Category: বিনোদন

  • বিয়ের ৮ মাসে মা হওয়া নিয়ে কটাক্ষ, জবাবে যা বললেন শ্রীময়ী

    বিয়ের ৮ মাসে মা হওয়া নিয়ে কটাক্ষ, জবাবে যা বললেন শ্রীময়ী

    চলতি বছরের মার্চের ২ তারিখে মহা ধুমধাম করে অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে সাত পাক ঘুরেছেন অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। অবশ্য আইনি বিয়েটা ১৪ ফেব্রুয়ারি সেরে ফেলেছিলেন দুজনে। তবে বিয়ের ৯ মাস পূর্তির আগেই জীবনের সেরা উপহার পেয়েছেন এই তারকা দম্পতি।

    শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন শ্রীময়ী।

    মেয়ের বয়স সবে তিন দিন! এখনও মেয়েকে নিয়ে শ্রীময়ীর ঠিকানা ভাগীরথী নেউটিয়া হাসপাতালের কক্ষ। হাতে স্যালাইনের চ্যানেল এখনও খোলা হয়নি। কিন্তু সব যন্ত্রণা মেয়ের হাসি মুখ দেখে সইছেন শ্রীময়ী। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই মা হলেন তিনি।

    তবে আইনি বিয়ের মাত্র সাড়ে ৮ মাস যেতে না যেতেই অভিনেত্রীর মা হওয়ার খবর নিয়ে শুরু করেছে নানান কাটাছেঁড়া।

    যদিও শ্রীময়ী-কাঞ্চনের বিয়ের তারিখ আর সন্তানের জন্মের তারিখ নিয়ে অঙ্ক কষতে শুরু করেছে নেট দুনিয়ায়। শিশু কন্যাকে ঘিরে কটাক্ষ-ট্রোলিং চলছে সামাজিক মাধ্যমে। তবে সেইসব নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজি নন শ্রীময়ী।

    তিনি বলেন, আমার জীবনের সবটাই খোলা খাতার মতো। যখন যেটা হয়েছে সব জানিয়েছি। এখন শুধু মেয়েটাকে নিয়ে ভালোভাবে বড় করতে চাই।

    এদিকে ব্যক্তিগত জীবনটা আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন কাঞ্চন। বরের আর পরিবারের বড়দের কথা মেনে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর গোপনে রেখেছিলেন শ্রীময়ী। তার কথায়, সাত মাস পর্যন্ত শুটিং করেছেন তিনি। কাউকে টেরও পেতে দেননি প্রেগন্যান্সির বিষয়ে। মা হওয়ার পর কতখানি বদলেছে শ্রীময়ীর জীবন? তার কথায়, মেয়ের ঘুম ভেঙে যাওয়ার ভয়ে এখন আস্তে আস্তে কথা বলেন। আর সারাক্ষণ অপলক দৃষ্টিতে মেয়ের দিকেই তাকিয়ে থাকেন। তিনি বললেন, ‘মনে হচ্ছে চোখের সামনে একটা তুলোর পুতুল শুয়ে আছে’।

    মেয়েকে প্রথমবার কোলে নেওয়ার অনুভূতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে শ্রীময়ী বললেন, আমি ওকে হাত নেড়ে হ্যালো বলেছি।

    বউয়ের এই কীর্তি দেখে হেসেখুন কাঞ্চন। তিনি জানান, আরে তুই ওর মা রে। হ্যালো বলছিস কী! বউয়ের সঙ্গে সারাক্ষণ কেবিনেই রয়েছেন কাঞ্চন। আর বাবার গলা শুনলেই গোল গোল চোখ করে তাকাচ্ছে মেয়ে।

    শ্রীয়মী আরও জানিয়েছেন, গত শনিবার চিকিৎসকের কাছে চেকআপের জন্য গিয়েছিলেন তিনি। হঠাৎ করেই সিজার করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসক।

    বেবি বাম্পের ছবি প্রকাশ্যে এনে গত রোববার সামাজিক মাধ্যমে শ্রীময়ী লেখেন, এটা লম্বা একটা সফর, টানা ৯ মাসের জার্নি। বহু আবেগঘন মুহূর্ত রয়েছে। শারীরিক দিক থেকেও ওঠাপড়া লেগে থেকেছে। আমার মধ্যে এক ছোট্ট প্রাণ নড়েচড়ে উঠত। এই অনুভূতি সত্যিই অসাধারণ।

    ‘অবশেষে সেই অপেক্ষা শেষ, আমার পরী এখন আমার সামনে, ওকে নিজের চোখে দেখার পরে বুঝেছি, সেই সব যন্ত্রণা, আবেগের ওঠাপড়া এই আনন্দের কাছে কিছুই না’।

  • যে কারণে গ্রেফতার হন গান বাংলার তাপস

    যে কারণে গ্রেফতার হন গান বাংলার তাপস

    বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল গান বাংলার প্রধান নির্বাহী কৌশিক হোসেন তাপসকে সোমবার উত্তরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) রওনক জাহান তাপসকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, সুনিদিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ।

    রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে আসামি মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে জানা যায়। আসামিকে জামিনে মুক্তি দিলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, মামলার তদন্তে ব্যাঘাতসহ আসামির দেশ ত্যাগ করার আশঙ্কা রয়েছে। আসামি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্রদের কঠোর হস্তে দমন করার জন্য ক্ষমতাচ্যুত সরকারের নেতাকর্মীদের উসকানি প্রদান করেছেন।

    তিনি একজন সক্রিয় আওয়ামী লীগের কর্মী। তিনি এ মামলার ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত। মামলার সঙ্গে জড়িত অপরাপর অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য এবং মামলায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করতে আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, অজ্ঞাতনামা আসামি সনাক্ত ও গ্রেফতার এবং আলামত উদ্ধার করা সম্ভব হবে। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবি রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

    তবে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকায় আগামী ৬ নভেম্বর রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করে আদালত। একইসঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    তাপস একাধারে গায়ক, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। এর আগে গত ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের একমাত্র সংগীতভিত্তিক টিভি চ্যানেল গান বাংলায় ভাঙচুর করা হয়।

    মামলার সূত্রে জানা যায়, ১৮ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার জন্য ইশতিয়াক মাহমুদসহ অন্যরা ছাত্রজনতার সঙ্গে একত্রিত হয়ে উত্তরা পূর্ব থানাধীন ৪নং সেক্টরস্থ আজমপুর নওয়াব হাবিবুল্লাহ হাই স্কুলের সামনে ফাঁকা রাস্তার উপর পৌঁছামাত্র ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী ক্যাডাররা দেশী ও বিদেশী অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হত্যার উদ্দেশে ইশতিয়াকের ওপর অতর্কিত হামলা, মারধরসহ গুলি বর্ষণ করতে থাকে। আসামিদের ছোড়া গুলির হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তিনিসহ ছাত্রদের অভিভাবক ও ছাত্রজনতা এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করতে থাকে। পরে আসামিদের ছোড়া গুলি তার পেট, পিঠ, হাতে ও মাথায় লাগলে তিনি গুরুতর আহত হয়। পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

    এ ঘটনায় গত ২৯ অক্টোবর ব্যবসায়ী ইশতিয়াক মাহমুদ বাদী হয়ে পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ১২৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার এজাহারনামীয় ৯ নং আসামি হলেন তাপস।

  • চোটের পর পদ্ম কি এখন সুস্থ, যা বললেন পরীমনি

    চোটের পর পদ্ম কি এখন সুস্থ, যা বললেন পরীমনি

    গুরুতর চোট পেয়েছিল ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনির ছেলে পদ্ম। চোখ ফুলে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তার। দ্রুতই হাসপাতালে নিয়ে যান অভিনেত্রী। গতকাল রোববার দেখা গেছে, পদ্ম মায়ের সঙ্গে নৌকায় চেপে ছুটির মেজাজে।

    যারা কয়েক দিন আগে পদ্মকে দেখেছেন, তারা আঁতকে উঠেছিলেন। গুরুতর চোট পেয়ে পরীমনির একরত্তি সন্তানের ডান দিকের চোখ প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তড়িঘড়ি ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যান। পাঁচ দিনের মাথায় সেই ছেলে মায়ের সঙ্গে সকাল সকাল মাঝ নদীতে, নৌকাবিহারে!

    শুধু নৌকাবিহার হলেও কথা ছিল, রীতিমতো খেলনা নিয়ে লম্ফঝম্প শুরু করে দিয়েছে পদ্ম। যাদেরই দেখছে, মামা সম্বোধন করছে। দেখে শুনে এ অভিনেত্রীর দাবি— সবাই ওর মামা।

    পদ্ম কীভাবে চোট পেয়ে চোখে আঘাত পেয়েছিল? মারাত্মকভাবে তার চোখ ফুলে গিয়েছিল? অথচ পরীকে তার বাড়ির কেউ সদুত্তর দিতে পারেননি, যা অভিনেত্রী পরে সামাজিকমাধ্যমে লেখেন। তিনি যে পরিজনদের আচরণে হতাশ, সে কথাও স্পষ্ট ভাষায় লিখতে ভোলেননি। এর তিন দিন পরেই অবশ্য পদ্ম উঠে বসেছে। হাতে দুধের গ্লাস নিয়ে সাইকেলে চেপে বনবন চক্কর কেটেছে বাড়ির ভেতরেই। রোববার সে মায়ের সঙ্গে বেড়াতে বেরিয়ে পড়েছে।

    মা-ছেলের ভ্রমণের ঝলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীমনির পাতায় ভাইরাল। সম্ভবত মাঝ দরিয়ায় দাঁড় করানো নৌকাটি। ছোট ছোট ঢেউ নৌকার গায়ে এসে পড়ছে। তাতে অল্প দুলে উঠছে সেটি। শীত শুরুর মিঠে রোদের আমেজ গায়ে মেখে পদ্ম রকমারি খেলনা নিয়ে মেতে উঠেছে খেলায়। খেলতে খেলতেই একসময় সে পরীমনির সহকারীর কোলে। তাকেই তার ‘মামা’ সম্বোধন।

    পরীর দাবি, তিনি ছেলেকে এই সম্বোধন সেখাননি। ছেলে নিজের বুদ্ধিতেই যে কোনো পুরুষকে মায়ের ভাই পাতিয়ে নিচ্ছে!

  • গান বাংলার তাপস গ্রেফতার

    গান বাংলার তাপস গ্রেফতার

    বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল গান বাংলার প্রধান নির্বাহী কৌশিক হোসেন তাপসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর উত্তরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    জুলাই-আগস্ট গণহত্যার ঘটনায় উত্তরা পূর্ব থানায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করে উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রওনক জাহান।

    তিনি বলেন, গান বাংলার প্রধান নির্বাহী কৌশিক হোসেন তাপসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

  • আলোর উৎসবে এক টুকরো আলো কাঞ্চন-শ্রীময়ীর জীবনে

    আলোর উৎসবে এক টুকরো আলো কাঞ্চন-শ্রীময়ীর জীবনে

    ২০২৪ সালের দীপাবলি স্মরণীয় হয়ে থাকবে টালিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের জীবনে। কারণ আলোর উৎসবে এক টুকরো আলো তাদের ঘরে। কোল আলো করে এলো কন্যাসন্তান। মা হলেন শ্রীময়ী, আর বাবা হলেন কাঞ্চন। এ মুহূর্তে তারা দুজনে খুশিতে আহ্লাদে আটখানা।

    আনন্দবাজার অনলাইনের প্রতিবেদনসূত্রে জানা গেছে, কেমন আছেন নতুন মা আর সদ্যোজাত? হাসপাতাল থেকেই জানালেন অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। গলায় ক্লান্তি আর তৃপ্তি মিলেমিশে একাকার। তিনি বলেন, মেয়ে ভালো আছে। আমিও ভালো আছি। তবে ধকল গেছে একটু, তাই ক্লান্তি রয়েছে। শ্রীময়ী বলেন, খুশিতে আত্মহারা কাঞ্চন। কালীপূজার পরেই বাড়িতে কন্যাসন্তান!

    অন্যদিকে বিধায়ক কাঞ্চন বলেন, দেবীই কন্যা রূপে তার ঘরে। তবে কার মতো দেখতে হয়েছে এখনই বুঝতে পারছেন না নতুন মা-বাবা। অভিনেত্রীর দাবি, খুব ফুটফুটে দেখতে। বেবিকট আলো করে শুয়ে আছে। শ্রীময়ী বলেন, কাঞ্চন তার কন্যার নাম রেখেছেন কৃষভি।

    এর আগে কালীপূজার দিন কাঞ্চন-শ্রীময়ী যুগল ভিডিওবার্তায় ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছা জানান। তখনই অভিনেত্রীকে নিয়ে গুঞ্জন শুরু। অনুরাগীরা বলেছেন, তার গর্ভ স্পষ্ট। বিষয়টি জানতে সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল আনন্দবাজার অনলাইন। তখনও কিচ্ছু জানাননি অভিনেতা দম্পতি।

    শ্রীময়ী বলেন, কাঞ্চন আমার সঙ্গে ছিল। সারাক্ষণ পাশে বসে গল্প করেছে। অস্ত্রোপচারে মেয়ের জন্মের পরেই আনন্দে চিৎকার করে ওঠে। খবর পেয়ে দুই পরিবারের সব সদস্য হাসপাতালে হাজির। অভিনেত্রী বলেন, আমার মা-বাবা খুব খুশি। বাড়ির ছোট মেয়ে আমি। দিদির বিয়ের ১৮ বছর পর বাড়িতে আবার শিশুর কলরব। ওরা আনন্দে কেঁদেই ফেলেছেন।

    ছেলে বা মেয়ে নিয়ে কোনো অভিযোগ ছিল না কাঞ্চন-শ্রীময়ীর। সুস্থ সন্তান পৃথিবীর আলো দেখুক, এটিই প্রার্থনা ছিল তাদের। আপাতত দিন পাঁচেক হাসপাতালে থাকতে হবে মা ও নবজাতককে। তার পর বাড়ি ফিরবেন তারা।

  • দীঘি-শাওনের বিয়ে দেখাতে আর কোনো বাধা নেই

    দীঘি-শাওনের বিয়ে দেখাতে আর কোনো বাধা নেই

    অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি ও অভিনেতা সৈয়দ জামান শাওন।শিগগিরই এই দুই তারকার এক জাঁকজমক বিয়ের আসর দেখতে যাচ্ছে দর্শকেরা।তাদের এই বিয়ের আয়োজনটি কোনো কমিউনিটি সেন্টার বা বাসা-বাড়িতে নয়, বসবে সিনেমা হলে (প্রেক্ষাগৃহ)!

    জানা গেছে, বিয়ের আয়োজনটিতে ভিন্নতা থাকায় এটি দেখাতে আয়োজকদের বেশ কিছু প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।এ জন্য নিতে হয়েছে অনুমতি।কারণ, অভিনেত্রী দীঘির এই বিয়ে হবে প্রেক্ষাগৃহের বড় পর্দায়।‘থার্টি ফোর- টোয়েন্টি ফোর- থার্টি সিক্স’ নামের একটি সিনেমায়।

    সিনেমাটি গত ৩০ অক্টোবর চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে অনুমতিপত্র পেয়েছে। ফলে দীঘি-শাওনের বিয়ে দেখাতে আর কোনো বাধা থাকছে না।

    অনুমতিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো দৃশ্য কাটা ছাড়াই সার্টিফিকেশন বোর্ডের ‘ইউ’ (ইউনিভার্সাল) গ্রেড পেয়েছে ‘থার্টি ফোর- টোয়েন্টি ফোর- থার্টি সিক্স’। অর্থাৎ সিনেমাটি সব বয়সি দর্শকরা দেখতে পাবেন।

    এদিকে সিনেমার মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত না হলেও ‘ইউ’ গ্রেডের সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত সিনেমাটির শিল্পী-কলাকুশলীরা।

    সিনেমাটিতে প্রিয়ন্তীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন দীঘি। সিনেমার সেই গল্পে থাকছে মূল চরিত্র প্রিয়ন্তীর বিয়ে।

    দীঘি ও শাওন ছাড়াও সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন কারিনা কায়সার, গোলাম কিবরিয়া তানভীর, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, মিলি বাশার, শহীদুল আলম সাচ্চু, আবু হুরায়রা তানভীর, শামীমা নাজনীন, রোজী সিদ্দিকী প্রমুখ।

  • বিদ্যা বালানের গানের ভিডিও ভাইরাল

    বিদ্যা বালানের গানের ভিডিও ভাইরাল

    সামনে দীপাবলিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে আনিস বাজমি পরিচালিত ‘ভুল ভুলাইয়া তিন’। এটি ‘ভুল ভুলাইয়া’ ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি। আর এ ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান ও সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমরি। এ ছাড়া ‘ভুল ভুলাইয়া তিন’ সিনেমায় বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে একই ফ্রেমে দেখা যাবে জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত ও বিদ্যা বালানকে। ছবিতে ‘আমি যে তোমার’-এ গানে নাচতে দেখা যাবে তাদের।

    সম্প্রতি ছবি মুক্তির প্রচারে এই আইটেম গানের সঙ্গে নাচতে দেখা যায় মাধুরী ও বিদ্যাকে। এদিকে নাচ করার সময় মঞ্চে পড়ে যান অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। কিন্তু তাতে বিন্দুমাত্র নজর না দিয়ে নাচের তালে বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।

    এ অভিনেত্রী উঠে দাঁড়াতেই মাধুরী এসে হাত রাখেন বিদ্যার কাঁধে। সেটিও নাচের মাঝে। দুজনের এই বিশেষ মুহূর্ত জিতে নিয়েছে সিনেমাপ্রেমীদের মন। তাদের পারফরম্যান্স শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকরাও হাততালি দেন। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিদ্যার এই নাচ দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা।

  • ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট করলেন সাদিয়া আয়মান

    ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট করলেন সাদিয়া আয়মান

    সমালোচনার মুখে ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট করে রেখেছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সম্প্রতি ফেসবুকে একটি নাটকের প্রমোশনের লাইভ করেছিলেন তিনি, ওই লাইভে ভক্ত-অনুরাগীদের আবেগ নিয়ে খেলা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এখন আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট করে রেখেছেন এ অভিনেত্রী। ফেসবুকে তার আইডি সার্চ দিলে কোনো তথ্য দেখা যাচ্ছে না।

    মূলত দিপ্ত প্লে’র একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করেছেন সাদিয়া। যেটি মূলত ঢাকার রহস্যজনক কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সেই ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার কৌশল হিসেবেই সাদিয়ার এই ‘ফেসবুক লাইভ’ নাটক করেছেন।

    ফেসবুবে সমালোচনা করে সাদিয়া ইসলাম নামে একজন লিখেছেন, ‘আপনার কি কমনসেন্সের অভাব? আপনি যদি কাজের প্রমোশন করবেন তাহলে লাইভ শেষে বলতে পারতেন এটা। না বলে হুট করে কেটে দিলেন। মাঝ রাতে জাতির ইমোশন নিয়ে খেলার কি দরকার ছিল।’

    আরেকজন প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘পিও সাদিয়া আয়মান মধ্যরাতে এই নাটকটা না করলেও পারতেন। আজকাল প্রমোশন এতো সস্তা কেন হয়ে যাচ্ছে যে মানুষের আবেগ নিয়ে খেলতে হবে?’

    যে কারণে প্রশিক্ষণরত ২৫২ এসআইকে অব্যাহতিযে কারণে প্রশিক্ষণরত ২৫২ এসআইকে অব্যাহতি

    সাদিয়া আয়মান টেলিভিশন নাটক ও ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তিনি ‘তাকদীর’ নামক ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত হন, যেখানে তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন।

  • আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন কেয়া

    আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন কেয়া

    সাবরিনা সুলতানা কেয়া। চলচ্চিত্রের দর্শকের কাছে তিনি কেয়া নামেই বেশি পরিচিত। দর্শকপ্রিয় নির্মাতা মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কঠিন বাস্তব’ ছবি দিয়ে চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ার শুরু করেন এ নায়িকা। ক্যারিয়ারের শুরুতেই নায়ক হিসেবে পান রিয়াজ ও আমিন খানকে। এরপর শাকিব খানের বিপরীতেও অভিনয় করেন তিনি। খুব অল্প সময়ে বেশকিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন।

    হঠাৎই বড় পর্দা থেকে হারিয়ে যান এই অভিনেত্রী। শেষ পর্যায়ে কেয়া সাফিউদ্দিন সাফি পরিচালিত ‘ব্ল্যাকমানি’ সিনেমাতে অভিনয় করে অনেকটা অন্তরালেই চলে যান। ব্যক্তিগত কারণে বেশকিছু কয়েক বছর বিরতির পর সম্প্রতি অভিনয়ে নিয়মিত হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন কেয়া।

    এদিকে কেয়ার নামে বেশকিছু ফেসবুক পেজ, ইউটিউব এবং অনলাইন পোর্টালে ভিত্তিহীন খবর প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন অভিনেত্রী। তাই তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন কেয়া।

    পাঠকদের জন্য চিত্রনায়িকার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

    তিনি লিখেন, ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র অঙ্গনে আমার দীর্ঘ ২৪ বছরের অভিনয় জীবন। এই সুদীর্ঘ পথ চলায় আমি কখনো কাউকে অশ্রদ্ধা করিনি, অহংকার করিনি, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করিনি। সবাইকে যথোপযুক্ত সম্মান দিয়ে পথ চলেছি এবং অভিনয় ও পরিবার নিয়েই জীবনের ব্যস্ত সময় পার করেছি। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল মিথ্যা গুজব ও রটনার সংমিশ্রণ ঘটিয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিডিয়ায় নানা ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে আমার মান-সম্মান ক্ষুণ্নসহ আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার চেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন। আমার অগণিত ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষী আমার এই খারাপ সময়ে পাশে থেকে সাহস যুগিয়েছেন, যার জন্য আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

    এই অভিনেত্রী আরও লিখেন, আমি ভেঙে পড়িনি, সিদ্ধান্ত নেই প্রতিবাদ করার। যার ফলশ্রুতিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মিডিয়ায় অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও কর্তৃপক্ষ বরাবর আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করি। কিছু কিছু মিডিয়াও এই সব অপপ্রচার বুঝতে পেরে তাদের অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে আমার বিরুদ্ধে মানহানিকর অপসংবাদ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন, তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ এবং সত্য সাংবাদিকতাকে সাধুবাদ জানাই।’

    বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে কেয়া বলেন, যেটা আমি করিনি সেটা আমার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। পত্রিকা কিংবা চ্যানেলের কাটতির জন্য তো আমার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগানো অপরাধ। তাই আমি আইনি প্রক্রিয়ায় নিচ্ছি। মিথ্যার বিরুদ্ধে অব্যাহত থাকবে আমার প্রতিবাদ। এমনকি প্রয়োজনে মামলাও করব। কারণ আমার ওপর কোনো ধরনের মিথ্যা চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।

  • দুই ছেলেকে যেভাবে আগলে রাখেন নুসরাত

    দুই ছেলেকে যেভাবে আগলে রাখেন নুসরাত

    দেখতে দেখতে সাড়ে তিন বছর বয়স হয়ে গেছে ঈশানের। এখন তার নানা ধরনের প্রশ্ন মনে— খুব তাড়াতাড়ি বড় হয়ে গেল। স্কুলে যখন যাচ্ছে ঈশান, ও তো বুঝতে পারছে না, ঠিক কী হতে চলেছে। আমার তো উদ্বেগ-চিন্তায় ওষ্ঠাগত প্রাণ। সবাই আমাকে বোঝাতে থাকেন, এটা খুব সাধারণ একটা বিষয়। বাচ্চারা স্কুল যাওয়ার সময় কাঁদবেই। টালিউড অভিনেত্রী বলেন, আমার কিছুতেই মন মানছে না। স্কুলের বাইরে সাত দিন টানা বসে থাকতাম। শুনতে পাচ্ছি তো ভেতরে কাঁদছে। যখন দেখলাম আর কাঁদছে না, তখন থেকে আর বসতাম না।’

    তবে গর্বের সঙ্গে নুসরাত বলেন, তিনি শুধুই ঈশানের মা নন। তার জীবনে আরও এক সন্তান রয়েছে। যশের প্রথম ছেলে রিয়াংশ। ‘আমরা মানুষ হিসেবে অনেক কিছু জটিল করে থাকি। একটু মানবিকতা দিয়ে ভাবলে এমনটি কখনই হয় না। আমাদের পরিবারে আলাদা করে দুই ছেলেকে কখনই ভাবা হয় না। যশের দুই ছেলে ওর জীবন। কোনো তফাৎ নেই। আমাদের বাড়িতে কিন্তু দুটো পোষ্যও রয়েছে। ওরাও আমাদের সন্তান।

    যশকে পাশে পাওয়ার কথা উল্লেখ করে নুসরাত বলেন, আমি কোনোদিন বলতে পারব না যে মায়ের কাজ সবচেয়ে ওপরে। আদর-যত্ন, লালন-পালন সবটা মা করেন সেটি যেমন ঠিক, তেমনই জীবনের অনেক পাঠ শিখিয়ে দেন বাবা। ঈশান পড়ে গেলে আমি দৌড়ে গিয়ে তুললেও, যশ ওকে শেখায় কীভাবে নিজে থেকে উঠে দাঁড়াতে হয়। একজন মা এবং বাবার আলাদা ভূমিকা থাকে জীবনে, যেটি শিক্ষণীয়।

    এ অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি ওদের আদরের জায়গা, আর যশ ওদের নিরাপত্তা। সবাই কিন্তু বাবাকেই ভয় পায়। আর আমি বন্ধু। মজার বিষয় হলো— রিয়াংশ সবসময় ঈশানকে অত্যন্ত আগলে রাখে। ওদের রক্তের টান। যেটা ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। আমি বা যশ যখন সবকিছু থেকে একটু ব্রেক নিতে বাইরে যাই, দুজন বাচ্চা একে অপরকে আগলে রাখে।

    কোভিডের সংক্রমণ কমলেও, তখনো কেটে যায়নি আতঙ্ক। হাসপাতাল থেকে ঈশানকে বাড়ি নিয়ে এলেন অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। দিনে পাঁচবার শুধু বাড়ি পরিষ্কার চলত সেই সময়। এমনকি বাচ্চার ঘরের দিকে খুব একটা লোকজন যেতেন না। তাই মানুষের ছোঁয়া থেকে খানিক দূরে ছিল নুসরাতপুত্র।

    অভিনেত্রীর বলেন, এই তো সেদিন তোকে কোলে করে নিয়ে এলাম। এর মধ্যেই কেমন বড় হয়ে গেলি বল তো…।’ রাতারাতি একটা ছোট্ট বাচ্চা কীভাবে তাকে পরিপূর্ণ করেছে সে বিষয়েই কথা বলেছেন অভিনেত্রী।

    ছেলের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ নুসরাত। তিনি বলেন, ‘সিজার হওয়ায় হাসপাতালে ওকে একমাত্র ফিডিংয়ের সময় কাছে পেতাম। প্রথম যখন কোলে পাই, তখন তো মা হয়ে উঠিনি। একজন শিশুকে কীভাবে দুধ খাওয়াতে হয়, কিছুই জানতাম না। যশ আমাকে এতটাই সাহায্য করেছে বলে বোঝাতে পারব না। আর সঙ্গে ছিলেন আমার মা। ছোট বাচ্চা কখন ঘুমাবে, কখন উঠবে সেটা বোঝা খুব মুশকিল হয়ে উঠত। প্রতিটি মায়ের অভিজ্ঞতা আসলে আলাদা হয়। আমারও তেমন সবার থেকে অন্যরকম।’

    বাচ্চাকে পাশে নিয়ে ঘুমানোর সময় প্রতিদিন নানা রকমের নতুন অভিজ্ঞতা হতো তার। দুধ খাওয়ানোর জন্য নাকি অ্যালার্মও দেওয়া থাকত অভিনেত্রীর। নুসরাত বলেন, ‘কখনও ঘুমের মধ্যে মনেও নেই হয়তো অ্যালার্ম বন্ধ করে দিয়েছি। আবার ধড়পড় করে উঠে বসতাম। আমি আর যশ সময় বার করে নিয়েছিলাম। সারারাত ব্রেস্ট ফিডিং করার পর আমি যখন ভোরের দিকে একটু ঘুমাতাম, তখন যশ ওকে নিয়ে বসে থাকত।’