Category: রাজণীতি

  • বিএনপির দাবি মেনে নিতে বাধ্য হবে: মওদুদ

    বিএনপির দাবি মেনে নিতে বাধ্য হবে: মওদুদ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেছেন, আগামী এক মাসে অনেক পরিবর্তন আসবে। এক মিনিটের ব্যবধানে সংলাপে বসতে সরকার বাধ্য হবে। সরকার যদি ভাবে জোর করে ক্ষমতায় থাকবে, এবার এটি সম্ভব হবে না।

    আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনা সভায় মওদুদ আহমদ এ মন্তব্য করেন। ‘আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: কোন পথে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে ‘চেতনা বাংলাদেশ’ নামের একটি সংগঠন।

    মওদুদ আহমদ বলেন, জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে অপসারণ করা হবে। জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। এই ঐক্য নষ্ট করতে সরকার অনেক ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী ও জোরদার হবে। সারা বাংলাদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা হবে। কারণ একটি স্বৈরাচার সরকারকে সরাতে হলে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের পরিবেশ সুপরিকল্পিতভাবে নষ্ট করতে ক্ষমতাসীনেরা একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যার কারণে বিএনপির সক্রিয় কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

    সাবেক মন্ত্রী মওদুদ আহমদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভয়েস অব আমেরিকার একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বাংলাদেশে নির্বাচনের জন্য সুন্দর পরিবেশ আছে। কথাটি সত্য নয়। কারণ বাংলাদেশে কোনো সাধারণ নির্বাচন করার ন্যূনতম পরিবেশ এখন নেই। তিনি আরও বলেন, ভোটের জন্য ন্যূনতম পরিবেশ থাকা প্রয়োজন। সরকার এটা চায় না। কেন চায় না? কারণ সরকারের উদ্দেশ্য খুব খারাপ। তারা আগের মতো আরেকটা নির্বাচন করতে চায়। একদলীয়ভাবে একটা নির্বাচন করতে চায়। বিএনপিকে বাইরে রেখে নির্বাচন করতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশের মাটিতে এটা আর কোনো দিন হতে দেওয়া হবে না।

    নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে মওদুদ আহমদ বলেন, বিএনপি উপযুক্ত কর্মসূচি দেবে। যে কর্মসূচির মাধ্যমে এই সরকারের পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। পরিস্থিতি বলে দেবে, কী ধরনের কর্মসূচি দিতে হবে। আগামী এক মাসে অনেক পরিবর্তন দেখতে পারবেন।

    নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে মওদুদ আহমদ বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার বলতে সংবিধানে কিছুই নেই। তার মানে, সরকার সংবিধান থেকে সরে আসতে চাচ্ছে। সরে এসে একটি নির্বাচনকালীন সরকার করবে। এটি হবে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য। প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। প্রশাসন, পুলিশ ও র‍্যাব তাঁদের অধীনে থাকবে। তাঁদের অধীনেই নির্বাচন হবে। তবে নাম দেওয়া হবে নির্বাচনকালীন সরকার। মুখে বলবে রুটিন অনুযায়ী কাজ করার কথা, কিন্তু সংবিধান তো বলে না যে তাঁরা রুটিন অনুযায়ী কাজ করবে।

    সরকারের উদ্দেশে মওদুদ আহমদ আরও বলেন, সরকার সংবিধান থেকে যদি সরে আসতে রাজি হয়, তাহলে বিএনপির প্রস্তাব মানতে অসুবিধা কোথায়? সংবিধান তো কোনো দিন বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। অতীতেও বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিচারপতি সাহাবুদ্দিনকে প্রধান বিচারপতি রেখে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেটা অসাংবিধানিক ছিল। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একাদশ সংশোধনী এনে তাঁকে বৈধতা দেওয়া হলো। তিনি বলেন, যতই অত্যাচার ও নির্যাতন করা হোক না কেন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করতে পারবে না। আর নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনেই সরকার একদলীয়ভাবে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে। যত পারেন পোস্টার ও ব্যানার লাগান, কিন্তু ভোট নেই।

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফরহাদ হালিম প্রমুখ আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শামীমা রহিমের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন।

  • অনেক হয়েছে, এনাফ ইজ এনাফ: ফখরুল

    অনেক হয়েছে, এনাফ ইজ এনাফ: ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যেখানে দেশের জনগণ চায় না, সেখানে বিশ্ব নেতারা চাইলে কি বেশি দিন টিকে থাকা যায়? জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাদ দিয়ে, তাদের এড়িয়ে কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। অবশ্যই জনগণ যা চায়, সেভাবে কাজ করতে হবে। অনেক হয়েছে, এনাফ ইজ এনাফ।

    সুপ্রিম কোর্টের শহীদ এ কে এম সিদ্দিক হলে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের (বিএসপিপি) সমাবেশে মির্জা ফখরুল এ মন্তব্য করেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিরোধী দলের নেতা-কর্মী ও পেশাজীবীদের নামে ‘ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা ও গায়েবি মামলায়’ হয়রানির প্রতিবাদে সমাবেশটির আয়োজন করা হয়।

    জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান শেষে অভিজ্ঞতা জানাতে গত বুধবার গণভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁর বৈঠক হয়েছে। এসব বৈঠকে বিশ্ব নেতারা তাঁকে আবারও ক্ষমতায় দেখতে চেয়েছেন বলে তিনি জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দয়া করে মাথার মধ্যে একটু শুভবুদ্ধি নিয়ে আসুন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন এবং জনগণকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দিন। খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন, তাঁকে মুক্তি না দিলে আপনাদেরও মুক্তি নেই। আপনারাও মুক্তি পাবেন না। তিনিই শেষ ভরসা, যাঁকে মুক্ত করলে আপনারা মুক্ত থাকতে পারবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ কথাটা আমি সিরিয়াসলি বলছি, তিনিই শেষ ভরসা। তিনিই গণতন্ত্রের একমাত্র প্রতিনিধি। তিনি পারবেন একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করতে। তাঁকে বের করে নিয়ে আসুন, না হলে এই দেশে যে সংকট তৈরি হবে, সে সংকট আপনারা মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হবেন।’

    প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপিকে ভয় কেন? জনগণকে এত ভয় কেন? কেন আপনারা সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে চান না? কেন নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে চান না? কারণ আপনি জেনে গেছেন, আপনার জনপ্রিয়তা শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। আপনি জেনে গেছেন, সবাই এখন দেখছে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের আর কোনো রাজনীতি নেই। ভাবতেই অবাক লাগে আওয়ামী লীগের মতো একটি রাজনৈতিক দল দীর্ঘকাল রাজনৈতিক সংগ্রাম করা একটি দল, তারা আজ সম্পূর্ণভাবে জনগণ থেকে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে শুধু রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর নির্ভর করে দেশ চালাচ্ছে।’

    আয়োজক সংগঠনের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবদীন, শওকত মাহমুদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, আইনবিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া প্রমুখ।

  • বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় : শ্রিংলা

    বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় : শ্রিংলা

    ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশের জনগণই ঠিক করবে তারা কি করবে। এ বিষয়ে ভারতের কোনো বক্তব্য নেই।

    শুক্রবার চাঁদপুরের ফরক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজের মহাত্মা গান্ধি ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি এদেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশ দিন দিন এগিয় যাচ্ছে। পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, পাওয়ার প্ল্যান্টসহ বড় বড় প্রকল্পের কাজ চলছে।

    রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদে তাদের অবস্থানে ফিরিয়ে দিতে হবে। রোহিঙ্গা সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ভারত তিন দফায় তাদের মানবিক সহায়তা প্রদান করেছেন। আমাদের এ মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। আমরা আগামী শীতে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের জন্য গরম কাপড়ের ব্যবস্থা করবো।

    তিনি বলেন, ভারত চায় রোহিঙ্গারা নিরাপদে নিজ দেশে ফিরে যাক। সকল মৌলিক অধিকার ভোগ করুক। রোহিঙ্গা সমস্যার শুরু থেকে ভারত বাংলাদেশের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। ভারত রোহিঙ্গাদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জেলা প্রশাসক মাজেদুর রহমান খান।

  • চট্টগ্রামে গ্রিন এক্সপো উদ্বোধন করলেন গণপূর্ত মন্ত্রী

    চট্টগ্রামে গ্রিন এক্সপো উদ্বোধন করলেন গণপূর্ত মন্ত্রী

    পানিকে সম্পদে পরিণত করতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে জানিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি বলেছেন, বৃষ্টির পানি ধরে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সরকারি সংস্থাগুলোর ভবন নির্মাণে। সব শৌচাগারে ফ্লাশের কাজে খাবারের পানি ব্যবহার করা যাবে না। ৫ বছরে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনেক হাউজিং প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। নতুন আবাসনগুলো গ্রিন কনসেপ্টে হচ্ছে। তাছাড়া ২০২০ সালের পর ইট তৈরির জন্য ইটভাটায় টপ সয়েল ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

    শুক্রবার বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল) আয়োজিত গ্রিন অ্যান্ড পিপিপি কনভেনশন অ্যান্ড এক্সপো’র উদ্বোধনকালে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

    তিনি বলেন, গ্রিন কারখানা নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা কাজ শুরু করছি। গ্রিন কনসেপ্ট নিয়ে না এগোলে বাংলাদেশের জন্য ক্ষতি হবে। বিশ্বব্যাংকের এবারের প্রতিপাদ্য ছিল কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। গৃহস্থালি বর্জ্য থেকে, কাগজ, কাচ, পলিথিন আলাদা করে কম্পোস্ট সারসহ নানা ধরনের মূল্যবান জিনিসপত্র তৈরির জন্য সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

    তিনি বলেন, জাম্বুরি পার্ক অল্প টাকায় করে লাখো মানুষের হৃদয় জয় করেছি। বায়েজিদে একটি পার্ক করছি। চট্টগ্রামের প্রাণস্পন্দন ডিসি হিল। এটি সুন্দর করার জন্য বড় প্রকল্প নিচ্ছি। জিইসি মোড়ে ৫০ তলা বাণিজ্যিক ভবন হবে, যেখানে সিনেপ্লেক্সসহ বিশাল কর্মযজ্ঞ হবে।

    চট্টগ্রাম নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে বিআইএফএফএলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফরমানুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম ও ফটিকছড়ির পরিবেশবান্ধব কারখানা ফনিক্স সিরামিক অ্যান্ড অটো ব্রিকসের উদ্যোক্তা এটিএম পেয়ারুল ইসলাম।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর স্পেশালিস্ট একেএম আবদুল্লাহ। পরে ফিতা কেটে তিন দিনের মেলার উদ্বোধন করেন গণপূর্তমন্ত্রী।

  • ইমরান খান ডেকেছেন, রাজনীতিতে আসতে ইচ্ছুক শোয়েব আখতার

    ইমরান খান ডেকেছেন, রাজনীতিতে আসতে ইচ্ছুক শোয়েব আখতার

    পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি নাম উঠলেই মনে ভেসে ওঠে তার কথা। তিনি পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়ের আখতার। শোয়েব আখতারকে মনে পড়লেই চোখে ভাসে বল হাতে দানবের মতো তাঁর ছুটে আসা। তার বিভীষিকাময় বিমারগুলোর কথাই মনে হয়। কিন্তু সেই মানু্যটির ভেতরে যে আরেকটা অন্য মানু্য রয়েছে, সেটা এতদিন অজানাই ছিল।

    রাওয়ালপিন্ডিতে সম্প্রতি নিজের এলাকায় বেকার যুবকদের শোয়েব আখতার প্রায় ২ কোটি টাকা খরচ করে অন্নসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে শোয়েব জানান, ‘আমি কিছুই করিনি। ছেড়ে দিন এসব কথা। আমার নিজের হয়ে কিছু বলতে ভাল লাগে না। তবে এটা ঘটনা, আমার ভেতর থেকে যেটা ইচ্ছে করে, সেটা আমি করেই ছাড়ি।’

    ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ তিনি। এটা সবারই জানা। ইমরান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর শোয়েব গিয়েছিলেন ইসলামাবাদে। ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে। কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? শোয়েব হেসে উত্তর দেন, ‘ইমরান খান খুব ভালবাসেন আমাকে। আমার সব কাজের খোঁজ রাখেন। আসতে বলছেন রাজনীতিতে।’

    তা হলে আপনি রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে শোয়েবের উত্তর, ‘ইচ্ছা রয়েছে। এখনও চূড়ান্ত কিছু ঠিক করিনি। তবে আরও ২-৩ বছর পর রাজনীতিতে আসতেই পারি।’

  • আগামীতে ক্ষমতায় আসলে গ্রামকে শহরে পরিণত করা হবে: মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন

    আগামীতে ক্ষমতায় আসলে গ্রামকে শহরে পরিণত করা হবে: মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকার হচ্ছে উন্নয়নের সরকার। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়।

    আগামীতে শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসলে গ্রাম আর শহরের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকবেনা। আমরা প্রতিটি গ্রামকে শহরে পরিণত করবো। শহরে যেমন উন্নয়ন হয়েছে গ্রাম ও চরাঞ্চলেও সেই রকম উন্নয়ন হবে। তাই আগামী নির্বাচনে আপনারা নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় আনবেন।

    মন্ত্রী বলেন, ফরিদপুরকে আমরা আধুনিক মানের জেলা হিসাবে গড়ে তুলছি। ফরিদপুরে যে উন্নয়ন হয়েছে এমন উন্নয়ন দেশের অন্য জেলা গুলোতে খুবই কম হয়েছে।
    তিনি বলেন, শুধুমাত্র চরমাধবদিয়া ইউনিয়নেই ১১০ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। আরো কাজ হবে। চরের সাথে শহরের যোগাযোগ সহজ করা হয়েছে। রাস্তা-ঘাটের যে উন্নয়ন করা হয়েছে তা বিগত কোন সরকারই করেনি।

    স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ আজ বিশ্বের দরবারে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে উন্নয়ন আর উন্নয়ন। উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হলে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না আসলে দেশ পিছিয়ে পড়বে।

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ফরিদপুরের চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খন্দকার মোশাররফ হোসেন এসব কথা বলেন।
    চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তুহিনুর রহমান খোকন মন্ডল।

    জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি লোকমান হোসেন মৃধা, যুগ্ম সম্পাদক ঝর্না হাসান।এসময় উপস্থিত ছিলেন কোতয়ালী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রাজ্জাক মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক সামচুল আলম চৌধুরী, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল হাসান খন্দকার লেভী, সাধারন সম্পাদক চৌধুরী বরকত ইবনে সালাম, সদর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের  সভাপতি শওকত আলী জাহিদ, শ্রমিক লীগের সভাপতি আক্কাস হোসেন, ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহমুদ শামীম, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

    সভাটি পরিচালনা করেন চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আউয়াল সরদার। নির্বাচনী সমাবেশকে কেন্দ্র করে দুপুরের পর থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে দলের নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থল ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপস্থিত হন।

  • নির্মাণ হবে ২২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে

    নির্মাণ হবে ২২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে

    বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদ-নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং সেসব স্থান যাতে পুনরায় দখল হয়ে না যায় সে লক্ষ্যে ৫২ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে (হাঁটার রাস্তা) নির্মাণ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ঢাকার চারপাশে নৌপথের দু’তীরে ২২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ হবে। নদীর সীমানা চিহ্নিতের লক্ষ্যে ১০,৮২০টি টেকসই সীমানা পিলার নতুন করে স্থাপন হবে।

    নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান শুক্রবার আশুলিয়া ল্যান্ডিং স্টেশন প্রাঙ্গণে নদীর সীমানা পিলার, ওয়াকওয়ে, ইকোপার্ক ও জেটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, নদী বাংলাদেশের প্রাণ। নদী হারিয়ে গেলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকবে না। নদী রক্ষায় এবং এর দখল ও দূষণরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

    বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ৫২ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণের পাশাপাশি ৪৪ হাজার ৭৮৩ মিটার ব্যাংক প্রটেকশন, এক হাজার মিটার কি-ওয়াল, ১৯টি আরসিসি স্টেপসহ আরসিসি জেটি, তিনটি ইকোপার্ক এবং ১০ হাজার ৮২০টি সীমানা পিলার নির্মাণ করবে। এজন্য ব্যয় হবে ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। চার বছর মেয়াদের এ প্রকল্পের মেয়াদ ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত।

    এ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা নদী বন্দরের অন্তর্ভুক্ত রামচন্দ্রপুর থেকে বসিলা পর্যন্ত ৩.৫৫ কিলোমিটার, রায়েরবাজার খাল থেকে কামরাঙ্গীরচর পর্যন্ত ৪.৪৫ কিলোমিটার, হাসনাবাদ-কাওটাইল ৮.৩৫ কিলোমিটার, সদরঘাট- বাবুবাজার ব্রিজ পর্যন্ত এক কিলোমিটার, ফতুল্লা-ধর্মগঞ্জ ৩.৫০ কিলোমিটার, টঙ্গি নদী বন্দরের আওতায় বাতুলিয়া উজানপুর ৩.৭২৫ কিলোমিটার, পাগার মৌজা-হারবাইদ ৩.০৬৮ কিলোমিটার, আশুলিয়া কামারপাড়া (ঢাকা প্রান্তে) ৩.৫৬ কিলোমিটার, আশুলিয়া-কামারপাড়া (গাজীপুর প্রান্তে) ৩.৭৫০ কিলোমিটার, নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের আওতায় ডিইপিটিসি এলাকা ২.৫০ কিলোমিটার, নারায়ণগঞ্জ সাইলো হতে কুমুদিনী ৮.৫৫ কিলোমিটার এবং সুলতানা কামাল-কাঁচপুর সেতু এলাকা পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার, সর্বমোট ৫২ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ হবে।

    বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য সাহারা খাতুন, প্রকল্প পরিচালক নুরূল আমিন, আওয়ামী লীগ নেতা মো. আফসারউদ্দিন, তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. নাসির ও মো. বারেক প্রমুখ।

  • বার্সেলোনা থেকে মমতার জন্য জার্সি পাঠালেন মেসি

    বার্সেলোনা থেকে মমতার জন্য জার্সি পাঠালেন মেসি

    ভারতের পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির জনপ্রিয়তা শুধু সে দেশেই নয়, সীমান্ত পেরিয়ে তা পৌঁছে গেছে সূদূর স্পেনেও। আর তার প্রমাণ হলো মমতা ব্যানার্জির জন্য বার্সেলোনার ফুটবল তারকা এবং বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসির পাঠানো জার্সি।

    নিজের সই করা জার্সিতে পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য শুভেচ্ছা বার্তাও পাঠিয়েছেন মেসি। মমতা ব্যানার্জির পরিচিতি মূলত ‘‌দিদি’ নামে। আর তাই দশ নম্বর জার্সির পিছনে সেই দিদি নামটিও লেখা রয়েছে। খুব দ্রুত মমতা ব্যানার্জির হাতে এই বার্তা এবং জার্সিটি তুলে দেওয়া হবে।

    সম্প্রতি বার্সেলোনার লিজেন্ডরা একটি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলতে এসেছিলেন কলকাতায়। মোহনবাগান লিজেন্ডদের সঙ্গে সেই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় গত ২৮ সেপ্টেম্বর যুবভারতীতে। সেদিনই বার্সার দুই সাবেক তারকা খেলোয়াড় জুলিয়ানো বেল্লেত্তি এবং হারি লিটমানেন ‘দিদি’ লেখা ১০ নম্বর জার্সিটি তুলে দেন ফুটবল নেক্সট ফাউন্ডেশনের কর্ণধার কৌশিক মৌলিকের হাতে।

    সেই জার্সিতে মেসি লিখেছেন, ‘‌আমার অন্যতম প্রিয় বন্ধু দিদির জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা।’‌ এছাড়া মেসি নিজে সেই জার্সিতে সইও করেছেন। এই প্রসঙ্গে কৌশিকের বক্তব্য, ‘‌বার্সার তারকা ফুটবলাররা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে সরাসরি জার্সিটি তুলে দিতে পারেননি। তাই তারা মেসির পাঠানো এই উপহারটি আমাদের দিয়েছেন। আমরা ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসে যোগাযোগ করেছি। তিনি সময় দিলেই তার সঙ্গে দেখা করে আমরা জার্সিটি মমতা ব্যানার্জির হাতে তুলে দেব।

  • ইন্টারপোলের প্রেসিডেন্ট মেং হংওয়েই নিখোঁজ!

    ইন্টারপোলের প্রেসিডেন্ট মেং হংওয়েই নিখোঁজ!

    আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন) প্রেসিডেন্ট মেং হংওয়েই নিখোঁজ রয়েছেন। চীনে যাওয়ার পর এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ রয়েছেন তিনি। তবে ইন্টারপোল ও চীনা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি।

    শুক্রবার রাশিয়ান সংবাদ মাধ্যম এমনটি জানিয়েছে। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে তদন্তে নেমেছে ফরাসি পুলিশ।

    ৬৪ বছর বয়সী মেং চীনের নাগরিক। তার স্ত্রী ফ্রান্সের লিওন শহরে বসবাস করেন। তার স্ত্রী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত সেপ্টেম্বরের শেষ চীনে যাওয়ার পর থেকে মেং নিখোঁজ রয়েছেন।

    ইন্টারপোলের ৯৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম কোনো চীনা নাগরিক হিসেবে পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন মেং। ২০১৬ সালের নভেম্বরে চার বছর মেয়াদে তাকে এ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

  • ঢাকার রাজপথ দখলের ক্ষমতা রয়েছে: শামীম ওসমান

    ঢাকার রাজপথ দখলের ক্ষমতা রয়েছে: শামীম ওসমান

    নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের রাজপথে আমরা লাখো লোক নিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলাম, শেখ হাসিনার একটি নির্দেশের অপেক্ষায় স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি আমরা প্রস্তুত আছি।

    একটি ডাক দিবে, আমরা ভীমরুলের চাকের মতো ঢাকার রাজপথ দখল করার ক্ষমতা রয়েছে।
    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ইসদাইর বাংলা ভবনে নেতাকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় শামীম ওসমান এসব কথা বলেন।

    শামীম ওসমান আরো বলেন, সামনে ধাক্কা আসতেছে। এটাই শেষ লড়াই। ওদের সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করবে। দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্রের জাল ফেলছে। শকুনরা সব আকাশে উড়ছে। নভেম্বরের ৩০ তারিখ পর্যন্ত তারা সব শক্তি প্রয়োগ করবে।

    আগামী ২৭ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জের একেএম সামসুজ্জোহা স্টেডিয়ামে সমাবেশ করবেন জানিয়ে শামীম ওসমান নেতাকর্মীদের বলেন, গত ৩ অক্টোবর রাতে কয়েকজন নেতাকে ফোন দিয়ে বলেছিলাম, জেলার মাথা-মাথা নেতাগুলোর সাথে একটু কথা বলব। এখন দেখি হাজার হাজার লোক। আসলে আমাদের সংসারটা বড় হয়ে গেছে। খোদার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি- আমাদের সংসারের ঐক্য দেখে। ডাক দিয়েছি বৈঠকের, হয়ে গেল সবাবেশ।