Category: রাজণীতি

  • সফর শেষে দেশে ফিরলেন ফখরুল

    সফর শেষে দেশে ফিরলেন ফখরুল

    পাঁচ দিনের যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে ঝটিকা সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    রবিবার বিকেল ৫টা ২০মিনিটে অ্যামিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লন্ডন থেকে ঢাকা পৌঁছান তিনি।

    গত ১১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে নিউইর্য়ক যান তিনি। এ সফরে তিনি জাতিসংঘের রাজনীতি বিষয়ক সহকারী মহাসচিব মেরোস্লাভ জেনকার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন।

    ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের সঙ্গেও বৈঠক হয় তার। এসব বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের নানা অনিয়ম, বিরোধী দলের উপর দমনপীড়নের তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন বিএনপি মহাসচিব। একাদশ সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে জাতিসংঘ ও ট্রাম্প প্রশাসনেরও করণীয় আছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানান তিনি।

    শুক্রবার বিকেলে লন্ডনের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল ওয়াশিংটন ত্যাগ করেন। শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় নিউইর্য়ক থেকে লন্ডনে পৌঁছান বিএনপি মহাসচিব। সেখানে দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

    লন্ডনে এসে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়বস্তু নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

    সূত্র জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোল ও জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন শীর্ষ দুই নেতা।

    মির্জা ফখরুলের সফরসঙ্গী বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা তাবিথ আউয়ালও একই ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি মহাসচিবের আকস্মিক এ সফর রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • বাবা-চাচার নির্বাচনে যেভাবে খাটতা সেভাবে কি আমার জন্য খাটবা

    বাবা-চাচার নির্বাচনে যেভাবে খাটতা সেভাবে কি আমার জন্য খাটবা

    নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, ড. কামাল হোসেনসহ কিছু ডক্টর বাংলাদশের বিরুদ্ধে দেশে ও বিদেশে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছেন। ড. কামাল হোসেন নোবেল বিজয়ী এক ডক্টরসহ দেশের কিছু ডক্টর আছেন, যারা চান না বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাক। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারসহ গোটা দেশের বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করছেন। উনারা জোট করে ক্যান্টনমেন্টের দিকে আছেন কিছু করা যায় কিনা? যদিও ভোট হলে এই জোটের জামানত থাকে না। তারপরও ওইসব লোকজন রাষ্ট্র পরিচালনা করার স্বপ্ন দেখে।

    রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের ইসদাইর এলাকাস্থ সামসুজ্জোহা স্টেডিয়ামে নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শামীম ওসমান বলেন, দেশের একমাত্র শক্তি হচ্ছে ছাত্র। ছাত্ররা কখনও মিথ্যা বলে না। কারণ ওদের কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। এই শক্তিটা হচ্ছে লড়াই করার শক্তি। বাংলাদেশে যত আন্দোলন হয়েছে সব কিছুর নেতৃত্ব দিয়েছে ছাত্ররা। আমি তাই তোমাদের কাছে একটি অনুমতি চাই। সততার সঙ্গে বলবা। আগামীতে নির্বাচন হবে। আমি জানি না, আমি নির্বাচন করবো কীনা? আমি মনে করি তোমাদের কাছ থেকে অনুমতি নেয়া দরকার। এই যে নির্বাচনটা আসছে, সেখানে কি তোমরা মনে করো আমার নির্বাচন করা উচিত? এ সময় শিক্ষার্থীরা হাত উঁচু করে সমর্থন জানালে শামীম ওসমান বলেন, তাহলে তোমার বাবা কিংবা চাচা নির্বাচনে দাঁড়ালে যেভাবে খাটতা সেভাবে কি আমার জন্য খাটবা? যদি যোগ্য মনে করো তাহলে খাটবা। আর তিনি দেশের যেখানে অন্যায় অত্যাচার হবে সেখানেই প্রতিবাদ করে রুখে দাঁড়ানোর জন্য তোলারাম কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

    Narayanganj-Photo

    তিনি বলেন, এখানে দাবি উঠেছে তোলারাম কলেজে বাস চাই। এই দাবি বড় কোনো দাবি না। এই বাসের সমস্যা সমাধান হবে। আমি গতবার এমপি থাকা অবস্থায় ২৬শ কোটি টাকার কাজ করেছি। এবার কাজ করেছি ৭ হাজার ৪শ কোটি টাকার। তবুও আমি সেটিসফাইড না। আগামীতে আবারও নির্বাচিত হতে পারলে নারায়ণগঞ্জের মানুষের জন্য আরও নতুন কিছু করার ইচ্ছার কথা জানান তিনি।

    নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ বেলা রানী সিংহ এর সভাপতিত্বে ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শামীম ওসমানের সহধর্মিনী ও নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান লিপি, উপাধ্যক্ষ শাহ আমিনুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজাম, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়া, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, হোসিয়ারী সমিতির সভাপতি নাজমুল আলম সজল, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এহসানুল হক নিপু, সাফায়াত আলম সানী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুজন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান আজিজ, সাধারণ সম্পাদক রাফেল প্রমুখ।

  • আওয়ামী লীগকে জনগণ আবারো ভোট দিয়ে  নির্বাচিত করবে :  শেখ হাসিনার

    আওয়ামী লীগকে জনগণ আবারো ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে : শেখ হাসিনার

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় আস্থা ব্যক্ত করে বলেছেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার জন্যই জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে পুনরায় নির্বাচিত করবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের মাঝে এখনও আওয়ামী লীগের বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে, কারণ জনগণ বিশ্বাস করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই দেশ এগিয়ে যাবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপেও এটা উঠে এসেছে।’

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রাতে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম সভায় সভাপতিত্বকালে এ কথা বলেন।
    সততাকেই আওয়ামী লীগের মূল শক্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি স্বার্থান্বেষী মহল যারা অপেক্ষা করেই থাকে কখন দেশে অগণতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতা দখল করবে আর তাদের অবস্থার উন্নতি হবে।’

    ‘কিন্তু, সেই আশা করে আর লাভ নেই। উত্তরপাড়া আর আসবে না তাদের ক্ষমতায় বসাতে,’ বলেন তিনি।
    প্রধানমন্ত্রী এ সময় নির্বাচনকেন্দ্রিক বিভিন্ন জোট গঠনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তারা যেখানে চাইবে সেখানেই সরকার তাদের সভা করতে দেবে।
    নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন দুটি ঐক্য ফোরাম গঠনকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরকম হওয়া উচিত। আরো নতুন নতুন পলিটিক্যাল অর্গানাইজেশন তৈরি হোক।

    তিনি বলেন, তাঁরা আগামীতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মিটিং করতে চেয়েছেন, তাঁরা যদি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে চান, আমরা করতে দেব। আমাদের কোন আপত্তি নাই, আমি স্পষ্ট বলে দিচ্ছি। পুলিশ কমিশনারকে অনুরোধ করবো আপনারা বাধা দেবেন না।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, দরকার হলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি স্থায়ী মঞ্চ করে দেব। যার যত খুশি সেখানে বক্তৃতা দিতে পারবে। আমি বলবো একটি কর্ণার ঠিক করে দিতে সেখানে বক্তৃতা দিক, আন্দোলন করুক, যা খুশী করুক। কারণ আমরা কারো গলা চেপে ধরিনি, আমরা কারো মুখ বন্ধ করিনি।

    ‘কিন্তুু যারা মিথ্যাচার করবে, উস্কানিমূলক কাজ করবে এবং সংঘাত সৃষ্টি করতে চাইবে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

  • ‘লাখ টাকা বেতন দিলেও কেউ কেউ বলবে আরও লাগবে’

    ‘লাখ টাকা বেতন দিলেও কেউ কেউ বলবে আরও লাগবে’

    শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, সরকার তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য সর্বনিম্ন মজুরি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে। এ নিয়ে নানা মহলে সমালোচনা থাকলেও তা পাত্তা দিচ্ছেন না শ্রম মন্ত্রণালয়। এই মজুরি নিয়ে অসন্তোষের কোনো ‘সুযোগ’ নেই।

    তিনি বলেন, ভালো কাজ করলে কেউ না কেউ বিরোধী তো থাকেই। এক লাখ টাকা বেতন দিলেও কেউ কেউ বলবেন এতে হয় না, আরও লাগবে।

    রবিবার সচিবালয়ে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে বিএসআরএম-এর লভ্যাংশ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাধারণ শ্রমিকদের সমর্থন আমাদের সঙ্গে আছে। তাই কোনও সমস্যা হবে না। আর কোনও ধরনের অসন্তোষ যাতে না হয় সেজন্যই প্রধানমন্ত্রীর কমিটমেন্ট অনুযায়ী মজুরি ঘোষণা করেছি।

    তবে কিছু সংগঠনের ‘উদ্দেশ্য ভালো নয়’ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বিষয়নি নিয়ে খুবেই সতর্ক। উদ্দেশ্যমূলকভাবে যদি কিছু করতে চায় তবে তারা কিছু করতে পারবে না।

    গত বৃহস্পতিবার গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করে সরকার। সর্বনিম্ন ৮ হাজার টাকা রেখে এই মজুরি ঘোষণা করা হয়। যা আগামী ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

    বর্তমানে পোশাক শ্রমিকরা ২০১৩ সালে ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি ৫ হাজার ৩০০ টাকা পেয়ে আসছেন।
    এ দফায় তা ১৬ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছিল বিভিন্ন সংগঠন।

    চুন্নু বলেন, সর্বনিম্ন মজুরি ঘোষণার আগে আমি শ্রমিক, শ্রমিক ফেডারেশন, ইউনিয়নের অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, সর্বনিম্ন মজুরি ৮ হাজার টাকা করা হলে হয়তো সবাই সেটা গ্রহণ করবে।

  • জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সংবিধান অনুযায়ী: ওবায়দুল কাদের

    জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সংবিধান অনুযায়ী: ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব পালন করবেন এবং নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচন পরিচালনা করবে। এর ব্যত্যয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
    আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আইডিইবি’র ২২তম জাতীয় সম্মেলন ও ৪১তম কাউন্সিল অধিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত ‘৪র্থ শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
    আইইডিবি’র সভাপতি প্রকৌশলী এম এ হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শামসুর রহমান।
    ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ নয় যে এ দেশের নির্বাচন জাতিসংঘের অধীনে হতে হবে। বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। এ দেশের সংবিধানই নির্বাচন পরিচালনা করবে।
    এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান, সোমালিয়া ও কঙ্গোর মতো অবস্থায় নেই। তাই আমাদের দেশে জাতিসংঘের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
    জাতীয় নির্বাচনের আগে জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দেওয়ার বিএনপির দাবিকে অবান্তর ও অপ্রাসঙ্গিক উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আর মাত্র এক-দেড় মাস সময় রয়েছে। এমন সময়ে বিএনপির এ ধরনের দাবি মামার বাড়ির আবদার ছাড়া আর কিছুই নয়।
    তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, আমাদের দেশেও সেভাবেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকালীন সময়ে মন্ত্রিসভার সদস্যরা শুধু রুটিন ওয়ার্ক করবে, এ সময় তারা গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না। জাতীয় সংসদ সদস্যরাও কোনো মর্যাদা ভোগ করবে না। তাই সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া আর না দেওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
    জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সেনা মোতায়েনের দাবির বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে না, তা আমরা কখনো বলিনি। প্রয়োজন হলে সেনা মোতায়েন করা হবে।
    এ বিষয়ে তিনি বলেন, সময় ও পরিস্থিতি যদি বলে দেয় সেনা মোতায়েন করা দরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসি) চাইলে সরকার সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
  • দেশ থেকে মঙ্গা চিরবিদায় নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

    দেশ থেকে মঙ্গা চিরবিদায় নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

    উত্তরবঙ্গের অবহেলিত থাকার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  এক সময় উত্তরবঙ্গের বহু এলাকার মত গঙ্গাচড়াও মঙ্গা প্রবণ এলাকা ছিল। কিন্তু সরকারের পরিকল্পিত উন্নয়নে আজ আর মঙ্গা নেই। এই শব্দটিই যেন হারিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের শাসনেই দেশ থেকে মঙ্গা চির বিদায় নিয়েছে।

    রবিবার দুপুরে গণভবন থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুটি সেতুর উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ভিডিও কনফারেন্সটি সঞ্চালনা করেন। এ সময় সরকারি কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শ্রেণি পেশার জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাদ্র-আশ্বিন মাসে এই এলাকার জনগণের যখন কাজ থাকে না তখনকার সময়ের জন্য সরকার সামাজিক নিরাপত্তাবলয়ের কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে, যা দারিদ্র বিমোচনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন মানে পরিবর্তন এনেছে।

    শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করার লক্ষ্যে একটি উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, একটি দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা যত উন্নত হবে ততই জনগণের অর্থনৈতিক অবস্থারও উন্নয়ন ঘটবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনকে মাথায় রেখেই সরকার দেশের সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে।

    ‘গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা সেতু’ সেতু চালুর ফলে লালমনিরহাট জেলার চার উপজেলাসহ বৃহত্তর রংপুরের কোটি মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হল।

    যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকা এবং বিভাগীয় শহর রংপুরের সঙ্গে লালমনিরহাটের কয়েকটি উপজেলার দূরত্ব কমিয়ে আনতে কাকিনা-মহিপুর এলাকায় দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।

    বাঞ্ছারামপুরের সেতুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেতুর একটা অংশ বাঞ্ছারামপুর থেকে চলে যাবে মুরাদনগর, আরেকটা অংশ চলে যাবে হোমনায়। তাহলে সেতুটি দেখতেও অন্যরকম হবে, যা এখন ওয়াই সেতু নামে পরিচিতি পেয়েছে।

  • হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সংসদীয় কমিটির ২১তম সভা

    হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সংসদীয় কমিটির ২১তম সভা

    ১০ম জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির ২১তম সভা জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ মন্ত্রী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় কমিটির সদস্য স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি,সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি, রাজি উদ্দীন আহমেদ এমপি, এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান এমপি, ফজলে হোসেন বাদশা এমপি সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • পথে অসুস্থ বি. চৌধুরী, এলেন না সংবাদ সম্মেলনে

    পথে অসুস্থ বি. চৌধুরী, এলেন না সংবাদ সম্মেলনে

    যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (বি. চৌধুরী)। বিকল্পধারার প্রধান বি. চৌধুরী যুক্তফ্রন্টের ঐক্য প্রক্রিয়ার অন্যতম শীর্ষ নেতা। ঐক্যের উদ্যোগ নিয়ে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন মূলত তিনিই।

    শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঐক্য প্রক্রিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে থাকার কথা ছিল। বাসা থেকে রওনাও দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে পারেননি সাবেক এ রাষ্ট্রপতি।

    কী কারণে সংবাদ সম্মেলনে যোগ দিলেন না বদরুদ্দোজা চৌধুরী, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা থাকলেও সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় অসুস্থতার কারণ। এ ছাড়া বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ছেলে মাহী বি. চৌধুরীকেও দেখা যায়নি সংবাদ সম্মেলনে।

    যুক্তফ্রন্টের অন্যতম নেতা নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। তবুও তিনি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু পথেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার গাড়ি ফেরত যায়। তার ইসিজি করা হচ্ছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।’

    অসুস্থতার কারণেই আসতে পারেননি বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলে জানান যুক্তফ্রন্টের আরেক নেতা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীও। তিনি বলেন, ‘মূলত অসুস্থ হয়ে পড়ায় তার পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেয়া সম্ভব হয়নি। এখানে অন্য কারণ নেই।’

    শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে নিজেদের দাবি দাওয়া উপস্থাপন করেন ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ও ডা. এ কি এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট। সংগঠনটি তাদের ৫ দফা দাবি ও ৯ দফা লক্ষ্য ঘোষণা করেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেনসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য রাখেন।

  • শেবাচিমের মহামিলন মেলা গোল্ডেন জুবলী উদযাপনে হাসানাত আব্দুল্লাহর মতবিনিময়

    শেবাচিমের মহামিলন মেলা গোল্ডেন জুবলী উদযাপনে হাসানাত আব্দুল্লাহর মতবিনিময়

    বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র ছাত্রীদের মহামিলন মেলা গোল্ডেন জুবলী’র ভিডিও কনফান্সের মাধ্যমে ৮অক্টোবর প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা উদ্ধোধন করবেন।

    এ উদ্ধোধনী কর্মসূচী সফল করার লক্ষে, ডাক্তারদের সাথে মতবিনিময় করেন পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) ,স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান, শেবাচিম স্বাস্থ্য ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এমপি।

     

  • দেশ যত উন্নত হবে তত সুযোগ-সুবিধা পাবেন : প্রধানমন্ত্রী

    দেশ যত উন্নত হবে তত সুযোগ-সুবিধা পাবেন : প্রধানমন্ত্রী

    দেশের উন্নয়নে, মানুষের উন্নয়নে কাজ করতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশ যত বেশি উন্নত হবে আপনারা তত সুযোগ-সুবিধা পাবেন। দেশ উন্নত হলে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের যে হারে বেতন বাড়িয়েছি তাতে আর কিছু দাবি না করাই উচিত ছিল। তারপরও আপনাদের ইনক্রিমেন্টের ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটা বৈঠক হয়েছে। এ ব্যাপারে শিগগিরই একটি ভালো ঘোষণা আসতে পারে।

    শনিবার রাজধানীতে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) এর তিনদিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলন-২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, আইডিইবির সভাপতি এ কে এম এ হামিদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শামসুর রহমান। দেশের বিভিন্ন সেক্টরে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তিন ব্যক্তিকে স্বর্ণপদক দেয়া হয়।

    শেখ হাসিনা বলেন, ২১ বছর এ দেশের মানুষ বঞ্চিত ছিল। পঁচাত্তরের পরে যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা শুধু নিজেদের ভাগ্য গড়ার চেষ্টা করেছে। বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। কিন্তু সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার আগেই তাকে এ পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। তার অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্যই আমি এসেছি। নিজের ছোট ছোট ছেলে-মেয়েকে বাইরে রেখে, মায়ের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করে আমি দেশের মানুষের সেবা করছি। এ দেশের মানুষ যেন ভালো থাকে, যাতে পেট ভরে খেতে পারে, দেশ যেন উন্নত হয় সে জন্যই আমার সংগ্রাম।

    তিনি বলেন, গত সাড়ে ৯ বছরে যা করেছি, এ দেশের মানুষ তার সুফল ভোগ করছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অগ্রগতি এখন আর কেউ থামাতে পারবে না। আমরা বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছি।

    তিনি বলেন, আগামী ২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ৪১সালে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে। আগামী ২১০০ সালে কেমন বাংলাদেশ দেখতে চাই সে পরিকল্পনাও আমরাও গ্রহণ করছি। এ জন্য আমরা ডেল্টাপ্লান ২১০০ গ্রহণ করেছি।