Category: রাজণীতি

  • প্রচারণায় খালেদার ছবি ব্যবহারের বৈধতা নাও পেতে পারে

    প্রচারণায় খালেদার ছবি ব্যবহারের বৈধতা নাও পেতে পারে

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দণ্ডিত অপরাধী হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছবি ব্যবহারের বৈধতা নাও পেতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়া আদালতের রায়ে দণ্ডিত।

    তিনি দলীয় চেয়ারপারসন থাকছেন কি-না সেটির এখনও সুরাহা হয়নি। তাই তার ছবিযুক্ত পোস্টারে নির্বাচনের প্রচারণা চালানোর বৈধতা নাও পেতে পারে। সে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের পর জানাবে কমিশন।

    শনিবার সকালে সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে একথা বলেন তিনি। বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার সুষ্ঠু নির্বাচন ও আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে সঠিক দায়িত্ব পালনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নানা দিকনির্দেশনা দেন।

    এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে বলেন, এই নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ঢুকতে ম্যাজিস্ট্রেটদের অনুমতি লাগবে। কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে তারা ভোটকেন্দ্রে যাবেন।

    বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। ভোটের দিন প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে বা তারা না ডাকলে কেন্দ্রে না যাওয়ার বিষয়ে সিইসির নির্দেশনার ক্ষোভ জানান তারা।

    সিইসির আগে বক্তব্য রাখেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি চেয়ারপারসনের ছবি প্রচার নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থানের কথা জানান ম্যাজিস্ট্রেটদের।

    প্রথম দিনের এ ব্রিফিংয়ে ঢাকা,ময়মনসিংহ ও কুমিল্লার ৬১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অংশ নেন। আগামীকাল সিলেট, বরিশাল ও চট্টগ্রামের এবং সোমবার অনুষ্ঠিত হবে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ম্যাজিস্ট্রেটদের ব্রিফিং।

    সাধারণত এসব বৈঠকে সিইসি কে এম নূরুল হুদার স্বাগত বক্তব্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত গণমাধ্যমকর্মীরা সভাকক্ষের ভেতরেই থাকেন। আজও এ দাবি জানানো হলে তাতে সায় দেয়নি ইসি। এ সময় নির্বাচন কমিশনারদের একে অন্যের সঙ্গে কানাকানি করতে দেখা যায়। পরবর্তীতে গণমাধ্যমকর্মীদের অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে বলা হয়।

    অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুক স্বাগত বক্তব্য দেন। এরপরই গণমাধ্যমকর্মীদের অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৮ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ২ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর।

  • শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় দেখতে চায় বিশ্ব : নাসিম

    শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় দেখতে চায় বিশ্ব : নাসিম

    আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, গত ১০ বছরে দেশে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন হয়েছে। দেশ থেকে জঙ্গি মুক্ত হয়েছে। বিদ্যুৎসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধান হয়েছে। পদ্মা সেতুর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। গ্রামাঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এজন্য বিশ্ববাসী শেখ হাসিনার প্রশংসা করছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের বিকল্প নেই। শুধু দেশের মানুষই নয় উন্নয়নে বিস্মিত হয়ে সারাবিশ্ব শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় দেখতে চায়।

    শনিবার দুপুরে উপমহাদেশের প্রখ্যাত ওলিয়ে কামেল সিরাজগঞ্জের হযরত খাজা বাবা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ) মাজার জিয়ারত শেষে দলীয় নেতাদের নিয়ে দরবারের গদ্দিনশীন পীর হযরত খাজা কামাল উদ্দিন নূহু মিয়ার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, ওমরাহ পালনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সৌদি আরবের বাদশা বলেছেন, আপনারা ক্ষমতায় আবারও ফিরে আসেন এটা আমরা চাই।

    এসময় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ সূর্য্য, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ তারিন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বারী, উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড. মারুফ বিন হাবীব, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আব্দুল হাকিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জিহাদ আল ইসলাম, এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যক্ষ বজলুর রশিদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজগার মাস্টার, ইউপি চেয়ারম্যান মুল্লুক চাঁদ মিয়া, রাশেদুল ইসলাম সিরাজ ও হাজী সুলতপ্রন মাহমুদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন

  • বৈঠকের কথা মিথ্যা,বিএনপিকে সতর্ক হতে বললেন ইসি সচিব

    বৈঠকের কথা মিথ্যা,বিএনপিকে সতর্ক হতে বললেন ইসি সচিব

    ২০ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের চতুর্থ তলার পেছনের কনফারেন্স রুমে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ‘গোপন মিটিং’ সম্পর্কে বিএনপির অভিযোগকে মিথ্যা ও বানোয়াট বলেছেন নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য বিএনপিকে ভবিষ্যতে সতর্ক হতে বলেছেন।

    বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ শনিবার সকালে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, ২০ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের চতুর্থ তলার পেছনের কনফারেন্স রুমে এক গোপন মিটিং হয়। এতে সরকারের প্রশাসন ও পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন বলে তিনি দাবি করেন। ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে টানা আড়াই ঘণ্টা এই বৈঠক চলে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

    বিএনপির দাবি অনুযায়ী ওই বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীনও ছিলেন। বিএনপির এই অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে আজ সন্ধ্যায় ইসি সচিব হেলালুদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, এটা মিথ্যা, বানোয়াট অভিযোগ। তিনি এসব কর্মকাণ্ডের জন্য বিএনপিকে ভবিষ্যতে সতর্ক হতে বলেছেন।

    বিএনপির সংবাদ সম্মেলনের অভিযোগের বিষয়ে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘তাদের অভিযোগ এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আপনারা জানেন, আপনারা এখানে থাকেন। আমি এখানে (ইসি ভবন) আটটা নয়টা পর্যন্ত থাকি। সংবাদ সম্মেলনে যে কথা বলা হয়েছে, সম্পূর্ণ মিথ্যা একটা অভিযোগ আনা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন সচিব প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা। নির্বাচন কমিশন একটি ইনডিপেনডেন্ট বডি। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বাইরে ইসি সচিবে কোনো সত্তা নেই। সেই জন্য বলছি, বিএনপির বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি তীব্র নিন্দা জানাই। এ ধরনের মিথ্যা প্রপাগান্ডা যাতে আর না করা হয়, এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলব। বিতর্কিত করতে এবং অহেতুক চাপ সৃষ্টির জন্য, হেয় করার জন্য এসব করা হচ্ছে।

    বিএনপিকে সতর্ক করতে কোনো ব্যবস্থা নেবেন কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘আমি আগামীকাল বিষয়টি কমিশন বৈঠকে তুলব, সেখানে সিদ্ধান্ত হবে।

    বিএনপির নেতা রুহুল কবির রিজভী প্রশাসনের যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অফিসার্স ক্লাবে বৈঠকের অভিযোগ করেছেন তাঁদের মধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হকও আছেন। বিএনপির এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অফিসার্স ক্লাবে অফিসাররাই তো যাবেন। আগেও গেছেন, ভবিষ্যতেও যাবেন। এটাকে ভিন্ন খাতে নেওয়া দুঃখজনক।

    এ ব্যাপারে আরও কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাঁরা এ বিষয়ে কিছু বলতে চাননি। শুধু বলেছেন, অফিসার্স ক্লাবে সরকারি কর্মকর্তারা নিয়মিতই যান।

  • ৬ আসনের সব কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট

    ৬ আসনের সব কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট

    আয়োজন ছিল ঢাকঢোল পেটানো। বাস্তবে তার কিছুই রইল না। আজ শনিবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, মাত্র ছয়টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার করা হবে।

    কয়টি আসনে কিংবা কতটি আসনের কতটি সেন্টারে ইভিএম ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বিকেলে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে চার কমিশনার, কমিশন সচিবালয়ের সচিব ও ইভিএম–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, সারা দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশন এলাকার ছয়টি সংসদীয় আসনের সব কটি কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। কোন ছয়টি আসনে ইভিএম ব্যবহার হবে, সেটি ২৮ নভেম্বর গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে দৈবচয়ন–পদ্ধতিতে নির্ধারণ করা হবে। ৬টি আসনে প্রায় ১৫০টি করে ৯০০ টির মতো কেন্দ্রে হতে পারে।

    হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন,ইভিএম পরিচালনার জন্য রোববার থেকে সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কোরের সদস্যদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তাঁদের সঙ্গে ইসির আইসিটি শাখার কর্মকর্তারা বিভাগীয় পর্যায়ের ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেবেন। ইভিএম যৌথভাবে সেনাবাহিনী এবং ইসি কর্মকর্তারা পরিচালনা করবেন।

    এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, একটি ইভিএম মেশিনে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তাঁর আঙুলের ছাপ দিয়ে ২৫ শতাংশ ব্যালট পেপার ওপেন করতে পারবেন। কোনো ভোটারের আঙুলের ছাপ যদি কাজ না করে, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তাঁর নিজের আঙুলের ছাপ দিয়ে সংশ্লিষ্ট ভোটারের ব্যালট পেপারটি চালু করবেন। ইভিএমের বিষয়ে বিরোধী দলগুলোর আপত্তি সম্পর্কে হেলালুদ্দীন বলেন, ‘মানুষ আগের চেয়ে অনেক শিক্ষিত হয়েছে।

    এ ছাড়া আমরা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আগে ব্যবহার করে সুফল পেয়েছি। তাই ইভিএম ব্যবহারের কোনো সমস্যা হবে না। সব দিক বিবেচনা করে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বছর ইসি ইভিএম কেনার জন্য ৩ হাজার ৮২১ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রথম দফায় দেড় লাখ ইভিএম কেনা হবে। ইতিমধ্যে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি থেকে কয়েক হাজার ইভিএম ইসিতে সরবরাহ করা হয়েছে।

    এবারের নির্বাচনে ইভিএম পরিচালনার জন্য ৬০০ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলছে। তাঁদের মধ্যে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সামরিক কর্মকর্তারাও আছেন।

  • ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় না এলে চরমপন্থীদের হাতে চলে যাবে দেশ

    ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় না এলে চরমপন্থীদের হাতে চলে যাবে দেশ

    আগামী নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ নয়, পুলিশ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ।

    শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা দলের আলোচনা অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি বলেন, নির্বাচনটি হবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বনাম পুলিশ। আওয়ামী লীগ ময়দানে থাকবে না। এবার যদি সুষ্ঠু নির্বাচন না হয়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যদি ক্ষমতায় যেতে না পারে তাহলে আগামী দিনে চরমপন্থীদের হাতে চলে যাবে এদেশ। এখন যারা আরাম আয়েশে আছেন তারাও আর আরামে থাকবেন না।

  • প্রতীক বরাদ্দের পরদিন আ.লীগের ইশতেহার প্রকাশ : রাজ্জাক

    প্রতীক বরাদ্দের পরদিন আ.লীগের ইশতেহার প্রকাশ : রাজ্জাক

    আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের পরদিন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা জাতির সামনে ইশতেহার তুলে ধরবেন। এরপর থেকে সবার জন্য তা উন্মুক্ত হবে।

    ধানমন্ডিতে আজ শনিবার বিকেলে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ইশতেহার উপকমিটির বৈঠকের আগে উপকমিটির আহ্বায়ক আবদুর রাজ্জাক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

    আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য জনগণের সামনে নির্বাচনের আগে ইশতেহার নিয়ে যাওয়া। হক, ভাসানী, সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার নৌকা নিয়ে আমরা জনগণের সামনে যাব।

    ইশতেহারের মূল লক্ষ্যের কথা জানিয়ে আবদুর রাজ্জাক বলেন, এই নির্বাচনে ইশতেহারের মূল লক্ষ্য হবে উন্নয়নের মহাসড়কের গতিকে আরও বেগবান করা। ইশতেহারে প্রধান লক্ষ্য হবে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধিকে আরও বৃদ্ধি করা। দারিদ্র্যের হার আরও কমানো।

    আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যের বিষয়ে আরও কৌশলী হওয়ার কথা থাকবে ইশতেহারে। আগামীতে আওয়ামী লীগের চ্যালেঞ্জ হবে পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। আধুনিক পুলিশ জনগণহিতৈষী, জনগণদরদি, জনগণবান্ধব-কী ধরনের পুলিশ বাহিনী হবে, সেটা আমরা বলার চেষ্টা করব।

    তরুণ সমাজের বিষয়ে সাবেক মন্ত্রী রাজ্জাক বলেন, ‘আগামী দিনের তরুণ সমাজ নিয়ে আমরা কী ভাবছি, এই তরুণ সমাজকে উন্নয়নের সঙ্গে দেশ পরিচালনার সঙ্গে কীভাবে সম্পৃক্ত করা যায়, সেটা জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।তিনি আরও বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতি, ব্যাংকের মুদ্রাস্ফীতি, ব্যাংক ব্যবস্থা, ইনস্যুরেন্স ব্যবস্থা নিয়ে কী ধরনের চিন্তাভাবনা আছে, সেটাও জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। কৃষিক্ষেত্র ও শিল্পায়নের উন্নয়ন কীভাবে করা যায়, তার বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।

    সংবাদ সম্মেলনের পর ইশতেহার উপকমিটির বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে উপকমিটির সদস্যসচিবসহ সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

  • গণফোরামে যোগ দিলেন আওয়ামীলীগের সাবেক নেতা আমছা

    গণফোরামে যোগ দিলেন আওয়ামীলীগের সাবেক নেতা আমছা

    গণফোরামে যোগ দিয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) আমছা আমিন।

    আজ শনিবার দুপুরে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের মতিঝিলের চেম্বারে এসে তিনি দলটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন।

    গণফোরামের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা লতিফুল বারী হামিম এ কথা জানান। তিনি বলেন, আজ দুপুরে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা গণফোরামে এসে যোগ দেন।

    যোগদানের সময় সেখানে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু এবং জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    আমছা আমিন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ২০০১ সালে কুড়িগ্রাম–২ আসন থেকে সংসদ নির্বাচন করে পরাজিত হন। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন।

  • ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে মোহাম্মদ ইমান আলী

    ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে মোহাম্মদ ইমান আলী

    প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের অনুপস্থিতিতে আজ ২৪ নভেম্বর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করবেন বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী।

    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের অনুপস্থিতিতে ২৪ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত অথবা প্রধান বিচারপতির বিদেশ যাত্রার তারিখ থেকে পুনরায় সক্রিয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীকে প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনের দায়িত্ব প্রদান করেছেন।

    এদিকে আজ শনিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, কাল ২৫ নভেম্বরের জন্য প্রকাশিত মামলার কার্যতালিকায় বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রম চলবে।

  • ভারতের কর্নাটকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত ২৫

    ভারতের কর্নাটকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত ২৫

    ভারতের কর্নাটকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে কমপক্ষে ২৫ জন নিহত হয়েছে। নিহতের মধ্যে অধিকাংশই স্কুলশিক্ষার্থী। শনিবার দুপুরের দিকে রাজ্যটির মন্ধ্যা জেলায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা বাসটিকে পানির মধ্যে দেখতে পেয়ে উদ্ধারকাজে হাত লাগায়।

    জানা গেছে, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বেসরকারি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জেলার পন্দাভাপুরা এলাকার ভিসি লেকে পড়ে যাওয়ার পরই তা পানির তলায় তলিয়ে যায়। তবে বাসটিতে ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ বাসটির ভেতরে থাকা সকলেই নিহত হয়েছে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে বাসটি লেকে পড়ার ঠিক আগের মুহুর্তে পানিতে ঝাঁপ দেয়ায় এক শিক্ষার্থী প্রাণে বেঁচে গেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই প্রকৃত তথ্য জানা যেতে পারে বলে পুলিশের ধারণা।

    বাসটি দুর্ঘটনার পরে ঘটনাস্থলে জেলার পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা গিয়ে উদ্ধারকাজও শুরু করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকীদের খোঁজে এখনও উদ্ধারকাজ চলছে।  অন্যদিকে ক্রেনের সহায়তায় পানি থেকে বাসটিকে উপরে তোলার চেষ্টা চলছে। লাশগুলোকে ময়নাতদন্তের জন্য এমআইএমএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    মন্ধ্যা জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২ টা নাগাদ পন্ডাভাপুরা এলাকায় একটি বাস জলাশয়ে পড়ে যায় এবং পানিতে ডুবে কমপক্ষে ২৫ জন নিহত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বাস দুর্ঘটনা পেছনে চালকের গাফিলতির প্রমাণ মিলেছে। কর্নাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী জি.পরমেশ্বরা জানান, দুর্ঘটনায় ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আমার বিশ্বাস বাসটির চালকের কোনো গাফিলতি ছিল, আমরা তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।

    দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এইচ.ডি.কুমারস্বামী সরকারি কাজ বাতিল রেখে ঘটনাস্থলের পৌঁছেছেন। নিহতদের পরিবার প্রতি আর্থিক ক্ষতিপূরণেরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

  • আসন ভাগাভাগি আলাপ–আলোচনা পর্যায়ে: কাদের

    আসন ভাগাভাগি আলাপ–আলোচনা পর্যায়ে: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এখন আসন ভাগাভাগির বিষয়টি আলাপ-আলোচনার পর্যায়ে আছে। কাল–পরশুর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

    আজ শনিবার দুপুরে জোটের শরিকদের সঙ্গে আসন নিয়ে বৈঠকের পর সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকটি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলে।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা ইন্টারনাল আলোচনা করছি। ১৪ দল, জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য শরিক দলের সঙ্গেও আমরা কথা বলেছি।

    জাতীয় পার্টিকে কয়টি আসন দেওয়া হচ্ছে? জানতে চাইলে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, তা এখন পরিষ্কার নয়।

    শরিকদেরকে জন্য কতটি আসন দেওয়া হবে? এ প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ৬৫ থেকে ৭০টির বেশি আসন দেওয়া হচ্ছে না।

    এদিকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেছেন, আসন ভাগাভাগিকে গুরুত্ব কম দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্ভুলভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টি পথ চলতে চায়।

    রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘যেসব আসন আমরা চাই, সেগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রকৃতপক্ষে আমরা লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য নির্ভুল পথ চলতে হবে, এখানে আবেগের সুযোগ নেই।’

    জাতীয় পার্টি কতটি আসন পেয়েছে? জানতে চাইতে রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘আমরা আশাবাদী, চূড়ান্ত হওয়ার সময় আরও ভালো কিছু পাব, এই আশা করছে জাতীয় পার্টি।’

    আজকের বৈঠকে জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়াউদ্দিন বাবলু, মসিউর রহমান রাঙ্গা, মুজিবুল হক চুন্নু, কাজী ফিরোজ রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।