Category: রাজণীতি

  • সাবেক মেয়র কামাল এর জানজা অনুষ্ঠিত

    সাবেক মেয়র কামাল এর জানজা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব কামালের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৩১ জুলাই রবিবার বাদ জোহর নগরীর জিলা স্কুল মাঠে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে জানাজায় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও সদর আসনের এমপি জাহিদ ফারুক শামিম, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি এবং বরিশাল উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু,বরিশাল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মধু,বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সদস্য ও শহিদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবং দৈনিক মতবাদ এর সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    নামাজে জানাজা শেষে মরহুমের কফিনে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    পরে তার মরদেহ মুসলিম গোরস্থানে দাফন করা হয়।

    ৩০ জুলাই শনিবার রাত ১১টায় রাজধানীর বনানীর বাসভব‌নে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ ক‌রেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হ‌য়ে‌ছি‌লে ৬৮ বছর। তি‌নি স্ত্রী, এক ছে‌লে ও এক মে‌য়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রে‌খে গে‌ছেন।

    আহসান হাবিব কামালের একমাত্র ছে‌লে কামরুল আহসান রুপম বলেন, ‘বাবা কিডনিজনিত অসুস্থতায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতা‌লে ১৪ দিন চি‌কিৎসাধীন ছি‌লেন। শুক্রবার তা‌কে বনানীর বাসায় নি‌য়ে আসা হয়। শ‌নিবার রা‌তে হঠাৎ অসুস্থ হ‌য়ে পড়‌লে রাত ১১টায় বাসায়ই মারা যান তি‌নি।

    উল্লেখ্য, আহসান হাবিব কামাল বরিশাল পৌরসভার সর্বপ্রথম বরিশাল ইউনিয়নের নির্বাচিত কমিশনার ছিলেন। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বরিশাল পৌরসভার প্রশাসক ও নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০০২ সালের ২৫ জুলাই থেকে ২০০৩ সালের ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত নবগঠিত সিটি করপোরেশনের মনোনীত মেয়র ছিলেন তিনি।

    এ ছাড়া ২০১৩ সালের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সিটি করপোরেশনের তৃতীয় পরিষদের মেয়র নির্বাচিত হন মেয়র কামাল। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদকও ছিলেন তিনি। এর আগে বরিশাল মহানগর, পরে জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন।

  • দায়সারা পড়াশোনা না করে, নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

    দায়সারা পড়াশোনা না করে, নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক ::: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দায়সারা পড়াশোনা না করে, শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের জন্য পড়াশোনা না করে, নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। অনেকে কোনো রকম ঘষে-মেজে বিএ-এমএ পাস করেই চাকরির পেছনে ছুটে বেড়ায়। এই চিন্তাভাবনা থেকে বের হতে হবে।

    রোববার (৩১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বোর্ডের প্রথম সভার সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    বুনিয়াদি শিক্ষার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, শুধু বিএ-এমএ পাস করে লাভ নেই। আমি চাই কৃষি কলেজ, কৃষি স্কুল, ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল ও কলেজ, যেন সত্যিকারের মানুষ তৈরি হয়। বুনিয়াদি শিক্ষা নিলে কাজ করে খেয়ে বাঁচতে পারবে।

    দেশের যুব সমাজ সুদক্ষ কারিগর হিসেবে গড়ে উঠুক, এই প্রত্যাশার কথা জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, শুধু নিয়মমাফিক একটা পড়াশোনা করা নয়, প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ও প্রযুক্তির যুগে শিক্ষার্থীরা যেন দক্ষতা নিয়ে সমাজে নিজেদের অবস্থান ঠিক করতে পারে, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। যত বেশি দক্ষ জনশক্তি গড়া যাবে, দেশে যেমন কাজে লাগবে, বিদেশেও কাজে লাগানো যাবে।’’

  • বরগুনায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, মোটরসাইকেল ভাঙচুর

    বরগুনায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, মোটরসাইকেল ভাঙচুর

    বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটিকে কেন্দ্র করে দুগ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ পাওযা গেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগের কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।

    শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বরগুনা পৌরশহরের ধর্মতলা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় সদর থানায় ফোন দিরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।

    বর্তমানে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরগুনা পৌরশহরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ সময়ে প্রত্যক্ষদর্শী বরগুনার সোনা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি উত্তম কর্মকার জানান, রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে শতাধিক তরুণ লাঠিসোটাসহ মিছিল নিয়ে পৌর শহরের ধর্মতলা মোড়ে আসে। এ সময় দোকানপাট ভাঙচুরের চেষ্টা করলে বাজারের ব্যবসায়ীরা মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে দোকানপাট বন্ধ করে দেন।

    এ সময়ে বরগুনা পৌর শহরের ধর্মতলা গলিতে রাখা অনেক মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও কয়েকজনকে বেধরক মারধর করা হয়।পরে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত বর্তমান সভাপতি রেজাউল কবির রেজার কর্মীরা- ধাওয়া দিলে হামলকারীরা ইটপাটকেল ছুঁড়তে ছুঁড়তে বাজার সড়ক ধরে পশ্চিম দিকে চলে যায়।

    পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় গ্রুপকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানান উত্তম কর্মকার।

    বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সদ্য নির্বাচিত সহসভাপতি মো. সবুজ মোল্লা জানান, জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণার পর পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা ও আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।

    এ বিষয়ে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের নব নির্বাচিত সভাপতি রেজাউল কবির রেজা বলেন, আমি প্রতিদিন সন্ধায় ধর্মতলায় বসি। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সন্ধায় ধর্মতলা আসি।

    কিছুক্ষণ পরে পাশের একটি প্রেসে যাই। কিছুক্ষণ পরে শুনতে পাই সবুজ মোল্লা অনেক পোলাপান নিয়ে আমাদেরকে ধাওয়া করতে আসছে এবং পত্যেকের হাতে লাঠি,ও ধারালো অস্ত্র। এসেই তারা দোকানপাট ভাংচুর ও ধাওয়া করছে।

    বরগুনা সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মেদ বলেন, ছাত্রলীগের দুই -পক্ষের মুখোমূখী সংঘর্ষের সময় আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিথি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং বরগুনা পৌর শহরে আমাদের নিয়মিত টহল থাকায় কোনো হতাহতো হয়নি। তাছাড়া আমরা পরিস্থিতি সঙ্গে সঙ্গে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি।

  • আ’লীগের ব্যয়ের চেয়ে আয় বেশি প্রায় ১৫ কোটি

    আ’লীগের ব্যয়ের চেয়ে আয় বেশি প্রায় ১৫ কোটি

    নিউজ ডেস্কঃ ২০২১ সালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আয় হয়েছে ২১ কোটি ২৩ লাখ ৪৬ হাজার ১০৬ টাকা। একই সময়ে দলটি ব্যয় করেছে ছয় কোটি ৩০ লাখ ১৯ হাজার ৮৫২ টাকা। অর্থাৎ গত বছর খরচের চেয়ে প্রায় ১৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বেশি আয় হয়েছে দলটির।

    রোববার (৩১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে গত বছরের (২০২১ সাল) আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হুমায়ূন কবীর খোন্দকারের কাছে জমা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

    দলের কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান এ হিসাব জমা দেন। সেখানে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়। দলটি মনোনয়নপত্র ও সদস্য ফরম বিক্রি থেকে বেশি আয় করেছে বলে হিসাব বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    টানা ১৪ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের গত দুই বছরের আয়-ব্যয় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে দলটির আয় বেড়েছে ১০ কোটি ৯০ লাখের বেশি। তবে আগের বছরের (২০২০) তুলনায় ২০২১ সালে দলটির ব্যয় কমেছে তিন কোটি ৬৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা। পাশাপাশি ব্যাংকে জমা আছে ৭০ কোটি ৪৩ লাখ ৭০ হাজার ১৬৬ টাকা।

    ২০২০ সালে আওয়ামী লীগের আয় হয় ১০ কোটি ৩৩ লাখ ৪৩ হাজার ৫৩৩ টাকা, যা ২০১৯ সালের আয়ের চেয়ে ১০ কোটি ৬৮ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা কম। ২০১৯ সালে দলটি আয় করেছিল ২১ কোটি দুই লাখ ৪১ হাজার ৩৩০ টাকা।

    অন্যদিকে ২০২০ সালে আওয়ামী লীগের ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৩১ টাকা, যা ২০১৯ সালের ব্যয়ের চেয়ে এক কোটি ৭৩ লাখ ৪৮ হাজার ৩৫৬ টাকা বেশি। ২০১৯ সালে দলটির ব্যয় হয়েছিল আট কোটি ২১ লাখ এক হাজার ৫৭৫ টাকা।

    ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনের বছরে আওয়ামী লীগের আয় হয়েছিল ২৪ কোটি ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৭০৭ টাকা। ব্যয় হয়েছিল ১৮ কোটি ৮৭ লাখ ৮০ হাজার ৫৫৭ টাকা।

    ২০০৮ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধনের নিয়ম চালু করে ইসি। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশে নিবন্ধিত দলগুলোর প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের বছরের ‘অডিট রিপোর্ট’ জমা দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    দলগুলো কোন খাত থেকে কত টাকা আয় করছে, কত টাকা ব্যয় করছে সেসবের বিল-ভাউচারসহ পূর্ণাঙ্গ তথ্য কমিশনের নির্ধারিত একটি ছকে জমা দিতে হয়। এ হিসাব বিবরণী রেজিস্টার্ড চার্টার্ড অ্যাকাউন্টিং ফার্মের মাধ্যমে নিরীক্ষা করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পরপর তিন বছর কমিশনে আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে ব্যর্থ হলে ইসির সেই দলের নিবন্ধন বাতিলের এখতিয়ার রয়েছে।

    এর আগে গত ২৮ জুলাই নির্বাচন কমিশনে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। সেই হিসাব বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালে বিএনপির আয় হয়েছে ৮৪ লাখ ১২ হাজার ৪৪৪ টাকা। দলটি ব্যয়ে করেছে এক কোটি ৯৮ লাখ ৪৭ হাজার ১৭১ টাকা।

  • সাবেক বিসিসি মেয়র কামাল আর নেই

    সাবেক বিসিসি মেয়র কামাল আর নেই

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল:: বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামাল ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার আজ রাত ১১ টার সময় রাজধানী ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    তার পুত্র কামরুল আহসান রূপন এই তথ্য মুঠোফোনে নিশ্চিত করেন।

    আহসান হাবিব কামাল দীর্ঘদিন থেকে কিডনি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।’

  • সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামালের মৃত্যুতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামালের মৃত্যুতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব কামাল শনিবার রাত ১১ টায় ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
    শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন । ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

  • সাবেক মেয়র এর মৃত্যুতে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হানিফ হাওলাদার রিয়াজ এর শোক

    সাবেক মেয়র এর মৃত্যুতে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হানিফ হাওলাদার রিয়াজ এর শোক

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক, বরিশাল মহানগর ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, বরিশাল সিটি করপোরেশন এর সাবেক মেয়র আহসান হাবীব কামাল এর মৃত্যুতে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ হানিফ হাওলাদার রিয়াজ এর শোক সমবেদনা প্রকাশ। ৩০/০৭/২০২২ইং তারিখ রোজ শনিবার রাত ১১টার সময় ঢাকাস্থ ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন, বরিশাল সিটি করপোরেশন এর সাবেক মেয়র আহসান হাবীব কামাল, ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাহী রাজিউন।

    তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক) সহ বিভিন্ন বার্তায় এ শোক প্রকাশ করেন। মোঃ হানিফ হাওলাদার রিয়াজ তার শোকবার্তায় লিখেন আমাদের মাঝে আর নেই দক্ষিণ বঙ্গের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, রাজপথের কিংবদন্তি বরিশাল সিটি করপোরেশন এর সাবেক মেয়র আহসান হাবীব কামাল, আমরা জাতীয়তাবাদের সৈনিকরা হারিয়েছি একজন দক্ষ অবিভাবক, বিএনপি হারিয়েছে একজন দক্ষ সংগঠক যা আর পূরণ হবার নয়, আমাদের সাবেক মেয়র আহসান হাবীব কামাল ভাইকে ভাইয়ের মৃত্যুতে আমি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছি।
    ও তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও পরকালে জান্নাত কামনা করি। তার রেখে যাওয়া শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মিয় স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। আমাদের জাতীয়তাবাদের বীর, সিটি করপোরেশন এর সাবেক মেয়র, আহসান হাবীব কামাল ভাইয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চাচ্ছি সকলে দোয়া করবেন, মহান আল্লাহতায়ালা যেন আমাদের জাতীয়তাবাদের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আহসান হাবীব কামাল ভাইকে জান্নাতবাসী করেন আমিন।

  • বরিশালে শহীদ জননী সাহান আরা বেগমসহ চার বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান

    বরিশালে শহীদ জননী সাহান আরা বেগমসহ চার বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান


    স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরিশালে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ জননী সাহান আরা বেগমসহ প্রয়াত চার বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।গতকাল শনিবার সকাল ১১টার দিকে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বরিশাল জেলা ও মহানগর কমান্ডের আয়োজনে বান্দ রোড জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে সংবর্ধনা ও মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।এতে সভাপতিত্ব করেন বরিশালের জেলা প্রশাসক এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বরিশাল জেলা ও মহানগর কমান্ডের প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ¯ি’ত ছিলেন-বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রদীপ কুমার ঘোষ পুতুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আনিচুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান হাওলাদার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এ এম জি কবীর ভুলু।এছাড়া জেলা ও মহানগরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপ¯ি’ত ছিলেন।শুরুতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভে”ছা ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।পরে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ জননী প্রয়াত সাহান আরা বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কুতুব উদ্দিন আহম্মেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হক খোকা চৌধুরী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকলেছুর রহমানকে।এ সময় তাদের পরিবারের সদস্যদের ফুলেল শুভে”ছা ও সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ জননী প্রয়াত সাহান আরা বেগমের পরিবারের পক্ষে সন্মাননা গ্রহন করেন মরহুমার পুত্র বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

  • বিএনপি নেতারা জেগে জেগে ঘুমাচ্ছেন: কাদের

    বিএনপি নেতারা জেগে জেগে ঘুমাচ্ছেন: কাদের

    নিউজ ডেস্কঃ ‘মানুষকে জেগে উঠতে’ বিএনপি নেতারা যে বক্তব্য দিয়েছেন তার জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মানুষ ঠিকই জেগে আছে, কেউ ঘুমিয়ে নেই। বরং বিএনপি নেতারাই জেগে জেগে ঘুমাচ্ছেন।

    শনিবার (৩০ জুলাই) নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের প্রসঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, যে দল নিজেদের নেত্রীকে মুক্ত করার জন্য আন্দোলন করতে পারে না তারা নাকি আবার সরকার পতন ঘটাবে, এটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয়।

    আন্দোলনের ফানুস উড়িয়ে তারা গভীর শীত নিন্দ্রায় চলে যাচ্ছেন- এমন দাবি করে আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলন মানে নিজ দলের নেতাকর্মীদের মাঝেই এক গভীর দীর্ঘশ্বাস আর হতাশার বহিঃপ্রকাশ।

    ‘কিছু একটা বলতে হবে, তাই এসব হাই সাউন্ডিং শব্দ তারা ব্যবহার করে। বাস্তবে তাদের সক্ষমতা কতটুকু তা আমরা জানি, আন্দোলনের বস্তুগত পরিস্থিতি বিরাজমান কি না সেটাও বিএনপি নেতারা জানে না।’

    বিএনপিকে এখন ‘কুম্ভকর্ণ’ উল্লেখ করে তাদের কুম্ভকর্ণের নিন্দ্রা ভাঙানো দরকার সবার আগে বলে মনে করেন সেতুমন্ত্রী।

    আওয়ামী লীগকে নাকি ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেবে, বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, ধাক্কা দিয়ে কাকে ফেলে দেবেন? আওয়ামী লীগকে? আওয়ামী লীগ কি অত ঠুনকো দল? বন্দুকের নল থেকে আওয়ামী লীগ জন্ম নেয়নি।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের শিকড় এদেশের মাটি ও মানুষের অনেক গভীরে। আওয়ামী লীগকে ধাক্কা দিলে নিজেরাই খাদের কিনারায় আছেন, আপনাদেরই খাদে পড়ে যেতে হবে।

    মন্ত্রী বলেন, যারা এদেশে বসে ফরমায়েশি রাজনীতি করে তারা জনপ্রত্যাশা থেকে যোজন যোজন দূরে অবস্থান করছে এবং তাদের অবস্থানই জনগণের কাছে ঠুনকো ও ভঙ্গুর।

  • মানবপাচার প্রতি‌রোধে শূন্য সহিষ্ণু নীতি দেখা‌চ্ছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মানবপাচার প্রতি‌রোধে শূন্য সহিষ্ণু নীতি দেখা‌চ্ছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক ::: মানবপাচারকারীরা সাইবার স্পেসে ঢুকে গেছে, বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তারা মানবপাচার করছে। সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুক ও টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে মানবপাচার বেড়েছে। বিশেষ করে মহামারি করোনাকালে এই প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    দেশের অর্থগুলোও তারা অবৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে পাচার করছে। মানবপাচার রোধে পাচারকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বিশ্বের উন্নত দেশগুলোকে মানবপাচার রোধে এগিয়ে আসতে হবে।

    শনিবার (৩০ জুলাই) হো‌টেল ইন্টারক‌ন্টি‌নেন্টা‌লে ‘বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আইওএম (আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা।

    অনুষ্ঠা‌নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মো‌মেন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মানবপাচার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা প্রযুক্তির ব্যবহার করে মানবপাচার রোধ করতে পারি।

    মানবপাচার প্রতিরোধে চারটি পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যথাযথ পদক্ষেপ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে মানবপাচারকারীদের সনাক্ত ও অভিযান পরিচালনা করতে হবে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ব‌লে‌ন, মানবপাচার প্রতি‌রোধে শূন্য সহিষ্ণু নীতি দেখা‌চ্ছে সরকার।

    এ সময় রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, বাংলাদে‌শের জন‌্য বোঝা হ‌য়ে দা‌ড়ি‌য়ে‌ছে রোহিঙ্গারা। বাংলাদেশ চায় তাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন।

    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকশন বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেমন পাচারকারীরা তাদের কাজ করছে, আমরাও প্রযুক্তি ব্যবহার করে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে পারি।

    মহামারির কারণে পাচারের সংখ্যা বেড়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেরও পাচার অন্যতম সমস্যা। পাচার রোধে আমরা বাংলাদেশকে বিভিন্নভাবে সাহায্য ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। আমরা প্রায় ৩০ হাজার নারীকে অবৈধভাবে পাচার রোধে প্রশিক্ষণ দিয়েছি।

    বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড বলেন, মানবপাচার রোধে সুইজারল্যান্ড সরকার ও বাংলাদেশ সরকার গত ১২ বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করছে। সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে পাচার বেড়েছে। তবে আমরাও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে পাচার রোধ করতে পারি।

    আইওএম’র বাংলাদেশি অভিবাসনের প্রতিনিধি প্রধান আব্দুস সাত্তার ইসোভ বলেন, করোনার সময় থেকে মানবপাচাকারীরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাচারে আরও বেশি সক্রিয় হয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদেরও পাচার প্রতিরোধে কাজ করতে হবে। তবে এটি একার পক্ষে সম্ভব নয়, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানবপাচার ঠেকানো সম্ভব।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশ সপ্তম দেশ হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। প্রযুক্তির ফলে সহজে অপরাধীরা পাচারের জন্য মানুষকে খুঁজে পায়, প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদেরও উচিত তাদের বিরুদ্ধে কাজ করা। অবশ্য মানবপাচারবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।