Category: রাজণীতি

  • খালেদার জামিন আবেদন বিধি সম্মত হয়নি : হাইকোর্ট

    খালেদার জামিন আবেদন বিধি সম্মত হয়নি : হাইকোর্ট

    নাশকতার অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কুমিল্লার বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় জামিন আবেদন বিধি সম্মত না হওয়ায় আবারও জামিন চাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, বিচারিক আদালতের জামিন আবেদন খারিজ করে দেয়ার যে আদেশটি রয়েছে সেটি জামিন আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করার জন্য বলা হয়েছে।

    রাষ্ট্রপক্ষের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এসএম মুজিবর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. বশিরউল্লাহ। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, কায়সার কামাল ও এ কে এম এহসানুর রহমান।

    ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. বশিরউল্লাহ জানান, কুমিল্লায় বিশেষ ক্ষমতার আইনে করা নাশকতার মামলায় খালেদা জিয়াকে জামিন চেয়ে পুনরায় সম্পূরক আবেদন করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    তিনি জানান, আজ আদালতের শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন, কুমিল্লার আদালতে জামিন নামঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে তারা যখন আপিল আবেদন করেন তখন (অধস্তন) বিচারিক আদালতের আদেশের সার্টিফায়েড কপি আবেদনের সঙ্গে যুক্ত করেননি।

    হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আপিল আবেদনের সময়ই অধস্তন আদালতের সার্টিফায়েড কপি সংযুক্ত করার (রুলস) বিধান রয়েছে। কিন্তু তারা তা করেননি। খালেদার জামিন আবেদনের সঙ্গে, দ্বিতীয় দিন ওই কপি সম্পূরক হিসেবে সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তাই আবেদনটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় দাখিল হয়নি বলে আপত্তি তোলা হয়েছে।

    পরে আদালত খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীকে ডেকে এই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে পুনরায় সম্পূরক আপিল আবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

    এর আগে ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামে একটি কাভার্ডভ্যানে অগ্নিসংযোগ ও আশপাশের বেশ কিছু যান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে বাস পোড়ানোর ঘটনায় ১৫ ফেব্রুয়ারি মামলা করা হয়। একই বছরের ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে আট যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় ৩ ফেব্রুয়ারি চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলাটি করে পুলিশ।

    ২০১৭ সালের ২ মার্চ ওই মামলায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে এ মামলায় জামিন চাইলে কুমিল্লার বিচারিক আদালত গত ১৩ সেপ্টেম্বর তা খারিজ করে দেন। পরে সে আদেশের বিরুদ্ধে গত ২ অক্টোবর জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আপিল আবেদন জমা দেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

    উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি এখন সেখানেই আছেন।

  • মেয়েকেই জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত বানাবেন ট্রাম্প

    মেয়েকেই জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত বানাবেন ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মেয়ে ইভাঙ্কাকেই জাতিসংঘের পররবর্তী রাষ্ট্রদূত বানাবেন। ইরানের প্রেস টিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেছেন আমেরিকার রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভেটারান্স টুডে পত্রিকার সিনিয়র সম্পাদক গর্ডন ডাফ। খবর রেডিও তেহরানের

    গত মঙ্গলবার বর্তমান রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এরপর দিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ইভাঙ্কা জাতিসংঘ রাষ্ট্রদূতের পদের জন্য শ্রদ্ধার পাত্র হবেন না। এছাড়া, আমাকেও স্বজনপ্রীতির জন্য অভিযুক্ত করা হবে। তবে একথা ঠিক যে, বিশ্বের যে কোন ব্যক্তির চেয়ে ইভাঙ্কা এ পদের জন্য বেশি যোগ্য।

    আকস্মিকভাবে নিকি হ্যালির পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

    এ প্রসঙ্গে গর্ডন ডাফ বলেন, নিকি হ্যালি মূলত জাতিসংঘে নানা বক্তব্যের মাধ্যমে আমেরিকাকে হাসির খোরাকে পরিণত করেছেন এবং জাতিসংঘে হ্যালি ছিলেন সবার ঘৃণার ব্যক্তি। এ অবস্থায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন তার মেয়ে ইভাঙ্কা এবং জামাই জারেড কুশনারকে দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক ব্যর্থ নীতি বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন।

    তবে কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কিছু হবে না। বরং নির্বাচন শেষ হলে ট্রাম্প তার মেয়েকে জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেবেন। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক নীতি ট্রাম্প তার নিজের হাতে রেখেই বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা করছেন।

  • আগামীতে কী ঘটে অপেক্ষা করুন: জাপা মহাসচিব

    আগামীতে কী ঘটে অপেক্ষা করুন: জাপা মহাসচিব

    রাজনীতিতে কোনো শেষ কথা নেই বলে মন্তব্য করে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, আগামী দিনে কী ঘটে, আপনারা তার জন্য অপেক্ষা করেন।

    রবিবার বনানীর দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, জাতীয় পার্টি ৩০০ আসনে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে তাদের জোটের শরিকদের প্রার্থী তালিকাও তাঁরা এরই মধ্যে সংগ্রহ করেছেন।

    জাপা মহাসচিব বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আমরাও একটা চমক দিতে পারব বলে আশা করছি। রাজনীতিতে কোনো শেষ কথা নাই। কেউ চিরশত্রু না, কেউ চিরমিত্র না। আগামী দিনে কী ঘটে, আপনারা তার জন্য অপেক্ষা করেন।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনের এক মাস, দেড় মাস, দুই মাস আগে এই রকমই হয় সব সময়। সুতরাং এটা এনজয় করুন, অপেক্ষা করুন।

  • শিশুদের সুশিক্ষা না দিলে বিপদজ্জনক হয়ে উঠতে পারে

    শিশুদের সুশিক্ষা না দিলে বিপদজ্জনক হয়ে উঠতে পারে

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, আজকের শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। এই শিশুদের সুশিক্ষা না দিলে, তাদের খাদ্যের নিরাপত্তা, তাদের বিনোদনের প্রয়োজনীয়তা না দিতে পারলে এই শিশুরা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

    মাদক, চোরাচালানসহ অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজে এখনও শিশুদের ব্যবহার করা হচ্ছে। এটা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য সুখকর বিষয় নয়।

    রবিবার দৈনিক ইত্তেফাকে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ শিশু সুরক্ষা ও উন্নয়ন : এস.ও.এস শিশু পল্লীর ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    রাশেদ খান মেনন বলেন, শুধু সরকারকেই দোষ দিলে চলবে না। শিশুদের জন্য সরকারিভাবে নানা ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমরা শিশুদের জন্য অনেকগুলো আইন করা হয়েছে। শিশু শ্রম বন্ধে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, শিশুদের ভাতা দেয়া হচ্ছে,মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের কারিগরি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। শিশুদের মানসিক বিকাশে বাংলা একাডেমির মাধ্যমে সরকার এ বছর প্রায় ৩৫ হাজার শিশুকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

    তিনি বলেন, বাংলা একাডেমি কর্তৃক এ বছরের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দুই লাখের বেশি শিশু প্রার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। শিশুদের জন্য হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে, স্বাস্থ্য সেবায় প্রতিবন্ধী শিশুদের বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সরকারের এই ভালো কাজগুলোর পাশাপাশি শিশুদের জন্য গণমাধ্যম কর্মীদের এগিয়ে আসতে হবে। সংবাদপত্রে কেবল মুখরোচক খবর আর নায়ক নায়িকাদের রঙিন ছবি দেখালেই হবে না, তাদের সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের কথাও তুলে ধরতে হবে।

    দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম এনডিসি।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসওএস আন্তর্জাতিক শিশু পল্লী বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিরেক্টর গোলাম আহমেদ ইসহাক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসওএস এর পরিচালক চায়না রানী সাহা।

  • গ্রেনেড হামলার রায়ে শেখ হাসিনার শুকরিয়া আদায়

    গ্রেনেড হামলার রায়ে শেখ হাসিনার শুকরিয়া আদায়

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন।

    তিনি বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার হয়েছে। খুনিরা সাজা পেয়েছে। এজন্য আমরা মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি। গ্রেনেড হামলারও বিচার হয়েছে। ২১ আগস্ট সেই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের আসামি তারা। একাত্তরে জামায়াত যেমন গণহত্যা চালিয়েছে তারই ধারাবাহিকতায় বিএনপিও গণহত্যা চালিয়েছে। এরা সুযোগ পেলেই মানুষ খুন করে।

    রোববার শরীয়তপুরের শিবচরে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মো. শামসুদ্দিন খানের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, নূরে আলম চৌধুরী লিটন প্রমুখ।

    শেখ হাসিনা বলেন, এরা শুধু মানুষ হত্যা নয়, দুর্নীতিতেও চ্যাম্পিয়ন। বিএনপি আমলে বাংলাদেশ পাঁচ-পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এছাড়া লুটপাট, মানি লন্ডারিংয়েও সেরা। বাংলাদেশের টাকা মানি লন্ডারিং করতে গিয়ে কোকো, তারেক ধরা পড়েছে আমেরিকায়। ধরা পড়েছে সিঙ্গাপুরে। আমরা কিছুটা উদ্ধার করেছি।

    তিনি বলেন, বিডিআরের যে হত্যাকাণ্ড হলো। ঐদিন সকাল সাড়ে ৭টায় তারেক রহমান খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলে। খালেদা জিয়া ১২টার আগে ঘুম থেকে উঠে না। ঐদিন সকাল ৭টার মধ্যে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে সে পালিয়ে যায়, আন্ডারগ্রাউন্ডে যায়, কোথায় গিয়েছিল তা জানা যায়নি।

    এর পরপরই বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে ঐ বিএনপি-জামায়াতেরও হাত ছিল। ৫৭ জন অফিসার মারা গেছেন। এর মধ্যে ডিজিসহ ৩৬ জন অফিসার আওয়ামী পরিবারের। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যে তারা জড়িত তাতে কোনো সন্দেহ নেই। নইলে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে আন্ডারগ্রাউন্ডে পালিয়ে গেলো এক মাস ঐ বাসায় ফেরেনি। এর দায়ও তাকে নিতে হবে।

  • এটা জোট নয়, এটা ঘোঁট: ইনু

    এটা জোট নয়, এটা ঘোঁট: ইনু

    ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের সমালোচনা করে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, এটা জোট নয়, এটা ঘোঁট। ঘোঁট পাকানোর মধ্য দিয়ে দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছেন তাঁরা।’ ইনু বলেন, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস-যুদ্ধাপরাধী এবং স্বীকৃত দুর্নীতিবাজকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গণতন্ত্র উদ্ধারের ঘোষণা জাতির সঙ্গে ঠাট্টা-মশকরা।

    আজ রোববার সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

    গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গতকাল শনিবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।গতকাল সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এই ফ্রন্টের ঘোষণায় নির্বাচনের আগে সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দিয়ে সর্বদলীয় গ্রহণযোগ্য সরকার গঠন এবং খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দীর মুক্তি দাবি করা হয়। এ সময় বিএনপি, জেএসডি ও নাগরিক ঐক্যের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তবে সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বা তাঁর দল বিকল্পধারার কোনো নেতাকে দেখা যায়নি। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে ৭ দফা দাবি ও ১১টি লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়।

    তথ্যমন্ত্রী ইনু বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা ও ১১ লক্ষ্যের আড়ালে জঙ্গি, সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এটা অস্বাভাবিক সরকার আনার প্রস্তাব।

    গতকাল জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ঘোষিত সাত দফার প্রথম দফাতেই সরকারের পদত্যাগ, জাতীয় সংসদ বাতিল, আলোচনা করে নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দীর মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি করা হয়।

    ইনু বলেন, বাংলাদেশে কোনো রাজবন্দী নেই। যারা আছেন, তাঁরা সবাই অপরাধী। খালেদা জিয়া দুর্নীতিবাজ, সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী। তারেক রহমান খুনি, দুর্নীতিবাজ ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এই জোটটা হচ্ছে এসব চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসীকে মুক্ত করার প্রকল্প।

  • দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

    দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বহু ষড়যন্ত্রের পরও পদ্মা সেতু আজ দৃশ্যমান। যারা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে এবং দেশকে এগিয়ে যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, এভাবেই তাদের যথাযথ জবাব দেওয়া হবে।

    ইউএনবি জানায়, দেশের বৃহত্তম অবকাঠামো পদ্মা সেতু প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করতে গিয়ে আজ রোববার মুন্সিগঞ্জের মাওয়া টোলপ্লাজা–সংলগ্ন গোলচত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বাসসের খবরে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেখানে দেশের রেল খাতের নতুন দিকের উন্মোচনে ‘পদ্মা সেতু রেলসংযোগ নির্মাণ প্রকল্পের’ উদ্বোধন করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী সেতুর মাওয়া প্রান্তে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে ‘পদ্মা সেতু রেলসংযোগ নির্মাণ প্রকল্পের’ আওতায় ঢাকা ও যশোরের মধ্যে রেল সংযোগের এই নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক রেলসংযোগ প্রকল্পের মডেল সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

    মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সাংসদ, সেনাবাহিনী প্রধান, আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা, পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    দেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও উন্নয়নের পাশাপাশি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ১৫ আগস্টের হত্যাযজ্ঞে শহীদ লোকজনের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

    রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে পদ্মা বহুমুখী সেতু দিয়ে জাজিরা ও শিবচর হয়ে মাওয়া ও ভাঙার মধ্যে রেলসংযোগ স্থাপিত হবে। এর মাধ্যমে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, নড়াইল ও যশোরের মধ্যে রেলসংযোগ স্থাপিত হবে।

    চীন সরকার মনোনীত নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিডেট চীন জিটুজি ব্যবস্থায় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ খাতে চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে ২৬৬৭ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন ডলারের একটি ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ২৩ কিলোমিটার এলিভেটেড রেলপথ নির্মিত হবে। এতে একাধিক এলিভেটরসহ দুটি প্লাটফর্ম, একটি মেইন লাইন ও দুটি লুপ লাইন নির্মাণ করা হবে।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বুয়েট) এই প্রকল্পে পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে বেলা ১১টার দিকে মাওয়ায় পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রী প্রথমে পদ্মা সেতুর নামফলক এবং মাওয়া অংশে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার সেতুর কাজের ৬০ শতাংশ অগ্রগতি উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি মাওয়া-কান্দিপাড়া-জসোলদিয়া এলাকায় ১ হাজার ৩০০ মিটার নদীতীর স্থায়ী সুরক্ষা কাজের উদ্বোধন করেন।

    এই সেতু নির্মাণে অনুমিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা এবং এর মধ্যে এই পর্যন্ত ১২ হাজার ৯৭২ দশমিক ৪৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

    কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন, সেতুর নির্মাণকাজ সন্তোষজনক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এবং এর সার্বিক অগ্রগতি ৬০ শতাংশ এবং মূল সেতুর দৃশ্যমান অগ্রগতি ৭০ শতাংশ। তাঁরা বলেন, সেতুর ৫ম স্প্যান স্থাপন করায় সেতুর মূল কাঠামোর ৭৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। সেতুটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উপাদানে নির্মিত হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলেন, সেতুটি স্টিল এবং কনক্রিট কাঠামোয় তৈরি হচ্ছে এবং যানবাহন ওপরের ডেক দিয়ে এবং রেল নিচের ডেক দিয়ে চলাচল করবে।

    সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে দক্ষিণাঞ্চলীয় ১৯ জেলার সঙ্গে ঢাকার সরাসরি সড়ক ও রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে।

    প্রধানমন্ত্রী ঢাকা (যাত্রাবাড়ী)-মাওয়া এবং পাচ্চর-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শন করেন। এই প্রকল্প ২০১৬ সালের ৩ মে একনেকে অনুমোদন করা হয়।

    ৫১ কিলোমিটার হাইওয়ে আধুনিক যান চলাচলের ডিজাইনে ২ লেন থেকে ৪ লেনে উন্নীত করা হয়েছে এবং এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার ৮৫২ দশমিক ২৯ কোটি টাকা। এতে হাইওয়ের উভয় পাশে ধীরগতির যানবাহনের জন্য ৫ দশমিক ৫ মিটার প্রশস্ত পৃথক লেন এবং হাইওয়ের মাঝখানে ৫ মিটার প্রশস্ত সড়কদ্বীপ রয়েছে। এই সড়কদ্বীপ ব্যবহার করে মেট্রো রেল এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
    পাশাপাশি ৫৪টি কালভার্ট, ২০টি আন্ডারপাস, ৪টি সেতু, ২৫টি ছোট সেতু, ৫টি উড়াল–সেতু, ২টি ক্রসিং, ৪টি রেলওয়ে আন্ডারপাস রয়েছে। এসব সুযোগ-সুবিধা যুক্ত হওয়ার পর এটি এক্সপ্রেসওয়েতে রূপান্তরিত করা হবে।
    প্রধানমন্ত্রী পরে মাওয়া টোলপ্লাজা–সংলগ্ন মাওয়া গোলচত্বরে সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর জাজিরা অংশ পরিদর্শন এবং সেখানে প্রথমে সেতুর অগ্রগতির কাজের উদ্বোধন করার কথা ।

  • এসডিজি অর্জনে তরুণেরাই হবেন প্রধান হাতিয়ার

    এসডিজি অর্জনে তরুণেরাই হবেন প্রধান হাতিয়ার

    নাগরিক প্রতিনিধিরা বলেছেন, বাংলাদেশকে ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে হবে। এসডিজির ১৭টি অভীষ্টের মধ্যে ১০টিরও বেশি অভীষ্ট সরাসরি তরুণদের উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই অভীষ্ট অর্জনে তরুণদের জ্ঞান, উদ্ভাবন ও উদ্দীপনার সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তরুণেরাই হবেন উন্নয়নের প্রধান সুবিধাভোগী ও অংশীজন।

    আজ রোববার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় যুব সম্মেলন ২০১৮। ‘বাংলাদেশ ও এজেন্ডা ২০৩০: তারুণ্যের প্রত্যাশা’ শীর্ষক দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করে ‘এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ’। এ দেশে এসডিজি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগে অবদান রাখার প্রয়াসে ২০১৬ সালে সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এর ৮৭টি সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসডিজির বিভিন্ন অভীষ্ট নিয়ে কাজ করছে।

    যুব সম্মেলনে বক্তৃতা করেন বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী। ঢাকা, ১৪ অক্টোবর। ছবি: সাজিদ হোসেনযুব সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী। তিনি বলেন, উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সরকার সমাজের কাউকে পিছিয়ে রেখে যেতে চায় না। দরিদ্র, দুর্বল, বয়স্ক ব্যক্তিদের সামাজিক সুরক্ষা নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে। এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তরুণেরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। সরকার কী করবে সেটি চিন্তা না করে, তরুণেরা নিজেরা উদ্যোগী হয়ে কী করবে—সেটি চিন্তা করতে হবে।

    এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, দেশের জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ যুব সমাজ। এই প্রতিশ্রুতিশীল যুব সমাজের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। দেশের উচ্চশিক্ষিতদের প্রতি তিনজনে একজন বেকার। মানসম্পন্ন শিক্ষার অভাব যুব সমাজের জন্য অমোচনীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি মনে করেন, যুব সমাজের উপযুক্ত ব্যবহার করতে না পারা বিরাট জাতীয় অপচয়।

    কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে যুব সম্মেলনে বক্তব্য দেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। ঢাকা, ১৪ অক্টোবর। ছবি: সাজিদ হোসেনএসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের কোর গ্রুপ সদস্য ও মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকার হিসেবে পাওয়া বাংলাদেশকে বাঁচাতে সচেতন থাকতে হবে। দেশকে দুর্বৃত্তদের হাতে যেন ছেড়ে দেওয়া না হয়। দেশে দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতি চলছে। এ রাজনীতি থেকে কীভাবে দেশকে মুক্ত করা যায় তরুণদের সেই উদ্যোগ নিতে হবে।

    উদ্বোধনী পর্বে আরও বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদিপ্ত মুখার্জি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেত, এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সমন্বয়ক আনিসাতুল ফাতেমা ইউসুফ। যুব ব্যক্তিত্বদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন এবং ৫৯তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে স্বর্ণপদক বিজয়ী আহমেদ জাওয়াদ চৌধুরী।

    যুব সম্মেলনে বক্তব্য দেন সুলতানা কামাল। ঢাকা, ১৪ অক্টোবর। ছবি: সাজিদ হোসেনদিনব্যাপী সম্মেলনে মোট আটটি অধিবেশন হয়। সকালে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা, অংশগ্রহণমূলক যুব নেতৃত্ব, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ, মানসম্মত শিক্ষা শীর্ষক চারটি অধিবেশন সমান্তরালে অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, সুশাসন ও আইনের প্রয়োগ, উগ্রবাদ ও মাদকাসক্তি প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও স্যানিটেশন শীর্ষক আরও চারটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

  • জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের টাকা ঢালাও খরচ না করার সুপারিশ

    জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের টাকা ঢালাও খরচ না করার সুপারিশ

    জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের টাকা ঢালাওভাবে খরচ না করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। পাশাপাশি এলাকার গুরুত্ব ভেদে আনুপাতিক হারে প্রকল্প নেয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।

    রোববার (১৪ অক্টোবর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ৪৩তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

    বৈঠকে জীববৈচিত্র রক্ষা, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে পরিবেশের উপর বিরুপ প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার সুপারিশ করা হয়।

    বৈঠকে নবম জাতীয় সংসদের প্রথম থেকে শেষ অধিবেশন পর্যন্ত এবং দশম জাতীয় সংসদে সর্বশেষ অধিবেশন পর্যন্ত সময়ে সংসদের ফ্লোরে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দেয়া প্রতিশ্রুতি নিয়ে আলোচনা হয়।

    সংসদে সর্বশেষ অধিবেশন পর্যন্ত সংসদের ফ্লোরে পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে মোট ২২টি প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। এরমধ্যে ১৫ প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকি প্রকল্পের কাজ চলমান। নবম জাতীয় সংসদে মন্ত্রীর দেয়া দুই প্রতিশ্রুতির কাজ চলমান রয়েছে।

    বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে কমিটি। মন্ত্রণালয়ে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করে যথাসময়ে প্রকল্প শেষ করে অতিরিক্ত ব্যয় কমানোর সুপারিশ করা হয় বৈঠকে।

    কমিটির সভাপতি মো. আব্দুস শহীদের সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মো. রহমত আলী, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি বৈঠকে অংশ নেন।

  • জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে ৫০১ চিকিৎসকের অভিনন্দন

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে ৫০১ চিকিৎসকের অভিনন্দন

    নবগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাঁচ শতাধিক চিকিৎসক। আজ (রোববার) বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিনন্দন জানানো হয়।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধার আন্দোলনের জন্যে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারের পদত্যাগ, জাতীয় সংসদ বাতিল, আলোচনা করে নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দির মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ ৭ দফা ও ১১টি লক্ষ্যের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পথচলা শুরু হওয়ায় চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে ঐক্যজোটের নেতাদের সাধুবাদ ও অভিনন্দন।

    বিবৃতিতে বলা হয়, সচেতন পেশাজীবী চিকিৎসকসমাজ আশা করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধার, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনগণের ঐক্যের আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশবাসীকে এই দুঃশাসন থেকে মুক্তির পথ দেখাবে। এ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট দেশে জনগণের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন, জনগণের মানবাধিকারসহ সকল মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করিবে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আগামীতে দেশের জনগণ ও সকল রাজনীতিবিদ, পেশাজীবী, ছাত্র-শ্রমিক জনতার সহিত চিকিৎসক সমাজ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এদেশে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে একটি গণতান্ত্রিক ও সুশাসনভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা, সামজিক নিরাপত্তা ও স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করবে বলে চিকিৎসকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।