Category: রাজণীতি

  • কাউকে না জানিয়ে বরিশালে ফিরলেন সাদিক আব্দুল্লাহ

    কাউকে না জানিয়ে বরিশালে ফিরলেন সাদিক আব্দুল্লাহ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের দলীয় মেয়র প্রার্থী যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল এসেই নতুন চমক দিলেন। আজ ২৪ শে জুন দুপুর ১২ টার দিকে ঢাকা থেকে বিমান যোগে বরিশাল রহমতপুর থেকে বরিশাল কালিবাড়ী রোডস্থ সেরনিয়াবাত ভবনের নিজ বাস ভবনে পৌছেছেন তিনি।

    তার বরিশাল আসার খবরে হাজার হাজার নেতাকর্মি তার বাস ভবনে সাক্ষাৎ করতে ছুটে আসেন। অমরাই গড়বো আগামীর বরিশাল এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নগরবাসীর স্বার্থ বিবেচনায় কাজ করতে আগামী ৩০ জুলাই বিসিসি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী মনোনীত হয়ে বরিশালে এসেছেন তিনি। দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত হবার পরে উৎসবমুখর নেতাকর্মীরা যখন অধীর আগ্রহ নিয়ে সাদিক আবদুল্লাহর বরিশালে আগমন ও তাকে বরন করার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে, ঠিক সেই মুহুর্তে নেতাকর্মীদের না জানিয়ে নিরবে বরিশালে ফিরে এসেছেন এই জনদরদী নেতা।

    কাউকে না জানিয়ে এইভাবে আসার কারন জানতে চাইলে সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, গত ২২ তারিখ গনভবনে আমাকে আমার নিজ দলের নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন ঘোষনার পর পরই দলীয় নেতা কর্মিরা আনন্দে নগরীজুরে মিষ্টি বিতরন, দোয়া মোনাজাত ও আনন্দ মিছিল করে উল্লাসে ফেটে পরে। তাই জানিয়ে আসলে উৎসবমুখর নেতাকর্মীদের আনন্দ-উল্লাসে নগরবাসীর দুর্ভোগ তৈরী হতো। জনগনের নেতা হিসেবে আমি সেটা উপলব্ধি করেছি। তাই মনোনয়ন নিয়ে নেতাকর্মিদের জানিয়ে ফিরলে জানযটে শহর অচল হয়ে যেত। যেহেতু আমি জনগনের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি সেইজন্যই জনগনের যাতে বিগত দিনের মত কোন দূর্ভোগ না হয় সেই দিক বিবেচনা করেই আমি এভাবে এসেছি।

    তিনি আরও বলেন আমি দলীয় নেতাকর্মি ও বরিশাল বাসীর পাশে থেকে দীর্ঘ ৭-৮ বছর যাবৎ তাদের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। তাদের সুখে দুখে ছুটিয়ে বেড়িয়েছি নগরীর এ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাকে পুরস্কার হিসেবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে। সামনের দিন গুলোতে নগরবাসীকে সাথে নিয়ে টেকসই উন্নয়নের কাজ করার ইচ্ছাই আমার কাজ। তিনি আশা করেন, আগামী ৩০ জুলাই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়ে নগরবাসী তাকে বিজয়ী করবে। এবং সেই বিজয় হবে নগরবাসীর বিজয়। এরপর তার কাজ হবে নগরীকে সুন্দর নগরীতে পরিণত করা।

  • পরিকল্পনা নিয়ে নগরীর উন্নয়ন করাই হবে সাদিক আব্দুল্লাহর মূল লক্ষ্য

    পরিকল্পনা নিয়ে নগরীর উন্নয়ন করাই হবে সাদিক আব্দুল্লাহর মূল লক্ষ্য

    শেখ সুমন :

    আগামী ত্রিশে জুলাই বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের নির্বাচন। নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে  মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সেরনীয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে সেরনীয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই বরিশালের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দের হাওয়া বইছে।এখন সকলে অপেক্ষায় আছে ত্রিশে জুলাই নির্বাচনে সাদিক আব্দুল্লাহর জয়।

    সিটি কর্পোরেশনের গত তিনটি নির্বাচনে বরিশালে দুইবার বিএনপি এবং একবার নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী। তবে নির্বাচিত হওয়ার পর দৃশ্যমান উন্নয়নে দেশব্যাপী আলোচনায় ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরণ। উন্নয়নের সেই আলোচনায় আসতে পারেননি বিএনপির অপর দুই মেয়র।

    সূত্রমতে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন মহানগর বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার। তিনি চার বছর দায়িত্ব পালনের পর ওয়ান ইলেভেনের সময় দুর্নীতির মামলায় কারাগারে যান। নির্বাচনী ইস্তেহার অনুযায়ী তিনি উন্নয়নে ব্যর্থ হন। দ্বিতীয় নির্বাচনে বিএনপি সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও তাদের সমর্থন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন শিল্পপতি এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। তাকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন তৎকালীন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত হোসেন হিরণ। তিনি (হিরণ) নির্বাচিত হওয়ার পর নগরীর দৃশ্যমান ব্যাপক উন্নয়ন করেন। তৃতীয় নির্বাচনে শওকত হোসেন হিরণকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন তৎকালীন জেলা বিএনপির সভাপতি আহসান হাবিব কামাল। নির্বাচনী ইস্তেহার অনুযায়ী তিনি (বর্তমান মেয়র কামাল) উন্নয়নে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ৫৬ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডের ২ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৯ জন ভোটারের মধ্যে এক তৃতীয়াংশ ভোটার অতীতের ভুল শুধরে আগামী ৩০ জুলাই এর নির্বাচনে রাজনীতির চেয়ে উন্নয়নকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে ভোটের মাধ্যমে মেয়র নির্বাচিত করবেন।

    মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ঘোষণার পর শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীতে দফায় দফায় আনন্দ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক  নিরব হোসেন টুটুল বলেন,  জনপ্রিয় মেয়র শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পর মহানগর আওয়ামী লীগের হাল ধরেছেন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। দলের বাইরে সাধারণ জনগণ সাদিক আব্দুল্লাহকে পছন্দ করেন। আর পছন্দ করা থেকেই সাদিক আব্দুল্লাহ বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে জনগণের সেবা করবেন।

    বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ বরিশাল মহানগর সভাপতি মুহা: পলাশ চৌধুরী বলেন, আমরা চাই সাদিক আব্দুল্লাহ বিজয়ী হোক। নগরীর উন্নয়নের জন্য তরুণ নেতৃত্ব দরকার। তাই সেই অবস্থায় সাদিক আব্দুল্লাহর বিকল্প নেই।সাদিক আব্দুল্লাহকে নৌকা প্রতীক দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী হয়ে প্রাচ্যের ভেনিস বরিশাল সিটি কর্পোরেশনটি আমরা প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেব।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। তিনি (সাদিক) বলেন, আমি বরিশালবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও মনোনয়ন বোর্ডে যারা ছিলেন সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি জনগণের জন্য কাজ করছি, কাজ করব। ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে নগরীর উন্নয়ন করাই আমার মূল লক্ষ্য। মনোনয়ন বোর্ডের নেতৃবৃন্দ আজকে যে দায়িত্ব দিয়ে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের প্রতীক আমার হাতে তুলে দিয়েছেন ইনশাল্লাহ বরিশালবাসী আগামী ৩০ জুলাই এর নির্বাচনে সেই নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনটি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেবেন।

     

  • মডেল ওয়ার্ড গড়তে চান শেখ মোঃ আতাউল গণি

    মডেল ওয়ার্ড গড়তে চান শেখ মোঃ আতাউল গণি

    আগামী ৩০ শে জুলাই বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের নির্বাচন। আইনগত কোনও সমস্যা না থাকলে ঐ দিন হবে বি.সি.সি. নির্বাচন।নির্বাচনকে সামনে রেখে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে চলছে নির্বাচনী প্রচারনা। বর্তমান ক্ষমতায় থাকা কাউন্সিলরদের সাথে ভোট যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবেন অনেক নবীন ও প্রবীণ রাজনীতিবীদ।কেউ কেউ অনেক বছর ধরে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে , কেউবা আবার নতুন করে এবার নির্বাচনে আসছে নিজ ওয়ার্ডের উন্নয়ন করা এবং মানুষের সেবা করার জন্য।
    পুরোনোরা যেরকম তাদের ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইবে , ঠিক তেমনই নতুনরাও চাইবে পুরনোদের দুর্গে আঘাত হানতে। নির্বাচনী প্রচারনায় থেমে নেই নতুন পুরনো কোনও প্রার্থী।
    বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের বানিজ্যিক এলাকা সমূহের মধ্যে অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা ছয় নং ওয়ার্ড। এই এলাকায় অনেক ব্যাবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের বসবাস। সিটিকর্পোরেশনের তথ্য মতে এই এলাকায় দশ হাজারেরও বেশি ভোটার। এই এলাকাকে বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের মধ্যে মডেল ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এবার কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন ব্যাবসায়ী আলহাজ্ব শেখ মোঃ আতাউল গণি। এবারই সিটিকর্পোরেশনের নির্বাচনে প্রথমবার অংশগ্রহণ করবেন তিনি।
    ছয় নং ওয়ার্ডের সাবেক সফল কাউন্সিলর আলহাজ্ব শেখ আব্দুস সোবাহানের মামাতো ভাই তিনি। আলহাজ্ব শেখ আব্দুস সোবাহানের মৃত্যুর পরই এলাকার জনগনের ইচ্ছায় এবার তার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা। পেশায় ব্যাবসায়ী হলেও বরিশাল জেলা ক্ষুদ্র ভাংগারী ব্যাবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন তিনি। পর পর চার বার বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তিনি। এছাড়াও হযরত আমানতশাহ জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক এবং হযরত আমানতশাহ কওমি মাদ্রাসার সভাপতির দ্বায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়াও।

    বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উপদেষ্টা পদে অধিষ্ঠ রয়েছেন তিনি। রয়েছে তার ব্যাবসায়ীক ও সামাজিক সুনাম। মানুষের কোনও অসুবিধার কথা শুনতে পারলেই তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন শেখ মোঃ আতাউল গণি। ইতিমধ্যেই ছয় নং ওয়ার্ডে জোরদার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
    এ ব্যাপারে তার সাথে কথা বল্লে আলহাজ শেখ মোঃ আতাউল গণি বলেন : আমি কখনও চাইনি নির্বাচনে আসতে। কিন্তু আমার ওয়ার্ডের সর্বস্থরের জনগন শেখ আব্দুস সোবাহানের মৃত্যুর পর আমাকে নির্বাচন করতে বলেন। অনেকেই আমার হয় প্রচারণা শুরু করেছে । তারা সকলেই চাইছে আমি যেন এই ওয়ার্ডকে বরিশালের মধ্যে মডেল ওয়ার্ড গড়ি। নির্বাচনে জয়ী হলে ইনশাআল্লাহ্ আমি চেষ্টা করবো জনগণের স্বপ্ন পূরণ করতে। আমি সকল সময় মানুষের সাথে ছিলাম এবং থাকবো।
  • বরিশালে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    বরিশালে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিত্বে পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং সাংগঠনিক ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার মধ্য দিয়ে বরিশালে দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

    সকাল ৮টায় জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রচার সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্ন এবং মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষে সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ নুর উদ্দিন শাহীন ও কুদরত-ই ইলাহী টুটুল এর নেতৃত্বে সদর রোডের দলীয় কার্যালয়লের সামনে রক্ষিত জাতীর জনকের প্রতিকৃতিত্বে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এসময় অন্যান্য নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে সাংগঠনিক এবং জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখাা হয়।

    এদিকে সিটি মেয়র পদে দলীয় মনোনয়নের জন্য বেশীরভাগ নেতাকর্মী ঢাকায় অবস্থান করায় এবার র‌্যালির আয়োজন করা হয়নি বলে জানা গেছে।

  • দুর্নীতিবাজ নয়, মনোনয়ন পাবে জনপ্রিয়রা:প্রধানমন্ত্রী

    দুর্নীতিবাজ নয়, মনোনয়ন পাবে জনপ্রিয়রা:প্রধানমন্ত্রী

    দুর্নীতিবাজরা নয় নিজ এলাকায় যার জনপ্রিয়তা আছে তাকেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেছেন, ‘যেসব এমপি টাকা নিয়ে কাজ করেন, দুর্নীতি করেন, তারা নমিনেশন পাবেন না। নমিনেশন দেওয়া হবে এলাকায় যার জনপ্রিয়তা আছে তাকেই।’

    শনিবার আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গণভবনে দলের বিশেষ বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    কেউ দলের বিরুদ্ধে কথা বললে তার মনোনয়ন পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভোটের রাজনীতি করতে হলে উন্নয়নের কথা জনগনের সামনে তুলে ধরতে হবে।’

    দুঃসময়ে দলের হাল ধরে রাখা কর্মীরা যাতে অবহেলিত না হয় সেদিকে নজর রাখা হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচনের স্বার্থে মহাজোট করেছে আওয়ামী লীগ। কিন্তু দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি লীগের।’

    আওয়ামী লীগ যাকে মনোনয়ন দিবে তার হয়ে সবাইকে কাজ করতে নেতাকর্মীদের নির্দেশও দেন প্রধানমন্ত্রী।

    এছাড়া আওয়ামী লীগে সুযোগ সন্ধানীদের প্রতি নজর রাখার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধীরা যাতে ভোট না পায় সে ব্যাপারে সজাগ থাকারও নির্দেশ দেন তিনি।

    বাঙালির যা কিছু অর্জন সবই আওয়ামী লীগের শাসনামলে এসেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য। সব ধর্মের মানুষের দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই দল।’

    ‘৭৫ এর পর এদেশের ক্ষমতা ছিল ক্যান্টনমেন্টে বন্দী। রাজনীতি জনগণের কল্যাণে না হলে তা দিয়ে জনগণের জন্য কিছু করা যায় না। ক্ষমতা নিজেদের ভোগ দখলের জন্য না।’

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সবসময় কাজ করেছে জনগণের জন্য। রাজনীতি সঠিক হলে এবং দেশের কল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন হয় এটি প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ কথা দিলে কথা রাখে।’

    বিএনপির রাজনীতির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দূর্নীতিবাজদের দলে রাখার জন্য দলের গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করে বিএনপি নিজেদের দূর্নীতিবাজ দল হিসেবে প্রমান করেছে।’

    এসময় আওয়ামী লীগ সরকার যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অর্থনৈতিক নীতিমালাকে সময় উপযোগী করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

  • সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ মনোনয়ন পাওয়ায় বরিশালে আনন্দ মিছিল

    সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ মনোনয়ন পাওয়ায় বরিশালে আনন্দ মিছিল

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার খবরে শহরে আনন্দ মিছিল করেছেন নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (২২ জুন) সন্ধ্যার দিকে রাজধানী থেকে ঘোষণা আসার পরেই বাধভাঙা উল্লাস শুরু করেন অনুসারীরা। বিশেষ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা শহরের সদর রোডে বেশ কয়েকটি আনন্দ মিছিল করেছেন।

    শুধু ছাত্রলীগ নয় আওয়ামী স্বেচ্ছসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ,আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ, তাতীলীগ সহ সকল সহযোগী সংগঠন আনন্দ মিছিল বের করেন।

    আনন্দ মিছিলের সাথে সমস্ত বরিশালে মিষ্টি বিতরন করা হয়। আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ সভাপতি মুহা: পলাশ চৌধুরী চাদমারী ও পুলিশ হাসপাতাল এর মোড়ে,মিস্টি বিতরন করেন ।

  • মোগো স্বপ্ন পূরণ হবে : ধন্যবাদ মা হাসিনা ।

    মোগো স্বপ্ন পূরণ হবে : ধন্যবাদ মা হাসিনা ।

    শেখ সুমন :

    বঙ্গবন্ধু আমাগো স্বপ্ন দেখিয়েছিল যে স্বাধীন হবে আমাগো এই দেশ। মোরাও স্বপ্ন দেখেছিলাম। সেই স্বপ্ন পূরণ হইছে। তারপর অনেক স্বপ্ন দেখছিলাম। কিন্তু আমাগো কান্দাইয়া চইলা গেল বঙ্গবন্ধু। ভাবছিলাম আর স্বপ্ন দেইখ্যা লাভ নাই। কিন্তু মোগো মা ,শেখ হাসিনা আমাগো অনেক স্বপ্ন পুরা করছে। আজকেও মোর একডা স্বপ্ন পূরন করছে মা শেখ হাসিনা। হেইডা হইলো আমাগো সাদিক আব্দুল্লাহকে নৌকা মার্কা দেছে।

    এহন সাদিক জিত্যাই আমাগো বরিশালের ভালো করবো।রাস্তা ঠিক করবে, ড্রেন ভালো করবে, আমাগো সবাইরে খাওয়ার পানি দেবে এই ডাই আমার শেষ স্বপ্ন। আর আমাগো ভাঙ্গা রাস্তায় রিক্সা চালাতে হবে না। ধন্যবাদ আমাগো মা শেখের মাইয়া শেখ হাসিনা।

    এভাবেই রিক্সা চালাতে চালাতে এই প্রতিবেদকের সাথে আপন মনে কথা বলেছেন রিক্সা চালক আব্দুর রহিম মিয়া। বরিশাল মহানগরীর সাত নং পলাশপুরের বাসিন্দা আব্দুর রহিম মিয়া। সত্তরের কাছাকাছি বয়সের এই ব্যাক্তি আরো বলেন, জীবনেতো অনেক নেতা দেখলাম। অনেকেই নিজের আখের গুছিয়েছে।কিন্তু মরহুম শওকত হোসেন হিরোন ই এই বরিশালের উন্নয়ন করছে। আর কেউ যদি এই বরিশালের উন্নয়ন করতে পারে সে হচ্ছে সাদিক আব্দুল্লাহ। সেই পারে আমাদের সকলের স্বপ্ন পূরণ করতে।

    সেই আমাদের কষ্ট বোঝে। আমি গেছিলাম তার কাছে সাহায্য চাইতে, আমার লগে খুব ভালো ব্যাবহার করছে। যা চাইছি তাই দিছে। আমারে না আরো অনেকেরই দিছে। আমি জানি এই নির্বাচনে হেই জিতবো। মোর ভোটটা হেরেই দিমু।

    আগামী ত্রিশে জুলাই বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের নির্বাচন। নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে আজ বিকেলে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সেরনীয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে সেরনীয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই বরিশালের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দের হাওয়া বইছে।এখন সকলে অপেক্ষায় আছে ত্রিশে জুলাই নির্বাচনে সাদিক আব্দুল্লাহর জয়।

  • আ.লীগ মেয়র প্রার্থী হলেন লিটন, সাদিক ও কামরান

    আ.লীগ মেয়র প্রার্থী হলেন লিটন, সাদিক ও কামরান

    রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তাদের মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। এ নির্বাচনে প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন- রাজশাহীর এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, বরিশালের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও বদরউদ্দিন আহমদ কামরান।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

    আগামী ৩০ জুলাই রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে রাজশাহী সিটি নির্বাচনে ১৪ দলের একক প্রার্থী হিসেবে মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে জোটের বৈঠকে।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের ‘একক প্রার্থী’ হিসেবে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর পুত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নামের প্রস্তাব কেন্দ্রে পাঠিয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগ। তবে এ পদে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম ও নগর আওয়ামী লীগ সদস্য মাহামুদুল হক খান মামুন মনোনয়ন সংগ্রহ করেন।

    এছাড়া সিলেটে অনুষ্ঠিত সভায় মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থিতার ঘোষণা দেন দলের পাঁচ নেতা। তারা হলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদউদ্দিন আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল আনোয়ার ও অধ্যাপক জাকির হোসেন এবং শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ।

  • সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্কে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ

    সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্কে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ

    বরিশাল সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের জন্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্কে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। শুক্রবার বিকেল ৫টায়  গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় বরিশাল সিটি নির্বাচনে অাওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের নাম। বরিশাল সিটির মনোনয়ন চুড়ান্ত করতে আজ ২২ জুন আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভা আহবান করা হয়। আজ শুক্রবার বরিশাল সিটি মেয়র প্রার্থী হিসেবে সেরনিবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্ নাম ঘোষণা করা হয়।

    দলের একাধিক সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সভাপতির নির্দেশে সম্প্রতি বরিশাল কয়েক দফা মাঠ জরিপ চালানো হয়। এসব জরিপ পর্যালোচনায় দেখা যায়, বরিশাল সিটিতে অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তুলনায় এগিয়ে ছিলেন সেরনিবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্। জরিপ পর্যালোচনায় দলের হাইকমান্ড সাদিকের পক্ষে মত আগেই দিয়েছিল। প্রার্থী ঘোষণা করা ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।

    বরিশাল সিটির মেয়র পদে সেরনিবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্ই মনোনয়ন দেওয়া উল্লেখ করে ওই নেতা জানান, বরিশাল আওয়ামীলীগ মনোনীত সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরন কয়েক বছর আগে মৃত্যুবরন করেছেন। যার মৃত্যুরপর বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা এক প্রকার হতাশায় জর্জরিত হয়ে পরেছিলেন। তখন শওকত হোসেন হিরন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু তার মৃত্যুর পর সঠিক দিক নির্দেশনা বা সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখারমত তেমন কেউ ছিলনা। দলের সেই করুন অবস্থায় বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের হাল ধরেন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    পরবর্তিতে তাকে ঘীরে সকল নেতা কর্মীরা পুনরায় উজ্জীবিত হয়। নেতা কর্মীদের সাথে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সার্বক্ষনিক যোগাযোগ এবং জনগনের সাথে তার নিবীড় সম্পৃক্ততা মানুষের মনে তাকে নিয়ে বরিশাল সিটির পরবর্তী নগরপিতা হিসাবে স্বপ্ন দেখায়। তিনি যখন দলের হাল ধরেছেন তখন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের কোন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ছিলনা। পরবর্তিতে কমিটি হলে তিনি বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।

    কিন্তু দলীয় নেতা কর্মীরা তাকে দলের  নীতি নির্ধারক হিসাবে দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা না হওয়ায় দলের তৃনমূলের সকল নেতা কর্মীরা এক বর্ধীত সভায় সকলের সিদ্ধান্ত মতে দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কে ২০১৮ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার জন্য জোর দাবী উপস্থাপন করেন।এসব বিষয় বিবেচনায় তাকেই বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী করা হয়।

    সিটি কর্পোরেশনে দলীয় প্রার্থীদের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, শুক্রবার আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাক্ষাতকার শেষে প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়। দলীয় কোন্দলের বিষয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মতো বড় দলে তৃণমূলে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। যেহেতু প্রার্থী চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে তাই ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ মাঠে নামবে। কারণ কোন্দলকারীরা দলে আর প্রশ্রয় পাবেন না, প্রধানমন্ত্রীর এই সতর্কবার্তা সম্পর্কে সবাই ওয়াকিবহাল।

    বরিশাল সিটির প্রার্থী বাছাই নিয়ে বেশ অস্বস্তির মধ্যে ছিল ক্ষমতাসীন দল। বরিশাল নৌকা প্রতীকে মেয়র প্রাথী হওয়র মূল লড়াইয়ে ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আআব্দুল্লাহ এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম। তবে দলের শীর্ষপর্যায় থেকে বরিশাল সিটিতে সেরনিয়াবাত সাদিক আআব্দুল্লাহকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হলে কিছুটা নির্ভার হয় আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীলরা।

    প্রসঙ্গত, রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আগামী ৩০ জুলাই ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করে নির্বাচনী সময়সূচি অনুমোদন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    এ তিন সিটিতে আগামী ১৩ জুন থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ২৮ জুন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ ও ২ জুলাই এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জুলাই। আগামী ১০ জুলাই এ সিটি নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের পর শুরু হবে নির্বাচনী প্রচার।

  • সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্কে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ

    সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্কে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ

    বরিশাল সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের জন্য সেরনিবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্কে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। শুক্রবার বিকেল ৫টায়  গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় বরিশাল সিটি নির্বাচনে অাওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের নাম। বরিশাল সিটির মনোনয়ন চুড়ান্ত করতে আজ ২২ জুন আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভা আহবান করা হয়। আজ শুক্রবার বরিশাল সিটি মেয়র প্রার্থী হিসেবে সেরনিবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্ নাম ঘোষণা করা হয়।

    দলের একাধিক সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সভাপতির নির্দেশে সম্প্রতি বরিশাল কয়েক দফা মাঠ জরিপ চালানো হয়। এসব জরিপ পর্যালোচনায় দেখা যায়, বরিশাল সিটিতে অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তুলনায় এগিয়ে ছিলেন সেরনিবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্। জরিপ পর্যালোচনায় দলের হাইকমান্ড সাদিকের পক্ষে মত আগেই দিয়েছিল। প্রার্থী ঘোষণা করা ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।

    বরিশাল সিটির মেয়র পদে সেরনিবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্ই মনোনয়ন দেওয়া উল্লেখ করে ওই নেতা জানান, বরিশাল আওয়ামীলীগ মনোনীত সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরন কয়েক বছর আগে মৃত্যুবরন করেছেন। যার মৃত্যুরপর বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা এক প্রকার হতাশায় জর্জরিত হয়ে পরেছিলেন। তখন শওকত হোসেন হিরন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু তার মৃত্যুর পর সঠিক দিক নির্দেশনা বা সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখারমত তেমন কেউ ছিলনা। দলের সেই করুন অবস্থায় বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের হাল ধরেন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    পরবর্তিতে তাকে ঘীরে সকল নেতা কর্মীরা পুনরায় উজ্জীবিত হয়। নেতা কর্মীদের সাথে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সার্বক্ষনিক যোগাযোগ এবং জনগনের সাথে তার নিবীড় সম্পৃক্ততা মানুষের মনে তাকে নিয়ে বরিশাল সিটির পরবর্তী নগরপিতা হিসাবে স্বপ্ন দেখায়। তিনি যখন দলের হাল ধরেছেন তখন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের কোন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ছিলনা। পরবর্তিতে কমিটি হলে তিনি বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।

    কিন্তু দলীয় নেতা কর্মীরা তাকে দলের  নীতি নির্ধারক হিসাবে দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা না হওয়ায় দলের তৃনমূলের সকল নেতা কর্মীরা এক বর্ধীত সভায় সকলের সিদ্ধান্ত মতে দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কে ২০১৮ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার জন্য জোর দাবী উপস্থাপন করেন।এসব বিষয় বিবেচনায় তাকেই বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী করা হয়।

    সিটি কর্পোরেশনে দলীয় প্রার্থীদের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, শুক্রবার আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাক্ষাতকার শেষে প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়। দলীয় কোন্দলের বিষয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মতো বড় দলে তৃণমূলে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। যেহেতু প্রার্থী চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে তাই ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ মাঠে নামবে। কারণ কোন্দলকারীরা দলে আর প্রশ্রয় পাবেন না, প্রধানমন্ত্রীর এই সতর্কবার্তা সম্পর্কে সবাই ওয়াকিবহাল।

    বরিশাল সিটির প্রার্থী বাছাই নিয়ে বেশ অস্বস্তির মধ্যে ছিল ক্ষমতাসীন দল। বরিশাল নৌকা প্রতীকে মেয়র প্রাথী হওয়র মূল লড়াইয়ে ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আআব্দুল্লাহ এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম। তবে দলের শীর্ষপর্যায় থেকে বরিশাল সিটিতে সেরনিয়াবাত সাদিক আআব্দুল্লাহকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হলে কিছুটা নির্ভার হয় আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীলরা।

    প্রসঙ্গত, রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আগামী ৩০ জুলাই ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করে নির্বাচনী সময়সূচি অনুমোদন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    এ তিন সিটিতে আগামী ১৩ জুন থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ২৮ জুন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ ও ২ জুলাই এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জুলাই। আগামী ১০ জুলাই এ সিটি নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের পর শুরু হবে নির্বাচনী প্রচার।