Category: রাজণীতি

  • ভারতে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের রায় ফের পেছাল

    ভারতে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের রায় ফের পেছাল

    অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের আদালতে বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের মামলার রায় দেওয়ার দিন ফের পিছিয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবর শিলং আদালতের ফার্স্ট ক্লাস জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এজলাসে সালাহউদ্দিনের রায় ঘোষণা হবে বলে জানা গেছে।

    একটি সূত্রের বরাত দিতে ভারতের গণমাধ্যম ‘নর্থইষ্ট নাও’ জানিয়েছে শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিলং’এর আদালতে বিএনপি নেতার রায় ঘোষণার দিন থাকলেও বিচারক ছুটিতে থাকায় তা পেছানো হয়েছে।

    এর আগেও এক দফা তারিখ পেছানো হয়েছিল। গত ২৫ জুন উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ১৩ আগষ্ট রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন। কিন্তু পরে তা পিছিয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়।

    উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাতে ঢাকার উত্তরার বাসা থেকে নিখোঁজ হয়ে যান বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় দুই মাস পরে ১১ মে ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ের গল্ফ লিঙ্ক এলাকায় তাঁর খোঁজ মেলে। কিন্তু ভারতে প্রবেশের কোন বৈধ নথি না থাকায় পরদিন ১২ মে তাকে গ্রেফতার করে মেঘালয় পুলিশ। এরপর থেকে গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে সেখানেই আছেন সালাহউদ্দিন। অবৈধভাবে ভারতের অনুপ্রবেশের জন্য তার বিরুদ্ধে ১৯৪৬ সালের ভারতীয় দন্ডবিধির ১৪ ফরেনারস্ অ্যাক্টে মামলা করা হয়।

    শিলং থেকে সালাহউদ্দিনকে বিপর্যস্ত অবস্থায় উদ্ধারের পরই মেঘালয় পুলিশ তাকে প্রথমে মেঘালয় ইন্সটিউট অব মেন্টাল হেলথ এন্ড নিউরোসায়েন্সস (মিমহান্স) নিয়ে গিয়ে ভর্তি করায়। কিন্তু কিডনিজনিত সমস্যা থাকায় পরে মেঘালয়ের নর্থ-ইষ্টার্ন ইন্দিরা গান্ধী রিজিওনাল ইন্সিটিউট অব হেলথ এন্ড মেডিকেল সায়েন্সেস (নেইগ্রিমস)-এ স্থানান্তরিত করা হয় তাকে। পরে আদালতের বিশেষ অনুমতি নিয়ে গুরগাঁওয়ের মেদান্ত হাসপাতালেও তাকে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়।

    তবে প্রথমে প্রায় এক মাস বিচারবিভাগীয় হেফাজত আর হাসপাতালে কাটাতে হলেও পরে অবশ্য শিলং থেকে তিনি বাইরে যেতে পারবেন না, সময়মতো পুলিশ সুপার বা আদালতে হাজিরা দিতে হবে-এইসব শর্তে ২০১৫ সালের ৫ জুন জামিনে মুক্তি পান। গত ২০১৫ সালের ২২ জুলাই আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় শিলং পুলিশ। তাতে বলা হয় ভারতের শিলং’এ বিএনপি নেতা ও বাংলাদেশের সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রীর উপস্থিতি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

    বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি মামলা অভিযোগের বিচার এড়াতেই তিনি ভারতে এসেছেন। ২০১৬ সালের ২৯ আগষ্ট আদালতে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩১৩ নম্বর ধারার অধীনে সালাউদ্দিনের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে শুনানি চলাকালীন সিভিল হাসপাতালের দুই চিকিৎসকসহ ১০ জন সাক্ষীর বক্তব্য রেকর্ড করা হয়।

    যদিও শুনানি প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের সামনে দেশে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন সালাহউদ্দিন। ২০১৫ সালের ১০ জুন শিলং’এ গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন ‘আমি দেশে ফিরে যেতে চাই। আমার পরিবার ও সন্তানরা রয়েছে। বাংলাদেশ আমার দেশ কিন্তু ওখানে একাধিক ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে।

  • ৩০ তারিখ জনসভা করার জন্য জনগণ প্রস্তুত: মওদুদ

    ৩০ তারিখ জনসভা করার জন্য জনগণ প্রস্তুত: মওদুদ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বিএনপি জনসভা করবেই, জনসভা করার জন্য জনগণ প্রস্তুত রয়েছে।   জনগণ সব অপকর্মের জবাব দিতে প্রস্তুত আছে।

    শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হান্নান শাহ-এর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মওদুদ আরও বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দুরভিসন্ধিমূলক। গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে নির্বাচনের আগে এই কালো আইন পাস করেছে ভোটারবিহীন সরকার। এই আইন তৈরি করে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এই অবৈধ সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। বিচার বিভাগে কীভাবে নগ্ন হস্তক্ষেপ করা হয়—সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বইয়ে সেটা উঠে এসেছে। সিনহার বই ঐতিহাসিক এক দলিল। এজন্য তাকে এ দেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে স্মরণ রাখবে।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে একটি কৌশলই যথেষ্ট—তাদের অপশাসন, অপকর্ম ও দুর্নীতির চিত্র জনগণের কাছে তুলে ধরতে হবে। তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগকে কখনোই ভোট দেবে না। কোটা আন্দোলন,  নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিয়ে কীভাবে তাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন নিয়ে তরুণ প্রজন্মের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে।

    আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুক বলেন, বিএনপিকে ঠেকিয়ে রাখার ক্ষমতা আল্লাহ ছাড়া কারো নাই। ৩০ তারিখ জনসভা করার জন্য জনগণ প্রস্তুত আছে।

    সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. মজিবর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় আলোচনা সভায় অন্যদের বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, ঈসমাইল হোসেন বেঙ্গল, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ, সাবিরা নাজমুল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি ফরিদ উদ্দিন ও গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম  সাধারণ সম্পাদক ভিপি ইব্রাহিম প্রমুখ।

  • আরেক দফা পেছাল বিএনপির জনসভা

    আরেক দফা পেছাল বিএনপির জনসভা

    বিএনপির জনসভার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলটির সমাবেশ করার কথা থাকলেও সেটি রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) করতে চেয়ে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে।

    বিএনপির পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার দুপুরে নতুন এ আবেদন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বরাবর জমা দেয়া হয়। বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে আমি এবং দলের প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জনসভার অনুমতির বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করি। তিনি আমাদের ৩০ তারিখে জনসভা করার পরামর্শ দিয়ে একটি লিখিত আবেদন দিতে বলেন। সেই মোতাবেক আমরা আবেদন দিয়েছি।

    এর আগে গত সোমবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভার ঘোষণা দেন।

    পরদিন মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে রিজভী জানান, ২৭ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে ২৯ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

    এ উপলক্ষে বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে জনসভা করতে চেয়েছিলাম। পুলিশের কাছে অনুমতির জন্য যাওয়া হলে তারাই বলেছিলেন ২৭ তারিখ জনসভা করা ঠিক হবে না। ২৯ সেপ্টেম্বর ছুটির দিন আছে ওইদিন আপনারা সোহরাওয়ার্দীতেই জনসভা করতে পারবেন। আমরা সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েছি।

    এদিন মহানগর নাট্যমঞ্চে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে মতবিনিময় সভা করারও ঘোষণা দেয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে ২৯ সেপ্টেম্বরও সোহারাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভার অনুমতি পায়নি বিএনপি।

    এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘পুলিশ এখন বলছে, ওইদিন (২৯ সেপ্টেম্বর) মহানগর নাট্যমঞ্চে ১৪ দলের মতবিনিময় সভা আছে। আমি বুঝতে পারছি না, ওই প্রোগ্রামের সঙ্গে আমাদের জনসভার কী সম্পর্ক?’

    বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরামের সভায় জনসভার ব্যাপারে আলোচনার কথা জানান স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার।

  • ক্ষুব্ধ তৃণমূল, মানছে না কেন্দ্রের নির্দেশ

    ক্ষুব্ধ তৃণমূল, মানছে না কেন্দ্রের নির্দেশ

    নানা অভিযোগে দলীয় সংসদ সদস্যদের ওপর ক্ষুব্ধ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা। টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকলেও সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে সহযোগিতার বদলে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ তাদের। স্থানীয় এমপিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে করছেন সংবাদ সম্মেলন। এমনকী এলাকায় সংসদ সদস্যদের অবাঞ্ছিতও ঘোষণা করা হচ্ছে।

    যদিও প্রকাশ্যে এভাবে ক্ষোভ প্রচার না করতে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু তা মানছেন না তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

    সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে অথবা দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিষদগার না করার নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। কোনো সংসদ সদস্য বা দলীয় নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী লিখিত আকারে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠাতে বলেন তিনি।

    আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা জানান, নির্বাচন সামনে রেখে মনোনয়ন প্রতিযোগিতা থেকে এসব অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ আসছে। মনোনয়নে প্রভাব ফেলতে এ ধরনের অভিযোগ আনা হচ্ছে।

    দলটির একাধিক নেতার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর বিরুদ্ধে ২৪ দফা অভিযোগ এনে নিজ এলাকায় তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। গত ৪ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির এমন অভিযোগ আনেন।

    পরের দিন (৫ সেপ্টেম্বর) নানা অনিয়ম-দুর্নীতি এবং জামায়াতে ইসলামীকে প্রতিষ্ঠা করার অভিযোগ এনে দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

    গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য রনজিৎ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।

    গত বছরের ডিসেম্বরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ দারাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাংশ।

    আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, তিন সংসদ সদস্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার ঘটনায় দলের কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে সম্প্রতি স্থানীয় নেতাদের এবং ওই সংসদ সদস্যদের শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে ১৫ দিনের মধ্যে তাদের কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

    এদিকে চলতি বছরের মে মাসে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মতিয়া চৌধুরীকে শেরপুর থেকে প্রত্যাহারের সুপারিশ করেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা।

    অপরদিকে বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে গত ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

    গত বছরের জানুয়ারিতে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে জামায়াতপ্রীতি এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের নামে হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ আনা হয়। তিনি ‘যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সন্তান’ বলেও ঢাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।

    ‘পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগীর নির্যাতিত মুক্তিযুদ্ধপ্রেমী মানুষদের পক্ষে’ জেলার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে এমপি শওকত হাচানুর রহমানের বৈধ ও অবৈধ উপায়ে অর্জিত সম্পত্তির অনুসন্ধান, অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং তাকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানানো হয়।

    এসব বিষয়ে কথা হয় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খানের সঙ্গে। তিনি  বলেন, এ বিষয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, দলের বিরুদ্ধে যাদের কর্মকাণ্ড, তাদের বিরুদ্ধে দল অত্যন্ত কঠোর। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সেটা দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী করতে হবে। অভিযোগের যাচাই-বাছাই করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘নির্বাচন সামনে হওয়ায় মনোনয়ন প্রত্যাশী ও মনোনয়নবিরোধীরা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছেন। অভিযোগকারীরা যে অভিযোগ করছেন এবং যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে- বিষয়গুলোর সত্যতা যাচাইয়ের তো প্রশ্ন আছে।’

    ‘এসব অভিযোগ মনোনয়নপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে উভয়পক্ষের অভিযোগ অবশ্যই যাচাই-বাছাই হবে। এটা আমাদের দলের একটা বিউটি। নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ থেকে এই প্রতিযোগিতা। তবে এটা বেশি বেড়ে গেলে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • প্রধানমন্ত্রী (ফুপু) শেখ হাসিনার ৭২তম জন্মদিন মেয়র সাদিক আবদু্ল্লাহর শুভেচ্ছা অভিনন্দন।

    প্রধানমন্ত্রী (ফুপু) শেখ হাসিনার ৭২তম জন্মদিন মেয়র সাদিক আবদু্ল্লাহর শুভেচ্ছা অভিনন্দন।

    বিশ্বশান্তির অগ্রদূত মাদার অফ হিউমিনিটি গনতন্ত্রের মানসকন্যা সফল রাস্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধু কন্যা,তিনবার এর নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, শেখ হাসিনার আজ ২৮শে সেপ্টেম্বর ৭২তম শুভ জন্মদিন।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও নবনির্বাচিত বিসিসি মেয়র, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এক শুভেচ্ছা বার্তায়, বাংলাদেশ  আওয়ামীলীগ এর দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী (ফুফু) শেখ হাসিনাকে, ৭২ তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানান এবং দীর্ঘ আয়ু  ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।

    বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা,প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা ১৯৪৭ সাল এর ১৮ই সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহন করেন। ১৯৯৬ সাল এ প্রথমবার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার শপথ নেন।

    এক প্রেসবার্তায়//বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭২তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষ্যে, আগামীকাল ২৮শে সেপ্টেম্বর সদর রোডস্থ দলিয় কার্যালয়ে, বিকেল ৪ঃ৩০ মিনিট এ আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ এর আয়োজন করা হয়েছে।

    উক্ত আলোচনা সভায় সকল সহযোগী সংগঠন এর নেতাকর্মীদেরকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ করেন।

     

  • ড.কামাল হোসেন আকাশে ওড়ার দিবাস্বপ্ন দেখছেন: মেনন

    ড.কামাল হোসেন আকাশে ওড়ার দিবাস্বপ্ন দেখছেন: মেনন

    সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, বিদ্যুৎ, কৃষি, যোগাযোগ, তথ্য প্রযুক্তি, বাণিজ্যিক ঘাটতি মেটানোসহ বাংলাদেশে যখন সকল দিক দিয়ে উন্নতি হচ্ছে, তখন ড. কামাল হোসেন, বদরুদ্দোজা চৌধুরী মিলে বিএনপিকে ভোটে জিতিয়ে দিতে ও বিএনপিকে পুঁজি করে নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা নিতে নানা নামে তারা ঐক্য করার পাঁয়তারা করছে।

    তারা নাম দিচ্ছে জাতীয় ঐক্য কিন্তু তাতে আওয়ামীলীগের মত বৃহৎ দলের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।  তাদের নিজদের পায়ের তলায় কোন মাটি নাই, তাই তারা ভর করার চেষ্টা করছে বিএনপি-জামায়াতের উপর।কিন্তু তারা হয়তো ভুলে গেছে তাদের ভরসার দল বিএনপি গত নয় বছরে নয়টি আন্দোলনও করে দেখাতে পারেনি।  প্রকৃতপক্ষে বিএনপি আন্দোলন আর করতেও পারবে না।  কারণ বিএনপির দলীয় কর্মীদের কোন নৈতিক আদর্শ নেই।  সুতরাং বিএনপির ভরসায় ড.কামাল হোসেন যেভাবে আকাশে উড়াল দিতে চাচ্ছেন তার এই আকাশে ওড়ার স্বপ্ন আর বাস্তবতার আলো দেখবে না।

    বুধবার বিকেলে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন স্কুল মাঠে ১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, রমনা থানা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা প্রসঙে মেনন আরো বলেন, বাংলদেশকে আর কেউ পিছনে নিয়ে যেতে পারবে না।  যে স্বপ্ন নিয়ে আমরা বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলাম, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। আমাদের বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশ এক অবিশ্বাস্য উন্নয়নের পথে এগিয়ে গেছে।

    ১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন রমনা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোখলেছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুন্সী কামরুজ্জামান কাজল, ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক রইসুল আলম ময়না, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. নজরুল ইসলাম, ১৯ ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মো. হানিফসহ স্থানীয় যুবলীগ, স্বচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

  • লাফালাফির পরিণতি শুভ হবে না: কাদের

    লাফালাফির পরিণতি শুভ হবে না: কাদের

    আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এবং তাদের দোসররা নাশকতা ও সহিংসতার ছক আঁটছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘লাফালাফির পরিণতি শুভ হবে না। হুমকি-ধমকি দিলে আমরা ঘরে বসে ডুগডুগি বাজাব, তা হবে না।’

    আজ বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে দলের সহযোগী সংগঠনের সভার পর সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। গুলিস্তানে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির সভাটা কবে হবে? এটা তো এখনো ঠিক হয়নি। বিএনপি জোর করে ২৯ তারিখ সভা করবে? কেন এই জেদাজেদি? অনুমোদন ছাড়া আপনি সভা করবেন? এত লাফালাফি কেন?’ তিনি বলেন, ‘১০ বছরে ১০ মিনিটও রাস্তায় নামতে পারেননি। এখন আপনি হঠাৎ করে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে খুশি করতে ব্যর্থতা ঢাকার জন্য লাফালাফি করছেন। এত লাফালাফির পরিণাম শুভ হবে না। হুমকি-ধমকি দিয়ে আন্দোলন করবেন, আমরা ঘরে বসে ডুগডুগি বাজাব, তা হবে না।’

    কেন্দ্রীয় ১৪–দলীয় জোটের নাগরিক সমাবেশ সম্পর্কে সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে ওবায়দুল বলেন, ১৪ দল পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে, নিজেরা বসেছে। এখন তারা মহানগর নাট্যমঞ্চে আরও একটু বড় পরিসরে নেতা-কর্মীদের সমাবেশ করবে। এটা বিএনপির সঙ্গে কোনো পাল্টাপাল্টি নয়।

    এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী কাদের বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কোনো উদ্বেগ নেই, তবে সতর্কতা আছে। আমরা সতর্ক আছি।’

    সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অশুভ শক্তির পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপিসহ তাদের সাম্প্রদায়িক দোসররা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আন্দোলনের নামে নাশকতা ও সহিংসতার ছক আঁটছে। সহিংসতার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। এটাই আমাদের মেসেজ, ইনফরমেশন। তারা যেভাবে হাঁকডাক, হুমকি-ধমকি শুরু করেছে, সেভাবে দেশে অস্থিতিশীল সৃষ্টির পাঁয়তারা হচ্ছে বলে আমরা মনে করছি।’ তিনি বলেন, ‘তারা আজকে জাতীয় ঐক্যের কথা বলছে। কিছুদিন আগে আইআরআইয়ের গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, আমাদের দলীয় সভাপতির জনপ্রিয়তা ৬৬ শতাংশ ও দলের জনপ্রিয়তা ৬৪ শতাংশ।’

    ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন করেন, দেশের ৬৬ শতাংশ মানুষ যে দল ও নেত্রীকে সমর্থন করে, জনতার এই সিংহভাগকে বাদ দিয়ে কীভাবে জাতীয় ঐক্য হবে? এটি আসলে জাতীয় ঐক্য নয়, এটি আসলে জাতীয়তাবাদী সাম্প্রদায়িক ঐক্য। জনতা নয়, নেতায়-নেতায় ঐক্য। তিনি বলেন, ২০ দলের সঙ্গে ১০ দলের ঐক্য এখনো নড়বড়ে। কারণ, বিএনপি তাদের মূল পার্টনার সাম্প্রদায়িক জামায়াতকে ছাড়া এক পা–ও এগোতে পারবে না। সেই অবস্থায় যুক্তফ্রন্ট এই প্রক্রিয়ায় শর্ত দিয়েছে যে জামায়াত যদি বিএনপির সঙ্গে আন্দোলনে থাকে, তাহলে যে ঐক্য করে সরকার পতনের আন্দোলন সূচনা করতে পারবে না। এই পাঁচ মিশালি জগাখিচুড়ি ঐক্যের কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে আমরা মনে করি না।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, ‘আমরা সরকারি দল, আমাদের ভরা কলসি। ভরা কলসি নড়ে না। যাদের শূন্য কলসি, তারাই ফাঁকা আওয়াজ করে। আমাদের উত্তেজিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। আমরা কারও উসকানির ফাঁদে পা দেব না। দেশের মানুষ খুশি যে নির্বাচন হবে। পরিবেশটা শান্তিপূর্ণ থাকবে, এটাই আমরা চাই। আমরা নির্বাচনের জন্য সুশৃঙ্খলভাবে সংগঠিত হচ্ছি। দেশের অর্ধেক অংশে আমাদের নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় কেন আমরা সংঘাত করব? আমরা তো ক্ষমতায় আছি। আমরা পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি করব না।’

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি সমাবেশ ডেকেছে, এখন আমাদের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি নেই। আমাদের নেত্রী পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন, আমাদের কর্মসূচি আমরা দেব। কারও কোনো পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি আমরা দেব না। তারা সভা করবে, আমরা পাল্টা করব, দেশের মানুষকে আতঙ্কে রাখে এ ধরনের রাজনীতি আমাদের প্রয়োজন নেই। নির্বাচন পর্যন্ত পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে হবে।’

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আন্দোলনের নামে সভা–সমাবেশে যদি নৈরাজ্য, নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব। আর সহিংসতা ও নাশকতার ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যথাযথ জবাব দেবে। আমরা সবদিক থেকে প্রস্তুত আছি। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ হলে আমরা রাজনৈতিকভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবিলা করব। আর সহিংসতা ও নাশকতার দিকে যদি বিএনপি তার দোসরদের পা বাড়ায়, তাহলে তার দাঁতভাঙা জবাব দেবে জনগণ।’

    দলের কর্মসূচির বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘১ অক্টোবর থেকে সপ্তাহব্যাপী রাজধানীসহ দেশব্যাপী গণসংযোগ করবে আওয়ামী লীগ। আমরা ভোটারদের কাছে যাব, বাড়িতে বাড়িতে যাব, গণসংযোগ করব। আমরা রাস্তা অবরোধ করে মানুষের জন্য দুর্ভোগ হবে, এমন কোনো সভা–সমাবেশ করব না। আর রাস্তা অবরোধ–বন্ধ করে কাউকে সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না। আমরা নিজেরাই নিয়ম মেনে চলছি। অন্য কেউ নিয়মভঙ্গ করে রাস্তায়, প্রেসক্লাবের সামনে, পল্টনের রাস্তায়, সভা-সমাবেশ করবে, সেটা অ্যালাউ করা হবে না। জনগণের দুর্ভোগ কিছুতেই হতে দেব না।’

    এর আগে সকালে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদের। বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কয়েকজনের কথা শুনেছি। এর মাধ্যমে সবার আবেগ, সেন্টিমেন্ট আমরা জেনেছি। জনসমর্থনের দিক থেকে বরগুনা আমাদের দলের ঘাঁটি। সেখানে আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য সভাটি ডেকেছিলাম।’

    আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আখতার, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার প্রমুখ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশাল বিমানবন্দরে মতবিনিময় সভা করেছেন ২ মন্ত্রী

    বরিশাল বিমানবন্দরে মতবিনিময় সভা করেছেন ২ মন্ত্রী

    বরিশাল বিমানবন্দরে মতবিনিময় সভা করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। বরিশাল বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে গতকাল ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় বৃহত্তর বরিশাল উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয়ে নির্ধারিত আলোচনা ছাড়াও উঠে আসে জাতীয় রাজনীতির প্রসঙ্গ। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের এমপি অ্যাডভোকেট শেখ মো. টিপু সুলতানের সভাপতিত্বে এসময় অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন বরিশাল-২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী শেরেবাংলার দৌহিত্র ফাইয়াজুল হক রাজু, ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড আবদুল খালেক, বরিশাল জেলা সভাপতি অধ্যাপক নজরুল হক নিলু, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আরিফ আহমেদ মুন্না, ছাত্রমৈত্রী কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সুজন আহমেদ, কৃষক সমিতির নেতা এনায়েত করিম ফারুক, উপজেলা কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক গোলাম হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা শাহিন হোসেন প্রমুখ।

    মতবিনিময় সভায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি। ৭১’র পরাজিত শক্তিরা আজ সংগঠিত হয়ে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যারা ভূলুণ্ঠিত করতে চায় ওরা দেশদ্রোহী। ওরা দেশ ও জনগণের শত্রু। তাই স্বাধীনতার স্বপক্ষের সকল মানুষকে আজ সতর্ক এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে’।

    এসময় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যের নামে আজ দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা জোট বেঁধেছে। তারা নির্বাচন বানচাল করে দেশে তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটাতে চায়। আবার ওয়ান ইলেভেনের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চায়। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলার মুক্তিকামী জনতা অতীতের মতো এবারও সব চক্রান্ত প্রতিহত করবে’।

  • যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার কড়া হুশিয়ারি

    যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার কড়া হুশিয়ারি

    ইউরোপের দেশ পোল্যান্ডে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। আর এ সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের তীব্র বিরোধিতা করেছে রাশিয়া।

    রুশ উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেক্সান্দার গ্রুশকো বলেন, আমেরিকার এ ধরনের পদক্ষেপের ব্যাপারে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। পোল্যান্ডে স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণের মার্কিন প্রচেষ্টা ইউরোপের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে।

    সেই সঙ্গে রাশিয়ার সীমান্তের কাছে সেনা মোতায়েন না করার ব্যাপারে ন্যাটো জোটের সঙ্গে মস্কোর যে চুক্তি রয়েছে পোল্যান্ডে ঘাঁটি স্থাপন করলে তাও লঙ্ঘিত হবে। আর এটি বাস্তবায়ন হলে পূর্ব ইউরোপের নিরাপত্তা নিশ্চিতভাবে বিঘ্নিত হবে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদার সঙ্গে এক বৈঠক শেষে বলেছেন, পোল্যান্ডে একটি বড় সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ওয়াশিংটন।

  • সাংবাদিকরা অতন্দ্র প্রহরী : প্রধান বিচারপতি

    সাংবাদিকরা অতন্দ্র প্রহরী : প্রধান বিচারপতি

    সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

    বুধবার সুপ্রিম কোর্টের কনফারেন্স রুমে ‘লিগ্যাল এইড ও আইন সাংবাদিকতা’শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার সুপ্রিম কোর্ট কমিটি ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।

    প্রধান বিচারপতি বলেন, সমাজের অসঙ্গতি দূরীকরণ এবং সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে সাংবাদিকতা তথা গণমাধ্যমের ভূমিকা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। মানুষের তথ্য জানার অধিকার এবং গণমাধ্যমের তথ্য জানানোর গভীর দায়বদ্ধতার প্রশ্নে সামাজিক অঙ্গীকার নিয়ে সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করছে।

    তিনি বলেন, আইন-আদালত, আইন-শৃঙ্খলা, মানবাধিকার এবং আইনি সেবা-সংক্রান্ত তথ্য আইন সাংবাদিকতার মাধ্যমে উঠে আসে। সাংবাদিকরা সাধারণ জনগণ ও বিচারপ্রার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি এবং লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন করার গুরুদায়িত্ব পালন করছে।

    তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিনা বিচারে আটক বা অর্থাভাবে আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারছে না এমন বিষয়গুলো সাংবাদিকরা অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিকতার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কাছে তুলে ধরতে পারেন। সরকারি এসব সেবা সম্পর্কে এখনও প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকজন খুব অবগত নয়। এ জন্য লিগ্যাল এইডের সুফল নিয়ে সাংবাদিকরা ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারেন। গণমাধ্যমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সরকারি আইন সেবা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আমি আশাবাদী।

    প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান হতে সহযোগিতা এবং দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত হতে পারে। আর জনগণের কাছে আইনি সেবা পৌঁছে দেয়া তথা সুশাসন নিশ্চিতকরণে বিচারক আইনজীবী, এনজিও কর্মী, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকদের ভূমিকা রয়েছে।

    জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার সুপ্রিম কোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল জাকির হোসেন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, ল’রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি সাঈদ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক হাসান জাবেদ।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতিরি সম্পাদক ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ল’রিপোর্টাস ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান, সাবেক সভাপতি এম বদি-উজ-জামান ও আশুতোষ সরকার প্রমুখ।

    কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডেইলি অবজারভার পত্রিকার অনলাইন সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান।

    আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহ আলমগীর এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব টাইটাস হিল্লোল রেমা।