Category: রাজণীতি

  • ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্র

    ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্র

    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি আধুনিক এবং উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বদ্ধপরিকর।

    সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে মরক্কো দূতাবাস আয়োজিত দেশটির ২০তম জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশকে বিশ্বের স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহের মধ্যে মরক্কো অন্যতম। মরক্কোকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত অকৃত্রিম বন্ধু আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালের ১৩ জুলাই মরক্কো বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে ঐতিহাসিক সম্পর্কের সূচনা করে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মরক্কোর মধ্যে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গির মিল রয়েছে। উভয় দেশই শান্তি প্রতিষ্ঠা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য নিবেদিত। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ ও মরক্কোর মধ্যে অর্থবহ সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার বিশাল সুযোগ রয়েছে।

    মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশ ও মরক্কো জাতিসংঘ, ন্যাম এবং ওআইসিসহ বহুপাক্ষিক এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্লাটফর্মে সহমত এবং সহ-অবস্থানসহ অভিন্ন চিন্তা-ভাবনার স্বাক্ষর রাখছে-যা পারস্পরিক সম্পর্ককে সুদৃঢ় করেছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতির এ ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের বিস্ময়কর অগ্রগতি অনিবার্য।

  • স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফরে সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ

    স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফরে সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ

    ভয়াবহ ডেঙ্গু জ্বরের কবলে বাংলাদেশে। এর মধ্যে অনেক অমূল্য প্রাণ ঝড়ে গেছে। কিন্তু এ পরিস্থিতির তোয়াক্কা না করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের বিদেশ সফরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

    বুধবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। কমিটির সভাপতি মো. আলী আশরাফের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য মো. দবিরুল ইসলাম, মো. মুজিবুল হক, মইনউদ্দীন খান বাদল, আব্দুল মান্নান, ফখরুল ইমাম এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা অংশ নেন।

    বৈঠক সূত্র জানায়, কমিটির সভাপতি আলী আশরাফসহ একজন সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অবহেলা রয়েছে— এমন অভিযোগ করে বৈঠকে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। তবে বৈঠকে অংশ নেয়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো জবাব দেয়া হয়নি।

    সূত্র জানায়, বৈঠকে কমিটির সভাপতি আলী আশরাফ ও বাংলাদেশ জাসদ কার্যকরী সভাপতি মইনউদ্দীন খান বাদল সারাদেশে ডেঙ্গুর ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। তারা জানতে চান, এ সময়ে মন্ত্রী কেন বিদেশ সফরে গেলেন?

    বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য ফখরুল ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘বৈঠকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কমিটির দু’জন সদস্য বলেছেন, এ মুহূর্তে মন্ত্রী বিদেশে থাকলে কীভাবে হবে। তবে মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে চুপ ছিল। অবশ্য ডেঙ্গু নিয়ে তারা একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে। তবে তাতে আমরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট হইনি। কমিটি তদারকি বাড়ানোর সুপারিশ করেছে।’

    তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গুর পাশাপাশি চিকিৎসা সেবার মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দেখা যায়, একটি সরকারি হাসপাতাল কোথাও স্থাপন করা হলে তার কাছাকাছি একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে ওঠে। চিকিৎসকদের বেলা ১টার পর আর হাসপাতালে পাওয়া যায় না। এ জন্য আমরা সরকারি হাসপাতালগুলোতে সারপ্রাইজ ভিজিটে যাওয়ার কথা বলেছি।’

  • বীমা শিল্পের সম্ভাবনা থাকলেও বিকাশ ঘটছে না : পরিকল্পনামন্ত্রী

    বীমা শিল্পের সম্ভাবনা থাকলেও বিকাশ ঘটছে না : পরিকল্পনামন্ত্রী

    বীমা শিল্পের অনেক সম্ভাবনা থাকলেও যথাযথভাবে এর বিকাশ ঘটানো সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

    তিনি বলেন, ‘এটা নিশ্চিতভাবে বোঝা যায়, এতে অনেক সম্ভাবনা আছে, কিন্তু আমরা ট্রেপ করতে পারছি না। হয়তো প্রোপার অ্যাড্রেস (যথাযথভাবে চিহ্নিত বা উন্নয়ন) করতে পারছি না।

    বুধবার (৩১ জুলাই) ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেটে বীমা শিল্পের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি সম্পর্কিত গোল টেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

    আলোচনায় বক্তারা জানান, চলতি বাজেটে বীমা শিল্পের প্রাপ্তির মধ্যে রয়েছে সরকারের পক্ষে সবার জন্য স্বাস্থ্য বীমা চালুর আশ্বাস, স্বল্প পরিসরে পরীক্ষামূলকভাবে শস্য বীমা চালু, বীমা শিল্পের আধুনিকায়নে ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষুদ্র বীমা চালু, জীবন বীমা কর্পোরেশনের মাধ্যমে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বীমার আওতায় নিয়ে আসা, এ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন এবং সার্ভেয়ার ফি কর হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা।

    তবে বীমা সংশ্লিষ্টরা আলোচনায় বলেছেন, এগুলো যথেষ্ট নয়।

    জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যাশা-প্রাপ্তি ভারসাম্যহীন হলে টিকবে না। আপনারা যদি বেশি আশা করেন, তাহলে মার্কেট তা বহন করতে পারবে না। আবার সরকার আপনাদের দিয়ে নিজে মরে গেলে সেটাও দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন হবে না। সুতরাং একটা ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।’

    ‘আপনারা আপনাদের শিল্পের উন্নয়ন চান। আমরাও আমাদের আর্থিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন চাই। এ উন্নয়ন হলে দুপক্ষেরই লাভ। এতে কোনো সন্দেহ নেই’-যোগ করেন তিনি।

    সবার জন্য স্বাস্থ্য বীমা চালুর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, তা সাহসী বলেও মন্তব্য করেন পরিকল্পনামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কৃষি বীমা, স্বাস্থ্য বীমা ও অন্য বীমার ক্ষেত্রে আমাদের সরকার সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আপনাদের কাছ থেকে সহযোগিতা পেলে এসব প্রগতিশীল কাজ করা যাবে।’

  • আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিল জাতীয় পার্টি

    আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিল জাতীয় পার্টি

    সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি তাদের আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দাখিল করেছে। আজ (বুধবার) দুপুরে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের হিসাব জমা দেয়া হয় দলের পক্ষ থেকে। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় সদস্য লিটন মিয়াজী নির্বাচন কমিশনে আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী জমা দেন।

    ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে জাতীয় পার্টির আয় হয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৩৬ হাজার এবং ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ ২৬ হাজার টাকা।

    গতকাল একইভাবে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বিএনপি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও আজ তাদের হিসাব বিবরণী জমা দেবে।

    প্রসঙ্গত রাজনৈতিক দলগুলো আয়-ব্যয়ের হিসাব দেয়ার শেষ দিন আজ বুধবার। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে আয় ব্যয়ের হিসাব দিতে হয়। দলগুলো প্রাথমিক সদস্য ফি, নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি, প্রকাশনা বিক্রি ও ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত সুদ থেকে আয় করে। আর ব্যয় করে কর্মচারীদের বেতন, বোনাস, আপ্যায়ন, সভা-সেমিনার, অফিস ব্যয়, উত্তরণ-পত্রিকা প্রকাশ, ত্রাণ কার্যক্রম, বিভাগীয় ও জেলা জনসভা, সহযোগী সংগঠনের অনুষ্ঠান, সাংগঠনিক ব্যয় এবং অন্যান্য খাতে।

  • কে দেশে, কে বিদেশে তা বিষয় নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিষয়ে কাদের

    কে দেশে, কে বিদেশে তা বিষয় নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিষয়ে কাদের

    রাজধানীসহ সারাদেশে মহামারি আকার ধারণ করেছে ডেঙ্গু। এ পরিস্থিতিতে সরকার স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঈদের ছুটি বাতিল করেছে। তবে এরই মধ্যে সপরিবারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে খবর রয়েছে, সে প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কে দেশে কে বিদেশে তা বিষয় নয়, ডেঙ্গু মোকাবিলায় কাজ হচ্ছে কি-না সেটাই বিষয়।

    বুধবার রাজধানীর জিগাতলায় আওয়ামী লীগ ঘোষিত সারাদেশে ৩ দিনব্যাপী পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    দেশে যখন ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করেছে, ঠিক তখন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিদেশ যাত্রা দেশজুড়ে সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রী কীভাবে ব্যক্তিগত সফরে মালয়েশিয়া গেলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, কারও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।

    বর্তমান পরিস্থিতিকে মানবিক সংকট উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। অন্য যেকোনো চ্যালেঞ্জের মতো ডেঙ্গু মোকাবিলায়ও সরকার সফল হবে বলে আশা তার।

    তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু রোধে পাড়া-মহল্লায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা করবে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ)।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, এডিস মশা মানুষের চেয়ে এমন শক্তিশালী কিছু নয় যে আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে পারবো না, বিজয়ী হতে পারব না। আমরা ইনশাআল্লাহ বিজয়ী হবো। এ কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন না করে সাংবাদিক ভাইয়েরা আসুন আমরা একযোগে কাজ করি। অ্যাকশন প্রোগ্রাম একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবারই দায়িত্ব আছে। আসুন আমরা একযোগে এ কর্মসূচিকে সফল করে তুলি।

    তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এডিস মশার বিস্তার রোধের বিষয়টাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। সেটি সফল করার জন্য কাজ করছি। আমরা ভাষণে বিশ্বাস করি না। সারা দেশের সব সিটি কর্পোরেশন, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায়ে তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচি চলবে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আজকে বৃষ্টিমুখর পরিবেশর মধ্যেও আমাদের দলের সব নেতা এখানে সমবেত হয়েছেন। আমরা মশক নিধন কর্মসূচি পালন করছি। আমরা এখানে অংশ নিচ্ছি, আমাদের নেতাকর্মীরা ঢাকা সিটির প্রত্যেক ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে এ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।

    এ সময় জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা আপনাদের বাসস্থান আপনাদের আশপাশের জায়গাকে পরিষ্কার করুন। ডেঙ্গু মশা যেসব জায়গায় বিস্তার লাভ করতে পারে, সেসব জায়গাকে টার্গেট করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুধু এই নগরী নয়, সারা বাংলাদেশে পরিচালনা করবো। দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা অ্যাকশন প্রোগ্রামে থাকবো।

    এ সময় ডেঙ্গু চিকিৎসায় চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, আমরা চিকিৎসকদের আহ্বান জানাচ্ছি, এটার জন্যে নাম মাত্র ১০০ টাকা নিয়ে আপনারা চিকিৎসা করবেন। অনেক মানুষের পক্ষে ৫০০ টাকা ১০০০ টাকা দিয়ে রক্ত পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই আমি ডাক্তারদের আহ্বান জানাবো মানবতার স্বার্থে নামমাত্র পয়সায় কিংবা বিনা পয়সায় চিকিৎসা সেবা দিন।

    কর্মসূচি উদ্বোধনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এনামুল হক শামীম, বাহাউদ্দিন নাছিম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দি, তথ্য গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি।

  • আওয়ামী লীগের আয় বাড়ছেই

    আওয়ামী লীগের আয় বাড়ছেই

    ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের আয় বেড়েই চলছে। প্রায় অর্ধযুগ ধরে আয় বাড়া দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ। বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচটি ইমামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ইসিতে দলের ২০১৮ সালের আয় ও ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছেন।

    দলটির আয় ব্যয়ের হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০১৩ সাল থেকে তাদের আয় বাড়ছে। আর জমা দেওয়ার পর দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এতে দলটির ভিত্তি আরও শক্ত হচ্ছে বলে নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।

    আয় ও ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার পর ইসির মিডিয়া সেন্টারে এইচটি ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, এবার আওয়ামী লীগের আয় হয়েছে ২৪ কোটি ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৭০৭ টাকা। ব্যয় হয়েছে ১৮ কোটি ৮৭ লাখ ৮০ হাজার ৫৫৭ টাকা। দলের তহবিলে বর্তমানে ৩৭ কোটি ৫৭ লাখ ৭৮ হাজার ৫৮৭ টাকা অবশিষ্ট রয়েছে।

    ইসির তথ্যানুযায়ী, ২০১৩ সাল থেকে প্রত্যেক বছরই আওয়ামী লীগ লাভের মুখ দেখছে। ২০১৭ সালে আওয়ামী লীগ আয় ছিল ২০ কোটি ২৪ লাখ ৯৬ হাজার ৪৩৬ টাকা। বিপরীতে একই বছরে দলটির ব্যয় হয়েছে ১৩ কোটি ৬৩ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৯ টাকা। বছর শেষে তাদের ৬ কোটি ৬১ লাখ ৪৮ হাজার ১১৭ টাকা উদ্বৃত ছিল।

    emam

    ২০১৬ সালে দলটির আয় হয়েছিল ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৩৪ হাজার ৯৭ টাকা। বিপরীতে ব্যয় করেছিল ৩ কোটি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৯৯ টাকা। উদ্বৃত ছিল ১ কোটি ৮২ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৯ টাকা। এর আগে ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ আয় করে ৭ কোটি ১১ লাখ ৬১ হাজার ৩৭৫ টাকা। ব্যয় করে ৩ কোটি ৭২ লাখ ৮১ হাজার ৪৬৯ টাকা। এ বছরও দলটি প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা উদ্বৃত্ত দেখিয়েছিল।

    ২০১৪ সালে দলটি আয় দেখিয়েছে ৯ কোটি ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪৩ টাকা। আর ব্যয় দেখিয়েছে ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৪০ হাজার ৮২১ টাকা। এ বছর প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা উদ্বৃত্ত ছিল আওয়ামী লীগের। ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ আয় দেখিয়েছিল ১২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আর ব্যয় দেখিয়েছিল ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এ বছর প্রায় ৬ কোটি টাকা দলটির উদ্বৃত্ত ছিল।

    ২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রথা চালুর পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ মেনে প্রতিবছর আর্থিক লেনদেনের হিসাব দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর। কোনো দল পরপর তিন বছর আয়-ব্যয়ের হিসেব জমা না দিলে ইসি চাইলে তার নিবন্ধন বাতিল করতে পারে।

    আওয়ামী লীগের হিসাব জমা দেওয়ার পর নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নেতা সাংবাদিকদের বলেন, আয় বাড়ায় দলটির ভিত্তি আরও শক্ত হচ্ছে। নেতাকর্মীদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে আনন্দ।

  • খালেদার জামিন আবেদন খারিজ

    খালেদার জামিন আবেদন খারিজ

    অনলাইন ডেস্ক  :

    জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    মঙ্গলবার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আজও (বুধবার) শুনানি শেষে আবেদন খারিজ করে দেন আদালত।

    রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন ও মাহবুবউদ্দীন খোকন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

    গত ৩০ এপ্রিল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে অর্থদণ্ড স্থগিত এবং সম্পত্তি জব্দের ওপর স্থিতাবস্থা দিয়ে দুই মাসের মধ্যে ওই মামলার নথি তলব করেছিলেন।

    গত ২৮ জুলাই খালেদা জিয়ার আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একই বেঞ্চ জামিন শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।

    ওইদিন আপিল শুনানি গ্রহণের পর জয়নুল আবেদীন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন শুনানি করতে গেলে আদালত বলেছিলেন, আগে নথি আসুক। তখন দেখা যাবে।

  • সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়েছি : মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়েছি : মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেছেন, ২০১৮ সালের ২২ অক্টোবর আমি মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে শপথ নিয়েছি। এ সময় আমি বিসিসির প্রায় সাড়ে ৩০০ কোটি টাকার ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করি।

    বুধবার (৩১ জুলাই) বিকেলে বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর দীর্ঘদিনের নগরের পুঞ্জিভূত সমস্যা সমাধানের কর্মপন্থা গ্রহণ করি। আমাদের যেসব পরিকল্পনা রয়েছে সেসব বাস্তবায়ন খুব একটা সহজসাধ্য নয়। প্রায় ছয় লাখ নাগরিকের অধ্যুষিত এ নগরে হাজারো সমস্যা রয়েছে। আমাদের সীমিত সামর্থ্য ও সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে দিন-রাত কাজ করে চলেছি।

    তিনি বলেন, বরিশালকে রাতারাতি বদলে দেওয়ার দাবি আমাদের নেই। আমরা এগিয়ে যেতে চাই পরিকল্পিতভাবে এবং ক্রমান্বয়ে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ এর অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে নিরন্তর প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে।

    তিনি নয় মাসের অধিককাল সময়ে বর্তমান পরিষদের ৩৩টি অর্জনের কথা লিখিত আকারে তুলে ধরেন। যার মধ্যে পূর্বে থাকা ব্যাংকের ১১০টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে রাজস্ব আয় আদায়ের জন্য ৩৬টি অ্যাকাউন্ট, ব্যয়ের জন্য একটি মূল অ্যাকাউন্ট ও উন্নয়নের জন্য চারটি অ্যাকাউন্ট রাখা, সিটি করপোরেশনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও মজুরি স্ব স্ব ব্যাংক হিসেবে দেওয়া, প্রকৌশলী (সিভিল) শাখার কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, নগরভবনে ডিজিটাল হাজিরা চালু করা, নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলা আনায়ন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণের লক্ষে ড্রেনের স্লাব অপসারণ, পাঁচ বছর মেয়াদি রাস্তা নির্মাণ, থ্রি-ডি জেব্রা ক্রসিং স্থাপন উল্লেখযোগ্য।

    বাজেট ঘোষণার আগে মেয়রের লিখিত বক্তব্যে, ২০১৩-২০১৬ অর্থ বছরের ১৩৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকার অডিট আপত্তি, আর্থিক অনিয়মে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া, কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতা বকেয়া রাখা, অসচ্ছভাবে যানবাহনের জ্বালানি ব্যবহার করা, হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গতি ও আদায়ের ক্ষেত্রে অসচ্ছতা রাখা, ট্রেড লাইসেন্স ফি নির্ধারণ ও আদায়ের ক্ষেত্রে অসচ্ছতাসহ পূর্বের পরিষদের ২৫ টি অনিয়মের কথা তুলে ধরেন

    বাজেট ঘোষাণা শেষে মেয়র নাগরিকদের বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। এ সময় তিনি নগরবাসীর উদ্দেশে বলেন, বাজেটে বা আমার মেয়াদকালে কোনো হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানো হয়নি। পূর্বের পরিষদের ধার্য করা হোল্ডিং ট্যাক্সের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    এছাড়াও মেয়র নাগরিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

  • মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

    স্টাফ রিপোর্টার// রেজোয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আগামী অর্থ বছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আয়াজন সফল, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় বরিশালের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিবর্গ, প্রশাসনের ব্যক্তিবর্গ, সামািজক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, গনমাধ্যমের ব্যক্তিবর্গ, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারি, বাজেট সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিবর্গসহ বরিশাল নগরীবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এক বিবৃতিতে তিনি আগামীর বরিশাল গড়তে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

  • বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে সাড়ে ৫’শ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে সাড়ে ৫’শ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের চলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০২০) ৫৪৮ কোটি ১০ লাখ ৬৭ হাজার ৪৩৭ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    বুধবার (৩১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় নগর ভবনের সমানে জনসম্মুখে এ বাজেট ঘোষণা করবেন মেয়র। যেটি চতুর্থ পরিষদের ঘোষিত প্রথম ও করপোরেশনের ইতিহাসের প্রথম জনস্মুখে উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা ছিল।

    বাজেট ঘোষাণাকালে মেয়র বলেন, আমি ২০১৮-২০১৯ সালের অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ছিল ৪৪৩ কোটি ৩৯ লাখ ৯৮ হাজার ২৫৫ টাকার। সংশোধিত হয়ে যা দাঁড়িয়েছে ১২৫ কোটি ৩৩ লাখ ৮৯ হাজার ৬৪৫ টাকা। আর সবশেষে ২০১৯-২০২০সালের অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ৫৪৮ কোটি ১০ লাখ ৬৭ হাজার ৪৩৭ টাকা ঘোষণা করছি। আমি নগরবাসীর সঙ্গেই আছি, আগামীতেও যেকোনো পরিস্থিতিতে থাকবো।

    এছাড়া বাজেটে নগরের ৪৩ খাল পুনঃখনন, জেলখাল সংরক্ষণ ও এর ওপর ৪টি আধুনিক ব্রিজ নির্মাণ, আধুনিক মার্কেট নির্মাণ, আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ, অসমাপ্ত শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ, বর্ধিত এলাকায় নতুন পানির লাইন ও গভীর নলকূপ স্থাপনসহ ১৯টি মধ্যমেয়াদি (৫ বছর) উন্নয়নমূলক কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের সীমান বাড়ানো, জলাশয় ভরাট বন্ধ করা, ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনাসহ ১০টি দীর্ঘমেয়াদি (১০ বছর) উন্নয়নমূলক কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

    ঘোষিত বাজেট অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে আয় ও ব্যয়ের বাজেট সমান ধরা হয়েছে। বাজেটে রাজস্ব থেকে আয় ও ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩০ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ২৯৩ টাকা, উন্নয়নের মোট আয় ও ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১৬ কোটি ২২ লাখ ৪৮ হাজার ১৪৪ টাকা এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা থেকে প্রাপ্ত তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। বাজেটে এডিপি ও সরকারের বিশেষ বরাদ্দ আয়ের অন্যতম উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে।

    বাজেট ঘোষণার সময় মেয়রপত্নী লিপি আব্দুল্লাহ, সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়ররা, কাউন্সিলররা, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    বাজেট ঘোষণা শেষে মেয়র নগরবাসীর বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।