Category: রাজণীতি

  • জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সভা-সমাবেশ ১ অক্টোবর থেকে

    জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সভা-সমাবেশ ১ অক্টোবর থেকে

    আগামী ১ অক্টোবর থেকে সারাদেশে সভা-সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া।

    শনিবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া আয়োজিত নাগরিক সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেন তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ।

    ঘোষণাপত্রে বলা হয়, সরকার আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন এবং তফসিল ঘোষণার পূর্বে বর্তমান সংসদ ভেঙে দেবেন।

    ঘোষণাপত্রে গণদাবি আদায়ের লক্ষ্যে প্রতিটি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে মুক্তি-সংগ্রামের চেতনায় বিশ্বাসী সকল রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি, শ্রেণি-পেশা ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য’ কমিটি গঠন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধভাবে নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ গণজাগরণের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।

    ঘোষণায় বলা হয়, ন্যায়বিচারের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে অগ্রাহ্য, ব্যাহত ও অকার্যকর করে অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার আইনগত ও ন্যায়সঙ্গত অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র-ছাত্রীসহ সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আনীত মিথ্যা মামলাসমূহ প্রত্যাহার করতে হবে এবং গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি দিতে হবে। এখন থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা যাবে না।

    গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমীন।

    সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের চেয়ারম্যান নূর হোসেন কাশেমী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ প্রমুখ।

  • সাদ্দামের মতো পরিণতি হবে ট্রাম্পের : রুহানি

    সাদ্দামের মতো পরিণতি হবে ট্রাম্পের : রুহানি

    ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, ইরানি জনগণ ইরাকের সাবেক স্বৈরশাসক সাদ্দামের মতো বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকেও পরাজিত করবে। শনিবারে জাতীয় প্রতিরক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে তেহরানে সামরিক বাহিনীর প্যারেড ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রেসিডেন্ট বলেন, সাদ্দাম যে পরিণতি ভোগ করেছে ট্রাম্পও সেই পরিণতির দিকে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রসহ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের কারণে আমেরিকা ক্ষুব্ধ। কিন্তু তাদের জেনে রাখা উচিত ইরান কখনোই এ ক্ষেত্রে ছাড় দেবে না বরং প্রতিদিনই প্রতিরক্ষা শক্তি জোরদার করবে।

    ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার অর্থনেতিক, রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত করে রুহানি বলেন, আমেরিকা এখন প্রক্সি নয়, ইরানের রিবুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। কিন্তু অতীতের মতো এবারও তারা হতাশ হবে। শত্রুরা পরাজিত হবে।

  • এবারের নির্বাচন আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ : নৌমন্ত্রী

    এবারের নির্বাচন আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ : নৌমন্ত্রী

    নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, এবারের নির্বাচন আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই নির্বাচনের মাধ্যমে যারা জামায়াত-শিবির, রাজাকার-আলবদর এবং সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে তাদেরকে প্রতিহত করার সময় এখন।

    আজ শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড় সার্কিট হাউজে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাসদ, মুক্তিযোদ্ধা, ব্যবসায়ী, শ্রমিক  নেতা ও সাংবাদিকদের সাথে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, সংলাপের কথা বলছেন কাদের সাথে সংলাপ করব যারা সংলাপের মূল্য বুঝে না, মূল্যায়ন করে না, যে মানুষ একজন প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান দিতে জানে না। ফোনে যখন তাকে সংলাপের কথা বলা হলো তখন কি কথা হয়েছিল তা আপনারা সবাই জানেন। যারা স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি রাজাকার-আলবদরদের পক্ষ নেবে তাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কোনও সংলাপ হতে পারে না।

    নৌমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেছিলেন তখন ২০০১ সালে তিনি স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছিলেন। ১২টি স্থলবন্দর তিনি গেজেটভুক্ত করেছিলেন। পরে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় অসার পর একটি স্থল বন্দরও সচল করেননি। পরবর্তীতে শেখ হাসিনা ১০ বছরে ১০টি স্থল বন্দর সচল করছেন। এখন আমাদের ২৩টি স্থল বন্দরের মধ্যে ১২টি স্থল বন্দর সচল রয়েছে। পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদারি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও বেগবান করতেই আমরা আজ এসেছি।

    এ ছাড়াও সম্প্রতি নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সম্পর্কে শাজাহান খান বলেন,
    ‘ছাত্র আন্দোলনের নামে যারা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করল, মুক্তিযোদ্ধাদের নামে অকথ্য ভাষায় স্ট্যাটাস দিল এরা কারা? তোমরা কারা যারা বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করে গলায় পোস্টার ঝুলাল, যারা পুলিশ, প্রশাসন ও সরকার সম্পর্কে অশ্লীল ভাষায় পোস্টার লিখে গলায় ঝুলিয়ে রাস্তায় দাঁড়াল এরা কারা। এরা কারা যারা একটা জয়বাংলার শ্লোগান দিল না।’

    তিনি বলেন, যারা কোটা সংস্কারের আন্দোলন করছে তারা মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করতে চায়। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের বসে থাকলে চলবে না।

    সভায় আর উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য নাজমুল হক প্রধান, পঞ্চগড়-২ আসনে সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম সুজন, বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়াম্যান তপন কুমার চক্রবর্তী, পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার গিয়াস উদ্দিন আহমেদসহ বিভিন্ন ব্যবসায় সংগঠন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    এ ছাড়াও বিকেলে তিনি বাংলাবান্ধা স্থল বন্দরের আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বন্দরের উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। এরপর তিনি পঞ্চগড় শের-ই-বাংলা পার্কে জেলা আওয়ামী লীগের এক জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।

  • রোহিঙ্গারা ন্যায় বিচার না পেলে বিশ্ব বসে থাকবে না, সু চিকে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    রোহিঙ্গারা ন্যায় বিচার না পেলে বিশ্ব বসে থাকবে না, সু চিকে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মিয়ানমারকে সতর্ক করলেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট। তিনি বলেছেন, মিয়ানমারের এটা উচিত, নিপীড়িত রোহিঙ্গারা ন্যায় বিচার না পেলে বিশ্ব বসে থাকবে না।

    রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মিয়ানমারের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও রোহিঙ্গা নিপীড়িত এলাকা পরিদর্শন করতে দুই দিনের সফরে বুধবার মিয়ানমার যান জেরেমি হান্ট। পরদিন বৃহস্পতিবার দেশটির রাজধানী নেপিদো’তে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি’র সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    রোহিঙ্গা নিপীড়ন নিয়ে জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার। একইসঙ্গে আইসিসি’র বিচারের এখতিয়ারকে অস্বীকার করেছে। তারা রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নের ঘটনায় স্বাধীন কমিশন গঠন করেছে।

    এ সব বিষয়ে জেরেমি হান্ট বলেন, আমরা যদি দেখি এক্ষেত্রে ভালো কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না তাহলে আমরা ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে আমাদের সব ধরনের উপায় অবলম্বন করব। বিশ্ব সবকিছু দেখতে বলেও মন্তব্য করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

  • কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ

    কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ

    দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাগারে সাক্ষাৎ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

    শুক্রবার বিকেল পৌনে ৫টায় কারাগারে প্রবেশ করে সন্ধ্যা ৬টায় তারা বের হন।

    স্বজনদের মধ্যে ছিলেন- খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার, ভাবি কানিজ ফাতেমা, ভাইয়ের ছেলে অভিক ইস্কান্দার, অনিক ইসকান্দার, বোন সেলিমা ইসলাম, ভাগ্নে ডাক্তার মামুন।

    উল্লেখ্য, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

  • ১৫৪ কর্মকর্তাকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার

    ১৫৪ কর্মকর্তাকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার

    অতিরিক্ত সচিবের পর এবার জনপ্রশাসনে ১৫৪ কর্মকর্তাকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। উপ-সচিব থেকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির আদেশটি বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জনপ্রশাসনে তিনস্তরে পদোন্নতির গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। এর মধ্যে গত ২৯ আগস্ট অতিরিক্ত সচিব পদে ১৬৩ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়। এখন যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি চূড়ান্ত হলো।

     পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫ জন বিদেশে কর্মরত রয়েছেন। এই ৫ জনের জন্য আলাদা পদোন্নতির আদেশ জারি করা হয়েছে। ১৪৯ জনের পদোন্নতির জন্য আরেকটি আদেশ জারি করা হয়েছে।

    নিয়ম অনুযায়ী পদোন্নতি দিয়ে কর্মকর্তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত যুগ্ম-সচিবদের পদায়ন করা হয়নি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পদোন্নতির পর যুগ্ম-সচিবের মোট সংখ্যা হলো ৭৬৭ জন। যুগ্ম-সচিবের নিয়মিত পদের সংখ্যা ৪১১টি।

    স্থায়ী পদ না থাকায় এমনিতেই অনেক যুগ্ম-সচিবকে নিচের পদে কাজ করতে হচ্ছে, এর উপর নতুন করে পদোন্নতি দেয়ায় প্রশাসনে আরও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পদোন্নতিপ্রাপ্ত বেশির ভাগ যুগ্ম-সচিবকে বর্তমান কর্মস্থলে ইনসিটু (উপ-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা স্থানে) থাকতে হবে।

    ‘সরকারের উপ-সচিব, যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’ বলা হয়েছে, হয়েছে, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপ-সচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

    বিধিমালা অনুযায়ী, উপ-সচিব পদে কমপক্ষে ৫ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা উপ-সচিব পদে কমপক্ষে ৩ বছর চাকরিসহ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে কোনো কর্মকর্তা যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।

  • মানুষের অধিকার হরণে একদিন কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে: ফখরুল

    মানুষের অধিকার হরণে একদিন কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে: ফখরুল

    ‘সংবিধান লঙ্ঘন ও মানুষের অধিকার হরণ করার অপরাধে’ আওয়ামী লীগ সরকারকে অবশ্যই একদিন না একদিন কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    শুক্রবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সরকারকে উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলে একটা সুষ্ঠু অবাধ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথ বের করুন। অন্যথায় জাতি আপনাদের ক্ষমা করবে না। এই দেশের মানুষ আপনাদের ক্ষমা করবে না। সংবিধান লঙ্ঘন ও মানুষের অধিকার হরণ করার অপরাধে আপনাদের অবশ্যই একদিন না একদিন কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

    গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ হাজার ৭৩৬ মামলা হয়েছে দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এসব মামলায় এজাহার নামীয় আসামির সংখ্যা ৩ লাখ ১৩ হাজার ১৩০ জন। এজাহারে অজ্ঞাত আসামির সংখ্যা ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৩। আর এ সময়ে ৩ হাজার ৬৯০ জন গ্রেফতার হয়েছে। এটাই এখন সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা বলেও দাবি করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দি খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে মামলার বিচারকাজ চালু রাখা বেআইনি বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, তার (খালেদা) প্রতি অবিচার করা হচ্ছে, যা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

    সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।

  • প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী চিত্রনায়ক ফেরদৌস-রিয়াজ, উচ্ছ্বসিত তারা

    প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী চিত্রনায়ক ফেরদৌস-রিয়াজ, উচ্ছ্বসিত তারা

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৩তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফর সঙ্গী হয়ে আমেরিকায় যাচ্ছেন ফেরদৌস ও রিয়াজ। অনুষ্ঠান শেষে করে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন তারা।

    প্রথমবার প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হওয়ার সুযোগ পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত চিত্রনায়ক ফেরদৌস বৃহস্পতিবার দুপুরে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর আগামী সফরে আমাকে আর রিয়াজকে তাঁর সফর সঙ্গী করেছেন। এটা আমাদের জন্য বিরাট একটি পাওয়া। আমার মনে হয়, এই বিষয়টি শুধু আমাদের দুজনের জন্য না, পুরো চলচ্চিত্র পরিবারের জন্য বিরাট পাওয়া। এই প্রথম সম্ভবত চলচ্চিত্রের কেউ প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হতে যাচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হওয়াকে বড় প্রাপ্তি উল্লেখ করে ফেরদৌস বলেন, আমেরিকায় ইউনাইটেড নেশনের একটি অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন। এমন গুরুত্বপূর্ণ সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হওয়া বিরাট প্রাপ্তির। আশা করছি অনেক কিছু শিখতে পারবো। আর এই সফরকে শিল্পী সংস্কৃতির মানুষের জন্য বিরাট একটি রিকগনেশান। প্রধানমন্ত্রী যে শিল্প সংস্কৃতির মানুষদের ভালোবাসেন এটা তার প্রমাণ। আমরা প্রতিটি মুহূর্ত তার কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করবো। আর ফিরে এসে বাকিটা বলতে পারবো।

    তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রিয়াজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হওয়া আমার জন্য একটা অসাধারণ পাওয়া। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে চলচ্চিত্র বান্ধব একটি সরকারের প্রধান সেটি আবারও প্রমাণ হলো এবং তিনি শিল্পীদের যে মর্যাদা দিলেন এটা অভিভূত হওয়ার মতো। এরজন্য চলচ্চিত্র পরিবারের পক্ষ থেকে তার প্রতি কৃতজ্ঞ আমরা।

  • যানজট নিরসনে পরিকল্পনা হলেও বাস্তবায়ন নেই

    যানজট নিরসনে পরিকল্পনা হলেও বাস্তবায়ন নেই

    রাজধানী ঢাকাকে বাসযোগ্য, যানজটমুক্ত ও পরিবহনখাতকে সুশৃঙ্খল করার মেগা পরিকল্পনা নেয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয় না।

    এর কারণ সরকারের কৌশল ও পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক বরাদ্দ না থাকা, বিভিন্ন সংস্থা, কর্তৃপক্ষ ও থার্ড পার্টির স্বার্থ। তবে পরিকল্পনা গ্রহণ করে স্বল্পমেয়াদেই বাস্তবায়নের নজির রয়েছে খোদ রাজধানীর গুলশান ও হাতিরঝিলে। এখান থেকেই সরকার, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) শিক্ষা নিতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্টজনরা।

     বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে স্বল্প মেয়াদী কর্ম পরিকল্পনা-প্রেক্ষিত সংশোধিত কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা’ এবং ‘ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বহুমাধ্যম ভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থার গুরুত্ব’ শীর্ষক অংশীজন সভায় এসব কথা বলেন আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞ বিশিষ্টজনরা।

    ডিটিসিএ এর নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) খন্দকার রাকিবুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় পৃথক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আকতার হোসেন।

    প্রবন্ধ উপস্থাপন শেষে বিশিষ্ট কলামিস্ট আবুল মকসুদ বলেন, ‘ঢাকা শহরের সঙ্গে অন্য শহরের যদি যোগাযোগ উন্নয়ন না হয় তবে সরকারের সব উন্নয়ন পরিকল্পনাই ব্যর্থ। কী শিক্ষা আর প্রযুক্তি? অন্য সব খাতের তুলনায় এখনই সময় বরাদ্দ বাড়িয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করা।’

    তিনি বলেন, ‘কিছু করতে চাইলেই আমরা অন্য সব উন্নত দেশের সঙ্গে তুলনা করি। এ তুলনায় বাংলাদেশের কোনো লাভ নেই। বরং দেশের সব মানুষের মানসিকতা, বাস্তবতা, মতামত, দেশের ভৌগলিক অবস্থা এবং মানুষের সংখ্যা উপলব্ধি করতে হবে। শুধু সড়কের কথা বললে হবে না, সড়কের সঙ্গে নৌ ও রেলের সমন্বয় জরুরি।’

    তিনি বলেন, ‘ডিটিসিএ রিভাইস স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান (আরএসটিপি) তৈরি করেছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবার মতামত নিয়ে খুব দ্রুত একটা শক্তিশালী কমিশন বা কমিটি গঠন করতে হবে। যা কাজ শুরুর রুট ম্যাপ করে দেবেন। ‘

    নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘মানুষ বেশি সড়ক কম। আগে আমাদের চিন্তা, আচরণের পরিবর্তন, নিয়ম মানার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। ফুটওভার ব্রিজের চেয়ে রাজধানীতে বেশি সুবিধাজনক আন্ডারপাস সে ব্যাপারে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।’

    তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘এক রাজধানীতে সব আনতে হবে কেন? জীবিকার টানে কেনই বা সবাইকে ঢাকা আসবে হবে? এই কেন এর জবাব আমরা জানি। কিন্তু বাস্তবায়নের সদিচ্ছা নেই। ডিসেন্ট্রালাইজেশন না হওয়া পর্যন্ত ট্রাফিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হবে না।’

    বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ‘শহরের পরিবহনকেন্দ্রিক চিন্তা বাড়াতে হবে, মেগাপ্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। পরিকল্পনাও হচ্ছে এখন অ্যাকশন জরুরি।’

    বুয়েটের এক্সিডেন্ট রিচার্স ইনস্টিটিউটের (এআরআই) সহকারী অধ্যাপক কাজী মো. সাইফুন নেওয়াজ বলেন, ‘রাজধানীর ভূখণ্ড ব্যবহার ও নতুন নতুন রাস্তা তৈরি করে থাকে সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু তাদের কোনো গাইড লাইন নেই। একটা রাস্তা তৈরির আগে অনেক কিছুই বিবেচনায় আনতে হয়। সেগুলো শুরু করা উচিত।’

    বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলেন, ‘রাজধানীতে যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরানো গেলে যানজট এমনিতেই কমে আসবে। কিন্তু সেটা সরকার, কিংবা ডিটিসিএ পারেনি। তাহলে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা যাই গ্রহণ করা হোক না কেন, সেটার বাস্তবায়ন জরুরি।’

    তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটির প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক দরদ ও সাহসিকতার সঙ্গে স্বল্প সময়ের মধ্যে গুলশানে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করেছেন। সেখানকার ফুটপাত এখন রাজধানীর জন্য আদর্শ। তেমনিভাবে রাজধানীর হাতিরঝিলও আদর্শ উদাহরণ। তাহলে আমরা পুরো রাজধানীতে পারছি না কেন?’

    তিনি বলেন, ‘খাম্বা মার্কা উন্নয়ন দেশের জন্য টেকসই নয় বরং এটা যে কত বড় ক্ষতি তা পরে টের পাওয়া যাবে। দেশে এতো এতো ফুটওভার ব্রিজ পৃথিবীর আর কোনো দেশে নেই। আবার সেই দেশে জোরপূর্বক ফুটওভার ব্রিজে উঠানোর চেষ্টা চলছে। আমাদের সিগন্যাল বাতি জ্বলে না কেন? পুলিশ হাতের ইশারায় যা করছে সঠিক করছে। কিন্তু তা করা হচ্ছে বেআইনীভাবে। পুরো রাজধানীকে যদি ডিজিটালি সিগন্যালিং করা যায়, দক্ষ কয়েক শ’ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ করা যায় তবে দ্রুতই শৃঙ্খলা ফিরবে।

  • শেখ হাসিনা না থাকলে রাজাকার,আলবদর,মুক্তিযোদ্ধা বিরোধীদের বিচার হতোনা : শাহারিয়ার কবীর।

    শেখ হাসিনা না থাকলে রাজাকার,আলবদর,মুক্তিযোদ্ধা বিরোধীদের বিচার হতোনা : শাহারিয়ার কবীর।

    শেখ সুমন।

    জামায়াতের সকল সদস্যকে নির্বাচন থেকে অযোগ্য ঘোষণার দাবিতে বরিশাল জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি সাহরিয়ার কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এড .মানবেন্দ্র বটব্যাল,মশিউর রহমান মিঠু, সভাপতি  ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি বরিশাল মহানগর,মহিউদ্দিন মাণিক  বীর প্রতীক, বিচারপতি শামছুল হুদা ,উপদেষ্টা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।কাজি মুকুল , সম্পাদক ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটি। সভাপতিত্ব করেন আক্কাস হোসেন।

    সভায় বক্তারা বলেন ,গত সিটিকর্পোরেশনের নির্বাচনের বিভিন্ন ক্যাম্পিং এ জামাত ইসলাম ও জামাত শিবিরের নেতাদের দেখা গেছে। এবার নির্বাচনে তাদের রোধ করতে হবে।জামায়াত কে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।স্বাধীনতার পর দু দু বার স্বাধীনতা পদক পেয়েছেন ছারছীনার পির সাহেব । যিনি একজন ঘাতক ছিলেন।ছারছীনার পির একজন দুষ্কৃতীকারী ছিলেন। তার পদক ফিরিয়ে নেওয়া দাবি জানানো হয়।

    যে সমস্ত ঘাতক মারা গিয়েছে তাদেরকে মৃত্যু পরবর্তী সময়ে যেন আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়ানো করা হয় সেই দাবি জানানো হয়।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন পৃর্বে এবং নির্বাচন পরবর্তী কালীন সময়ে যেন সংখ্যা লঘুদের প্রতি নির্যাতন করা না হয় সেই দাবি জানানো হয় ।

    ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সনদ বাতিলের দাবি জানানো হয়।জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিশ্বাসীদের নমিনেশন দেওয়া না হয়। আগামী নির্বাচনে ভোটার প্রায় শোয়া দশ কোটি। তাদের ভিতর দুই তৃতীয়াংশ যুবক। আর যুবকেরাই পারে অপ-শক্তি রোধ করতে। তরুণদের একত্রিত করে কাজ করতে হবে।একাত্তরে যারা যুদ্ধে গিয়েছে তাদের অধিকাংশরাই তরুণ।

    বাংলাদেশের সংবিধান পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম সংবিধান । যা উপহার দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর সেই সংবিধান এখন মেনে চলা হয় না।বঙ্গবন্ধু ধর্মের নামে রাজনীতি নিশেধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু সাড়ে তিন বছরের আড়াই হাজার ঘাতকদের বিচার করেছিলেন। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে সব পরিবর্তন করে দিলেন। যারা জেলে ছিলেন তাদের ছেড়ে দিলেন। জিয়াউর রহমান চেয়ে ছিলেন দেশটি আরেকবার ধ্বংস করতে।

    ক্ষমতায় এলেই ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়। দেশে ঘাতকদের ক্ষমতা এখন চরম মাত্রায় পৌছে গেছে।বাংলাদেশের সংবিধান ধর্ম নিরপেক্ষ সংবিধান। তারপরেও এদেশে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা হয়। নির্বাচনে ধর্ম নিয়ে চরম বাড়াবাড়ি করা হয়। জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম আন্দোলন করতে হবে।

    বাংলাদেশ কখনও পাকিস্তান হতে পারেনা। বাংলাদেশ কখনও ঘাতকদের হতে পারেনা , হরকাতুল জিহাদের হতে পারেনা।

    এবারের নির্বাচনে সংখ্যালঘুদের প্রতি একটি আঘাত ও যেন না হয় সেই দাবি করা হয়। ভিকটিমদের আইনি সহযোগিতা দিতে হবে।সাম্প্রদায়িক সাম্প্রদায়িকতার সাথে যারা যুক্ত, যারা দুর্নীতি বাজারে তারা এবার নির্বাচন করতে পারবেন না। জামায়াতকে দল হিসেবে বাংলাদেশ থেকে বাদ দিতে হবে এবং এর সদস্যরাও যেন নির্বাচন করতে না পারে সে ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিতে হবে।