Category: রাজণীতি

  • অন্তর্জ্বালা থেকেই মনগড়া বই লিখেছেন সিনহা : কাদের

    অন্তর্জ্বালা থেকেই মনগড়া বই লিখেছেন সিনহা : কাদের

    সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (এসকে সিনহা) সাবেক হওয়ার অন্তর্জ্বালা থেকেই মনগড়া বই লিখেছেন বলে দাবি করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানী বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক-পূর্ব সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন দাবি করেন।

    কাদের বলেন, তিনি সাবেক হয়ে গেছেন। সাবেক হওয়ার অন্তর্জ্বালা আছে। কী পরিস্থিতিতে সাবেক হয়েছেন তা সবাই জানে। বই লিখে মনগড়া কথা বলবেন বিদেশে বসে, সেটা নিয়ে কথা বলার কোনো প্রয়োজন আছে? ক্ষমতা যখন থাকে না তখন অনেক অন্তর্জ্বালা গড়ে ওঠে।

     তিনি বলেন, এস কে সিনহা এখন বইতে যা লিখেছেন, প্রধান বিচারপতি থাকা অবস্থায় বলার সৎ সাহস একজন বিচারপতি হিসেবে কেন তার ছিল না? এখন বিদায় নিয়ে কেন পুরনো কথা নতুন করে বলছেন, যা খুশি তাই বলছেন। তিনি যদি সত্যই বলতেন, তাহলে যখন প্রধান বিচারপতি ছিলেন তখন বললেন না কেন? সত্য কথা দেশের জনগণের মাঝে এসে বললেন না কেন? এখন বিদেশে বসে আপন মনে ভুতুড়ে কথা চাপছেন। এটা আমাদের ও দেশের মানুষের বিশ্বাস করতে হবে? এর যৌক্তিকতা নেই।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলে দলে জনে জনে যে ঐক্যের কথা আসছে, এতে করে কি জনমনে কোনো প্রভাব ফেলবে? শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের কি জনপ্রিয়তা কমে যাবে? আমার বিশ্বাস দলের সংখ্যা বাড়িয়ে এদেশে একসময় ৭৬ পার্টির ঐক্য হয়েছিল। এটা কি জনমনে কোনো প্রভাব ফেলতে পেরেছে? আমাদের আস্থা আছে, বাংলাদেশের জনমত শেখ হাসিনার পক্ষে রয়েছে।

    নেতায় নেতায় ঐক্য হলেও জনতার মধ্যে কোনো প্রভাব ফেলবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান চিত্র অনুযায়ী, এই মুহূর্তে জনমতে কোনো প্রতিফলন হবে না। নেতায় নেতায় ঐক্য, দলে দলে ঐক্য যতই হোক জনগণ প্রভাবিত হবে না। এটাই আমাদের অভিজ্ঞতা।

    জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের মহাসচিবও তাদের ডেকে ছিলেন। কিন্তু পরে জানা গেল, জাতিসংঘের মহাসচিব তাদের আমন্ত্রণ করেননি, এটা এখন দিবালোকের মতো পরিষ্কার। তারা জাতিসংঘের প্রধান ফটকে গিয়ে বারবার অনুরোধ করে, একটা তৃতীয় পর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বিএনপি জাতিসংঘের মহাসচিবের আমন্ত্রণপত্র নিয়ে যে মিথ্যাচার করেছে, প্রতারণা করেছে, তাতে দেশের জনগণকে অপমানিত করা হয়েছে। গণতন্ত্রকে অসম্মান করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, আমাদের কাছে মনে হয়, তারা ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়কের নামে যে পার্টিজান নির্বাচনকালীন সরকার করেছিল, সেই চিন্তা-ভাবনা আবার তারা করছে। আবার তারা নিজেদের ছক ও কূটকৌশল প্রয়োগ করে ২০০১ সালের মতো একটা নির্বাচন করতে চাচ্ছে। একটা নির্বাচন তারা চায়। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, ২০০১ আর ২০১৮ সাল- সময় বদলে গেছে।

    কাদের বলেন, আমার বিশ্বাস তাদের এই দলের সংখ্যা বাড়িয়ে, এই দেশে একসময় ৭৬ পার্টির ঐক্য হয়েছে। এটা কি জনমতে কোনো প্রভাব ফেলতে পরেছে? কাজেই বিএনপির এই সব হুমকি-ধামকির পরোয়া আমরা করি না। আমাদের আস্থা আছে বাংলাদেশের জনগণের ওপর। জনমত শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের পক্ষে।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক

  • সাবেক তিন খেলোয়াড়কে ফ্ল্যাট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    সাবেক তিন খেলোয়াড়কে ফ্ল্যাট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মানবিক সহানুভূতি ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে সাবেক ফুটবলার ও হকি খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় দলের সাবেক দুই ফুটবলার এবং একজন হকি খেলোয়াড় ও তাদের পরিবারের সদস্যদের হাতে ফ্লাটের বরাদ্দপত্র তুলে দেন তিনি।

    ফুটবলাড়রা হলেন- শেখ আশরাফ আলী, মরহুম মোনেম মুন্না এবং হকি খেলোয়াড় জাহিদুর রহমান পুসকিন।

    সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে সাবেক ফুটবলার শেখ আশরাফ আলী, মরহুম মোনেম মুন্নার সহধর্মিনী ইয়াসমিন মোনেম ও পুসকিনের সহধর্মিনী ফাহমিদা রহমানের কাছে ফ্লাটের বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী।

    দেশের ফুটবল ও হকিতে অসামান্য অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাদের জন্য মিরপুরে এই ফ্লাটগুলো বরাদ্দ দেন।

    এ সময় আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হারুনুর রশিদ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বিএফএফ) সভাপতি কাজী সালাউদ্দীন, সহ-সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ এমপি, আবদুস সালাম মুর্শেদী এমপি, সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব শহিদুল্লাহ খন্দকার অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। জাতীয় দল ছাড়াও মোনেম মুন্না দেশের প্রধান ক্রীড়া সংস্থা আবাহনী লিমিটেডের হয়ে ফুটবলে এবং একই দলে পুসকিন হকিতে অসামান্য অবদান রাখেন।

    আশরাফ আলীও আবাহনী লিমিটেডের সাবেক ফুটবলার। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ কামাল আবাহনী লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা।

  • খালেদা জিয়ার মুক্তির দু’টি পথ আছে: হানিফ

    খালেদা জিয়ার মুক্তির দু’টি পথ আছে: হানিফ

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দু’টি পথ দেখিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির দু’টি পথ আছে। একটি হলো- আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তি আর অন্যটি হলো নিজের অপরাধ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। যদি রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করেন। এই দু’টি পথ ছাড়া খালেদা জিয়ার মুক্তির আর কোন পথ নেই।

    আজ দুপুরে রাজধানীর গুলশান ইয়ুথ ক্লাবে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের এক বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এ কথা বলেন।

    হানিফ বলেন, এতিমের টাকা আত্মসাতের কারণেই আজকে খালেদা জিয়া কারাগারে রয়েছেন। আর সেই কারাগার থেকে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে তাকে মুক্ত করতে পারছে না বিএনপি। তাই এখন সকাল-বিকাল বিএনপি দাবি করছে, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। কিন্তু মুক্তি দেবে কে?

    প্রতিনিয়ত তথাকথিত বিএনপির নেতাকর্মীরা আন্দোলন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। আমরা বলেছি- আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করেন। আপনারা জানেন- বেগম খালেদা জিয়া টাকা আত্মসাৎ করেছেন। আপনারা আইনি লড়াইয়ে মুক্ত করতে না পেরে রাস্তায় এসে সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে যাচ্ছেন। আমরা বলেছি- তথাকথিত এই আন্দোলন করে লাভ হবে না। কারণ খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়ার ক্ষমতা সরকারের নাই।

    ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহের সভাপত্বিতে বর্ধিত সভায় আরো উপস্হিত ছিলেন উত্তরের সহ-সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, নাজিমুদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদত এস এম মান্নান কচি, দপ্তর সম্পাদক এম সাইফুল্লাহ সাইফুল প্রমুখ।

  • জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে শুক্রবার ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী

    জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে শুক্রবার ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)-র ৭৩তম অধিবেশনে যোগদিতে সপ্তাহব্যাপী সরকারি সফরে আগামীকাল শুক্রবার সকালে নিউইয়র্কের পথে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপুর্ণ কর্মসূচিতে যোগদান করবেন এবং রোহিঙ্গা ইস্যু তুলে ধরবেন বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি এবং রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের লক্ষে শান্তিপূর্ণ কূটনীতি পরিচালনায় অবদানের জন্য ইন্টার প্রেস সার্ভিস এবং গ্লোবাল হোপ-এর কাছ থেকে দু’টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার গ্রহণ করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সাধারণ পরিষদের ৭৩ তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন এবং একইদিন তাঁর জাতিসংঘ মহাসচিব এন্টোনিও গুতেরেজের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা রয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এই কথা জানান।

    তিনি বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। যাদের মধ্যে রয়েছেন- এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালিজুলেইদ এবং নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট।
    প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট মাইক পম্পেও’র সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন, বলেও জানান প্রেস সচিব।

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট শুক্রবার সকালে ব্রিটিশ রাজধানী লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে যাবে।
    একই দিনে লন্ডনের স্থানীয় সময় ৩ টা ৫৫ মিনিটে বিমানটির হিথরো আন্তর্জাতিক বিমাানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।

    যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাবেন।

    ব্রিটিশ রাজধানীতে দু’দিনের যাত্রাবিরতির পর প্রধানমন্ত্রী রবিবার সকালে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটযোগে নিউইয়র্কের পথে লন্ডন ত্যাগ করবেন।

    বিমানটির ঐদিনই স্থানীয় সময় ১টা ৪০ মিনিটে নিউয়ার্ক লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নিউ জার্সিতে অবতরণের কথা রয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ জিয়াউদ্দিন এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাবেন।
    বিমানবন্দরে অর্ভথ্যনা পর্ব শেষে একটি সুশোভিত মোটর শোভাযাত্রা সহযোগে প্রধানমন্ত্রীকে নিউ ইয়র্কের গ্রান্ড হায়াত হোটেলে নিয়ে যাওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রথম দিন সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের মিডটাউনের হোটেল হিলটনে প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেয়া এক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন।

    প্রধানমন্ত্রী সফরের দ্বিতীয় দিন জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী মিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল কল টু অ্যাকশন অন ড্রাগ প্রবলেম’ শীর্ষক হাই লেভেল ইভেন্টে যোগদান করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী সেখানে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্টোনিও গুতেরেজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশগ্রহণ করবেন।

    পরে জাতিসংঘ সদর দফতরের ইকোসক চেম্বার’র (ইসিওএসওসি) ইউএন হাইকমিশনার ফর রিফ্যুজিস আয়োজিত ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন রিফ্যুজিস:এ মডেল ফর গ্রেটার সলিডারিটি অ্যান্ড কোঅপারেশ’ শীর্ষক হাইলেভেল ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন।

    জাতিসংঘ সদর দফতরের দ্বিপাক্ষিক সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন।

    প্রধানমন্ত্রী হোটেল গ্রান্ড হায়াতে যুক্তরাষ্ট চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত গোলটেবিল ‘লাঞ্চিয়ন বৈঠকেও’ অংশ নেবেন।

    বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ পরিষদের সম্মেলন কক্ষে নেলসন ম্যান্ডেলা পিস সামিটেও বক্তৃতা প্রদানের কথা রয়েছে।

    নিউ ইয়র্কের কনভেন কনফারেন্স সেন্টারে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত ‘সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইমপ্যাক্ট সামিট’-এও তার যোগদানের কথা রয়েছে।

    শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সদর দফতরের কনফারেন্স রুম ১১তে কানাডার প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত মহিলা এবং নারী শিক্ষায় বিনিয়োগ সংক্রান্ত একটি গোলটেবিল আলোচনায় অংশ গ্রহণ করবেন।

    তিনি জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূতের আয়োজনে জাতিসংঘ সদর দফতরের ৩ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠেয় ‘মেকিং ইমপসিবল পসিবল: আনলকিং হিউম্যান পটেনশিয়াল থ্রো দ্যা ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স ফ্যাসিলিটি ফর এডুকেশন’ শীর্ষক হাই লেভেল ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন।

    সন্ধ্যায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত স্বাগত সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ করবেন। সংবর্ধনাটি নিউইয়র্কের লোটিস্থ নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে।

    শেখ হাসিনা ২৫ সেপ্টেম্বর সাইবার নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক হাই লেভেল ইভেন্টে অংশ গ্রহণ করবেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক কার্যালয় (ইউএনওডিএ) যৌথভাবে জাতিসংঘ সদর দফতরের ৩নং কক্ষে এটির আয়োজন করবে।

    সাধারণ পরিষদ ভবনের নর্থ ডেলিগেট লাউঞ্জে জাতিসংঘের মহাসচিব আয়োজিত মধ্যাহ্ন ভোজে যোগদান করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিকেলে জাতিসংঘের অছি পরিষদ আয়োজিত জাতিসংঘ মহাসচিবের হাই লেভেল ইভেন্ট ‘অ্যাকশন ফর পিস কিপিং’ (এ ফোর পি)-এ অংশগ্রহণ করবেন তিনি।

    ২৬ সেপ্টেম্বর, ইউনিসেফ-এর নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর, ইউএন হাই কমিশনার ফর রিফ্যুজিস (ইউএনএইচসিআর) ফিলিপ্পো গ্রান্দি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি মঘেরনিনি জাতিসংঘ সদর দফতরের দ্বিপাক্ষিক সম্মেলন কক্ষে পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

    একইস্থানে প্রধানমন্ত্রী এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালিজুলেইদ-এর সঙ্গেও বৈঠক করবেন।
    ২৭ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা সৌদি আরবের স্থায়ী মিশন এবং ওআইসি সচিবালয়ের যৌথ উদ্যোগে জাতিসংঘ সদর দফতরের ১২নং কক্ষে অনুষ্ঠিত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কিত হাইলেভেল সাইড ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচি ইন্টোনিও গুতেরেজের সঙ্গে জাতিসংঘ সদর দফতরে তার সভাকক্ষে বৈঠক করবেন। আন্তর্জাতিক কমিটি অব রেডক্রস (আইসিআরসি) এর প্রেসিডেন্ট পিটার মওরার এর জাতিসংঘের দ্বিপাক্ষিক সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।

    একইদিনে যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট মাইক পম্পেও’র প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

    ‘নারীর ক্ষমতায়মের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি’ শীর্ষক এই হাই লেভেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এটি লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্টের আয়োজনে জাতিসংঘ সদর দফতরের ৩নং কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সদর দফতরে ইন্টার প্রেস সার্ভিসেস (আইপিএস) আয়োজিত সংবর্ধনাতেও যোগদানের কথা রয়েছে।

    সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দফতরে সাধারণ পরিষদের ৭৩ তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করবেন এবং নিউ ইয়র্কের পার্ক অ্যাভেনিউয়ে গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশন আয়োজিত বার্ষিক নৈশভোজে যোগ দেবেন।

    অন্যান্য বারের মত এবারো সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ প্রদানের পরের দিন, ২৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের নিউইয়র্কস্থ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিকেলে শেখ হাসিনা নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইত্তেহাদ এয়ারওয়েজের একটি বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর আগামী ১ অক্টোবর সকালে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন হয়ে দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে, জানান প্রেস সচিব।-বাসস

  • ছয় দিনের সফরে লন্ডন-নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    ছয় দিনের সফরে লন্ডন-নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৩তম অধিবেশনে যোগ দিতে ছয় দিনের সরকারি সফরে আগামী শুক্রবার নিউইয়র্কের পথে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন এবং একই দিনে তার জাতিসংঘ মহাসচিব এন্টোনিও গুতেরেজের সঙ্গে বৈঠক করারও কথা রয়েছে।

    জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। যাদের মধ্যে রয়েছেন- এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালিজুলেইদ এবং নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট।

    প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট মাইক পম্পেও’র সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।

    শুক্রবার সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট ব্রিটিশ রাজধানী লন্ডনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।

    একই দিনে লন্ডনের স্থানীয় সময় ৩টা ৫৫ মিনিটে বিমানটির হিথরো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।

    যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাবেন।

    ব্রিটিশ রাজধানীতে দুই দিনের যাত্রাবিরতির পর প্রধানমন্ত্রী রবিবার সকালে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটযোগে নিউইয়র্কের পথে লন্ডন ত্যাগ করবেন।

    বিমানটির ওইদিনই স্থানীয় সময় ১টা ৪০ মিনিটে নিউ জার্সির নিউইয়র্ক লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ জিয়াউদ্দিন এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাবেন।

    বিমানবন্দরে অর্ভ্যথনা পর্ব শেষে একটি সুশোভিত মোটর শোভাযাত্রা সহযোগে প্রধানমন্ত্রীকে নিউ ইয়র্কের গ্রান্ড হায়াত হোটেলে নিয়ে যাওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রথম দিন সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের মিডটাউনের হোটেল হিলটনে প্রবাসী বাংলাদেশি আয়োজিত এক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন। সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী মিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল কল টু অ্যাকশন অন ড্রাগ প্রবলেম’ শীর্ষক হাই লেভেল ইভেন্টে যোগদান করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী সেখানে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশগ্রহণ করবেন।

    পরে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ইকোসক চেম্বার’র (ইসিওএসওসি) ইউএন হাইকমিশনার ফর রিফ্যুজিস আয়োজিত ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন রিফ্যুজিস: এ মডেল ফর গ্রেটার সলিডারিটি অ্যান্ড কোঅপারেশ’ শীর্ষক হাইলেভেল ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন।

    জাতিসংঘ সদর দপ্তরের দ্বিপাক্ষিক সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন।

    প্রধানমন্ত্রী হোটেল গ্রান্ড হায়াতে যুক্তরাষ্ট চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত গোলটেবিল মধ্যাহ্নভোজন বৈঠকেও’ অংশ নেবেন।

    বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ পরিষদের সম্মেলন কক্ষে নেলসন ম্যান্ডেলা পিস সামিটেও বক্তৃতা প্রদানের কথা রয়েছে।

    নিউ ইয়র্কের কনভেন কনফারেন্স সেন্টারে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত ‘সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইমপ্যাক্ট সামিট’-এও তাঁর যোগদানের কথা রয়েছে।

    শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুম ১১তে কানাডার প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত মহিলা এবং নারী শিক্ষায় বিনিয়োগ সংক্রান্ত একটি গোলটেবিল আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন।

    তিনি জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূতের আয়োজনে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ৩ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠেয় ‘মেকিং ইমপসিবল পসিবল: আনলকিং হিউম্যান পটেনশিয়াল থ্রো দ্যা ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স ফ্যাসিলিটি ফর এডুকেশন’ শীর্ষক হাই লেভেল ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন।

    সন্ধ্যায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প আয়োজিত স্বাগত সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ করবেন। সংবর্ধনাটি নিউ ইয়র্কের লোটিস্থ নিউ ইয়র্ক প্যালেস হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে।

    শেখ হাসিনা ২৫ সেপ্টেম্বর সাইবার নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক হাই লেভেল ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক কার্যালয় (ইউএনওডিএ) যৌথভাবে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ৩ নং কক্ষে এটির আয়োজন করবে।

    সাধারণ পরিষদ ভবনের নর্থ ডেলিগেট লাউঞ্জে জাতিসংঘের মহাসচিব আয়োজিত মধ্যাহ্ন ভোজে যোগদান করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিকেলে জাতিসংঘের অছি পরিষদ আয়োজিত জাতিসংঘ মহাসচিবের হাই লেভেল ইভেন্ট ‘অ্যাকশন ফর পিস কিপিং’ (এ ফোর পি) এ অংশগ্রহণ করবেন তিনি।

    ২৬ সেপ্টেম্বর, ইউনিসেফ-এর নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর, ইউএন হাই কমিশনার ফর রিফ্যুজিস (ইউএনএইচসিআর) ফিলিপ্পো গ্রান্দি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি মঘেরনিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের দ্বিপাক্ষিক সম্মেলন কক্ষে পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

    একই স্থানে প্রধানমন্ত্রী এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালিজুলেইদ’র সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

    ২৭ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা সৌদি আরবের স্থায়ী মিশন এবং ওআইসি সচিবালয়ের যৌথ উদ্যোগে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ১২নং কক্ষে অনুষ্ঠেয় সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কিত হাইলেভেল সাইড ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচি অ্যান্টোনিও গুতেরেজের সঙ্গে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে তাঁর সভাকক্ষে বৈঠক করবেন। আন্তর্জাতিক কমিটি অব রেডক্রস (আইসিআরসি) এর প্রেসিডেন্ট পিটার মওরার-এর জাতিসংঘের দ্বিপাক্ষিক সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।

    একইদিনে যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট মাইক পম্পেও’র প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

    ‘নারীর ক্ষমতায়মের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি’ শীর্ষক এই উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এটি লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্টের আয়োজনে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ৩ নং কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইন্টার প্রেস সার্ভিসেস (আইপিএস) আয়োজিত সংবর্ধনাতেও যোগদানের কথা রয়েছে।

    সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৭৩ তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করবেন এবং নিউ ইয়র্কের পার্ক অ্যাভেনিউয়ে গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশন আয়োজিত বার্ষিক নৈশভোজে যোগ দেবেন।

    অন্যান্যবারের মত এবারো সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ প্রদানের পরের দিন, ২৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের নিউইয়র্কস্থ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিকেলে শেখ হাসিনা নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইত্তেহাদ এয়ারওয়েজের একটি বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করবেন। তার ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে আবুধাবি হয়ে দেশে ফেরার কথা রয়েছে।–বাসস

  • বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার প্রশ্নই আসে না

    বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার প্রশ্নই আসে না

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি’র সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতার কোনো উদ্যোগ তাঁর সরকার নেবে না। এমনকি এ ধরনের সমঝোতার কোনো উদ্যেগের প্রশ্নই আসে না।

    তিনি বলেন, গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত আজকে উন্নয়নের ছোঁয়া যে দিতে পেরেছি সেটা হচ্ছে বড় পাওয়া। এখানে কে মান-অভিমান করলো, কার মান ভাঙাতে যাব সেটা আমি জানি না।

    রাজনৈতিক দূরত্ব কমাতে বা কারো অভিমান ভাঙানো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ নেয়া হবে কি না, এ সংক্রান্ত জাতীয় পার্টির সদস্য ফখরুল ইমামের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী আজ জাতীয় সংসদে একথা বলেন।

    খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে মারা যাবার পর বিএনপি নেত্রীর গুলশানের কার্যালয়ে গিয়ে ঢুকতে না পারার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সহানুভূতি দেখাতে গিয়ে যদি অপমান হয়ে ফিরে আসতে হয় সেখানে আর যাবার কোন ইচ্ছে আমার নেই। এইটুকু আমি বলতে পারি।

    এই বিষয়টি সম্পূর্ণ নীতির এবং রাষ্ট্রের আইন-কানুন সংশ্লিষ্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে কোন রাজনৈতিক মান-অভিমানের প্রশ্ন নেই বরং রাজনৈতিক নীতি এবং সিদ্ধান্তের প্রশ্ন এটি। আর হচ্ছে আইনের প্রশ্ন।

    কারান্তরীণ বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘কেউ যদি অন্যায় করে, অর্থ আত্মসাৎ করে, চুরি করে, খুন করে বা খুনের প্রচেষ্টা চালায়, গ্রেনেড হামলা বা বোমা মারে। তবে, তাঁর বিচার হবে এটাই স্বাভাবিক।’

    নিঃস্বার্থভাবে দেশের মানুষের উন্নয়নে তাঁর সরকার কাজ করছে বলেই আজ দেশের এত দ্রুত উন্নয়ন তাঁর সরকার করতে পেরেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর কোন সরকার এত উন্নয়ন করতে পারেনি কারণ, সেখানে ব্যক্তি স্বার্থ বা গোষ্ঠী স্বার্থটাই দেশের চাইতে বড় ছিল।

    শেখ হাসিনা বলেন, ব্যক্তিগত হিসেব নিকাশ করি না কতটুকু দিতে পারলাম সেই হিসেবটা করি। কি পেলাম না পেলাম সে হিসেব করি না এবং আন্তরিকতার সঙ্গে আজকে কাজটা করতে পারছি বলেই দেশটাকে উন্নত করতে পারছি এবং আমাদের উন্নয়নটা হচ্ছে একদম গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত।

  • ‘আমার মতো উপদেষ্টা থাকলে খালেদার একটি চুলও কেউ স্পর্শ করতে পারতো না’

    ‘আমার মতো উপদেষ্টা থাকলে খালেদার একটি চুলও কেউ স্পর্শ করতে পারতো না’

    টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিএনপি ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনার অভিযোগে পুলিশের দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম।

    মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ডাকবাংলো চত্বরে উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ দাবি জানান। তিনি বলেন, মামলায় উল্লেখিত তিন টুকরো পাটকেল আর দেড় ফুটের দু’খন্ড রড ও কাঠের টুকরো দিয়ে কখনো নাশকতা হয় না। তাই আমি শুধু আমার দলের নেতার নাম বাদ দিতে বলবো না, বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে করা মামলারও প্রত্যাহার চাই।

    এছাড়াও খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘ওই রকম উপদেষ্টা আছে বলেই খালেদা জিয়া জেলখানায়। আমার মতো উপদেষ্টা থাকলে খালেদার একটি চুলও কেউ স্পর্শ করতে পারতো না।’

    প্রতিবাদ সভায় উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আতোয়ার রহমানের সভাপতিত্বে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীরপ্রতীক, জেলা কমিটির সভাপতি অ্যাড. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এসএম সালেক হিটলু, সহসভাপতি আবদুল হালিম সরকার, উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জুলফিকার শামীম, যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুন্নবী সোহেল প্রমুখ বক্তব্য দেন।

    উল্লেখ্য, গত ৭ সেপ্টেম্বর সখীপুর থানা পুলিশ বিএনপির ১৬ জন ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জুলফিকার শামীমের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫০-৬০ জনের বিরুদ্ধে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনার মামলা করে। ওই মামলার প্রতিবাদেই উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। ইতিমধ্যে ওই মামলার ছয় আসামিকে (বিএনপি নেতা) পুলিশ গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

    মামলার বিষয়ে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম তুহিন আলী বলেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ওই নেতার নাম মামলায় ভুল করে লেখা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বিএনপির শামীম নামের এক নেতার নামের স্থলে তার নাম উঠেছে। মামলাটির সংশোধনী পাঠানো হয়েছে।

  • বিএনপির আরেক নাম হচ্ছে ‘মানি না মানবো না’: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপির আরেক নাম হচ্ছে ‘মানি না মানবো না’: সেতুমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির আরেক নাম হচ্ছে ‘মানি না মানবো না’। বিএনপি এখন দিবাস্বপ্ন দেখতেই পারে। তবে বেশি দেরি নেই এই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হওয়ার। কারণ তাদের স্বপ্নের সাথে জনগণের কোনো সংযোগ নেই। জনগণ যদি সাড়া না দেয় তাহলে তারা আন্দোলন করবে কাকে নিয়ে? এ ছাড়া ‘নালিশ পার্টি’ হিসেবে তো তাদের সুপরিচিতি আছেই।

    আজ বুধবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী হলে নিজের লেখা উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘গাঙচিল’ চলচ্চিত্রের মহরত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি একমাসের মধ্যে বাংলাদেশ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে। দশ বছর ধরেই তো তারা এই চেষ্টা চালাচ্ছে। জনগণ বিএনপির কোনো আন্দোলনে সাড়া দেয়নি। দশ বছরে যেটা পারেননি আগামী একমাসে তা পারবে- সেটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না। এটা একটা হাস্যকর বিষয়।

    কাদের আরও বলেন, বিদেশিদের কাছে কান্নাকাটির পর্ব শেষ করে সর্বশেষে জাতিসংঘে গিয়েও নালিশ করলো। জাতিসংঘে কান্নাকাটি করে বাংলাদেশকে ছোট করলো, অসম্মান করল। বিএনপি দেশের জনগণ ও গণতন্ত্রকে অপমান করলো।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, পার্লামেন্টের বাইরের কেউ নির্বাচনকালীন সরকারে থাকবে না। নির্বাচনকালীন সরকারের আকার ছোট হবে। নির্বাচনের মূল দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। সরকার নির্বাচন পরিচালনায় কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা করবে।

    এ সময় আরো বক্তৃতা করেন, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সংস্কৃতিবিষয়ক আসাদুজ্জামান নূর, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম প্রমুখ।

  • বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ এর ১১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত।

    বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ এর ১১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত।

    শেখ সুমন :

    গতকাল বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়।১৮ই সেপ্টেম্বর সকাল ১০ঘটিকার সময় বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামীলীগ এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় এর সামনে আলোচনা সভায়,প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রিয় আওয়ামীলীগ এর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডঃ হাসান মাহমুদ, বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডঃকামরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা এ্যাডঃবলরাম পোদ্ধার সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর  অনুষ্ঠান এর সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ উপকমিটির যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত সভাপতি,সাবেক ছাত্রনেতা দক্ষ সংগঠক এ্যাডঃআসাদুজ্জামান দুর্জয় ৷

    সকাল ০৮ঘটিকার সময় ধানমন্ডির ৩২নাম্বার এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধান্জলী অর্পন করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ। এবং সমাবেশ শেষে একটি বর্নাঢ্য আনন্দময় রেলী আয়োজন করা হয়।

  • কারও মান-অভিমান ভাঙাতে আর যেতে চাই না : প্রধানমন্ত্রী

    কারও মান-অভিমান ভাঙাতে আর যেতে চাই না : প্রধানমন্ত্রী

    দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক দূরত্ব বা কারও মান-অভিমান ভাঙাতে যাবেন না বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কারও মান-অভিমান ভাঙাতে যাব, সেটা আমি আর চাই না। সহানুভূতি দেখাতে যেয়ে যদি অপমানিত হতে হয়, সেখানে আর যাবার কোনো ইচ্ছা আমার নেই।

    বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তোর পর্বে জাতীয় পার্টির এমপি ফকরুল ইমামের সম্পূরকে প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। প্রশ্নকর্তা কবিতার ছন্দে জানতে চান ‘একটি পিছিয়ে পড়া জাতিকে উন্নয়নে ভাসিয়ে দেয়ার নাম শেখ হাসিনা, কমতে থাকা বাক্যালাপ, বাড়তে থাকা দূরত্বের, ক্ষোভের পাহাড় জমেছে বড় অভিমানের রাজত্বে, এই যে পলিটিক্যাল অভিমানটা চলছে, এটা কোনোক্রমে রোহিঙ্গা সমস্যা থেকে কম সমস্যা নয়, এই পলিটিক্যাল দূরত্ব কীভাবে সমাধান করবেন?

    এর জবাবে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। এ সময় সংসদের সভাপতিত্বে ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা কোনো মান-অভিমানের প্রশ্ন নয়, এটা একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রশ্ন ও আইনের প্রশ্ন। কেউ যদি অন্যায় করে, কেউ যদি অর্থ আত্মসাৎ করে, কেউ যদি অন্যায় করে, খুন করে, কেউ যদি খুনের প্রচেষ্টা করে, গ্রেনেড মারে, বোমা মারে, তবে তার বিচার হবে- এটাই স্বাভাবিক। রাজনীতি সবাই করেন, যার যার নিজের আদর্শ নিয়ে। আর দেশটা সকলের, এমন নয় যে দেশটা কেবল আমাদের। দেশের প্রতি দেশের জনগণের প্রতি যারা রাজনীতি করেন তাদের একটা দায়িত্ব থাকতে হবে, এবং সেই দায়িত্ববোধ থেকে সকলে স্ব স্ব কর্মপন্থা ঠিক করবেন এটাই হলো বাস্তব।

    ‘আমরা রাজনীতি করি আমাদের নিজেদের স্বার্থে না, নিজেদের লাভ-লোকসান দেখে না। সে বিচার, হিসাবও করি না। হিসাব করি, জনগণের জন্য কতটুকু করতে পারলাম, কতটুকু দিতে পারলাম। জীবনমান কতটুকু উন্নত হলো, এটাই আমরা দেখি, আর সেভাবেই আমরা পরিকল্পনা করি এবং তা বাস্তবায়ন করি। দেশের মানুষকে ভালোবেসে, দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করি বলেই কিন্তু আজকে এত অল্প সময়ে এত উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। তা ছাড়া তো করা সম্ভব না। অতীতে তো অনেক সরকার ছিল, এত অল্প সময়ে এতটা উন্নয়ন কোন সরকার করতে পেরেছে? কেন পারেনি? কেননা, সেখানে ব্যক্তিস্বার্থটাই দেশের ও জনগণের স্বার্থ থেকে বেশি বড় ছিল’,- বলে তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমার ক্ষেত্রে হচ্ছে দেশের স্বার্থ, জনগণের স্বার্থ, গোষ্ঠীর স্বার্থ সবচেয়ে বড়, ব্যক্তিস্বার্থ না। ব্যক্তিগত হিসাব-নিকেষ করি না। আর সে কারণেই দেশটাকে উন্নত করতে পারছি, গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত উন্নয়ন করতে পেরেছি, সেটাই বড়। তাই কারও মান-অভিমান ভাঙাতে যাব, সেটা আমি চাই না। সহানুভূতি দেখাতে যেয়ে যদি অপমানিত হতে হয়, সেখানে যাবার কোনো ইচ্ছা আমার নেই।

    প্রসঙ্গত, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর সময় তার মরদেহ দেখার জন্য গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন।