Category: রাজণীতি

  • গণতন্ত্র এখন ক্রসফয়ারতন্ত্রের বেড়াজালে আবদ্ধ: রিজভী

    গণতন্ত্র এখন ক্রসফয়ারতন্ত্রের বেড়াজালে আবদ্ধ: রিজভী

    গণতন্ত্র এখন ক্রসফয়ারতন্ত্রের বেড়াজালে আবদ্ধ বলে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশ অগ্রগতির দিকে নয়, অন্ধকারের অতলে তলিয়ে যাচ্ছে। আজ দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রিজভী।

    গতকাল সোমবার গণভবনে রাজনীতিবিদদের সম্মানে ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের গণতন্ত্র সুদৃঢ়, মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। অর্থনীতির ভিত্তিও যথেষ্ট শক্তিশালী।

    রিজভী বলেন, অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে একেবারেই তামাশা এবং মস্করা। এটা যে একেবারে পেছন দিকের অন্ধকারের অতলে এগিয়ে যাচ্ছে সেটা জনগণ জানে। আর গণতন্ত্র এখন ক্রসফয়ারতন্ত্রের বেড়াজালে আবদ্ধ।  

    তিনি আরও বলেন, সারাদেশের সড়ক-মহাসড়ক এখন ছোট ছোট খালে পরিণত হয়েছে।  সরকারের উন্নয়ন শুধু সাইনবোর্ড ও বিলবোর্ডে শোভা পায়। দেশের সড়ক-মহাসড়ক ও গ্রামীণ সড়ক মিলে ৮৫ হাজার কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা বিরাজ করছে।

    সংবাদ সম্মেলনে দলের ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান, শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবুল খায়ের ভুঁইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ

    জেলা যুবদল কমিটি গঠনের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও পৌর বিএনপি অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ করেছেন নেতা-কর্মীরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা গত ১ জুন জেলা যুবদলের ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র।
    এর প্রতিবাদে আজ সোমবার সকালে সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মতি নিজেই নেতা-কর্মীদের নিয়ে বিএনপি অফিসে তালা মেরে দেন। পরে অফিসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে নেতা-কর্মীরা।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক খাইরুল বাসার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট ময়েজ উদ্দিন, পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আহসান হাবিব, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শামিরুল ইসলাম পলাশ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ আনোয়ার হোসেন, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মীম ফজলে আজিম, পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আওয়াল আলী, শহর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোঃ বাবর আলী রুমন, স্বেচ্ছাসেবক দলের পৌর শাখার সভাপতি শহীদুল ইসলাম ওদুদ, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি ওমর ফারুক রানা, সহ- সভাপতি গোলাম মর্তুজা, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ বিএনপি ও অংগ সংগঠনের বিভিন্নস্তরের নেতা-কর্মীরা।

    বিক্ষোভ চলাকালে যুবদলের এধরণের কমিটি গঠনের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয় এবং অবিলম্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা যুবদলের এই কমিটি বাতিল করে সকল নেতা-কর্মীদের গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে নতুন জেলা যুবদল কমিটি গঠনের জোর দাবি জানানো হয়।

    উল্লেখ্য, জেলা বিএনপি’র কমিটি ঘোষণার পর থেকেই হারুন-পাপিয়া সমর্থিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও পৌর বিএনপি’ নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা কমিটির ব্যাপক দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে এবং জেলা যুবদলের কমিটি হচ্ছে জেলা বিএনপি’র আস্থাভাজন।

  • সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে ঈদ শুভেচ্ছা ব্যানার করতে নিতে হবে অনুমতি: অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা

    সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে ঈদ শুভেচ্ছা ব্যানার করতে নিতে হবে অনুমতি: অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি //

    বরিশাল নগরীতে সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা সম্বলিত বিলবোর্ড পোষ্টার প্রচারণার ক্ষেত্রে পূর্বানুমতি গ্রহনের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনাটি নিচে তুলে ধারা হল।

    এতদ্বারা বরিশাল মহানগরের সকল বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের জানানো যাচ্ছে যে, আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সংগ্রামী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা সম্বলিত বিলবোর্ড, পোষ্টার প্রচারণার ক্ষেত্রে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্বানুমতি গ্রহণ করতে হবে। ইতোমধ্যে পূর্বানুমতি ব্যতীত যে সকল পোষ্টার, ফেষ্টুন, ব্যানার প্রচার করা হয়েছে তা অত্র বিজ্ঞপ্তি প্রচারের সাথে সাথে অপসারণ করার জন্য অনুরোধ করা গেল। অন্যথায় অবিলম্বে তাদের বিরদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    বার্তা প্রেরক,

    (মো: হুমায়ূন কবীর)

    দপ্তর সম্পাদক

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

    বরিশাল মহানগর।

  • বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম রাজনীতির মাঠ

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম রাজনীতির মাঠ

    বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই সরগরম হয়ে উঠেছে বরিশাল রাজনীতির মাঠ। বৃহৎ দু’টি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-বিএনপি ছাড়াও নড়েচড়ে বসেছে উভয়জোটের শরিকদলগুলো।

    ইতিমধ্যেই নির্বাচন কৌশল নির্ধারণে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঠে থাকারও নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতারা।

    আর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরপরই বরিশালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে নির্বাচনী আমেজ বইতে শুরু করেছে।

    আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একাধিক প্রার্থী দলীয় প্রতীক প্রত্যাশী হলেও মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্তেই চূড়ান্ত হবে প্রার্থীতা। তবে স্থানীয়ভাবে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ, সিপিবি-বাসদ প্রার্থীতা চূড়ান্ত বলে দাবি করছে। কিন্তু বিএনপি প্রায় চুপচাপই রয়েছে এখনও।

    সেইসঙ্গে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস। তাদের দাবি বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ ও নিরপেক্ষতার মধ্য দিয়েই সম্পন্ন হবে।

    নির্বাচন কমিশন অফিসের তথ্যানুযায়ী, ২৫ বর্গ কিলোমিটারের পৌর এলাকাকে নিয়ে ২০০২ সালের ২৪ জুলাই বিসিসি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে ২০০৩ সালে প্রথম মেয়র হন বর্তমান কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ার। এরপর ২০০৮ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় পরিষদে মেয়র নির্বাচিত হন সাবেক বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক প্রয়াত অ্যাডভোকেট শওকত হোসেন হিরন। তবে ২০১৩ সালের নির্বাচনে তাকে পরাজিত করে বিএনপি সমর্থিত বর্তমান মেয়র আহসান হাবিব কামাল নির্বাচিত হন।

    চলতি বছরের ২৩ অক্টোবর মেয়াদোত্তীর্ণ হবে বিসিসি মেয়রের কার্যকাল। গত ২৯ মে নির্বাচনের তারিখও ঘোষণা করে দিয়েছে কমিশন। আগামী ৩০ জুলাই হবে বিসিসি নির্বাচন।

    নির্বাচনের বিষয়ে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর বলেন, বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হওয়ায় আমরা যেমন আনন্দিত, তেমনি বরিশাল মহানগরের মানুষ উৎফুল্ল। প্রায় দুই বছর আগ থেকে তৃণমূল পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করে ইতিমধ্যে স্থানীয়ভাবে প্রার্থীর বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রার্থী হিসেবে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে নিয়ে আমরা প্রতিটি ওয়ার্ডে মিটিং
    করেছি। তৃণমূল পর্যায়ে রোজার আগে থেকে আমরা ইউনিট কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি। বরিশালে ১০৪টি কেন্দ্র রয়েছে, সে অনুযায়ী আমাদের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন।

    তিনি বলেন, নৌকার যখন বিজয় হয়, তখন মানুষ কিছু পায়। আর নৌকার যখন পরাজয় হয়, তখন মানুষ হতাশায় পরে যায়। আমরা বিশ্বাস করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নমূলক কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য বরিশালের জনগণ নৌকার পক্ষে আসন্ন ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচনে সমর্থন দেবে।

    এদিকে, নির্বাচনী কৌশলগত কারণে অনেক কিছুই খোলাসা করে বলতে নারাজ বিএনপি। তবে সিটি নির্বাচনের ভোটযুদ্ধে বিএনপি প্রস্তুত বলে দাবি করেছেন বিএনপি’র বরিশাল জেলা দক্ষিণের সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী এবায়েদুল হক চাঁন।

    তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে সেন্টার কমিটি গঠন করা শুরু করে দিয়েছি। আমাদের কিছু নির্বাচনী কৌশল রয়েছে, সবকিছু আমরা আগাম বলতে পারছি না। আমরা নির্বাচন করতে প্রস্তুত আছি। তবে খুলনার দিকে যদি তাকাই তবে নির্বাচন ফেয়ার আশা করতে পারি না। বাইরের বিভিন্ন এলাকার লোকজন এই শহরে আসবে প্রচার-প্রচারণা চালাবে এটা হয় না। আমাদের দাবি ভোটারের বাইরে কোনো লোক এখানে আসতে পারবে না। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী দিতে হবে।

    বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুল বলেন, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পার্টি ৩০টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তাদের ভোটের কেন্দ্র কমিটি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী দেওয়ার মধ্য দিয়ে এবার নির্বাচনী যুদ্ধে জাতীয় পার্টি থাকবে এবং আমরা জয়লাভ করব বলে বলেন তিনি।

    জেলা নির্বাচন অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন খান  বলেন, মাঠ পর্যায়ে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে আমরা সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ভোটার তালিকা আমরা হাতে পেয়েছি। ভোট কেন্দ্রের খসরা আমরা প্রস্তুত করেছি। কমিশনের নির্দেশনা পেলে আমরা এটা প্রকাশ করব। শুনানি গ্রহণের মাধ্যমে যা চূড়ান্ত করা হবে। আশাকরি আমরা সুষ্ঠু, সুন্দর অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সক্ষম হবো।

    ২০১৩ সালের বিসিসি নির্বাচনে বরিশালের ভোটার ছিলেন দুই লাখ ১১ হাজার ২৫৭ জন, আর বর্তমানে হালনাগাদ ভোটার তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটারের সংখ্যা দুই লাখ ৪১ হাজার ৯৫৯ জন। যা গতবারের চেয়ে ৩০ হাজার ৭০২ জন বেশি।

  • মাশরাফি-সাকিবের বিষয়ে এখনই মন্তব্য নয়: কাদের

    মাশরাফি-সাকিবের বিষয়ে এখনই মন্তব্য নয়: কাদের

    বাংলাদেশের দুই জাতীয় ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসান রাজনীতি আসছেন কিনা বা জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কিনা তা নিয়ে এ মুহূর্তে মন্তব্য করতে চান না আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়নে কিছু চমক থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, ‘সাকিব আর মাশরাফি এদের ব্যাপারে আমরা কোনো মন্তব্য এই মুহূর্তে করতে চাই না। সাকিবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। বিশ্বকাপের আগে নির্বাচন নিয়ে, রাজনীতি নিয়ে তাদের কোনো কথা নেই।’

    সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়নে কিছু চমক থাকছে। তবে সেটা এখনও চূড়ান্ত রূপ নেয়নি। অনেকের আবেদন আছে, আগ্রহ আছে। সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্র এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব— এমন ধরনের কিছু প্রার্থী থাকবেন। তবে যাকেই মনোনয়ন দেয়া হোক না কেন, তাকে উইনেবল প্রার্থী হতে হবে।’

    ছাত্রলীগের নতুন কমিটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের যাতে ভালো কমিটি হয়, এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি নিজেই খোঁজ-খবর করছেন। খুব শিগগিরই ছাত্রলীগের কমিটি প্রকাশ করতে পারবো বলে আশা করছি। তবে দিনক্ষণ বলতে পারবো না। ছাত্রলীগের ভালো কমিটি আসবে। সবার প্রশংসা করার মতোই কমিটি আসবে।’

    গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচনের আচারণবিধি মেনেই আওয়ামী লীগ প্রচার-প্রচারণা চালাবে।

    রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই তিনটি সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে দলের মনোয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে ১৮ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা নেওয়া হবে। আর ২২ জুন সন্ধ্যা ৭টায় স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় দলীয় প্রার্থী বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    বৈঠকের শুরুতে মহাকাশে বঙ্গবন্ধু- স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণ উপলক্ষে দলের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটি প্রকাশিত ‘মহাকাশে বাংলাদেশ’ নামের পুস্তিকা ওবায়দুল কাদেরের হাতে তুলে দেন তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন। এ সময় ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস এবং ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। এছাড়া আগামী ৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।

    ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে বৈঠকে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আহমদ হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ড. হাছান মাহমুদ, ফরিদুন্নাহার লাইলী, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, অসীম কুমার উকিল, সুজিত রায় নন্দী, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ড. শাম্মী আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

  • আ. লীগের মাঠ গরম, বিএনপি চুপ

    আ. লীগের মাঠ গরম, বিএনপি চুপ

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনে পুরোনোদের সঙ্গে নতুনদের দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ছবিসহ ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার বাসাবাড়ির দেয়ালসহ বিভিন্ন হাটবাজার, সড়কের দুই পাশে ও গাছে শোভা পাচ্ছে।

    প্রধান দুই দলের মধ্যে শুধু আওয়ামী লীগ থেকেই মনোনয়নপ্রত্যাশী ডজনখানেক। তাঁদের মধ্যে আবার নতুন মুখ চারজন। তবে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ দুই দলেরই প্রার্থী বাছাইয়ে চমক থাকতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতারা।

    নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সাধারণত এ আসনে যে দলের প্রতিনিধি জয়লাভ করেন, সেই দলই ক্ষমতায় বসেছে। তবে জিয়াউর রহমান এবং এইচ এম এরশাদের আমলে একবার করে এর ব্যতিক্রম ঘটেছে। ১৯৭৯ ও ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রয়াত জালাল উদ্দিন তালুকদার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন।’ ৯৬ সালে তিনি আবারও জয়ী হন।’ ৮৮ সালে জাতীয় পার্টি থেকে গোলাম রব্বানী, ’ ৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপি থেকে আবদুল করিম আব্বাসী, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ থেকে মোশতাক আহমেদ রুহী জয়ী হন।

    আওয়ামী লীগে অনেক প্রার্থী
    বর্তমান সাংসদ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ছবি বিশ্বাস। তাঁকে অনেকে সজ্জন ব্যক্তি হিসেবেই জানেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, তাঁর কিছু আত্মীয়স্বজন ও কয়েকজন অনুসারীর বিভিন্ন কাজ তাঁকে বিতর্কের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তাঁর এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ও নতুন করে কিছু গ্রামীণ সড়ক হলেও জেলার সঙ্গে একমাত্র কলমাকান্দা-ঠাকুরাকোনা ২১ কিলোমিটার সড়কটি এখন রীতিমতো মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে। ছবি বিশ্বাস বলেন, ‘আত্মীয়স্বজনকে আমি প্রশ্রয় দিই না। এলাকার বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ সরকারীকরণসহ অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি।’

    এ আসনে তিনবারের নির্বাচিত সাংসদ মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন তালুকদার ২০১২ সালে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। মৃত্যুর পর গত দশম সংসদ নির্বাচনে তাঁর ছেলে শাহ কুতুব উদ্দিন তালুকদার রুয়েল দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হন। তিনি এবার মনোনয়ন পাবেন বলে আশাবাদী।

    সাবেক সাংসদ ও আনন্দ মোহন কলেজের সাবেক ভিপি মোশতাক আহমেদও দলের মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন বলে তিনিও আশায় আছেন।

    এ ছাড়া প্রবীণদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য রেমন্ড আরেং, কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. ফকরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালেক তালুকদারও মনোনয়নপ্রত্যাশী।

    আর নতুনদের মধ্যে সক্রিয় আছেন কলমাকান্দার কৈলাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সুলতান আহম্মদের ছেলে সাবেক ছাত্রনেতা শিল্পপতি আতাউর রহমান। তিনি উঠোন বৈঠক থেকে শুরু করে সভা-সমাবেশ করছেন।

    নতুন মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে আরও আছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস ঝুমা তালুকদার। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের বেশির ভাগই গণসংযোগে অংশ নিয়ে মাঠ গরম করে ফেলেছেন।

    বিএনপি নিষ্ক্রিয়
    দলীয় ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে শুরু করে এ আসনে বিএনপি এখন অনেকটাই নিষ্ক্রিয়। ৫ জানুয়ারির ‘একতরফা’ নির্বাচনের পর থেকে নেতা-কর্মীদের নামে বিভিন্ন মামলা-হামলার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার দলীয় কয়েকটি কার্যালয় ভাঙচুরের পর বর্তমানে দুর্গাপুর উপজেলায় বিএনপির কার্যালয় নেই। কলমাকান্দারটিও বন্ধ রয়েছে কয়েক বছর।

    এই দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল, জেলা বিএনপির সহসভাপতি সাবেক সাংসদ গোলাম রব্বানী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম খান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ মাজহারুল হক, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এজমল হোসেন। তাঁদের মধ্যে নতুন হিসেবে পরিচিত এজমল হোসেন।

    কায়সার কামাল বলেন, ‘নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হলে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে। আর বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে আমার বিশ্বাস, দল থেকে আমাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।’

    জাহাঙ্গীর বলেন, ‘বিভিন্ন সময় গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত, নির্যাতনসহ কারাভোগ করেছি। আশা করি, দলের নীতিনির্ধারকেরা বিষয়টি দেখবেন।’

    অন্যান্য দল
    জাতীয় পার্টি থেকে উপজেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমদাদুল হক তালুকদারের ও কমিউনিস্ট পার্টি থেকে এবারও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য দিবালোক সিংহের মনোনয়ন চাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া এলডিপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি বিএনপির সময়ের সাবেক হুইপ এম এ করিম আব্বাসীর মনোনয়ন চাওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে।

  • প্রধানমন্ত্রীকে ৭ জুলাই সংবর্ধনা দেবে আওয়ামী লীগ

    প্রধানমন্ত্রীকে ৭ জুলাই সংবর্ধনা দেবে আওয়ামী লীগ

    সম্প্রতি বিভিন্ন পুরস্কার এবং অর্জনের জন্য আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেবে আওয়ামী লীগ। আগামী ৭ জুলাই দলের পক্ষ থেকে এই গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে বলে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।

    ধানমন্ডিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। সেখানে তিনি সংবর্ধনার বিষয়টি জানান।

    সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন অর্জন ও সাফল্যের জন্য দলের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে। ৭ জুলাই এ গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণসহ বিভিন্ন অর্জনের কারণে এই গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন করা হবে।

    আজকের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়ার বিষয়টি ঠিক করা হয়। এ ছাড়া গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি সামনে আরও চারটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচন সামনে থাকায় দলের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মহিবুল হাসান চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহম্মেদ প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

  • কী করবেন সোহেল তাজ, জানাবেন ঈদের পর

    কী করবেন সোহেল তাজ, জানাবেন ঈদের পর

    দীর্ঘদিন রাজনীতির বাইরে আছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে তানজিম আহমদ সোহেল তাজ। তবে সোহেল তাজ দেশের বাইরে থাকলেও মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। কিছু কিছু স্ট্যাটাসে ছবিও জুড়ে দেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়ে আলোচনার জন্ম দেওয়া সোহেল তাজ। বৃহস্পতিবার ফেসবুকে জানালেন ভবিষ্যতে তিনি কী করতে চান, তা আগামী ঈদুল ফিতরের পর জানাবেন। কী করতে চান তা প্রকাশ করবেন।

    বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে দেওয়া স্ট্যাটাসে সোহেল তাজ লিখেছেন, ‘বেশ কিছু দিন ধরে ভাবছি আমার জন্মভূমি, মাতৃভূমি বাংলাদেশের জন্য ভালো কিছু কী করা যায় এবং বিশেষ করে যুবসমাজের জন্য পজিটিভ কিছু করা যায় কি না। অনেক চিন্তাভাবনা করে একটি সমাধান পেয়েছি—ঈদের পর জানাব!’

    নিজের ভেরিফাইড পেজে সোহেল তাজ আরও বলেন, ‘অনেকেই কমেন্ট করছেন যে আমার দেশে আসা উচিত—আমি বেশির ভাগ সময়ই দেশে থাকি।’

    সোহেল তাজের এ স্ট্যাটাসে মুহূর্তেই হাজারো লাইক ও কমেন্ট পড়েছে। রাজনীতিবিমুখ এই মানুষটিকে রাজনীতিতে ফিরে আসতে অনুরোধ করেছেন অনেকে। তরুণ ও যুবকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় প্রয়াত চার নেতার একজন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীনের সন্তান সোহেল তাজ। ঈদের পর তিনি কী করেন তা জানতে ঈদ পর্যন্তই অপেক্ষা করতে হবে।

  • সাকা চৌধুরীর ‘গুডস হিলে’ হামলা

    সাকা চৌধুরীর ‘গুডস হিলে’ হামলা

    একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর পৈতৃক বাসভবন গুডস হিলে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

    বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে গুডস হিলের কর্মচারী মো. নূরুল আবছার।

    তিনি জানান, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ৫০-৬০ জন যুবক গুডস হিলে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। এসময় তারা অফিস কক্ষ, গ্যারেজে থাকা মাইক্রোবাস, পাজরো জিপ ও প্রাইভেটকারসহ আটটি গাড়ি ভাংচুর করে। এছাড়া সালাহউদ্দিনের বাবা ফজুলল কাদের চৌধুরীর ছবি ভাংচুর করেন। পরে তারা বাড়ির দুটি গেটও ভাঙচুর করে। ভাঙচুর শেষে হামলাকারীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দিতে বেরিয়ে যায়।

    ভাঙচুর করা গাড়িগুলোর মধ্যে অধিকাংশই সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছোট ভাই প্রয়াত সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের বলে জানান নূরুল আবছার।

    প্রায় আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ভাঙচুর চালানো পর মূল সড়কে এসে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে হামলাকারীরা। পরে তারা মিছিল নিয়ে নগরের চকবাজারের দিকে চলে যায়।

    এ বিষয়ে নগরীর কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, কে বা কারা এ হামলা চালিয়েছে তা এখনি বলা যাচ্ছে না। ঘটনার পর পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় গিয়েছিল। তবে মূল ফটক বন্ধ থাকায় তারা ওই বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।

    এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানায় বুধবার সন্ধ্যায় সাকা চৌধুরীর ছোট ভাই গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন।

    অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন কাদের (গিকা) চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা ছাত্রলীগ। বুধবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভ মিছিলটি ফটিকছড়ি কলেজ গেট থেকে শুরু হয়ে বিবিরহাট বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি এক পথসভায় মিলিত হয়।

    উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রায়হান রুপুর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক সাহেদুল আলম সাহেদ, সাদেক আলী সিকদার শুভ, মুহাম্মদ মিজান, সোহেল, রকি, আসিফ, কামরুল, রফিক, সাজ্জাত, জিকু চৌধুরী, শোয়েব, আজাদ, নয়ন, ইমরান,নাছির, রিপাত প্রমূখ।

    সভায় বক্তারা বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বিশ্বের সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। তিনি প্রতিনিয়ত বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এমন একজন প্রধনমন্ত্রীকে নিয়ে রাজাকার পরিবারের সন্তান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী নানা কটুক্তি করা এবং হত্যার হুমকি দেয়ার এ দুঃসাহস কোথা থেকে পেল? আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এ গিকা চৌধুরীকে ফটিকছড়ির মাটিতে অবাঞ্চিত ঘোষণা করছি।

    এসময় বক্তারা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

  • আগামী নির্বাচন বিএনপির জীবন-মরণের লড়াই : এ্যানী

    আগামী নির্বাচন বিএনপির জীবন-মরণের লড়াই : এ্যানী

    কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেছেন, আগামী সংসদ নির্বাচন বিএনপির জীবন-মরণের লড়াই। সেই নির্বাচনে জয়লাভ করতে হবে।

    তিনি বলেন, গাজীপুরে আওয়ামী লীগ নির্বাচন হতে দেয়নি। খুলানায় নির্বাচনে ভোট ডাকাতি হয়েছে। কিন্তু ৩০০ আসনে নির্বাচন হলে ভোট ডাকাতির সুযোগ হবে না। চেষ্টা করলে জনগণ তা প্রতিহত করবে।

    বুধবার সন্ধ্যায় জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির একাংশের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল তিনি এসব কথা বলেন।

    লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সাবেক এমপি এ্যানী বলেন, শুধু আইনিভাবে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। এটি রাজনৈতিক মামলা, তা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করতে হবে। এজন্য ঐক্যবদ্ধভাবে নেতাকর্মীদের খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

    এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল খায়ের ভূঁইয়া, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সৈয়দ মোহাম্মদ শামছুল আলম, বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম, নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, হাফিজুর রহমান ও মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ।

    এদিকে, একই সময় জেলা বিএনপির অপরাংশের উদ্যোগে পৃথক শহরের উত্তর তেমুহনীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাহাবুদ্দিন সাবু, সিনিয়র সহ-সভাপতি ছাইদুর রহমান চুট্টো, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ বেপারি ও সাংগঠনিক সম্পাদক হাছিবুর রহমান প্রমুখ। এ সময় প্রয়াত জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।