Category: রাজণীতি

  • সাদিক আবদুল্লাহ’র সমর্থনে সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মী সমাবেশ

    সাদিক আবদুল্লাহ’র সমর্থনে সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মী সমাবেশ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতিকের মনোনিত প্রার্থী তারুণ্যের প্রদিপ যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সমর্থনে বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের আয়োজনে সাংস্কৃতিক কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার রাতে অশ্বিনী কুমার টাউন হলে এ কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি কাজল ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মেয়র প্রার্থী বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদল্লাহ’র রত্ন গর্ভধারীনি মাতা সাংস্কৃতিক জন সাহান আরা আবদুল্লাহ।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ,বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার এ্যাসোসিয়েশনের সদস্য এ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম),সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারন সম্পাদক মিন্টু কুমার কর,সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাবেক সভাপতি এস এম ইকবাল,খেয়ালী গ্র“প থিয়েটারের সভাপতি এ্যাড. নজরুল ইসলাম চুন্নু,বরিশাল গনশিল্পি সংস্থার সভাপতি শান্তি দাস,ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির সভাপতি (বীরমুক্তি যোদ্বা আক্কাস হোসেন,বীর মুক্তিযুদ্বা মহিউদ্দিন মানিক (বীর বিক্রম),ও সাবেক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান প্রমুখ।

    সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের কর্মী সমাবেশে বরিশালের ২৭টি সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সকল সদস্যরা অংশ নেয়।

    কর্মী সমাবেশে বিভিন্ন বক্তারা বলেন আগামী ৩০ই জুলাই বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে স্বাধীনতার স্বপক্ষের সকল শক্তি এক হয়ে কাজ করলে আমাদের তারুণ্যের প্রদিপ সেরনিয়াবাত সাদিকের বিজয় নিশ্চিত করা যাবে।
    এবারের নির্বাচনে সাদিক আবদুল্লাহ’র বিজয়ের মাধ্যমে স্বাধীনতার বিরোধী শক্তিরা পরাজয়ের মুখ দেখবে।
    সাদিকের বিজয়ের মাধ্যমে সমৃদ্ধির পথে বরিশাল এগিয়ে যাবে।

    এর পূর্বে মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ অশ্বিনী কুমার টাউন হলে প্রবেশ করে সকলের সাথে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।

  • আমরা দেশের উন্নয়ন চাই গনতন্ত্রকে ধ্বংশ করে নয়: সরোয়ার

    আমরা দেশের উন্নয়ন চাই গনতন্ত্রকে ধ্বংশ করে নয়: সরোয়ার

    বরিশাল আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক এ্যাড.মজিবর রহমান সরোয়ার বলেছেন দেশের লাখো শহীদের রক্তের বিনিময় দেশ স্বাধীন ও গনতন্ত্র উদ্ধার হয়েছে।আমরা দেশের উন্নয়ন চাই গনতন্ত্রকে ধ্বংশ করে নয়।
    সরোয়ার আরো বলেন আগামী সিটি নির্বাচনের ভোট যুদ্ধের মাধ্যমে এদেশের গনতন্ত্র উদ্ধারের মাধ্যমে দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনবো।
    এখন থেকে তরুন প্রজন্ম ভোটারদের গনতন্ত্র উদ্ধার সহ কেন্দে এসে ভোট প্রদান করার উৎসাহ যোগাতে হবে স্বেচ্ছাসেবকদলকে।

    শুক্রবার বিকালে নগরীর পশ্চিম কাউনিয়া মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসভবনে মহানগর ও জেলা স্বেচ্ছাবেকদলের সাথে এক সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে তিনি একথা বলেন।

    মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মাহাবুবুর রহমান পিন্টুর সভাপতিত্বে সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি জে এম আমিনুল ইসলাম,মহানগর সাধারন সম্পাদক মসিউর রহমান মঞ্জু,যুগ্ম সম্পাদক খান মোঃ আনোয়ার,মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সমির,মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেদুজ্জামান রাসেদ,জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল যুগ্ম সম্পাদক মামুন ভূইয়া,সাংগঠনিক সম্পাদক জাবের আবদুল্লাহ সাদি।
    এসময় সাংগঠনিক মতবিনিময় মহানগর ও জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি সম্পাদক সহ নেতা-কর্মীরা অংশ নেয়।

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সিটি নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি ও সম্পাদক সহ সংগঠনের প্রতিটি কর্মীদের বলেন আগামী ১০ই জুলাই নির্বাচনের প্রতিক বরাদ্ধের পর থেকে স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতা-কর্মীরা নিজেদের মধ্য থেকে নির্বাচনী কাজগুলো ভাগ করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান।
    এছাড়া ৩০ই জুলাই সিটি নির্বাচনের দিন প্রতিটি ওয়ার্ডের সেচ্ছাসেবকদলের কর্মীদেরকে ভোটার এনে ভোট প্রদান করার কাজে সহযোগীতা করার কাজে লিপ্ত থাকতে হবে।
    সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে শুধু মেয়র হওয়া বড় কথা নয় এ বিজয় হবে গনতন্ত্র উদ্ধারের বিজয়।
    আমরা বরিশালে গাজীপুর ও খুলনার মত নির্বাচন হতে দেব না।

    এছাড়া মেয়র প্রর্থী এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার রাতে একইস্থানে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও নগরীর ৬ নং ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।
    এছাড়া তিনি শুক্রবার দুপুরে নগরীর পোর্টরোড জামে মসজিদে জুম্মা নামায আদায় করে মুসল্লিদের সাথে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচন: চলছে হাসানাত-সরোয়ারের বাকযুদ্ধ

    বরিশাল সিটি নির্বাচন: চলছে হাসানাত-সরোয়ারের বাকযুদ্ধ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা মন্ত্রীর পদমর্যাদায় থাকা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মেয়র প্রার্থী ও সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে চলছে বাকযুদ্ধ। বিষয়টি নির্বাচনী কৌশল হিসেবে দেখছেন সাধারণ ভোটাররা। আর এ ধরনের অশুভ রাজনীতি থেকে সবার বিরত থাকা উচিত বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)।

    গত ২ জুলাই আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বরিশালের বাবুগঞ্জের রহমতপুরে কামিনি ফিলিং স্টেশন চত্বরে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা হলেও একপর্যায়ে ওই সভা সিটি নির্বাচনী সভায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এমপি।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি। এ সময় তিনি তার বক্তব্যে বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারকে সরাসরি খুনি বলেন। ১৯৭৮ সালে বরিশাল টেক্সটাইল মিলে শ্রমিক নেতা সালাম ও ১৯৭৯ সালে কালীবাড়ি রোডের বরিশাল কলেজ মোড়ে কালাম এবং ২০০১ থেকে ২০০৭ সালে কামাল ওরফে পুলিশ কামাল ও শাজাহান গাজী ওরফে ট্যারা শাজাহান হত্যাকাণ্ড ছাড়াও হাবিল, দর্পণ ও মিল্টনকে পঙ্গু করে দেয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আবুল হাসানাত।

    বিএনপির নেতাকর্মীদের মাধ্যমে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ওই বক্তব্য শুনে ক্ষুব্ধ হন বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার। এর প্রেক্ষিতে সরোয়ার আওয়ামী লীগ নেতা হাসানাত আব্দুল্লাহর কাছে পাল্টা প্রশ্ন রাখেন। তিনি বলেন, এখন যদি বলি বড় ভাই (আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে ইঙ্গিত করে) বিএম কলেজের জাসদ ছাত্রলীগ নেতা নজরুল, ছদরুল ও সমরেশ হত্যাকাণ্ড আপনি ঘটিয়েছেন। তাহলে আপনি কি বলবেন।

    আওয়ামী লীগের ওই আলোচনা সভায় উপস্থিত মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, বিএম কলেজের জাসদ ছাত্রলীগ নেতা সমরেশ, নজরুল ও ছদরুল গুম-খুন হয়েছিল। ওই হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন স্থানীয় আওয়ামী লীগের হাত রয়েছে বলে অনেকে সন্দেহ করলেও আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর নামে কোনো মামলা হয়নি। সমরেশ, নজরুল, ছদরুল হত্যাকাণ্ড নিয়ে ৪৪ বছর পর আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর নাম জড়িয়ে বক্তব্য দিয়ে বিএনপির মেয়র প্রার্থী সরোয়ার নোংরা রাজনীতির খেলায় মেতেছেন।

    দুলাল আরো বলেন, বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার তার হলফনামায় একাধিক খুন এবং অঙ্গহানি মামলার আসামি বলে উল্লেখ করেছেন। হলফনামার সূত্র ধরে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ওই সভায় তার বক্তব্যে বলেছেন, যার (সরোয়ার) রাজনীতি হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে, যিনি বহু মানুষকে চিরতরে পঙ্গু করে দিয়েছেন তাকে মানুষ ভোট দেবে কেন। সভায় খুনিকে ভোট না দিয়ে উন্নয়নের প্রতীক নৌকা মার্কার প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বরিশালের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আবুল হাসানাত।

    আর বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, তিনি কারো বিরুদ্ধে বিষদোগার করতে চান না। একজন রাজনৈতিক নেতা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তখনই বিষদোগার করেন, যখন তিনি তার (হাসানাত আব্দুল্লাহর বড় ছেলে মেয়র প্রার্থী সাদিক আব্দুল্লাহ) প্রতিদ্বন্দ্বিকে শক্তিশালী মনে করেন। সরোয়ার আরো বলেন, বরিশালবাসী সবার অতীত জানেন। কে কোথায় কি করেছে এটি সবার জানা আছে। মামলার বিষয়ে সরোয়ার বলেন, মামলা যে কারোর নামেই হতে পারে। মামলা হলেই কেউ দোষী হয় না। মিথ্যা মামলার কারণে তার জনসমর্থন বেড়েছে। এ কারণে বরিশাল সদর আসন থেকে চারবার এমপি এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন থেকে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন।

    আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একাধিক নেতা বলেন, যখন কোনো দলের শীর্ষ নেতা একটি বিষয় নিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিষদোগার করেন, তখন তার প্রভাব পড়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝেও। গত ২৫-৩০ বছরেও বরিশালে এমন পাল্টা-পাল্টি বিষোদগার হয়নি। সিটি নির্বাচন ঘিরে দুই নেতার পাল্টা-পাল্টি বিষোদগারের প্রভাব আগামী ৩০ জুলাইয়ের ভোটেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

    এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মানবেন্দ্র বটব্যাল বলেন, রাজনীতিতে এ ধরনের কাদা ছোড়াছুঁড়ি কোনো সুষ্ঠু রাজনীতির পরিচয় নয়। কারো কোনো অতীত নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করা উচিত নয়। এটা রাজনীতির জন্য অশুভ লক্ষণ। এ ধরনের অশুভ রাজনীতি থেকে সবার বিরত থাকা উচিত।

    উল্লেখ্য, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর বড় ছেলে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ আওয়ামী লীগ থেকে মেয়র প্রার্থী হয়েছেন। প্রার্থী হওয়ার পর থেকে সাদিককে যে কোনো ধরনের সাক্ষাৎকার থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এ জন্য মুখপাত্র নিয়োগ করা হয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালকে।

  • ছোট দলগুলোর ঐক্যে বড় দুদলের সরোয়ার হারাতে পারেন হেফাজতের ভোট, সাদিক  হারাতে পারেন  ভূমিহীন ও কলোনিবাসীর ভোট

    ছোট দলগুলোর ঐক্যে বড় দুদলের সরোয়ার হারাতে পারেন হেফাজতের ভোট, সাদিক হারাতে পারেন ভূমিহীন ও কলোনিবাসীর ভোট

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে ছোট দলগুলোর ঐক্যপ্রক্রিয়ায় ‘ঘুম হারাম’ হয়ে যাচ্ছে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়রপ্রার্থীর। ঐক্যপ্রক্রিয়ার কারণে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার হারাতে পারেন হেফাজতের ভোট। আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাদিক আবদুল্লাহ হারাতে পারেন নগরের ভূমিহীন ও কলোনিবাসীর ভোট।

    হেফাজতে ইসলামের বরিশালের আমির ওবায়দুর রহমান মাহাবুব এবার বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের হয়ে। হেফাজতের সমর্থন পাবেন কিনা, তা নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন। সম্প্রতি তিনি হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে হেফাজতে ইসলামের পূর্ণ সমর্থন নিয়ে গত সোমবার তিনি বরিশালের আলেম সমাজের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে হেফাজতের পাশাপাশি আলেম সমাজ ইসলামী আন্দোলনের মেয়রপ্রার্থীর পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

    এদিকে সিটি নির্বাচনে মেয়রপ্রার্থী নিয়ে কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ঐক্যে ফাটল

    ধরেছিল। কিন্তু প্রার্থিতা নিয়ে দ্বন্দ্ব নিরসনে দফায় দফায় বৈঠক চলছে দল দুটির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে। দুদলের মেয়রপ্রার্থীই আশা করছেন, দ্বন্দ্ব নিরসন করে তারা একক প্রার্থী দেওয়ার ব্যাপারে সমঝোতার পথেই হাঁটছেন। তবে দুজনের মধ্যে কে প্রার্থী থাকছেন, সেটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

    ওবায়দুর রহমান মাহাবুব আলেম সমাজকে নিয়ে ভোটের মাঠে নামার ঘোষণায় কপাল পুড়তে পারে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের। কারণ হেফাজতে ইসলাম সমর্থকরাই বিএনপির ‘ভোটব্যাংক’। আর তাই বিএনপির পথের কাঁটা হতে পারেন হেফাজত তথা ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওবায়দুর রহমান মাহাবুব।

    ভোটের সমীকরণে বিপদে আছে আওয়ামী লীগও। কারণ বাম সংগঠন দুটির মেয়রপ্রার্থী নগরের ভূমিহীন ও কলোনিবাসীর কাছে জনপ্রিয়। তারা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাদিক আবদুল্লাহকে ভোট হারাতে হতে পারে। কারণ বাম সংগঠনের অনুসারীরা সাধারণত তাদের প্রার্থীর অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে থাকেন।

    নগরীর বেলতলা জামেয়া ইসলামিয়া মাহামুদিয়া মাদ্রাসা এলাকায় গত সোমবার সকালে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওবায়দুর রহমান মাহাবুব বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষকের সঙ্গে সভা করেন। সেখানে শিক্ষকরা বলেন, আল্লামা শফীর প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তারা মাহাবুবের পক্ষে কাজ করবেন। এ ব্যাপারে ওবায়দুর রহমান মাহাবুব বলেন, শনিবার চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় আমার ওস্তাদ মাওলানা আল্লামা শাহ আহমদ শফী হুজুরের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি নির্বাচন করার জন্য অনুমতির পাশাপাশি দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। একই সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের সমর্থনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই সব আলেম-উলামাকে নিয়ে সোমবার জামেয়া ইসলামিয়া মাহামুদিয়া মাদ্রাসায় বৈঠক করেছি। এ নির্বাচনে বরিশালের আলেম সমাজের মহাঐক্য হবে।

    এদিকে সিপিবির মেয়রপ্রার্থী দলটির জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, সমঝোতার জন্য আলোচনা চলছে। তবে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে আমি মেয়রপ্রার্থী হওয়ার কথা বলেছি। মণীষার এখনো অনেক সময় রয়েছে। এ ছাড়া রংপুর আর সিলেটে আমাদের প্রার্থীরা বাসদের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে। সে হিসেবে বরিশালে বাসদের ছাড় দেওয়া উচিত। তার পরও দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমরা চাচ্ছি ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে।

    বাসদের মেয়রপ্রার্থী ডা. মণীষা চক্রবর্তী বলেন, ঐক্যের চেষ্টা চলছে। সিপিবিকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সিটি নির্বাচনে বাসদের প্রার্থীকে সমর্থন দিতে। প্রতিদান হিসেবে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে সিপিবির প্রার্থীকে সমর্থন দেবে বাসদ। আশা করি, সিপিবি বিষয়টি মেনে নেবে।

    উল্লেখ্য, বরিশাল সিটি নির্বাচনে আগামী ৯ জুলাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, ১০ জুলাই প্রতীক বরাদ্দ এবং ৩০ জুলাই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • ক্ষমা চেয়ে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চাইলেন আরিফ

    ক্ষমা চেয়ে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চাইলেন আরিফ

    অতীতে আচার-আচরণে কোন ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে তার জন্য নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।
    তিনি বলেছেন, ‘ব্যক্তি আরিফ হিসেবে আমার দোষ-ত্রুটি থাকতে পারে। কিন্তু দলের প্রার্থী হিসেবে আপনারা সকল ভেদাভেদ ভুলে আমার সাথে কাজ করুন। আমার আচার-আচরণে কোন ভুল হয়ে থাকলে আপানার ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো, ততোদিন সিলেটের মানুষের পাশে থাকবো।’

    বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট শহরতলির খাদিমনগরস্থ একটি সেন্টারে মহানগর বিএনপি আয়োজিত কর্মীসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আরিফ। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে এই কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিটি নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম প্রসঙ্গে আরিফ বলেন, ‘বদরুজ্জামান সেলিম সবসময় দলের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলেন। তিনি খুবই কর্মঠ নেতা। বর্তমানে তিনি আবেগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। আমি আশা করি, নির্বাচনে তিনি আমার পাশে এসে দাঁড়াবেন।’

    মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনের সভাপত্বি ও মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত সাদেকের পরিচালনায় কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

    তিনি বলেন, ‘সিলেটে যদি ভোটের জরিপ করা হয়, তাহলে দেখা যাবে শতকার ৮০ ভাগ ভোট আমাদের আয়ত্তে আছে। গাজীপুর, খুলনা নির্বাচনে যাদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের জনগণ মেনে নেয়নি। ৩৬০ আউলিয়রা আত্মাধিক শহর সিলেটে এ ধরনের প্রহসন নির্বাচন হতে দেয়া হবে না।’
    কর্মীসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র ঋণবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকি, সহ-সভাপতি সালেহ আহমদ খসরু, হুমায়ুন কবির শাহীন, আব্দুল ফাত্তাহ বকশী, যুগ্ম সম্পাদক আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, হুমায়ুন আহমদ মাসুক প্রমুখ।

  • প্রার্থী তালিকা তৈরি হচ্ছে আওয়ামী লীগেরও

    প্রার্থী তালিকা তৈরি হচ্ছে আওয়ামী লীগেরও

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলীয় পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন জরিপের ভিত্তিতে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের বেছে নেওয়া হচ্ছে। বিএনপি নির্বাচনে আসবে এমনটা ধরে নিয়েই প্রার্থী তালিকা করা হচ্ছে। নানা কারণে বিতর্কিত হয়েছেন কিংবা দল ও সরকারের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন এমন শতাধিক এমপি-মন্ত্রী দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হতে পারেন। জনপ্রিয়তায় যারা এগিয়ে রয়েছেন, তাদেরই নৌকায় তুলছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একটি সুনির্দিষ্ট সময়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে মনোনীত প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

    দলীয় সূত্রমতে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য ২১০টি আসন। বাকি ৯০টি আসন মহাজোটের জন্য রাখা হবে। ২১০টি আসনকে লক্ষ্যমাত্রা ধরে এরই মধ্যে ১৩৫টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছেন। তারা বলছেন, সেপ্টেম্বরের আগেই দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। জোটের প্রার্থীদের আসনও বণ্টন করা হবে তফসিল ঘোষণার আগেই। মনোনয়নবঞ্চিতরা যেন দলের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে না পারে, সে জন্য কেন্দ্র থেকে নানা বিকল্প দেখিয়ে তাদের সন্তুষ্ট করা হবে এবং সবাইকে দলের মনোনীত প্রার্থীকে পাস করানোর জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করার কথা বলা হবে। ১৩৫টি আসনের মধ্যে ১১টি আসনে দুজন করে প্রার্থী রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে একটু সময় নেওয়া হচ্ছে।

    দলীয় সুত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় যারা রয়েছেন, পঞ্চগড়-২ আসনে নুরুল ইসলাম সুজন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে মো. দবিরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ আসনে ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, লালমনিরহাট-১ উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বাবুল অথবা মহাজোট থেকে কেউ, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, রংপুর-৪ টিপু মুন্সী, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, গাইবান্ধা-২ মাহাবুব আরা গিনি, গাইবান্ধা-৩ ইউনুচ আলী সরকার। জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বগুড়া-১ আবদুল মান্নান, নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম, রাজশাহী-১ আসনে ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম, নাটোর-৩ জুনাইদ আহমেদ পলক, সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাহ মুন্না, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, কুষ্টিয়া-৩ মাহবুব-উল আলম হানিফ, চুয়াডাঙ্গা-১ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার, ঝিনাইদহ-২ তাহজীব আলম সিদ্দিক, যশোর-৩ কাজী নাবিল, যশোর-৫ পীযূষকান্তি ভট্টাচার্য, মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান শিখর, মাগুরা-২ বীরেন সিকদার, বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দিন, বাগেরহাট-৩ হাবিবুন্নাহার খালেক, খুলনা-৪ এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, সাতক্ষীরা-৪ এস এম জগলুল হায়দার, বরগুনা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, পটুয়াখালী-২ আ স ম ফিরোজ, ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, ভোলা-৪ আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, বরিশাল-১ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশাল-৪ পংকজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ বেগম জেবুন্নেছা আফরোজ, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু, টাঙ্গাইল-১ ড. আবদুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-২ মশিউজ্জামান খান রুমেল, জামালপুর-১ নূর মোহাম্মদ, জামালপুর-৩ মির্জা আজম, শেরপুর-১ আতিউর রহমান আতিক, শেরপুর-২ মতিয়া চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-১০ ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ নূর মোহাম্মদ, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক স্বপন, মুন্সীগঞ্জ-৩ মৃণালকান্তি দাস, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বিপু, ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ এ কে এম রহমতউল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৪ আসলামুল হক অথবা সাবিনা আক্তার তুহিন, ঢাকা-১৭ ওয়াকিল উদ্দিন আহমেদ অথবা মহাজোটের প্রার্থী, গাজীপুর-১ আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৩ অ্যাডভোকেট রহমত আলী, গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমায়ুন, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৪ এ কে এম শামীম ওসমান, রাজবাড়ী-১ কাজী কেরামত আলী, ফরিদপুর-২ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-৪ কাজী জাফরউল্লাহ, গোপালগঞ্জ-১ লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম। গোপালগঞ্জ-৩ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মাদারীপুর-১ নূর ই আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-২ শাজাহান খান, শরীয়তপুর-১ বি এম মোজাম্মেল হক, শরীয়তপুর-২ এ কে এম এনামুল হক শামীম, শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেনগুপ্ত, সুনামগঞ্জ-৫ মহিবুর রহমান মানিক, সিলেট-১ সদর আসনে আবুল মাল আবদুল মুহিত, সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ, মৌলভীবাজার-১ শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-৩ সৈয়দা সায়রা মহসীন, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, হবিগঞ্জ-৩ আবু জাহির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ সংগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন, কুমিল্লা-৫ আবদুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আ ক ম বাহাউদ্দিন, কুমিল্লা-৮ নাসিমুল আলম চৌধুরী নজরুল অথবা জোটের কেউ, কুমিল্লা-১০ আ হ ম মুস্তফা কামাল, কুমিল্লা-১০ মুজিবুল হক, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর-৪ ড. মোহাম্মদ শামসুল হক ভূঁইয়া, চাঁদপুর-৫ মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম, ফেনী-১ আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম, ফেনী-২ নিজাম উদ্দিন, নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-৪ মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের, লক্ষ্মীপুর-৩ এ কে এম শাহজাহান কামাল, চট্টগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৭ হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-১০ আফসারুল আমিন, চট্টগ্রাম-১২ সামশুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ, কক্সবাজার-৩ সাইমুম সরওয়ার কমল, পার্বত্য বান্দরবানে বীর বাহাদুর উশৈ সিং ও রাঙামাটিতে দীপঙ্কর তালুকদার। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের মনোনয়ন তালিকায় দুজন করে প্রার্থী রাখা আছে কয়েকটি আসনে। সে আসনগুলো হলো— গাইবান্ধা-৫ আসনে ফজলে রাব্বী মিয়া অথবা মাহমুদ হাসান রিপন, চট্টগ্রাম-৬ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী অথবা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, নওগাঁ-৫ আবদুল মালেক অথবা নিজাম উদ্দিন জলিল জন, সিরাজগঞ্জ-৩ গাজী ম. ম. আমজাদ হোসেন মিলন অথবা লুত্ফর রহমান দিলু, পাবনা-১ শামসুল হক টুকু অথবা অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, বাগেরহাট-৪ এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ অথবা ডা. মোজাম্মেল হক, খুলনা-৩ বেগম মন্নুজান সুফিয়ান অথবা এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা-২ কামরুল ইসলাম অথবা শাহীন আহমেদ, গাজীপুর-৫ বেগম মেহের আফরোজ চুমকি অথবা আখতারুজ্জামান, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু অথবা এ বি এম রিয়াজুল কবির কাওছার, চাঁদপুর-৩ ডা. দীপু মনি অথবা সুজিত রায় নন্দী,  সুনামগঞ্জ-৩ এম এ মান্নান অথবা আজিজুস সামাদ ডন, কুমিল্লা-৭ অধ্যাপক আলী আশরাফ অথবা অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত, কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম অথবা দেলোয়ার হোসেন ফারুক। তাদের ব্যাপারে সর্বশেষ জরিপ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে।

  • বরিশালের ২১ আসনে বিএনপি প্রার্থীদের তালিকায় মনোনীত হয়েছে যারা…

    বরিশালের ২১ আসনে বিএনপি প্রার্থীদের তালিকায় মনোনীত হয়েছে যারা…

    নানা প্রতিকূল পরিবেশেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে বিএনপি। যে কোনো পরিস্থিতিতেই দলটি নির্বাচনে যেতে চায়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে ৩০০ আসনে দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা পৌঁছেছে। কয়েক দফা জরিপ চালিয়ে দলের সম্ভাব্য প্রার্থীও চূড়ান্ত করা হয়। সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠপর্যায়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণাও শুরু করেছেন।
    দলটি আশা করছে- ভোটের আগেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারামুক্তি লাভ করবেন। কোনো কারণে তিনি মুক্তি না পেলেও সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে দলটি। হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পাওয়ার পরপরই মাঠে ঝাপিয়ে পড়বেন প্রার্থীরা। এরই মধ্যে তারেক রহমানের নির্দেশনায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র নেতাদের নিয়ে একাদশ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।

    তারেক রহমানের টেবিলে যাওয়া দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ৪২ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। সেখানে মজিবর রহমান সরোয়ারকে বরিশাল-৫ আসনে একক বিবেচনা করা হয়েছে।

    যদিও সরোয়ারকে বিএনপি থেকেই বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে- বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলেও পরাজয় মেনে নিয়েছে।

    তালিকা সূত্রে জানা গেছে- বরগুনা-১ মতিউরর রহমান তালুকদার, ফিরোজ আহমেদ ও মাহবুবুল হক ফারুক মোল্লা, বরগুনা-২ অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও নূরুল ইসলাম মনি।

    পটুয়াখালী-১ এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-২ এ কে এম ফারুক আহমেদ তালুকদার, শহিদুল আলম তালুকদার, পটুয়াখালী-৩ মো. শাহজাহান খান, হাসান মামুন, পটুয়াখালী-৪ এ বি এম মোশাররফ হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক।

    ভোলা-১ বিজেপির আন্দালীব রহমান পার্থ, ভোলা-২ হাফিজ ইব্রাহিম, ভোলা-৩ মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ নাজিমউদ্দিন আলম ও নূরুল ইসলাম নয়ন।

    বরিশাল-১ জহিরউদ্দিন স্বপন, আকন্দ কুদ্দুসুর রহমান, আবদুস সোবাহান ও অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সজল, বরিশাল-২ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সরদার শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, ইলিয়াস খান ও রওনাকুল আলম টিপু, বরিশাল-৩ বেগম সেলিমা রহমান ও অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, বরিশাল-৪ রাজীব আহসান, মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ ও শাহ আবুল হোসাইন, বরিশাল-৫ মজিবুর রহমান সারোয়ার, বরিশাল-৬ আবুল হোসেন খান।

    ঝালকাঠি-১ ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর বীরোত্তম, ঝালকাঠি-২ ইসরাত জাহান ইলেন ভুট্টো, মাহবুবুল হক নান্নু ও জেবা খান।

    পিরোজপুর-১ জামায়াতের দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার ও লেবার পার্টির ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, পিরোজপুর-২ নূরুল ইসলাম মঞ্জুর ছেলে আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন, পিরোজপুর-৩ শাহজাহান মিয়া এবং কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) শাহজাহান মিলন।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের সমর্থন দেবে না আ’লীগ

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের সমর্থন দেবে না আ’লীগ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বা বিএনপি কেউ আপাতত সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি ভাবছে না। আগামী ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচনে কোন ধরনের দলীয় সমর্থন ছাড়াই তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে হবে।
    কেন্দ্রীয় আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী বুধবার (০৪ জুলাই) এই বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন। এই নেতা জানিয়েছেন- আপতত কাউন্সিলরদের নিয়ে ভাবার সময় নেই। যে কারণে ওই পদটিতে দল কোন ধরনের সমর্থন দেবে না। এখন শুধু মেয়র প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছে আ’লীগ।

    তবে দলীয় সমর্থন দেওয়ার নামে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ৩০ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের কাছে ৫ হাজার টাকা মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছিলেন এখানকার নেতারা। এমনকি প্রার্থীদের দল থেকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টিও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকদের অবহিত করেছিলেন বরিশাল মহানগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ‍একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন।

    এদিকে বিএনপির পক্ষ থেকেও বলা হচ্ছে- কাউন্সিলর প্রার্থীকে কোন ধরনের সমর্থন দেওয়া হয়নি। এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস বুধবার রাতে নিশ্চিত করেছেন।’

  • নৌকার সমর্থনে,বরিশাল জেলা করাতকল শ্রমিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা

    নৌকার সমর্থনে,বরিশাল জেলা করাতকল শ্রমিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা

    আগামী ত্রিশে জুলাই বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের নির্বাচন।নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে সেরনীয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সংগঠন তাকে জয়ী করতে আলোচনা সভা করছেন ।

    গতকাল নগরীর চাদমারিতে আলোচনা সভা করছেন বরিশাল জেলা করাতকল শ্রমিক ইউনিয়ন। উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল বিভাগীয় করাতকল শ্রমিক ইউনিয়ন এর সভাপতি,এস এম হুমায়ুন কবির মোতালেব, অন্যান্যের মধ্যে ১১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক সর্দার  ও করাতকল ইউনিয়ন এর সাধারন সম্পাদক সহ শতাধিক শ্রমিক । সবাই,নৌকা,মার্কার প্রার্থী যুবরত্ন  সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ কে নগরপিতা রুপে অধিস্ঠিত করার জন্য সকল রকম কার্যক্রম করবেন বলে আশা রাখেন ।

  • হাসান সরকারের সহযোগিতা চাইলেন মেয়র জাহাঙ্গীর

    হাসান সরকারের সহযোগিতা চাইলেন মেয়র জাহাঙ্গীর

    গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পরাজিত বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নবনির্বাচিত আওয়ামী লীগের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম।

    বুধবার দুপুরে টঙ্গী আউচপাড়া মিত্তিবাড়ি আহসান উল্লাহ সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনে সৌজন্য এ সাক্ষাৎ করেন। এ সময় জাহাঙ্গীর আলম ও হাসান উদ্দিন সরকার নিজেদের মধ্যে কুশল বিনিময় ও মিষ্টিমুখ করেন। এখানে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    সাক্ষাৎকালে নবনির্বাচিত মেয়র মো, জাহাঙ্গীর আলম দল মত এক হয়ে গাজীপুর সিটিকে একটি আধুনিক সিটি করপোরেশন রূপ দেওয়ার জন্য হাসান উদ্দিন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় হাসান উদ্দিন সরকার সকল ভাল কাজে তাকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    গত ২৬ জুন অনুষ্ঠিত গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম নৌকা প্রতীকে ৪ লাখ ১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপরদিকে, তার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার পান এক লাখ ৯৭ হাজার ৬১১ ভোট।