Category: রাজণীতি

  • হেপাটাইটিস প্রতিরোধে ব্যাপক গণসচেতনতা বাড়াতে হবে

    হেপাটাইটিস প্রতিরোধে ব্যাপক গণসচেতনতা বাড়াতে হবে

    নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বে হেপাটাইটিস ভাইরাস বহনকারী প্রতি ১০ জনের নয়জনই জানে না যে, সে ওই রোগে আক্রান্ত। ব্যাপক গণসচেতনতার মাধ্যমে জনগণকে এই বিষয়ে সচেতন করতে হবে।

    বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস-২০২২’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। ভাইরাল হেপাটাইটিস প্রতিরোধে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘Hepatitis, Can’t Wait’ অর্থাৎ ‘হেপাটাইটিস, আর অপেক্ষা নয়’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

    শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা একটি জনমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করেছি ও এই নীতির বাস্তবায়ন করছি। আমরা নতুন মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, নার্সিং কলেজ, নার্সি ইনস্টিটিউট, মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ও হেলথ টেকনোলজি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি।

    তিনি আরও বলেন, সাধারণ ও বিশেষায়িত হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা এবং চিকিৎসাসেবা বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে সাড়ে ১৮ হাজার কমিউিনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। আমাদের নানামুখী পদক্ষেপে স্বাস্থ্যখাতে যথেষ্ট উন্নতি সাধিত হয়েছে। শিশু মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে, বেড়েছে দেশের মানুষের গড় আয়ু।

    ‘আমাদের চিকিৎসক সমাজকে আরও বেশি সেবার মনোভাব নিয়ে সাধারণ মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে, যা বাস্তবসম্মত এবং আমাদের সকলের প্রচেষ্টায় তা অর্জন করা সম্ভব। হেপাটাইটিস নির্ণয়ে এখনই পরীক্ষা করতে হবে।’

    ‘দেশে হেপাটাইটিস প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি ব্যক্তি, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। আমি দেশবাসীকে আহ্বান জানাই, আপনারা এ মহামারি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে হেপাটাইটিস প্রতিরোধে আরও সচেতন হোন। আমি বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস ২০২২- এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।’

  • বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

    বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টায় নগরীর সদর রোডের দলীয় কার্যালয় চত্ত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাতের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতারা।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মনির হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক আজিজুর রহমান শাহীন ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন ফিরোজসহ অনান্যরা।

    এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে দলীয় কার্যালয় চত্ত্বরে জাতীয় ও সাংগঠনিক পতাকা উত্তোলন করা হয়।
    এছাড়া দিবসটি পালন উপলক্ষে বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে।

  • যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে বেশি ধকল সইতে হচ্ছে

    যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে বেশি ধকল সইতে হচ্ছে

    অনলাইন ডেস্কঃ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে সবচেয়ে বেশি ধকল সইতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বুধবার (২৭ জুলাই) ডি-৮ মন্ত্রীদের ২০তম সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে সবচেয়ে বেশি ধকল সইতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেশিরভাগ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। সাহসিকতার সঙ্গে এই মানবিক সংকট মোকাবিলায় আমাদের সবার এগিয়ে আসা উচিত।

    তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি, সংঘাত, খাদ্য এবং জ্বালানি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বিশ্ব একটি কঠিন সময় পার করছে। এই সময়ে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা শক্তিশালী করা প্রয়োজন এবং বৈশ্বিক সংহতি আগের চেয়ে বেশি মনোযোগের দাবি রাখে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে আমাদের সম্ভবনাগুলোকে কাজে লাগাতে এক সঙ্গে কাজ করি।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পরবর্তীতে নিষেধাজ্ঞা, পাল্টা নিষেধাজ্ঞার ফলে সারা বিশ্বে সৃষ্ট মানবিক সংকট সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

    শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাবে সারা বিশ্ব যখন গভীর সংকটে তখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্বকে নতুন বিপদের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

  • স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

    স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

    অনলাইন ডেস্কঃ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে ১৯৯৪ সালের এদিন ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক নেতাদের সমন্বয়ে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আত্মপ্রকাশ ঘটে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন আওয়ামী লীগের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

    প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আন্দোলন, সংগ্রাম ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সব সময় মাঠে ছিল স্বেচ্ছাসেবক লীগ। দেশে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং অসহায় ও কর্মহীন মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের এই সহযোগী সংগঠন।

    ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। বিশেষ বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির মধ্য রয়েছে- সকাল ৬টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ জেলা, মহানগর, উপজেলা, ওয়ার্ডসহ সব শাখার কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ৯টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ।

    সকাল ১১টায় খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা হবে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া সন্ধ্যা ৭টায় কলাবাগান ক্রীড়াচক্র মাঠ প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আতশবাজি উৎসব হবে।

  • বরগুনায় ছাত্রলীগের কমিটিতে দুজনের নামে ৪ সহসভাপতি পদ

    বরগুনায় ছাত্রলীগের কমিটিতে দুজনের নামে ৪ সহসভাপতি পদ

    বরগুনা প্রতিনিধিঃ সম্প্রতি বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কমিটিতে রেজাউল কবির রেজাকে সভাপতি ও তৌশিকুর রহমান ইমরানকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৩ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ঘোষিত কমিটির তালিকাতে দেখা গেছে, সহসভাপতি পদে দুই ব্যক্তির নাম লেখা হয়েছে দুইবার করে। বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে তুমুল সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    চলতি মাসের ২৪ তারিখে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ওই সাক্ষর করা এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে পদ দেওয়া হয়েছে ২০ জনকে। এর মধ্যে ৮ নম্বর সহসভাপতি পদে রয়েছেন আওলাদ হসেন রাজু। ১১ নম্বর ক্রমিকেও একই পদে আবারও আওলাদ হোসেন রাজুর নাম দেখা গেছে। একইভাবে ৯ নম্বর সহসভাপতি পদে রয়েছেন রাইয়ানুল ইসলামের নাম। ১৮ নম্বর ক্রমিকে একই ব্যক্তি রায়হানুল ইসলাম শাওনের নাম রয়েছে সহসভাপতি পদেই। দুজন ছাত্রলীগ নেতার চারটি সহসভাপতি পদ পাওয়া নিয়ে এরই মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    জেলা ছাত্রলীগের নবঘোষিত কমিটির সভাপতি রেজাউল কবীর রেজা দুজন নেতার চারটি পদ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘এটা মিসটেক হয়েছে। কেন্দ্রের সঙ্গে কথা হয়েছে, সংশোধন করে নেওয়া হবে।’

    এ ব্যাপরে জেলা যুবলীগের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জুনাইদ জুয়েল বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্বশীলরা যদি এটিকে ভুল বলে চালিয়ে দিতে চান তবে আমি বলব, এটি তাঁদের নেতৃত্বের দুর্বলতা ও বিচক্ষণতার অভাব। দায়িত্বশীল পদে থেকে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেওয়াকে আমরা ভুল বলে মেনে নিতে পারি না। তাদের অবশ্যই আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত।’

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের মোবাইল ফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। খুদেবার্তা পাঠালেও তার উত্তর মেলেনি।

  • কৃষিতে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি

    কৃষিতে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি

    অনলাইন ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, কৃষিতে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে শস্যের বহুমুখীকরণ ও ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার, কৃষি আধুনিকীকরণ, প্রতিকূলতা সহিষ্ণু নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন এবং লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারে কৃষিবিজ্ঞানী, কৃষক, কৃষি সম্প্রসারণবিদ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

    বুধবার (২৭ জুলাই) ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি।

    তিনি বলেন, ‘আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্যের মূল বুনিয়াদ গড়ে উঠেছে টেকসই কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর। এ ক্ষেত্রে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় মুখ্য ভূমিকা রাখছেন কৃষিবিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা, কৃষক, উৎপাদনকারী ও কৃষি সংগঠকরা। এদের মধ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এআইপি হিসেবে নির্বাচিতদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া কৃষিক্ষেত্রে একটি অনন্য সংযোজন বলে তিনি মনে করেন।

    মো. আবদুল হামিদ বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ বাংলাদেশের মানুষের আদি ও অকৃত্রিম পেশা কৃষি। সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা এ দেশের অর্থনীতি ও সংস্কৃতি প্রধানত কৃষিকেন্দ্রিক। আয়তনে ছোট ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ আজ দানাদার খাদ্যের উদ্বৃত্ত দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

    তিনি বলেন, কৃষিতে বাংলাদেশের দৃশ্যমান এ সাফল্যের সূচনা হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে। স্বাধীনতার পরপরই তিনি কৃষির উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের জন্য কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠন করেন। তার দেওয়া প্রথম ডেভেলপমেন্ট বাজেটের ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে ১০১ কোটি টাকাই ছিল কৃষি উন্নয়নের জন্য। জাতির জনকের প্রদর্শিত পথেই বর্তমান সরকার কৃষির সার্বিক উন্নয়নে নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

    বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে উদ্ভাবিত হচ্ছে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও বৈরী পরিবেশ উপযোগী বিভিন্ন ধরনের ফসলের জাত ও প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক কৃষি আজ ছড়িয়ে পড়েছে তৃণমূলে।

    কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যারা এ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান তিনি। এ উদ্যোগ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আরও উৎসাহিত করবে এবং কৃষির চলমান অগ্রযাত্রাকে বেগবান করবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন তিনি।

  • মাছ-মাংস-ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী

    মাছ-মাংস-ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী

    নিউজ ডেস্কঃ সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বুধবার (২৭ জুলাই) ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার প্রথমবারের মতো ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান করতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন এবং যারা এ স্বীকৃতি পাচ্ছেন তাদেরও আন্তরিক অভিনন্দন।

    সরকারপ্রধান বলেন, আমরা দেশব্যাপী ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি। এতে কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার নিরবচ্ছিন্ন, সাশ্রয়ী ও দ্রুত যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণে সফল হয়েছি। এ সেতুর মাধ্যমে নদীবিধৌত উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ও মৎস্য সম্পদ আহরণ এবং সারাদেশে দ্রুত বাজারজাতকরণের ফলে এ অঞ্চলের কৃষি ও কৃষকের জীবনমান আরও উন্নতি হবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে। ধান, পাট, আম, পেয়ারা, আলু প্রভৃতি ফসল ও ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ শীর্ষ ৮টি দেশের মধ্যে রয়েছে।

    তিনি বলেন, এসব কার্যক্রমে যারা অবদান রাখছেন, তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গকে আজ ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ হিসেবে ঘোষণা ও সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে দেশে কৃষিপেশার মর্যাদা সমুন্নত হবে এবং কৃষির উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। আমাদের লক্ষ্য, বর্তমান প্রয়াসকে আরও গতিশীল করে ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার উন্নত, সুখী, সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই প্রথম অনুধাবন করেছিলেন, জ্ঞাননির্ভর আধুনিক কৃষিই উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রথম সোপান। তাই তিনি স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠনে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

    ‘১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালের ভাষণে জাতির পিতা বলেছিলেন, নতুন করে গড়ে উঠবে এই বাংলা। বাংলার মানুষ হাসবে। বাংলার মানুষ খেলবে। বাংলার মানুষ মুক্ত হাওয়ায় বাস করবে। বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত খাবে। এই আমার জীবনের সাধনা, এই আমার জীবনের কাম্য।’

    শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের কৃষিব্যবস্থার আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২৫ বিঘা পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফসহ উন্নত কৃষি উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে কৃষি বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন। ১৯৭৩ সালে কৃষির উন্নয়নে অনুপ্রেরণা যোগাতে কৃষিক্ষেত্রে অবদানের জন্য ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার’ প্রবর্তনের পাশাপাশি কৃষিবিদদের সরকারি চাকরিতে প্রথম শ্রেণির মর্যাদা প্রদান করেন বঙ্গবন্ধু।

    জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সাল থেকে কৃষির আধুনিকীকরণ ও সার্বিক উন্নয়নে কৃষিবান্ধব নীতি ও সময়োপযোগী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আধুনিক কৃষিশিক্ষার প্রসারে নতুন নতুন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি করেছি। কৃষিক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করেছি। একই সঙ্গে জাতীয় কৃষিনীতি-২০১৮ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। কৃষি বাতায়ন, কৃষকবন্ধু ফোন সেবা (৩৩৩১), কৃষকের জানালা, কৃষি কল সেন্টার (১৬১২৩) ইত্যাদির মাধ্যমে কৃষকদের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করেছি। ফলে বন্যা, খরা ও লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবনসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ভাসমান চাষ, বৈচিত্র্যময় ফসল উৎপাদন, ট্রান্সজেনিক জাত উদ্ভাবন, পাটের জেনোম সিকুয়েন্স উন্মোচন ও মেধাসত্ব অর্জন সম্ভব হয়েছে।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সার, বীজসহ সব কৃষি উপকরণের মূল্যহ্রাস, কৃষকদের সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রদান, ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগসহ তাদের নগদ সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে। এসব কর্মসূচির ফলে আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি।

    প্রধানমন্ত্রী ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি)’ হিসেবে স্বীকৃত ব্যক্তিদের আবারও অভিনন্দন জানান। সেই সঙ্গে অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

  • রিজার্ভ সংকটে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ

    রিজার্ভ সংকটে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ

    নিউজ ডেস্কঃ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিশ্ববাজারে ক্রমাগতভাবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে অনেক উন্নত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। বর্তমান সংকট একটি বৈশ্বিক সংকট। বাংলাদেশ যাতে এই সংকটের অভিঘাতে জর্জরিত না হয় সেজন্য সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকার সামনের সংকট মোকাবিলার জন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনে করে, জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস থাকলে কোনো সংকটই মোকাবিলা করা কঠিন নয়। আমরা দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাব, আসুন সবাই দায়িত্বশীল হই, সবাই মিতব্যয়ী এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হই।

    মঙ্গলবার দলের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বর্তমানে যারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাদের মনে রাখা উচিত, তাদের শাসনামলে দুর্নীতিতে পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কারণেই দেশের অর্থনৈতিক ভীত অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল। তাদের শাসনামলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কোনোদিন ৫ বিলিয়নের উপরে ছিল না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সুশাসনের কারণেই বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

    বিবৃতিতে তিনি বলেন, যারা তাদের শাসনামলে হাওয়া ভবন, খোয়াব ভবন খুলে পাহাড় সমান দুর্নীতি আর লুটপাটে আকণ্ঠ নিমজ্জিত ছিল, দেশের মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়িত মেগাপ্রকল্পগুলো তাদের গাত্রদাহের সৃষ্টি করবে, সেটাই স্বাভাবিক। বিএনপি দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের রাজনীতিতে কখনও আস্থা রাখেনি। তাদের রাজনৈতিক দর্শনই ছিল লুটপাটতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, গত এক যুগেরও বেশি সময় সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ভিশনারি নেতৃত্বে দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। পাহাড় সমান প্রতিবন্ধকতা ও অসংখ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। শুধু মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে তা নয়, আজকে দেশের শতকরা ২৯ শতাংশ পরিবারের মানুষ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় কোনো না কোনো ভাতার আওতাভুক্ত হয়েছে। আজকের বদলে যাওয়া বাংলাদেশের সফল রূপকার বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তার সফল নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি আজ বিশ্ব সভায় প্রশংসিত।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত সাময়িকী নিউজ উইক যখন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে নিবন্ধ প্রকাশ করে, তখন আমাদের দেশের একদল হতাশাবাদী ব্যর্থ রাজনীতিক হায় হায় রব তোলে। তাদের মনে রাখা উচিত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে উন্নত রাষ্ট্রগুলো যেখানে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে না, সেখানে বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

  • সিটি মেয়রের শোক

    সিটি মেয়রের শোক

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ নগরীর জর্ডান রোডস্থ বায়তুর নুর জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান আজ বিকাল ৪ টায় শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন।

    তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ, মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপণ করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

  • শাহান আরা বেগমের সমাধিতে নগর ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা

    শাহান আরা বেগমের সমাধিতে নগর ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক মাননীয় মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ( এমপি) র সহধর্মিণী ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর মাতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ৭৫র ১৫ আগষ্টের শহীদ জননী, সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব সাহান আরা বেগমের সমাধিতে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগে নবগঠিত কমিটির পক্ষথেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। আজ মঙ্গলবার এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক রইজ আহমেদ মান্না, যুগ্ন আহবায়ক মাইনুল ইসলাম এবং আরিফুর রহমান শাকিল সহ নবগঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।