Category: রাজণীতি

  • ইসির কোনো ক্ষমতা নেই: ফখরুল

    ইসির কোনো ক্ষমতা নেই: ফখরুল

    অনলাইন ডেস্কঃ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কোনো ক্ষমতাই নেই, তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারই হচ্ছে মূল বিষয়। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না, সেটা আমরা দেখেছি। তাহলে নির্বাচন কমিশনের সংলাপে গেলেই বা কী, আর না গেলেই বা কী।

    রোবাবর (১৭ জুলাই) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    ফখরুল বলেন, দেশের মূল সংকট হলো গণতন্ত্র নেই। নির্বাচন একটা ফার্স্ট ডোর ফর ডেমোক্রেসি। সেই জায়গায় আজকে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।

    তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে চারটা নির্বাচন হয়েছে, যা নিয়ে বিতর্ক হয়নি। চিরকাল ক্ষমতায় থাকার জন্যই তারা (আওয়ামী লীগ) দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করছে। এটা সত্য কথা যে পৃথিবীর বহু দেশে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়। সেটা কোথায় হয়? যেসব দেশ গণতান্ত্রিকভাবে অনেক অভিজ্ঞ, ২০০-২৫০ বছর ধরে গণতন্ত্রের চর্চা চলছে।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, যেখানে দেশের মানুষ চায় না এই ইসির অধীনে কোনো নির্বাচন হোক, এই সরকারের অধীনে নির্বাচন হোক। সে কারণে আমরা এই ইসির সংলাপই বলেন, আলোচনা বলেন, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্যই করি না। কারণ এই ইসির অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে, তা আমরা বিশ্বাসই করি না। সরকার যদি পরিবর্তন না হয়, নিরপেক্ষ সরকার যদি না আসে, তাহলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কদ্দুস, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, দলের প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, ভারপ্রাপ্ত তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু, সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, সহ-গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমেদ।

  • আ’লীগ কখনো ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চায় না: কাদের

    আ’লীগ কখনো ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চায় না: কাদের

    অনলাইন ডেস্কঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন চায় না, চায় সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন।

    রোববার (১৭ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) প্রধান কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চায় না।

    আজ থেকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশন সংলাপে বসেছে, নির্বাচন কমিশনের এই সংলাপ চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। ৩১ জুলাই কমিশনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের ১০ সদস্যদের প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেবে বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের ডাকে এই সংলাপে অংশগ্রহণ করা সব রাজনৈতিক দলের দেশপ্রেমের দায়িত্ব, নির্বাচনের মাধ্যমে যারা সরকারের পরিবর্তন চান- তাদেরই নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।

    নির্বাচন কমিশনের সংলাপে প্রত্যেকটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অংশ নেবে, এমন প্রত্যাশা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা এই নির্বাচনকে একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হিসেবে দেখতে চাই। সে কারণে নিবন্ধিত সবার অংশগ্রহণে অবাধ, নিরপেক্ষ এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    নির্বাচন ব্যবস্থায় আরও উন্নতি করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন ব্যবস্থায় ইতোমধ্যে অনেকটা উন্নতি করেছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভবিষ্যতে নির্বাচন ব্যবস্থা আরও আধুনিক-মানসম্মত করা হবে।

    বর্তমান ব্যবস্থাও একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনুকূলে হবে বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

    বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে- বিরোধী দলের কেউ কেউ বারবার একথা বলা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষ হয় তাহলে নির্বাচন অবাধ-নিরপেক্ষ হবে, এখানে সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা থাকবে না। সরকার শুধু সহযোগিতা করবে কমিশনকে।

    তিনি বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত সরকারের কোনো সংস্থা বা দপ্তর নির্বাচন চলাকালে, সরকারের নির্দেশে চলবে না। চলবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আশা করে বলেন, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন সংক্রান্ত যে রাজনৈতিক সংলাপের আহ্বান করেছেন- সেখানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নিয়ে তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।

    এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিআরটিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন। এসময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরি ও বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিআরটিসি লাভের ধারায় ফিরে এসেছে- এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। বিআরটিসি সরকারের যেন বোঝা না হয় সেদিকেও নজর দিতে হবে।

  • সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এর শোক প্রকাশ

    সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এর শোক প্রকাশ

    বরিশাল মহানগর ২৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও বরিশাল জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন রুপাতলী – এর সাবেক সভাপতি আব্দুস সবুর খান সবুজ আজ রাত ১টা ৩০ মিনিটে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
    ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপণ এবং তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন, বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও
    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ এর সহ সভাপতি
    জনাব আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু।

  • সিটি মেয়র এর শোক

    সিটি মেয়র এর শোক

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল মহানগর ২৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও বরিশাল জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন রুপাতলী – এর সাবেক সভাপতি আব্দুস সবুর খান সবুজ আজ রাত ১টা ৩০ মিনিটে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
    ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপণ এবং তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যাম (ফেসবুক) সহ বিভিন্ন বার্তায় এ শোক প্রকাশ করেন।

  • যমুনা গ্রুপের পরিচালক হলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাব্বানী

    যমুনা গ্রুপের পরিচালক হলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাব্বানী

    দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান যমুনা গ্রুপের পরিচালক (হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) পদে যোগদান করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর সদ্য সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানী।

    শনিবার (১৬ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড আইডি থেকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ খবর নিজেই জানান তিনি। গত শুক্রবার থেকে তিনি কাজে যোগদান করেছেন বলে জানান।

    চাকরিতে যোগদান বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ নেতা ও ডাকসুর জিএস হওয়ার পর কাউকে চাকরিতে যোগদানের ইতিহাস খুব নেই বললেই চলে। চাকরিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেওয়াটা আমার পক্ষে চ্যালেঞ্জিং ছিল। যমুনা গ্রুপের মালিকদের অনুরোধ এবং আমাকে নিজের স্বাধীনমতো কাজ করতে দেওয়ার শর্তে আমি এখানে যোগদান করেছি। আরেকটি বিষয় হলো রাজনৈতিক নেতাদের আলাদা কোনো বেতন নেই। আমি মনে করি, রাজনৈতিক নেতাদের দৃশ্যমান কোনো আয়ের উৎস থাকা উচিত। সে জায়গা থেকে আমি যমুনা গ্রুপে যোগ দিয়েছি।

    তিনি আরও বলেন, আমি সবসময় গতানুগতিক ধারার বাইরে নতুন কিছু নিয়ে কাজ করতে চাই। নতুন কিছু করতে ও চ্যালেঞ্জ নিতে আমি ভালোবাসি। তাই আমি এখানে গতানুগতিক ধারার বাইরে এসে যোগ দিয়েছি। এটি অনেক চ্যালেঞ্জিং জব। যমুনা গ্রুপের ৪১টি কনসার্ন রয়েছে। আমার জায়গা থেকে এর সব ব্যবসায়িক কাজ দেখতে হবে। আমি আমার জায়গা থেকে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবো। যমুনা গ্রুপকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমার সর্বাত্মক চেষ্টা থাকবে।

    ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে রাব্বানী বলেন, এ বছরের মধ্যেই বিয়ে করবো, ইনশাআল্লাহ্।

    এ নিয়ে একটু হাস্যরস করে তিনি বলেন, আগে চাকরি বা ব্যবসা ছিল না, তাই মেয়ে বিয়ে দেওয়া নিয়ে অনেকের ভয় ছিল। এখন একটা কিছু হয়েছে। এখন মেয়ে বিয়ে দিতে ভয় নেই।

  • ইসির সংলাপ শুরু আজ, বসছে ৪ দল

    ইসির সংলাপ শুরু আজ, বসছে ৪ দল

    জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে আজ রোববার (১৭ জুলাই) থেকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সংলাপ চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। প্রথম দিনে আজ সংলাপে বসছে চারটি দল। প্রতিটি দল থেকে ১০ জন করে প্রতিনিধি এ সংলাপে অংশ নিতে পারবেন।

    সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন ইসির সঙ্গে সংলাপ করবে। এরপর দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ), দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বাংলাদেশ কংগ্রেস এবং বিকেল ৪টা থেকে ৫টা বাংলাদেশ মুসলিম লীগের (বিএমএ) সঙ্গে বৈঠক করবে ইসি।

    তবে এবারও সংলাপে যোগ দেবে না বিএনপি। এরআগে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসি সংলাপ করলেও বিএনপি অংশ নেয়নি। এছাড়া দলটির জোটে থাকা অন্যান্য দল এবং আওয়ামী লীগের জোটে থাকা বেশ কয়েকটি দল অংশ নেয়নি।

    এদিকে, কবে, কখন, কোন দলের সঙ্গে বৈঠক করা হবে তা আগেই প্রকাশ করেছে ইসি। সেখানে তিনটি দল ছাড়া বাকি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এক ঘণ্টা করে বৈঠকের সময়সূচি রাখা হয়েছে। আর আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও বিএনপির সঙ্গে দুই ঘণ্টা করে সংলাপের সময় রেখেছে ইসি।

    সময়সূচি অনুযায়ী- ১৮ জুলাই (সোমবার) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, দুপুর ১২টা থেকে ১টা বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, দুপুর আড়াই থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত খেলাফত মজলিস, বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি।

    ১৯ জুলাই (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, দুপুর ১২টা থেকে ১টা ইসলামিক ঐক্য জোট, দুপুর আড়াইটা থেকে সাড়ে ৩টা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল (এমএল)।

    ২০ জুলাই (বুধবার) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টায় গণতন্ত্রী পার্টি, দুপুর ১২টা থেকে ১টা বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।

    ২১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ১টা বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, দুপুর আড়াইটা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ ও বিকাল ৪টা থেকে ৫টা গণফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপ করবে ইসি।

    ২৪ জুলাই (রোববার) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, দুপুর ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জাতীয় পার্টি (জেপি), আড়াইটা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বিকেল ৪টা থেকে ৫টা ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ।

    ২৫ জুলাই (সোমবার) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ১টা বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টি, বিকেল আড়াইটা থেকে সাড়ে ৩টা বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। আর বিকেল ৪টা থেকে ৫টা লিভারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপির) সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।

    ২৬ জুলাই (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত জমিয়াতে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ১টা বিকল্পধারা বাংলাদেশ, দুপুর আড়াইটা থেকে সাড়ে ৩টা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)।

    ২৭ জুলাই (বুধবার) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত জাকের পার্টি, দুপুর আড়াইটা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।

    ২৮ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১১টা গণফোরাম, দুপুর ১২টা থেকে ১টা বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ম্যাপ), দুপুর আড়াইটা থেকে সাড়ে ৩টা বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি।

    ৩১ জুলাই (রোববার) বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত জাতীয় পার্টি ও বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপ করবে ইসি।

  • ফখরুল গাড়ির সাইরেন শুনেছেন, সরকার পতনের নয়: কাদের

    ফখরুল গাড়ির সাইরেন শুনেছেন, সরকার পতনের নয়: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘মির্জা ফখরুল বলেন- আমাদের (আওয়ামী লীগ) নাকি পতনের সাইরেন বাজছে। কোথা থেকে শুনলেন সাইরেনটা? কোথায় শুনলেন? রাস্তায় যখন গাড়ি চলে আপনি সেই সাইরেন শুনেছেন, ওটা সরকার পতনের সাইরেন নয়।’তিনি বলেন, ‘সাইরেন শুনবেন, শুনতে ঠিকই পাবেন। তবে সেটা আপনাদের বিদায় ঘণ্টার সাইরেন। নেতিবাচক রাজনীতি আপনাদেরকে অপ্রাসঙ্গিক করে দিয়েছে। আপনাদেরই বিদায়ের ঘণ্টা বাজছে।’শনিবার (১৬ জুলাই) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর আওয়ামী লীগ এ সভার আয়োজন করে।বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খেলা হবে, রাজনীতির মাঠে খেলা হবে। নির্বাচনের মাঠে খেলা হবে। আসুন, খেলতে নামুন, নির্বাচন আর রাজনীতির মাঠে খেলায় আসুন।’বিশ্ব পরিস্থিতি তুলে ধরে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘খুব খারাপ সময়, খুব ঝুঁকিপূর্ণ সময়। এসময়ে ঐক্যের বিকল্প নেই। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ কিছু করতে পারবে না।’ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কর্মীদের হুঁশিয়ার থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে কঠিন সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছেন। সারা বিশ্বে যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া, সেই প্রতিক্রিয়ায় জ্বালানির দাম ক্রমাগত বাড়ছে। মূল্যস্ফীতি চরমে। শ্রীলঙ্কার কথা বাদ দিলাম। ইংল্যান্ড ও আমেরিকায়ও মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। বাংলাদেশকে এ কঠিন জমিনে অগ্রসর হতে হচ্ছে।’তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা এখন সারারাত জেগে থাকেন যাতে দেশের মানুষ যাতে ঘুমাতে পারে। ভয়াবহ পরিস্থিতি তিনি সামাল দিয়ে যাচ্ছেন। বন্যা, করোনা, যুদ্ধের প্রভাব তিনি সফলভাবে মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। শক্ত করে দেশের উন্নয়নের ধারা ধরে রেখেছেন। আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ থেকে তাকে শক্তি দিতে হবে। কথায় কথায় নিজেরা কলহে জড়াবেন না। খুব খারাপ সময়, খুব ঝুঁকিপূর্ণ সময় যাচ্ছে। এসময়ে ঐক্যের বিকল্প নেই।’আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আজকের এদিন শুধু শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস নয়, এই দিন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বন্দি দিবস। এ দিন শেখ হাসিনাকে বন্দি করে আমাদের বিকাশমান গণতন্ত্রকে বন্দি করা হয়েছে।’তিনি বলেন, ‘রাজনীতি করতে এসে অনেকেই জেলে গেছেন। আমাদের নেত্রীও বন্দি হয়েছেন। তার আগে ক্ষমতায় ছিল বিএনপি। কিন্তু প্রথম বন্দি হন শেখ হাসিনা। তারা এসে বিরোধী দলের নেতাকে প্রথম বন্দি করে। বিরোধী দলের নেতা প্রথম বন্দি হয়। সরকারি দলের নেতা তখনো বন্দি হন নি। ড. ওয়াজেদের সঙ্গে কী দুর্ব্যবহার, ঢাকার কোর্টের সামনেও একই দৃশ্য। বঙ্গবন্ধুকন্যা একটুও শ্রদ্ধা তারা দেখাননি।’ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান প্রমুখ।

  • শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ

    শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ

    আজ ১৬ জুলাই। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস। ১/১১-এর অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিভিন্ন মিথ্যা, বানোয়াট, হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গণতন্ত্রের মানসকন্যা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    সেদিন ভোরে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় দুই সহস্রাধিক সদস্য সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদন ঘেরাও করে। এ অবস্থায় শেখ হাসিনা ফজরের নামাজ আদায় করেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে যৌথবাহিনীর সদস্যরা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে সুধা সদন থেকে বের করে নিয়ে আসে এবং তাকে বন্দি অবস্থায় ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে।

    তৎকালীন অবৈধ ও অসাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নীলনকশা অনুযায়ী আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জামিন আইনবহির্ভূতভাবে নামঞ্জুর করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।

    শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের মধ্যদিয়ে বাংলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে অবরুদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সাহসিকা বঙ্গবন্ধুকন্যা আদালতের গেটে দাঁড়িয়ে প্রায় ৩৬ মিনিটের অগ্নিঝরা বক্তৃতার মাধ্যমে তৎকালীন অবৈধ সরকারের হীন-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে একটি চিঠির মাধ্যমে দেশের জনগণ এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গণতন্ত্র রক্ষায় মনোবল না হারিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার আহ্বান জানান।

    শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীরা জেগে উঠলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ষড়যন্ত্র মারাত্মক প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়। শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয়।

    আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী দেশবাসীর ক্রমাগত প্রতিরোধ আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুকন্যার আপসহীন ও দৃঢ় মনোভাব এবং দেশবাসীর অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগ ও নানামুখী ষড়যন্ত্রের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্যদিয়ে এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরায় ফিরে আসে। বিকাশ ঘটে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের।

    আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হারানো স্বপ্ন ও সোনার বাংলা বাস্তবায়িত হচ্ছে তারই সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে। এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় পিতার ন্যায় আপসহীন মনোভাব নিয়েই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার যাত্রা শুরু হয়। জনগণের মুক্তি আন্দোলনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সহ্য করতে হয়েছে অনেক জেল-জুলুম ও অত্যাচার-নির্যাতন। অসংখ্যবার মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হয়েছে তাকে। তবে জনগণের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় সকল ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে অকুতোভয় নির্ভীক সেনানীর মতো নিরবচ্ছিন্নভাবে পথ চলেছেন শেখ হাসিনা। সব বাধা-বিপত্তি জয় করে আজ শুধু বাংলাদেশেই নয়; বিশ্ব দরবারেও স্বমহিমায় উজ্জ্বল জনগণের প্রাণপ্রিয় এ নেত্রী।

    শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য দিয়ে এ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরায় ফিরে আসে। যুগপৎভাবে বিকাশ ঘটে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের। আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন দিনটি ‘শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে।

    এ বছরও দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনসমূহ পৃথক কর্মসূচি নিয়েছে।

  • আমতলীর চার ইউনিয়নে আওয়ামীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    আমতলীর চার ইউনিয়নে আওয়ামীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: আমতলীর গুলিশাখালী, আঠারগাছিয়া, আরপাঙ্গাশিয়া ও আমতলী সদর ইউনিয়নের কমিটি গঠন উপলক্ষে মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার বিকেলে পর্যন্ত ৪টি ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    বৃহস্পতিবার সকালে আমতলীর সদর ইউনিয়নের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে মো. মনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপত) বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট এমএ কাদের মিয়া।

    বিষেশ অতিথি ও প্রধান বক্তা ছিলেন আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. মতিয়ার রহমান। সভায় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. মজিবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা, সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. নুরুল ইসলাম মৃধা, কুকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন মাসুম তালুকদার, হলদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সহিদুল ইসলাম মৃধা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এ্যাড. মো. নুরুল ইসলাম, আরপাঙ্গাশিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সোহেলী পারভীন মালা, গুলিশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট এইচ এম মনিরুল ইসলাম মনি, আঠারগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রিপন, হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা মো. মিজানুর রহমান, যুবলীগ নেতা আব্দুস ছোবাহান লিটন, প্রমুখ।

    মঙ্গলবার সকালে গোছখালী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় হল রুমে গুলিশাখালী ইউনিয়নআওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মো. নুরুল
    ইলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট এমএ কাদের মিয়া। বিষেশ অতিথি ও প্রধান বক্তা ছিলেন আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. মতিয়ার রহমান।

    সভায় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. মজিবুর রহমান উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা, সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. নুরুল ইসলাম মৃধা, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা মো. মিজানুর রহমান, হলদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সহিদুল ইসলাম মৃধা, আলহাজ্ব এ্যাড. মো. নুরুল ইসলাম, আরপাঙ্গাশিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সোহেলী পারভীন মালা, কুকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন মাসুম তালুকদার, গুলিশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট এইচ এম মনিরুল ইসলাম মনি, আঠারগারগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রিপন, হলদিয়াইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক, আব্দুস ছোবাহান লিটন প্রমুখ।

    মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় আঠারগাছিয়া হাইস্কুলের হল রুমে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুস ছালাম মোল্লার সভাত্বিতে অনুষ্ঠিত ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট এমএ কাদের মিয়া।

    বিশেষ অতিথি ও প্রধান বক্তা ছিলেন আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. মতিয়ার রহমান। সভায় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. মজিবুর রহমান উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা, সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. নুরুল ইসলাম মৃধা, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা মো. মিজানুর রহমান, হলদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সহিদুল ইসলাম মৃধা, আলহাজ্ব এ্যাড. মো. নুরুল ইসলাম, আরপাঙ্গাশিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সোহেলী পারভীন মালা, কুকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন মাসুম তালুকদার, গুলিশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট এইচ এম মনিরুল ইসলাম মনি, আঠারগারগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রিপন, হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক, যুবলীগ নেতা আব্দুস ছোবাহান লিটন।

    শুক্রবার বিকেল ৩টায় আরপাঙ্গাশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হল রুমে ইউনিয়ন আওয়মীলীগের সভাপতি মো. জাফর বিশ্বাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট এমএ কাদের মিয়া। বিশেষ অতিথি ও প্রধান বক্তা ছিলেন আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো.মতিয়ার রহমান।

    সভায় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. মজিবুর রহমান উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ- সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা, সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. নুরুল ইসলাম মৃধা, হলদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সহিদুল ইসলাম মৃধা, আলহাজ্ব এ্যাড. মো. নুরুল ইসলাম, আরপাঙ্গাশিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সোহেলী পারভীন মালা, কুকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন মাসুম তালুকদার, গুলিশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট এইচ এম মনিরুল ইসলাম মনি, আঠারগারগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রিপন, হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা মো. মিজানুর রহমান, যুবলীগ নেতা আব্দুস ছোবাহান লিটন।

  • সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এর শোক

    সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এর শোক

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর পানি শাখার ভাল্ব অপারেটর মোঃ সোহরাব হোসেন গতকাল রাত ১২.৩০ মিঃ সময় ইন্তেকাল করেছেন,
    ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ঞ্জাপন এবং তার রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ জুম্মা বাদ নগরীর উত্তর কাউনিয়া দরগাহ বাড়ি জামে মসজিদের সামনে যানাজা নামাজে অংশগ্রহণ করেন,

    বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও
    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ এর সহ সভাপতি
    জনাব আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু।