Category: রাজণীতি

  • ২০০ আসনে প্রার্থী দেবে জাতীয় পার্টি

    ২০০ আসনে প্রার্থী দেবে জাতীয় পার্টি

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০০ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টি (জাপা)। তবে তারা মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর আওয়ামী লীগের সঙ্গে মহাজোট গতভাবে চূড়ান্ত প্রার্থী ঠিক করবে।

    সোমবার জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার এ কথা জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে আজ তাদের প্রার্থী ঘোষণা করার কথা থাকলেও ‘কৌশলগত কারণে’ তা করা হয়নি বলে জানানো হয়। তবে এ নিয়ে কেউ বিস্তারিত কিছু বলেনি।

  • বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেলেন যারা এ পর্যন্ত

    বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেলেন যারা এ পর্যন্ত

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের চিঠি দিচ্ছে বিএনপি। সোমবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে এ চিঠি হস্তান্তর করা হচ্ছে।

    ঢাকা-২ আমান উল্লাহ আমান
    ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
    ঢাকা-৪ সালাউদ্দিন আহমেদ
    ঢাকা-৫ নবীউল্লাহ নবী
    ঢাকা-৬ আবুল বাশার
    ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস
    ঢাকা-৯ হাবিব উন নবী সোহেল
    ঢাকা-১৩ আব্দুস সালাম

    বগুড়া ৬ ও ৭: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

    রংপুর-১ মোকাররম হোসেন সুজন
    রংপুর-২ ওয়াহেদুজ্জামান মামুন ও মোহাম্মদ আলী
    রংপুর-৩ মোজাফফর আহমদ ও রিতা রহমান
    রংপুর-৪ এমদাদুল হক ভরসা
    রংপুর-৫ সোলাইমান আলম ও ডা. মমতাজ
    রংপুর-৬ সাইফুল ইসলাম

    ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

    দিনাজপুর-১ মঞ্জুরুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ
    দিনাজপুর-২ সাদিক রিয়াজ পিনাক
    দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর ও মোজাহার হোসেন
    দিনাজপুর-৪ হাফিজ/আক্তারুজ্জামান মিয়া
    দিনাজপুর-৫ রেজয়ানুল হক ও জাকারিয়া বাচ্চু
    দিনাজপুর-৬  লুৎফর রহমান ও শাহিন

    রাজশাহী-১ ব্যারিস্টার আমিনুল হক
    রাজশাহী-২ মিজানুর রহমান মিলু
    রাজশাহী-৩ শফিকুল হক মিলন
    রাজশাহী-৪ আবু হেনা
    রাজশাহী-৫ নাদিম মোস্তফা
    রাজশাহী-৬ আবু সাঈদ চান

    নাটোর-১ তাইফুল ইসলাম টিপু
    নাটোর-২ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু

    পাবনা-৫ মোহাম্মদ শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস

    নরসিংদী-১ খায়রুল কবীর
    নরসিংদী-৩ সানাউল্লাহ মিয়া

    কুমিল্লা-২ রেদওয়ান আহমেদ (এলডিপি)

    নোয়াখালী-১ ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন
    নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদীন ফারুক
    নোয়াখালী-৩ মোহাম্মদ শাহজাহান
    নোয়াখালী-৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ
    নোয়াখালী-৬ ফজলুল আজিম

    ফেনী-২ জয়নাল আবেদী ভিপি
    ফেনী- ৩ আব্দুল আউয়াল মিন্টু

    ভোলা-৩ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ
    ভোলা-৪ নাজিম উদ্দিন আলম
    ভোলা-৫ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন

    বরিশাল-১ জহিরুদ্দিন স্বপন
    বরিশাল-২ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল
    বরিশাল-৩ সেলিমা রহমান
    বরিশাল-৪ রাজীব আহসান/মেজবাহ উদ্দীন
    বরিশাল-৫ মজিবুর রহমান সারোয়ার

    পটুয়াখালী-১ আলতাফ হোসেন চৌধুরী
    পটুয়াখালী-২ শহিদুল আলম/মনির হোসেন
    পটুয়াখালী-৩ হাসান মামুন
    পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশাররফ হোসেন

    লক্ষ্মীপুর-১, (এলডিপি) শাহদাত হোসেন সেলিম
    লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভুইয়া
    লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী
    লক্ষ্মীপুর-৪ আশরাফ উদ্দিন নিজান

    সিলেট-২ তাহসিনা রুশদির লুনা

    মৌলভীবাজার-২ সুলতান মো. মুনসুর

  • শেখ হাসিনায় ভরসা রেখে নৌকার পক্ষে মাঠে নামছেন সোহেল তাজ

    শেখ হাসিনায় ভরসা রেখে নৌকার পক্ষে মাঠে নামছেন সোহেল তাজ

    ২০০৮ সালের নির্বাচনে গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সোহেল তাজ। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি সোহেল তাজ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেও ২০০৯ সালের ৩১ মে মন্ত্রিসভা থেকে আচমকা পদত্যাগ করেন। চলে যান সুদূর যুক্তরাষ্ট্রে।

    ২০১২ সালের ৭ জুলাই সংসদ সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করেন। মাঝেমধ্যে সামাজিক কর্মকাণ্ডে উপস্থিত থাকলেও রাজনীতিতে যুক্ত হবেন না বলে তখন সাফ জানিয়ে দেন সাবেক এ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

    সোহেল তাজ ফের আলোচনায় আসেন আওয়ামী লীগের সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিলে। তখন রাজনীতির অন্দরমহলে আলোচনা শুরু হয় যে, সোহেল তাজ রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন। ওই সময় তিনি দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন।

    দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে সোহেল তাজকে আনা হচ্ছে এমন গুঞ্জনও শুরু হয়। তবে শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাকে রাখা হয়নি।

    আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রির সময় ফের আলোচনায় আসেন সোহেল তাজ। গুঞ্জন চাউর হয় যে, সোহেল তাজ কাপাসিয়া থেকে নির্বাচন করছেন। তিনি তখন দেশেই ছিলেন।

    তবে শেষ পর্যন্ত জানা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তাজউদ্দীন আহমদ ও সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীনের একমাত্র ছেলে তানজীম আহমদ সোহেল তাজ। দলীয় মনোনয়ন ফরমও কেনেননি। এমনকি নিকট-ভবিষ্যতে রাজনীতিতে সক্রিয়ও হবেন এমন কোনো ইঙ্গিতও নেই।

    তবে ওই আসনে তার বোন বর্তমান সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। সোহেল তাজ নির্বাচনে বোনকে সহায়তা করবেন।

    তিনি গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন। তবে নির্বাচনের আগে ফের দেশে আসবেন বলে তার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে। দেশে ফিরে তিনি নৌকার পক্ষে মাঠে থাকবেন।

    সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সোহেল তাজ বলেন, আমি আছি- থাকব। রাজনীতি না করলেও আমি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা ও আমার পিতা তাজউদ্দীনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাব।

    তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন অন্যবারের চেয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আর এ জন্য এবারের নির্বাচনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। এ নির্বাচনে আমাদের জয় পেতে হবে। আবারও ক্ষমতায় আসব ইনশাআল্লাহ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আস্থাশীল সোহেল তাজ বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হচ্ছে। সেই ধারাকে ধরে রাখতে আমরা নৌকায় ভোট দেব।

    সোহেল তাজের ব্যক্তিগত সচিব আবু কাউছার গণমাধ্যমে জানান, সোহেল তাজ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের মেরিল্যান্ডের নিজ বাসায় অবস্থান করছেন। খুব শিগগির দেশে এসে নৌকার পক্ষে কাজ করবেন তিনি।

    ব্যক্তিগত জীবনে সোহেল তাজের এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। বড় ছেলে তুরাজ আহমদ তাজ লন্ডনের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টারি পাস করেছেন।প্রেধা ভরষা রেখে পক্ষে মাঠে নামবেন সোহেল তাজ

     

  • বরিশাল (সদর)-৫ আসনে হিরণপত্নী নয়,নৌকার প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীম

    বরিশাল (সদর)-৫ আসনে হিরণপত্নী নয়,নৌকার প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীম

    শামীম ইসলাম:

    মর্যদাপূর্ণ বরিশাল-৫ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম। ২০০৮ সালে সদর আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দিতা করেছিলেন তিনি।

    ২০১৪ সালে প্রয়াত সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরনের সহধর্মীনি বিদায়ী এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে প্রার্থী করা হলেও এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে সাবেক এমপি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীমের উপর আস্থা রেখেছে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড।

    জাহিদ ফারুক শামীম দলের মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন। জেবুন্নেছা আফরোজও তার মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

  • পিতা হাসানাত আবদুল্লাহর দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন তার পুত্র,মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    পিতা হাসানাত আবদুল্লাহর দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন তার পুত্র,মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এর আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন তাঁর পুত্র বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এ সময় তার সাথে আরো অন্যন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • এইউএপি’র সভাপতি হচ্ছেন সবুর খান

    এইউএপি’র সভাপতি হচ্ছেন সবুর খান

    অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটিজ অব এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (এইউএপি)-এর দ্বিতীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট (২০১৯-২০) নির্বাচিত হয়েছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান। সংগঠনটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনি ২০২১-২২ সালে প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ২০২৩-২৪ সালে প্রেসিডেন্ট (সভাপতি) হবেন।

    আজ রোববার রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে তথ্যটি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনের শিরোনাম ছিল ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শিক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: অর্জন ও করণীয়’।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, থাইল্যান্ডের সুরানারি ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির রেক্টর অধ্যাপক ইউরাপং পেয়ারসুয়াং এবং ভারতের হিন্দুস্তান গ্রুপ অব ইনস্টিটিউশনসের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আনন্দ জ্যাকব ভার্গিসকে ভোটে হারিয়ে মো. সবুর খান সংগঠনটির দ্বিতীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলিত হয়েছে। তিনটি পদে থেকে আগামী ৮ বছর আন্তর্জাতিক এই সংগঠনের নেতৃত্বে থাকবেন সবুর খান।

    সংবাদ সম্মেলনে সবুর খান বলেন, শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে হলে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে হবে। আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার পরিবেশ দিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিক্ষার্থী বিনিময় প্রকল্প, ইন্টার্নশিপ, যৌথ গবেষণা, শিক্ষক বিনিময় প্রকল্প ইত্যাদির আয়োজন করা উচিত।

    এইউএপি’র ওয়েবসাইটে বলা আছে, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে মানসম্পন্ন ও সৃজনশীল উচ্চশিক্ষা, গবেষণার সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে একযোগে কাজ করাই এই সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

    সবুর খান বলেন, ‘এই অর্জন আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে আত্মবিশ্বাস জোগাবে। আমরা এখন বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানেও নেতৃত্ব দিতে সক্ষম এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বিরাট সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ইউসুফ এম ইসলাম, সহউপাচার্য অধ্যাপক এস এম মাহাবুব উল হক মজুমদার, কোষাধ্যক্ষ হামিদুল হক খান, ড্যাফোডিল ফ্যামিলির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

  • ইসির সঙ্গে যা আলোচনা হলো ২০–দলীয় ঐক্যজোটের

    ইসির সঙ্গে যা আলোচনা হলো ২০–দলীয় ঐক্যজোটের

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে ২০–দলীয় ঐক্যজোটের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম। অপর দিকে ২০–দলীয় জোটের নেতা ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ অন্যরা বৈঠকে অংশ নেন।নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ২০ দলীয় জোটের বৈঠক। আগারগাঁও, ঢাকা, ২৫ নভেম্বর। ছবি: সাইফুল ইসলামবৈঠক শেষে অলি আহমদ ইসির সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তু সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। আলোচনার উল্লেখযোগ্য বিষয়বস্তু হলো—

    # নির্বাচনের সময় বিতর্কিত কর্মকর্তাদের এক জেলা থেকে অন্য জেলায় বদলি করা।
    # নির্বাচন কমিশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব জনগণের আস্থা অর্জন করা, যা নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত করতে পারেনি।
    # বিরোধী দলগুলোর নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ঘরে ঘরে গিয়ে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে, রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে ও মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে, যা সরকারের নীলনকশা বাস্তবায়নের চক্রান্ত। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। কোনো ধরনের অঘটন ঘটলে এর দায়দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে বহন করতে হবে।
    # নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের সব সুযোগ-সুবিধা বন্ধের কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
    # নির্বাচনকালীন সরকারের রেডিও এবং টেলিভিশন নির্বাচন কমিশনের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে থাকা বাঞ্ছনীয়।
    # নির্বাচনকালীন গণমাধ্যমের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা।
    # পুলিশের অনুরূপ সশস্ত্র বাহিনীকে নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারী ও দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা দেওয়া।
    # আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং টহল দেওয়ার জন্য পুলিশের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা।
    # ভোটের দিন নির্বাচনী এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বাড়ানো।
    # জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ইভিএম ব্যবহার না করা।
    # বিএনপিসহ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নেতাদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

  • সিইসির পরিবর্তন চাইলেন ড. কামাল

    সিইসির পরিবর্তন চাইলেন ড. কামাল

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন আবারও অনাস্থা জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) পরিবর্তন চেয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা তো কথা বলার (প্রধানমন্ত্রীর সাথে সংলাপের) আগেই বলেছি প্রধান নির্বাচন কমিশনকে রিমুভ বা রিপ্লেস করান।

    আমরা তার সঙ্গে কথা বলেও সন্তুষ্ট নই। এজন্য আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিবর্তন চাই। আমাদের দাবি হলো প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিবর্তে একজন বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তিকে এ পদে দায়িত্ব দেওয়া উচিত। তবে আমাদের মত পরিবর্তন করতেও পারি।

    জাতীয় প্রেস ক্লাবে রবিবার বিকালে গণফোরাম আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি ও গ্রেফতার, নির্বাচনে লেভেল প্লে­য়িং ফিল্ড তৈরির ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতাসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রয়াত অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া, কুড়িগ্রাম আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মেজর জেনারেল (অব.) আ ম সা আমিন এবং একুশে টেলিভিশনের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সালাম গণফোরামে যোগ দেয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী।

    ড. কামাল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনি এখন যা করছেন তা কি আদিষ্ট হয়ে করছেন? কেন আপনি কি যুক্তিসঙ্গত কারণে লোকদের ধরাচ্ছেন? সে ব্যাপারে তথ্য সহকারে বলেন। নাকি সরকারের সহায়ক হিসেবে কাজ করছেন? যদি তা হয় আমরা যা করার করব। যদি দ্বিতীয়টি সত্য হয় আমরা হাইকোর্টে যাব।

    তিনি আরো বলেন, আপনার ব্যাপারে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারিনি। আগে যা করেছেন তা ভুলে যেতে চাই। এখন নিরপেক্ষ হোন। ড. কামাল আরো বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিরপেক্ষ হচ্ছে না। তাই তার জায়গায় অন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া হোক। আর তা না হলে যা করার তাই করা হবে। এখন থেকে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য যা যা পদক্ষেপ নেওয়া দরকার সরকারকে নিতে হবে।

    তা না হলে কঠিন পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ সময় আইনি পদক্ষেপ নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। ড. কামাল আরো বলেন, আমি এখনও আশা করি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে। তবে এখন দেশে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। ইভিএম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা রিলাইবেল না। অনেক দেশে এজন্য এ পদ্ধতিতে ভোট দেয়া বাদ দেয়া হয়েছে। এব্যাপারে সব দলই বাদ দিতে বলেছে।

    লিখিত বক্তব্যে সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘গণভবন, মন্ত্রীদের বাসভবন ও সরকারি অফিস রাজনৈতিক কর্মকান্ডে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এরপরও নির্বাচন কমিশন নীরব ভূমিকা পালন করছে। নির্বাচনকালীন সময়ে দেশের প্রশাসন আইন-শৃংখলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের পুরোপুরি কর্তৃত্বেও মধ্যে থাকলেও নির্বাচনে যারা প্রার্থী হবে তাদেরকেও উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনায় গ্রেফতার করা হচ্ছে, মামলা দেয়া হচ্ছে।

    উক্ত ব্যক্তিরা যাতে স্বল্প সময়ে জামিন পেতে না পারে,বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। পক্ষান্তরে সরকারি দলের প্রার্থী ও মন্ত্রীরা দাপটের সঙ্গে নির্বাচনি প্রচার ও ভোটারদের কাছে তাদের বক্তব্য তুলে ধরছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন তাদের প্রটোকলসহ সার্বিক সহযোগিতা করছে। অন্যদিকে বিরোধী দলের প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।

    গণফোরামে নতুন যোগ দেওয়া আমসা আমিন বলেন,আমার রাজনীতিতে আসার মূল কারণ কুড়িগ্রামের মানুষ। আমি আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতাম। ২০০১ সালে কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে হেরে গেছি। আমি এখন মনে করছি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে আমি আমার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার কাজ করতে পারবো।

    রেজা কিবরিয়া বলেন,দেশের অবস্থার খুবই খারাপ। এর থেকে জনগণকে একমাত্র ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বই মুক্তি দিতে পারে। দেশকে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া যায় সে ব্যাপারে কাজ করতে তিনি গণফোরামে যোগ দিয়েছেন বলেও জানান।

    একুশে টেলিভিশনের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সালাম বলেন, আজ আমি আনুষ্ঠানিকভাবে গণফোরামের সদস্য হিসেবে যোগ দিলাম। আজ থেকে আমার নেতা ড. কামাল হোসেন।

  • আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন সিইসির ভাগ্নে

    আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন সিইসির ভাগ্নে

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এস এম শাহজাদা সাজু। তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার বোনের ছেলে।

    আওয়ামী লীগ থেকে এসএম শাহজাদা সাজুকে মনোনয়ন দেয়ার খবর রবিবার দুপুরে ছড়িয়ে পড়লে তার সমর্থকরা গলাচিপা সদরসহ আশপাশের এলাকায় আনন্দ মিছিল বের করে আনন্দ উল্লাস করেন।

    গলাচিপা-দশমিনা উপজেলা নিয়ে গঠিত পটুয়াখালী-৩ আসনে আওয়ামী লীগের ২২ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে ছিলেন এই আসনের সংসদ সদস্য আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসেনও। তবে শেষ পর্যন্ত এই আসন থেকে নৌকার মাঝি হয়েছেন এস এম শাহজাদা সাজু।

  • ঢাকা-১৭ আসনে মনোনয়ন পেলেন চিত্রনায়ক ফারুক

    ঢাকা-১৭ আসনে মনোনয়ন পেলেন চিত্রনায়ক ফারুক

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক।

    রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার হাতে মনোনয়নের চিঠি তুলে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

    রাজধানীর গুলশান, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট ও ভাসানটেকের কিছু অংশ নিয়েই ঢাকা-১৭ আসন গঠিত। এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য (এমপি) বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।

    এর আগে, গাজীপুর-৫ আসনের জন্য দলীয় মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন চিত্রনায়ক ফারুক। তবে ওই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমানে নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি।