Category: রাজণীতি

  • জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত

    জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত

    মিজানুর রহমান:

    জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সভা জাতীয় স্কাউড ভবন এর ১২তলায় জামুকা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত  হয়।

    উক্ত সভা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সেলের চেয়ারম্যান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম.মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত  হয়।

    উক্ত সভায় পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এমপি,  গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রী ইন্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, আব্দুস শহীদ এমপি, মোঃ মোতাহার হোসেন এমপি, সাবেক সচিব রশীদুল আলম সহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ভারতীয় হাইকমিশন এর উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা চেক বিতরন

    ভারতীয় হাইকমিশন এর উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা চেক বিতরন

    ভারতীয় হাই কমিশন এর উদ্যেগে শেবাচিম অডিটোরিয়ামে, মুক্তিযোদ্ধা বৃত্তি চেক বিতরন করছেন প্রধান অতিথি, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, সংসদ সদস্য, বিএমপি পুলিশ কমিশনার, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ সহ অন্যান্যরা।

  • ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বরিশালে আগমন

    ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বরিশালে আগমন

    বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা এখন বরিশালে সফর করছেন। ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে আজ দুপুর একটার সময় বিসিসির নবনির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সঙ্গে বরিশাল বিমান বন্দরে তিনি অবতরণ করেন।

    এসময় স্থানীয় আ’লীগ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নের্তৃবৃন্দ হাইকমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এছাড়া বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের পক্ষে হাইকমিশনার ও বরিশাল সিটির নবনির্বাচিত মেয়র সাদিককে ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

    এসময় মেয়র হিসেবে সাদিকের প্রথম বাবুগঞ্জ সফর উপলক্ষ্যে তাকে মিষ্টিমুখ করান বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন স্বপন।

    অভ্যর্থনা ও শুভেচ্ছা বিনিময় কালে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্বাস চৌধুরী দুলাল, বিসিসি কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম খোকন, কালাম মোল্লা, মহানগর আ’লীগ নেতা শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হাসান মাহমুদ হোসেন বাবু, বরিশাল জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হেমায়েত উদ্দিন সুমন সেরনিয়াবাত সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • বি চৌধুরীর মুখে শেখ হাসিনার গুণগান

    বি চৌধুরীর মুখে শেখ হাসিনার গুণগান

    কিছুটা বিরল এই ঘটনাই ঘটেছে শনিবার; রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কয়েকটি গুণের কথা তুলে ধরেছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

    বাংলাদেশ বিষয়ে ইতিবাচক পরিকল্পনা নিয়ে গুলশানের একটি ক্লাবে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ‘প্রজন্ম বাংলাদেশ’ একটি সংগঠন, যেই সংগঠনের চেয়ারম্যান তার ছেলে মাহী বি চৌধুরী।

    শুরুতেই মাহী জানিয়ে দেন এই অনুষ্ঠানে কোনো ‘নেগেটিভ’ কথা চলবে না। কেউ বললে সঙ্কেত দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।

    অনুষ্ঠানের প্রশ্নোত্তর পর্বে এক দর্শকের প্রশ্ন ছিল, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার কী কোনো পজেটিভ দিক নেই?

    প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় ছিলেন তাদের সম্পর্কে কোনো পজেটিভ কথা বলব না।

    পরে বদরুদ্দোজা বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গুণের কথা…। তিনি দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। তারপর দেশে ফিরেছেন। দেশপ্রেম না থাকলে ফিরে আসতেন না। তার পিতার প্রতি যে অবিচার হয়েছে তার প্রতিকার তিনি করার চেষ্টা করেছেন।

    “আওয়ামী লীগ অসংগঠিত একটি দল ছিল। দেশে ফিরে সেই দলকে সংগঠিত করেছেন- এটাও তার গুণ। আর হ্যাঁ, উনি ভালো ছড়া বলেন- এটা জানতাম না। গুণী মানুষ তিনি; ছড়া বলেছেন, ‘মান্না জুড়ে দেয় কান্না’।”

    শেখ হাসিনা সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, “পত্রিকায় দেখেছি তার আরও একটা গুণ আছে। শুনেছি তিনি রান্না করেন। প্রধানমন্ত্রী হয়ে রান্না করা…। তাও ইলিশ ভাপি। পত্রিকায় দেখলাম।”

    এসময় মাহী খালেদা জিয়ার গুণের কথা বলতে স্মরণ করিয়ে দিলে বি চৌধুরী বলেন, “উনি গৃহিনী ছিলেন। রাজনীতি ঢুকে অবদান রেখেছেন। তাকে স্বার্থত্যাগ করতে হয়েছে। কারাবরণ করেছেন; এটাও তার রাজনীতির অংশ।

    কয়েকদিন আগে কামাল হোসেনের গণফোরামের সঙ্গে বি চৌধুরীর যুক্তফ্রন্টের ঐক্যবদ্ধ হওয়াকে স্বাগত জানালেও তারা ‘অগণতান্ত্রিক পথে’ ক্ষমতায় যেতে চান বলে টিপ্পনী কাটেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

    বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে দলীয় চাপে রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়তে বাধ্য হওয়া বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব বদরুদ্দোজাকে এর আগে ‘বদু কাকা’ বলে সম্বোধন করেছিলেন শেখ হাসিনা।

    ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে কয়েকদিন আগেও শেখ হাসিনা বলেন, “খালেদা জিয়াও ওনাকে সম্মান দেননি। ওনাকে বঙ্গভবন থেকে বের করে রেললাইনের ওপর দিয়ে দৌড় দেওয়ালো।

    বি চৌধুরীর বাবার আওয়ামী লীগ করার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর তাকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘আপনার ডাক্তার’ নামে স্বাস্থ্য সচেতনতা মূলক একটি অনুষ্ঠান করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু, যে অনুষ্ঠানটি জনপ্রিয় হয়।

    এরপর বিএনপিতে যোগ দিয়ে মহাসচিব হওয়ার পর খালেদা জিয়ার আমলে রাষ্ট্রপতি হলেও টিকতে পারেননি বি চৌধুরী।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য দিতে উঠে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের-জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন নাগরিক ঐক্যের মান্নাকে ভুল করে বিকল্প ধারার আহ্বায়ক বলেন। তখন দর্শক সারি থেকে ধরিয়ে দেওয়া হয়। মঞ্চের সামনে বসে থাকা বি চৌধুরী তখন বলে ওঠেন, “বিকল্পধারার আহ্বায়ক হলে সমস্যা নেই।

    ‘প্লান বি পজেটিভ’ শিরোনামে ওই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেএসডি সভাপতি আসম আব্দুর রব, বিকল্পধারার মহাসচিব এম এ মান্নান।

  • শেখ হাসিনার পদত্যাগ না, সুুষ্ঠু নির্বাচন চাই : কাদের সিদ্দিকী

    অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলে নির্বাচনে অংশ নেবেন জানিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ‘আমি শেখ হাসিনার সরকারের পদত্যাগ চাই না। আমি সুষ্ঠু-অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। আমার স্পষ্ট কথা, রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই।’

    শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, জাতীয় ঐক্য এবং দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলের বর্ধিত সভার সিদ্ধান্ত জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরাও নির্বাচনে যাইনি। তার মানে এই নয় যে, বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে তাদের সঙ্গেই আছি। আর আগামী নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে যাবে কি যাবে না, সেটি তাদের বিষয়। আমরা নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলে নির্বাচনে যাব।’

    কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, জাতীয় ঐক্য এখনও গঠন হয়নি। এ নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছে। জাতীয় ঐক্যের স্তম্ভ কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগ তৈরি করেছে। আমাদের বাদ দিয়ে জাতীয় ঐক্য গঠন হতে পারে না।

    ড. কামাল হোসেনসহ যুক্তফ্রন্টের নেতাদের বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা তাদের নিজস্ব বক্তব্য। জাতীয় ঐক্যই গঠন হয়নি। জাতীয় ঐক্য গঠন হলে তখন বক্তব্য বা সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। তবে সীমা ছাড়িয়ে গেলে জাতীয় ঐক্য হবে না, ঐক্য থাকবে না।’

    কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে সমদূরত্বে রেখে জাতীয় ঐক্য গঠন করা হোক। এখানে যদি বিএনপিকে টানা হয়, তাহলে আওয়ামী লীগও চলে আসতে পারে। এ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক যথার্থই বলেছেন (আওয়ামী লীগকে ছাড়া জাতীয় ঐক্য হবে না)।’

    তিনি বলেন, ‘আমার স্পষ্ট বক্তব্য, যতদিন বেঁচে থাকব বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে বেঁচে থাকব। দুঃখ হয়, বর্তমান আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে না।’

    এদিকে সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবীর বলেন, ‘আবুল মাল আবদুল মুহিত হলেন রান্নায় দেওয়া হলুদের মতো। উনি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানে ছিলেন, পরে তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন। বিএনপি আমলে সরকারের সঙ্গে কাজ করেছেন, এরশাদের আমলে জাতীয় পার্টির মন্ত্রী ছিলেন। এখন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছেন।’

  • লিখতে-পড়তে পারলেই সাক্ষরতা বলে না: গণশিক্ষামন্ত্রী

    লিখতে-পড়তে পারলেই সাক্ষরতা বলে না: গণশিক্ষামন্ত্রী

    এখন শুধু লিখতে-পড়তে পারলেই তাকে সাক্ষরতা বলে না। পড়ালেখার পাশাপাশি তাকে কর্মদক্ষ হলেই তাকে সাক্ষর বলা হচ্ছে। সাক্ষরতার চিত্র আগামী ১০ বছরের মধ্যে পাল্টে যাবে। সাক্ষরতা মানে একজন শিক্ষিত ও দক্ষ ব্যক্তিকে বোঝাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। আজ শনিবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাক্ষরতা অর্জন করি, দক্ষ হয়ে জীবন গড়ি এই প্রতিপদ্যে এবার সারা দেশে সাক্ষরতা দিবস পালিত হচ্ছে।

    আগামী ১০ বছরে দেশের সব মানুষ সাক্ষরতার জ্ঞান নিয়ে নিজেকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে শিক্ষার সুযোগ বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য ২০১৪ সালের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়েছে। এর ফলে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে আামাদের সাক্ষরতার হার ৭২ দশমিক ৯ শতাংশ। এখনো ২৭ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ নিরক্ষর রয়েছে। তাদের সাক্ষরজ্ঞান ও দক্ষ করে তোলাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন বলেন, দেশের একটি অংশ নিরক্ষর থাকবে এটি ভেবেই বঙ্গবন্ধু গণসাক্ষরতা কার্যক্রম শুরু করলেও এটি যে গতিতে চলছে তা সঠিক নয়। শুধু যোগ বিয়োগ, সাক্ষর করা আর পেপার পড়তে পারাই সাক্ষরতার মূল উদ্দেশ্য নয়। সাক্ষরতার জ্ঞান নিয়ে যেন তাদের কর্মসংস্থান তৈরি হয় সেটিই ছিল এর মূল লক্ষ্য। অথচ তা আজ স্থবির হয়ে পড়েছে। আজও দেশে শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন হয়নি।

  • সিরিয়ায় হত্যাযজ্ঞ দেখে চুপ থাকবো না : হুঁশিয়ারি এরদোয়ানের

    সিরিয়ায় হত্যাযজ্ঞ দেখে চুপ থাকবো না : হুঁশিয়ারি এরদোয়ানের

    শামীম ইসলাম:

    সিরিয়ায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি দেখে আঙ্কারা বসে থাকবে না বলে সতর্ক করে দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। শুক্রবার তেহরানে সিরিয়া ইস্যুতে ইরান এবং রাশিয়ার নেতাদের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় এক বৈঠকের পর এ সতর্ক বার্তা দিয়েছেন তিনি।

    তেহরানের ওই বৈঠকের প্রেক্ষিতে শুক্রবার একাধিক টুইট করেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, এর ফলে বেসামরিক মানুষের জীবন সন্ত্রাসীদের খেলনার বিষয়ে পরিণত হবে।

    এরদোয়ান বলেন, হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যার ঘটনা যদি পুরো বিশ্ব না দেখার ভান করে বসে থাকে; তারপরও আমরা এরকম একটি খেলার সঙ্গে নিজেদের জড়াবো না অথবা পাশে বসে শুধু সেটা দেখেও যাবো না।

    তিনি বলেন, সিরিয়া যুদ্ধের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান, শরণার্থী প্রত্যাবাসন এবং স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করার জন্য তুরস্ক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    সিরিয়ার শেষ বিদ্রোহী অধ্যূষিত অঞ্চল ইদলিবে মানবিক বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে ইরানের রাজধানী তেহরানে শুক্রবার ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এক বৈঠকে মিলিত হন।

    সিরিয়ার এই প্রদেশটিতে ৩০ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করে; যার অর্ধেকের বেশি এখন বাস্তুচ্যুত।

    কিন্তু কোনো ফলপ্রসূ আলোচনা ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়। বৈঠকে তুরস্ক এ অঞ্চলে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব দিলে রাশিয়া এবং ইরান তা প্রত্যাখান করে। ফলে ইদলিবে সিরিয়া সরকারের নতুন করে হামলা শুরুর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    রাশিয়া এবং ইরান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে সমর্থন দিয়ে আসছে। অন্যদিকে, তুরস্ক সিরিয়ার কিছু বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে সমর্থন দিচ্ছে; যারা আসাদ সরকারের পতন চায়।

  • সরকারের শেষ অধিবেশন শুরু রোববার

    সরকারের শেষ অধিবেশন শুরু রোববার

    চলমান জাতীয় সংসদের ২২তম আর সরকারের শেষ অধিবেশন আগামীকাল রোববার বসছে। এই দিন বিকেল ৫টায় অধিবেশন শুরু হবে। এই অধিবেশন কতদিন চলবে তা কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।

    অধিবেশন শুরুর ১ ঘণ্টা আগে সংসদ ভবনে কমিটির বৈঠক হবে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ছাড়াও বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

    বর্তমান সরকারের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি শেষ হবে। ডিসেম্বরের শেষে একাদশ সংসদ নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে হিসেবে জরুরি কোনো প্রয়োজন না পড়লে এই অধিবেশনই চলতি সংসদের শেষ অধিবেশন হতে পারে।

    বহুল আলোচিত সড়ক পরিবহন বিল, ২০১৮ বিল এই অধিবেশনেই উত্থাপন করা হবে। গত ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হন। পরের দিন থেকে রাজধানীর সড়কে অবস্থান করে বেপরোয়া বাস চালকের ফাঁসি, রাস্তায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালনা বন্ধসহ ৯ দফা দাবি আদায়ে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। এরপর আইনটি চূড়ান্ত করে সাজা ও জরিমানা বাড়ানো হয়।

    জানা যায়, আসন্ন সংসদ নির্বাচন বর্তমান সরকারের অধীনেই হবে। নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের কোনো বিধান সংবিধানে নেই। ক্ষমতাসীন সরকারই নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালন করবে। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে পারবেন।

    এর আগে সংসদের ২১তম অধিবেশন ১২ জুলাই শেষ হয়। ওই অধিবেশনের কার্যদিবস ছিল ২৫টি। সংবিধান অনুযায়ী একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার পর ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে আরেকটি অধিবেশেন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

  • সরকার দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে: এলজিআরডি মন্ত্রী

    সরকার দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে: এলজিআরডি মন্ত্রী

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এক সময় সারা বাংলাদেশের বাজেট ছিল সাত হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে শুধু পিরোজপুর জেলায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুই হাজার কোটি টাকার কাজ চলমান। দেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে এটাই তার প্রমাণ।
    শুক্রবার দুপুরে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের নবনির্মিত সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব  কথা বলেন তিনি।
    খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বৃহত্তর ফরিদপুরের একজন বাসিন্দা হিসাবে বরিশাল অঞ্চলের ভান্ডারিয়ায় আজ আমি আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। এই দুই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক অনেক পুরোনো, ব্যাপক ও নিবিড়। এখানে আমি অতিথি হিসাবে আসিনি, এসেছি একজন স্বজন হিসাবে। আপনারা আমাকে আপন ভাববেন, পর ভাববেন না। ভান্ডারিয়ায় এসে আজ আমি অভিভূত। বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত আপনজন মানিক মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আমাকে ভান্ডারিয়ায় আসার আমন্ত্রণ জানানোয় আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলাম এখানে আসার জন্য। আবহাওয়া বৈরী হওয়ায় আমি সংশয়ের মধ্যে ছিলাম সত্যি সত্যি আজ ভান্ডারিয়ায় আসতে পারবো কিনা। আল্লাহর অসীম রহমতে এখানে আসতে পেরে নিজেকে অত্যন্ত ভাগ্যবান মনে করছি।
    তিনি আরো বলেন, ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও ইন্দুরকানী সংসদীয় আসনে বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর মত একজন নেতাকে ৩৪ বছর ধরে আপনারা পেয়েছেন, এটা এলাকাবাসীর পরম সৌভাগ্য। তিনি সরকারের মন্ত্রী সভার একজন সম্মানিত ও অভিজ্ঞ সদস্য এবং সারা বাংলাদেশের নেতা। এলাকার মানুষ তাকে পেয়ে যে কতটা সৌভাগ্যবান তা আজকের এই সমাবেশ দেখে আমি অনুধাবন করতে পারছি। আমাকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যেতে হয়, কিন্তু কোথাও  এমন চমৎকার ও সমৃদ্ধ সমাবেশ আগে কখনও দেখিনি। বয়োজ্যেষ্ঠ মুরব্বী, মুক্তিযোদ্ধাসহ নানা বয়সী নারী পুরুষের এ রকম উপচে পড়া আন্তরিক উপস্থিতি আমাকে অবাক ও মুগ্ধ করেছে। এ সমাবেশ প্রমাণ করে তাদের নেতা ও প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর প্রতি এলাকার মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা কতটা গভীর এবং বন্ধন কত সুদৃঢ়।
    এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, সরকারের গত নয় বছরে পিরোজপুর জেলায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হয়েছে। এর মধ্যে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৬৭ কোটি টাকার কাজ হয়েছে, ৮৭ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের অপেক্ষায়। চারটি পৌরসভায় ৫৫ কোটি টাকা, সাতটি উপজেলায় ৪৪ কোটি টাকা, ৫১টি ইউনিয়ন পরিষদে ৫৩ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। জেলায় এ সময় কালে ৩৩টি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মিত হয়েছে। আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর মত একজন নেতার পক্ষেই এ উন্নয়নের নেতৃত্ব দেয়া সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
    জাতীয় পার্টি-জেপি’র চেয়ারম্যান ও পানি সম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, আজকের এ অনুষ্ঠান প্রমাণ করে আমাদের ঈমান যদি অটুট ও জনগণের দোয়া থাকে এবং মানুষ যদি ঐক্যবদ্ধ হয় সেখানে আল্লাহর রহমত নেমে আসে। আজকের প্রধান অতিথি খন্দকার মোশাররফ হোসেন সরকারের মন্ত্রী সভার সম্মানিত সদস্য এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আশঙ্কা সত্ত্বেও আমাদের আমন্ত্রণে তিনি ভান্ডারিয়ায় এসেছেন এই জন্য তাকে হৃদয় থেকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি তার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভান্ডারিয়ায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছেন এবং আজ উদ্বোধন করলেন।
    পাশাপাশি উপজেলা সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও খন্দকার মোশাররফ হোসেন মিলনায়তনের উদ্বোধন করে আমাদেরকে কৃতজ্ঞ করেছেন।
    পানি সম্পদ মন্ত্রী আরো বলেন, ৩৪ বছর ধরে আমি বলে আসছি যতদিন মানুষের মাঝে ঐক্য থাকবে, আমি যদি নাও থাকি এলাকার উন্নয়ন ও প্রয়োজন এভাবেই পূরণ হবে।
    ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন আক্তার সুমী। আরও বক্তব্য দেন- পিরোজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ, ভান্ডারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম তালুকদার উজ্জল, উপজেলা জাতীয় পার্টি জেপির আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল হক মনি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফাইজুর রশীদ খসরু, উপজেলা জেপির সদস্য সচিব ও ধাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান  টুলু এবং টুঙ্গীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক হাফিজুর রশীদ তারিক।
    অনুষ্ঠান মঞ্চে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) খলিলুর রহমান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান, পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) ও সরকারের উপ-সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাম কবির, ভান্ডারিয়ার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আসমা আক্তার, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যে নদমূলা শিয়ালকাঠির সফিকুল কবির তালুকদার বাবুল, গৌরীপুরের মজিবুর রহমান চৌধুরী, ভিটাবাড়িয়ার খান এনামুল কবির পান্না, ইকড়ির মো. হুমায়ুন কবির প্রমুখ।
    শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও পানি সম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আনুষ্ঠানিকভাবে ভান্ডারিয়া উপজেলার নবনির্মিত সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুমের  উদ্বোধন করেন। পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। ছয় তলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট চার তলা কংক্রিট ফ্রেম স্ট্রাকচার মূল ভবনের ৩০টি কক্ষ রয়েছে। হলরুমসহ ভবনের সর্বমোট আয়তন ২১ হাজার বর্গফুট। ২০১৭ সালের ৭ এপ্রিল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর শেষ হয়।
    এছাড়া এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ভান্ডারিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এ সব উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
    খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ভান্ডারিয়ায় আগমন উপলক্ষে সারা শহরকে বর্ণাঢ্য সাজে সাজানো হয়। হাসপাতাল মাঠের হেলিপ্যাড থেকে উপজেলা পরিষদ চত্বরের অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে শত শত মানুষ দাড়িয়ে অতিথিকে অভ্যর্থনা জানান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উপচে পড়া মানুষের পাশাপাশি বাইরেও শত শত মানুষ রাস্তায় ও বিভিন্ন স্থানে দাড়িয়ে অতিথিদের বক্তব্য শোনেন।
  • বিনা অপরাধে কাউকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    বিনা অপরাধে কাউকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিনা অপরাধে কাউকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। তিনি বলেন, যারা গ্রেপ্তার হচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্য প্রমাণ রয়েছে।

    তিনি আজ শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা গ্রেপ্তার হচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ ও প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে। তারা যদি চ্যালেঞ্জ করে আমরা পরিষ্কার বলতে পারবো, কি অভিযোগে তাদের ধরা হয়েছে। তাদের অপরাধের ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে।

    তিনি বলেন, ধর্ম যার-যার রাষ্ট্র সবার। এখানে সবাই মিলে মিশে থাকবে ও ধর্ম পালন করবে। অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হককে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করছে। তদন্তের আগে কোন মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

    নির্মল কুমার চ্যাটার্জির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রানা দাশগুপ্ত, সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার, হিউবোর্ট গোমেজ, অধ্যাপক নিমচন্দ্র ভৌমিক প্রমুখ।