Category: রাজণীতি

  • যুক্তরাষ্ট্রে গোপন বৈঠকে বসছেন সিনহা ও জামায়াত নেতা রাজ্জাক

    যুক্তরাষ্ট্রে গোপন বৈঠকে বসছেন সিনহা ও জামায়াত নেতা রাজ্জাক

    মৌলবাদী ইসলামী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে গোপন বৈঠকে বসছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা। যুক্তরাজ্যে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকা জামায়াতের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এই নেতা সাবেক বিচারপতি এস কে সিনহার সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন।

    আগামী ৯ থেকে ১২ অক্টোবর; চারদিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে জামায়াতের সহকারী এই সেক্রেটারি এস কে সিনহার সঙ্গে গোপন বৈঠকের পাশাপাশি হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তা, সিনেটের আইনপ্রণেতা, হাউস কমিটির কর্মকর্তা ও মার্কিন কয়েকটি থিঙ্ক ট্যাংকের বিশ্লেষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

    তবে যুক্তরাষ্ট্রে জামায়াত নেতার গুরুত্বপূর্ণ এই সফর এখনও গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেনি। বিশ্বস্ত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে উইকলি ব্লিৎজ বলছে, ‘যুক্তরাজ্যে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকা ব্যারিস্টার রাজ্জাক যুক্তরাষ্ট্র সফরে বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। তবে বৈঠকের স্থান এখনও চূড়ান্ত হয়নি।’

    কিন্তু বেশ কয়েকটি সূত্র বলছে, ‘বাংলাদেশের সাবেক এই বিচারপতির সঙ্গে জামায়াত নেতার গোপন ওই বৈঠক ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হতে পারে। ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিল স্যুটে অবস্থান করতে পারেন তারা।’

    ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল। ১৯৪১ সালে তৎকালীন ব্রিটিশশাসিত ভারতের লাহোরে কট্টরপন্থী মৌলবাদী আবুল আল মওদুদীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত এই রাজনৈতিক দলের শাখা রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানের লাখ লাখ মানুষকে হত্যায় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করে জামায়াত। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ইতোমধ্যে দলটির বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।

    উল্লেখ্য, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় এবং কিছু পর্যবেক্ষণের কারণে ক্ষমতাসীনদের তীব্র সমালোচনার মুখে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা ৩৯ দিনের ছুটিতে অস্ট্রেলিয়া পাড়ি জমান ২০১৭ সালের ৩ অক্টোবর।

    প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা ছুটি নিয়ে বিদেশ যাওয়ার পর সুপ্রিম কোর্ট জানায়, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থপাচার, আর্থিক অনিয়ম ও নৈতিক স্খলনসহ সুনির্দিষ্ট ১১টি অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের কারণে আপিল বিভাগের অন্য বিচারকরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বসে মামলা নিষ্পত্তিতে রাজি নন।

    ২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া এস কে সিনহার মেয়াদ শেষ হতো ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি।

    সুপ্রিম কোর্টের অবকাশ শুরুর আগে গত বছরের ২৪ অাগস্ট তিনি শেষ অফিস করেন এবং অবকাশ শেষে ৩ অক্টোবর আদালত খোলার দিন থেকে ছুটিতে যান। পরে বিদেশে বসেই পদত্যাগ করেন তিনি।

    দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ২১ জন প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব পালন করলেও পদত্যাগের ঘটনা ছিল এটাই প্রথম। রাষ্ট্রের তিন স্তম্ভের একটির প্রধান ব্যক্তির এমন পদত্যাগ ৪৭ বছরের ইতিহাসে প্রথম।

  • ফরাসউদ্দিন ইজ ইউজলেস নেইম: অর্থমন্ত্রী

    ফরাসউদ্দিন ইজ ইউজলেস নেইম: অর্থমন্ত্রী

    সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনকে ‘ইউজলেস নেইম’ বলে মন্তব্য করেছেন এই আসনের বর্তমান সাংসদ ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

    বুধবার রাজধানীর হোটেলে সোনারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট হাডউই শেফারের সঙ্গে আলোচনা শেষে সম-সাময়িক রাজনৈতিক বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি একথা বলেন।

    সিলেট-১ আসনের সাংসদ এএমএ মুহিত বলেন, আগামী নির্বাচনে আমি প্রার্থী হচ্ছি না, তবে দলের জন্য কাজ করতে চাই, করে যাবো।

    সাংবাদিকদের এ সময় প্রশ্ন করেন আপনার নির্বাচনী আসনে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন চাওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে, এ বিষয়ে আপনার মতামত কী? জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রার্থী তো থাকবেই। সেখানে আমার ব্রাদার (ড. মোমেন), ফরাসউদ্দিন ও মেজবাহ উদ্দিন সিরাজের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে ফরাসউদ্দিন ইউজলেস নেইম। হ্যাঁ, সিরাজ-ফরাসউদ্দিন আর ইউজলেস নেইম।’

  • আওয়ামী লীগ পাল্টাপাল্টি কোনো কর্মসূচি দেবে না

    আওয়ামী লীগ পাল্টাপাল্টি কোনো কর্মসূচি দেবে না

    আগামী ২৯ তারিখে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জনসভার অনুমতি দেয়া হয়েছে। সেখানে আওয়ামী লীগ পাল্টাপাল্টি কোনো কর্মসূচি দেবে না। তবে জনসভাকে ঘিরে যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয় তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোরভাবে দমন করবে।

    বুধবার দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

    পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল মোর্শেদ আরুজের সভাপতিত্বে জনসভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিল্লুল হাকিম, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও খোকসা উপজেলা চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আজগর আলী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

  • জাতিসংঘে দম্ভোক্তি দেখিয়ে হাসির খোরাক ট্রাম্প

    জাতিসংঘে দম্ভোক্তি দেখিয়ে হাসির খোরাক ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘে তার ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির বিকাশ নিয়ে মন্তব্য বিশ্ব নেতাদের হাসির পাত্র হয়েছেন। মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, মার্কিন অর্থনীতি আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে ভালো আছে। এরপরই অডিয়েন্সে থাকা বিশ্ব নেতাদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়।

    পাশাপাশি প্রশংসা করছিলেন তার প্রশাসনের। আর সেই প্রসঙ্গ উঠতেই হাসির রোল ওঠে সভাকক্ষে। খানিকটা অপদস্ত হয়েও পরিস্থিতি সামলে নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    সভায় দেরিতে এসে পৌঁছান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এরপরই নিজের ভাষণ শুরু করেন ট্রাম্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কার্যকরী প্রশাসন হিসেবে তুলে ধরেন তার সরকারের কাজকে। প্রশংসা করেন তার সেনাবাহিনীর। পাশাপাশি মার্কিন মুলুকে তার প্রশাসন যা কাজ করেছে, তা মার্কিন ইতিহাসে কেউ করেনি বলে দাবি করেন তিনি। আর ট্রাম্পের এই বক্তব্যই সভাকক্ষে হাসহাসি শুরু হয়ে যায়।

    বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতাদের কটাক্ষের হাসি হাসতে দেখে ট্রাম্প বলেন, এটা আশা করিনি, তবে ঠিক আছে..’। এভাবেই পরিস্থিতি সামাল দেন তিনি।

    উল্লেখ্য, বহুদিন ধরেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের জাতীয়তাবাদী নীতি নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে আন্তর্জাতিক মহলে। পাশাপাশি, ‘প্যারিস ক্লাইমেট অ্যাকর্ড’, ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি’ নিয়ে ট্রাম্পের নেতিবাচক মনোভাবেরও বেশ সমালোচনা করে আন্তার্জাতিক রাজনৈতিকমহল। তারপর ফের একবার নতুন করে জাতিসংঘের সভায় ট্রাম্পের বক্তব্যকে ঘিরে এই নতুন পরিস্থিতি, নতুন করে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে শিরোনামে নিয়ে আনা হলো।

  • প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দুই লাখ মানুষকে মিষ্টি খাওয়াবে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণ

    প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দুই লাখ মানুষকে মিষ্টি খাওয়াবে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণ

    আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭২তম জন্মদিন। বঙ্গবন্ধুকন্যার জন্মদিনে রাজধানীতে দুই লাখ মানুষকে মিষ্টিমুখ করাবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনায় অর্ধদিনব্যাপী বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। ওই দোয়া অনুষ্ঠানে ৩০ হাজার যুবক অংশ নেবেন। এ জন্য রাজধানীর মতিঝিলের আরামবাগ বাফুফে মাঠে (বালুর মাঠ) বিশাল প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতারা মাঠটি পরিদর্শন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে জনগণের ক্ষমতায়ন হিসেবে পালন করে যুবলীগ।

    জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এবারও প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে গরীব, অসহায় মানুষকে খাওয়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ। এ জন্য রাজধানীর তিনটি প্রসিদ্ধ খাবারের দোকানে দুই লাখ প্যাকেট মিষ্টির অর্ডার দেয়া হয়েছে। ওই প্যাকেটে একটি মিষ্টি, একটি ছানার সন্দেশ, নিমকি, সিঙ্গারা, ছামুচা রাখা হবে। সকাল থেকেই রাত পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় যুবলীগ দক্ষিণের নেতাকর্মীরা মানুষের মধ্যে এই প্যাকেট বিতরণ করবেন। ২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল থেকে জুম্মার আগ পর্যন্ত বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। জুম্মার নামায শেষে আলোচনা সভা, রক্তদান কর্মসূচি রাখা হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট বলেন, যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরীর নিদের্শে আমরা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার জন্মদিনকে ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ দিবস হিসেবে পালন করি। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমরা সাধারণ মানুষকে মিষ্টিমুখ করানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এজন্য রাজধানীর তিনটি প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকানে দুই লাখ প্যাকেট মিষ্টির অর্ডার দেয়া হয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমাদের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে প্যাকেটগুলো বিতরণ করবেন। একই সঙ্গে মতিঝিলের বাফুফের মাঠে ৩০ হাজার যুবকের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা সুস্থাস্থ্য ও তার সার্বিক মঙ্গল কামনায় অর্ধদিন ব্যাপী দোয়া, আলোচনা সভা, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।’
    তিনি বলেন, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার জন্মদিনে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই, তিনি যেন দীর্ঘদিন বেঁচে থাকেন এবং সরকার প্রধান হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।

  • মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন ইব্রাহিম সলিহ

    মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন ইব্রাহিম সলিহ

    মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অপ্রত্যাশিত জয় পেয়েছেন বিরোধী দলের প্রার্থী ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

    আজ সোমবার বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট পদে বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিনকে পরাজিত করে নির্বাচনে জিতেছেন ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ। তিনি ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬১৬ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে, আবদুল্লা ইয়ামিন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ১৩২ ভোট। প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের বিরুদ্ধে দ্বীপপুঞ্জে বিরোধী মতকে দমনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি এখনো নির্বাচনে তাঁর পরাজয় স্বীকার করেননি।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত এই ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছে।

    আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে ৩০ সেপ্টেম্বর। তবে ইতিমধ্যেই সলিহ–সমর্থকেরা জয় উদ্‌যাপনে রাস্তায় নেমে আসেন।

    নির্বাচনের ফল জানার পর সলিহ–সমর্থকদের উদ্‌যাপন। ছবি: রয়টার্স

    সলিহ প্রেসিডেন্ট ইয়েমেনকে ‘জনরায় মেনে নেওয়ার’ আহ্বান জানিয়েছেন। ইবু নামে জনপ্রিয় সলিহ রাজধানী মালেতে বলেন, ‘এই বার্তা এখন পরিষ্কার। মালদ্বীপের জনগণ পরিবর্তন, শান্তি ও ন্যায়বিচার চায়।’

    নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ইয়ামিন আরেক মেয়াদে জয় পাবেন বলে মনে করা হচ্ছিল। তাঁর প্রতিপক্ষের অনেকে এখন কারাগারে। ভোটের আগে দেশটির গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিভিন্ন সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। অনেক পর্যবেক্ষক মনে করেছিলেন, প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের পক্ষে ভোটে কারচুপি হবে।

    নির্বাচনে জয় পাওয়া সলিহ মালদ্বীপের অন্যতম প্রবীণ রাজনীতিক। দেশটিতে গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য তিনি বছরের পর বছর ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন। এবার নির্বাচনে তিনি বিরোধী জোট থেকে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হন। তাঁর জোটে রয়েছে এমডিপি, জুমহরি পার্টি ও আদহালাথ পার্টি। ২০১১ সাল থেকে তাঁর দল এমডিপির হয়ে তিনি সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

    নির্বাচনের ফলের পর দেশটির নির্বাসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহামেদ নাশিদ টুইটারে সলিহকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, মালদ্বীপের জনগণের জন্য ‘তিনি খুবই ভালো কাজ করেছেন’। নাশিদকে ২০১২ সালে উৎখাত করেন ইয়ামিন।

    প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন ভোট দিচ্ছেন। ছবি: এএফপি

    চার লাখের বেশি অধিবাসীর দেশ মালদ্বীপকে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবের সঙ্গে লড়াই করে চলতে হয়। দেশটির অর্থনীতিতে মূল ভূমিকা রাখে পর্যটন।

    দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে সুপ্রিম কোর্ট নাশিদসহ নয়জন বিরোধী নেতাকে মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন। এরপর পরই প্রেসিডেন্ট ইয়ামিন দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন এবং দুই বিচারপতিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। পরে আদালত ওই আদেশ প্রত্যাহার করে নেন। ওই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, ইয়ামিন তাঁর শাসনকে চ্যালেঞ্জ করবে—এমন কোনো কিছু সহ্য করবেন না। তাঁর এই কর্মকাণ্ডের সমালোচনায় জ্বলে ওঠে ওয়াশিংটন, লন্ডন ও নয়া দিল্লি।

    ছোট্ট এই প্রতিবেশী রাষ্ট্রে অনেকে ভারতের হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন। নাশিদও ভারতীয় সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও সুনজরে দেখেনি ভারত। ইয়ামিনের শাসনামলে মালদ্বীপ তাদের বড় প্রকল্পগুলোতে চীনের অর্থায়নকে স্বাগত জানায় এবং দেশটির সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করে। মালদ্বীপে এখন অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় চীনের পর্যটক সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

    চীনের অর্থায়নে নির্মিত সিনামালে নামে এই সেতু রাজধানী মালের সঙ্গে বিমানবন্দর দ্বীপ হুলহুলেতে সংযোগ স্থাপন করেছে। ছবি: রয়টার্স

    বিশ্লেষকদের মতে, স্বার্থে আঘাত লাগতে পারে—এই ভয় থেকে মালদ্বীপে সরকার পরিবর্তন হোক তা চায়নি চীন।

    ইয়ামিন মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মামুন আবদুল গাইয়ুমের সৎভাই। দেশটিতে ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো গণতান্ত্রিক নির্বাচন হওয়ার আগ পর্যন্ত তিন দশক পর্যন্ত দেশটিতে স্বৈরশাসন চালান মামুন আবদুল গাইয়ুম। ওই নির্বাচনে নাশিদ জয়ী হয়েছিলেন। গত জুন মাসে মামুন আবদুল গাইয়ুমকে কারাগারে পাঠানো হয়।

  • নো মোর সিদ্দিক’ স্লোগানে উত্তাল শেখ হাসিনার সংবর্ধনাস্থল

    নো মোর সিদ্দিক’ স্লোগানে উত্তাল শেখ হাসিনার সংবর্ধনাস্থল

    নিউইয়র্কে ‘নো মোর সিদ্দিক’ স্লোগানে উত্তাল ছিল শেখ হাসিনার সংবর্ধনাস্থল। নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘প্রবাসী নাগরিক সংবর্ধনা’ শীর্ষক সমাবেশের সভাপতি তথা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানকে সরিয়ে নতুন কমিটির দাবিতে নেতাকর্মীদের মুখে এ স্লোগান শোনা গেছে বারবার।

    জাতিসংঘের ৭৩ তম অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে শেখ হাসিনা ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে নিউইয়র্কে অবতরণের কয়েক ঘণ্টা পরই নিউইয়র্ক সিটির হিল্টন হোটেলের বলরুমে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের এ সংবর্ধনা সমাবেশ হয়। ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শেখ হাসিনা নিউইয়র্কে অবস্থান করবেন এবং সে সময়ের মধ্যেই কমিটির দাবি পূরণ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

    জাতীয় সঙ্গীত সমাচার:
    সমাবেশের সঞ্চালক যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সামাদ আজাদের আহ্বানে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের সময় সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও কণ্ঠযোদ্ধা শহীদ হাসান বলেন, ‘অন্যান্যবার হারমোনিয়াম তবলাসহ বিভিন্ন যন্ত্রের ব্যবস্থা থাকে। এবার কিছুই নেই। তাই আমাকে খালি গলায় গাইতে হবে এবং আপনাদেরকেও কণ্ঠ মেলাতে হবে।’ এভাবেই তিনি আয়োজকদের অব্যবস্থাপনার প্রতি ইঙ্গিত করেন।

    বিরক্ত ছিলেন অতিথিরা:
    আমন্ত্রিত অতিথিদের বসার জন্য তেমন কোন ব্যবস্থা নজরে পড়েনি। এজন্যে ঢাকা থেকে আসা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অনেকেই বিব্রতবোধ করেন। এমনকি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনেরও আসন হয়নি দর্শক সাড়িতে। স্বেচ্ছাসেবকরাও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার অভাবে ছিলেন।

    ফুুলেল শুভেচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন:
    শুরুতে সমাবেশের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ঘোষণা করেন, সভাপতি শেখ হাসিনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাবেন ৯ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। তিনি তাদের নামও ঘোষণা করেন। একেক সংগঠনের ৫ জনকে প্রস্তুত থাকারও আহবান জানান। সে অনুযায়ী সবকিছু ঠিক থাকলেও তার বাস্তবায়ন ঘটেনি। অর্থাৎ সমাবেশ আপন গতিতে শেষ হলেও শেখ হাসিনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদানের পর্বটি বেমালুম ভুলে যান সঞ্চালক।

    ‘নাগরিক সংবর্ধনা’ নাম দেয়া হয়, অথচ শেখ হাসিনাকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা কিংবা সংবর্ধিত করা হলো না। এমনকি নাগরিকদের কারো বক্তব্য দেয়ার সুযোগও ছিল না। সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ। এরপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শেখ সেলিম এমপি বক্তব্য দেন।

    এই সমাবেশের মঞ্চে বসেছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি ও যুগ্ম সম্পাদকরা। কিন্তু তাদেরকে একবারের জন্যেও পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়নি।

    উল্লেখ্য, ৩ বছরের অনুমোদিত কমিটির বয়স এখন ৭ বছর।  ফলে মাঠ পর্যায়ের অধিকাংশই দাবি জানাচ্ছেন নতুন কমিটির। ড. সিদ্দিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বছরের অধিকাংশ সময়ই রাজধানী ঢাকায় থাকেন তিনি এবং নানা ধরনের ব্যবসা ও তদবিরবাজি করেন। আরো অভিযোগ, নিজের স্বার্থে অধস্তন নেতা-কর্মীর মধ্যে ঠান্ডা যুদ্ধ লাগিয়ে রাখেন। তার কারণে যুবলীগ, শ্রমিক লীগে বিভক্তির রেখা বিস্তৃত হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ অবস্থার অবসানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ কয়েক দফা আহবান জানিয়েছেন কিন্তু কোন লাভ হয়নি।

  • পাঁচ দিনের সফরে সিঙ্গাপুর গেলেন এরশাদ

    পাঁচ দিনের সফরে সিঙ্গাপুর গেলেন এরশাদ

    চিকিৎসার জন্য পাঁচ দিনের সফরে সিঙ্গাপুর গেলেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আজ সকাল সাড়ে ৮টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমানযোগে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেছেন।

    এরশাদের সফর সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি এবং মেজর (অব.) খালেদ আখতার।

    এদিকে, বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান পার্টির কো-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য এম এ সাত্তার, মো. আবুল কাশেম, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, আলহাজ্ব সাহিদুর রহমান টেপা, শ্রম ও জনশক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মজিবুল হক চুন্নু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায় প্রমুখ।  জানা যায়, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন এরশাদ।

  • লবণ মজুদ করে সংকট সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা: শিল্পমন্ত্রী

    লবণ মজুদ করে সংকট সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা: শিল্পমন্ত্রী

    দেশে লবণ মজুদ করে সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেছেন, আমাদের দেশে লবণের ঘাটতি নেই। কিন্তু অতি মুনাফাভোগী কিছু লবণ মিল মালিক বেশি লাভের আশায় লবণ মজুদ করে সংকট সৃষ্টি করে যাচ্ছে। তাই, বাধ্য হয়ে সরকার অন্য দেশ থেকে লবণ আমদানি করতে হচ্ছে। এতে করে লবণ চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে’।

    মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার বিয়াম ফাউন্ডেশন সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) আয়োজিত মানসম্পন্ন আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদন: অংশীজন কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

    উপস্থিত লবণ মিল মালিকদের উদ্দেশ্যে শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিদেশ থেকে আমদানি করা না করা আপনাদের উপর নির্ভর করছে। আপনারা যদি লবণ মজুদ না করেন তাহলে অন্যদেশ থেকে লবণ আমদানি করার প্রয়োজন নেই’।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শুধু লবণ শিল্প নয়, পর্যটন শিল্পের প্রতিও ব্যাপক গুরুত্ব দিয়েছেন। এ কারণে পর্যটন শিল্প বিকাশে কক্সবাজারেও বড় বড় মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশ অনেক উচ্চ স্থানে চলে যাবে’।

    কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো: কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল হালিম, বিসিক চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহ. ইফতিখার, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান।

    কর্মশালায় কক্সবাজার জেলার দু’শতাধিক লবণ চাষী উপস্থিত ছিলেন। এতে জেলার উপকুলীয় এলাকার ৬০ হাজার একর জমিতে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ লবণ চাষীদের মধ্যে মানসম্পন্ন আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদনের উপর সচেতনতা সৃষ্টির আহবান জানান বক্তারা।

  • সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৫ শতাংশ সুদে গৃহঋণের চুক্তি

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৫ শতাংশ সুদে গৃহঋণের চুক্তি

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণে ৫ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার বিষয়ে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের একটি সমঝোতা চুক্তি সই করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ চুক্তি সই হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

    সরকারি ব্যাংক চারটি হলো- সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক। চুক্তির মাধ্যমে এই চারটি ব্যাংক থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫ শতাংশ সুদহারে ঋণ নিতে পারবেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে সরকারি কর্মচারীরা ঋণ সুবিধা পাবেন বলে জানান কর্মকর্তারা। তবে এ মুহূর্তে শতভাগ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এ সুবিধা পাবেন না।

    জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেডভেদে ২০ লাখ টাকা থেকে ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে। ঋণের মোট সুদহার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ। তবে এ ১০ শতাংশ সুদের ৫ শতাংশ সরকার এবং বাকি ৫ শতাংশ ঋণগ্রহীতা পরিশোধ করবেন। ঋণ পরিশোধের মেয়াদকাল হবে সর্বোচ্চ ২০ বছর।

    এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীরা অবসরের পর যাতে নিশ্চিত আশ্রয় পায়, এর মধ্য দিয়ে সেটি নিশ্চিত করা হলো। এটা শুধু যাদের উচ্চ বেতন আছে, তাদের জন্যই নয়; বরং সবার জন্য। এটা খুবই গণতান্ত্রিক ও কার্যকরী হবে।’