Category: রাজণীতি

  • মেট্রোরেলের ব্যয় বৃদ্ধিসহ ৮ প্রকল্প অনুমোদন

    মেট্রোরেলের ব্যয় বৃদ্ধিসহ ৮ প্রকল্প অনুমোদন

    নিউজ ডেস্কঃ মেট্রোরেল নির্মাণে প্রায় ১১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা ব্যয় ও দেড় বছর সময় বাড়ানোসহ প্রায় ১৫ হাজার ৮৫৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

    মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    শেরে বাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    প্রকল্পের ব্যয় ও সময় বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদনের ফলে মেট্রোরেল নির্মাণে ব্যয় বাড়লো ১১ হাজার ৪৮৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা এবং নির্মাণ কাজ শেষ করার মেয়াদ বাড়ানো হলো দেড় বছর। একই সঙ্গে এর দৈর্ঘ্য বাড়বে ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার। মেট্রোরেলের নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধির ফলে এখন পর্যন্ত এর মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। সর্বশেষ মেট্রোরেলের ব্যয় ধরা হয়েছিল ২১ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা।

    মেট্রোরেলের ব্যয় ও সময় বৃদ্ধিসহ মঙ্গলবার মোট ৮টি প্রকল্প অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। সবগুলো প্রকল্প নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ১৫ হাজার ৮৫৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১২ হাজার ৪৪৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৩৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ৩ হাজার ২৭৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

    অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো
    সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ৩টি প্রকল্প যথাক্রমে ‘চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি জাতীয় মহাসড়ক (এন-১০৬) এর হাটহাজারী হতে রাউজান পর্যন্ত সড়কাংশ ৪-লেনে উন্নীতকরণ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্প; ‘ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ডেভেলপমেন্ট (লাইন-৬) (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্প এবং ‘নরসিংদী সড়ক বিভাগের আওতায় ইটাখোলা-মঠখোলা-কটিয়াদী সড়ক (আর-২১১) ও নয়াপাড়া-আড়াইহাজার নরসিংদী-রায়পুরা (আর-১১৪) দুটি আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথমানে প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্প; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের জন্য ধনুয়া হতে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ’ প্রকল্প; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘ইলেকট্রনিক ডাটা ট্র্যাকিংসহ জনসংখ্যা ভিত্তিক জরায়ু-মুখ ও স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং কর্মসূচি (ইপিসিবিসিএসপি) (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্প; পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘খাগড়াছড়ি শহর ও তৎসংলগ্ন অবকাঠামো নদী ভাঙন হতে সংরক্ষণ’ প্রকল্প; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প যথাক্রমে ‘উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন (UGDP) (২য় সংশোধিত) (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্প এবং ‘বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্প।

    পরিকল্পনা কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা একনেক সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

    সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, এসডিজির মুখ্য সমন্বয়ক, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

    বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

    বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

    সোমবার (১৮ জুলাই) দিনগত রাত ১২টার দিকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান নান্টু ও সদস্য সচিব অ্যান্ডভোকেট আকতার হোসেন তালুকদার মেবুল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    জেলা বিএনপির নিজস্ব প্যাডে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০১৮ সালের ১২ ডিসেম্বর অনুমোদিত বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ বিধায় সংগঠনের পুনর্গঠন কার্যে উক্ত কমিটি যথারীতি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হইল। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উক্ত শাখার অনুকূলে গঠিত সাংগঠনিক টিম যাবতীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

    এর ফলে সাবেক এমপি ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খানের আহ্বায়ক পদসহ সব সদস্য পদ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এখন থেকে তাদের এ কমিটির কোনো বৈধতা রইলো না।

  • ত্রাণের টাকায় পদ্মা সেতু ভ্রমণের স্ট্যাটাস দিয়ে পদ হারালেন যুবলীগ নেতা

    ত্রাণের টাকায় পদ্মা সেতু ভ্রমণের স্ট্যাটাস দিয়ে পদ হারালেন যুবলীগ নেতা

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন খন্দকার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে পদ হারিয়েছেন। গতকাল রোববার (১৭ জুলাই) রাতে জেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক রিটন রায় স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মহসিন খন্দকারকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেলা যুবলীগের সভাপতি শাহনুর ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস এক যুক্ত বিবৃতিতে নিজ ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ ও স্ট্যাটাসে বিভ্রান্তিমূলক, মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য দিয়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এবং তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সমাজবিরোধী একাধিক মামলা থাকায় সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তাকে চূড়ান্ত বহিষ্কার করতে কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।

    এ বিষয়ে বহিষ্কৃত সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন খন্দকার বলেন, সিলেটে বন্যা শুরু হওয়ার পর শহরের মধ্যপাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতা খোকনের বাড়িতে যুবলীগের সভা হয়। সেখানে বন্যার্তদের ত্রাণ বিতরণের জন্য উপস্থিতদের কাছে সহায়তা চাওয়া হয়।

    আমাকে ১০ হাজার টাকা দিতে বলা হলে আমি ৫ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়। তারা টাকা নিলেও ত্রাণ দেয়নি। এমন অবস্থায় আমি সুহিলপুর ইউপির কিছু এলাকায় বন্যা কবলিতদের ত্রাণ দিতে বলি। প্রয়োজনে আমি আরও ১৫-২০ হাজার টাকা দিতে চাই।

    কিন্তু তারা কোনো প্রকার ত্রাণ বিতরণ না করে মাছিহাতা ইউনিয়নের সম্মেলনের দিন পদ্মা সেতু দেখতে গেলেন। সংসদ সদস্যের প্রোগ্রামের দিন তারা দলীয় বিশৃঙ্খলতা করতে ওই টাকা নিয়ে পদ্মা সেতু দেখতে গেলেন।

    তবে মহসিন খন্দকারের অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস বলেন, ত্রাণের টাকায় পদ্মা সেতু দেখতে যাওয়া হয়নি। জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুল আলম খোকনের উদ্যোগে পদ্মা সেতু দেখতে যাওয়া হয়েছে। তিনি পৌরসভার মেয়র নির্বাচন করবেন, তাই সেই সফরে বিশেষ করে পৌর এলাকার নেতাকর্মীরা ছিলেন।

    তিনি আরও বলেন, মহসিন খন্দকার ৫ হাজার টাকা বন্যার্তদের ত্রাণের জন্য দিয়েছেন। ঈদের কারণে ব্যস্ততায় তা দিতে না পারায় সেই টাকা তাকে ফেরত দিতে চেয়েছিলাম।

    কিন্তু সে জানালো তার এলাকায় কিছু ত্রাণ দিতে। প্রয়োজনে আরও ১৫-২০ হাজার টাকা সে দেবে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় এবং রাষ্ট্র ও সমাজবিরোধী একাধিক মামলা থাকায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

  • বরিশালে দুই উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী

    বরিশালে দুই উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্কঃ বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলা ও পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলাকে ভ‍‍ূমি ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ২১ জুলাই তিনি এই দুই উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করবেন।

    পাশাপাশি আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বিভাগের ৬ জেলার ৪২টি উপজেলাকে গৃহহীন ও ভূমিহীন মুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা দিযেছেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার।

    মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক আশ্রয়ণ প্রকল্প ২ এর আওতায় আগামী ২১ জুলাই ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমি ও গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সাংবাদ সম্মেলনে বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিনুল আহসান এই তথ্য জানান।

    সোমবার দুপুরে বরিশাল সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে স্থানীয় জেলা প্রশাসন।

    এই লক্ষ্যে তৃতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে আগামী ২১ জুলাই বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার ৪২ উপজেলায় ৩ হাজার ৫শ’ ৫০টি ভ‍ূমি ও গৃহহীন পরিবারকে জমি সহ ঘর হস্তান্তর করবে সরকার। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় জমি সহ সেমিপাকা ঘর পাচ্ছেন ৬শ’ ৮৩টি গৃহ ও ভূমিহীন পরিবার। আগের চেয়ে বরাদ্দ বেশী থাকায় এবারের ঘরগুলো টেকসই হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মুজিব বর্ষে একটি পরিবারও গৃহহীন এবং ভ‍ূমিহীন থাকবেনা বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারী বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলায় ৬ হাজার ৮৮টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে একই বছরের ২০ জুন ৪২ উপজেলার ৭ হাজার ১শ’ ৫৩টি গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর উপহার দেয়া হয়। তৃতীয় পর্যায়ের প্রথম ধাপে গত ২৬ এপ্রিল বিভাগে আরও ৩ হাজার ২শ’ ১০টি পরিবারকে দুই শতাংশ জমির উপর নির্মিত দুই কক্ষ বিশিষ্ট ঘর উপহার দেয়া হয়। তৃতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে আগামী ২১ জুলাই জমি সহ ঘর দেয়া হবে আরও ৩ হাজার ৫শ’ ৫০টি গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে। ওইদিন প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঘর হস্তান্তর করবেন।

    এবার আগের (১ লাখ ৭১ হাজার টাকা) চেয়ে বরাদ্দ ৮৮ হাজার টাকা বেশী হওয়ায় ঘরগুলো অনেক টেকসই এবং দুর্যোগ সহনশীল হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার।

    প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠী জেলার কাঠালিয়া এবং পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলাকে গৃহ ও ভূমিহীনমুক্ত বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো বিভাগকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার।

    এদিকে বরিশালের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, ২১ জুলাই ৩য় পর্যায়ের ২য় ধাপে বরিশাল জেলার ১০ উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ১ হাজার ৮৫৬টি পরিবারের জন্য নির্মিতব্য গৃহ হতে কবুলিয়তসহ ৬৮৩টি গৃহ উপকারভোগী পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে। এরমধ্যে বরিশাল সদর উপজেলায় ৮টি, বাকেরগঞ্জে ৫৯টি, মেহেন্দিগঞ্জে ১৪৫টি, উজিরপুরে ১৪১টি, গৌরনদীতে ৯২টি, মুলাদী ২০টি, বাবুগঞ্জে ৫৭টি, হিজলায় ৯০টি, আগৈলঝাড়ায় ৭১ টি গৃহ রয়েছে। অসমাপ্ত বাকি ৭২১টি গৃহ ও কবুলিয়ত সম্পাদনের কাজ দ্রুত সমাপ্ত করা হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিন উল আহসান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) খোন্দকার আনোয়ার হোসেন, বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) গৌতম বাড়ৈ, বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরুজ্জামানসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা সুধী জন, প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

  • আরও ২৬ হাজার ঘর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    আরও ২৬ হাজার ঘর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্কঃ ভূমিহীন ও গৃহহীন মিলিয়ে আরও ২৬ হাজার ২২৯ পরিবারকে ঘর উপহার দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আগামী ২১ জুলাই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পাঁচটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে যুক্ত হয়ে এই ঘরগুলো হস্তান্তর করবেন তিনি।

    সোমবার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

    এ দিন হস্তান্তরের মাধ্যমে পঞ্চগড় ও মাগুরা জেলার সব উপজেলাসহ দেশের ৫২টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হওয়ার ঘোষণা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    আহমেদ কায়কাউস বলেন, আগামী ২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে ঘোষণা করতে যাচ্ছি— পঞ্চগড় ও মাগুরায় আর কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন নেই। এটি আমাদের জন্য একটি বিশাল অর্জন। গত মাসে আমাদের স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি আরও বলেন, ‘শতভাগ বাস্তবায়ন করা গেছে বাংলাদেশের দুটি প্রত্যন্ত জেলা। সুতরাং উন্নয়নের ছোঁয়া এখন প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে গেছে।’

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, আশ্রয়ণ প্রকল্প ২-এর প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান প্রমুখ।

  • বরিশালে পুলিশের সাথে ছাত্রদলের ধাক্কাধাক্কিতে বিক্ষোভ মিছিল পন্ড

    বরিশালে পুলিশের সাথে ছাত্রদলের ধাক্কাধাক্কিতে বিক্ষোভ মিছিল পন্ড

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশালে পুলিশের সাথে মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের ধস্তা-ধস্তি ও ধাক্কাধাক্কির মধ্যে দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল পন্ড হয়ে গেছে।

    আজ সোমবার (১৮) জুলাই সকাল সাড়ে সকাল সাড়ে ১১ টায় বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে ধৃষ্টাপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রদল যৌথ আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে সদররোডস্থ জেলা ও মহানগর বিএনপি দলীয় কার্যলয় সম্মুখে।

    মহানগর ছাত্রদল সভাপতি এ্যাড, রেজাউল করিম রনির সভাপতিত্বে বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা ছাত্রদল সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুল আলম মিঠু,মহানগর ছাত্রদল সাধারন সম্পাদক হুমাউন কবির, জেলা ছাত্রদল সাধারন সম্পাদক কামরুল ইসলাম,জেলা ছাত্রদল যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম এমরান, জেলা ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোহেল রাঢ়ি প্রমুখ।

    এসময় মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্র নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। পরে দলীয় কার্যলয় থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল বেড় করার চেষ্টা করা হলে টাউন হলের গেটে পুলিশ বাধা প্রদান করে এখানে পুলিশের সাথে বেশ কিছু সময় ছাত্রদলের মিছিলের নেতা কর্মীদের ধাক্কাধাক্কি ও ধস্তাধস্তি করার পর ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ পিছু হটে দলীয় কার্যলয় গিয়ে কর্মসূচি শেষ করে।

  • সিটি মেয়রের শোক

    সিটি মেয়রের শোক

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ বরিশাল জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বরিশাল জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অমিতা ঘোষ আজ সকালে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।
    তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ এবং বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপণ করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক) সহ বিভিন্ন বার্তায় এ শোক প্রকাশ করেন।

  • বরগুনায় অব্যবস্থাপনা আর বিশৃঙ্খল পরিবেশে ছাত্রলীগের সম্মেলন

    বরগুনায় অব্যবস্থাপনা আর বিশৃঙ্খল পরিবেশে ছাত্রলীগের সম্মেলন

    বরগুনা প্রতিনিধিঃ স্মরণকালের স্মরণীয় বিশৃঙ্খল পরিবেশের মধ্য দিয়ে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের ২৭ তম সম্মেলন টাউন হল সিরাজ উদ্দীন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ নির্ধারিত সময়ের ৩ ঘণ্টা পরে সম্মেলন শুরু হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়।

    পতাকা উত্তোলনের সময় উপস্থিত সকলে সম্মান জানালেও মিলনায়তনের ভিতরে এ সময় সম্ভাব্য সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সমর্থনে চলতে থাকে পাল্টা-পাল্টি শ্লোগান।

    উদ্বোধনী পর্বের পরে অতিথিরা মঞ্চে আসন গ্রহণের পরও দীর্ঘ সময় প্লাকার্ড-ফেষ্টুন নিয়ে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের কর্মীরা শ্লোগান অব্যাহত রাখলে চরম বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরী হয়।
    এসময় উপস্থিত জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ নেতৃবৃন্দ তাদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। মঞ্চে অতিথিদের পিছনের সারির আসন দখল করে নেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। সাংবাদিকদের জন্য রাখা হয়নি কোনো আসন।

    জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে কঠোর ভাষায় উচ্ছৃঙ্খল কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করলে সম্মেলন শুরু হয়।
    জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রুবায়েত আদনান অনিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেনের উপস্থাপনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাড. আফজাল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য অ্যাড. ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, সংসদ সদস্য সুলতানা নাদিরা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবিরসহ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্রাচার্য।

  • বরগুনায় যুবদল নেতার হাতে ওয়ার্ড আ.লীগের নেতৃত্ব!

    বরগুনায় যুবদল নেতার হাতে ওয়ার্ড আ.লীগের নেতৃত্ব!

    বরগুনা (বেতাগী) প্রতিনিধিঃ মো. আফজাল হোসেন, এক সময় ছিলেন বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এখন একই ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। ‘ম্যানেজ করে’ বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে নাম লেখানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    অভিযোগ থাকলেই বা কী হবে, একে একে ১০টি বছর ধরে ওয়ার্ড আওয়ামী নেতৃত্ব সামলাচ্ছেন আফজাল। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ থাকলেও তারা নিরুপায়। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিতে পারায় অনেক ত্যাগী নেতা সরে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতারা।

    বর্তমানে হোসনাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির চেয়ার সামলাচ্ছেন আফজাল হোসেন। জানা গেছে, বিএনপি শাসনামলে ২০০৫ সালে অনুমোদিত হোসনাবাদ যুবদলের কমিটি তালিকায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে রাতারাতি ভোল পাল্টে পুরাদস্তুর ক্ষমতাসীন দলের নেতা বনে যান আফজাল।

    পরবর্তীতে ২০১৩ সালে গঠন কারা হোসনাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই এক সময়কার যুবদলে নেতার হাতে চলছে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বাগডোর।

    আফজাল নির্বাচিত হওয়ার পর হোসনাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে রাগে ক্ষোভে সরে যান তৎকালীন সভাপতি আব্দুর রহমান (নান্না) শিকদার। তিনি এখন হোসনাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। নান্না শিকদার বলেন, ২০১৩ সালে কাউন্সিলে হঠাৎ বিএনপি নেতা আফজালের নাম প্রস্তাব করলে আমি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যক্রম থেকে সরে আসি। শুধু আমি-ই নই, অনেক ত্যাগী নেতা-কর্মীও সরে আসেন। অনেকে ক্ষুব্ধ হলেও উপজেলার নেতাদের ম্যানেজ করে আফজাল আমাদের কমিটিতে ঢুকে পড়েন।

    তিনি আরও বলেন, আফজালের কমিটিতে ঠোকার পর তৃণমূলের নেতাকর্মীরা এখনও ক্ষুব্ধ। তিনি কমিটিতে ঢুকে দলের না হয়ে বরং বিএনপির কাজই বেশি করছেন। তাই ওয়ার্ডের বর্তমান তৃণমূল নেতাকর্মীরা সব দূরে সরে আছেন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম থেকে।

    আফজাল আগে যে যুবদলের নেতা ছিলেন, তার প্রমাণ মেলে ২০০৫ সালে জেলা বিএনপি থেকে অনুমোদিত তালিকা থেকে। অথচ, নিজে কখনও বিএনপির রাজনীতি করেছেন বলে স্বীকার করেননি তিনি। বিষয়টির ব্যাপারে জানতে চাইলে আফজাল বলেন, আমি কখনও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। ২০০৫ সালের কমিটির কাগজে নাম যোগ করে তার ক্ষতি করার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি দাবি করেন।

    আফজালের এমন বক্তব্যের পর কথা হয় ২০০৫ সালের যুবদলের কমিটির সদস্য কিসলু মুন্সির সঙ্গে। তিনি বলেন, বিএনপির ক্ষমতাকালীন রাজনীতির লোভেই তিনি যুবদলে এসেছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। যে দল যখন ক্ষমতায়, সে দলে ভিড়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগও তোলেন আফজালের বিরুদ্ধে।

    তৃণমূলের ক্ষোভ সম্পর্কে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান ফোরকান জানান, ২০১৩ সালে জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার সুপারিশে কমিটি গঠিত হয়। ২০০৫ সালে অনুমোদিত যুবদলের একটি কাগজও অভিযোগ আকারে তার কাছে এসেছে। যেসব অভিযোগ আছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানান ফোরকান।

  • সহধর্মীনির কবর জিয়ারত করলেন মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    সহধর্মীনির কবর জিয়ারত করলেন মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রয়াত শাহানারা আবদুল্লাহ’র কবর জিয়ারত করেছেন পরিবারের সদস্যরা ।

    আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় বরিশাল নগরীর মুসলিম গোরস্তানে কবর জিয়ারত করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহবায়ক(মন্ত্রী) ও বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহবায়ক(মন্ত্রী) ও বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র কন্যাসহ তার পরিবারের সদস্যরা।

    এসময় মরহুমার জন্য বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।