Category: রাজণীতি

  • আওয়ামী লীগ এখন অনেক শক্তিশালী : কাদের

    আওয়ামী লীগ এখন অনেক শক্তিশালী : কাদের

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ এখন অনেক শক্তিশালী। যে কারণে মাত্র তিনদিনের নোটিশে সবচেয়ে বড় বর্ধিত সভা করতে যাচ্ছি। আগামীকাল (শনিবার) গণভবনে এ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। সারাদেশের চার হাজারের বেশি নেতা উপস্থিত থাকবেন। আগামীতে দলীয় ইউপি চেয়ারম্যানদেরও এই সভায় ডাকা হবে।

    এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মাহবুব উল আলম হানিফ,  জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, এনামুল হক শামীম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবদুস সোবহান গোলাপ, আখতারুজ্জামান, ফরিদুন্নাহার লাইলী, শ ম রেজাউল করিম, আবদুস সবুর, সুজিত রায় নন্দী, শামসুন্নাহার চাপা, ডা. রোকেয়া, দেলোয়ার হোসেন, আফজাল হোসেন, হারুনুর রশিদ, আমিনুল ইসলাম আমিন, বিপ্লব বড়ুয়া, এসএম কামাল প্রমুখ।

  • লড়াই করতে হবে: ফখরুল

    লড়াই করতে হবে: ফখরুল

    লড়াই করতে হবে বলে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, হতাশাই শেষ কথা হতে পারে না। লড়াই করতে হবে, লড়াই করতে করতে আমরা একটা জায়গায় গিয়েই পৌঁছাবোই।  আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, গণতান্ত্রিক দল হিসেবে আমরা অবশ্যই নির্বাচন চাই। কিন্তু সেই নির্বাচন অবশ্যই নির্বাচনের মতো হতে হবে। যদিও বর্তমান সরকার চায়, বিএনপি নির্বাচনে না আসুক। অন্যান্য দল দুই-একটা যা আছে তারাই থাকুক।  আমরা এ দেশে কিন্তু বাকশালও দেখেছি। মানুষ জেগে উঠেছে। এই বাংলাদেশের মানুষই কিন্তু ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো উড়ে গেছে। আমাদের সেভাবেই এগোতে হবে। নির্বাচন হবে, আমরা ক্ষমতায় যাবো, এটা মনে করার কারণ নেই। আপনাদের আদায় করে নিতে হবে। এজন্য জনগণের কাছে যেতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই।

    বিএফইউজে’র সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, বিএফইউজে’র মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজে’র সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী প্রমুখ।

  • ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট গুরুতর অসুস্থ

    ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট গুরুতর অসুস্থ

    যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট গুরুতর অসুস্থ। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি (স্কয়ার) হাসপাতালে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অসুস্থ মাকে স্কয়ার হাসপাতালে দেখতে গিয়ে বুধবার রাত ৮টার দিকে তিনিও অসুস্থ হয়ে পড়েন।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মতিঝিলের কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ জানান, ‘বুধবার রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাকে দেখতে এসে হঠাৎ স্টোক করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট। এরপর থেকে ডা. তৌহিদুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে সিসিইউতে চিকিৎসা চলছে তার। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার আগে তার শারীরিক অবস্থা সর্ম্পকে ভাল কিছু বলা যাচ্ছে না বলে ডাক্তার জানিয়েছেন।’

    সম্রাটের অসুস্থতার খবর পেয়ে সকালে হাসপাতালে দেখতে যান যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ।

    ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান জানান, সংগঠনের সভাপতি সম্রাট ও তার মায়ের দ্রুত সুস্থতার জন্য আজ বৃহস্পতিবার বাদ আসর এবং শুক্রবার বাদ জুম্মা যুবলীগের নেতাকর্মীদের দোয়ার আয়োজন করতে বলা হয়েছে। পরিবারের বরাত দিয়ে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট এবং তার মায়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

  • তিন সিটিতে নৌকা প্রত্যাশী ১০ জন

    তিন সিটিতে নৌকা প্রত্যাশী ১০ জন

    বরিশাল, সিলেট ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন দশজন।

    বুধবার (২০ জুন) রাত ৯টায় পর্যন্ত বরিশালের পাঁচজন, সিলেটের চারজন ও রাজশাহীর একজন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

    রাজশাহী থেকে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।

    লিটন বলেন, রাজশাহী মহানগর কমিটি বৈঠকের মাধ্যমে রেজুলেশন করে একক প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে আমাকে প্রস্তাব করা হয়েছে। দলীয় মনোনয়ন বোর্ডও আমাকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করবে বলে আশা করি।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহ। তার পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর।

    গোলাম আব্বাস চৌধুরী বলেন, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ সর্বসম্মতিক্রমে সাদিক আবদুল্লাহকে মনোনয়নের জন্য প্রস্তাব করেছে।

    এ ছাড়াও বরিশাল সিটির মেয়র প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি খান আলতাফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহিদ ফারুক, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, সহ-সভাপতি মীর আমিন উদ্দিন ও সদস্য মাহমুদুল হক খান।

    সিলেট থেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরুদ্দিন আহমদ কামরান।

    কামরান ছাড়াও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর ফয়জুল আনোয়ার এবং অধ্যাপক জাকির হোসেন।

  • বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে জাতীয় পার্টির ঝুনুকে দলীয় মনোনয়ন না দিলে গন পদত্যাগ করার ঘোষনা

    বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে জাতীয় পার্টির ঝুনুকে দলীয় মনোনয়ন না দিলে গন পদত্যাগ করার ঘোষনা

    আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টি যুগ্ম আহবায়ক ও জাতীয় পার্টি বরিশাল সদর উপজেলা সভাপতি বসির আহমেদ ঝুনুকে মেয়র পদে জাতীয় পার্টি থেকে দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেয়া না হলে গন পদত্যাগ করা সহ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিবে বলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষনা করেন।
    আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত ভাবে পাঠ করে ও বিভিন্ন সংবাদ কর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
    তিনি আরো বলেন বরিশালের সুযোগ সন্দানী স্বার্থপর নেতা মহসিন-উল-ইসলাম হাবুল জাতীয় পার্টি থেকে তাপস নামের এক ব্যাক্তিকে মেয়র প্রার্থী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
    বসির আহমেদ ঝুনু আরো বলেন মহসিন-উল-ইসলাম হাবুল এমন এক ব্যাক্তিকে নিয়ে মেয়র নির্বাচন করতে চায় বরিশালের মানুষ তাকে চেনেনা,জানে না এমনকি কখনো সামাজিক সেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলনা।
    ঝুনু বলেন ১৯৮৩ সাল থেকে জাতীয় পার্টির ছাত্র সমাজ থেকে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরুর পর থেকে গত ২২টি বছর জাতীয় পার্টির জন্য সে অনেক কিছুই করেছে বিনিময়ে সে কি পেল? তাই তাকে মেয়র পদে মনোনয়ন পাওয়া থেকে বঞ্চিত করা হলে যে কোন সময়ে গনপদত্যাগ করতে পারে বলে ঘোষনা করেন।
    এসময় তার কাছে জানতে চাওয়া হয় দল থেকে মনোনয়ন দেয়া না হলে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করবেন কিনা তার জবাবে বলেন সে জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রাথী হিসাবে নির্বাচন করবে।
    সংবাদ সম্মেলনে বসির আহমেদ ঝুনুর সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি মোঃ মহসিন,যুগ্ম সম্পাদক ওবায়দুল হক বাদল,উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক নুরে আলম সাজু,উপজেলা ছাত্র সমাজের যুগ্ম আহবায়ক আল-আমিন,সদস্য মোঃ রাসেল প্রমুখ।

    বরিশাল সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি বসির আহমেদ ঝুনুর সংবাদ সম্মেলনের জবাবে কেন্দ্রীয় জাপা ভাইস চেয়ারম্যান ও বরিশাল জেলা জাপা সভাপতি অধ্যাপক মহসিন-উল-ইসলাম হাবুলের কাছে ইকবাল হোসেন তাপসের বিষয় জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন জাতীয় পার্টির সাম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস কোন অতিথি পাখি নয় সে জাতীয় পার্টির একজন পরিক্ষিত নেতা। তাপস ১৯৮৪ সালে বর্তমান সরকারী বরিশাল কলেজে তাপস ও মাই টিভি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথি এক সাথে জাতীয় পাটির রাজনীতি করেছে।
    পরবর্তীতে জগন্নাথ বিশ্ব বিদ্যালয়ে ছাত্র সমাজ করেছে। মাঝে পড়াশুনা শেষ করে উচ্চতর শিক্ষার জন্য দেশের বাহিরে ছিল।
    পুনরায় দেশে ফিরে চাকুরীর পাশাপাশি বরিশাল জাতীয় পার্টির সকল বিষয়ে খোঁজ-খবর রাখতেন।
    দলের প্রয়োজনে তাপস সব সময় পাশে থেকে কাজ করেছে। আর বসির আহমেদ ঝুনু নিজেই ৯০ সালের পর দলের বাহিরে ছিল।
    আবার পুনরায় দলে এসে কাজ কর্ম শুরু করলে তাকে সদর উপজেলা সভাপতি করা হলেও আজ পর্যন্ত একটি ওয়ার্ড কমিটি গঠন করতে পারেনি।
    ঝুনু একটা কাজ সব সময় ভাল পারে সাংবাদিকদের কাছে গিয়ে নিজের গুন কির্তন আর ছবির তুলে প্রকাশ করার কাজে সে এগিয়ে রয়েছে।
    সেখানে তাপস ছবি তোলার রাজনীতি করে নাই বলে ঝুনুর কাছে অপরিচিত হতে পারে।
    আর আমাকে স্বার্থপর বলা হয়েছে আমি ৩০বছর জাতীয় পাটিতে কাজ করছি আমি কথনো দলকে ব্যাবহার করে কারো কাছ থেকে সুবিধা-লুঠ-পাট করার কাজে জড়িত ছিলাম না।

    আমি যে খানে অবস্থান করছি সেখানে ঝুনুর সাথে কোন তুলনা চলেনা আমার সাথে তুলনা চলে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ্ ও মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে।

    এদিকে জাতীয় পার্টি সাম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বলেন আমি শহরে পরিচিত অর্জন করার আগেই ঝুনু আমার পরিচিতি মানুষের কাছে তুলে ধরছেন।
    তিনি আমার ও জাতীয় পার্টির প্রচার কাজ করছেন এজন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই এবং সে জাতীয় পার্টির হয়ে কাজ করবে আমার বিশ্বাস।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে আ’লীগ-বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তই মূল চ্যালেঞ্জ

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে আ’লীগ-বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তই মূল চ্যালেঞ্জ

    ক্রমশ বাড়ছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের উত্তাপ। তফসিল ঘোষণার পর থেকেই বইছে নির্বাচনী হাওয়া । নগরবাসী, ভোটার, দলীয় নেতাকর্মী-সবার মুখে নির্বাচনী আলাপ।

    বিশেষ করে কোন দল থেকে মেয়র পদে কে মনোনয়ন পাচ্ছেন এই নিয়ে চলছে নানামুখী আলোচনা। সরকারের শেষ সময়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা প্রমাণে মরিয়া আওয়ামী লীগ। পিছিয়ে নেই বিএনপিও। তারাও জয় নিশ্চিত করতে চায়। তাই জনপ্রিয় ও যোগ্য প্রার্থীর সন্ধান করছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির হাইকমান্ড।

    এদিকে তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন নিশ্চিত করতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন দুই দলের সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। মনোনয়ন পেতে একাধিক প্রার্থী মাঠে আছেন। মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থী সংখ্যা কিছুটা কম হলেও কাউন্সিলর পদে প্রার্থীর ছড়াছড়ি। প্রতিটি ওয়ার্ডে একাধিক প্রার্থী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। দলীয় সমর্থন পেতে চালাচ্ছেন লবিং তদবির।

    স্থানীয় নেতাদের পাশাপাশি অনেকে কেন্দ্রেও দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। খুলনার মতো এ বরিশাল সিটিতেও একক কাউন্সিলর প্রার্থী দিতে হিমশিম খেতে হবে দুই দলের নীতিনির্ধারকদের। দল সমর্থন না দিলেও অনেকে নির্বাচন করতে অনড়। প্রয়োজনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এতে চিন্তিত দুই দলের নীতিনির্ধারকরা।

    মেয়র পদ নিয়ে রাজশাহী ও সিলেটে অনানুষ্ঠানিক ঘোষণার কথা শোনা গেলেও বরিশালের প্রার্থিতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছে আওয়ামী লীগ। এখানে একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে জয় নিশ্চিত করার মতো প্রার্থীর অভাব দেখছে দলটি। আওয়ামী লীগের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর বড় ছেলে সেরনিবাত সাদিক আবদুল্লাহর মেয়র পদে মনোনয়নের বিষয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে আছে।

    তবে জয় নিশ্চিতের জন্য নানা কৌশলের অংশ হিসেবে তা এখনই দৃশ্যমান করা হচ্ছে না। বরিশালে আওয়ামী লীগের অন্য প্রার্থীদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম ও আ.লীগ নেতা খান মামুন জোর লবিং করে যাচ্ছেন।

    এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান মঙ্গলবার বলেন, জয় ছিনিয়ে আনতে পারবে এমন প্রার্থীর সন্ধান করছি। জনপ্রিয় একাধিক প্রার্থীর মধ্য থেকেই একজনকে চূড়ান্ত করা হবে। সামনে দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভা আছে। সেখানে নাম প্রকাশ করা হবে।

    এদিকে বরিশালে বিএনপির ছয়জন প্রার্থী মনোনয়ন দৌড়ে আছেন। তারা মনোনয়ন পেতে নানা মাধ্যমে চেষ্টা চালাচ্ছেন। এরা হলেন, বর্তমান মেয়র আহসান হাবীব কামাল, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ওবায়দুল হক চাঁন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শাহীন, মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন শিকদার ও ছাত্রদলের সাবেক নেতা আফরোজা খানম নাসরিন।

    তবে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে, খুলনার মতো বরিশালেও মনোনয়নে চমক থাকতে পারে। প্রকাশ্যে নির্বাচন না করার ঘোষণা দিলেও সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান সরোয়ারের হাতে ধানের শীষ তুলে দিতে পারে দলটির হাইকমান্ড। দলের নীতিনির্ধারকের সিদ্ধান্ত মেনে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব সরোয়ারই হতে পারেন বরিশালের বিএনপির মেয়র প্রার্থী।

    জানতে চাইলে মজিবুর রহমান সরোয়ার বলেন, আমি জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে চাই। তারপরও দলের হাইকমান্ড যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেব।

    জানা গেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ৩০টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে দুই দলের একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছে। ৭ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ থেকে নিগার সুলতানা হনুফা, এ্যাড. রফিকুল ইসলাম খোকন, আব্দুল খালেক কায়সার বিশ্বাস- বিএনপি থেকে সৈয়দ আকবর হোসেন মাঠে রয়েছেন। ২০নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ থেকে- এসএম জাকির হোসেন, জিয়াউর রহমান বিপ্লব ও বিএনপি থেকে মো. বাতেন (ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক), ৮নং ওয়ার্ডে বিএনপি থেকে সেলিম হাওলাদার, মো. আল আমিন- আওয়ামী লীগ থেকে শেখ মনি, বশির আহম্মেদ মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। ১৯নং ওয়ার্ডে গাজী নইমুল হোসেন লিটু, মো. সুনহাম-বিএনপি থেকে জাহিদ হোসেন, কাজী বশির ও মোস্তাফিজুর রহমান বাবু আওয়ামী লীগের প্রার্থী। ২১নং ওয়ার্ডে বিএনপি থেকে আলতাফ মাহামুদ সিকদার, খন্দকার আবুল হাসান লিমন- আওয়ামী লীগ থেকে শেখ সাঈয়েদ আহম্মেদ মান্না, এসএম সুজন মাঠে আছেন।

  • বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে আ’লীগের মনোনয়ন কিনলেন সাদিক আবদুল্লাহ

    বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে আ’লীগের মনোনয়ন কিনলেন সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র বিক্রির ৪র্থ দিন বুধবার (২০ জুন) তিনি মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। দুপুরে দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবাহান গোলাপের কাছ থেকে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
    আগামী ২১ জুন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিক্রি করবে আওয়ামী লীগ। এরপর ২২ জুন দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কিত বোর্ড প্রার্থী ঠিক করবে। মনোনয়ন ফরমের দাম ঠিক করা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা।

  • তিন সিটি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু বুধবার

    তিন সিটি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু বুধবার

    রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি থেকে মেয়র পদ প্রত্যশীদের কাছে বুধবার মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।তিনি বলেন, রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আগামীকাল বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্তু ফরম সংগ্রহ করা যাবে। প্রতিটি ফরমের দাম ১০ হাজার টাকা জমা দিয়ে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করা যাবে।আগামী বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্তু ২৫ হাজার টাকা জামানতসহ পূরণকৃত মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।
  • বরিশালে আ.লীগের মনোনয়ন ফরম নিলেন ৮৬ কাউন্সিলর প্রার্থী

    বরিশালে আ.লীগের মনোনয়ন ফরম নিলেন ৮৬ কাউন্সিলর প্রার্থী

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে আ’লীগের মনোনয়ন পেতে ৮৬ জন কাউন্সিলর প্রার্থী দল থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৬৬ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ২০ জন প্রার্থী এই ফরম সংগ্রহ করার পর তা পূরণ করে জমা দেন।

    মঙ্গলবার বিকালে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার মহানগর আ’লীগের বর্ধিত সভায় নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের আওয়ামী লীগের মনোনয়নের জন্য আবেদন করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। সেই অনুযায়ী সোমবার রাত থেকে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ৫ হাজার টাকা দলের ফান্ডে জমা দিয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন এবং তা পূরণ করে কার্যালয়ে জমা দেন প্রার্থীরা।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সমর্থন বা মনোনয়ন প্রত্যাশী সকলেই মনোনয়ন ফরম নিয়ে তা পূরণ করে জমা দিয়েছেন। প্রথম দিকেই মনোনয়ন ফরম জমা দেন ১৭ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী গাজী আক্তারুজ্জামান হিরু, ২০নং ওয়ার্ড থেকে এসএম জাকির হোসেন, সাইদুর রহমান ছগির, ১৯নং ওয়ার্ড থেকে গাজী নইমুল হোসেন লিটু, ২১নং ওয়ার্ড থেকে যুবলীগ নেতা শেখ সাঈয়েদ মান্না, ২৫ নং ওয়ার্ড থেকে মোল্লা সাইদুর রহমান জাকির প্রমুখ।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল জানান, সাধারণ আসনে ৬৬ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনে ২০ জন প্রার্থী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইছেন। এদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে আমরা ২২ জুন ঢাকায় মনোনয়ন বোর্ডে এবং আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জমা দেব। সেখান থেকে মেয়র পদে নৌকা প্রতীক ও কাউন্সিলর পদে বিভিন্ন প্রতীক বিতরণ করা হবে।

  • বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র নমিনেশন দেয়ার দাবী

    বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র নমিনেশন দেয়ার দাবী

    উন্নয়নের মহাসড়কে দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ এই শ্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী বিষয় নিয়ে বর্ধিত সভায় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র নমিনেশন দেয়ার জোরালোভাবে নেতা-কর্মীদের মধ্য থেকে দাবী জানানো হয়েছে।

    জেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুস বলেছেন আওয়ামীলীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্দু তনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশকে একটি স্বল্প উন্নত দেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করেছে।
    শেখ হাসিনা একজন প্রধানমন্ত্রী নন তিনি একজন দক্ষ দেশ পরিচালকের আসনে নিজের নামকে অন্তভূক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। তাই আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়ার দাবী জানান।
    আজ সোমবার (১৮ই জুন) বরিশাল সাকির্ট হাউজ মিলনায়তন সভা কক্ষে বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক(মন্ত্রী) স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রাণালয় সম্পকির্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ্ (এমপি)’ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুস, এসময় আরো বক্তব্য রাখেন বরিশাল সদর আসন সংসদ সদস্য জেবুন্নেসা আফরোজ, জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি মোঃ হোসেন চৌধুরী (হোসেন নানা), সৈয়দ আনিসুর রহমান, এ্যাড.আঃ রসিদ খান, এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আঃ রাজ্জাকসহ জেলা আওয়ামীলীগের বিভিন্নস্থরের তৃর্ণমূল নেতা-কর্মীরা সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়র জন্য তাদের পক্ষ থেকে সমর্থন প্রকাশ করেন।
    জেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র এবং বিভিন্ন উপজেলা, থানা, ইউনিয়নের সভাপতি/সম্পাদক ও অঙ্গ সংগঠনের সভাপতি সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক এ্যাড. শেখ আঃ কাদের।
    এর পূর্বে সকাল ১১টায় মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সদস্য এ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালের সভাপতিত্বে মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্যতে সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী বলেন, সাবেক মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য এ্যাড. শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যুর পর থেকে জিমিয়ে পড়া মহানগর আওয়ামীলীগ, যুবলীগকে একটু একটু করে প্রতিটি স্থরে নিজে মাঠে নেমে আজ দলকে সু সংগঠিত করতে সক্ষম হয়েছে।
    তিনি মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর প্রতি অনুরোধ করে বলেন সভানেত্রী প্রাথী দেয়ার সিদ্বান্ত নিতে ভুল করলে তাহলে মেয়র নির্বাচনে বিজয়ের বিষয়ে সন্দেহ থেকে যাচ্ছে।
    দুলাল আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ্ র উর্দেশ্য করে বলেন আপনি আপনার আত্ব মর্যদা ভেঙ্গে সভানেত্রীর কাছে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের কথা তুলে ধরার আহবান জানান।
    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য জেবুন্নেসা আফরোজ, মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. একে এম জাহাঙ্গির হোসাইন, সহ-সভাপতি ও বরিশাল উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু, সাবেক বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আফজাল হোসেন, আমিনুল ইসলাম তোতা, আমির হোসেন তালুকদার।
    বর্ধিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মহানগর যুবলীগ আহবায়ক নিজামুল ইসলাম নিজাম, যুগ্ম আহবায়ক মেজবাহ উদ্দিন জুয়েল, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আজিজুর রহমান শাহিন, শ্রমীকলীগ সভাপতি আফতাব আহমেদ, মহানগর মহিলালীগ সাধারন সম্পাদিকা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কহিনুর বেগম, মহিলা নেত্রী নিগার সুলতানা হনুফা, মহানগর ছাত্রলীগ আহবায়ক রইস আহমেদ মান্না ও মোর্সেদ আলম মিরাজ সহ তৃনমূল বিভিন্ন প্রর্যায়ের নেতা-কর্মীরা সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন।
    মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় নগরীর ত্রিশটি ওয়ার্ডের সভাপতি/সম্পাদক ও কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নঈমুল হোসেন লিটু।

    এর পূর্বে মহানগর আওয়ামীলীগ এর পক্ষ থেকে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়।
    অন্যদিকে মেয়র নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা আওয়ামীলীগ নেতা কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম বর্ধিত সভায় ছিলেন অনুপস্থিত।