Category: রাজণীতি

  • গ্রামীণ অর্থনীতিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে অভিভূত ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী

    গ্রামীণ অর্থনীতিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে অভিভূত ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী

    গ্রামীণ অর্থনীতিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে অভিভূত বাংলাদেশ সফররত ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী সুরেশ প্রভু। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ একটি সুন্দর দেশ। এদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তা নিজ চোখে না দেখলে বোঝানো যাবে না। আমি সত্যিই আনন্দিত। আমি মোদি সরকারে আছি। ভারতের সরকার উল্লেখ করেছে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি হচ্ছে সোনালি চুক্তি।

    মঙ্গলবার দুপুরে ভোলার বাংলাবাজার ফাতেমা খানম ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজনে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের আমন্ত্রণে আজ মঙ্গলবার ভোলা সফর করেছেন সুরেশ প্রভু। সফরকালে ভোলার বাংলাবাজারের স্বাধীনতা যাদুঘর পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষবর্ধন শ্রিংলা, ক্যাপ্টেন এ বি এম তাজুল ইসলাম (অব.) এমপি, স্কয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, ইসলাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজুরুল ইসলাম, নঈম নিজাম উপস্থিত ছিলেন।

    অতিথিরা ভোলায় পরিচালিত ফাতেমা খানম বৃদ্ধাশ্রম, ফাতেমা খানম কলেজ ও আজাহার-ফাতেমা খানম মেডিক্যাল কলেজও পরিদর্শন করেন। দুপুরে বাংলাবাজার ফাতেমা খানম ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবদুল মোমিন টুলু।

    সভায় সুরেশ প্রভু আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের অনেক শহরের ট্রেনের যোগাযোগ রয়েছে। ঢাকা জয়দেবপুর রেললাইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ-ভারত উভয়ই উন্নয়নশীল দেশ। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে ৫২ সালে ভাষার জন্য সংগ্রাম করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তিনি ইন্দিরা গান্ধির সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মৈত্রী চুক্তি করেছিলেন।

    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু দেশ পুনর্গঠনের কাজ শূন্য হাতে শুরু করেছিলেন। বাজেট ছিল খুবই সীমিত। স্বাধীনতা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। তিনি বলেন, তিন মাস পর আমাদের জাতীয় নির্বাচন। এ নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে।

  • পোনামাছ অবমুক্ত কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন হাসানাত আবদুল্লাহ্

    পোনামাছ অবমুক্ত কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন হাসানাত আবদুল্লাহ্

    মিজানুর রহমান:

    ২০১৮-১৯ আর্থিক সালে রাজস্ব বাজেটের আওতায় গৌরনদী মৎস্য দপ্তরের উদ্দোগে পোনামাছ অবমুক্ত কার্যক্রমের উদ্ধোধন করেন পার্বত্য শান্তি চুক্তিবাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি। এ সময় আরো অনেক নৃত্ব্বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নেতা ছাড়া নেতৃত্ব হয় না: কাদের

    নেতা ছাড়া নেতৃত্ব হয় না: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যেকোনো আন্দোলনে নেতা থাকতে হয়। নেতা ছাড়া নেতৃত্ব হয় না। যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা কে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, পাঁচমিশালী, জগাখিঁচুড়ি নেতৃত্বে জনগণের আস্থা নেই। বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আর একবার ক্ষমতায় আসলে হাওয়া ভবনের বদলে খাওয়া ভবন হবে। ২০ দল, ৩০ দলের নেতা কে? নেতৃত্ব দেবে কে? তা পরিষ্কার করতে হবে।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি কই? বিএনপি নেতারা ঘরের মধ্যে ডুকে গেছে নি? তারা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে তারা (বিএনপি) কী আন্দোলন করবে? বিএনপি হাওয়া ভবন সৃষ্টি করে দেশের সম্পদ লুটপাট করেছিল। এবার তাদের উদ্দেশ্য, খাওয়া ভবন সৃষ্টি করা। তিনি বিএনপির উদ্দেশ্যে বলেন, ২০০১ সালের মত নির্বাচনের খোয়াব দেখে লাভ নাই।

    বর্তমান সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের সিংহভাগ উন্নয়ন করেছে। উন্নয়ন যারা করে, তারাই জনগণের কাছে ভোট চাওয়ার অধিকার রাখে। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মীরা অভিমান করতে পারে, কিন্তু বেইমানী করে না। আওয়ামী লীগ একটি পরিবার, পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এখন থেকে জনগণের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাইতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

    ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার দুপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কবিরহাটে নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। পরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মধ্য চরকাঁকড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নৌকায় ভোট চান তিনি।

    কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন রুমির সভাপতিত্বে নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী এমপি, কবিরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুন নাহার শিউলি একরাম, কবিরহাট পৌরসভার মেয়র জহিরুল হক রায়হান। জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক আব্দুল মমিন বিএসসি, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সামছুদ্দিন সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মাহমুদুর রহমান জাবেদ।

    পরে মন্ত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নতুন বাজারে চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল প্রমূখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।ওবায়দুল কাদের কবিরহাট উপজেলা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।

  • কক্সবাজারের আওয়ামী লীগের জনসভা রূপ নেয় জনসমুদ্রে

    কক্সবাজারের আওয়ামী লীগের জনসভা রূপ নেয় জনসমুদ্রে

    কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে গতকাল বিকেলে আওয়ামী লীগের জনসভা এক পর্যায়ে রূপ নেয় জনসমুদ্রে।

    ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার অভিমুখে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী সড়কযাত্রার অংশ হিসেবে রবিবার বিকেলে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠের জনসভা জনসমুদ্রে রূপ নেয়। দুপুর থেকেই চকরিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে নানা ব্যানার, ফেস্টুন ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ আসতে থাকেন।

    সরেজমিন দেখা যায়, জনসভা ঘিরে চলে চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আলমের সমর্থকদের নির্বাচনী শোডাউন। ‘শেখ হাসিনার নৌকা, জাফর ভাইয়ের নৌকা’-স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে জনসভাস্থল। জনতার মুহুর্মুহু স্লোগানে খোদ কেন্দ্রীয় নেতারাও উজ্জীবিত হয়ে উঠেন।

    এ সময় উপস্থিত জনতার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘চকরিয়া-পেকুয়া তথা কক্সবাজার-১ আসনের আমলনামা আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আছে। অতএব আপনাদেরকে চিন্তা করতে হবে না। ঠিক সময়ে এ আসনে নৌকার প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।’

    ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, এখানে যাঁর জনসমর্থন বেশি, তাঁকেই নৌকার মনোয়নয়ন দেওয়া হবে।’ কবিকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘আবার আসিব ফিরে সেদিন, যেদিন মাতামুহুরীর তীরে ভিড়বে নৌকার বিজয়।’

    এ সময় কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আরো ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সাবেক মন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম ও ব্যারিস্টার মহীবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

    চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জাফর আলম। সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী এবং পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী।

    জনসভায় উপস্থিত জনতার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে এলাকায় কে বেশি জনপ্রিয়। কার মাধ্যমে এ আসনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত হবে। তাই দল থেকে নৌকার প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হবে। আওয়ামী লীগের মতো বড় দলে একাধিক প্রার্থী থাকতে পারে। তবে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে কোনো অবস্থাতেই সংঘর্ষে জড়ানো যাবে না। নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

    চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু ও পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম  বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বেশি নির্যাতিত হয়েছিলেন আমাদের নেতা জাফর আলম। সেই একযুগ আগে থেকে চকরিয়া-পেকুয়ার গণমানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তিনি।

    তাঁরা বলেন, জনসভায় লাখো জনতার সমাগমের মাধ্যমে আজ জাফর প্রমাণ করলেন চকরিয়া-পেকুয়া শেখ হাসিনা তথা নৌকার ঘাঁটি। আশা করি আগামী সংসদ নির্বাচনে জাফরকেই নৌকার প্রার্থী করা হবে।

  • ভোট দিলে ক্ষমতায় থাকবো, না দিলে থাকবো না: শেখ হাসিনা

    ভোট দিলে ক্ষমতায় থাকবো, না দিলে থাকবো না: শেখ হাসিনা

    বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মানুষ শান্তিতে আছে। শুধু শান্তিতে নেই বিএনপি। আর নতুন করে যোগ হয়েছে যুক্তফ্রন্ট। তিনি বলেন, বিএনপিসহ খুনি, দুর্নীতিবাজ, সুদখোর, বাড়ি দখলকারী-সুবিধাভোগীরা যুক্তফ্রন্ট করেছে। তারা সরকার উত্খাতের ষড়যন্ত্র করছে। এদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।
    স্থানীয় সময় রবিবার রাতে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের হোটেল হিলটনের গ্র্যান্ড বলরুমে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রবাসী নাগরিক সংবর্ধনায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় প্রবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। অতীতের যে কোনো সংবর্ধনায় উপস্থিতির রেকর্ড ভেঙেছে রবিবারের এই সংবর্ধনা।
    প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচনের আগে আর আমেরিকায় আসার সুযোগ হবে না। বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে নৌকায় ভোট দিতে হবে। আপনাদের আত্মীয়-স্বজনদের বলবেন নৌকায় ভোট দিতে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় থাকে তখন দেশের উন্নয়ন হয়, আর অন্যরা থাকলে শুধু দুর্নীতি হয়।
    প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা পুনর্ব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, প্রবাসীরা দেশের দুঃসময়ে সবসময় পাশে দাঁড়িয়েছেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সময় তারা সোচ্চার ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় আন্দোলন করেছেন, সর্বোপরি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রেখে চলেছেন। তিনি ঢাকা- নিউইয়র্ক- ঢাকা রুটে বাংলাদেশ বিমান পুনরায় চালু করার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির দুঃশাসন এবং দুর্নীতির কারণে ইমার্জেন্সি সরকার এসে প্রথমে আমাকে জেলে নিয়েছিল। সেই জেলখানায় বসেই আমি দিন বদলের সনদ তৈরি করেছিলাম। আমরা ক্ষমতায় এসে দিনবদল করেছি, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করেছি। এবার ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি।
    কিন্তু ডিজিটাল করে সমস্যাও হয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু হয়েছে। সেই অপপ্রচার বন্ধে এবং সামাজিক নিরাপত্তায় আমরা ডিজিটাল আইন পাস করেছি। কিন্তু সমস্যা তৈরি করছে সাংবাদিকরা। সাংবাদিকরা নিজের স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছু বোঝে না। ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনের সময় অনেকেই স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করেছে। তিন দিনের মাথায় আমরা দেখলাম বিভিন্ন লেবাসে বুড়া খোকাদের। একজন ফটো সাংবাদিক সরকারের বিরোধিতায় নেমে পড়লেন। পুলিশ তাকে বুঝানো চেষ্টা করলেন, তিনি পুলিশকেও ধমক দিয়ে বললেন, আমি বলে দেবো আপনারা আমাকে নির্যাতন করছেন। তখন পুলিশ উনাকে চালান করে দেয়। এখন তা নিয়ে দেশে বিদেশে হৈ-চৈ।
    শেখ হাসিনা বলেন, আমার চাচা কামাল হোসেন, তারেকের বদু কাকা (বি. চৌধুরী), এরশাদ-জিয়ার সুনজরে থেকে ডাকসুর নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না, সুদখোর ড. ইউনূস, কাকরাইলে বাড়ি দখলকারী ব্যারিস্টার মঈনুল, মৃত ব্যক্তির জাল সাটির্ফিকেট তৈরি করে গুলশানে বাড়ি দখলকারী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদরা যুক্তফ্রন্ট করেছেন।
    ড. ইউনুস হিলারির সহযোগিতায় আমাদের চোর বানাতে চেয়েছিলো। কিন্তু কানাডার আদালত বিশ্ব ব্যাংকের সেই অভিযোগ খারিজ করে দেয়। তিনি বলেন, বিএনপি এত দুর্নীতি করেছে যে তারা এফবিআই’র অফিসার ক্রয় করেছিল সজিব ওয়াজেদ জয়কে হত্যা এবং অপহরণ করতে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি তাই জেলে রয়েছে, তারেক রহমান ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী।
    এসব মামলা আমার সরকার করেনি। তার পছন্দের লোকজনই করেছিলো। তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে এসেছি। জনগণ ভোট দিলে ক্ষমতায় থাকবো, না দিলে থাকবো না। আমার চাওয়া- পাওয়ার কিছু নেই। তিনি আরো বলেন, আমরা ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছি। আমার বোন রেহান আমাকে বলেছে ১৬ কোটি মানুষকে খাওয়াতে পারলে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকেও খাওয়াতে পারবে না কেন?
    যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা সভায় আরো বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ।
     অন্যান্যের মধ্যে মঞ্চে বসা ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক এলাহী চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ফজলুর রহমান, আক্তার হোসেন, সৈয়দ বসারত আলী, লুত্ফুল করিম, শামসুদ্দীন আজাদ, আবুল কাশেম ও মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক আইরীন পারভীন প্রমুখ।
  • খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে রিট শুনানি মঙ্গলবার

    খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে রিট শুনানি মঙ্গলবার

    কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিষেশায়িত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানির দিন আগামীকাল মঙ্গলবার ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

    আজ সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর বিশেষায়িত বেসরকারি হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সুবিধা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন তাঁর আইনজীবী কায়সার কামাল। সেদিন তিনি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট করেন।

    আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অপরদিকে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

    প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্র দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। এর পর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন তিনি।

  • সুদ-ঘুষখোর, খুনি-দুর্নীতিবাজ সবাই এক হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

    সুদ-ঘুষখোর, খুনি-দুর্নীতিবাজ সবাই এক হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দলের ভেতরের বেঈমানদের কারণেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড হয়েছে। আর এখন সুদখোর, ঘুষখোর, খুনি ও দুর্নীতিবাজ সবাই এক জায়গাঁয় হয়েছে। দুর্নীতিবাজদের নিয়ে এখন কামাল হোসেনরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়বে। জনগণ তাদের ভোট দিলে দেবে।

    এরা ক্ষমতায় এলে দেশকে ধ্বংস করে ফেলবে। এরা দেশের সম্পদ লুটে খেয়েছে, এরা ক্ষমতায় গেলে স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে মিলে দেশ ধ্বংস করবে। কাজেই জনগণকে তাদের সম্পর্কে চিন্তা করতে হবে।

    জাতিসংঘের ৭৩তম অধিবেশনে যোগ দিতে এসে নিউ ইয়র্কের হিলটন হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় এ সব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

    রবিবার স্থানীয় সময় রাত ৮ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া ওই নাগরিক সংবর্ধনায় আরও বক্তব্য দেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ মাহমুদ আলী, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।

    এতে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দিপু মনি উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যারা পরিবর্তন করতে চায়, তারা দেশের উন্নয়ন করতে পারবে না। খাবে তো লুটপাট করে। আমার চাচা কামাল হোসেন সাহেব, তিনি এক হয়েছেন। তারসঙ্গে গেছে বিএনপির তারেক জিয়া ও মওদুদ আহমেদ। তাদের সঙ্গে এক হয়েছে জিয়াউর রহমান ও এরশাদের সুনজরে থাকা মাহমুদুর রহমান মান্না। এরা জোট বেঁধেছে চোরদের নিয়ে। ছেলেও চোর। মাও চোর।

    খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মামলা দিয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তার প্রিয় ব্যক্তিরা তারই বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। এতিমের টাকা মেরে দেওয়ার মামলায় শাস্তি হয়েছে। তারেক দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে। এ সব দুর্নীতিবাজদের নিয়ে ড. কামাল হোসেন এখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করবে। দেখেন, কারা এক হয়েছে। এই চরিত্রের লোকগুলো ক্ষমতায় এলে, দেশ লুটেপুটে খেতে পারবে।

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাশ হওয়া প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ডিজিটালের একটা ভালো দিকও আছে। খারাপ দিকও আছে। এটা নিরাপদ করতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাশ করেছি। যদিও এর বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে। আমি স্পষ্ট বলতেক চাই, সাংবাদিকরা শুধু তাদের নিজেদের স্বার্থ দেখছেন। সামাজিক সমস্যা যে সৃষ্টি হচ্ছে, সেটিতে সাংবাদিকদের দৃষ্টি নেই। সবার সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই আমাদের এই ডিজিটাল আইন। এটা আমাদের সাংবাদিকদেরও বোঝা উচিত। খালি নিজেদের স্বার্থ দেখলে চলবে না। সাংবাদিকদের সমাজের স্বার্থ দেখতে হবে।

    দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে, উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে প্রবাসীদের কাছে আমার অনুরোধ, আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিজয় নিশ্চিত করুন। এখন আর অন্য কোন চিন্তা নেই। এখন একটাই চিন্তা, সেটা হলো- সমগ্র দলকে ঐক্যবদ্ধ করে, আগামী নির্বাচনে জয়ী হয়ে উন্নয়নের গতি অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে । এগিয়ে যাবে।

    আমার সততাই আমার শক্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কারণে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ করেছি। ড. ইউনূসের বন্ধু হিলারির অনুরোধে আমাদের দুর্নীতির মামলা দেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংকের সকল তথ্য ভুয়া বলেছে কানাডার আদালত।

    রোহিঙ্গা সঙ্কট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছি। তাদের খাদ্য ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। সব রকম ব্যবস্থা তাদের জন্য করে যাচ্ছি।

    নির্বাচনকে সামনে রেখে ড. কামাল হোসেন এবং বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সরকার বিরোধী জোটের কঠোর সমালোচনা করে প্রশ্ন তোলেন, দুর্নীতিবাজদের সঙ্গে নিয়ে তারা কিভাবে দুর্নীতিকে প্রতিরোধ করবেন? তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র তারেক রহমান দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন এবং তারা যে অর্থ বিদেশে পাচার করেছে তা আমরা ফিরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। এখন ড. কামাল হোসেন, বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং মাহমুদুর রহমান মান্না এই দুর্নীতিবাজদেরকেই সঙ্গে নিয়েই লড়াইয়ে নেমেছেন।’

    প্রধানমন্ত্রী বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন এবং বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদ নতুন জোটকে সমর্থন দিয়েছেন কিন্তু অতীতে তারা দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মইনুল হোসেন কাকরাইলের বাড়ির জমি দখল করেছিলেন, সে জায়গা নিয়ে মামলা আছে। সাজু হোসেন বনাম রাষ্ট্র। ওই মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত।

    আর ‘ভুয়া’ আমমোক্তারনামা তৈরি করে এক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি নিজের ভাইয়ের নামে দখল নেওয়ার ঘটনায় বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদ অভিযুক্ত। কিন্তু তৎকালীন সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদ তাকে ক্ষমা করে দিয়ে নিজের সরকারে অর্ন্তভূক্ত করেছিলেন।

  • কাশিপুরে খাজা মাঈনুদ্দিন মাদ্রাসা নির্মান এর জায়গা পরিদর্শনে: হাসানাত আবদুল্লাহ

    কাশিপুরে খাজা মাঈনুদ্দিন মাদ্রাসা নির্মান এর জায়গা পরিদর্শনে: হাসানাত আবদুল্লাহ

    মিজানুর রহমান:

    বরিশাল নগরীর কাশিপুরে খাজা মাঈনুদ্দীন মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, স্থাপনের নির্ধারিত জায়গা পরিদর্শন করেন, পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী ) ,স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এমপি।

    এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন,জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাইদুল ইসলাম,ও বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন স্বপন এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ বিশিস্ট ব্যাক্তিবর্গ।

  • দো-টানায় কাদের সিদ্দিকী

    দো-টানায় কাদের সিদ্দিকী

    মহাজোটে নাকি জাতীয় ঐক্যে থাকছেন, তার কোনটিই পরিষ্কার করলেন না কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের প্রধান বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী। বরং রাজনীতির হালচালে নিজের অবস্থানকে দো-টানাতেই জিইয়ে রাখলেন আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে আসা এই রাজনীতিক।

    তবে সরকারের শুভাকাঙ্ক্ষী বনেই যাচ্ছেন টাঙ্গাইলের সিদ্দিকী পরিবারের এই প্রভাবশালী সদস্য, অন্তত তার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তারই প্রমাণ মিলছে।

    ঢাকায় যখন রাজনীতির আলোচনায় বাতাস লেগেছে, তখন কাদের সিদ্দিকী টাঙ্গাইলের সখীপুর-বাসাইলে নির্বাচনী আসনে প্রচারণা চালাচ্ছেন। সরকারবিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ায় তার অনুপস্থিতি রাজনীতির আরেক রহস্য। শেখ হাসিনা সরকারের কঠোর সমালোচনায় মুখর থাকা কাদের সিদ্দিকী হঠাৎ করেই নীরব।

    সম্প্রতি টাঙ্গাইলের এক জনসভায় তিনি বলেছেন, ‘হাসিনাবিরোধী ষড়যন্ত্রে আমি থাকতে পারি না’। এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠক করার পর থেকেই তিনি ভোল্ট পাল্টায় বলে অনেকে মনে করছেন।

    তাহলে কী পুরনো ঘর আওয়ামী লীগেই ফিরছেন, জানতে চাইলে জাগো নিউজকে কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমি আমার দল থেকে নির্বাচনে অংশ নেব, তা পরিষ্কার করেছি।

    শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন করবেন কি-না, এমনটি জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যান।

    নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য দীর্ঘদিন থেকে আন্দোলন করে আসছেন। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে শেখ হাসিনার সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন, সভা-সমাবেশে অংশ নিয়েছেন।

    জাতীয় ঐক্যের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘ভালো মানুষেরা একসঙ্গে চললে সমাজ, রাষ্ট্র ভালো হয়।’ এ পথে আপনিও হাঁটবেন কি-না, জানতে চাইলে সিদ্দিকী বলেন, ‘যখন প্রয়োজন ছিল আলোচনায় অংশ নিয়েছি। প্রয়োজন নেই চলে এসেছি। দরকার হলো আবার আলোচনায় যাব। সময়ই সব বলে দেবে।’

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চান ড. কামাল

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চান ড. কামাল

    পরোয়ানা ছাড়া যে কোনো ব্যক্তিকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার করার জন্য পুলিশকে ক্ষমতা দেয়াসহ যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস হয়েছে তার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন প্রবীণ আইনজীবী ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

    রোববার রাজধানীর আরামবাগে গণফোরামের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির এক সভায় তিনি এমন দাবি করেন।

     ড. কামাল বলেন, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আজ সারা দেশে যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে; এই জাতীয় ঐক্য জেলা উপজেলা গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত করতে হবে।

    এ সময় আসন্ন সংসদ নির্বাচনের পূর্বে সংসদ ভেঙে দিয়ে দল নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার গঠন ও নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করার আহ্বান জানান প্রবীণ এই আইনজীবী।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, অ্যাডভোকেট এস এম আলতাফ হোসেন, মোকাব্বির খান, অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোশতাক আহমেদ, রফিকুল ইসলাম পথিক, অ্যাডভোকেট মো. জানে আলম, মুহম্মদ রওশন ইয়াজদানী, ফরিদা ইয়াছমীন, সাইদুর রহমান সাইদ, আব্দুস সাত্তার পাঠান, মেজর (অব.) আমীন আহমেদ আফসারী, আজিজুর রহমান মজনু, মোশারফ হোসেন তালুকদার প্রমুখ।