Category: রাজণীতি

  • ফজলে রাব্বী চলে গেলেন, রাজনীতি একজন ভালো মানুষকে চিরবিদায় দিল;কাদের

    ফজলে রাব্বী চলে গেলেন, রাজনীতি একজন ভালো মানুষকে চিরবিদায় দিল;কাদের

    অনলাইন ডেস্কঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন একজন ভালো মানুষকে চিরবিদায় দিয়েছে।

    আজ সোমবার বেলা ১১টায় জাতীয় ঈদগাহ প্রাঙ্গণে জানাজা পরবর্তী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাজনীতিতে সৎ মানুষের অনেক দাম। আমরা ফজলে রাব্বীর মূল্যবোধকে ধারণ করতে চাই।

    ফজলে রাব্বী চলে গেলেন, রাজনীতি একজন ভালো মানুষকে চিরবিদায় দিল।
    ওবায়দুল কাদের বলেন, অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী কি মানুষ ছিলেন, কতটা ভালো মানুষ ছিলেন, কতটা তিনি জনপ্রিয় ছিলেন সেটা নতুন করে ব্যাখ্যা করে বলার কিছু নেই। একটি নির্বাচনী এলাকা থেকে পরপর সাতবার তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। এতেই বোঝা যায় তার জনপ্রিয়তা ছিল খুবই তুঙ্গে।

    মন্ত্রী বলেন, ফজলে রাব্বী অত্যন্ত বিনয়ী, সদালাপী, নির্লোভ, নিরহংকারী মানুষ ছিলেন। সবমিলিয়ে রাজনীতিতে ছিলেন একজন ভালো মানুষ, একজন ভালো নেতা। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার প্রতি অত্যন্ত অনুগত। ওনার মতো এমন নেতা আমাদের মধ্য থেকে চিরতরে চলে যাওয়াটা আমাদের জন্য খুবই দুঃখজনক বিষয়।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে (নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৪টা) যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ফজলে রাব্বী মিয়া। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

  • গাইবান্ধায় পৌঁছেছে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বীর মরদেহ

    গাইবান্ধায় পৌঁছেছে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বীর মরদেহ

    নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের সাংসদ অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মরদেহ ঢাকা থেকে তার জন্মস্থান গাইবান্ধার সাঘাটায় এসে পৌঁছেছে।

    সোমবার দুপুর ১টা ৩২ মিনিটে উপজেলার বোনারপাড়া কাজী আজাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরদেহবাহী সশস্ত্র বাহিনীর হেলিকপ্টারটি অবতরণ করে।

    এরপর সর্বসাধারণে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ রাখা হবে ভরতখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। সেখানে বিকেল ৩টায় তার দ্বিতীয় জানাজা শেষে মরদেহ নিজ বাড়ি গটিয়া গ্রামে নেওয়া হবে।

    সেখানে বিকেল সাড়ে ৫টায় শেষ জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

  • আগামী নির্বাচনকে বাঁচা-মরার লড়াই হিসেবে দেখছে বিএনপি

    আগামী নির্বাচনকে বাঁচা-মরার লড়াই হিসেবে দেখছে বিএনপি

    অনলাইন ডেস্কঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাঁচা-মরার লড়াই হিসেবে দেখছে বিএনপি। নেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন দল ক্ষমতার বাইরে। আগামীতে দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না এলে নেতা-কর্মীদের ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    তাঁরা এও বলছেন, গতবারের মতো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি। আমরা নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠনের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছি।
    সামগ্রিক প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিএনপি একটি নির্বাচনমুখী দল। যে কোনো পরিস্থিতিতে নির্বাচনে যাওয়ার মতো প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।

    তবে আমরা চাই সেই নির্বাচনটা হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। এ মুহূর্তে আমাদের একমাত্র চাওয়া হচ্ছে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার। শুধু বিএনপি নয়, দেশের প্রতিটি মানুষের চাওয়াও তাই। সে লক্ষ্যে আমরা বৃহত্তর ঐক্যের উদ্যোগ নিয়েছি।
    সরকার স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে রাজপথের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই নিরপেক্ষ সরকারের দাবি প্রতিষ্ঠা করা হবে।
    জানা যায়, বিএনপি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গড়ে ওঠা আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্বাচনী প্রস্তুতির দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা না থাকলেও ভিতরে ভিতরে কাজ শুরু করেছে তারা। বিএনপি নেতারা বলছেন, দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার বিষয়ে তাঁদের নীতিগত সিদ্ধান্ত আছে। এজন্য তাঁরা নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায়ে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন।

    সব দলকে ঐক্যবদ্ধ করে এবার অলআউট মাঠে নামতে চান তাঁরা।

    দলটির নীতিনির্ধাকরা জানান, আগামী নির্বাচন যে প্রক্রিয়াতেই হোক না কেন সেজন্য দলের প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায়ের পাশাপাশি ভিতরে ভিতরে চলছে সেই প্রস্তুতি। দল গোছানোর পাশাপাশি আগামী নির্বাচন সামনে রেখে ৩০০ আসনে প্রাথমিক মনোনয়ন চূড়ান্তে গোপনে চলছে কাজ। দলের নীতিনির্ধারকরা নানা মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে প্রতি আসনে দুজন করে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই করছেন। একটি সূত্র জানায়, প্রতিটি সংসদীয় আসনে সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এখন থেকেই মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দলীয় কর্মসূচি পালনসহ জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন ইস্যুতে নিজ নিজ এলাকায় থাকার মৌখিক নির্দেশ

    দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট হবে ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে। নির্বাচন কমিশনও চূড়ান্ত রোডম্যাপ প্রস্তুত করছে। সে হিসেবে নির্বাচনের বাকি আছে ১৭ মাস। বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার মতে, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায় আন্দোলন বিএনপির জন্য ‘বাঁচা-মরার লড়াই’। ‘হয় এসপার, না হয় ওসপার’- এমন মনোভাব নিয়েই এগোচ্ছে বিএনপি।

    উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সালে সংবিধান সংশোধন করে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করে। এরপর দুটি জাতীয় নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীন হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৪ সালে দলীয় সরকারের অধীনে ভোট বর্জন করে বিএনপি। সে সময় হরতাল-অবরোধের মতো রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুললেও কার্যত তত্ত্বাবধায়ক বা নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায়ে ব্যর্থ হয় দলটি। তবে ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে শেষ পর্যন্ত গণফোরামের ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ গঠন করে নির্বাচনে যায় বিএনপি। দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সে নির্বাচনে সাতটি আসন পায় দলটি। প্রথমে যোগ না দেওয়ার ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত সংসদে যোগ দেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত বিএনপির সাত সংসদ সদস্য।

  • আলোচনায় সাধারণ সম্পাদক

    আলোচনায় সাধারণ সম্পাদক

    নিউজ ডেস্কঃ আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলন ঘিরে আলোচনা বাড়ছে সারা দেশের দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে হতে যাওয়া সম্মেলনে নতুন গতিশীল নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন কর্মীরা। আলোচনা তুঙ্গে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তৃতীয়বারের মতো বহাল থাকবেন, নাকি নতুন কেউ আসবেন, কর্মীদের মুখে মুখে সেই আলোচনা।

    এদিকে সম্মেলন করা নিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদকের দেওয়া নির্দেশের পরও যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগসহ মেয়াদোত্তীর্ণ সংগঠনের কেউই সম্মেলনের ব্যাপারে উৎসাহ দেখাচ্ছে না। বরং কোনো কোনো সহযোগী সংগঠনের নেতারা বিরক্তি

    প্রকাশ করছেন সম্মেলনের বিষয়ে। কেউ কেউ বলছেন, সভানেত্রী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সম্মেলনে যাব না। সহযোগী সংগঠনের এসব কর্মকান্ডে বিস্ময় তৈরি হলেও কেউ কিছু বলছেন না।

    বরং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা। অনেক সহযোগী সংগঠন কেন্দ্রের আগে সম্মেলন করতেও নারাজ এমন ভাব দেখাচ্ছে।
    আগামী ২০ ডিসেম্বর বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হবে। অর্থাৎ এই সময়ের মধ্যেই দলের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

    দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে এই সম্মেলন আয়োজনের কথা বলেছেন। তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। যথাসময়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের নীরব প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। এবারের জাতীয় সম্মেলনে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আবারও থাকবেন কি না তা নিয়ে নিজে মুখ খোলেননি। পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক কে হচ্ছেন, নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ আলোচনা এখন তুঙ্গে।

    নেতা-কর্মীদের মুখে মুখে যাদের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে তাঁরা হলেন- দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, ড. আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, ড. হাছান মাহমুদ, বাহাউদ্দিন নাছিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে মন্ত্রিত্বে নেই এমন নেতারাই দলের সাংগঠনিক কাজে এখন সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। কর্মীদের তাঁরা সবচেয়ে বেশি সময় দেওয়ায় এবং সারা দেশে সম্মেলনে অংশ নিয়ে নিজেদের আলোচনায় রেখেছেন। আগামী সম্মেলন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। তাঁদের মতে, অনেক ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী এই দলটির জন্য ২০২৪ সালের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ২০২৩ সালে অনেক কিছু মোকাবিলা করতে হবে। কর্মী মহলে জনপ্রিয় দলের জন্য সময় দিতে পারবেন এমন নেতাদের নেতৃত্বে আনা উচিত বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অভিমত। বর্তমানে কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কহীন ও কোনো ধরনের সাংগঠনিক দক্ষতা দেখাতে সক্ষম নন তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে না আনাই উচিত বলে অনেকে মনে করেন।
    সংশ্লিষ্টদের মতে, সম্মেলনের সবকিছু নির্ভর করছে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ওপর। তাঁর একক জনপ্রিয়তায় আওয়ামী লীগ বর্তমানে শক্ত অবস্থানে। টানা তিনবারের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড স্থাপন করেছে দলটি। চতুর্থবার আওয়ামী লীগের সামনে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে গতিশীল নেতৃত্বের বিকল্প নেই। এ কারণেই কর্মী মহলে অভিজ্ঞ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতাদের নিয়েই আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

    দলের জাতীয় সম্মেলনের পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ কারণে দলের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য নেতাকেই সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করা হবে বলে নেতা-কর্মীরা বিশ্বাস করছেন।

  • বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা

    বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা

    বরগুনা প্রতিনিধিঃ রেজাউল কবির রেজাকে সভাপতি ও তৌশিকুর রহমান ইমরানকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের ১ বছরের জন্য আংশিক নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

    রবিবার (২৪জুলাই) কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগামী ১ বছরের জন্য এ কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    কমিটির ২০ জন সহ-সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন- সবুজ মোল্লা, মো. ইখলাস হাসান বাবু, মো. সাইফুল ইসলাম তুহিন, ওলিউর রহমান সাকিব, মো. বায়জিদ ইসলাম, মো. মাহমুদ হাসান তুরান, প্রত্যয় দেব প্রান্ত, আওলাদ হোসেন রাজিব, রাইয়ান ইসলাম, মো. আরিফুল ইসলাম, আওলাদ হোসেন রাজু, আবির হাসান মেহেদী, রাজীব হোসেন মৃধা, মাইনুল হাসান মোল্লা আরিফ শাহরিয়ার, এইচ এম ফজলে হাসান রাব্বি, জাহিদুল হাসান রিমন, রায়হানুল ইসলাম শাওন, ইসতিয়াক লিয়ন, মো. রফিকুল ইসলাম।

    ৫ জন যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক হলেন- সুমন রায়, জাহিদুল ইসলাম জাদুমনি, রাজ আরিয়ান বিশাল, হাসান মো. শাহরিয়ার শুভ, ইসমাইল হোসেন।

    ৬ জন সাংগাঠনিক সম্পাদক হলেন- নাজিউর নাসিম, নাফিউর রহমান সিনা, রাকিব চৌধুরী, আব্দুল আল মারজান, নাইমুল হাসান রাব্বি, জুম্মান আহম্মেদ লিসান।

  • দশ বছর পর বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

    দশ বছর পর বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রইজ আহমেদ মান্নাকে আহ্বায়ক করে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের ৩২ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। শনিবার (২৩ জুলাই) রাতে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় তার ফেইসবুক পেইজে কমিটির তালিকা প্রকাশ করেছেন। এতে দেখা যায় কমিটি অনুমোদনের চিঠিতে জয়ের পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যও স্বাক্ষর করেছেন। আগামী তিনমাসের জন্য এই কমিটি অনুমোদনের কথাও বলা হয়েছে।

    কমিটিতে রইজ আহমেদ মান্নাকে আহবায়ক, মোঃ মাইনুল ইসলাম ও আরিফুর রহমান শাকিলকে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন, ফয়সাল বারি নয়ন, কিসমত শাহারিয়ার হাসান (হৃদয়), হাছিবুর রহমান রাঞ্জন, মাহাবুর হাসান অমিত, ইয়াসিন আরাফাত, মো: সাইফুল ইসলাম পারভেজ, মো: আফজাল হোসেন পারভেজ, রাশেদুল ইসলাম আকাশ, আকাশ শিকদার, মো: রোমান হাওলাদার, মো: সিরাজুল ইসলাম রাকিব, আরিফুর রহমান অনিক, আহাম্মেদ রেদওয়ান ফাহিম, সাজ্জাদ আহাম্মেদ শান্ত, মা: মিরাজুল ইসলাম, মো: আল-আমিন, মো: শাওন রাব্বি, জামাশেদ আল ফাতাহ, শেখ তৌহিদুল ইসলাম, সাগর দেবাথ, রিয়াজ মল্লিক, তৌহিদুল ইসলাম শাওন, জয় মালি, রাফিজুল সান, হান্নান মল্লিক অভি, পারভেজ সিকদার, মো: ইমন রহমান সিকদার, ফয়সাল বিন জাবেদ, মাহাফুজুর রহমান।

    এর আগে ২০২১ সালের ২৫ মে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের অভিযোগে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনকে অব্যাহতি দেয়ার পাশাপাশি মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। ওই সময়ে
    কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বিজ্ঞপ্তিতে সই করেন ।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের অভিযোগে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনকে অব্যাহতি দেয়া হলো। একই সঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি করা হয়েছে।

    ওই বছরের ২০ এপ্রিল বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনের বিরুদ্ধে এক তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ তুলে এয়ারপোর্ট থানায় মামলা করেন। এই মামলার পর থেকে জসীম রাজনীতি থেকে দূরে রয়েছেন।

    এর আগে ২০১৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অসীম দেওয়ান নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানায় এক তরুণীকে অপহরণ ও অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরে জামিনে মুক্ত হলেও ঘটনার পর থেকে তাকে আর বরিশালে দেখা যায়নি বলে জানান দলের নেতা-কর্মীরা।

    ওই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তৌছিক আহম্মেদ রাহাত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টোর অফিসার পদে চাকরির সুবাদে রাজনীতি থেকে বিদায় নেন।

    উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সবশেষ বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি গঠন হয়েছিল

  • মাছের অভয়ারণ্য তৈরির দিকে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    মাছের অভয়ারণ্য তৈরির দিকে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্কঃ মাছের অভয়ারণ্য তৈরির দিকে নজর দিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মিষ্টি পানির মাছ উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পেরেছি।

    রোববার (২৪ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২২’ উদযাপন এবং ‘জাতীয় মৎস্য পদক-২০২২’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, সবচেয়ে নিরাপদ পুষ্টি পাওয়া যায় মাছ থেকে। যেটা মাংস থেকে হয় না। মাছের যে আবাসস্থল অর্থাৎ অভয়ারণ্য তৈরি করা- এগুলোর দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। পানির প্রবাহটা ভালো থাকা, পানি যাতে দূষণ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা। আমাদের যে চাহিদা সে চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি মাছ এখন উৎপাদন করতে পারি।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ গড়ে তুলেছিলেন উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, জাতিসংঘ তখনও সমুদ্রসীমা আইন করেনি, জাতির পিতা করেছিলেন। পঁচাত্তরের পর যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে মিলিটারি ডিক্টেটররা, সমুদ্রসীমায় যে আমাদের অধিকার আছে সেটা তারা জানত কি না, কিন্তু কোনো উদ্যোগ নেয়নি। আমরা যখন প্রথমবার ক্ষমতায় আসি তখন খোঁজ-খবর নিয়ে সমুদ্রসীমায় আমাদের অধিকার দাবি করি।

    অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের জন্য সাতটি প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে স্বর্ণপদক তুলে দেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক।

  • নগর ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক হলেন আরিফুর রহমান শাকিল

    নগর ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক হলেন আরিফুর রহমান শাকিল

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় পরে মাত্র তিন মাসের জন্য বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।কমিটিতে মো. রইজ আহম্মেদ মান্নকে আহবায়ক করে ৩২ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটিতে মো. মাইনুল ইসলাম ও আরিফুর রহমান শাকিলকে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে।

    রইজ আহমেদ মান্নাকে আহ্বায়ক করে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের ৩২ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। রাতে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় তার ফেইসবুক পেইজে কমিটির তালিকা প্রকাশ করেছেন।

    এতে দেখা যায় কমিটি অনুমোদনের চিঠিতে জয়ের পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যও স্বাক্ষর করেছেন।আগামী তিনমাসের জন্য এই কমিটি অনুমোদনের কথাও বলা হয়েছে। কমিটিতে রইজ আহমেদ মান্নাকে আহবায়ক, মোঃ মাইনুল ইসলাম ও আরিফুর রহমান শাকিলকে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে।

    কমিটির সদস্যরা হলেন, ফয়সাল বারি নয়ন, কিসমত শাহারিয়ার হাসান (হৃদয়), হাছিবুর রহমান রাঞ্জন, মাহাবুর হাসান অমিত, ইয়াসিন আরাফাত, মো: সাইফুল ইসলাম পারভেজ, মো: আফজাল হোসেন পারভেজ, রাশেদুল ইসলাম আকাশ, আকাশ শিকদার, মো: রোমান হাওলাদার, মো: সিরাজুল ইসলাম রাকিব, আরিফুর রহমান অনিক, আহাম্মেদ রেদওয়ান ফাহিম, সাজ্জাদ আহাম্মেদ শান্ত, মা: মিরাজুল ইসলাম, মো: আল-আমিন, মো: শাওন রাব্বি, জামাশেদ আল ফাতাহ, শেখ তৌহিদুল ইসলাম, সাগর দেবাথ, রিয়াজ মল্লিক, তৌহিদুল ইসলাম শাওন, জয় মালি, রাফিজুল সান, হান্নান মল্লিক অভি, পারভেজ সিকদার, মো: ইমন রহমান সিকদার, ফয়সাল বিন জাবেদ, মাহাফুজুর রহমান।

    এর আগে ২০২১ সালের ২৫ মে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের অভিযোগে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনকে অব্যাহতি দেয়ার পাশাপাশি মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। ওই সময়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বিজ্ঞপ্তিতে সই করেন ।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের অভিযোগে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনকে অব্যাহতি দেয়া হলো। একই সঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি করা হয়েছে।

    ওই বছরের ২০ এপ্রিল বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনের বিরুদ্ধে এক তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ তুলে এয়ারপোর্ট থানায় মামলা করেন। এই মামলার পর থেকে জসীম রাজনীতি থেকে দূরে রয়েছেন।

    এর আগে ২০১৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অসীম দেওয়ান নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানায় এক তরুণীকে অপহরণ ও অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরে জামিনে মুক্ত হলেও ঘটনার পর থেকে তাকে আর বরিশালে দেখা যায়নি বলে জানান দলের নেতা-কর্মীরা।

    ওই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তৌছিক আহম্মেদ রাহাত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টোর অফিসার পদে চাকরির সুবাদে রাজনীতি থেকে বিদায় নেন।

    উল্লেখ্য ২০১১ সালে সবশেষ বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি গঠন হয়েছিল।

  • নগর ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক হলেন মাইনুল ইসলাম

    নগর ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক হলেন মাইনুল ইসলাম

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় পরে মাত্র তিন মাসের জন্য বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।কমিটিতে মো. রইজ আহম্মেদ মান্নকে আহবায়ক করে ৩২ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটিতে মো. মাইনুল ইসলাম ও আরিফুর রহমান শাকিলকে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে।

    রইজ আহমেদ মান্নাকে আহ্বায়ক করে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের ৩২ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। রাতে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় তার ফেইসবুক পেইজে কমিটির তালিকা প্রকাশ করেছেন।

    এতে দেখা যায় কমিটি অনুমোদনের চিঠিতে জয়ের পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যও স্বাক্ষর করেছেন।আগামী তিনমাসের জন্য এই কমিটি অনুমোদনের কথাও বলা হয়েছে। কমিটিতে রইজ আহমেদ মান্নাকে আহবায়ক, মোঃ মাইনুল ইসলাম ও আরিফুর রহমান শাকিলকে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে।

    কমিটির সদস্যরা হলেন, ফয়সাল বারি নয়ন, কিসমত শাহারিয়ার হাসান (হৃদয়), হাছিবুর রহমান রাঞ্জন, মাহাবুর হাসান অমিত, ইয়াসিন আরাফাত, মো: সাইফুল ইসলাম পারভেজ, মো: আফজাল হোসেন পারভেজ, রাশেদুল ইসলাম আকাশ, আকাশ শিকদার, মো: রোমান হাওলাদার, মো: সিরাজুল ইসলাম রাকিব, আরিফুর রহমান অনিক, আহাম্মেদ রেদওয়ান ফাহিম, সাজ্জাদ আহাম্মেদ শান্ত, মা: মিরাজুল ইসলাম, মো: আল-আমিন, মো: শাওন রাব্বি, জামাশেদ আল ফাতাহ, শেখ তৌহিদুল ইসলাম, সাগর দেবাথ, রিয়াজ মল্লিক, তৌহিদুল ইসলাম শাওন, জয় মালি, রাফিজুল সান, হান্নান মল্লিক অভি, পারভেজ সিকদার, মো: ইমন রহমান সিকদার, ফয়সাল বিন জাবেদ, মাহাফুজুর রহমান।

    এর আগে ২০২১ সালের ২৫ মে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের অভিযোগে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনকে অব্যাহতি দেয়ার পাশাপাশি মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। ওই সময়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বিজ্ঞপ্তিতে সই করেন ।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের অভিযোগে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনকে অব্যাহতি দেয়া হলো। একই সঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি করা হয়েছে।

    ওই বছরের ২০ এপ্রিল বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনের বিরুদ্ধে এক তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ তুলে এয়ারপোর্ট থানায় মামলা করেন। এই মামলার পর থেকে জসীম রাজনীতি থেকে দূরে রয়েছেন।

    এর আগে ২০১৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অসীম দেওয়ান নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানায় এক তরুণীকে অপহরণ ও অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরে জামিনে মুক্ত হলেও ঘটনার পর থেকে তাকে আর বরিশালে দেখা যায়নি বলে জানান দলের নেতা-কর্মীরা।

    ওই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তৌছিক আহম্মেদ রাহাত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টোর অফিসার পদে চাকরির সুবাদে রাজনীতি থেকে বিদায় নেন।

    উল্লেখ্য ২০১১ সালে সবশেষ বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি গঠন হয়েছিল।

  • নগর ছাত্রলীগের আহবায়ক হলেন রইজ আহমেদ মান্না

    নগর ছাত্রলীগের আহবায়ক হলেন রইজ আহমেদ মান্না

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় পরে মাত্র তিন মাসের জন্য বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।কমিটিতে মো. রইজ আহম্মেদ মান্নকে আহবায়ক করে ৩২ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটিতে মো. মাইনুল ইসলাম ও আরিফুর রহমান শাকিলকে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে।

    রইজ আহমেদ মান্নাকে আহ্বায়ক করে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের ৩২ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। রাতে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় তার ফেইসবুক পেইজে কমিটির তালিকা প্রকাশ করেছেন।

    এতে দেখা যায় কমিটি অনুমোদনের চিঠিতে জয়ের পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যও স্বাক্ষর করেছেন।আগামী তিনমাসের জন্য এই কমিটি অনুমোদনের কথাও বলা হয়েছে। কমিটিতে রইজ আহমেদ মান্নাকে আহবায়ক, মোঃ মাইনুল ইসলাম ও আরিফুর রহমান শাকিলকে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে।

    কমিটির সদস্যরা হলেন, ফয়সাল বারি নয়ন, কিসমত শাহারিয়ার হাসান (হৃদয়), হাছিবুর রহমান রাঞ্জন, মাহাবুর হাসান অমিত, ইয়াসিন আরাফাত, মো: সাইফুল ইসলাম পারভেজ, মো: আফজাল হোসেন পারভেজ, রাশেদুল ইসলাম আকাশ, আকাশ শিকদার, মো: রোমান হাওলাদার, মো: সিরাজুল ইসলাম রাকিব, আরিফুর রহমান অনিক, আহাম্মেদ রেদওয়ান ফাহিম, সাজ্জাদ আহাম্মেদ শান্ত, মা: মিরাজুল ইসলাম, মো: আল-আমিন, মো: শাওন রাব্বি, জামাশেদ আল ফাতাহ, শেখ তৌহিদুল ইসলাম, সাগর দেবাথ, রিয়াজ মল্লিক, তৌহিদুল ইসলাম শাওন, জয় মালি, রাফিজুল সান, হান্নান মল্লিক অভি, পারভেজ সিকদার, মো: ইমন রহমান সিকদার, ফয়সাল বিন জাবেদ, মাহাফুজুর রহমান।

    এর আগে ২০২১ সালের ২৫ মে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের অভিযোগে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনকে অব্যাহতি দেয়ার পাশাপাশি মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। ওই সময়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বিজ্ঞপ্তিতে সই করেন ।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের অভিযোগে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনকে অব্যাহতি দেয়া হলো। একই সঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি করা হয়েছে।

    ওই বছরের ২০ এপ্রিল বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনের বিরুদ্ধে এক তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ তুলে এয়ারপোর্ট থানায় মামলা করেন। এই মামলার পর থেকে জসীম রাজনীতি থেকে দূরে রয়েছেন।

    এর আগে ২০১৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অসীম দেওয়ান নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানায় এক তরুণীকে অপহরণ ও অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরে জামিনে মুক্ত হলেও ঘটনার পর থেকে তাকে আর বরিশালে দেখা যায়নি বলে জানান দলের নেতা-কর্মীরা।

    ওই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তৌছিক আহম্মেদ রাহাত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টোর অফিসার পদে চাকরির সুবাদে রাজনীতি থেকে বিদায় নেন।

    উল্লেখ্য ২০১১ সালে সবশেষ বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি গঠন হয়েছিল।