Category: বিনোদন

  • যেভাবে সাজগোজ করে থাকেন কারিনা

    যেভাবে সাজগোজ করে থাকেন কারিনা

    বিনোদন জগতের যে কোনো অনুষ্ঠান, পার্টি কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় কখনই বিশেষ চড়া মেকআপে দেখা যায় না বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানকে। অনেক সাক্ষাৎকারে কারিনাকে এও বলতে শোনা গেছে যে, তিনি চোখে মেকআপের ক্ষেত্রে ‘অল্পেই বেশি’ তত্ত্বে বিশ্বাস করেন। তাই নো মেকআপ লুকে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি।

    এ ছাড়া অভিনেত্রীরা বিনা সাজগোজে তো কোথাও যেতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে কারিনার সাজগোজের উপকরণ সামান্যই। বিশেষ করে চোখে মেকআপের ক্ষেত্রে তিনটি জিনিস ব্যবহার করেন এ অভিনেত্রী। আর মেনে চলেন সহজ কিছু নিয়ম। এর মধ্যে কারিনার চোখের সাজ—

    কারিনার হালকা চোখের সাজ সম্পূর্ণ হয় আইল্যাশ কার্লার, স্বচ্ছ মাশকারা ও কাজল পেনসিলে। প্রথমে নিজের ঘন ভ্রুকে মাশকারা দিয়ে গুছিয়ে নেন তিনি। দরকার পড়লে ভ্রুতে ব্যবহার করেন কাজল বা আইব্রো পেনসিল। এরপরে আইল্যাশ কার্লার দিয়ে চোখের পল্লব ‘কার্ল’ করে তাতে এক পরত স্বচ্ছ মাশকারা ব্যবহার করেন। শেষে কাজলের টান দেন চোখের ওপর এবং নিচের পাতার ওয়াটারলাইনে। তবে চোখের পল্লবকে ঘন দেখানোর জন্য কয়েকটি নিয়ম মেনে চলেন অভিনেত্রী। সেই নিয়মগুলো অনুসরণ করতে পারেন আপনিও।

    কীভাবে ব্যবহার করবেন আইল্যাশ কার্লার

    ১. সবসময় আইল্যাশ কার্লার ব্যবহার করতে হবে মাশকারা ব্যবহার করার আগে। কারণ তা না হলে মাশকারা কার্লারে লেগে তাতে চোখের পল্লব আটকে গিয়ে ক্ষতি হতে পারে।

    ২. ব্যবহার করার সময়, মাথা সামান্য সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে নিন, যাতে চোখের পাতা এবং চোখের পল্লবের মধ্যে তফাৎ করতে সুবিধা হয়।

    ৩. আইল্যাশ কার্লারকে ব্যবহার করুন চোখের পাতার একেবারে গোড়ায়। তাতে চোখের পল্লবের কোকড়ানো ভাব বা ‘কার্ল’ অনেক বেশি স্বাভাবিক দেখাবে।

    ৪. খুব বেশি জোরে চাপ দেবেন না। স্বাভাবিক চাপ দিয়ে ৫ সেকেন্ড রেখে দিন। যদি খুব ঘন চোখের পল্লব হয়, তবে রাখুন ১০ সেকেন্ড।

    ৫. মাশকারা কখনই চোখের পল্লবের গোড়ায় ব্যবহার করবেন না। তাতে চোখের পাতা ভারি হয়ে নিচের দিকে নেমে আসতে পারে।

    ৬. আইল্যাশ কার্লার নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। রাবারের প্যাড খারাপ হচ্ছে বুঝতে পারলে বদলে ফেলুন। বেশিরভাগ কার্লারের সঙ্গেই অতিরিক্ত রাবারের প্যাড দেওয়া হয়।

  • কারিনাকে প্রথম দেখার অভিজ্ঞতা জানালেন সাইফ

    কারিনাকে প্রথম দেখার অভিজ্ঞতা জানালেন সাইফ

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানের কোনোকিছুকেই বাধা মনে করেননি অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। ভালোবেসে বিয়ে করেছেন এই জুটি। আর দেখতে দেখতে কাটিয়ে দিলেন একযুগ।

    সাইফের সহকর্মী কারিশমার ছোট বোন কারিনা। সেই সূত্রেই শুভদৃষ্টি দুজনের। সাইফ জানালেন, এক ছবির সেটেই কারিনাকে প্রথম দেখেন নায়ক।

    সম্প্রতি প্রথম দেখার অভিজ্ঞতা এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরলেন সাইফ।

    তার কথায়, আসলে আমি যখন প্রথমবার কারিনাকে দেখেছিলাম, আমি ফিল্মস্তান স্টুডিওতে শ্যুটিং করছিলাম। তখন দেখলাম, একটা ছোট্ট বাচ্চা মেয়ে মেকআপ রুমের বাইরের দেওয়ালে ঠেক দিয়ে বসেছিল, আর আমার দিকে তাকিয়ে ছিল।

    সাইফ বললেন, ‘আমি তখন একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম মেয়েটা কে। সে জানায়, এ কারিনা কাপুর, কারিশ্মার ছোটবোন। আমার ওইদিন দেখেই মনে হয়েছিল মেয়েটা খুব সুন্দরী, আর আমার ওইদিন থেকেই কারিনাকে ভালো লেগে যায়।’

    এদিকে তাদের নিয়ে এমনও রটনা রয়েছে, কারিনা নাকি সাইফের বিয়ের ভোজও খেয়েছেন। যদিও সেই কথা কখনোই সাইফ কিংবা কারিনা কারও মুখ থেকে শোনা যায়নি।

    কারিনাকে বিয়ের আগে সাইফ আলি খান ১৩ বছরের বড় অমৃতা সিংকে বিয়ে করেছিলেন। তাদের দুই সন্তান রয়েছে, সারা আলি খান, ইব্রাহিম আলি খান। ২০০৪ সালে সাইফ-অমৃতার বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়।

  • শুটিং সেটে শাকিবকে হিন্দি শেখাতেন সোনাল

    শুটিং সেটে শাকিবকে হিন্দি শেখাতেন সোনাল

    ঢাকাই সিনেমায় সময়ের বড় নাম শাকিব খান। ‘দরদ’র মাধ্যমে প্যান ইন্ডিয়ান সিনেমায় অভিষেক হতে যাচ্ছে তার। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে আলোর মুখ দেখছে অনন্য মামুন পরিচালিত চলচ্চিত্রটি।

    আসছে ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশসহ ২২টি দেশে ‘দরদ’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে এমনটাই জানালেন পরিচালক। বাংলার পাশাপাশি হিন্দি, তামিল ও তেলেগু ভাষায় মুক্তি পাচ্ছে শাকিব ও বলিউডের সোনাল চৌহান অভিনীত সিনেমাটি।

    এদিকে বাংলা ও হিন্দি দুই ভাষাতেও ‘দরদ’র শুটিং হয়েছে। এ নিয়ে শুটিং সেটে ইউনিটে মজার মজার ঘটনা ঘটল। কারণ ছবির প্রধান দুই চরিত্র শাকিব যেমন হিন্দি কম পারেন, অন্যদিকে সোনাল তো বাংলা বোঝেনই না। ফলে শুটিং সেটে মজার মজার ঘটনা রয়েছে।

    এ ব্যাপারে অনন্য মামুন কালবেলাকে বলেন, সবচেয়ে মজা হতো শাকিব ভাই যখন সোনালকে বাংলা শেখাতেন, আবার সোনাল যখন শাকিব ভাইকে হিন্দি শেখাতেন। ওই দৃশ্য সামনাসামনি দেখলে যে কেউই হাসবেন। ইউনিটের সবাই হাসাহাসি করতেন এটা দেখে। তবে আমি ভীষণ খুশি এটা ভেবে যে, শাকিব ভাই ও সোনাল কাজটি সুন্দরভাবে উপহার দেওয়ার জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। টিজারে আপনারা দেখেছেন, দুজনের রসায়ন কত সুন্দর ছিল। তাদের এত সুন্দর মানিয়েছে, প্রেক্ষাগৃহে দুজনের রসায়ন দর্শক দারুণ গ্রহণ করবে।

  • তৃতীয় বিয়ের প্রশ্নে যা বললেন আরবাজ খান

    তৃতীয় বিয়ের প্রশ্নে যা বললেন আরবাজ খান

    অভিনেত্রী মালাইকা আরোরার সঙ্গে ১৯ বছরের দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টানার পর থেকেই আরবাজ খানের ব্যক্তি জীবন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ বেড়েই চলছে। ২০১৭ সালে বিবাহবিচ্ছেদের পর মডেল জর্জিয়া আন্দ্রিয়ানির সঙ্গে তার নাম জড়ায়। তবে সে সম্পর্কও টেকেনি। ২০২৩ সালে অনেকটা হঠাৎ করেই মেক-আপ আর্টিস্ট শুরা খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আরবাজ।

    সম্প্রতি ইন্সটাগ্রামে ভক্তদের সঙ্গে একটি প্রশ্নোত্তর পর্বে তাকে এক ভক্ত প্রশ্ন করেছিলেন, পরের বিয়ে কবে? সে প্রশ্নের বিপরীতে আরবাজের সোজাসাপ্টা জবাব, ‘বাস হো গায়া ভাই (আর না ভাই)।’

    অন্য এক প্রশ্নের জবাবে নিজের বর্তমান স্ত্রী শুরা খানের রান্নার প্রশংসা করেছেন আরবাজ। লিখেছেন, ‘সে খুব ভালো খাসির বিরিয়ানি রাঁধতে পারে।’

    এছাড়া ভক্তদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে বাবা সেলিম খান এবং ভাই সালমানকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন আরবাজ। বাবা সেলিম খানের সততা এবং ভাই সালমানের নিবেদন তাকে অনুপ্রেরণা জোগায়।

  • আবারও মা হচ্ছেন কোয়েল

    আবারও মা হচ্ছেন কোয়েল

    আবার মা হতে চলেছেন টালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিককন্যা এবার দ্বিতীয়বারের মত মা হতে চলেছেন। এ সুখবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই উচ্ছ্বসিত তার ভক্ত-অনুরাগীরা। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন টালিউড তারকারাও।

    এর আগে ২০২০ সালে ছেলে কবীর জন্ম হয়। এতদিন ছেলে আর কাজ সমানভাবে সামলেছেন। তবে এবার বাড়ছে দায়িত্ব। কারণ দ্বিতীয় সন্তান আসতে চলেছে এ অভিনেত্রীর। একটি ছবি শেয়ার করে নিলেন অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    কোয়েল পোস্টে লিখেছেন— আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি আমাদের পরিবার বড় হচ্ছে। খুব জলদিই কবীর বড় ভাই হতে চলেছে। আপনাদের থেকে ভালোবাসা আর শুভকামনা প্রয়োজন এই সময়ে। সঙ্গে হাত জোড়ের ও রেড হার্টের ইমোটিকন দেন তিনি। আর হ্যাশট্যাগে জুড়ে নেন লাভ, লাইফ, ব্লেসিং, ব্লিস।

    যে ছবিটি শেয়ার করে কোয়েল এ সুখবর দিলেন, সেটিতে দেখা গেল তাকে, নিসপাল সিং ও কবীরকে। কোয়েলের এই পোস্টে মন্তব্য করলেন জিৎ। অভিনেতা লিখলেন— অসাধারণ! এই পরিবারের সবাইকে অনেক শুভেচ্ছা।

    অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত লিখেছেন—শুভেচ্ছা! খুব খুশি হয়েছি। পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন— অনেক শুভেচ্ছা তোমাকে ও নিসপালকে। শুভেচ্ছা জানালেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, নুসরত জাহান, মিমি চক্রবর্তী, মৌনি রায়-রাও।

    উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নিসপাল সিং রানেকে বিয়ে করেন কোয়েল মল্লিক। এরপর ২০২০ সালের বিবাহবার্ষিকীর দিনই ঘোষণা করেন মা হতে চলার খবর। ২০২০ সালের ৫ মে কোয়েল-নিসপালের কোল আলো করে আসে কবীর। ছেলের সঙ্গে ছবি-ভিডিও মাঝেমাঝেই শেয়ার করে নেন কোয়েল সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁদের একসঙ্গে দেখতে খুব পছন্দও করেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। আর এবার সেসব পোস্ট আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে কোয়েলের দ্বিতীয় সন্তান। যদিও কবে দ্বিতীয় সন্তান আসবে কোলে, তা এখনো জানাননি তিনি। তবে আশা রাখা যাচ্ছে— ২০২৫ সালের শুরুতেই দেখা মিলবে মল্লিক ও সিং পরিবারের নতুন সদস্যের।

  • আমরা কী করেছি যে এ কথা শুনতে হবে: জ্যোতি

    আমরা কী করেছি যে এ কথা শুনতে হবে: জ্যোতি

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। সেখানেই অবস্থান করছেন তিনি। এরপর থেকেই সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না ছোটপর্দার অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতির। জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা আন্দোলনের সময় ‘আলো আসবেই’ নামক আওয়ামী লীগ সমর্থিত শিল্পীদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সক্রিয় থাকায় বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি।

    এর পরপরই শিল্পকলা একাডেমি থেকে চাকরি হারান জ্যোতি। ব্যক্তিগত জীবনে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সরব থাকায় সরকার পতনের পর নানাভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন এ অভিনেত্রী। বিষয়গুলো নিয়ে সম্প্রতি একটি ফেসবুকে লাইভে হাজির হন জ্যোতি।

    যেখানে শুরুতেই ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন এ অভিনেত্রী। জ্যোতিকা জ্যোতি বলেন, এতদিন কথা বলিনি। কিন্তু আর চুপ থাকতে পারলাম না। কারণ, আমিসহ ওই গ্রুপের সবাইকে সামাজিক কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে। এতে স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপনই করতে পারছি না। বলতে পারেন সামাজিক হেনস্তার শিকার হচ্ছি। তিনি বলেন, তাই একজন সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে আমি আমার বিষয়টি পরিষ্কার করতে ফেসবুক লাইভে এসেছি।

    জ্যোতি বলেন, যারা ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে ছিলেন, তাদের দুটি তকমা দেওয়া হচ্ছে। একটি হলো— স্বৈরাচারের দোসর, আরেকটি হলো— গণহত্যার ইন্ধনদাতা! এ দুটি কথার মানে কি আপনারা জানেন? আমরা কি করেছি যে, এ ধরনের কথা শুনতে হবে?

    জ্যোতি বলেন, আমি আজ থেকে আরেকটি বারের জন্যও এ অপবাদ নিজের কাঁধে নিতে চাই না বলেই কথাগুলো বলতে এসেছি। এ ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম তার কোনো প্রমাণ আপনাদের কাছে আছে? না থাকলে এসব কথা কেন বলছেন? আপনারা কি জানেন, এ ধরনের অপবাদ মানুষের ওপর কি ধরনের প্রভাব ফেলে? আমি তার সহ্য করতে না পেরে আজ কথাগুলো বলছি।

    জ্যোতি আরও বলেন, একে তো আমি নারী, আজকাল দেশে নারীদের কোনো সম্মান নেই। তার ওপর আমি অভিনেত্রী, তাতে তো আমাকে নিয়ে বাজে কথা বলা আরও সহজ! সেই সাথে আমি হিন্দু, আমি অন্যায় দেখলে মুখ বন্ধ রাখি না— এই সবকিছুতেই তো আপনাদের সমস্যা। এ জন্য এমনিতেই নানা ধরনের চাপের মধ্যে আছি। কিন্তু যে কাজের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততাই নেই তার জন্য দয়া করে আমাকে অপবাদ দিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করবেন না। এটুকু অনুরোধ থাকলো সবার প্রতি।’

    ওই গ্রুপে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করা শিল্পীরাই ছিলেন— জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, যেসব শিল্পী আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন, তারাই ওখানে ছিলেন। ইনিয়ে-বিনিয়ে বলব না যে, আমাকে কেন অ্যাড করেছে, কে অ্যাড করেছে জানি না। সবকিছু জেনেশুনেই ছিলাম। কারণ আমি জানতাম, ওই গ্রুপের এমন কোনো উদ্দেশ্য নেই, যা আমাদের দেশের বা দেশের মানুষের জন্য ক্ষতিকর। দু-একটা কথা হয়তো আপনারা ক্ষতিকর মনে করছেন। কিন্তু সেই কথাগুলো কোন পরিস্থিতিতে বলা হয়েছে, সেটা আপনারা জানেন না। কোনো শিল্পী কখনই মানুষ হত্যার সমর্থন করতে পারে না, এটা আপনারা ভুলে গেছেন।

    আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে গেছেন উল্লেখ করে জ্যোতি বলেন, ‘আমি সেই সময় দুটি প্রোগ্রামে গেছি। একটি বিটিভিতে হামলার প্রতিবাদ করতে, অন্যটি আন্দোলনে যে ছাত্ররা আহত হয়েছেন, তাদের হাসপাতালে দেখতে। কিন্তু আপনারা ছাত্রদের দেখতে যাওয়ার বিষয়টি কেউ সামনে আনলেন না, আনলেন বিটিভির বিষয়টি। আমরা তো সেখানে গিয়েছিলাম সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে কথা বলতে। এটা তো দোষের কিছু নয়। আমরা সবসময় বলে এসেছি যে, এই ধরনের ধংসযজ্ঞ ছাত্ররা করতে পারে না। ছাত্রদের মধ্যে একদল সুবিধাবাদী ঢুকে গিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি করেছে। তাহলে আপনারা কেন আলো আসবেই গ্রুপের শিল্পীদের ছাত্রদের বিরুদ্ধে দাঁড় করাচ্ছেন? অহেতুক আপনারা এই গ্রুপটিকে নিয়ে নানা রঙচঙ মাখিয়ে শিল্পীগুলোকে ক্ষতির মুখে ফেলেছেন।’

    প্রসঙ্গত, জ্যোতিকা জ্যোতি ছাড়াও সেই গ্রুপে ছিলেন অভিনয়শিল্পী, নির্মাতা ও সাংবাদিক। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন— রোকেয়া প্রাচী, সোহানা সাবা, অরুণা বিশ্বাস, ফেরদৌস, রিয়াজ আহমেদ, সুবর্ণা মুস্তাফা, আজিজুল হাকিম, স্বাগতা, বদরুল আনাম সৌদ, শমী কায়সার, তানভীন সুইটি, আশনা হাবীব ভাবনা, জামশেদ শামীম, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, সাজু খাদেম, হৃদি হক, দীপান্বিতা মার্টিন, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, লিয়াকত আলী লাকী, নূনা আফরোজ, রোকেয়া প্রাচী, রওনক হাসান, আহসানুল হক মিনু, পরিচালক গুলজার, নির্মাতা এস এ হক অলীকসহ অনেকে।

  • ১৫ বছর কেন নিষিদ্ধ ছিলাম, প্রশ্ন ফেরদৌস আরার

    ১৫ বছর কেন নিষিদ্ধ ছিলাম, প্রশ্ন ফেরদৌস আরার

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা। যিনি গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে গান গাইতে পারেননি। অংশ নিতে পারেননি কোনো অনুষ্ঠানে। ভিন্নমতের হওয়ায় বিগত সরকারের আমলে অনেক শিল্পীই সেই কালো তালিকাভুক্ত ছিলেন।

    রাষ্ট্রীয় বেতার ও টিভি চ্যানেলে কোন কোন শিল্পী পরিবেশন করতে পারবেন, আর কে কে পারবেন না— তা ছিল একটি অঘোষিত তালিকা। এমনকি একটি ‘কালো তালিকা’ও ছিল। সেই কালো তালিকায় নাম ছিল এ জনপ্রিয় নজরুলসংগীত শিল্পী ফেরদৌস আরার। এমনটিই জানিয়েছেন এ শিল্পী।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এর পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আবারও ফেরদৌস আরা বিটিভি ও বেতারের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। কদিন আগে তার গাওয়া একটি আধুনিক গান প্রচার করা হয়েছে বিটিভিতে। মারজুক রাসেলের লেখা ‘আমি আমার মতোই আছি/তুমি তোমার মতো থেকো’ গানটি প্রচারের পর অনেকেই গানটির প্রশংসা করেছেন।

    এতদিন পর রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে গান প্রচার হওয়ায় কেমন লাগছে? —এমন প্রশ্নে ফেরদৌস আরা বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও আমাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান বিটিভিতে গাইতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে। শিল্পী তৈরিতে এ প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা বর্ণনাতীত। কিন্তু কী কারণে আমাকে দীর্ঘদিন কোনো অনুষ্ঠানে ডাকা হয়নি জানি না। শুনেছি অনেক শিল্পী রাজনীতি করার কারণে বিটিভি-বেতারে নিষিদ্ধ ছিলেন। কিন্তু আমি তো রাজনীতি করি না। আমাকে কেন এত বছর বঞ্চিত করা হয়েছে?

    বিএনপি সরকারের আমলে সচিব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন ফেরদৌস আরার স্বামী ড. রফিকুল মুহাম্মদ। বিগত সরকারের অনুসারীরা ধরে নিয়েছিলেন— রাজনৈতিকভাবে তারা বিএনপিপন্থি ও দলটির অনুগত। এ কারণেও ফেরদৌস আরাকে রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে গান করতে দেওয়া হতো না বলে ধারণা অনেকের।

    আক্ষেপ করে এই শিল্পী বলেন, আমার স্বামীর চাকরির কারণে যদি এমনটি হয়ে থাকে, সেটি কি কোনো যুক্তির কথা? আমার স্বামী কোনো রাজনীতি করতেন না। এ কোন দেশে বাস করি আমরা? শিল্পী তো নির্দিষ্ট কোনো দলের হতে পারে না। শিল্পী সবার— সব মানুষের জন্য গান করে।

    অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আবারও সরকারি অনুষ্ঠানগুলোতে আমন্ত্রণ পেতে শুরু করেছেন ফেরদৌস আরা। সম্প্রতি নজরুল ইনস্টিটিউটের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। গত সপ্তাহে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয় বাংলাদেশ বেতারের একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে নজরুলসংগীতবিষয়ক একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি।

    উল্লেখ্য, সব ধরনের গান গাইলেও নজরুলসংগীত শিল্পী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন ফেরদৌস আরা। চার যুগেরও বেশি সময় ধরে সংগীতচর্চা করছেন এ শিল্পী। উজবেকিস্তানে জাতিসংঘ আয়োজিত লোকসংগীত উৎসবে নজরুলসংগীত গেয়ে পুরস্কৃত হয়েছিলেন তিনি।

    ফেরদৌস আরা বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন অধ্যাপনা, নজরুল ইনস্টিটিউটে নজরুলসংগীতের প্রশিক্ষক, সংগীত অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, লেখালেখি, প্লে-ব্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। সঠিকভাবে নজরুল ও উচ্চাঙ্গ সংগীতচর্চার জন্য এ শিল্পী ২০০০ সালে ঢাকার মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোডে গড়ে তোলেন সংগীত প্রতিষ্ঠান সুরসপ্তক।

  • সারিকা-ইমনের মায়া নিয়ে যা বললেন রায়হান রাফী

    সারিকা-ইমনের মায়া নিয়ে যা বললেন রায়হান রাফী

    ঢালিউডে বিঞ্জ ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে বিউটি ব্র্যান্ড লিলি নিবেদিত ওয়েব ফিল্ম ‘মায়া’।

    এটি পরিচালনা করেছেন ‘তুফান’খ্যাত নির্মাতা রায়হান রাফী। এ উপলক্ষ্যে গতকাল আড়ম্বপূর্ণ এক বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এ সময় রিমার্ক এইচবির সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর হাসান ফারুকসহ লিলি টিমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক বিনোদন জগতের তারকা।

    সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এ ওয়েব ফিল্মের কেন্দ্রীয় অভিনেতা ইমন ও অভিনেত্রী সারিকা। এ ছাড়া ছিলেন চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম, প্রার্থনা ফারদিন দীঘি, সামিরা খান মাহি, রোকাইয়া জাহান চমকসহ অনেকেই। বিশেষ প্রদর্শনী শেষে মায়া নিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন বিদ্যা সিনহা মিম, দীঘি।

    মায়ার অভিনেতা ইমন বলেন, এটি আমার প্রথম ওটিটি কন্টেন্ট। তাই আমার জন্য— মায়া সত্যিই মায়াময়। রায়হান রাফী তার অপূর্ব নির্মাণশৈলী দিয়ে এটি তৈরি করেছেন। আমি আশা রাখি মায়া দর্শকদের ভালোবাসায় একটি সুপারহিট ওটিটি কন্টেন্ট হিসেবে জায়গা করে নেবে।

    এ ওয়েব ফিল্ম ‘মায়া’ একটি পারিবারিক গল্পে আবর্ত। পরিবারের দাম্পত্য জীবনে নানান টানাপোড়েন নিয়ে এটি এগিয়ে যাবে। তার পরও অদ্ভূত এক মায়ায় দুজন মানুষ সংসারে মজে থাকে। সারাজীবন একসঙ্গে কাটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এমন গল্পকে উপজীব্য করেই নির্মিত হয়েছে ওয়েব ফিল্ম ‘মায়া’।

    মূলত মাদক, নারীর সংগ্রাম, পারিবারিক টানাপোড়েনসহ সমাজের নানান বাস্তব ঘটনা কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ফিল্মটি। যাতে দুটি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক মামনুন ইমন ও অভিনেত্রী সারিকা সাবরিন। ওটিটির জন্য এটি নির্মাণ করেছেন রায়হান রাফী।

    এ ওয়েব ফিল্ম সম্পর্কে পরিচালক বলেন, এটা আমার একদমই অন্যরকম একটি ছবি। আপনারা জানেন— আমি সিনেমার পাশাপাশি ওয়েব ফিল্ম বানাই। এটি তুফানের আগেই বানিয়েছিলাম। এটা বানানোর আগে চিন্তা করছিলাম এই সিনেমাতে আমি এমন দুজনকে কাস্ট করব, যারা একসময়ে বড় স্টার ছিল, অনেক জনপ্রিয় ছিল এবং এখনো কাজ করছে। চিন্তামতো ওই সময়ের একটা জনপ্রিয় জুটিকে নিয়েই কাজ করার চেষ্টা করেছি। তারা হলেন ইমন-সারিকা। তিনি বলেন, আমার চ্যালেঞ্জ ছিল যে এই দুজনকে নতুন করে আবিষ্কার করার। সেটা আমি করেছি। এখন বাকিটা দর্শক দেখে জানাবেন।

    রায়হান রাফী বলেন, যারা তুফান দেখেছেন, তারা মায়া দেখবেন। ওটিটির হলেও এটি দারুণ ও মানবিক গল্পের ছবি। যে গল্প দেখে কখনো আপনি আবেগপ্রবণ হবেন, আশপাশের অনেক কিছুর সঙ্গে মিল খুঁজে পাবেন।’

  • পরীর বেশে বুবলী

    পরীর বেশে বুবলী

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা শবনম বুবলী। টেলিভিশনে সংবাদ পাঠিকা থেকে সুপাস্টার শাকিব খানের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আসেন তিনি। তবে মাঝে শাকিবের সঙ্গে বিয়ের পর বিচ্ছেদ। এরমধ্যে আবার এক সন্তানের মা-ও হয়েছেন এই নায়িকা। তবে এসব নিয়ে নানা সময় নানা বির্তকের মধ্যে গেছেন তিনি।

    বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব দেখা যায় শবনম বুবলীকে। বিভিন্ন সময় অনুরাগীদের মাঝে নিজের ভালো লাগার মুহূর্তগুলো শেয়ার করে নেন। সম্প্রতি ফেসবুকে ভক্তদের মাঝে কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। যেখানে তাকে বেশ হাসিখুশি দেখা গেছে।

    শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, খোলা চুলে মিষ্টি হাসিতে ডানা কাটা সাদা পোশাকে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে এক অনন্য লুকে ধরা দিয়েছেন। মিষ্টি হাসি আর চোখের চাহনি যেন ভক্তদের চোখ ফেরাতে দিচ্ছে না।

    সেই পোস্টে এ অভিনেত্রী একটি গানের লিরিক্স ক্যাপশনে লিখেছেন যার অর্থ, ‘এমন ভাবে হাসুন যেন আপনি স্বর্গের ফেরেশতা হিসেবে এসেছেন।’

    পোস্টের কমেন্ট বক্সে ভক্ত-অনুরাগীরা অভিনেত্রীর রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। সাবিহা নামে একজন লিখেছেন, ‘মাশাল্লাহ খুবই সুন্দর লাগছে দোয়া করি এই সুন্দরটাই যেন আপনার মনের ভেতরে থাকে।’ আরেকজন অনুরাগী লিখেছেন, ‘দুইদিকে ডানা সাদা মেঘকন্যাকে দেখতে খুব সুন্দর লাগছে।’

    উল্লেখ্য, বুবলির কর্মজীবন শুরু হয় সংবাদ পাঠ দিয়ে। তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশন-এ ২০১৩ সালে সংবাদ পাঠ শুরু করেন। এরপর ২০১৬ সালে বসগিরি চলচ্চিত্রের পরিচালক শামীম

    আহমেদ রনি তাকে এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি সম্মত হন। অপু বিশ্বাসকে এই চরিত্রের জন্য নির্বাচন করা হয়েছিল। পরে অপু বিশ্বাস নিজেকে এই চলচ্চিত্র থেকে সরিয়ে নিলে তার স্থানে বুবলিকে নির্বাচন করা হয়।

  • দিশা পটানির প্রেমিকের সঙ্গে জলকেলিতে হার্দিকপত্নী

    দিশা পটানির প্রেমিকের সঙ্গে জলকেলিতে হার্দিকপত্নী

    অনেক দিন ধরেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন ক্রিকেটার হার্দিক পান্ডিয়া ও সার্বিয়ান মডেল নাতাশা স্তানকোভিচ। আর এ বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘোষণা করেছিলেন এ তারকা জুটি। বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে কৌতূহল প্রকাশ করেছিলেন নেটিজেনরা। হার্দিক নাকি মানুষ হিসেবে খুবই আত্মকেন্দ্রিক। নিজের কথা ছাড়া তিনি নাকি আর কিছুই ভাবতে পারেন না বলে অভিযোগ নাতাশার ।

    দীর্ঘদিন এ নিয়ে নাতাশার ক্ষোভ। তারপরও হার্দিকের সঙ্গে সব কিছু মিটিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করেছেন তিনি। তবে ফল মেলেনি। শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটারের সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেই নিজ দেশে চলে যান নাতাশা। মাসখানেক সার্বিয়ায় কাটিয়ে ফিরে আসেন আবার মুম্বাইয়ে। তারপর শহরের বিভিন্ন জায়গা দেখা মিলেছে নাতাশার।

    এ মডেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয়। হুটহাট করেই দেখা যায় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে। সেসব ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও দেন। এবার তাকে দেখা গেল অভিনেত্রী দিশা পটানির প্রেমিকের সঙ্গে গোয়ায়।

    হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে সাবেক প্রেমিক আলি গোনির ছবিতে লাইক দিয়েছেন বেশ কয়েকবার। হার্দিকের সঙ্গে বিচ্ছেদের জল্পনা চলাকালীন তার সঙ্গে শরীরচর্চা প্রশিক্ষক আলেকজান্ডার আলেক্সলিককে বারবার একসঙ্গে দেখা গেছে।

    এদিকে টাইগার শ্রফের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকেই দিশার সঙ্গে আলেকজান্ডারের প্রেমের চর্চা। নিজের বাহুতে দিশার মুখের উল্কি করিয়েছেন তিনি। এবার দিশার চর্চিত প্রেমিকের সঙ্গে গোয়া গিয়ে জলকেলিতে মাতলেন মডেল নাতাশা স্তানকোভিচ। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সাঁতারপুলে টায়ার টিউবের ওপর শুয়ে আছেন তিনি।

    তখনই চুপি চুপি পেছন থেকে এসে তাকে জলে ফেলে দেন অ্যালেক্সজান্ডার। চমকে ওঠেন নাতাশা। তাদের দুজনের পরনেই স্নান পোশাক। একে অন্যের সঙ্গ যে চুটিয়ে উপভোগ করছেন তা বোঝাই যাচ্ছে।

    তাদের এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাতাশাকে নিয়ে কটাক্ষ করেছেন নেটিজেনরা। এক নেটিজেন লিখেছেন— হার্দিক বেঁচে গেছে— কী মেয়ে। আরেক নেটিজেন লিখেছেন—হার্দিক কিন্তু লুকিয়ে লুকিয়ে সব দেখছেন।