Category: রাজণীতি

  • ছিটকে পড়ারা আস্তাকুঁড়ে চলে যায়: নজরুল

    ছিটকে পড়ারা আস্তাকুঁড়ে চলে যায়: নজরুল

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, দুই-একটি দল যদি জোট থেকে ছিটকে পড়ে, তাতে যেন জনগণ বিভ্রান্ত না হয়। কেননা যারা ছিটকে পড়ে, তারাই আস্তাকুঁড়ে চলে যায়। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তাঁরা বৃহত্তর ঐক্য গড়েছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানের সাজা বাতিলের দাবিতে’ এক আলোচনা সভায় নজরুল ইসলাম এ মন্তব্য করেন।

    নজরুল ইসলাম খান বলেন, আজকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছে। বিএনপি সেখানে আছে। এই ঐক্য আরও জোরদার হবে, আরও সম্প্রসারিত হবে এবং সে কারণে সরকার ফ্রন্টের নেতাদের সম্পর্কে নানা রকম অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, বাম দলগুলো যে দাবিনামা পেশ করেছে, সেটি বিএনপির দাবির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। এমনকি চরমোনাই পীর যে দাবি উত্থাপন করেছেন, সে দাবিগুলো বিএনপির দাবির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, যারা দেশে যথার্থ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন চান, জনগণের শাসন কায়েম করতে চান, দুর্নীতি-অনাচার থেকে দেশকে রক্ষা করতে চান, দেশের স্বাধীন মত প্রকাশের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে চান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চান—তারা সবাই একটি সময়ে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ হবে, এটাই স্বাভাবিক। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে সকলকে ত্যাগ স্বীকারের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, খালেদা ইয়াসমিন, কৃষক দলের জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ সভায় বক্তব্য দেন।

  • গৌরনদী শারদীয় দূর্গা উৎসবে পুজামন্ডপ পরিদর্শনে হাসানাত আবদুল্লাহ

    গৌরনদী শারদীয় দূর্গা উৎসবে পুজামন্ডপ পরিদর্শনে হাসানাত আবদুল্লাহ

    শামীম ইসলাম:

    শারদীয় দূর্গা উৎসবে গতকাল সন্ধায় গৌরনদীর খাঞ্জাপুরের ডোনারকান্দি পুজামন্ডপ ঘুড়ে দেখেন ও পুজারীদের সাথে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, পার্বত্য শন্তি চুক্তিবাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি।

    এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • শেখ হাসিনা সরকারের ধারাবাহিকতা চান সৌদি বাদশাহ

    শেখ হাসিনা সরকারের ধারাবাহিকতা চান সৌদি বাদশাহ

    সৌদি বাদশাহ ও দুই পবিত্র মসজিদের হেফাজতকারী সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অসামান্য উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা এবং তাঁর (শেখ হাসিনার) সরকারের ধারাবাহিকতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

    বুধবার বিকেলে রিয়াদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি বাদশাহর বৈঠকের পর পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক সৌদি বাদশাহর উদ্ধৃতি দিয়ে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘যদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে তাহলে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক আর উন্নত হবে এবং সকল ক্ষেত্রে উন্নতি সাধিত হবে।’ পররাষ্ট্রসচিব বলেন, সৌদি বাদশাহ তিনবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার কথা উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, বৈঠকটি উষ্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাদশাহ নিজে রাজপ্রাসাদের প্রবেশ দ্বারে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন।

    বাদশাহ প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, ‘এটি আপনার ঘর এবং আপনাকে সব সময় এখানে স্বাগতম।’ বাদশাহ বলেন, সৌদি আরব ও বাংলাদেশ দু’টি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ এবং ধর্মের পাশাপাশি আমরা বিভিন্ন বিষয়ে একই বন্ধনে বাঁধা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাদশাহর আথিয়েতার জন্য ধন্যবাদ জানালে সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ বলেন, এটা তাঁর দায়িত্ব। তিনি বলেন, দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক অনেক উন্নত হয়েছে এবং উল্লেখ করেন যে অর্থনীতি, সংস্কৃতি, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের সুযোগ রয়েছে।

    বাদশাহ বলেন, ‘আমরা যৌথভাবে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়ছি।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন যে এটা অব্যাহত থাকবে এবং এটি দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের জনগণের অভিন্ন আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের প্রস্তাব করলে বাদশাহ প্রস্তাবগুলো যথাযথ বলে অভিহিত করেন।

    বাদশাহ বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক পর্যায়ে আলোচনার পর এক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেব।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কাজ করছে উল্লেখ করে এ ক্ষেত্রে তাদের দেখাশোনা করার জন্য সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ জানান। সৌদি বাদশাহ সেদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিরা সৌদি অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখছে উল্লেখ করে বলেন, তাদের দেখভাল করা আমার দায়িত্ব।

    প্রধানমন্ত্রী সৌদি বাদশাহকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বাদশাহ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, বাদশাহ ফিলিস্তিনিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ সব সময় মুসলিম উম্মাহর প্রশ্নে লড়াই করে। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ইস্যুতে।’
    বাদশাহ বলেন, ‘এ ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান সব সময় সম্মানজনক এবং এজন্য আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।

  • হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে খালেদার আপিল

    হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে খালেদার আপিল

    জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচারিক কার্যক্রম চলা নিয়ে রিভিশন খারিজ করে দেয়া হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

    বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগে করা এ আবেদনের কথা জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। গত ১৪ অক্টোবর ওই রিভিশন খারিজ করেছিলেন হাইকোর্ট। পরবর্তীতে বিচারিক আদালত এ মামলার রায়ের জন্য ২৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

    বকশীবাজার কারা অধিদফতরের মাঠে নির্মিত অস্থায়ী আদালত ভবনে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারকাজ চলছিল। নিরাপত্তার কারণ উল্লেখ করে ৪ সেপ্টেম্বর ওই মামলার বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের ৭ নম্বর কক্ষকে অস্থায়ী আদালত হিসেবে ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

    এদিকে গত ২১ সেপ্টেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ‘ইচ্ছাকৃতভাবে’আদালতে না আসায় তার অনুপস্থিতিতেই বিচার চলবে বলে আদেশ দেন আদালত। পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

    এর বিরুদ্ধে গত ২৭ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার বিচারের জন্য কারা অভ্যন্তরে যে আদালত স্থাপন করা হয়েছে তা অবৈধ দাবি করে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচার কাজ স্থগিত চেয়ে রিভিশন আবেদন জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। একইসঙ্গে আবেদনটিতে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে কারা অভ্যন্তরে স্থাপিত আদালতে তার বিচার চলবে বলে আদালত যে আদেশ দিয়েছেন তা বাতিল চাওয়া হয়। পরে দুই দিন শুনানি করে গত ১৪ অক্টোবর এ আবেদন খারিজ করেন হাইকোর্ট। এরপর তারা ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

    গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

  • জিরোদের ঐক্যফ্রন্টের ভবিষ্যৎ জিরোই হবে মন্তব্য করেছেন: অর্থমন্ত্রী

    জিরোদের ঐক্যফ্রন্টের ভবিষ্যৎ জিরোই হবে মন্তব্য করেছেন: অর্থমন্ত্রী

    রাজনীতির সব জিরোরা মিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট করেছেন মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘জিরোদের ঐক্যের ফল জিরোই হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেটে জালালাবাদ গ্যাসের নবনির্বাচিত সিবিএ নেতৃবৃন্দের অভিষেক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, সব জিরো একসাথে মিললে ফল জিরোই হয়, আর কিছু হয় না। বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং তারা যদি সমর্থন দেন তবে হয়তো তাদের একটি উপায় হবে। অন্যথায় তারা যে ঐক্য প্রক্রিয়া করছেন তা জিরো।

    নতুন এই রাজনৈতিক জোটের কোনো ভবিষ্যত নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এর আগে জালালাবাদ গ্যাসের সিবিএ’র অভিষেক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- জাতিসংঘের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আবদুল মোমেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সহ-সভাপতি আশফাক আহমদ, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ প্রমুখ।

  • সিলেটে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

    সিলেটে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

    প্রথমবারের মতো সমাবেশ করতে যাচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সিলেটে আগামী ২৩ অক্টোবর মঙ্গলবার সমাবেশটি হওয়ার কথা রয়েছে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতিও পেয়েছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত রাজনৈতিক অঙ্গনের নতুন এই জোটটি।

    বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামী ২৩ অক্টোবর মঙ্গলবার সিলেট রেজিস্টার্ড অফিস মাঠে বেলা ১টা থেকে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সেখানে উপস্থিত থাকবেন।

    এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টা থেকে সোয়া ১০টা পর্যন্ত ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি জানান, সিলেটে মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে ঐক্যফ্রন্টের কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রামে ও ৩০ অক্টোবর রাজশাহীতে কর্মসূচি পালন করা হবে।

    বিএনপির এই নেতা আরও জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে জোটের দাবি ও লক্ষ্য সম্পর্কে কূটনীতিকদের অবহিত করবে ঐক্যফ্রন্ট। সুশীল সমাজের সঙ্গেও মতবিনিময় করবে বিএনপি, গণফোরাম, জাসদ (জেএসডি), নাগরিক ঐক্যকে নিয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

  • ২০ দল ঠিক রাখতে তৎপর বিএনপি

    ২০ দল ঠিক রাখতে তৎপর বিএনপি

    নির্বাচনের প্রাক্কালে দুটি দলের জোট ছাড়ার পর সতর্ক হয়ে উঠেছে বিএনপি। দলের দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, তাঁদের কাছে তথ্য আছে ২০-দলীয় জোট থেকে দল ভাগানোর জন্য সরকারের বিভিন্ন মহলের জোর তৎপরতা রয়েছে। অনেককে নানা লোভ ও টোপ দেওয়া হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে জোটকে টিকিয়ে রাখতে শরিক দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে বিএনপি।

    জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ন্যাপ ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) ২০-দলীয় জোট ছাড়ার আগে-পরে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একজন নেতা লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টিসহ কয়েকটি শরিক দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। ন্যাপ ও এনডিপির জোট ছাড়ার পর এলডিপি ও কল্যাণ পার্টিকে নিয়েও গুঞ্জন ছড়ায়।

    কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, ‘নয় বছর ধরে জোটের জন্য পরিশ্রম করছি। বিএনপি আমাদের মূল্যায়ন করুক বা না করুক, আমরা আছি, থাকব।

    এর আগে গত রোববার রাতে এলডিপির সভাপতি অলি আহমদের বাসায় গিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির তিন সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নজরুল ইসলাম খান। অলি দীর্ঘদিন ২০ দলের সভা ও কর্মসূচিতে থাকছেন না। মান ভাঙাতে তিন নেতা তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন বলে অনেকেই জানিয়েছেন।

    তবে অলি আহমদ বলেন, ‘আমি কারও ওপর ক্ষুব্ধ না, অসন্তুষ্টও না। আমি যে অবস্থায় আছি, ভালো আছি। এলডিপিকে নিয়ে ওঠা গুঞ্জন সত্য নয় বলে জানান তিনি।

    দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে গত মঙ্গলবার বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোট ছাড়ে বাংলাদেশ ন্যাপ ও এনডিপি। দল দুটি দীর্ঘদিনের সরকারবিরোধী অবস্থান থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। যদিও নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধনহীন এনডিপি নামে এই দলটি আরেক দফা ভেঙেছিল। তখন দলটির মহাসচিব আলমগীর মজুমদার একাংশকে নিয়ে বিএনপির জোট ছেড়ে যান। ওই সময় বিএনপির জোটের আরেক শরিক দল ন্যাশনাল পিপলস পার্টিও (এনপিপি) বিএনপির জোট ছেড়ে যায়।

    ২০ দলে বহাল বাংলাদেশ ন্যাপ ও এনডিপি
    গণমাধ্যমে পৃথক বিবৃতি পাঠিয়ে দল দুটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ ন্যাপ ও এনডিপি ২০-দলীয় জোটের সঙ্গে ছিল, আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। ন্যাপের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এম এন শাওন ও এনডিপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল মুকাদ্দিম এ বিষয়ে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

    বাংলাদেশ ন্যাপের বিবৃতিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে জেবেল রহমানকে চেয়ারম্যান ও এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়াকে মহাসচিব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দলের এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে মশিউর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    একইভাবে খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজাকে এনডিপির চেয়ারম্যান ও মঞ্জুর হোসেনকে মহাসচিবের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। নতুন কমিটিতে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুল মুকাদ্দিমকে এনডিপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ওসমান গনি পাটোয়ারিকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘কিছু মানুষ তো ঘাপটি মেরে থাকে সব জায়গায়, কিছু মানুষ বৈষয়িক প্রশ্নে আপস করেন। এই আপসকামিতা, স্ববিরোধিতা তো যুগ যুগ ধরে চলছে।

  • বি. চৌধুরীর চায়ের দাওয়াতে যাচ্ছে ন্যাপ–এনডিপি

    বি. চৌধুরীর চায়ের দাওয়াতে যাচ্ছে ন্যাপ–এনডিপি

    বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি—ন্যাপ ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি—এনডিপি বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছে। নতুন জোট নিয়ে আলোচনা হলে তাকে স্বাগত জানাবে এই দুটি দল।

    আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটায় বি চৌধুরীর বারিধারার বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ হওয়ার কথা জানিয়েছেন ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি। তিনি বলেন, গতকাল বিকল্পধারা যুগ্ম মহাসচিবের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি চায়ের দাওয়াত দিয়েছেন। সেখানে বি চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাত হওয়ার কথা রয়েছে।

    গত ১৬ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ন্যাপ ও এনডিপি ২০ দলীয় জোট ছাড়ার ঘোষণা দেন। অন্যদিকে দীর্ঘদিন আলোচনা, বৈঠক করে শেষ পর্যন্ত বিকল্পধারা ছাড়াই গত ১৩ অক্টোবর শনিবার বিএনপি, গণফোরাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), নাগরিক ঐক্য মিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়।

    আজকের সাক্ষাত প্রসঙ্গে জেবেল রহমান গানি বলেন, ‘বি চৌধুরী তাদের বৃহত্তর ঐক্য প্রক্রিয়ায় আমাদের অনেকবার আমন্ত্রণ করেছিলেন। কিন্তু সে সময় যেহেতু আমরা ২০ দলীয় জোটের শরিক ছিলাম তাই আলাদা করে বসতে রাজি হইনি। ২২ সেপ্টেম্বরের নাগরিক সমাবেশেও আমন্ত্রণ জানান তিনি। আমরা জাতীয় ঐক্যের পক্ষে। ২০ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে এসেছি। কিন্তু বাংলাদেশের আরও জোট আছে। সবার সঙ্গে কম বেশি পরিচয় আছে।’

    ন্যাপ চেয়ারম্যান বলেন, জাতীয় ঐক্যে তাদের আলাদাভাবে বলা হয়নি। ২০ দলীয় জোট আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে সেখানে থাকতে পারবেন। কিন্তু নীতিনির্ধারক হিসেবে থাকতে পারবে না।

    বিএনপির প্রতি অভিযোগ জানিয়ে জেবেল রহমান গানি বলেন, ছয় বছর ধরে বিএনপির সঙ্গে ছিলেন। তাদের কারণে কিছু দায়ও নিয়েছেন। ২০ দলীয় জোটকে এখন পাশ কাটানো হচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি। এ ছাড়া বলেন, ২০১৫ সালের পরে আজ পর্যন্ত কিছু হয়নি। আর আসন বণ্টনের ব্যাপারটা খুব গুরুত্বপূর্ন বলে উল্লেখ করেন। এবার নির্বাচনে অংশ নেবেন জানিয়ে বলেন, পরপর ২ বার নির্বাচনে অংশ না নিলে নিবন্ধন বাদ হয়ে যাবে।

    বিকল্পধারার সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে জেবেল রহমান বলেন, ‘আমরা তাদের কাছে জানতে চাইব তারা যে জোট করতে যাচ্ছে তার লক্ষ্য কী হবে, কী প্রক্রিয়ায় ঐক্য হবে। তবে তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনায় যাব। আলোচনা সফল হলে ঐক্যের চেষ্টা হবে। নির্বাচন অনেক কাছে। এখন যা হবে সব নির্বাচন কেন্দ্রিক জোট।’

    এনডিপির চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা আজকের চায়ের দাওয়াত প্রসঙ্গে বলেন, দাওয়াত পেয়েছেন, তিনিও যাবেন। সেখানে বিকল্পধারার সঙ্গে নতুন জোট নিয়ে আলোচনা হলে সেখানে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে নিজেদের দলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।

  • নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল: ইসি সচিব

    নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল: ইসি সচিব

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে। আজ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বৈঠক শেষে এই মন্তব্য করেন।

    ইসি সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, এ ব্যাপারে তাঁরা (ইউউ) আমাদের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন।

    হেলালুদ্দীন বলেন, নির্বাচন কমিশন তাঁদের আশ্বস্ত করেছে যে আইনের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনের যতটুকু ক্ষমতা রয়েছে, সব ক্ষমতা প্রয়োগ করে তারা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচন জাতিকে উপহার দেবে।

    ইসি সচিব বলেন, তাঁরা আমাদের কাছে পর্যবেক্ষক (অবজারভার) সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আমরা তাঁদের বলেছি, আমাদের ১১৯টি স্থানীয় পর্যবেক্ষণ গ্রুপ রয়েছে। এ ছাড়া বাইরের দেশ থেকে যে পর্যবেক্ষকেরা আসতে চাইবেন, তাঁদের স্বাগত জানানো হবে। তাঁদের জন্য একটি নীতিমালা আছে। সে অনুযায়ী তাঁরা সবকিছু করতে পারবেন। তাঁদের আইডি কার্ড দেওয়া হবে।

    হেলালুদ্দীন বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যরা আমাদের জনবল এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অংশগ্রহণ নিয়ে জানতে চেয়েছেন। তাঁদের বলেছি, সংবিধানের যে ক্ষমতা দেওয়া আছে, সে অনুযায়ী সব ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের সময় পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জনবল উপস্থিত থাকবে। তাঁরা ইভিএম নিয়েও কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছেন। সিইসি তাঁদের জানিয়েছেন, আইন পাস হলে স্বল্প পরিসরে ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

  • রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল: শিল্পমন্ত্রী

    রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল: শিল্পমন্ত্রী

    শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল। বিরোধী দলগুলো মিছিল-সভা-সমাবেশ করছে। আইন-শৃঙ্খলার কোনো অবনতি ঘটেনি। সব দলই এখন নির্বাচনমুখী। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। আজ আইন-শঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিল্পমন্ত্রী এ কথা জানান।

    বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলার অভিযোগের বিষয়ে শিল্পমন্ত্রী বলেন, নতুন করে কোনো মামলা দেওয়া হচ্ছে না, গায়েবি মামলা হবে কিভাবে? বিএনপির এটা অপপ্রচার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল উপস্থিত ছিলেন।