Category: রাজণীতি

  • ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি’র শোক

    ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি’র শোক

    স্টাফ রিপোর্টার: গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কর্ণেল(অবঃ)জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।

    শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টায় (নিউ ইয়র্ক সময় বিকেল ৪টা) যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ডেপুটি স্পিকার।

    শনিবার (২৩ জুলাই) এক শোকবার্তায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কর্ণেল(অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই ফজলে রাব্বী মিয়া রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন এবং ‘৬২-এর শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে জড়িত ছিলেন তিনি।

    মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
    সবশেষ ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসন থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে সপ্তমবারের মতো জয়ী হন তিনি। দশম সংসদ থেকে তিনি ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

  • ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া (এম.পি) শুক্রবার দিবাগত রাত ২টায় (নিউ ইয়র্ক সময় বিকাল ৪টা) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কস্থ মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
    তাঁর মৃত্যুতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

  • ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে স্পিকারের শোক

    ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে স্পিকারের শোক

    নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    শনিবার (২৩ জুলাই) সকালে এক শোকবার্তায় ফজলে রাব্বী মিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    এর আগে, শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টায় (নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা) যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ফজলে রাব্বী মিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

    তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গণে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীসহ মন্ত্রীপরিষদের সদস্য ও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, এই মৃত্যু দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদের শূন্যতা। এটি পূরণ হবার নয়।

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মো. ফজলে রাব্বী মিয়া ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়াও সে সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতেও তিনি কাজ করেন।

    ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালের চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

    এছাড়া পঞ্চম ও সপ্তম সংসদে তিনি বিরোধীদলীয় হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সপ্তম জাতীয় সংসদে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম ও ২০১৯ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    নবম জাতীয় সংসদে তিনি সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি, কার্য উপদেষ্টা কমিটি, কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি প্রথমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে এবং পরে সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

    দশম সংসদ থেকে ফজলে রাব্বী মিয়া ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ওই সংসদে লাইব্রেরি কমিটির সভাপতি, কার্য উপদেষ্টা কমিটির সদস্য, কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও পিটিশন কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

    তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সপ্তমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

  • ফজলে রাব্বী মিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

    ফজলে রাব্বী মিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

    নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে বর্ণাঢ্য এক রাজনৈতিক জীবনের অবসান হয়েছে। জাতীয় জীবনে এ মৃত্যু এক অপূরণীয় ক্ষতি। সংসদীয় গণতন্ত্রে অসামান্য ভূমিকার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবেন তিনি।

    শনিবার (বাংলাদেশ সময় ২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের (স্থানীয় সময় ২২ জুলাই) মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ফজলে রাব্বী মিয়া।

    তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গণে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকারসহ মন্ত্রীপরিষদের সদস্য ও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, এই মৃত্যু দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদের শূন্যতা। এটি পূরণ হবার নয়।

    শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, সংসদ পরিচালনায় মরহুম ফজলে রাব্বী মিয়ার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা ও বিকাশে তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

    সংসদের নেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই ফজলে রাব্বী মিয়া আইয়ুববিরোধী আন্দোলন এবং ’৬২ এর শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলনে জড়িত ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

    আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আামির হোসেন আমু বলেন, গণতান্ত্রিক সংসদীয় ধারার রাজনীতির বিকাশে মরহুম ফজলে রাব্বী মিয়ার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই মৃত্যু জাতীয় জীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতি।

    জাতীয় সংসদের হুইপ ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, রাজনীতিবিদ ও মানুষ হিসেবে ডেপুটি স্পীকার ফজলে রাব্বী মিয়া ছিলেন অনন্য। তার সংসদীয় জ্ঞানের গভীরতা প্রগাঢ়। তার অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ অনুসরণযোগ্য। এমন একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদের শূন্যতা পূরণ হবার নয়।

    জন্ম ও বেড়ে উঠা:
    ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্ম নেন। তার পিতার নাম ফয়জার রহমান ও মাতার নাম হামিদুন নেছা। ১৯৬১ সালে তিনি গাইবান্ধা কলেজে ভর্তি হন। তিনি বিএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সনদ লাভ করেন। এরপর ১৯৮৮ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হন।

    বর্ণাঢ্য সেই রাজনৈতিক জীবন:
    ১৯৫৮ সালে রাজনীতিতে আসেন ফজলে রাব্বী মিয়া। তখন তিনি অষ্টম শ্রেণীতে পড়তেন। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান পাকিস্তানে ‘মার্শাল ল’ চালু করেছিলেন। সে সময় ফজলে রাব্বীর চাচা নিজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। চাচার মাধ্যমে তিনি ‘মার্শাল ল’ বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পরেন। ১৯৬২-৬৩ সালে শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধেও তিনি আন্দোলন করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।

    ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালের চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    এরপর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে পরাজিত হন। কিন্তু ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম ও ২০১৯ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    ১৯৯০ সালে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। দশম সংসদ থেকে তিনি আমৃত্যু ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    ২০২১ সালের জুনে ফজলে রাব্বী মিয়ার পেটে টিউমার অপারেশন হয়। তবে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য আগস্টে তাকে ভারত নেওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার জীবনাবসান হয়।

    তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এক বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অবসান হলো। এর ফলে জাতীয় রাজনীতিতে গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হলো।

  • ২৫ জুলাই দেশে আসবে ডেপুটি স্পিকারের মরদেহ

    ২৫ জুলাই দেশে আসবে ডেপুটি স্পিকারের মরদেহ

    নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার মরদেহ আগামী ২৫ জুলাই সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকায় আনা হবে। নিউইয়র্ক থেকে এয়ার এমিরেটসের বিমানে তার মরদেহ দেশে আসবে। তার আগে আগামীকাল (রোববার) স্থানীয় সময় বাদ জোহর নিউইয়র্কের জ্যামাইকার মুসলিম সেন্টারে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

    শনিবার (২৩ জুলাই) ডেপুটি স্পিকারের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বপন কুমার বিশ্বাস এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, মরদেহ বাংলাদেশে আনার পর প্রথম জানাজা হওয়ার কথা জাতীয় সংসদে। কিন্তু কখন এই জানাজা অনুষ্ঠিত হবে তা এখনও জানা যায়নি।

    এরপর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে সুপ্রিম কোর্টে। সুপ্রিম কোর্ট থেকে মরদেহ নেওয়া হবে গাইবান্ধায়। সেখানকার ভরতখালী স্কুল মাঠে তার জানাজা শেষে পারিবারিক করবস্থানে দাফন করা হবে ফজলে রাব্বী মিয়ার মরদেহ।

    ফজলে রাব্বী মিয়া যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টার দিকে তিনি সেখানে মারা যান।

  • মারা গেছেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া

    মারা গেছেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া

    নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

    বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান। এসময় তার বড় মেয়ে ফাহিমা রাব্বী রিটা এবং একান্ত সচিব তৌফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

    জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

    ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফয়জার রহমান এবং মাতার নাম হামিদুন নেছা।

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।

    ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালে চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হন।

    ২০০৮ সালে নবম, ২০১৪ সালে দশম ও ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

  • সবার ঠিকানা নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    সবার ঠিকানা নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্কঃ দলমত নির্বিশেষে সরকার সবার ঠিকানা নিশ্চিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারপ্রধান বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে কেউ গৃহহীন ও ভূমিহীন থাকবে না। সেজন্য যেসব গৃহহীন পরিবার আছে তাদের তালিকা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) ২৬ হাজার ২২৯টি গৃহহীন পরিবারের মাঝে ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

    শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীন দেশে কেউ যেন ভূমি ও ঠিকানাহীন না থাকে সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। প্রতিটি মানুষ যেন বসবাস করতে পারে, সেজন্য একটা জায়গা করে দেওয়া হবে। এটা প্রথম করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

    বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল বাংলার মানুষ খাদ্য পাবে, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান পাবে।

    সরকারপ্রধান বলেন, ঘর পাওয়ার পর মানুষের মুখে যে হাসি এর চেয়ে বড় কিছু পাওয়ার থাকে না।

    অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় ও মাগুরা জেলাসহ ৫২ উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

    আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে দেশব্যাপী মোট ৬৭ হাজার ৮০০টি ঘর দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল ৩২ হাজার ৯০৪টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বাকি আট হাজার ৬৬৭টি ঘর নির্মাণাধীন রয়েছে।

    প্রকল্পের আওতায় ২০২১-২০২২ পর্যন্ত এক লাখ ৮৫ হাজার ১২৯টি বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি, ৬৩ হাজার ৯৯৯ গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার তাদের মাথার ওপর ছাদ পায়। আর গত বছরের ২০ জুন আশ্রায়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৩০টি পরিবার ঘর পায়।

    আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে সরকার ঘরগুলোকে অধিকতর টেকসই ও জলবায়ু সহিষ্ণু করে গড়ে তুলতে ঘরগুলোর নকশা পরিবর্তন করে। এতে ঘরগুলোর নির্মাণ খরচ বেড়ে যায়।

    ঘরগুলোকে অধিকতর টেকসই করে গড়ে তোলায় প্রতিটি ঘরের নির্মাণব্যয় এক লাখ ৯১ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দুই লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত হয়।

    ঘূর্ণিঝড় কিংবা বন্যার মতো যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি মাথায় রেখে বিশেষভাবে স্থানান্তরযোগ্য করে ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।

  • বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার চোখে সর্ষে ফুল দেখছে: ফখরুল

    বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার চোখে সর্ষে ফুল দেখছে: ফখরুল

    অনলাইন ডেস্কঃ বিদ্যুৎসহ চলমান নানা সংকট সরকারকে পতনের দিকে নিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার চোখে সর্ষে ফুল দেখছে। জনগণ ফুঁসে উঠছে এবং সরকারের পতন তরান্বিত হবে।

    মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল (সোমবার) রাতে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের দুর্নীতি, পরিকল্পনার অভাব এবং অযোগ্যতার কারণেই লোডশেডিং ও জনভোগান্তি। এই সংকটের প্রভাব পড়বে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে। শ্রীলঙ্কায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তারই শুরু।

    দ্রব্যমূল্য, মুদ্রাস্ফীতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের বিরুদ্ধে জনরোষকে ভিন্নদিকে নিতে পরিকল্পিতভাবে নড়াইলে সাম্প্রদায়িক হামলা দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ঘটনা সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য দলের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আগামী ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান করবে এবং তা জনসম্মুখে প্রকাশ করবে।

    সরকার বিশেষ কোম্পানিকে সুবিধা দিতে পাওয়ার প্ল্যান্ট করেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, যার মূল কারণ চুরি ও দুর্নীতি। আর এর মূল্য দিতে হচ্ছে জনগণকে।

    দলের স্থায়ী কমিটির সভার সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ওয়াসার পানির দাম এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক ৫৩টি অত্যাবশকীয় ওষুধের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে। অবিলম্বে পানি ও ওষুধের মুল্য হ্রাসের দাবি জানানো হয়েছে। এই মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, অঙ্গ সংগঠন সমূহকে মহানগর এবং ওযার্ড পর্যায়ে প্রতিবাদ সভার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনের তলোয়ার নিয়ে বক্তব্য অহায়ত্বের প্রমাণ। এ কমিশনের অধীনে সুষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব নয়।

    গত ১৬ জুলাই রাতে সার্বিয়া থেকে বাংলাদেশে সমরাস্ত্র নিয়ে আসার সময় ইউক্রেনের একটি কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব। এছাড়াও বন্যার কারণে স্থগিত দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম পুনরায় শুরুর কথা জানান তিনি।

  • বিদ্যুৎ নিয়ে কথা বলা বিএনপি নেতাদের মুখে শোভা পায় না

    বিদ্যুৎ নিয়ে কথা বলা বিএনপি নেতাদের মুখে শোভা পায় না

    অনলাইন ডেস্কঃ বিদ্যুৎ নিয়ে কথা বলা বিএনপি নেতাদের মুখে শোভা পায় না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, বিদ্যুৎ নিয়ে বিএনপি কোন মুখে বড় কথা বলে? তাদের কি বিন্দুমাত্র লাজ-শরম নেই? বিএনপি আমলে জনগণ বিদ্যুৎ পায়নি, পেয়েছিল খাম্বা। তারপরও তারা কীভাবে বিদ্যুৎ নিয়ে কথা বলেন?

    মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকালে তার বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। লোডশেডিং নিয়ে বিএনপি নেতাদের বিভিন্ন মিথ্যা বক্তব্যের জবাব দিতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা দেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছিল, দিনের পর দিন যাদের শাসনামলে দিনের অর্ধেক সময় লোডশেডিং চলতো, শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল, তারা আজ বিদ্যুৎ নিয়ে কথা বলে।

    তিনি বলেন, জনগণ বিদ্যুৎ সংযোগহীন খাম্বা দুর্নীতির কথা এখনো ভুলে যায়নি। ভুলে যায়নি বিদ্যুতের দাবিতে মিছিলে গুলির কথা, হারিকেন-কুপি নিয়ে বিক্ষোভ এবং বিদ্যুৎ ভবন ঘেরাওয়ের কথা।

    দেশ ও জনগণের কল্যাণে সরকারের গৃহীত এবং গৃহীতব্য ব্যবস্থার সঙ্গে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশবাসীকে সাময়িক এ অসুবিধায় ধৈর্য ধরা এবং সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যিনি সংকটকে সম্ভাবনায় রূপ দেন তার ওপর অতীতে যেমন আস্থা রেখেছেন, এখনো রাখুন।

    কারও কথায় কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অল্প সময়ের মধ্যেই বিদ্যুৎ সংকট থেকে উত্তরণ হবে।

    লোডশেডিংয়ের কারণে সরকারের পতন হবে- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতাদের এমন রঙিন খোয়াব অচিরেই দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে সারা পৃথিবীর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়েছে, বাংলাদেশেও করোনার করাল গ্রাসের সঙ্গে সংগ্রাম করেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে নিজেদের অর্থনীতিকে সচল রেখেছেন। সাম্প্রতিকালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং এর আন্তর্জাতিক পরিণতি বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আবারও কিছুটা হুমকির মুখে ফেলেছে।

    এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি মার্কেট চরম অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি যাতে বড় কোনো ক্ষতির সম্মুখীন না হয় সে লক্ষ্যে সরকারকে আগেভাগেই কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

    তিনি বলেন, জাপানের মতো উন্নত ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশও তাদের সাড়ে তিন কোটির বেশি মানুষকে নিয়মিত বিদ্যুৎ সুবিধা দিতে পারছে না, একই অবস্থা অস্ট্রেলিয়ারও। তাই সবাইকে এই সংকটকালে রেশনিং করতে হচ্ছে।

    কাদের বলেন, যুক্তরাজ্যে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে, উন্নত রাষ্ট্র আমেরিকায়ও এসএমএসের মাধ্যমে জনগণকে এনার্জির ব্যবহার লিমিট করতে বলা হয়েছে।

    দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানকে চাঙা রাখার লক্ষ্যে সরকার শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিশ্বব্যাপী পরিবর্তিত সংকটময় পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় সরকার ও জনগণের সাধ্যের মধ্যে রাখার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে এবং রেশনিংয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

  • বিদ্যুৎসহ সবক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বিদ্যুৎসহ সবক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্কঃ বিদ্যুৎসহ সবক্ষেত্রে জনগণকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

    সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, বিদ্যুৎসহ সব ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী আমাদের মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    মন্ত্রী বলেন, সরকারপ্রধান বলেছেন— মিতব্যয়ী হতে হবে। আসুন সবাই মিতব্যয়ী হই। সরকারের বাইরে যারা সাধারণ নাগরিক আছেন সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।’

    পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেন, এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নতুন বলছেন না। অনেক আগে থেকেই বলে আসছেন। মিটিং ছাড়া সামারে আপনারা স্যুট-কোট পরবেন না। প্রধানমন্ত্রী আগে থেকেই বলে আসছেন আমাদের সাশ্রয়ী হতে হবে।’

    তিনি আরও বলেন, রয়টার্সে একটা লেখা বের হয়েছে— ১০টি দেশ শ্রীলঙ্কা হতে চলছে সেখানে বাংলাদেশের নামে নেই। আমদানি নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে। বাংলাদেশ সুন্দর অবস্থানে আছে। আমরা স্বস্তির জায়গায় আছি, ডলার ক্রাইসিস ছিল তা ম্যানেজ করে ফেলেছি।’