার অভিনয় প্রশংসিত হয় এবং তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রীর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব তিনি।

    সম্প্রতি শবনম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। যেখানে দেখা যায়, বেনারসি শাড়িতে ভক্তদের মাঝে নজর কেড়েছেন।

    খোলা চুলে লো মেকআপ লুকে বেনারসি শাড়িতে অভিনেত্রীকে বেশ মানিয়েছে। হাতে ব্রেসলেট, গলায় মালা, কারে ঝুমকা যেন পুরোদমে বাঙালি সাজে ধরা দিয়েছে।

    মিষ্টি হাসি, চোখের চাহনি, আর নজরকাড়া লুকে ভক্তদের মনে ঝড় তুলেছে। কমেন্ট বক্সে ভক্ত-অনুরাগীরা অভিনেত্রীর রূপের প্রশংসা করে আরিয়ানা হোসেন লিখেছেন, ‘দারুণ শাড়ি তার সঙ্গে আপনাকে অনেক মানিয়েছে।’

    আরেকজনের ভাষ্য, ‘আমি কখনো ফুলকে হাসতে দেখি নাই বাট আমার ব্যক্তিগত ফুল সাবনাম ফারুকে আমি সব সময় হাসতে দেখি।’

    সানাউল হক সুমন লিখেছেন, অসাধারণ লাগছে আপু।

  • বিয়ে করে অসুখী দাম্পত্য জীবন চাই না: ভূমি পেডনেকর

    বিয়ে করে অসুখী দাম্পত্য জীবন চাই না: ভূমি পেডনেকর

    বর্তমানে বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড শো কিংবা ছবির প্রচারে ভিন্ন লুক বেছে নেন বলিউড অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকর। পোশাক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অভিনেত্রীর পছন্দের তালিকায় যোগ হয়েছে অদ্ভুত কিছু বৈশিষ্ট্য। কখনো সরু ফিতে, আবার কখনো বক্ষ যুগলে সাপের আকৃতির পোশাক। এ কারণে নেটিজেনদের কটাক্ষের শিকারও হন ভূমি। কিন্তু তাতে কখনো ভেঙে পড়েননি তিনি। কটাক্ষের জবাব না দিলেও তার আত্মবিশ্বাসই সব উত্তর দেন এ অভিনেত্রী। তার ব্যক্তিগত জীবনও থাকে নেটিজেনদের চর্চায়। কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন ভূমি? এই প্রশ্নে মাঝে মধ্যেই জর্জরিত হন তিনি। এবার সেসব প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন এ অভিনেত্রী।

    বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনয় দিয়ে ছক ভেঙেছেন যারা, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ‘দম লাগাকে হাইসা’ অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকর। কারণ এ ছবির জন্য ২০ কেজি ওজন বাড়িয়েছিলেন তিনি। আবার সেই সিনেমার শুটিং শেষে তিন মাস সময় নিয়েছিলেন ফিট হয়ে উঠতে।

    অক্ষয় কুমারের বিপরীতে ‘দম লাগাকে হাইসা’ ছাড়াও ছিলেন ‘টয়লেট এক প্রেম কথা’, ‘রকসা বন্ধন’ এবং রাজকুমার রাওয়ের বিপরীতে ‘বাধাই দো’, আয়ুষ্মান খুরানার বিপরীতে ‘বালা’ সব সিনেমাতেই নজর কাড়েন ভূমি।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘কোনো কিছুর জন্য তাড়াহুড়ো করতে নেই। তাড়াহুড়োর ফল কখনো ভালো হয় না। তাই জীবনসঙ্গী বাছাই করার ক্ষেত্রেও সময় নিচ্ছি। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি— একজন ভালো মানুষের সঙ্গে জীবন কাটানো জরুরি। কিন্তু তাড়াতাড়ি সেই ভালো মানুষকে খুঁজে পেতেই হবে, সেই ভাবনা মাথায় আসে না।

    ভূমি বলেন, যদি আমার ভালোবাসার মানুষকে খুঁজে পেতে ১০ বছর, ২০ বছর— এমনকি কাল পর্যন্তও সময় লাগে, আমি অপেক্ষা করব। তাড়াহুড়ো করে বিয়ে করে অসুখী দাম্পত্য জীবন কাটাতে চাই না।

    অভিনেত্রীর বয়স এখন ৩৫। তাই তার এই জবাবেও উঠে এসেছে নেটিজেনদের কৌতূহল। অভিনেত্রীর কথা অনুযায়ী, তবে কি মনের মানুষ না পেতে আরও অপেক্ষা করবেন ভূমি? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন অভিনেত্রীর অনুরাগীরা।

  • দীপিকা-রণবীরের কন্যার ছবি তুলে ব্যবসা করতে চান উরফি

    দীপিকা-রণবীরের কন্যার ছবি তুলে ব্যবসা করতে চান উরফি

    ফটোসাংবাদিকদের সামনে ‘অদ্ভুত’ সাজে ধরা দিতে দিতে পৌঁছে গেছেন বলিউডের নামজাদা পার্টি ও ফ্যাশন শোয়ে। তিনি এখন ফ্যাশন জগতের আইডল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের কাছে অতিপরিচিত মুখ উরফি জাভেদ। ছকভাঙা সাজে চমকে দিয়ে রাতারাতি ভাইরাল হন তিনি।

    প্রথম দিকে নিন্দুকেরা তার নিন্দায় মেতেছিলেন ঠিকই, কিন্তু নেটপাড়ায় তার ছবি এড়িয়ে যাবেন— এমন সাধ্য কার? ফটোসাংবাদিকদের সামনে ‘অদ্ভুত’ সাজে ধরা দিতে তিনি। বলিউডের নামজাদা পার্টি ও ফ্যাশন শোয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাম হয়ে উঠেছেন উরফি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নেটপ্রভাবী বলেন, তার সবচেয়ে পছন্দের অভিনেতা রণবীর সিং।

    আনন্দবাজারের এক সাক্ষাৎকারে উরফিকে প্রশ্ন করা হয়, কোন অভিনেতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ২৪ ঘণ্টার জন্য চুরি করতে চান তিনি? এর উত্তরে রণবীরের নাম উল্লেখ উরফি বলেন, আমি রণবীরের অ্যাকাউন্ট চুরি করতে চাই। কারণ আমি রণবীরকে খুব পছন্দ করি। এখনো একরত্তি মেয়ের মুখ প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। তাই ওর মুখটা দেখতে চাই।

    তবে নেপথ্যে আরও একটি বিশেষ কারণ রয়েছে। উরফি নাকি দীপিকা-রণবীরের কন্যা দুয়া পাড়ুকোন সিংয়ের ছবি তুলতে চান। তিনি বলেন, আমি ওর (দুয়া) ছবি তুলতে চাই। সেই ছবি বিক্রি করে টাকা উপার্জন করতে চাই। ছবি দেখতে হলে পয়সা দিতে হবে। আমার মাথায় এসব বুদ্ধি ভালোই আছে।

    গত ৮ সেপ্টেম্বর দীপিকা ও রণবীরের কোলে এসেছে প্রথম সন্তান। সন্তানের এক জোড়া ছোট্ট পায়ের ছবি দীপাবলির দিন প্রকাশ্যে আনেন এ তারকা দম্পতি। ছবির সঙ্গে মেয়ের নামও প্রকাশ্যে আনেন ‘দীপবীর’।

    তবে রণবীরকে উরফির ভালোলাগার বিশেষ কারণ রয়েছে। করণ জোহরের অনুষ্ঠান ‘কফি উইথ করণ’-এ উরফির প্রশংসা করেছিলেন রণবীর। এমনকি নেটপ্রভাবীকে ‘ফ্যাশন আইকন’-এর তকমাও দিয়েছিলেন অভিনেতা।

  • তাপসের গ্রেফতার প্রসঙ্গে যা বললেন ঐশী

    তাপসের গ্রেফতার প্রসঙ্গে যা বললেন ঐশী

    রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে গ্রেফতার হন গান বাংলা চ্যানেলের চেয়ারম্যান কৌশিক হোসেন তাপস। সোমবার উত্তরা পূর্ব থানার পক্ষ থেকে তাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতারের বিষয় নিশ্চিত করা হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

    কৌশিক হোসেন তাপসকে গ্রেফতারের সংবাদ প্রকাশের পর তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন সংগীত শিল্পী ফাতিমা তুয যাহরা ঐশী। সেখানে তিনি তাপসকে অরাজনৈতিক হিসেবে দাবি করেছেন।

    ঐশী পোস্টে বলেন, ‘তিনি (কৌশিক হোসেন তাপস) তো রাজনৈতিক কেউ ছিলেন না। সাংস্কৃতিক লোককে রাজনৈতিক বানায় দিলেন প্রতিহিংসার জেরে। মিউজিক নিয়ে এত অ্যাগ্রেসিভ কাউকে আমি দেখিনি। বরং মিউজিকের নামে…করতে অনেককেই দেখলাম। সেই মানুষগুলাকে আবার বড় গলায় কথাও বলতে দেখি। সত্যকে জেতাতে চাইলে সঠিক তথ্য বের করে উপস্থাপন করেন মানুষের সামনে, যদি সাহস থাকে। সব রহস্য উন্মোচন করে দেন। সবাই জানুক সত্যটা কী! ভিত্তিহীন মজা তো বহুত নিলেন। আল্লাহর ওয়াস্তে এবার সত্যকে জেতার সুযোগ করে দেন! নাহলে বৈষম্যই তো হইলো। লাভটা কি হইলো তাহলে?’

    গায়িকা ঐশী তার সংগীত জীবনে তাপসের অবদানের কথা বিভিন্ন সময় স্বীকার করেছেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ছোট জীবনে কত কিছু দেখলাম। অন্যায় করে দিনের পর দিন রাজার হালে পার করতে দেখলাম, আবার নিরপরাধকে কারাগারে যেতেও দেখলাম। আমি তাপস ভাইয়াকে চিনি ঠিক দশ বছর। এই দশ বছরে আমি তাকে শুধু গান নিয়ে বড় বড় স্বপ্ন দেখতে দেখেছি। একা না দেখে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন তিনি। সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে সংগীতাঙ্গন বদলানোর ইচ্ছা পোষণ করার মতো পাগলামি কেউ করে? এটাই ওনার ভুল ছিল।’

    প্রসঙ্গত, ‘নিজাম উদ্দিন আউলিয়া’, ‘রঙে রঙে দুনিয়া’, ‘দুষ্টু পোলাপাইন’, ‘দুই কূলে সুলতান’-এর মতো গানগুলো দিয়ে শ্রোতামহলে পরিচিতি পেয়েছেন ঐশী। ২০০০ সালে রংপুর শিশু একাডেমিতে গান শেখা শুরু করেন তিনি। ২০০৩ সালে নোয়াখালীতে মুহাম্মদ শরীফ ও পরে হাফিজ উদ্দীন বাহারের কাছে উচ্চাঙ্গ ও নজরুল সংগীতে তালিম নেন। ‘মায়া: দ্য লস্ট মাদার’ সিনেমার ‘মায়া’ গানটির জন্য ২০২০ সালে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ঐশী।