Category: রাজণীতি

  • ২৯ অক্টোবর মতিঝিলে গণসমাবেশ করবে ১৪ দল

    ২৯ অক্টোবর মতিঝিলে গণসমাবেশ করবে ১৪ দল

    বিএনপি-জামায়াতের অব্যাহত মিথ্যাচার ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে আগামী ২৯ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিলে গণসমাবেশ করবে কেন্দ্রীয় ১৪ দল। এছাড়াও ২৫ অক্টোবর যশোর ও ২৬ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গায় ১৪ দলের গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

    সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    সভা শেষে আওয়ামী লীগের সভাপতিমলণ্ডলীর সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আনিসুর রহমান মল্লিক, জাতীয় পার্টি জেপির প্রেসিডিয়াম সদস্য এজাজ আহমেদ মুক্তা, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, গণতন্ত্রী পার্টির নেতা ড. শাহাদাৎ হোসেন, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশিদ, ন্যাপ নেতা ইসমাইল হোসেন, জাসদের নাদের চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নামে জনবিচ্ছিন্ন নেতাদের মূল উদ্দেশ্য ক্ষমতার ভাগবাটোয়ারা করে নির্বাচন বানচাল করা। এটা নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু দেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। তাদেও কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবে না।

    তিনি বলেন, খালেদা জিয়া জনবিচ্ছিন্ন ভাড়াটে খেলোয়াড়দের নিয়ে এসেছেন, যাদের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। ড. কামাল হোসেনরা যতই ষড়যন্ত্র করুক নির্বাচন ঠেকাতে পারবেন না। নির্বাচন হবেই।১৪ দলীয় জোট রাজনৈতিকভাবে এ ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করবে।

    আগামী ১৭ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১১টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে জোটের পরবর্তী সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • মটর শোভা যাত্রা সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরেন তুহিন

    মটর শোভা যাত্রা সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরেন তুহিন

    ৭ শতাধিক গাড়ি বহর নিয়ে বর্তমান সরকারের নানামুখী উন্নয়নচিত্র সাধারণ জনগণের মাঝে তুলে ধরা ও মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মা সেতুর নামফলক উন্মোচন উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুরে বর্ণাঢ্য মোটর শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন উন্নয়ন শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন।

    রোববার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১ গোলচত্বর থেকে শুরু করে মাজার রোড হয়ে মোটর শোভাযাত্রাটি ঢাকা-১৪ আসনের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    শোভাযাত্রায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা রঙ-বেরঙের পোশাক পরে, প্ল্যাকার্ড হাতে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে মোটসাইকেল ও পিকআপ নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।

    মিরপুরসহ দেশব্যাপী উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনার জন্য আহ্বান জানানো হয় শোভাযাত্রায়।

    শোভাযাত্রা শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন বলেন, সারাবিশ্ব আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ১০ লাখ রোহিঙ্গার আশ্রয় দিয়ে তিনি আজ বিশ্ব মানবতার বাতিঘর। উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে হলে শেখ হাসিনার সরকার আবারও দরকার।

    tuhin2

    তিনি বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশে যোগাযোগ ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়নসাধিত হয়েছে। আজ আমাদের প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর নামফলক উদ্বোধন করেছেন। এই সেতুর কাজ শেষ হলে যোগাযোগ ক্ষেত্রে দেশের আর একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে।

    তুহিন আরও বলেন, শেখ হাসিনা এবং উন্নয়ন এ দুটি শব্দ এখন একাকার হয়ে গেছে। শুধু দেশে নয়, বিশ্বের প্রভাবশালী দেশের নেতারাও এখন শেখ হাসিনাকে সামনে রেখে কথা বলেন। অনুকরণ করেন।

    আগামীতে রাজধানীর মিরপুরকে আরও আধুনিকভাবে গড়ে তোলা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে এই মিরপুর সন্ত্রাসী ও মাদককের আখড়া ছিল। আমরা ক্ষমতায় এসে সেগুলো নির্মূল করেছি। হাসপাতাল, কমিউনিটি সেন্টার, স্কুল-কলেজ, রাস্তাঘাট আধুনিকায়ন করেছি। আগামীতে নির্বাচিত হলে মিরপুরবাসীকে গুলশান-বনানী যেতে হবে না, মিরপুর হবে গুলশান-বনানীর মতোই আধুনিক।

    পরে মিরপুরের মুক্তবাংলা মার্কেটের সামনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে সঙ্গীতশিল্পী আঁখি আলমগীর, আসিফ আকবর, ইমরানসহ দেশবরেণ্য শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

  • হাসানাত আবদুল্লাহকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান রাফি উদ্দিন

    হাসানাত আবদুল্লাহকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান রাফি উদ্দিন

    ডেস্ক রিপোর্ট:

    পার্বত্য শান্তি চুক্তিবাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), স্থানীয় সরকারপল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মঠবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র রাফি উদ্দিন আহম্মেদ ফেরদৌস।

    বরিশাল জেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন যুবলীগ নেতা তারেক বিন ইসলাম সহ মঠবাড়িয়া পৌর আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।

  • পুনরায় মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন জাফরুল্লাহ: আইএসপিআর

    পুনরায় মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন জাফরুল্লাহ: আইএসপিআর

    গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী গত শনিবার যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সেখানে কিছু বানোয়াট, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এটিকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করা হয়েছে। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর এ তথ্য প্রকাশ করে।

    বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘সময়’–এ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য গত শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে দুঃখ প্রকাশ করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

    আইএসপিআরের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলমগীর কবিরের স্বাক্ষরিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, জাফরুল্লাহ শব্দ চয়নে ভুল করে কোর্ট অব ইনকোয়ারির স্থালে কোর্ট মার্শাল বলেছেন, তাঁর এই তথ্যটিও সঠিক নয়। ব্যক্তি আজিজের বিরুদ্ধে কখনো কোর্ট মার্শাল তো হয়ইনি, বরং জেনারেল আজিজের সুদীর্ঘ বর্ণাঢ্য চাকরি জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো কোর্ট অব ইনকোয়ারিও হয়নি। বস্তুতপক্ষে জাফরুল্লাহার তথ্যটি চরম মিথ্যাচারের শামিল। এর আগে সময় টিভিতে ভুল, দায়িত্বহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্যের জন্য ভুল স্বীকার ও দুঃখ প্রকাশ করতে গিয়ে পুনরায় অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে জেনারেল আজিজ আহমেদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালিয়েছেন।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ৯ অক্টোবর টক শোতে তিনি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত আর্জেস গ্রেনেডের উৎস হিসেবে সুকৌশলে সেনাবাহিনীকে সম্পৃক্ত করার একটি চেষ্টা করেছিলেন, যা ছিল দুরভিসন্ধিমূলক। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে কোনো গ্রেনেড হারানো, চুরি বা বিক্রি হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা–সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণার আগের দিন টেলিভিশনে লাইভ টক শোতে এ ধরনের অসত্য বক্তব্য প্রদান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অসত্য বক্তব্যকে সংশোধনের কোনো চেষ্টা করেননি। তাঁর সামগ্রিক বক্তব্যে এটা স্পষ্ট, তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত সব পদবির সদস্যের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টার পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সেনাবাহিনীর প্রধানের ভাবমূর্তি এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালিয়েছেন।

    চ্যানেলে দেওয়া জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বক্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ ও ‘অসত্য’ বলে আখ্যায়িত করে শনিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়া হয়। আইএসপিআর বলেছে, ডা. জাফরুল্লাহর দায়িত্বজ্ঞানহীন অসত্য বক্তব্য কেবল সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে জেনারেল আজিজ আহমেদের সুনাম ও সামাজিক অবস্থানকে ক্ষুণ্ন করেনি, বরং তা সেনাবাহিনীর প্রধানের পদকে চরমভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘জেনারেল আজিজকে অসাবধানতাবশত কোনো মনঃকষ্ট দিয়ে থাকলে সে জন্য আমি পুনরায় আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি। উল্লেখ্য, আমি ইতিমধ্যে বিগত দুদিন কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে আমার বক্তব্যের ভুল শব্দচয়ন ও শব্দবিভ্রাটের বিষয়টি প্রকাশ করে সেনাপ্রধানের নিকট দুঃখ প্রকাশ করেছি। চূড়ান্তভাবে ভুল-বোঝাবুঝির অবসানকল্পে আজকের এই সংবাদ সম্মেলন।’

    জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সময় টেলিভিশনের বিশেষ অনুরোধে শারীরিক দুর্বলতা নিয়েই আমি ৯ অক্টোবর রাত ১০টায় তাদের টক অনুষ্ঠানটিতে অংশ নিই। ওই টক অনুষ্ঠানটিতে অপর অতিথিরা ছিলেন সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ আলম লেলিন। আলোচনাকালে আমি দেশের বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ সম্পর্কে অসাবধানতাবশত একটি ভুল তথ্য উল্লেখ করেছিলাম। জেনারেল আজিজ একজন দক্ষ আর্টিলারি সেনা কর্মকর্তা। তিনি চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ‘জিওসি’ ছিলেন না, ‘কমান্ড্যান্ট’ও ছিলেন না। তিনি তাঁর কর্মজীবনের একসময়ে চট্টগ্রাম সেনাছাউনিতে আর্টিলারি প্রশিক্ষক ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ‘কোর্ট মার্শাল’ হয়নি একবার ‘কোর্ট অব ইনকোয়ারি’ হয়েছিল। ভুল বক্তব্য ও শব্দবিভ্রাটের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং মর্মাহত। সেনাবাহিনী বা জেনারেল আজিজের সম্মানহানি করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না এবং এরূপ কোনো অভিপ্রায়ও আমার নেই। আমাদের সেনাবাহিনীর গৌরবে আমি গর্বিত।’

    জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘জেনারেল আজিজের সম্মানহানি করার কোনো চিন্তা বা উদ্দেশ্য আমার ছিল না।’

    সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সম্পর্কে ডা. জাফরুল্লাহর বক্তব্য নিয়ে আইএসপিআরের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সম্পর্কে জনাব ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বক্তব্য ছিল একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন অসত্য বক্তব্য। কারণ, বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ চাকরিজীবনে কখনোই চট্টগ্রামের জিওসি বা কমান্ড্যান্ট হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন না। তিনি ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত কুমিল্লায় ৩৩ আর্টিলারি ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার, ২০১১ সালের জুন থেকে ২০১২ সালের মে পর্যন্ত ঢাকার মিরপুরে ৬ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার এবং ২০১২ সালের মে থেকে ২০১২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কুমিল্লায় ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিএসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণিত সময়ে চট্টগ্রাম বা কুমিল্লা সেনানিবাসে কোনো সমরাস্ত্র বা গোলাবারুদ চুরি বা হারানোর কোনো ঘটনা ঘটেনি। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তাঁর দীর্ঘ, বর্ণাঢ্য সামরিক চাকরিজীবনে কখনোই কোর্ট মার্শালের সম্মুখীন হননি।’

    আইএসপিআরের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলমগীর কবিরের স্বাক্ষরিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘চাকরিরত একজন সেনাবাহিনীপ্রধান সম্পর্কে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মতো একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির এরূপ দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যা সেনাবাহিনীর প্রধানসহ সেনাবাহিনীর মতো রাষ্ট্রীয় একটি প্রতিষ্ঠানকে জনসমক্ষে হেয় করার হীন অপচেষ্টা মর্মে স্পষ্টত প্রতীয়মান।’

    আইএসপিআরের বক্তব্যে বলা হয়, ‘ডা. জাফরুল্লাহর দায়িত্বজ্ঞানহীন অসত্য বক্তব্য কেবল সেনাবাহিনীপ্রধান হিসেবে জেনারেল আজিজ আহমেদের সুনাম ও সামাজিক অবস্থানকে ক্ষুণ্ন করেনি, বরং তা সেনাবাহিনীপ্রধানের পদকে চরমভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেছে, যা প্রকারান্তরে সেনাবাহিনীর চাকরিরত সব সদস্যকে বিভ্রান্ত করেছে এবং তাঁদের মনোবলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ ছাড়া এরূপ অপপ্রচার সেনাবাহিনীর মতো সুশৃঙ্খল বাহিনীর সংহতি ও একতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত।

  • এখন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায়

    এখন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায়

    শেষ পর্যন্ত সরকারবিরোধী একটি বড় ঐক্য গড়তে পারায় আপাতত নির্ভার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। এখন অপেক্ষা ৭ দফা দাবি ও ১১ লক্ষ্য নিয়ে মাঠের কর্মসূচিতে যাওয়া। ঐক্যফ্রন্টের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানায়, শিগগির তারা গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় ও জেলা শহরে জনসভার আয়োজনসহ জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি দেবে। দু-এক দিনের মধ্যে কর্মসূচি ঠিক করা হবে।

    জানা গেছে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কর্মসূচিতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন থাকবে। তবে জামায়াতে ইসলামীকে এসব কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করা হবে না। জামায়াতও বিষয়টি মেনে নিয়েছে বলে জানা গেছে।

    গত শনিবার দিনভর নানা নাটকীয়তার পর বিকল্পধারাকে বাইরে রেখে বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্য প্রক্রিয়া মিলে বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ গঠিত হয়। গত দুই দিনে এটি ছিল সারা দেশে অন্যতম আলোচনার বিষয়। কেন বিকল্পধারাকে বাদ দেওয়া হলো বা বিকল্পধারা কেন পিছু হটল, তা নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। এরই মধ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ইউটিউবে ছড়ানো নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও বিকল্পধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরীর মধ্যকার একটি কথোপকথন আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কথোপকথনে মাহী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যের নামে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র’ হচ্ছে বলে দাবি করেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাহমুদুর রহমান মান্না কথোপকথন ফাঁস হওয়ার কথা শুনেছেন বলে জানান। ঐক্যের নামে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র করার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা খুব গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়? আমি এসব কথাকে গুরুত্ব দিতে চাচ্ছি না।’

    বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্য প্রক্রিয়ার একাধিক দায়িত্বশীল নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহত্তর জোট গঠনে বিকল্পধারার অংশগ্রহণ নিয়ে আগে থেকেই সংশয় ছিল। কয়েক দফা বৈঠকের পর তা ​উদ্যোক্তাদের মধ্যে অস্বস্তির সৃষ্টি করে। এ ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দল জামায়াতকে সামনে আনা হলেও নেপথ্যের কারণ ভিন্ন বলে জানা গেছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুক্তফ্রন্টের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বিকল্পধারার সভাপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও তাঁর ছেলে মাহী বি চৌধুরীর বড় রকমের দূরত্ব বিদ্যমান। বিএনপির তরফে অনেক চেষ্টা করেও তা দূর করা যায়নি। এ ছাড়া জাতীয় ঐক্যের নেতৃত্ব নিয়েও বি চৌধুরী ও কামাল হোসেনের মধ্যে একধরনের টানাপোড়েন চলে আসছিল।

    এর বাইরে নানা শর্ত জুড়ে দিয়ে জাতীয় ঐক্য গঠনে বিলম্ব ঘটাতে বিকল্পধারার গড়িমসির জন্য যে কারণটিকে সন্দেহ করা হচ্ছে, তা হলো সরকারি প্রতিষ্ঠান বা সরকারি মহলের সঙ্গে বিকল্পধারার গুরুত্বপূর্ণ দুজন নেতার এমন ব্যবসায়িক স্বার্থ-সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, যেখান থেকে ভিন্ন অবস্থান নেওয়াটা কঠিন। এসব কারণে দীর্ঘদিন ধরে ঐক্য হয়েও হচ্ছিল না।

    এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, ‘ওনাদের জাতীয় ঐক্যে আনতে আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। এখনো আশা ছাড়িনি।’ ঐক্য না হওয়ায় বিএনপিকে দোষারোপ করার বিষয়ে তিনি বলেন, কারও ওপর দোষ চাপিয়ে তো লাভ নেই। ওনারাই (বিকল্পধারা) তো নিজেদের প্রকাশ করে দিয়েছেন, এত আসন দিতে হবে, যেগুলো রাজনৈতিক বাস্তবভিত্তিক নয়।

    শুরু থেকেই বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করতে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দল জামায়াতকে ছেড়ে দেওয়া এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমতার ভারসাম্য আনার দাবি করে আসছিল বিকল্পধারা। দুই পক্ষের কথা চালাচালির ভেতরেই বি চৌধুরীর ছেলে ও বিকল্পধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে ঐক্যের জন্য বিএনপির কাছে ১৫০ আসন দাবি করেন, যা যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতাদের অস্বস্তিতে ফেলে।

    এ বিষয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘ওনাদের দেড় শ আসন দিতে হবে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা এখনই বলতে হবে। এই করতে হবে, সেই করতে হবে, জামায়াত ছাড়তে হবে—এসব শুনতে শুনতে আমরা বিরক্ত।’

    অতীতে জামায়াতের সঙ্গে একত্রে আন্দোলন, নির্বাচন ও সরকার গঠনের প্রসঙ্গ তুলে সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘থুতু ওপরে মারলে গায়ে পড়ে। ওনাদের অতীত কী ছিল?’

    অবশ্য মাহী বি চৌধুরী বলেন, ‘আমি যে আসনে (মুন্সীগঞ্জ-১) নির্বাচন করে এমপি হয়েছি, সেখানে জামায়াতে ইসলামীর কমিটি আছে বলে জানি না। তাদের ​পয়েন্ট ওয়ান পার্সেন্ট ভোটও নেই। আর বি চৌধুরী রাষ্ট্রপতি হয়েছেন সংসদ সদস্যদের ভোটে। তখন জামায়াতের ভোটের প্রয়োজন হয়নি।’

    জানা গেছে, ৫ দফা দাবি ও ৯ দফা লক্ষ্য আদায়ে গণফোরাম, জেএসডি ও নাগরিক ঐক্যের কয়েক নেতা মিলে যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার জন্য যৌথ ঘোষণাপত্র তৈরি করেছিলেন। তাতে দাবি আদায়ে ‘মুক্তিসংগ্রামের চেতনায় বিশ্বাসী রাজনৈতিক দল, সমাজশক্তি ও নাগরিক সমাজসহ জনগণকে সুসংগঠিত করার’ কথা বলা ছিল। যা পরে বি চৌধুরী ‘প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে স্বাধীনতাবিরোধী’ কথাগুলো প্রতিস্থাপন করেন।

    বিএনপির নেতারা বলছেন, এসব ইঙ্গিত করে বিকল্পধারার নেতারা শুরু থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন, জাতীয় ঐক্য যেন না হয়।

    যুক্তফ্রন্ট, ঐক্য প্রক্রিয়া ও বিএনপির নেতারা মনে করেন, বর্তমান সরকারের শাসনে গুম, খুন, নির্যাতন, নিপীড়নে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। সারা দেশে হাজার হাজার ‘গায়েবি’ মামলা দিয়ে বিরোধীদলীয় লাখ লাখ নেতা-কর্মীকে হয়রানি করা হচ্ছে। ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। মানুষ এ অবস্থার পরিবর্তন চায়। এই সময়ে জামায়াত ঐক্যের জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়।

    অবশ্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিষয়টিকে অন্যভাবে দেখেন। তিনি বলেন, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল মূলত গণতন্ত্র ও স্বাধিকারের জন্য। সত্তরের নির্বাচনের ফল যদি পাকিস্তান মেনে নিত, তাহলে আজকের ইতিহাস হয়তো ভিন্ন হতো। এখন দেশের মানুষের দাবি, গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার পুনরুদ্ধার করা। আজকে কেউ যদি এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, আমরা তো তাদের স্বাধীনতাবিরোধী বলব।

  • খালেদার জামিন ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ল

    খালেদার জামিন ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ল

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ আবারও বাড়িয়েছে হাই কোর্ট। পাঁচ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এ মামলায় আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত জামিন দেওয়া হয়েছে। আজ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

    এ মামলায় ছয় আসামির মধ্যে খালেদা জিয়াসহ তিনজন কারাবন্দি। বাকি তিন আসামি পলাতক। খালেদা জিয়া ছাড়া মামলার বাকি দুই আসামি হলেন- মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।

    পলাতক তিনজন হলেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

    গত ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান মামলাটিতে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। মামলায় খালেদা জিয়াকে ১২ মার্চ হাইকোর্ট চার মাসের জামিন দেন। পরবর্তীতে কয়েক দফা তার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

  • ক্লিনটনের যৌন কেচ্ছা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য হিলারির

    ক্লিনটনের যৌন কেচ্ছা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য হিলারির

    মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে বিল ক্লিনটনের যৌন কেলেঙ্কারি আমেরিকার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হয়ে রয়েছে। সে সময় বিল ক্লিনটনের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়েছিল বিরোধীরা। যদিও এই নিয়ে একটি মন্তব্যও করেননি বিল ক্লিনটনের স্ত্রী হিলারি। এতদিনে তিনি মুখ খুললেন।   ‌

    হিলারি বলেছেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে হোয়াইট হাউসের ইন্টার্ন মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে যৌনতায় জড়াননি। কাজেই এই কাজের জন্য প্রেসিডেন্ট পদ না ছেড়ে ঠিকই করেছিলেন বিল ক্লিনটন। মিটু নিয়ে যখন গোটা বিশ্ব তোলপাড় হচ্ছে তখন কিন্তু মনিকা লিউনস্কি একটি শব্দও খরচ করেনি। কারণ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ক্লিনটন সে কাজ করেননি।

    মনিকা লিউনস্কিরও সম্মতি ছিল তাতে। ক্লিনটন পদত্যাগ না করলেও তাকে ইম্পিচ করা হয়েছিল। কারণটা ছিল মনিকার সঙ্গে নিজের সম্পর্ক লুকিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু মার্কিন সিনেটর ক্রিস্টিন গ্রিলব্যান্ডের এই অভিযোগ সপাটে খারিজ করে পদত্যাগ না করার প্রশ্নে ক্লিনটনের পাশেই দাঁড়িয়েছেন হিলারি। এতদিন পরে সে কথা প্রকাশ করলেন তিনি। সে দিন যে স্বামীর সিদ্ধান্তকে তিনি সমর্থন করেছিলেন সেটা জানিয়েছেন হিলারি।

  • ভারতের চেয়ে ১১ গুণ বেশি দামে ইভিএম

    ভারতের চেয়ে ১১ গুণ বেশি দামে ইভিএম

    ভারতের চেয়ে ১১ গুণ বেশি দামে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কিনছে বাংলাদেশ। নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি ইভিএম কিনতে খরচ করবে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৭৩ টাকা। এর আগে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ইসির জন্য যে ইভিএম তৈরি করেছিল, তার প্রতিটির দাম পড়েছিল ২০-২২ হাজার টাকা। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে কিছু পার্থক্য থাকলেও দামের বিশাল পার্থক্যকে অস্বাভাবিক বলছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

    ভারতের নির্বাচন কমিশন ওই দেশের লোকসভা, রাজ্যসভাসহ বিভিন্ন নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য নতুন মডেলের ইভিএমের দাম নির্ধারণ করেছে ১৭ হাজার রুপি। প্রতি রুপি ১ টাকা ২৫ পয়সা হিসেবে ধরে বাংলাদেশি টাকায় ভারতের ইভিএমের দাম পড়ে ২১ হাজার ২৫০ টাকা। সেই হিসাবে ১১ গুণ বেশি খরচ করে ইভিএম কিনছে বাংলাদেশ। তবে ইসি দাবি করছে, গুণগত মান বিবেচনায় বাংলাদেশের ইভিএমের দাম অন্যান্য দেশের চেয়ে তুলনামূলক কম পড়ছে।

    এদিকে এই ইভিএম তৈরির ক্ষেত্রে কারিগরি কমিটির সুপারিশও পুরোপুরি আমলে নেয়নি ইসি। ভোটারদের আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতার জন্য কমিটি ইভিএমে ভোটার ভ্যারিয়েবল পেপার অডিট ট্রেইল বা ভিভিপিএটি (যন্ত্রে ভোট দেওয়ার পর তা একটি কাগজে ছাপা হয়ে বের হবে) সুবিধা রাখার পরামর্শ দিলেও তা রাখা হয়নি। এতে ভোট পুনর্গণনার বিষয় এলে ইসিকে সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে।

    ২০১১ সালের পর থেকে বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে সীমিত পরিসরে ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করার লক্ষ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের প্রস্তাব করেছে ইসি। সংসদে আরপিও সংশোধনী পাস হলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে সীমিত পরিসরে ইভিএম ব্যবহার করতে চায় ইসি।

    নতুন ইভিএম কেনার জন্য ইসির ৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গত ১৭ সেপ্টেম্বর পাস করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। দেড় লাখ ইভিএম কিনতে ওই প্রকল্পে ৩ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা মোট প্রকল্পে ব্যয়ের ৯২ শতাংশ। আগামী ছয় বছরে তিন পর্যায়ে দেড় লাখ ইভিএম কেনার ঘোষণা দেওয়া হলেও প্রকল্পের দলিল বলছে ভিন্ন কথা। শুধু চলতি অর্থবছরেই ১ হাজার ৯৯৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অর্ধেকের বেশি টাকা চলতি অর্থবছরে খরচ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রকল্প দলিলে আন্তর্জাতিক বাজারে ইভিএমের দাম ২ থেকে ৩ হাজার ডলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ভারত ও বাংলাদেশের ইভিএম
    ইভিএম নির্মাণ করে এমন কয়েকটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, সাধারণত ভোটার ও প্রার্থীসংখ্যা, ভোটার পরিচয় নিশ্চিত করা, ভোট গণনা, সার্ভার-সক্ষমতাসহ বিভিন্ন বিষয়ের স্পেসিফিকেশনের ওপর ইভিএমের দাম নির্ভর করে।

    ভারত ও বাংলাদেশের কেন্দ্রপ্রতি ভোটারের সংখ্যা প্রায় একই রকম। ভোটারদের শিক্ষার হার ও সচেতনতা প্রায় একই পর্যায়ের। দামের এত পার্থক্য থাকলেও বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের ইভিএমের পার্থক্য খুব বেশি নয়। বাংলাদেশের ইভিএমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বা হাতের আঙুলের ছাপ দিয়ে বা স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। ভারতের ইভিএমে এই সুবিধা নেই। তবে ভারতের ইভিএমে ভ্যারিয়েবল পেপার অডিট ট্রেইল (ভিভিপিএটি) সংযুক্ত আছে। কিন্তু বাংলাদেশের ইভিএমে সেই সুবিধা নেই।

    বাংলাদেশের ইভিএমে তিনটি অংশ আছে। এগুলো হলো কন্ট্রোল ইউনিট, ব্যালট ইউনিট ও ডিসপ্লে ইউনিট। ভোটারের নিজেদের পরিচয় নিশ্চিত করতে আঙুলের ছাপ দেওয়া সঙ্গে সঙ্গে ডিসপ্লেতে ওই ভোটার ছবিসহ যাবতীয় তথ্য চলে আসবে। ব্যাটারির মাধ্যমে ইভিএম চলবে। চার্জ থাকবে ৪৮ ঘণ্টা। ইভিএমের সঙ্গে বাইরের কোনো ইন্টারনেট বা এ ধরনের কোনো সংযোগ থাকবে না। ফলে এটি হ্যাক করার কোনো সুযোগ নেই। প্রকল্প দলিলে বলা হয়েছে, ইভিএমের ওয়ারেন্টি ১০ বছর নিশ্চিত করতে হবে।

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, আগামী নভেম্বর মাস থেকে ১৬ লাখ ইভিএম কেনা শুরু করবে ভারতের নির্বাচন কমিশন। নতুন মডেলের ওই ইভিএমে কন্ট্রোল ইউনিট ও ব্যালট ইউনিট—এই দুটি ইউনিট আছে। সর্বোচ্চ ৩৮৪ জন প্রার্থী থাকলেও এই ইভিএমে ভোট নেওয়া সম্ভব হবে। একটি ইভিএমে সর্বোচ্চ দুই হাজার ভোট নেওয়া যাবে। এই ইভিএম ব্যাটারিতে চলবে। ভারতের ইভিএমে ভোট দেওয়ার কক্ষেই একটি স্বচ্ছ বাক্স থাকে। ভোটার ভোট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোন প্রার্থীকে ভোট দিলেন, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইভিএম থেকে একটি কাগজে ছাপা হয়ে স্বচ্ছ বাক্সে পড়বে। মূলত ভোটাধিকারের দলিল বা ব্যালট হিসেবে এটি কাজ করবে। কেউ চ্যালেঞ্জ করলে প্রমাণ হিসেবে এটি রাখা হয়। ভারতের নির্বাচন কমিশন এর আগে ২০০৬ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে যেসব ইভিএম ব্যবহার করেছিল, সেগুলোর দাম ছিল ৮ হাজার ৬৭০ রুপি করে।

    ইভিএম প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ইসির জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. সাইদুল ইসলাম। তিনি বলেন, দাম নির্ভর করে যন্ত্রাংশের মান ও ‘কনফিগারেশনের’ ওপর। তাঁরা সবচেয়ে মানসম্পন্ন ইভিএম তৈরি করছেন, যাতে ১০-১৫ বছর ব্যবহার করা যায়। ইভিএমের দাম বেশি পড়ছে না। যুক্তরাষ্ট্রে ইভিএমের দাম প্রায় চার হাজার ডলার। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তাঁরা তুলনা করে দেখেছেন, বাংলাদেশের ইভিএমের দাম তুলনামূলক কম পড়ছে।

    বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে নতুন ইভিএম সরবরাহ করবে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ)। ইতিমধ্যে চীন ও হংকং থেকে ইভিএমের মূল যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ আনার প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে বিএমটিএফ। সাধারণ ঋণপত্র খুলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। তবে আমদানির প্রক্রিয়া ভিন্ন বলে ট্রাস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ইভিএম আমদানির জন্য এ ক্ষেত্রে বিশেষ অনুমোদন দিতে হয়েছে।

    এর আগে এ টি এম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন বাংলাদেশে প্রথম ইভিএম ব্যবহার করে। ওই ইভিএম তৈরি করেছিল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। বুয়েটের তৈরি ইভিএমে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন পুরোপুরি ইভিএমে হয়েছিল। ওই ইভিএমে বায়োমেট্রিকের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করার ব্যবস্থা ছিল না। ভিভিপিএটি সুবিধাও ছিল না।

    ওই ইভিএম তৈরির নেতৃত্বে ছিলেন বুয়েটের অধ্যাপক এস এম লুৎফুল কবির। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের জন্য বুয়েট ১ হাজার ১০০টি ইভিএম তৈরি করেছিল। প্রতিটি ইভিএমের খরচ পড়েছিল ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। বৃহৎ আকারে উৎপাদনে গেলে খরচ আরও কমে যেত। ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে ভোটার পরিচয় নিশ্চিত করা, ভিভিপিএটি সুবিধা যুক্ত করে ৪০-৫০ হাজার টাকার মধ্যে ইভিএম তৈরি করা সম্ভব। তিনি বলেন, বৈশিষ্ট্যের কারণে ইভিএমের দামের তুলনা করা কঠিন। কিন্তু প্রতিটি ইভিএমের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ধরা হলে তা একটু অস্বাভাবিকই।

    কমিটির সুপারিশ মানা হয়নি
    ইভিএম কেনার প্রকল্প প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে, ইভিএম তৈরির জন্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে কারিগরি ও পরামর্শক কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) নমুনা ইভিএম তৈরি করেছে। তবে ইসির এই বক্তব্য পুরোপুরি সঠিক নয়।

    নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, নতুন ইভিএম পর্যালোচনার জন্য অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীকে উপদেষ্টা করে একটি কারিগরি কমিটি গঠন করে ইসি। ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর তাদের প্রথম বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে নতুন ইভিএমের নমুনা দেখানো হয়। বৈঠকে জানানো হয়, নতুন ইভিএম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুজন অধ্যাপকের পরামর্শে পোল্যান্ডের একদল কারিগরি সদস্যের সহায়তায় তৈরি করা হয়। ওই বৈঠকে নতুন যন্ত্রে ভোটার ভ্যারিয়েবল পেপার অডিট ট্রেইল (ভিভিপিএটি) যুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি কমিটির আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আবারও পেপার ট্রেইলের ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে বলা হয়, ভোটারদের আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতার জন্য ইভিএমের সঙ্গে পেপার অডিট ট্রেইলের ব্যবস্থা করা যায়, যাতে ভোট দেওয়াসংক্রান্ত তথ্যের হার্ড কপি ভোট প্রদান শেষে সংরক্ষণ করা যায়। কিন্তু নতুন যে ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলোতে এই সুবিধা নেই।

    এ বিষয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের মহাপরিচালক সাইদুল ইসলাম বলেন, কারিগরি কমিটি পেপার ট্রেইলের সুপারিশ করেছিল। কিন্তু উপকমিটি দেখেছে, পেপার ট্রেইল যুক্ত করে অনেকে ঝামেলায় পড়েছে। ভারতে ১৫-১৮ শতাংশ কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করতে হয়েছে পেপার ট্রেইলে সমস্যার কারণে। পেপার ট্রেইল মূলত ভোটারের মানসিক শান্তির জন্য যুক্ত করা হয়। এই ইভিএমে ভোটার যে মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য ঠিক করবেন, সে মার্কা স্ক্রিনজুড়ে বড় হয়ে ভেসে উঠবে। এটি ইলেকট্রনিক্যালি করা হয়েছে পেপারে না যাওয়ার জন্য।

    জানতে চাইলে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, কারিগরি কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ইভিএম প্রস্তুত করা হয়েছে—এই বক্তব্য আংশিক সত্য। তিনি কমিটির দুটি বৈঠকে অংশ নেন। তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেছিলেন, মেশিন ঠিক আছে। কিন্তু মেশিনের সঙ্গে ভিভিপিএটি যুক্ত করতে হবে। ভিভিপিএটি ছাড়া মেশিন গ্রহণযোগ্য হবে না।

    জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে কারিগরি কমিটিকে জিজ্ঞাসা না করে ইসি সামনের দিকে এগিয়ে গেছে। একটি সাব-কমিটি বৈঠক করে কারগরি কমিটির ওই সুপারিশ বাদ দিয়েছে। সুতরাং এখানে আমার নাম ব্যবহার করা ইসির ঠিক হচ্ছে না।

  • বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশ

    বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশ

    শেখ সুমন :

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অনান্য নেতৃবৃন্দকে দণ্ডিত করার প্রতিবাদে বরিশালে পুলিশের কঠোর বেষ্টনীতে পৃথকভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মিছিল করার চেস্টা করেছে স্বেচ্ছাসেবক দল।

    কেন্দ্রিয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে সোমবার সকাল ১০টায় কঠোর পুলিশী বেস্টনীতে নগরীর সদর রোডের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপনের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দক্ষিন জেলা বিএনপি’র সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি সাবেক এমপি মেজবাউদ্দিন ফরহাদ। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলেল সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জনিসহ অন্যান্যরা।

    এদিকে, কেন্দ্রিয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় একই স্থানে পুলিশ বেস্টনীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল। মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান পিন্টুর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি জাহিদুল ইসলাম সমির, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক খান মো. আনোয়ার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশেদ সহ অন্যান্যরা।

    সমাবেশ শেষে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তাদের বাঁধা দেয় পুলিশ। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাদানুবাদ হলেও শেষ পর্যন্ত তাদের মিছিল করতে দেয়নি পুলিশ। এদিকে, স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ কর্মসূচী উপলক্ষ্যে বিএনপি কার্যালয়ের আশপাশ সহ সদর রোডে মোতায়েন ছিলো বিপুল সংখ্যক পুলিশ।

  • হাসানাত আব্দুল্লাহর সাথে সাক্ষাত করেন কাউন্সিলর সাবিদ।

    হাসানাত আব্দুল্লাহর সাথে সাক্ষাত করেন কাউন্সিলর সাবিদ।

    শেখ সুমন:

    পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী),স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি , বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর সাথে স্বাক্ষাত করেন মহানগর ছাত্রলীগ এর সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, মহানগর যুবলীগ সদস্য,নব নির্বাচিত ১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুর রহমান সাবিদ। এসময় তিনি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর কাছ থেকে ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করার জন্য পরামর্শ গ্রহন করেন।

    এই প্রতিবেদকের সাথে একান্ত আলাপকালে সাবিদ বলেন, আমার ওয়ার্ডের সকল ভোটারকে ধন্যবাদ জানাই আমাকে নির্বাচিত করার জন্য। আওয়ামীলীগের সকল নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানাই আমাকে সার্বিক ভাবে সহযোগীতা করার জন্য।

    আর আমার রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তিনি সর্বদা আমাকে পরামর্শ ও উপদেশ দিয়েছেন। আমি চাই বরিশাল মহানগরীর ভিতরে উন্নয়নের রোল মডেল হবে আমার ওয়ার্ড।