Category: রাজণীতি

  • ৩০ নভেম্বর জাতীয় পার্টির কাউন্সিল

    ৩০ নভেম্বর জাতীয় পার্টির কাউন্সিল

    অনলাইন ডেস্ক :

      আগামী ৩০ নভেম্বর জাতীয় পার্টির জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের।

    শনিবার বনানীতে পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য এয়ার আহমদ সেলিম জিএম কাদেরের হাতে ফুল দিয়ে পার্টিতে যোগ দেন। যোগদান উপলক্ষে এক সভায় জিএম কাদের এ ঘোষণা দেন।

    তিনি বলেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম ও সংসদ সদস্যদের যৌথ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় কাউন্সিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কাউন্সিলে দলের নেতাকর্মীরাই জাতীয় পার্টির আগামী দিনের নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন। নেতাকর্মীদের সিদ্ধান্তই আমি মেনে নেবো।

    কাদের বলেন, পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জনের জন্য আমি রাজনীতি করি না। দেশ, দেশের মানুষ ও জাতীয় পার্টির জন্য আমাদের রাজনীতি। কোনো লোভ-লালসার জন্য আমাদের রাজনীতি নয়।

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের বড় তিনটি রাজনৈতিক দলের অন্যতম। জাতীয় পার্টির দেশ পরিচালনায় অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্য রয়েছে। দেশের রাজনৈতিক শূন্যতায় দেশের মানুষ এখন জাতীয় পার্টির দিকে তাকিয়ে আছে। দেশের নতুন প্রজন্মের সামনে রাজনীতি করার অন্যতম প্লাটফর্ম হচ্ছে জাতীয় পার্টি। এখনই দলকে আরও শক্তিশালী করতে পারলে আগামী দিনের রাজনীতিতে এবং দেশ পরিচালনার প্রতিযোগিতায় জাতীয় পার্টি আরও এগিয়ে যাবে।

    তিনি বলেন, সারাদেশে দলকে আরও শক্তিশালী করতে আট বিভাগে ৮টি সাংগঠনিক টিম করা হয়েছে এবং সাংগঠনিক টিমের পরার্মশ অনুযায়ী দলকে আরও বেগবান করা হবে।

    জিএম কাদের বলেন, জাতীয় পার্টি পার্টির গঠনতন্ত্র এবং প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নির্দেশনায় চলছে। এখানে বিভেদের অবকাশ নেই। বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। বিশৃঙ্খলার সুযোগ জাতীয় পার্টিতে থাকবে না। সঠিক পথে ও সুশৃঙ্খলভাবে জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এগিয়ে যাবে।

    সভাপতির বক্তব্যে প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, জাতীয় পার্টির ওপর বারবার আঘাত এসেছে। নানা ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়েই জাতীয় পার্টি এগিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দুবার পাঁচটি করে আসনে জয়ী হয়েছেন, এটা ইতিহাস। তিনি বলেন, গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক ধারা মোতাবেক পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তার অবর্তমানে গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে পার্টির চেয়ারম্যান নির্বাচন করেছেন। এটা গঠনতন্ত্র মোতাবেকই হয়েছে।

    তিনি বলেন, বেগম রওশন এরশাদ আমাদের মায়ের মতো, তিনি আমাদের অভিভাবক। আমরা বিশ্বাস করি, কিছু মানুষের পরামর্শে বেগম রওশন এরশাদকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। বেগম রওশন এরশাদ অবশ্যই অনুধাবন করবেন এবং জাতীয় পার্টির এগিয়ে চলার রাজনীতিতে আমাদের অভিভাবক হয়েই থাকবেন।

  • পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা এক একজন সাদিক আবদুল্লাহ আমি তাদের পাশে আছি : মেয়র সাদিক

    পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা এক একজন সাদিক আবদুল্লাহ আমি তাদের পাশে আছি : মেয়র সাদিক

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন যারা দিনরাত পরিশ্রম করে বরিশাল নগরীকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখেন তারা এক একজন সাদিক আবদুল্লাহ। তাদেরকে কেউ অন্যায়ভাবে লাঞ্চিত করতে পারবেনা, হেয় প্রতিপন্ন করতে পারবেনা।

    মেয়র শনিবার বিকেলে বরিশাল ক্লাবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে একথা বলেন। বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইসরাইল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ আরো বলেন, আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় বরিশাল নগরী একটা পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে উঠছে।

    মেয়র পরিচ্ছন্ন কর্মীদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, আমার কাছে আপনাদের কোন দাবি করতে হবেনা। আমি আপনাদের প্রয়োজন অনুধাবন করি। তাই দায়িত্ব গ্রহনের পরপরই আমি পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি করেছি। আমাদের আয় সীমিত হলেও অনিয়মিত সকল কর্মচারীদের জন্য উৎসব বোনাসের ব্যবস্থা চালু করেছি। আমি বিসিসির সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুখে দুখে পাশে আছি। দূর্নীতির কারনে সেবক কলোনীর নির্মান কাজ বন্ধ থাকলেও আমি উদ্যোগী হয়ে পুনরায় এর কাজ শুরু করেছি। সুন্দর নগরী গড়তে বিসিসির সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তা কামনা করে তিনি বলেন, জনগনের দেয়া টাকায় বিসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বোনাসসহ অন্যান্য কার্য সম্পাদন করা হয়।

    তাই জনগনের চাহিদা অনুযায়ী সেবা প্রদান করতে হবে। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ তার বক্তব্যে আরো বলেন, আমি নগর ভবন থেকে ব্যক্তিগত কোন সুবিধা নেইনা। আমি জানি অনিয়মিত কর্মচারীরা যা বেতন পায় তা খুবই সামান্য। আমি চেষ্ঠা করছি কিভাবে বেতন বাড়ানো যায়। মেয়র পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বলেন, এই নগরী পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব আপনাদের হাতে। আমি আগামীর সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন বরিশাল নগরী গড়তে আপনাদের উপর দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছি। আপনারা সকলে মিলে আমাকে সহায়তা করুন। আমি আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকবো। পরিচ্ছন্নতা বিভাগের সুপারভাইজারদের কাজে আরো বেশী মনোনিবেশ করার আহবান জানিয়ে মেয়র বলেন কাজের ক্ষেত্রে কারো অবহেলা বরদাশত করা হবেনা। মতবিনিময় সভার পূর্বে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের দিনমজুর আবুলের হাতে একটি হুইল চেয়ার তুলে দেন।

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রথম দেখতে চান একই পরিবারের চার অন্ধ

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রথম দেখতে চান একই পরিবারের চার অন্ধ

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ভৈরব শহরের কালীপুর গ্রামের একই পরিবারের জন্ম থেকেই অন্ধ ৪ ভাই-বোন মানবেতর জীবন যাপন করছেন। অন্ধ হওয়ায় তিন বোনের আজও বিয়ে হয়নি। পুরো পরিবার চলছে প্রতিবন্ধী আরেক ভাইয়ের সামান্য আয়ে। অভাবে আজ পর্যন্ত চোখের চিকিৎসা করাতে পারেননি তারা।

    অন্ধ চার ভাই-বোন হলেন, ভৈরব পৌর শহরের কালিপুর গ্রামের মৃত ওসমান গনির বড় ছেলে মো. গোলাম হোসেন (৪৮), মেয়ে রহিমা বেগম (৪২), জায়েদা বেগম (৩৫) ও সাজেদা বেগম (৩০)। অন্ধ হওয়ার কারণে তিন বোনের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে কেউ কোনোদিন আসেনি। তবে ভাই গোলাম হোসেন বিয়ে করেছেন। তার দুটি ছেলেও রয়েছে বলে জানান তিনি।

    গোলাম হোসেন জানান, আমরা চার ভাইবোন জন্ম থেকেই অন্ধ। পৃথিবীর কোনো কিছুই আমরা দেখতে পাইনা। জন্মের পর শিশুকাল থেকে আমার বয়স ৩০ বছর পর্যন্ত বাবা আমার চোখের চিকিৎসা করেছেন। ঢাকা ও চট্টগ্রামে চোখের অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি কিন্ত কাজ হয়নি।
    আমার জন্মের পর একে একে জন্ম নেয়া তিনটি বোনও জন্মান্ধ। আমার চোখ চিকিৎসায় ভালো হয়নি, তাই বাবা বোনদেরকে আর চোখের ডাক্তার দেখাননি।

    তিনি বলেন, ভৈরব উপজেলা সমাজ কল্যাণ অফিস থেকে প্রতিবন্ধী অন্ধ হিসেবে তিন বোন তিন মাস পর পর ২১০০ টাকা করে সরকারি ভাতা পায়, কিন্ত আমি পাই না। এ টাকা ছাড়া আমাদের আর কোনো আয় নেই। কিন্তু বোনদের সামান্য এ টাকায় সংসার চলে না।

    জন্মান্ধ জায়েদা বেগম বলেন, আমরা মনে হয় পাপী। তা না হলে আল্লাহ আমাদের ৪ ভাই-বোনকেই অন্ধ করে জন্ম দিলেন কেন? চলতে পারি না, খেতে পারি না, পরার মতো কাপড়ও নেই আমাদের। সরকার তিন মাস পর পর ২১০০ টাকা ভাতা দেয়, কিন্ত এ টাকায় চলতে পারি না।

    তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী এক ভাই শ্রমিকের কাজ করে কিছুটা সহযোগিতা করে। সরকার যদি আমাদেরকে চলার মতো অর্থ দিয়ে সহযোগিতাসহ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতো তাহলে হয়তো আমরা পৃথিবীর আলো দেখতে পেতাম।

    অন্ধ আরেক বোন রহিমা বেগম বলেন, জীবনে বিয়ের সাধ পেলাম না। যদি বিয়ে হতো তাহলে দুটি সন্তান থাকলে আমাদের সেবা যত্নসহ খাবার জোগাড় করতো। এলাকার এমপি বা নেতারাও কোনোদিন আমাদের খবর নেননি। মাঝে মধ্যে মনে হয় বেঁচে থাকাটাই আমাদের বৃথা। সবসময় ভাই-ভাবিসসহ অন্যের সহযোগিতায় চলাফেরা করতে হয়। বছরে দুটি পুরান কাপড় পরেই কোনোরকম বেঁচে আছি।

    অন্ধ সাজেদা বলেন, এ জীবন বড় কষ্টের। মাঝে মধ্যেই মনে হয় মরে যাব। কিন্ত মরার কোনো পথ পাইনা। জীবনে বড় সাধ ছিল পৃথিবী দেখার। কিন্ত এ সাধ হয়তো কোনো দিন আমাদের পূরণ হবে বলে মনে হয় না।

    অন্ধ গোলাম হোসেন বলেন, শুনেছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুব দয়ালু। তিনি আমাদের চোখের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিলে তাকে প্রথমে দেখতাম।

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে এ কেমন কটূক্তি ডেপুটি জেলারের

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে এ কেমন কটূক্তি ডেপুটি জেলারের

    অনলাইন ডেস্ক ::

    সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার ডলি আক্তার। জলি মেহেজাবিন খান নামে ফেসবুক ব্যবহার করেন এ কর্মকর্তা। পহেলা সেপ্টেম্বর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের একটি অনুষ্ঠানে ধারাভাষ্যকারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ধারাভাষ্য দেয়ার মুহূর্তে নিজের সেলফি তুলে রাখেন ডলি আক্তার।

    ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪৯ মিনিটে তিনি তার ব্যবহৃত জলি মেহেজাবিন খান নামের ফেসবুকে সেই ছবিটি পোস্ট করেন। ছবির ক্যাপশনে এ কারা কর্মকর্তা লেখেন, ৫৬তম ব্যাচ কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের শপথ গ্রহণ ও সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খান এমপি। এ অনুষ্ঠানের ধারাভাষ্যকার হিসেবে আপনাদের সঙ্গে আছি আমি…………। (লেখাটি পরিমার্জিত)

    ছবিতে কমেন্ট করেন এ নারী কর্মকর্তার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী। এর মধ্যে শারমিন ববি নামের একজন মন্তব্য করেছেন, ‘আফা মন্ত্রী বানান টা একটু ঠিক করে দেন, না হলে কিন্তু মাননীয় মন্ত্রী মাইন্ড খাইতে পারে।’ এ কমেন্টের প্রতিউত্তরে সাতক্ষীরার ডেপুটি জেলার ডলি আক্তার ওরফে জলি মেহেজাবিন খান লিখেছেন, ‘আমি চাটুকারিতা একদম পছন্দ করি না আফা (আপা), চাকরি করি জেলখানায়, এরকম বহু নামি-দামি ব্যান্ড (ব্র্যান্ড) ভেতরে আসলে বিলাই (বিড়াল) হয়ে যায়…যাই হোক, স্পেলিং মিসটেক হয়েছে এবং সেটা অনিচ্ছাকৃত।’ তার উত্তরে শারমিন ববি লিখেছেন, তোকেতো ভালো করেই চিনি, চাটুকারিতা যে করিস না সেটাও জানি, জাস্ট বানান ভুলটা চোখে পড়লো তাই তোকে জানালাম।’

    সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়ে সেখানে মন্ত্রীকে নিয়ে এমন কটূক্তি কতটা যুক্তিযুক্ত হয়েছে সেই বিষয়ে জাগো নিউজের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় ডেপুটি জেল সুপার ডলি আক্তার অরফে জলি মেহেজাবিন খানের সঙ্গে।

    satkhira-doli

    তিনি বলেন, ফেসবুক আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। সেখানে আমি কি লিখবো সেটা অন্য কাউকে তো বলবো না। আর কোন প্রসঙ্গে কার সঙ্গে বলেছি সেটাও আপনার জানতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমি সরকারি কর্মকর্তা। সরকারের মন্ত্রীকে কটাক্ষ আমি করতেই পারি না। তখন তিনি ফেসবুকটি তার নয় বলে অস্বীকার করেন। তখন ফেসবুকে তার ছবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

    ডেপুটি জেলারের এমন ফেসবুক মন্তব্যের বিষয়ে সাতক্ষীরা কারাগারের জেল সুপার আবু জায়েদ বলেন, সম্প্রতি সাতক্ষীরা কারাগারে যোগদান করেছেন ডলি আক্তার। কাশিমপুর কারাগারের অনুষ্ঠানে আমিও ছিলাম। তবে ফেসবুকে ডলি আক্তার কি লিখেছেন সেটি আমি দেখিনি। তাছাড়া আমাদের কারা আইনে রয়েছে সবকিছু ফেসবুকে দেয়া যাবে না।

    তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে যদি এমন কটূক্তি করে থাকেন তবে অবশ্যই সেটি ঠিক করেননি। তিনি বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। অফিসে যোগদান করলে তাকে এ ব্যাপারে সতর্ক করা হবে।

    ঘটনার বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ নজরুল ইসলাম বলেন, ডেপুটি জেলার ডলি আক্তারের ফেসবুকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে এমন মন্তব্যের বিষয়টি আমি এখনও দেখিনি। বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

    এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বলেন, বিষয়টি আমার দৃষ্টিতে আসেনি এখনও। না দেখে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাই না।

  • সুকান্ত ছিলেন সাধারণ মানুষের প্রতিচ্ছবি

    সুকান্ত ছিলেন সাধারণ মানুষের প্রতিচ্ছবি

    ‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূণিমা চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি/ অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি, জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশ ভূমি অথবা হে সূর্য, শীতের সূর্য, হীমশীতল সূদীর্ঘ রাত তোমার প্রতিক্ষায় আমরা থাকি।’ কবি সুকান্ত ভট্টাচর্যের লেখা এই কবিতাগুলো সাধারণ মানুষের একান্ত আবেগ ও অনুভূতি ফুটে ওঠে। তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের প্রতিচ্ছবি। একজন সাধারণের মহামানব।

    উদীচী এবং বরিশাল নাটকের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সুকান্ত জয়ন্তীর আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

    গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় নগরের উত্তর মল্লিক রোডে উদীচী ভবনে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যর জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    বরিশাল নাটকের সভাপতি কাজল ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুকান্ত জয়ন্তীর আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুকুল দাস, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি অ্যাড. বিশ^নাথ দাস মুনশী, বরিশাল নাটকের সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন লাবু, কবি ও নাট্যকার নজমুল হোসেন আকাশ, বরিশাল নাটকের সাধারণ সম্পাদক পার্থ সারথি, উদীচী সাধারণ সম্পাদক স্নেহাংশু কুমার বিশ্বাস প্রমূখ।

    আবৃত্তি পরিবেশ করে অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, সুজয় সেনগুপ্ত। পরে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পীরা সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা গান পরিবেশেন করে।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সুকান্ত ভট্টাচার্য মাটির সঙ্গে থেকে মাটির মানুষের সুখ, দু:খ, হাসি, কান্নার চিত্র লেখার মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তিনি বঞ্চিত এবং শোষিত মানুষের পক্ষে থেকে তাদের উজ্জীবীত করেছেন। আজকের যে অশুভ শক্তির উত্থান ঘটছে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হলে আমদের বেশি বেশি সুকান্ত চর্চা করতে হবে। সুকান্ত ভট্টাচার্যের আদর্শে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই সুকান্তর স্বপ্ন এই পৃথিবী আগমী শিশুর বাসযোগ্য হবে।

  • পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চরকাউয়ায় নদীভাঙন রোধে কাজ শুরু

    পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চরকাউয়ায় নদীভাঙন রোধে কাজ শুরু

    বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নে অব্যাহত নদীভাঙন রোধে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবরপ্রাপ্ত) জাহিদ ফারুক শামীমের নির্দেশে শুক্রবার জরুরি ভিত্তিতে এই কাজ শুরু হয়। শুক্রবার বিকেলে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে ভাঙন রোধে চলমান কাজ পরিদর্শন করেছেন বরিশাল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান মধু।

    এদিকে ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ নেওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

    একাধিক বাসিন্দার দাবি- গত কয়েকদিনের অব্যাহত কীর্তনখোলা নদী ভাঙনে চরকাউয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বেশ কয়েকটি বসতঘরসহ রাস্তা বিলীন হয়েছে। সর্বশেষ বুধবার রাতে সেই ভাঙন আরও প্রকট হলে পাশে একটি ভাঙন ঝুঁকিতে পড়ে। এই বিষয়টি প্রতিমন্ত্রীকে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে অবহিত করা হয়েছিল।

    বরিশাল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান মধু জানিয়েছেন- প্রতিমন্ত্রী তাকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সেখানকার পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা দিতে বলেছেন। এই কারণে তিনি শুক্রবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ভাঙনরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় এখন তেমন একটা ঝুঁকি নেই বলে দাবি করেছেন তিনি।

    পরিদর্শনকালে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি জোয়ায়ের আব্দুল্লাহ জিন্নাহসহ আ’লীগ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।’

  • দেশপ্রেমের প্রশ্নে ছাত্রলীগ সবার ঊর্ধ্বে: ছাত্রলীগ সভাপতি শোভন

    দেশপ্রেমের প্রশ্নে ছাত্রলীগ সবার ঊর্ধ্বে: ছাত্রলীগ সভাপতি শোভন

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, কর্মীরাই ছাত্রলীগের প্রাণ, কর্মী ছাড়া সংগঠনের কোন অস্তিত্ব নেই। ৫২, ৬৬ ও ৭১ এ ছাত্রলীগের কর্মীরা সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তাই দেশপ্রেমের প্রশ্নে ছাত্রলীগ সবার ঊর্ধ্বে।

    বুধবার সকাল দশটায় কর্মী সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ক্যাম্পাসে এসে পৌঁছান দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে। পরে বঙ্গবন্ধু চত্বরে ফুল দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে কর্মী সম্মেলনে যোগ দেন ছাত্রলীগ সভাপতি।

    এসময় কেন্দ্রীয় মিলনায়তনের ভিতরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরী করলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি শোভন মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা করে বারবার ব্যর্থ হন। উপস্থিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা প্রদান কালে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরীর জন্য শাবি ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সমালোচনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে কর্মী সমাবেশের পরিচালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান ।

  • ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিশ্বাসীদের প্রত্যাখ্যান করুন’ : গণপূর্তমন্ত্রী

    ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিশ্বাসীদের প্রত্যাখ্যান করুন’ : গণপূর্তমন্ত্রী

    গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ.ম রেজাউল করিম বলেছেন, যারা পেট্রোল বোমা মেরে শিশুদের মারে, যারা স্কুল-কলেজসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুড়িয়েছে, তারা দেশের বন্ধু হতে পারে না। যারা দেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলো ও স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও এ দেশকে মেনে নিতে পারেনা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিশ্বাস করেনা তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। বঙ্গবন্ধু’র কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই একমাত্র এদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের, যাদের বাড়ি-ঘর নেই তাদের বাড়ি-ঘর নির্মান করে দেয়াসহ ভাতা প্রদান করেছেন। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করবেন।

    শুক্রবার সকালে উপজেলার ডাকবাংলো চত্বরে উপজেলা অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ সব কথা বলেন মন্ত্রী।

    এ সময় তিনি উপস্থিত জন প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ব্যক্তি বিশেষের সন্তুষ্টির জন্য রাজনীতি করবেন না, জনগনের সার্বিক উন্নয়নের চিন্তা করে কাজ করবেন। আপনারা ও আমি একই জনগনের ভোট নিয়ে জন প্রতিনিধি হয়েছি। এলাকার প্রত্যেকটি মানুষের খোঁজ-খবর রাখবেন। আমরা জনগনের সেবক। মনে রাখবেন মৃত্যু নিশ্চিত, সময়টা অনিশ্চিত। তাই কোন প্রকার দুর্নীতি বা বিশাল বিত্ত-বৈভবের মালিক হওয়ার প্রয়োজন নেই।

    এসময় তিনি বলেন, আমি অনুন্নত ও অবহেলিত এ এলাকার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ব্যাক্তিগতভাবে কথা বলে এখানের (পিরোজপুর-১) উন্নয়নের জন্য সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ করিয়েছি।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোজী আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব আক্তারুজ্জামান খান কবির, এলজিইডি’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক (বিজেপি) কাজী মিজানুর রহমান, জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সুশান্ত রঞ্জন রায়, উপজেলা চেয়ারম্যান অমূল্য রঞ্জন হালদার, উপজেলা আ’লগি সাধারন সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন খান, উপজেলার ৯ টি ইউপি’র চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যবৃন্দ।

    এ সময় উপজেলার ৩নং দেউলবাড়ি দোবরা ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার অলিউল্লাহ বলেন, তার ইউনিয়নে এখানো পাকা সড়ক নেই। তাই সারা বছরই স্থানীয়দেরকে নৌকায় করে চলাচল করতে হয়। তাই তিনি তার এলাকার উন্নয়নে পাকা সড়কের দাবি করেন।

    এ সময় বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা আওয়ামী লীগের গত ১০ বছরে নাজিরপুরে কাঙ্খিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। মন্ত্রী এ সময় উপজেলার সকল ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের কাছ থেকে নিজ নিজ এলাকার প্রয়োজনীয় উন্নয়ন প্রকল্পের তালিকা গ্রহন করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন এলজিইজির নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বনাথ বনিক, পিরোজপুর সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এসএম বায়েজিদ হোসেন, জেলা পরিষদের সদস্য সুলতান মাহামুদ খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম সাইফুল ইসলাম সাইফ, কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় নেতা আতিয়ার রহমান চৌধুরী নান্নু, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ আ. লতিফ প্রমুখ।

  • আ.লীগ কোনো পক্ষ নেবে না জাপার দ্বন্দ্বে

    আ.লীগ কোনো পক্ষ নেবে না জাপার দ্বন্দ্বে

    অনলাইন ডেস্ক :

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় পার্টির টানাপোড়েনে আওয়ামী লীগের কিছু করার নেই। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাদের দলের মধ্যে আওয়ামী লীগ কারও পক্ষ নেবে না।

    আজ শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। এ দিনকে ‘জনগণের ক্ষমতায়ন দিবস’ বলে ঘোষণা দিয়েছে যুবলীগ। দিবসটি উপলক্ষে সংগঠনটির মাসব্যাপী কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, শেখ হাসিনার অপ্রতিরোধ্য উন্নয়ন অগ্রযাত্রা বিএনপিকে রাজনৈতিক সংকটে ফেলেছে। এই সংকট বিএনপি কাটিয়ে উঠতে পারবে না। রাজনীতি মানে অস্ত্রবাজি না, শিক্ষা গ্রহণ করে জনসেবা করা। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। রাজনীতিকরা ভাবেন পরবর্তী নির্বাচনে কী হবে, আর শেখ হাসিনা ভাবেন পরবর্তী প্রজন্মের কী হবে।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ আইএমএফও বলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশ প্রথম স্থানে আছে। দেশের প্রবৃদ্ধি ৮.২ হয়েছে। এটা আগামীতে আরও বাড়বে।

    তিনি বলেন, কর্মীর জন্য শেখ হাসিনা কতটা নিবেদিত আমার অসুস্থতার সময় দেখেছেন। প্রতিটি মানুষের জন্য এমনি নিবেদিত তিনি। শেখ হাসিনা জেগে আছেন বলে দেশের মানুষ আজ শান্তিতে ঘুমাই।

  • ঝালকাঠিতে গোপন বৈঠককালে জামায়াতের ১৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

    ঝালকাঠিতে গোপন বৈঠককালে জামায়াতের ১৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

    ঝালকাঠিতে গোপন বৈঠক চলাকালে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি, শিক্ষক ও ভূমি অফিসের কর্মচারিসহ ১৬ জামায়াত নেতাকর্মী এবং বাড়ির মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ  শুক্রবার সকালে শহরের শিতলাখোলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।

    পুলিশ জানায়, শহরের শিতলাখোলা এলাকায় জেলা জামায়াত নেতা ও তারাবুনিয়া ওয়াহিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মনিরুজ্জামানের ভাড়া বাসায় গোপন বৈঠকে বসেন জেলার শীর্ষ জামায়াত নেতারা। সেখানে নাশকতার পরিকল্পনায় করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফরিদুল হক, পৌর জামায়াতের আমীর আব্দুল হাই, জামাত নেতা ও ঝালকাঠি সদর ভ’মি অফিসের সার্ভেয়ার সাহাব উদ্দিন ও ঝালকাঠি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুসসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশের একটি দল। পরে ওই বাসার মালিক ও জনতা ব্যাংকের সাবেক এজিএম মহিউদ্দিন খোকনকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম মাহমুদ হাসান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জামায়াত নেতারা বৈঠকের কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। এ ব্যাপারে পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে। ওই মামালায় ১৬ জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে।