Category: রাজণীতি

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হলেন যারা…

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হলেন যারা…

    বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে ৩০টি সাধারণ ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৫২ কাউন্সিলর প্রার্থী।

    এরমধ্যে সাধারণ ওয়ার্ডে ১১৪ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এরমধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে সাধারণ ওয়ার্ডে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন নির্বাচন কমিশন।

    কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ দলীয় সমর্থনের প্রার্থী দিলেও বিএনপি কিংবা অন্য কোনো দল প্রার্থীদের সমর্থনের ঘোষণা দেননি। তবে বিএনপিপন্থী নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলররা নির্বাচন করছেন।

    বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিসিসি নির্বাচনে ৩০ ওয়ার্ডের মধ্যে এক নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী মো. আউয়াল মোল্লা, বর্তমান কাউন্সিলর কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের শ্যালক সৈয়দ সাইদুল হাসান মামুন ও আমির হোসেন বিশ্বাস প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন।

    দুই নম্বর ওয়ার্ডে জাতীয়পার্টির মহানগর কমিটির সভাপতি ও বর্তমান কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট একেএম মুরতজা আবেদীন, তার স্ত্রী নাছিমা নাজনীন, আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী মো. আহসান উল্লাহ ও এসএম মাওয়ারদীসহ চারজন প্রার্থী রয়েছেন।

    তিন নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ সৈয়দ হাবিবুর রহমান ফারুক, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবর রহমান মৃধা, শামিম খান, মো. মাহবুবুল আলম খান, হালিমা বেগম, মুহা. কামরুজ্জামান, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও মো. শাহজাহান সিরাজ।

    চার নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলর মো. ইউনুছ মিয়া, তার ভাই হারুন অর রশিদ, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী তৌহিদুল ইসলাম বাদশা, মো. ইলিয়াস তালুকদার, মো. এমরান হোসেন শরীফ, এসএম কাওছার হোসেন।

    পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর মো. মাইনুল হক, আওয়ামী লীগ সমর্থিত শেখ আনোয়ার হোসেন ছালেক, মো. জাহিদুল ইসলাম সবুজ, মো. আলম বিশ্বাস, মো. মন্টু, মো. কেফায়েত হোসেন রনি, জিয়াউল হক চিশতি নাদির। ছয় নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলর এমডি হাবিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আকতার উজ্জামান, মো. আতাউল গণি ও তার ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম, খান মোহাম্মদ জামাল হোসেন।
    সাত নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলর সৈয়দ আকবর, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. রফিকুল ইসলাম খোকন ও শেখ মো. আলম। আট নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সুরঞ্জিত দত্ত লিটু, বর্তমান কাউন্সিলর মো. সেলিম হাওলাদার ও মো. আল আমিন। নয় নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা সৈয়দ জামাল হোসেন নোমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

    বর্তমানে বৈধ তিন প্রার্থী হলেন বর্তমান কাউন্সিলর মো. হারুন অর রসিদ, আওয়ামী লীগ সমর্থিত এএসএম মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম ও মো. সমীম রহমান।

    ১০ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত জয়নাল আবেদীন হাওলাদার ও সাবেক কাউন্সিলর এটিএম শহিদুল্লাহ কবির। ১১ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ও বর্তমান কাউন্সিলর মো. মজিবর রহমান, মো. রাজা ও মারুফ আহম্মেদ। ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলর (প্যানেল মেয়র-১) আলহাজ কেএম শহীদুল্লাহ ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. জাকির হোসেন । ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর মো. মেহেদী পারভেজ খান, বিএনপির প্রার্থী মো. মতিউর রহমান, মো. মেজবাউল মোর্শেদ খান ও মারুফ খান।

    ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াত নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী তৌহিদুর রহমান ছাবিদ এছাড়াও রয়েছে মো. শাকিল হোসেন পালাশ। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা সৈয়দ জাকির হোসেন জেলাল, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী লিয়াকত হোসেন খান ও মো. মাকছুদ আলম মাসুদ। ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর (প্যানেল মেয়র-২) ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোশারেফ আলী খান বাদশা, রুবিনা আক্তার ও বিএনপির প্রার্থী কামরুল হাসান। ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর আকতার উজ্জামান গাজী হিরু ও মো. আনোয়ার হোসেন। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা মীর একেএম জাহিদুল কবির, তার স্ত্রী শাহানা বেগম, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান ও মনিরুল ইসলাম।

    ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে সুমন হাওলাদার আশিষের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে বৈধ দুই প্রার্থী হলেন বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী গাজী নঈমুল হোসেন লিটু ও জাতীয়পার্টির মো. হানিফ চৌধুরী। ২০ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর এসএম জাকির হোসেন, জিয়াউর রহমান ও মো. সাইদুর রহমান। এরা সবাই আওয়ামীলীগপন্থী হলেও দলীয়ভাবে কাউকেই সমর্থন দেয়নি মহানগর আওয়ামী লীগ। ২১ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ আলতাফ মাহমুদ, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শেখ সাঈদ আহমেদ, মু. শাহরিয়ার সাচিব ও মো. তারিকুল ইসলাম। ২২ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আনিছুর রহমান, সাবেক কাউন্সিলর আ ন ম সাইফুল আহসান আজিম ও তানভীর হোসেন রানা। ২৩ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর এনামুল হক বাহার, এমরান চৌধুরী জামাল, মো. মিজানুর রহমান ও মো. শামীম। এই ওয়ার্ডেও আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী সমর্থন করেনি।

    ২৪ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত শরীফ মো. আনিছুর রহমান (আনিছ শরীফ), বিএনপির প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর মো. ফিরোজ আহমেদ, জাহাঙ্গীর মোল্লা, মো. জাকির হোসেন ও মো. আবদুল বারেক হাওলাদার। ২৫ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়া, সুলতান মাহমুদ, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এম. সাইদুর রহমান জাকির, মো. আবু হানিফ ও মো. ফজলুর রহমান হাওলাদার। ২৬ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর মো. ফরিদ উদ্দিন হাওলাদার, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. হুমায়ুন কবির ও মোহাম্মদ হাসান ইমাম।

    ২৭ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর মো. নূরুল ইসলাম, মো. গিয়াস উদ্দিন বাবুল মোল্লা, মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার, মো. আলতাফ হোসেন সিকদার হারুন ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত মো. আবদুর রশিদ হাওলাদার। ২৮ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও বরিশাল জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. জাহিদ হোসেন ও মো. হুমায়ুন কবির। ২৯ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর কাজী মনিরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. ফরিদ আহমেদ ও মো. মনিরুজ্জামান খান। ৩০ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা খায়রুল মামুন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আজাদ হোসেন মোল্লা কালাম ও সাবেক কাউন্সিলর মো. নিয়াজ মাহমুদ বেগ।

    এছাড়া ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মধ্যে এক নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-৩ শরীফ তাসলিমা কালাম পলি, আঞ্জুমান আরা সাথি, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মিনু রহমান ও নুরুন্নাহার বেগম পুষ্প। দুই নম্বর ওয়ার্ডে ফাতেমা রহমান, জাহানারা বেগম, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আলমতাজ বেগম, জ্যোৎনা রানি বনিক সুমা, কানন বেগম ও জোছনা বেগম। ৩ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর কহিনুর বেগম ও জোহরা। ৪ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মাকসুদা আক্তার মিতু, আয়শা তৌহিদ লুনা এবং তাসমিমা আহম্মেদ। ৫ নং ওয়ার্ডে ইসরাত জাহান, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোসা. কামরুন্নাহার রোজী, সাহিনা পারভীন ও হোসনেয়ারা বেগম। ৬ নং ওয়ার্ডে নাসিমা হান্নান, মারিয়া ইসলাম মুন্নি, মোর্শেদা বেগম কাজল, সালমা আক্তার, বেবী জেসমিন, মজিদা বোরহান, বেলী রানি সাহা, হোসনে আরা বেগম ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী গায়েত্রী সরকার। ৭নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সালমা আক্তার শিলা ও রোকসানা বেগম। ৮ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী রেশমী বেগম, পারুল আক্তার ও সাবিনা ইয়াসমিন। ৯ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ডালিম বেগম, বর্তমান কাউন্সিলর সেলিনা বেগম ও মোসা. আয়শা বেগম। ১০ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোসা. রোজী বেগম ও রাশিদা পারভীন প্রার্থীহয়েছেন।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে প্রচারণায় এগিয়ে সাদিক, এখনো ‘নিস্তেজ’ সরোয়ার

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে প্রচারণায় এগিয়ে সাদিক, এখনো ‘নিস্তেজ’ সরোয়ার

    শেখ সুমন :

    আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ১৪ দলীয় জোটেরও মনোনীত প্রার্থী। অর্থাৎ দল কিংবা জোট থেকে তাঁর বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহী’ কোনো প্রার্থী নেই। অন্যদিকে এক ধরনের অস্বস্তির মধ্যে আছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার। কারণ নিজ দলের স্থানীয় শীর্ষ পর্যায়ের তিন নেতা এখনো তাঁর সঙ্গে ‘হাত মেলাননি’, যাঁরা কিনা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন।

    এই তিন নেতা হলেন বর্তমান মেয়র আহসান হাবীব কামাল, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন ও জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চান। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে শুরু করে গতকাল রবিবার যাচাই-বাছাই পর্যন্ত এই তিন নেতার কাউকে সরোয়ারের পক্ষে দেখা যায়নি। জামায়াতে ইসলামী সরোয়ারকে সমর্থন দিলেও জোটের আরেক দল খেলাফত মজলিস তাদের প্রার্থী দিয়ে রেখেছে। তাই সব দিক ঠিক করে এখনো সরোয়ারের পক্ষে পুরোদমে প্রচারণার মাঠে নামা সম্ভব হয়নি।

    গত বুধবার রাতে জেলা ও নগর ১৪ দলের এক সভায় সাদিককে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এরপর ১৪ দলের নেতাকর্মীরা তাঁর পক্ষে প্রচারণা শুরু করে। গত শনিবার সাদিকের পক্ষে বৈঠক করেন তাঁর মা কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেতা সাহান আরা বেগম। বরিশাল জেলা মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীদের নিয়ে তিনি বৈঠকটি করেন। সেখানে সবাই সাদিককে মেয়র নির্বাচিত করতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এরপর তাঁর পক্ষে বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ নেতারা বৈঠক করেন এবং প্রচারণায় নামেন।

    গতকাল মেয়র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে হাজির হন সাদিক। এরপর তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    তবে সরোয়ার রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাননি। বরিশাল মহানগর এলাকায় কিছু নেতাকর্মী নিয়ে দু-একটি সভা করতে দেখা গেছে সরোয়ারকে। তিনি বাইরেও খুব একটা বের হন না। তবে বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, বরিশাল বিএনপির শীর্ষস্থানীয় তিন নেতার সঙ্গে আলোচনা চলছে। তাঁরা সবাই সরোয়ারের পক্ষে মাঠে নামলেই তাঁর নির্বাচনী কার্যক্রম প্রাণ ফিরে পাবে। এর বাইরে জামায়াতে ইসলামী সরোয়ারের পক্ষে রয়েছে। আর খেলাফত মজলিস প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

    বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন বলেন, কেন্দ্র থেকে ২০ দলীয় জোটের একক প্রার্থী করা হয়েছে মজিবর রহমান সরোয়ারকে। খেলাফত মজলিস যেহেতু জোটের শরিক, সে কারণে তাদের কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই অনুসরণ করতে হবে।

  • হিরক রাজার দেশে বাস করছে আজ দেশের মানুষ

    হিরক রাজার দেশে বাস করছে আজ দেশের মানুষ

    শেখ সুমন :

    আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার বলেছেন, মুক্তিযুদ্বের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্ঝন করা দেশের মানুষ আজ হিরক রাজার দেশে বাস করছে।

    মুক্তিযুদ্বের চেতনা হচ্ছে গনতন্ত্র প্রধান মন্ত্রী মুক্তিযুদ্বের দোহাই দিয়ে গনতন্ত্রের চেতনা থেকে সরে আসছে।
    সরকার আজ দেশের ব্যাংক লুঠপাটকারী,মাদক ব্যাবসায়ী সহ অযোগ্যহীনদের বিভিন্ন স্থানে বসিয়ে রাখার কারনেই দেশ থেকে গনতন্ত্র হারিয়ে যাচ্ছে।

    আজ সোমবার সন্ধায় নগরীর পশ্চিম কাউনিয়া মেয়র প্রাথী এ্যাড মজিবর রহমান সরোয়ারকে উত্তর জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানাতে আসা নেতা-কর্মীদের উর্দেশ্যে একথা বলেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ,আগৈলঝাড়া বিএনপি আহবায়ক সাহাবুদ্দিন লাল্টু, যুগ্ম আহবায়ক আফজাল হোসেন।
    মজিবর রহমান সরোয়ারকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান উত্তর জেলা যুবদলের নব গঠিত কমিটির সভাপতি মোল্লা মাহফুজ,সাধারন সম্পাদক সালাউদ্দিন পিপলু,সিনিয়র সহ-সভাপতি মনির দেওয়ান,সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম হাওলাদার,হিজলা যুবদল আহবায়ক বেলাল জমাদ্দার,যুগ্ম আহবায়ক রিমন দেওয়ান,মুলাদী যুবদল যুগ্ম আহবায়ক আল মামুন সিকদার,মিন্টু রাড়ি,ছাত্রদলের পাভেজ খন্দকার সহ হিজলা,মেহেন্দিগঞ্জ,মুলাদী,আগৈলঝাড়া ও গৌরনদীর বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    মজিবর রহমান সরোয়ার আরো বলেন বর্তমান অবৈধ সরকার ৫ই জানুয়ারী বিনা ভোটে নির্বাচনের মাধ্যমে ১৫৪জন সংসদ সদস্য পাশ করিয়ে ক্ষমতায় জেকে বসেছে।

    তারা শুধু উন্নয়নের কথা বলে গনতন্ত্রকে বাধাগ্রস্থ করছে। বর্তমান সরকার প্রধান নিজেই এক সময় বলেছিলেন দলীয় সরকারের অধিনে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হবে না।
    সরকার তার নিজের কথা ভঙ্গ করে এখন দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন করে ভোট ডাকাতীর মাধ্যমে জনগনের ভোটের অধিকার হরন করছে।

    তাই আগামী সিটি নির্বাচনের ভোট যুদ্বের মাধ্যমে দেশ মুক্তির আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্বভাবে ঝাপিয়ে পড়ার আহবান জানান।

  • বরিশালে একটু বেশি আশাবাদী ইসলামী আন্দোলন

    বরিশালে একটু বেশি আশাবাদী ইসলামী আন্দোলন

    সম্প্রতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফলে বাংলাদেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পরেই চলে আসছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নাম। ৩১ বছর বয়সী এই দলটি সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট রাজনীতি ও ভোটের খবরাখবর রাখেন—এমন মানুষের কাছে চমক সৃষ্টি করছে। দলটি এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের। ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে নিজেদের শক্তি দেখাতে চায় বলে জানিয়েছেন দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

    সদ্য শেষ হওয়া গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফলে দলটির অবস্থান তৃতীয়। এখানে তাদের মেয়র প্রার্থী মো. নাসিরউদ্দিন হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩৮১ ভোট। এবারই প্রথম তারা এই সিটিতে নির্বাচনে অংশ নেয়। এই নির্বাচনে অংশ নেওয়া ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী পান ১৬৫৯ ভোট এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রার্থী পান ৯৭৩ ভোট।

    খুলনা সিটির নির্বাচনেও প্রথমবার অংশ নিয়ে ইসলামী আন্দোলন পায় ১৪ হাজার ৩৬৩ ভোট। এটি ছিল ওই নির্বাচনে তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট। খুলনা সিটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী পান ১ হাজার ৭২৩ ভোট। আর সিপিবির প্রার্থী পান ৫৩৪ ভোট।

    এর আগে ২০১৫ সালে ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পরেই তৃতীয় অবস্থানে ছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ঢাকা উত্তরে তাদের প্রার্থী শেখ ফজল বারী মাসউদ পেয়েছিলেন ১৮ হাজার ভোট। আর দক্ষিণে আবদুর রহমান পান ১৫ হাজার ভোট।

    নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪০। প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের বাইরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নীরবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠে নিজেদের অবস্থান জানান নিচ্ছে। রাজনীতিতে তেমন কোনো আলোচনায় না থেকেও ইসলামী শাসনতন্ত্রে বিশ্বাসী এই দলের ভোটের হিসাব চমক তৈরি করছে।

    ১৯৮৭ সালে চরমোনাই পীর মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এর আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে তারা সাত দল মিলে ইসলামী ঐক্যজোটের অধীনে নির্বাচন করে। এ দুবারই তাদের দুজন প্রতিনিধি সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০০১–এর নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোট বাঁধে এরশাদের সঙ্গে। পরবর্তী সময়ে ২০০৮ সালের নির্বাচনে জোট থেকে বের হয়ে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়। সেবার ১৬০ আসনে প্রার্থী দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি জোটের বাইরে একমাত্র দল হিসেবে মোট ভোটের ১ শতাংশের বেশি ভোট পায়। দলটি বলছে, আগামী নির্বাচনে তাদের ভোট আরও বাড়বে। তবে এই দলের কোনো কোনো নেতা মনে করেন, ভোট বাড়লেও এককভাবে নির্বাচন করে সংসদে আসন পাওয়াটা কঠিন।

    ২০১৪ সালের নির্বাচনে দলটি অংশ নেয়নি। এ ব্যাপারে দলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা আশরাফ আলী আকন সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, ‘দলীয় সরকারের অধীনে একতরফা নির্বাচন হওয়ায় আমরা প্রত্যাখ্যান করি।’ তবে তাঁরা সরকারের অধীনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রায় সব কটিতেই অংশ নিচ্ছে।

    ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছে। লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলা উদ্দিন আলাল। নৌকার প্রার্থীকে ২১৮ ভোটে হারান তিনি।

    এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ, রংপুর, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও দলটি চমক দেখিয়েছে। সেখানেও তাদের প্রার্থীরা অন্যদের চেয়ে ভালো ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। এ জুলাইয়ে হতে যাওয়া বরিশাল, সিলেট ও রাজশাহীতেও তাঁদের প্রার্থী রয়েছে। আশরাফ বলেন, ‘তিন সিটিতেই প্রার্থী দিয়েছি। আশা করি ভালো প্রতিযোগিতা হবে।’ তবে বরিশাল ও সিলেটের ব্যাপারে তাঁরা একটু বেশি আশাবাদী। তিনি বলেন, এই শহর দুটিতে তাঁদের ভালো জনসমর্থন রয়েছে।

    কোনো জোটে না থেকে এককভাবে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ বা বিএনপির পরেই নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে আশরাফ বলেন- ‘মানুষ দেশে পরিবর্তন চায়। দূষিত কলঙ্কিত রাজনীতি আর দেখতে চায় না। আমরা মানুষের কথা বলতে পারছি। সে জন্যই মানুষ আমাদের ভোট দিচ্ছে।’

    দলটির এই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন- ‘সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সবগুলোতে আমরা তৃতীয় হয়েছি। আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছি। ৩০০ আসনের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত হয়ে গেছে। তাঁদের নিয়ে আমরা কাজও শুরু করে দিয়েছি।’ তিনি জানান- ইতিমধ্যে তাঁরা রংপুরের ছয় আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন। খুব বেশি পুরোনো কোনো দল না হয়েও একক দল হিসেবে নির্বাচন করে নিজেরা রাজনীতির মাঠে শক্ত অবস্থানে আছে। তাঁদের আশা, সামনের নির্বাচনে ভোটযুদ্ধে তাঁদের অবস্থান আরও পোক্ত হবে।

  • বরিশাল থেকে নৌকা উপহার দিতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে-আ: রহমান এমপি

    বরিশাল থেকে নৌকা উপহার দিতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে-আ: রহমান এমপি

    বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আ: রহমান (এমপি) বলেছেন, খুলনা গাজীপুরের মত বরিশালেও নৌকা’র বিজয় ছিনিয়ে আসতে হবে। আগামী ৩০ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরিশালের নৌকা উপহার দিতে হবে। তাই নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে বাড়ী বাড়ী গিয়ে নৌকার উন্নয়ন ও নৌকায় ভোট দেয়ার কথা বলতে হবে। ঘরে বসে আওয়ামীলীগ করার দিন এখন আর নেই। তাই আজ থেকে নেমে পড়ুন। আর নৌকার বিজয় নিশ্চিত করুন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৬৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আজ সোমবার বরিশালের বাবুগঞ্জে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

    তিনি বলেন, বিএনপি কোন উন্নয়ন করতে পারেনি। যেখানে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় সেখানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থীত মেয়র প্রার্থীকে জয়ী করলে বরিশালে উন্নয়ন হবে।

    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ । তিনি বলেন, আমরা রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান । ৭১ এর মুক্তি যুদ্ধের পর থেকে আমরা রাজনীতি করে আসছি। তিনি বিএনপির মেয়র প্রার্থী এ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারকে উদ্যেশে করে বলেন তারা মানুষ হত্যা করে রাজনীতিতে এসেছে। বিএনপি মানুষকে শান্তি দিতে পারেনি। ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় এসে বরিশালের কোন উন্নয়ন করতে পারেনি। তারা অনেক মানুষকে হত্যা, পঙ্গু করে মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহবান জানান তিনি।

    আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ আ:ফ:ম বাহাউদ্দিন নাসিম, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট তালুকদার মো: ইউনুস, বরিশাল জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহান আরা আব্দুল্লাহ, এমপি পঙ্কজ দেবনাথ, বিসিসি মেয়র প্রার্থী ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

  • দুঃশ্চিন্তায় বিসিসির জনপ্রিয় কাউন্সিলররা

    দুঃশ্চিন্তায় বিসিসির জনপ্রিয় কাউন্সিলররা

    আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলরগণ দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন। সুষ্ঠ-সুন্দর নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হলে ছিটকে পড়তে পারেন তারা।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের জন্মলগ্ন থেকেই বিএনপির প্রায় দেড় ডজন কাউন্সিলর তাদের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। ফলে একটানা ১০ বছর কিংবা তার বেশি সময় ধরে কাউন্সিলর হিসেবে জনগণের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

    আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও তারা ওই সকল ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী। তাদের জনপ্রিয়তায় পূনরায় নির্বাচিত হতে পারেন বলে মনে করছেন স্ব-স্ব ওয়ার্ডের জনগণ। তবে গাজীপুর ও খুলনার মতো নির্বাচন নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় রয়েছে ভোটার ও প্রার্থী উভয়ই।

    জনপ্রিয়তায় র্শীষে থাকা বিএনপির কাউন্সিলরগণ হলেন, বরিশাল মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও ২৫ নং ওয়ার্ডের একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর জিয়া উদ্দিন সিকদার জিয়া, বরিশাল মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও বিসিসির ২ নং ওয়ার্ডের তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর এড. একেএম মুরতজা আবেদীন,

    মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ও ১২ নং ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর কেএম শহিদুল্লাহ, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ও ২৪নং ওয়ার্ডের দুইবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ফিরোজ আহম্মেদ, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ও ২১ নং ওয়ার্ডে তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার,

    মহানগর বিএনপির কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও ২৬ নং ওয়ার্ডে তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন, ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির, ৮নং ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর সেলিম হাওলাদার,

    ৫ নং ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর মাইনুল হক, ১৫ নং ওয়ার্ডে দুইবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর সৈয়দ জাকির হোসেন জেলাল, বরিশাল মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ১৮ নং ওয়ার্ডে ৩ বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর মীর একেএম জাহিদুল কবির।

    এ ব্যাপারে বরিশাল মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার জিয়া জানান, আমরা মোটেও সঙ্কিত নই। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা নির্বাচিত হবো। তবে সরকার কি ধরণের নির্বাচন করবে এটা সরকারের ব্যাপার।

  • সিটি নির্বাচনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে :মজিবর রহমান সরোয়ার

    সিটি নির্বাচনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে :মজিবর রহমান সরোয়ার

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেছেন, ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে সব ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

    তিনি বলেন, ভোটাররা যাতে নিশ্চিন্তে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সেদিকে নেতাকর্মীদের খেয়াল রাখতে হবে। ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটের দিন নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মাঠে থাকতে হবে।

    শনিবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর পশ্চিম কাউনিয়া মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসভবনে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় এসব কথা বলেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী।

    মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, গাজীপুর সিটি নির্বাচনে নানা অনিয়ম, কারচুপি, নৌকার পক্ষে সিল মারা ব্যালট পেপার সরবরাহসহ কেন্দ্র দখলের বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তবে বরিশাল সিটি নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে নেতাকর্মীরা নির্বাচনের মাঠে সক্রিয় থেকে কাজ করতে পারলে ভোট ডাকাতির সাহস পাবে না কেউ। ভোট কারচুপি ঠেকাতে নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করতে হবে। তা হলে বিএনপির বিজয় কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না।

    কর্মীসভায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান, মহানগর বিএনপি উপদেষ্টা নুরুল আলম ফরিদ, মহানগর বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান খান ফারুক, মহানগর বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার, মহানগর বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক আনায়ারুল হক তারিন ও জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহিন প্রমুখ।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে নবীন-প্রবীণ লড়াই!

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে নবীন-প্রবীণ লড়াই!

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে এবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে ১৪ জনই আগে নির্বাচন করেননি। অন্যদিকে মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপি অভিজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে এবার আওয়ামী লীগের নবীন প্রার্থীদের প্রতিপক্ষ হচ্ছেন বিএনপির অভিজ্ঞরা।

    আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহও তরুণ। তিনিও আগে নির্বাচন করেননি। অন্যদিকে বিএনপি মেয়র পদে সাবেক মেয়র ও সাংসদ মজিবর রহমান সরোয়ারকে প্রার্থী করেছে।

    আওয়ামী লীগ ২৫ জুন বরিশাল সিটি করপোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডের ২৮টিতে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। ২০ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমানে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত দুজন কাউন্সিলর থাকলেও কৌশলগত কারণে এ দুটি ওয়ার্ডে কোনো প্রার্থীকে দলীয় সমর্থন দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে বিএনপি এখনো দলীয়ভাবে কাউন্সিলর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেনি। তবে দলটি পুরোনো কাউন্সিলরদের ওপরই ভরসা রাখছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    জানতে চাইলে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘কাউন্সিলর পদে এখনো আমরা মনোনয়ন চূড়ান্ত করিনি। আলাপ-আলোচনা চলছে। তবে গতকাল শেষ দিনে সবাই যে যাঁর মতো মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বর্তমানে যাঁরা দলীয় কাউন্সিলর আছেন, তাঁরা দলীয় সমর্থন পাবেন এটা অনেকটা নিশ্চিত।’

    ২০১৩ সালের ১৫ জুনের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে বিএনপির ১৯, আওয়ামী লীগের ৫, জামায়াতের ১, জাতীয় পার্টির ২ ও স্বতন্ত্র ৩ জন প্রার্থী জয়ী হন। আগামী ৩০ জুলাই এবার সিটি নির্বাচনে ভোট নেওয়া হবে।

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, নগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে পরপর তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর বিএনপির জাকির হোসেন। এখানে আওয়ামী লীগ সমর্থন দিয়েছে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন খানকে। লিয়াকত এর আগে কোনো নির্বাচনে অংশ নেননি। ২১ নম্বর ওয়ার্ডে নগর যুবলীগের সদস্য শেখ সাঈদ আহমেদকে সমর্থন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এই ওয়ার্ডে সাঈদ আহমেদের প্রতিদ্বন্দ্বী নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরপর তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর আলতাফ মাহামুদ সিকদার। ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে পরপর তিনবার জয়ী হন নগর জাতীয় পার্টির সভাপতি এ কে এম মুরতজা আবেদীন। এখানে মুরতজার সঙ্গে ভোটযুদ্ধে আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন পেয়েছেন নিখোঁজ যুবলীগ নেতা মোনায়েমের ভাই মো. আহসান উল্লাহ। একইভাবে ৮ নম্বর ওয়ার্ডেও পরপর তিনবার নির্বাচিত কাউন্সিলর বিএনপি নেতা সেলিম হাওলাদারের বিপক্ষে প্রার্থী করা হয়েছে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুরঞ্জিত দত্তকে। তিনিও এর আগে সিটি নির্বাচনে অংশ নেননি। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত বিএনপির কাউন্সিলর হাবিবুর রহমানের বিপরীতে দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের আকতারুজ্জামানকে। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত বিএনপির কাউন্সিলর সৈয়দ আকবরের বিপরীতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত বিএনপির কাউন্সিলর মীর জাহিদের বিপরীতে সমর্থন দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের মো. কামরুজ্জামানকে। ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদারের বিপরীতে আওয়ামী লীগ সমর্থন দিয়েছে এম সাইদুর রহমানকে।

  • বরিশালে মেয়র হতে চায় ৮ প্রার্থী

    বরিশালে মেয়র হতে চায় ৮ প্রার্থী

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার দৌড়ে রয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ ৮ প্রার্থী। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার এবং আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এছাড়া মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২০ দলীয় জোটের শরীক খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী এ কে এম মাহবুব আলম মনোনয়নপত্র জমা দেন।
    অবশ্য এর একদিন আগে অর্থাৎ বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত প্রার্থী জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন তাপস, একই দলের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী আহ্বায়ক বশির আহমেদ ঝুনু, কমিউনিস্ট পার্টির জেলা কমিটির সভাপতি এ কে আজাদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী ডা. মনিষা চক্রবর্তী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা ওবায়েদুর রহমান মাহবুব। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) বিকেল পর্যন্ত ৮ মেয়র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ফলে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বির সংখ্যা ৮ জনে দাঁড়িয়েছে।’ অন্যদিকে সাধারণ কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করা ১৪২ জনের মধ্যে ১১৪ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৪৩ জনের মধ্যে ৩৮ জন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) বেলা আড়াইটার দিকে নগরীর নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার। এ সময় তার সঙ্গে দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে মনোনয়নপত্র জমা দেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ । এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

    বিকেল ৪টার দিকে মনোনয়নপত্র জমা দেন খেলাফত মজলিসের বরিশাল মহানগর সেক্রেটারী অধ্যাপক এ কে এম মাহবুব আলম। বরিশালের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত মেয়র পদে ৮ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা ১৪২ জনের মধ্যে ১১৪ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৪৩ জনের মধ্যে ৩৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    গত ৩১ মে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল বৃহস্পতিবার। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১ ও ২ জুলাই। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ জুলাই। ১০ জুলাই দেয়া হবে প্রতীক বরাদ্দ। ভোটগ্রহণ হবে ৩০ জুলাই। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এবার ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৯জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৩৩২ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ২০ হাজার ৬২৭ জন।’’

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেন এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেন এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার

    আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে  ধানের শীর্ষের প্রার্থী -উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্যে দিয়ে প্রার্থীরা তাদেরর সমর্থকদের সাথে নিয়ে স্বতঃফুর্তভাবে  দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে তাদের মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন।

    আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া দুইটার দিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ধানের শীর্ষের মনোনিত প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে প্রথম বারের মত নির্বাচিত মেয়র এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার তার মনোনয়ন পত্র দাখিল করতে আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যলয়ে আসেন।
    এসময় তার সাথে কেন্দ্রীয় সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য মেজবা উদ্দিন ফরহাদ, কেন্দ্রীয় সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান, কেন্দ্রীয় সদস্য এ্যাড.কামরুল ইসলাম সজল, বরিশাল বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুল হক নান্নু,বরিশাল মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান খান ফারুক,মহানগর সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার,জেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন সহ দলীয় নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে সরোয়র তার মনোনয়ন পত্র আঞ্চলিক নির্বাচন ও রিটানিং অফিসারের হাতে দাখিল করেন।

    এসময় মজিবর রহমান সরোয়ার গন মাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, খুলনা ও গাজীপুরের দুটি নির্বাচন দেখে জনগন বিস্মিত হয়েছে।এছাড়া বরিশালের সিটি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রধানমন্ত্রীর আত্বীয় তাছাড়া তার বাবা এ অঞ্চলের একজন মন্ত্রী সেখানে নির্বাচন করা মানেই হাত-পা বাধা সাতার কাটার মত।তারা দলীয় ক্ষমতা অপব্যাবহার করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কাজে লাগিয়ে জনগনের ভোট কেড়ে নিতে চাইবে।ভেবে ছিলাম গত ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনের পর সরকারের শুভবুদ্ধি হবে কিন্তু আমরা ৫ বছরে কি দেখতে পেয়েছি সরকার দেশের গনতন্ত্র আর জনগনের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে এক নায়কতন্ত্র ভাবে দেশ পরিচালনা করছেন।তিনি আশা করেন সরকার বরিশালে একটি শান্তি পূর্ণ নির্বাচন উপহার দেবেন যাতে এখানকার মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার করতে পারেন।

    বরিশালের সিটি নির্বাচনে খুলনা ও গাজীপুরের মত জনগনের ভোট কেড়ে নিয়ে বিজয়ী হতে চায় তাহলে এখান থেকে গনতন্ত্র উদ্বারের আন্দোলন আরো বেগবান করা হবে।
    এছাড়া তিনি তার নির্বাচনের ইস্তেহারের কথা বলেন সে নির্বাচিত হলে বরিশাল সিটির বর্ধিত এলাকা এলাকার মানুষের উন্নয়নের কাজ করা হবে।
    নগরীর উন্নয়নের পাশাপাশি নগরীর জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য নগর থেকে হারিয়ে যাওয়া খালগুলো পূর্ণ উদ্ধার করার জন্য কাজ করবেন।