Category: রাজণীতি

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) বেলা ১১টার দিকে সহস্রাধিক আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে বরিশাল শহরের নথুল্লাবাদস্থ আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন জমা দেন তিনি।
    এসময় নির্বাচন অফিসের বাহিরে নেতা-কর্মীরা ‘নৌকা, নৌকা’ বলে শ্লোগান দিতে থাকেন।

    মনোনয়নপত্র জমাকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় আ’লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন এবং আ’লীগ নেতা মাহবুব উদ্দিন (বীর বিক্রম)।’

  • বিসিসি নির্বাচনে ১৪ দলের একক মেয়র প্রার্থী সাদিক আবদুল্লাহ

    বিসিসি নির্বাচনে ১৪ দলের একক মেয়র প্রার্থী সাদিক আবদুল্লাহ

    ১৪ দল বরিশাল জেলা ও মহানগরের এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আসন্ন বরিশাল সিটি নির্বাচনে আ.লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে ১৪ দলের একক মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা দেয়া হয়েছে। গতকাল বিকেল ৫ টায় বরিশাল আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলা ১৪ দলের সমন্বয়ক এড তালুকদার মোঃ ইউনুস এমপি।

    বরিশাল মহানগর আ.লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য পাওয়াগেছে। সভায় ১৪ দলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন-বরিশাল মহানগর আ.লীগের সভাপতি এড গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, অধ্যাপক নজরুল হক নিলু, এড আবদুল হাই মাহবুব, শহীদুল ইসলাম মিরন, দাশগুপ্ত আশীষ কুমার, অধ্যক্ষ আবু রশিদ, মশিউর রহমান মিন্টু, সৈয়দ আনিস, শান্তি দাস ও এড. আফজালুল করিম প্রমুখ। সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে ১৪ দলের একক মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • ইকবাল হোসেন তাপসেই বিভক্ত বরিশাল জাপা!

    ইকবাল হোসেন তাপসেই বিভক্ত বরিশাল জাপা!

    সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবারও ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে বরিশাল জাতীয় পার্টিতে। অচেনা মুখকে দলীয় মেয়র প্রার্থী হওয়ায় এই নির্বাচনে বিদ্রোহের আশঙ্কা তৈরি হয়েছ। দলটির বরিশাল জেলা কমিটির তুখোর নেতা বশির আহম্মেদ ঝুনু মনোয়ন বঞ্চিত হয়ে মাঠে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অবশ্য ইতিমধ্য এই প্রার্থী নির্বচন কমিশনে মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ভেতরে ভেতরে বরিশাল সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ঝুনুকে বিদ্রোহী প্রার্থী হতে উৎসাহ যোগাচ্ছেন জেলার শীর্ষ সারির কয়েক নেতা। বিশেষ করে এই মহলটি ঝুনুকে আগামী নির্বাচনে শক্তপোক্ত প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাইছেন। যে কারণে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে দল মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধাচারণ করার সক্ষমতা দেখিয়েছেন।

    কেন্দ্র ঘোষিত প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপসকে কোন ধরনের সহযোগিতা না করে ঝুনু অনুকূলে জেলার শীর্ষ নেতাদের অবস্থান। অপরদিকে আরেকটি বড় অংশ নিয়ে দলীয় মেয়র প্রার্থী তাপসকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন জেলা কমিটির আহবায়ক মহশিন উল ইসলাম হাবুল ও মহানগরের সভাপতি একেএম মর্তুজাসহ আরও অনেকে। অবশ্য এই নেতার ইতিমধ্যে তাপসের সাথে মাঠে নেমে তাদের অবস্থানও পরিস্কার করেছেন।

    মূলত এই ব্যক্তিকে অনেটা আকস্মিকভাবে প্রার্থী করার কারণেই বরিশাল জাতীয় পার্টিতে ফের বিভক্তি দেখা দিয়েছে। তাছাড়া অচেনা মুখকে প্রার্থী করার বিষয়টিও হাবুল ঘনিষ্টরাও অনেক নেতাকর্মী ভাল ভাবে নেয়নি। যে কারণে এই বিষয়টি নিয়ে ভেতরে ভেতরে তোলপাড় যাচ্ছে। কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়টি অনুমানে নিয়ে সংক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা মুখ খুলছেন না। বরং তাসপকেই সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন।

    অবশ্য এই কারণে অনেক নেতাকার্মী বরিশাল জেলা কমিটির আহবায়ক মহিশিন উল ইসলাম হাবুলকেই দোষারোপ করছেন। তাদের ভাষায় মেয়র প্রার্থী তাপস সম্পর্কে বরিশালের মানুষ অবগত নয়। এমনকি জাতীয় পার্টিতে তার কোন পদপদবী নেই। দাবি করা হচ্ছে- এই ব্যক্তিকে হাবুল ব্যক্তি স্বার্থে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঠে নামিয়েছেন। তাছাড়া তাপসের ভাই বিএনপির রাজনৈতির সাথেও জড়িত রয়েছেন। ফলে রাজনৈতিক পরিচয়বিহীন এই ব্যক্তিকে বরিশালের মানুষ গ্রহণ করার প্রশ্নই আসে না মনে করেন নেতাকর্মীরা।

    যদিও মহশিন উল ইসলাম হাবুল বলছেন- কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। যে কারণে সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নেমেছেন। তার ভাষায় প্রার্থী তাপসের বরিশাল জাতীয় পার্টিতে কোন পদপদবী না থাকলেও তিনি এক সময়কার জাতীয় পার্টির ছাত্রসংগঠন ছাত্রসমাজের নেতা ছিলেন। সাবেক ছাত্রনেতা নাজমুল হোসেন ফয়সালের নেতৃত্বে বরিশাল সরকারি কলেজ ছাত্রসমাজের পাশে থেকে আন্দোলন সংগ্রামে অংশও নিয়েছিলেন। তাছাড়া পেশায় শিল্পপতি অর্থাৎ গার্মেন্টেস মালিক তাপস বিগত সময়ে পার্টির দুর্দিনে পাশে ছিলেন।

    যে কারণে সকল বিষয়াদী বিবেচনায় নিয়ে এই ব্যক্তি মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেন পার্টির চেয়ারম্যান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ। তাপসও বিগত সময়ে জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকার দাবি করছেন। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে- দলীয় ঘরনার নেতাকর্মীরা তাপসের এমন দাবি মানতে নারাজ। বরিশাল শহরের বাসিন্দা হলেও ইকবাল হোসেন তাপসকে রাজনীতির মাঠে দেখেননি কেউ। এমনকি আপাদমস্তক রাজনৈতিক জাতীয় পার্টির বরিশাল মহানগরের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম মর্তুজাও এই বিষয়টি অকপটে স্বীকার করেছেন।

    কিন্তু চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দেওয়ায় এই নেতা বিরোধীতা করার মত সাহস দেখাচ্ছেন না। তবে বলছেন এই প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ায় পার্টিতে কিছুটা হলেও প্রভাব পড়বে। সেক্ষেত্রে বিরাগভাজন হওয়াটা স্বাভাবিক ব্যাপার। এমতাবস্থায় রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন- এমনিতেই রাজনীতির মাঠে বরিশাল জাতীয় পার্টির অবস্থান অনেকাংশে পিছিয়ে। তার পরে বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী থাকলে নির্বাচনে ক্ষতিকর প্রভাব পড়াটা অপ্রত্যাশিত কিছু নয় বলে মনে করা হচ্ছে। তাছাড়া যাকে দল মনোনীত প্রার্থী করা হয়েছে তাকে কেউ জানেন না।

    এমন বাস্তবতায় ঝুনুর মত একজন ভাল মানের নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হলে জাতীয় পার্টি পরাজয় ত্বরান্বিত হওয়াটা স্বাভাবিক। অবশ্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের এই ভাবনাই বাস্তবায়ন প্রশ্নে শঙ্কিত হড়ে পড়েছেন ঝুনুকে সমর্থন দিয়ে যাওয়া বরিশাল জাতীয় পার্টির অন্যতম নেতা শাহ নূর-এ আলম, মহশিন মিয়া ও সাজুসহ আরও অনেকে।’ এক্ষেত্রে তাদের অভিব্যক্তি হচ্ছে- বরিশাল বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু আ’লীগ ক্ষমতার গত ৫ বছরে সেই ঘাটিতে নিজেদের আধিপত্য স্থাপন করেছে।

    এই দুটি দলের প্রার্থীদের মধ্যে বিগত সময়ে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি প্রতীয়মাণ। সেখানে তাপসের মত অরানৈতিক ব্যক্তি কতটা শক্তপোক্ত অবস্থান রাখতে পারবেন সেই বিষয়টি অনেককেই ভাবিয়ে তুলেছে। এক্ষেত্রে বিদ্রোহী প্রাথী ঝুনুর ভাষ্য হচ্ছে- রাজনৈতিক পরিচয়বিহীন ব্যক্তি বিশেষকে চেয়ারম্যান কেন বরিশালের মত গুরুত্বপূর্ণ একটি শহরে প্রার্থীতার সুযোগ দিয়েছেন সেই বিষয়টি অনেককেই প্রশ্নে মুখোমুখি করেছে। যে কারণে এখানকার নেতাকর্মীরা ওই প্রার্থীর কাছ থেকে সরে গিয়ে তাকে (ঝুনু) সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছেন বলে দাবি করে এই নেতা বলেন- তাপস হাবুলের সৃষ্টি। তিনি ছাত্রসমাজের কোন রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না।

    এমনকি জাতীয় পার্টিতে তাকে দেখা যায়নি। মাসখানেক আগে বরিশাল শহরে বিলবোর্ড টাঙিয়ে তিনি নিজেকে শিল্পপতির পাশাপাশি নেতা পরিচয় দেওয়া শুরু করেন। অথচ তিনি রাজধানীতে অবস্থিত একটি চীনা কোম্পানিতে চাকুরি করছেন।

    বরিশাল জাতীয় পার্টির কোন কমিটিতে তার অবস্থান নেই। কিন্তু তার পরেও এখানকার কতিপয় নেতারা সুপারিশে তাকে প্রার্থীতার সুযোগ দেওয়া হয়। তবে নির্বাচনে এই প্রার্থীর কাছ থেকে বরিশালের সচেতন ভোটাররা মুখ ঘুরিয়ে নেবে বলে অভিমত ঝুনুর। যদিও তাপস নিজেকে এই প্রতিবেদকের কাছেও বরিশাল জাতীয় পার্টির নেতা পরিচয় দিয়ে বলছেন- তিনি বিগত দিনে অর্থাৎ পার্টির দুর্দিনে পাশে ছিলেন। যেই বিষয়টি সম্পর্কে নেতাকর্মীরা অবগত রয়েছে বিধায় তার পক্ষে মাঠে নেমেছেন। ফলে নির্বাচনের মাঠে ঝুনুর মত নেতা বিরোধীতা করলে প্রভাব পড়ার সম্ভবনা খুবই কম।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন জমা দিলেন ৫ জন

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন জমা দিলেন ৫ জন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বুধবার বিকেল পর্যন্ত ৫ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে মেয়র পদে নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন আটজন।

    একই সঙ্গে সাধারণ কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা ১৩৯ জনের মধ্যে ৩০ জন ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ৪৩ জনের মধ্যে ১৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    বুধবার বিকেলে নগরীর নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন পাঁচ মেয়র প্রার্থী।

    তারা হলেন- জাতীয় পার্টির (এরশাদ) মনোনীত প্রার্থী জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন তাপস, একই দলের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী বশির আহমেদ ঝুনু, কমিউনিস্ট পার্টির জেলা কমিটির সভাপতি একে আজাদ, সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী ডা. মনিষা চক্রবর্তী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ওবায়েদুর রহমান মাহবুব।

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিএনপি ও আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    বরিশালের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান  জানান, বুধবার বিকেল পর্যন্ত মেয়র পদে পাঁচজন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩০ জন এবং সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ১৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আগামীকাল (২৮ জুন) পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন প্রার্থীরা।

    উল্লেখ্য, গত ৩১ মে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন আগামী ২৮ জুন। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১ ও ২ জুলাই। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ জুলাই। ১০ জুলাই দেয়া হবে প্রতীক বরাদ্দ। ভোট গ্রহণ হবে ৩০ জুলাই।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এবার ২ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৯ জন ভোটার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৩৩২ জন এবং নারী ১ ভোটার লাখ ২০ হাজার ৬২৭ জন।

  • গাজীপুরে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হয়েছে’

    গাজীপুরে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হয়েছে’

    গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মঙ্গলবার শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এ নির্বাচনে কোথাও কোনো সহিংসতার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে কোনো ধরনের হতাহতেরও খবর পাওয়া যায়নি। বিএনপি ছাড়া আর কোনো রাজনৈতিক দল নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলেনি। এ ধরনের পরিবেশই প্রমাণ করে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ছাড়া আরও বেশ কয়েকটি দলের প্রার্থী এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। কিন্তু বিএনপিই কেবলমাত্র নানা অভিযোগ করেছে। আর কোনো দলের প্রার্থী কোনো অভিযোগ করেননি।

    ‘নির্বাচন কমিশন (ইসি) জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে’ বিএনপির এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, বিএনপি গাজীপুরবাসীর রায়কে অপমাণ করেছে। আর তাই তারাও আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপিকে প্রত্যাখান করে তার সমুচিত জবাব দেবে।

    এ সময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য রাশিদুল আলম, মুকুল বোস, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এ কে এম এনামুল হক শামীম, প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সবুর, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী ও উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • বিসিসি নির্বাচন : ৩০ টি ওয়ার্ডএ আওয়ামী লীগ এর কাউন্সিলর প্রার্থীগণ

    বিসিসি নির্বাচন : ৩০ টি ওয়ার্ডএ আওয়ামী লীগ এর কাউন্সিলর প্রার্থীগণ

    বরিশাল মহানগরীর ৩০ টি ওয়ার্ড এর বংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সমর্থন পেলেন যে সকল কাউন্সিলর প্রার্থীগণ, তাদের তালিকাঃ ১ নং ওয়ার্ডে আমির হোসেন বিশ্বাস, ২ নং ওয়ার্ডে আহসান উল্লাহ, ৩ নং ওয়ার্ডে মোঃ মজিবর রহমান মৃধা, ৪ নং ওয়ার্ডে তৌহিদুল ইসলাম বাদশা, ৫ নং ওয়ার্ডে শেখ মোঃ আনোয়ার হোসেন ছালেক, ৬ নং ওয়ার্ডে আক্তারুজ্জামান, ৭ নং ওয়ার্ডে মোঃ রফিকুল ইসলাম খোকন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সুরঞ্জিৎ দত্ত লিটু, ৯ নং ওয়ার্ডে মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম ভূইয়া, ১০ নং ওয়ার্ডে জয়নাল আবেদীন হাওলাদার, ১১ নং ওয়ার্ডে আ’লীগ নেতা মজিবর রহমান, ১২ নং ওয়ার্ডে মো. জাকির হোসেন ভুলু , ১৩ নং ওয়ার্ডে মোঃ মেহেদি পারভেজ খান , ১৪ নং ওয়ার্ডে মো. তৌহিদুর রহমান ছাবিদ, ১৫ নং ওয়ার্ডে লিয়াকত হোসেন খান লাভলু, ১৬ নং ওয়ার্ডে মোশাররফ আলী খান বাদশা, ১৭ নং ওয়ার্ডে গাজী আকতারুজ্জামান হিরু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে মিঞা মোঃ কামরুজ্জামান সোনা , ১৯ নং ওয়ার্ডে গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, ২০ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচন হবে উন্মুক্ত, ২১ নং ওয়ার্ডে সাইদ আহম্মেদ মান্না , ২২ নং ওয়ার্ডে আনিছুর রহমান, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে উন্মুক্ত, ২৪ নং ওয়ার্ডে আনিসুর রহমান শরিফ , ২৫ নং ওয়ার্ডে এম সাইদুর রহমান জাকির, ২৬ নং ওয়ার্ডে হুমায়ন কবির, ২৭ নং ওয়ার্ডে আঃ রশিদ হাওলাদার, ২৮ নং ওয়ার্ডে মোঃ জাহাঙ্গির হোসেন, ২৯ নং ওয়ার্ডে ফরিদ আহম্মেদ এবং ৩০ নং ওয়ার্ডে আজাদ হোসেন মোল্লা কালাম। সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীদের তালিকাঃ ওয়ার্ড নং ১, ২, ৩ (১) মিনু রহমান, ৪,৫,৬ (২) আলম তাজ বেগম, ৭,৮,৯ (৩) কহিনুর বেগম, ১০,১১,১২ (৪) মাকসুদা আক্তার মিতু, ১৩,১৪,১৫ (৫) মোসাঃ কামরুন্নাহার রোজী, ১৬,১৭,১৮ (৬) গায়েত্রী সরকারি, ১৯,২০,২১ (৭) সালমা আক্তার শিলা, ২২,২৩,২৭ (৮) রেশমী বেগম, ২৪,২৫,২৬ (৯) ডালিম বেগম, ২৮,২৯,৩০ (১০) মোসাঃ রোজী বেগম। ২০নং ওয়ার্ডে গতবার এর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জিয়াউর রহমান বিপ্লব ও বর্তমান কাউন্সিলর, আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাব এর সেক্রেটারী এসএম জাকির হোসেন দু’জনই আওয়ামী ঘরানার তাই তাদের সমর্থনের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ২৩নং ওয়ার্ডে প্রয়াত সাবেক কাউন্সিলর রেজভী চৌধুরীর বড় ভাই এমরান চৌধুরী জামাল এবার আওয়ামীলীগ এর মনোনয়ন কিনেছেন, এদিকে উপনির্বাচনে বিজয়ী বর্তমান কাউন্সিলর এনামুল হক বাহার ও আওয়ামীলীগ এর মনোনয়ন ক্রয় করায় বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এই ওয়ার্ড টিতেও উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। দলীয় সমর্থন কাউকেই দেয়া হয়নি।

  • মেসি-রোনালদো পেনাল্টি মিস করলেও শেখ হাসিনা করবেন না’

    মেসি-রোনালদো পেনাল্টি মিস করলেও শেখ হাসিনা করবেন না’

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত যে ধর্ম ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি শুরু করেছে তা বন্ধ করতে হবে। দেশের মানুষ এখন সচেতন, তাদের সঙ্গে নিয়ে এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে আগামী নির্বাচনে বিরোধী দলকে লাল কার্ড দেখানো হবে। বিশ্বকাপে মেসি-রোনালদো পেনাল্টি মিস করতে পারেন, শেখ হাসিনা পেনাল্টি মিস করবেন না।

    মঙ্গলবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সেমিনার কক্ষে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘জাহানারা ইমাম স্মৃতিপদক প্রদান, স্মারক বক্তৃতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি আর কখনো ক্ষমতায় আসবে না। ঘাতকদের মূল উৎপাটন না করা পর্যন্ত ঘৃনিত এই অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই শেষ হবে না। এদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে মুক্তিযুদ্ধের শক্তিকে আরও জোরালো ভূমিকা রেখে দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

    তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসনের সময়ে জাহানারা ইমাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘাতকদের নির্মূলে প্রতীকী বিচারের ডাক দিয়েছিলেন। সেসময় অনেক বাধা প্রতিহত করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সারাদেশের মানুষ জমায়েত হয়েছিল। জাহানারা ইমাম এর মধ্য দিয়ে বাঙালির হারিয়ে যাওয়া চেতনা ফিরিয়ে এনেছিলেন।

    একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক অজয় রায়ের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন কমিটির সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির, কথাশিল্পী অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক, ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক কাজী কামরুজ্জামান, রিসার্চ ইনিসিয়েটিভ বাংলাদেশে এর নির্বাহী পরিচালক ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা এবং কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য অধ্যাপক ড. উত্তম কুমার বড়ুয়া।

    পরে কথাশিল্পী অধ্যাপক হাসান আজিজুল হককে জাহানারা ইমাম স্মৃতিপদক ও প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    শহীদ জননী জাহারারা ইমাম ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার মৃত্যুবার্ষির্কী উপলক্ষে প্রতিবছর কেন্দ্রীয়ভাবে ‘জাহানারা ইমাম স্মারক বক্তৃতা’,আলোচনা সভা এবং ‘জাহানারা ইমাম স্মৃতিপদক’ প্রদানের আয়োজন করা হয়।

  • আমরা সন্তুষ্ট : ইসি সচিব

    আমরা সন্তুষ্ট : ইসি সচিব

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট।

    মঙ্গলবার (২৬ জুন) বিকেলে আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    সচিব বলেন, ৪২৫ কেন্দ্রের মধ্যে অনিয়মের কারণে ৯ কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করা হয়েছে। বাকি ৪১৬টিতে সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন হয়েছে।

    ভোটে বিন্দুমাত্র অনিয়ম বরদাস্ত করেনি কমিশন। অনিয়মের কারণে কমিশনের নির্দেশেই ৯ কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। বিন্দুমাত্র অনিয়মের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

    বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তাই সে বিষয়ে কিছু জানা নেই।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র দেখা যাচ্ছে জানতে চাইলে সচিব বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশ্বাসযোগ্য নয়। ৯ কেন্দ্রের বাইরে কোনো অনিয়ম হয়নি?

    ৯ কেন্দ্রের বাইরে অনিয়মের কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই বা কেউ কোনো অভিযোগও করেনি। বিন্দুমাত্র অভিযোগ পেলে তা বন্ধ করা হয়েছে। কমিশন ভোটে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

  • এক লাখ ৩৩ হাজার ভোটে এগিয়ে জাহাঙ্গীর

    এক লাখ ৩৩ হাজার ভোটে এগিয়ে জাহাঙ্গীর

    গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২১৫টি কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী এক লাখ ৩৩ হাজার ৫১৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম।

    এসব কেন্দ্রে তিনি নৌকা প্রতীকে দুই লাখ ৪১ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার পেয়েছেন এক লাখ ৭ হাজার ৯৫২ ভোট।

    রাত পৌনে ১০টায় শেষ খবর পাওয়া অনুযায়ী ২১৫টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। বিভিন্ন কারণে ৯টি কেন্দ্র স্থগিত রয়েছে। ২০১টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া বাকি রয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচনে ৫৭টি ওয়ার্ডের ৪২৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয়। ৮ ঘণ্টা ভোটগ্রহণ চলাকালীন বিভিন্ন কেন্দ্রে অপ্রীতিকর কিছু ঘটনা ঘটলেও সম্পন্ন হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবেই।

    ভোট শুরু হওয়ার ২৪ মিনিট পর নিজ বাসভবন সংলগ্ন ৫৪নং ওয়ার্ডের আউচপাড়ায় বশির উদ্দিন উদয়ন একাডেমি কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার। অপরদিকে সকাল নয়টায় সিটি কর্পোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কানাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হাজির হয়ে ভোট দেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম।

    গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে ৫৭টি ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মধ্যে একজন কাউন্সিলর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাই ৫৭টির মধ্যে ৫৬টি ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ২৫৪ জন ও সংরক্ষিত ১৯ নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ৮৪ জন এবং মেয়র পদে সাতজন প্রার্থী এ নির্বাচনে অংশ নেন। নির্বাচনে মোট ৩৪৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    নির্বাচন কমিশনের সূত্র অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের ৫৭টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৭ জন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৯৩৫ জন পুরুষ এবং ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১ জন নারী।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী সরোয়ার

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী সরোয়ার

    বর্তমান মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকেই আসন্ন রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী করা হয়েছে।
    এছাড়া বরিশাল সিটিতে প্রার্থী বদলে মজিবর রহমান সরোয়ারকে নতুন করে প্রার্থী করেছে দলটি। আর সিলেটে বিএনপির মেয়র প্রার্থীর নাম জানা যাবে সোমবার।

    রোববার (২৪ জুন) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ ঘোষণা দেন।

    নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটিতে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ জুন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ জুলাই।

    প্রসঙ্গত: বরিশালের মজিবর রহমান সরোয়ার বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এবং বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি ।