Category: রাজণীতি

  • অক্টোবরেই হতে পারে ছাত্রলীগের সম্মেলন

    অক্টোবরেই হতে পারে ছাত্রলীগের সম্মেলন

    নিউজ ডেস্কঃঃ ২০১৮ সালে ২৯তম সম্মেলনের পর পেরিয়ে গেছে চার বছর। বর্তমান সভাপতি-সম্পাদক দায়িত্ব নেওয়ার পরও পেরিয়েছে ৩ বছর। দীর্ঘ মেয়াদে দায়িত্বে থাকলেও আশানুরূপ সাংগঠনিক শক্তি অর্জনে ব্যর্থতার অভিযোগ আছে বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে। আছে অছাত্র, বিবাহিত এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের পদ দেওয়ার অভিযোগ। এর মাঝে সম্মেলনপ্রত্যাশী নেতাদের তোপের মুখে একাধিকবার পড়েছেন তারা দুজন। তবে সম্মেলন করার কোনো উদ্যোগ নেননি তারা।

    এ অবস্থায় আগামী নির্বাচনের আগে নতুন নেতৃত্ব আনতে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলন হতে পারে আগামী অক্টোবরে।

    আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং একজন সাংগঠনিক সম্পাদক জাগো নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তারা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ছাত্রলীগের দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত।

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এ বিষয়ে বলেন, ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় আমরা সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চলতি বছরের অক্টোবরেই ছাত্রলীগের সম্মেলনের জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত থেকে দেশে ফিরলে আমরা তার সঙ্গে বৈঠকে বসবো। তখন তিনি সম্মেলনের তারিখ জানাবেন।

    ‘এ মাসে আবার প্রধানমন্ত্রীরর জাতিসংঘ সফরও রয়েছে। এটি শেষ করে এ মাসেই দেশে ফিরবেন তিনি। আমরা আশা করছি, অক্টোবরের মধ্যে সম্মেলনের কাজ সেরে ফেলতে পারবো।’

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, তবে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ ঠিক হয়নি। নেত্রী যখনই তার সুবিধামতো তারিখের কথা জানাবেন, তখনই সম্মেলন করা হবে।

    এদিকে একাধিক সূত্র বলছে, আসন্ন সম্মেলনকে ঘিরে নেতৃত্বে আসার যোগ্যতা আছে এমন ছাত্রনেতাদের জীবনবৃত্তান্ত ও কার্যক্রমের তালিকা সংগ্রহ করেছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। এখন হেভিওয়েট প্রার্থীদের অধিকতর তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ বা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ লক্ষ্য করেই ছাত্রনেতাদের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি ও জমা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের কাজ করছেন।

    সম্মেলন নিয়ে যা ভাবছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা

    আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছ থেকে সম্মেলনের সিদ্ধান্ত ও প্রস্তুতির কথা জেনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা।

    এ বিষয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সোহান খান বলেন, সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের ধন্যবাদ জানাই। জয়-লেখকের কাছ থেকে ছাত্রলীগ মুক্ত হচ্ছে, এটা অনেক আনন্দের। আমরা চাই, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ছাত্রলীগ তার ঐতিহ্য, ধারাবাহিকতা ও গতিশীলতা ফিরে পাক।

    ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব খান বলেন, নানান কারণে ছাত্রলীগের সম্মেলন এতদিন হয়নি। এতে সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘিত হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের সম্মেলন করার বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তাতে আমরা আনন্দিত

    ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌস আলম বলেন, ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলন একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। দুঃখজনকভাবে গত কমিটি গঠনের সময় সম্মেলন করা হয়নি।

    ‘বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় আমরা নেত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম। নেত্রীর নির্দেশনায় সম্মেলন হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে কাজ করার প্রেরণা-উৎসাহ আসবে।’

    সম্মেলনের বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান জয় বলেন, আমরা আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী, অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত করে দিতে অনুরোধ করেছিলাম। তিনি বলেছেন, জানাবেন।

  • কাউন্সিলর বাদশার মাতার ইন্তেকালে মেয়রের শোক

    কাউন্সিলর বাদশার মাতার ইন্তেকালে মেয়রের শোক

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোশারেফ আলী খান বাদশা এর মাতা রিজিয়া বেগম সোমবা ভোর ৫ টা ৪৫ মিনিটে
    শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন । ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

  • শোকের মাস ঘিরে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি

    শোকের মাস ঘিরে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি

    নিউজ ডেস্কঃ শোকের মাসকে ঘিরে আগস্টের প্রথম প্রহর থেকে পুরো মাসের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। রবিবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচি জানানো হয়।

    শোকের মাসের শুরু উপলক্ষে ৩১ জুলাই দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে ধানমণ্ডি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে আলোর মিছিল করবে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ। একই সময়ে ১৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন করবে মহিলা আওয়ামী লীগ।

    আগামী সোমবার সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে কৃষক লীগের আয়োজনে রক্ত ও প্লাজমা দান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    ৫ আগস্ট শহীদ শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৮টায় আবাহনী ক্লাব প্রাঙ্গণে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন। এছড়াও ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে সকাল ৯ টায় বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন।

    বাদ জোহর আজিমপুর এতিমখানায় এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। এছাড়াও আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি, আওয়ামী লীগের বণ ও পরিবেশ উপ-কমিটি, আওয়ামী যুবলীগ ও আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ পৃথক আলোচনা সভার আয়োজন করবে। এভাবে পুরো মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগ এবং দলের সহযোগী সংগঠনগুলো। আগামী ৩১ আগস্ট ছাত্রলীগ ও কৃষক লীগের আয়োজনে আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে শোকের মাস আগস্টের কর্মসূচি শেষ করবে আওয়ামী লীগ।

    ১৫ আগস্টের জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে: সূর্য উদয় ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে সংগঠনের সকল স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল ৭টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল।

    সকাল সাড়ে ১০টায় টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। উক্ত কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল, গোপালগঞ্জ জেলা ও টুঙ্গীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ-এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

    বাদ জোহর কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সকল মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। এছাড়াও মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে দেশব্যাপী বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচির অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয়ভাবে ওই দিন প্রথম প্রহরে (রাত ১২টা ১ মিনিট) মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চে (৩/৭-এ সেনপাড়া, পর্বতা, মিরপুর-১০) মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও বিশেষ প্রার্থনা, সকাল ৯টায় তেজগাঁও হলি রোজারি চার্চে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করবে খ্রিস্টান সম্প্রদায়, সকাল ১০টায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডাস্থ আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ সম্প্রদায় এবং সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় প্রার্থনা সভার আয়োজন করবে। দুপুর সারাদেশে অস্বচ্ছল, এতিম ও দুস্থ মানুষদের মাঝে খাদ্য বিতরণ ও গণভোজের আয়োজন। এছাড়াও ১৬ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৩ টায় জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলা দিবস উপলক্ষে সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা।

    ২১ আগস্ট নারকীয় গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে সকাল ৯টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা নিবেদন। সকাল ১০টায় ২১ আগস্ট নারকীয় গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে আলোচনা সভার আয়োজন করবে আওয়ামী লীগ। এছাড়াও ২৭ আগস্ট জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ প্রাঙ্গণে কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন।

    আগামী ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ গৃহীত মাসব্যাপী শোক দিবসের কর্মসূচি যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে পালনের জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সকল সহযোগী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনসমূহের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

    একইসাথে আওয়ামী লীগের সকল জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌর, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডসহ সমস্ত শাখার নেতৃবৃন্দকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সাথে সঙ্গতি রেখে কর্মসূচি পালনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বরিশালে আলোচনা সভা

    জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বরিশালে আলোচনা সভা

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শোকাবহ আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ শাহাদতবরণকারী শহীদদের স্মরণে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ ১নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার বিকেলে নগরীর পশ্চিম কাউনিয়ায় ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি আবুল বাশার সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, আগস্ট মাস শোকের মাস। শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

    মেয়র বলেন, “ বরিশাল নগরীর যে সকল রাস্তাঘাট এখনো সংস্কার করা হয়নি, মেয়র হিসেবে আমার মেয়াদের মধ্যে সকল কাজ সম্পন্ন করব”।

    আলোচনা সভার শুরুতে ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল শাহাদতবরণকারীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    ওয়ার্ড আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান মেননের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আ.লীগের সভাপতি এ্যাড. এ.কে.এম জাহাঙ্গীর, সহসভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, সহসভাপতি এ্যাড. আফজালুল করিম, প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, কাউন্সিলর কেফায়েত হোসেন রনি, মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক রইজ আহম্মেদ মান্নাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • বিএনপি নেতাদের হাতে হারিকেনই ধরিয়ে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    বিএনপি নেতাদের হাতে হারিকেনই ধরিয়ে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, উন্নত দেশগুলো যখন হিমশিম খায়, তখন আমরা সাশ্রয়ী হচ্ছি। এটার অর্থ এই নয়, আমরা লুটপাট করছি। লুটপাট তো বিএনপি করেছে। আমি দেখেছি- বিএনপি নেতারা হারিকেন নিয়ে আন্দোলন করছে। তাদের হাতে হারিকেনই ধরিয়ে দিতে হবে। আর মানুষকে ভালো রাখতে আমরা সব কাজ করছি। সেটাই করবো।

    আজ সোমবার কৃষকলীগের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্ত ও প্লাজমাদান কর্মসূচিতে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    এসময় নেতাকর্মীদের রক্তদানে উৎসাহিত করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জাতির পিতার আদর্শের প্রতিটি নেতাকর্মী মানুষের সেবায় সব সময় পাশে থাকবে নিবেদিত প্রাণ হয়ে। বঙ্গবন্ধুর জীবনে ক্ষমতার কোনো লোভ ছিল না বলে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে মানুষের জন্য কাজ করেছেন। শত কষ্টের পরও কোথাও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। তার জীবনে ক্ষমতার কোনো লোভ ছিল না। বঙ্গবন্ধু মানুষের কষ্ট সহ্য করতে পারেননি। তিনি মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি দেশের মানুষের জন্য আত্মত্যাগের নজির রেখে গেছেন। বঙ্গবন্ধু নিশ্চিত ছিলেন বাঙালির বিজয় হবেই। যে কারণে কারাগারে থাকা অবস্থায়ও তিনি মনোবল হারাননি। অথচ এই আগস্টেই জাতির কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুকে কেড়ে নিয়েছিল ঘাতকের দল।

    তিনি বলেন, জাতির পিতার হত্যার পর দেশের কী উন্নতি হয়েছে? চলে গেলো মার্শাল ল’তে। ক্ষমতা দখল করে কুক্ষিগত করা হলো। তারা ক্ষমতায় এসে পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস করে। ইনডেমনিটি দেয়। জাতির পিতার খুনীদের রক্ষা করে। যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমতায় নিয়ে আসে। স্বাধীনতার চেতনা থেকে দেশকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সব আয়োজন করলো। মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাদের চোর ডাকাত বানালো। দেশের মানুষ কী পেলো?

    তিনি বলেন, জাতির পিতাকে হত্যা করে দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল। ভবিষ্যতে যেন আর কেউ এমন ছিনিমিনি খেলতে না পারে।

    জনসংখ্যা নিয়ে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের জনসংখ্যা এখন সাড়ে ১৬ কোটি। এই জনসংখ্যার হিসেবও কারো কারো পছন্দ হয় না। কেন? তাহলে তারা নিজেরাই সন্তান জন্ম দিক, আমরা খাবার দেবো। আমরা চাই, প্রতিটি পরিবার সুখী সমৃদ্ধ হবে। আমরা সে কাজটি করে যাচ্ছি।

    শেখ হাসিনা বলেন, প্রকৃত গণতন্ত্র থাকলে দেশের যে উন্নতি হয়, এটা আজ প্রমাণিত। আওয়ামী লীগ সেটা প্রমাণ করে দিয়েছে। ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবায় কমিউনিটি ক্লিনিক করে দেওয়াসহ নানা কাজ করেছি। বলতে গেলে ৯৬ থেকে ২০০১ সমৃদ্ধির সময় ছিল বাংলাদেশের। পরে তারা এসে কী করলো? ভিক্ষাবৃত্তি বা দেশকে পরনির্ভরশীল করেছে। দুর্নীতি, খুন খারাবি আর লুটপাট ছিল স্বাভাবিক চিত্র। ভোটের অধিকারই ছিল না মানুষের। বিএনপির সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ব্যালট ছিনিয়ে নিয়েছে। তাদের কাছ থেকেও কথা শুনতে হয়, নির্বাচনের কথা তারা বলে কোন মুখে?

    কৃষকলীগের সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতির সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী ও ড. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

  • বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

    বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ভোলায় পুলিশের বর্বরোচিত হামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিমকে গুলি করে হত্য করার প্রতিবাদে বরিশাল শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে স্বেচ্ছাসেবক দল বরিশাল জেলা শাখা।

    আজ সোমবার (১) আগস্ট বেলা ১১টায় নগরীর সদররোডস্থ জেলা ও মহানগর বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রবিাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সহ-সভাপতি এ্যাড, আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পিন্টু।

    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা স্বেবচ্ছাসেবক দল সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জনি,সাংগঠনিক সম্পাদক জাবের আব্দুল্লাহ সাদি, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রবিউল আউয়াল শাহিন,মিজানুর রহমান বাপ্পি,নিজামুল হক নাদিম,রোকুনোজ্জামান রোকন মোল্লা,জাহিদ মোল্লা,আবু তাহের মোল্লা সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ।

    সমাবেশ সঞ্চলনা করেন বি,এইচ রিমন। এর পূর্বে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা কর্মীরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বেড় করে পরে মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে ফিরে আসে।

  • সংলাপ শেষ: ইসির টেবিলে তিন শতাধিক প্রস্তাব

    সংলাপ শেষ: ইসির টেবিলে তিন শতাধিক প্রস্তাব

    নিউজ ডেস্কঃ আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংলাপে অংশ নিয়ে দলগুলো তিন শতাধিক প্রস্তাব করেছে।

    সংলাপে বারবার আলোচনায় এসেছে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার, ইভিএম, বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনা মোতায়েন, সংখ্যানুপাতিক আসন বণ্টনের ব্যবস্থা ও ইসির অধীনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ন্যস্ত করার বিষয়।

    গত ১৭ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ৩৯টি দলকেই সংলাপে আসার সময় দিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে বিএনপিসহ নয়টি দল সংলাপে অংশ নেয়নি। ইসির আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েছে ৩০টি দল। এর মধ্যে দু’টি দল আসতে না পারার কারণ দেখিয়ে পরবর্তীতে সংলাপের জন্য সময় চেয়েছে। অর্থাৎ ২৮টি দলের সঙ্গে আলোচনা করেছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।

    আগস্টের পরে সংলাপের জন্য সময় দিতে পারবে বলে জানিয়েছে জাতীয় পার্টি-জেপি। আর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কারণে পরবর্তীতে সময় চেয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি।

    যে নয়টি দল সংলাপে অংশ নেয়নি
    বাংলাদেশ মুসলীম লীগ-বিএমল, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি।

    সংলাপে অংশগ্রহণকারী দলগুলো তিন শতাধিক প্রস্তাব দিয়েছে ইসিকে, যার মধ্যে অনেক প্রস্তাবই নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার বহির্ভূত। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বারবার বলেছেন, ওই ধরনের প্রস্তাবগুলো সরকারের কাছে পাঠিয়ে দেবেন। সবচেয়ে বেশি প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ৪০টি।

    প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টিসহ ১৬টি দল ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষে মতামত দিয়েছে। কোনো কোনো দল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সীমিত আকারে মেশিনটি ব্যবহারের জন্য বলেছে। দলগুলো হচ্ছে— বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, গণফোরাম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, জাকের পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)। আর জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) পেপার ট্রেইল যুক্ত করা সাপেক্ষে ইভিএম ব্যবহার করার জন্য বলেছে।

    ২৮ দলের কাছ থেকে এসেছে তিন শতাধিক প্রস্তাব
    জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম ১৩টি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ একগুচ্ছ, বাংলাদেশ কংগ্রেস ১৬টি, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ৯টি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) একগুচ্ছ, খেলাফত মজলিস ৪টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ২০টি, ইসলামী ঐক্যজোট ১১টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১৫টি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) ৯টি, গণতন্ত্রী পার্টি ৫টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ১৩টি, গণফ্রন্ট ২২টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ৪০টি প্রস্তাব দিয়েছে।

    এছাড়া জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ১২টি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ৯টি, বাংলাদেশ মুসলীম লীগ ১৯টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ১২টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ১১টি, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ ৭টি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপি ১৬টি, জাকের পার্টি ৪টি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ একগুচ্ছ, গণফোরাম ১০টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ১১টি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ১১টি, জাতীয় পার্টি ৪টি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৪টি প্রস্তাব দিয়েছে।

    গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নিয়ে আউয়াল কমিশন বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সংলাপের আয়োজন করে। গত ১৩ মার্চ দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী, ২২ মার্চ নাগরিক সমাজ, ৬ এপ্রিল প্রিণ্ট মিডিয়ার সম্পাদক/সিনিয়র সাংবাদিক, ১৮ এপ্রিল ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী/প্রধান বার্তা সম্পাদক/সিনিয়র সাংবাদিক, ৯ জুন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধি এবং ১২ জুন নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় করে ইসি।

    এছাড়া প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ইভিএম যাচাই করার জন্য গত ২৫ মে এবং রাজনৈতিক দলগুলো সঙ্গে ১৯, ২১ ও ২৮ জুন তিন দফায় বৈঠক করে ইসি। সে সময়ও বিএনপিসহ ১১টি দল সাড়া দেয়নি।

  • শুরু হলো বাঙালির শোকের মাস

    শুরু হলো বাঙালির শোকের মাস

    নিউজ ডেস্কঃ সোমবার (১ আগস্ট) থেকে শুরু হচ্ছে শোকাবহ আগস্ট মাস। এ মাসে বাংলাদেশে সংঘটিত হয়েছে ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। ১৯৭৫ সালের এদিনে স্বাধীনতাবিরোধী দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মানবতার শত্রু প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতক চক্রের হাতে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন।

    তিনি ছিলেন পরাধীন বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক, বিশ্বের লাঞ্ছিত-বঞ্চিত-নিপীড়িত মানুষের মহান নেতা, বাংলা ও বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান, বাঙালির প্রেরণার চিরন্তন উৎস ও অবিসংবাদিত নেতা।

    সেদিন ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী, মহীয়সী নারী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, জাতির পিতার বড় ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, দ্বিতীয় ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল, ছোট ছেলে নিষ্পাপ শিশু শেখ রাসেল।

    ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট নরপিচাশ রূপি খুনিরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে ঘৃণ্য ইনডেমনিটি আইন জারি করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে দীর্ঘ ২১ বছর বাঙালি জাতি বিচারহীনতার কলঙ্ককের বোঝা বহন করে চলে। আবার এই শোকের মাসেই আরেকটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার জন্ম হয়। ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যা করা হয়। ওই হামলার টার্গেট ছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

    শোকের এই আগস্ট মাসকে যথাযথ মর্যাদায় শোকাবহ পরিবেশে পালন করবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। মাসব্যাপী ঘোষিত হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো এসব কর্মসূচি দিয়েছে।

  • বঙ্গবন্ধুকে হত্যা জাতির জন্য সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা

    বঙ্গবন্ধুকে হত্যা জাতির জন্য সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা

    নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাঙালির জন্য পুরো জীবন উৎসর্গকারী বঙ্গবন্ধকে ৭৫’র ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্য করা হয়, এটি জাতির জন্য সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা।

    সোমবার (১ আগস্ট) শোকাবহ আগস্ট মাস উপলক্ষে কৃষক লীগের কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ‌্যমে তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, শত কষ্টের পরও কোথাও অন‌্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি বঙ্গবন্ধু। পূর্ব বাংলার মানুষের কষ্ট তিনি সহ‌্য করতে পারেননি। ক্ষমতা, পদ-পদবীর লোভের ঊর্ধ্বে থেকে তিনি মানুষের জন‌্য কাজ করে গেছেন।

    এসময় তিনি বলেন, বাঙালির বিজয় যে নিশ্চিত হবে তাতে তিনি নিশ্চিত ছিলেন। এ কারণে তিনি কারাগারে থাকা অবস্থায়ও মনোবল হারাননি। অথচ এই আগস্টেই জাতির কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুকে কেড়ে নিয়েছিলেন ঘাতকের দল।

  • ভোলায় বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ : দুই মামলায় আসামি ৪ শতাধিক

    ভোলায় বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ : দুই মামলায় আসামি ৪ শতাধিক

    ভোলা প্রতিনিধিঃ ভোলায় বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় জেলা বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদকসহ ৪ শতাধিক নেতাকর্মীর নামে দুটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাতে ভোলা সদর মডেল থানায় মামলা দুটি দায়ের করা হয়।

    ভোলা সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জসিম বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলার এবং সেচ্ছাসেবকদল কর্মী হত্যার ঘটনায় এ মামলা দায়ের করা হয়। এতে ৭৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫০ জনকে আসামি করা হয়।

    ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

    এদিকে সেচ্ছাসেবক দলের কর্মী আ. রহিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে পাল্টা আরেকটি মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর।

    জানা যায়, গতকাল রোববার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হন।