Category: রাজণীতি

  • ভালকে খারাপ আর খারাপকে ভাল বলাই বিএনপির বৈশিষ্ট্য: তোফায়েল

    ভালকে খারাপ আর খারাপকে ভাল বলাই বিএনপির বৈশিষ্ট্য: তোফায়েল

    আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ভালকে খারাপ আর খারাপকে ভাল বলাই বিএনপির বৈশিষ্ট্য।  তিনি আরও বলেন, বিএনপি এমন একটি দল যার কোনো নীতি নেই। সারাদেশের মানুষ খুলনা সিটির নির্বাচন নিয়ে প্রশংসা করেছে, কিন্তু এই নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা রকম কথা বলছে বিএনপি।

    শনিবার দুপুরে ভোলা সদরের ইলিশা ইউনিয়নে জেলেদের মধ্যে জেলে পুনর্বাসনের চাল বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ সময় মন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন রংপুর, কুমিল্লা, গাইবান্ধা ও খুলনার নির্বাচন সফলতার সঙ্গে করেছে। কোথাও নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি। কিন্তু বিএনপি স্বপ্ন দেখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের। তাদের সে স্বপ্ন কোনোদিনই পূরণ হবে না। সংবিধান অনুসারে নির্বাচন হবে।

    বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার উন্নয়নে বিশ্বাস করে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ সম্মানিত হয়েছে প্রসংশিত হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইউনুস, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলামসহ দলীয় অঙ্গ-সংগঠনের নেতারা।

  • জনগণ রাস্তায় নামলে টিকতে পারবেন না

    জনগণ রাস্তায় নামলে টিকতে পারবেন না

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, জনগণের সঙ্গে বারবার প্রতারণা করা যায় না। যারা ভাবছেন জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে ক্ষমতায় টিকে থাকবেন তা ভুলে যান। জনগণ রাস্তায় নামলে টিকতে পারবেন না।

    শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    বেগম খালেদা জিয়ার রায় নিয়ে তিনি বলেন, হাইকোর্ট জামিন দিলো, আপিল বিভাগও জামিন দিলো। কিন্তু সরকার অন্যান্য মামলা নিয়ে যেভাবে পরিকল্পনা করছে তাতে বোঝা যায় তারা খালেদা জিয়াকে বন্দী রেখে নির্বাচন করতে চায়।খালেদা জিয়াকে মাইনাস করে যে নির্বাচনের পরিকল্পনা করা হয়েছে জনগণ তা মেনে নিবে না।

    আন্দোলন ঘোষণা দিয়ে হয় না উল্লেখ করে মোশাররফ বলেন, কোটা আন্দোলন দেখুন। কোনো নেতাও ছিল না। সময় আসছে। জনগণ আর আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকবে না। নিজেরাই রাস্তায় নেমে নিজেদের অধিকার আদায় করে নেবে।

    তিনি বলেন, সরকার বলেছিল রমজানে নিত্যপণ্যের মূল্য বাড়বে না। রমজানের অথচ দুদিনের মধ্যে সব বেড়ে গেছে। তারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।

    সভায় আরো বক্তব্য দেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন আলম প্রমুখ।

  • গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে একযোগে সংগ্রামে নামতে হবে: ফখরুল

    গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে একযোগে সংগ্রামে নামতে হবে: ফখরুল

    গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে একযোগে সংগ্রামে নেমে পড়তে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরের দিকে সবাই তাকিয়ে থাকে। তাই আপনারা সংগঠিত হন। যখনই প্রয়োজন হবে তখনই যাতে রাস্তায় নেমে আসতে পারেন।

    শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন ভাসানী মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত এক সিডি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

    মির্জা ফখরুল বলেন, যদি বিরোধী দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে যদি নির্বাচন না হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে যদি মুক্তি দেয়া না হয়, যদি সংসদ ভেঙে দেয়া না হয়, যদি সেনাবাহিনী মোতায়েন না হয়’ তাহলে আগামী নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে এবং বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। সেই আন্দোলন তখন সফল হবে যখন গণতন্ত্র ও বেগম জিয়ার মুক্তির জন্য জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে পারবো। আর জাতীয় ঐক্যের মধ্যে দিয়েই এ পাথর (সরকার) সরাতে হবে। এ দানবকে সরাতে হবে। তারা (সরকার) দানবের চেয়েও খারাপ অবস্থান নিয়েছে।

    তিনি বলেন ‘দানবকে সরাতে হলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দল-মতনির্বিশেষে সমস্ত রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং সকল ব্যক্তির ঐক্য সৃষ্টি করে তাদেরকে পরাজিত করতে হবে এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।’

    খুলনা নির্বাচনে যে অনিয়ম হয়েছে তার তদন্ত হওয়া উচিত- ঢাকায় নিযুক্ত আমেরিকান রাষ্ট্রদূতের এ বক্তব্যে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই নির্বাচন কমিশন তদন্ত করবে না। কারণ ইসি সরকারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, আমরা কথা বলছি, কাজ করছি, আন্দোলন করছি এবং আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীরা জেলে গেছে। কিন্তু এরপরও আমরা বেগম জিয়াকে বাইরে আনতে পারিনি। এটা একদিকে যেমন ব্যর্থতা অন্যদিকে সরকারের ভয়ঙ্কর রূপ প্রকাশিত হয়েছে।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী নির্বাচন বেগম জিয়া অংশগ্রহণ করলে তাদের ভরাডুবি কেউ ঠেকাতে পারবে না। সেই কারণে অত্যন্ত সু-পরিকল্পিতভাবে চক্রান্ত করে নির্বাচনের আগে মিথ্যা মামলায় তাকে কারাগারে আটক করেছে।

    ‘কোটি জনতার মা’ পর্ব-১’ সিডি উদ্বোধন এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার।

    এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন খান উজ্জ্বল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ- সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কণ্ঠশিল্পী মনির খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, কণ্ঠশিল্পী নাসির প্রমুখ।

    অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, জাসাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট আহসান উল্লাহ চৌধুরী, মাকসুদুর রহমান টিপু, মহানগর বিএনপি নেতা মীর হোসেন মিরু, ইকবাল হোসেন নান্টু প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্বেচ্ছা সেবক দল নেতা আক্তারুজ্জামান বাচ্চু।

  • গাজীপুর নির্বাচনে ‘নতুন কৌশল’ নেবে বিএনপি

    গাজীপুর নির্বাচনে ‘নতুন কৌশল’ নেবে বিএনপি

    গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ‘নতুন কৌশল’ নিয়ে এগুবার কথা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    বুধবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি। এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শাইরুল কবীর খান উপস্থিত ছিলেন।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘খুলনায় জনগণের সাথে হিপোক্রেসি করেছে তারা (সরকার)। সেখানকার জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অবশ্যই গাজীপুরের নির্বাচনে নতুন করে ভাববো, নতুন স্ট্র্যাটেজি নেব অথবা সিদ্ধান্ত নেব নতুন করে।’

    তিনি বলেন, ‘আলোচনা হবে আমাদের পার্টির সব লেভেলে। কারণ খুলনার নির্বাচনটা নিঃসন্দেহে আই ওপেনার। সব মিলিয়ে আমরা চিন্তা করব।’

    গাজীপুরের নির্বাচনে আপনারা যাচ্ছে না এটাই কি ধারণা করা যায়- এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা গাজীপুরের নির্বাচনে যাব না- এটা আমরা বলছি নাই। আমরা বলছি যে, এই নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় ও এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া সম্ভব না। এটা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।’

    তিনি বলেন, ‘যাব কি যাব না- বহু রাজনৈতিক কৌশল আছে, বহু রাজনৈতিক প্রশ্ন আছে। সেটা আমরা আলোচনা করে বসে সিদ্ধান্ত নেব।’

    খুলনা সিটি নির্বাচনে ক্ষমতাসীনরা ‘নতুন কৌশল’ নিয়ে ভোট করেছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খুলনায় ক্ষমতাসীনরা যেভাবে নির্বাচন করছে- এটা নতুন কৌশল। কৌশলটা একেবারে নতুন। দৃশ্যত ভালো, সুন্দর, শান্ত। ভেতরে সবকিছু গোলমাল হয়ে যাচ্ছে। কীভাবে করেছে ভয়-ভীতি, ত্রাস সৃষ্টি করে, আইনশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সেখানে একটি ক্ষেত্র তৈরি করেছে তারা।’

    বিএনপি মহাসচিবের ভাষায় খুলনায় সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হলে ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মনজু এক লাখ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হতেন।

  • ছাত্রলীগের ৩২৩ জন ডাক পাচ্ছেন গণভবনে

    ছাত্রলীগের ৩২৩ জন ডাক পাচ্ছেন গণভবনে

    ছাত্রলীগের নেতা হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা ৩২৩ প্রার্থী ডাক পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারি বাসভবন গণভবনে। আগামী রোববার ও সোমবার ডাকা হতে পারে এসব পদ প্রত্যাশীদের।

    দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বুধবার রাতে গণভবনে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    সূত্রের দাবি অনুযায়ী, পদ প্রত্যাশীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। নেতা হিসাবে দায়িত্ব তুলে দেয়ার আগে তাদের রাজনৈতিক মেধা, দক্ষতা, যোগ্যতার পরীক্ষা নিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন শেখ হাসিনা। ফলে চলতি সপ্তাহেও হচ্ছে না ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা।

    বৈঠকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়াও ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রলীগের নেতা হতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের সাক্ষাতকার নেয়া শেষে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গেও আবার বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে ১১১ ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্যে ২১২ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। চলতি মাসের ১১ও ১২ তারিখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে নতুন নেতা নির্বাচন করা ছাড়াই শেষ হয় সম্মেলন।

    এর আগে তিন দফা ভোটর মাধ্যমে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা নির্বাচিত হয়। সারাদেশ থেকে আসা কাউন্সিলররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। তবে গত দুই বার ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হলেও তাদের নিয়ে নানা সমালোচনা হয়। সর্বশেষ দুই বারের কমিটিতে সংগঠনটিতে অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সংগঠনের বিরুদ্ধে এসব নানা অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীকে হতাশ করেছে। এরই পরিপ্রক্ষিতে সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোট প্রক্রিয়া বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত জানান শেখ হাসিনা। তিনি সিলেকশনে নেতা বানানোর সিদ্ধান্ত জানান।

  • খুলনায় ভোটারদের মধ্যে শুধুই হাহাকার : বিএনপি

    খুলনায় ভোটারদের মধ্যে শুধুই হাহাকার : বিএনপি

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছে বিএনপি। জাল ভোট, দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার কথা উল্লেখ করে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বলেছেন, ক্ষমতাসীনদের কল্যাণেই খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে চিরাচরিত উৎসবের আমেজ নেই, ভোটারদের মনে শুধুই হাহাকার।

    মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে খুলনা সিটি করপোরেশন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এসব কথা বলেন রিজভী আহমেদ।

    এ সময় তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে নির্বাচন মানে বিরাট ধাপ্পা। নির্বাচনে জয়লাভ করায়ত্ত্ব করতে তারা মরিয়া। তাই অশান্তি আর নিগ্রহে ভরপুর খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।’

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, ধানের শীষের নারী এজেন্টদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিয়ে বলা হচ্ছে তারা যেন ভোট কেন্দ্রে না যায়, ভোট কেন্দ্রে গণ্ডগোল হবে। পুরুষ এজেন্টদের ওপর হামলা করে আহত করা হয়েছে। ধানের শীষের এজেন্ট, সাধারণ ভোটারদের হুমকি, ভীতি প্রদর্শনের সিংহভাগ দায়িত্ব পালন করছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

    তিনি আরও বলেন, ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানিয়েছেন সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা পুলিশের সহায়তায় ৪০টি ভোটকেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। খালিসপুর ১৫নং ওয়ার্ডে বিএনপি এজেন্ট লিলি এবং লিমা আক্তারকে মধ্য পালপাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় মারধর করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। তাদের এজেন্ট কার্ড ছিঁড়ে ফেলা হয়, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়া হয় এবং ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়।

    তিনি বলেন, ৩১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কবিরের নেতৃত্বে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ভোটারদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে। ২০নং ওয়ার্ডে এইচআরএইচ প্রিন্স আগাখান উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে পুলিশের সহযোগিতায় আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সাধারণ ভোটারদেরকে বের করে দিয়ে নৌকা মার্কায় সিল মারছে।

    বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ফাতেমা স্কুল কেন্দ্রে প্রকাশ্যে নৌকায় সিল মারা হচ্ছে। ২৫নং ওয়ার্ডের সিদ্দিকিয়া মাদরাসা ও নুরানী মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট দিচ্ছে। ১৫নং ওয়ার্ডে নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল ও পলিটেকনিক স্কুল কেন্দ্রে বিএনপি এজেন্টদের কাছ থেকে আইডি কার্ড কেড়ে নিয়ে বের করে দেয়া হয়েছে। ৪নং ওয়ার্ডে দেয়ানা উত্তর পাড়া কেন্দ্রে বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা এবং বিএনপি কর্মী মিশুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২১ নং ওয়ার্ডে প্রভাতী স্কুল ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদেরকে মারধর করে প্রশাসনের সামনেই বের করে দেয়া হয়েছে। সদর থানা কয়লাঘাট স্কুল ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে বিএনপি এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। ২২নং ওয়ার্ডের ১৭৯নং কেন্দ্রের সামনে থেকে যুবদলের কর্মী সেলিমকে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিশনার প্রার্থী বিকু কাজী ধরে নিয়ে গেছে। একই কেন্দ্রে বিএনপি নেতা খান মঈনুল হাসান মিঠু ও আলী আকবরকে হামলা চালিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। তারা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

    এ সময় অন্যদের মধ্যে বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন, তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনায় প্রচারণার অস্ত্র পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

    খুলনায় প্রচারণার অস্ত্র পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

    পাল্টাপাল্টি অভিযোগে জমে উঠেছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা।

    বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করে বলেছেন, পুলিশি নির্যাতন, অপ্রচারের মাধ্যমে আরও একবার সরকারের দানবীয় চেহারা ফুটে উঠেছে। নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে শেখ হাসিনার পরিবারের লোক নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে বসে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষদের ডেকে নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। প্রতিদিনই নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশির নামে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। ডিবি পুলিশ, থানা পুলিশ ও আওয়ামী লীগ একই সুরে কথা বলছে।

    শুক্রবার সকাল ৮টায় নগরীর মিয়াপাড়ায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব অভিযোগ করেন মঞ্জু।

    তিনি বলেন, আমি একজন মেয়র প্রার্থী। আমার কাজ হচ্ছে ভোট প্রার্থনা করা। এই মুহূর্তে আমার ভোটারের কাছে থাকার কথা ছিল। তা না করে আমাকে আবারও সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করতে হয়েছে। কারণ এই সিটি নির্বাচনে সরকারের দানবীয় চেহারা আবারও ফুটে উঠেছে।

    বিএনপির মেয়র প্রার্থী বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে পুলিশ আবারও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান পারিচালনা করছে। গভীর রাত পর্যন্ত আমাকে মহানগরীর থানায় থানায় ঘুরতে হয়েছে। একদিকে ডিবি নামক আতঙ্ক, অন্যদিকে থানা পুলিশ। তিনি বলেন, আমাদের মিছিল বড় হচ্ছে, জমায়েত বড় হচ্ছে। এটাই সরকারের মাথা ব্যাথার কারণ।

    তিনি গ্রেফতারকৃত বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান।

    আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে খুলনায় ভোট পর্যবেক্ষণে আসার আহ্বান জানান তিনি।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ প্রচার সম্পাদক কৃষিবীদ শামীমুর রহমান শামীম, বিজেপির মহানগর সভাপতি এ্যাড. লতিফুর রহমান লাবু জামায়াতের মহানগর শাখার সহকারি সেক্রেটারি এড. শাহ আলম, নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফকরুল আলম, বিএনপি নেতা এহতেশামুল হক শাওন উপস্থিত ছিলেন।

    অপরদিকে মঞ্জুর অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়কারী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এসএম কামাল বলেছেন, নজরুল ইসলাম মঞ্জুর বক্তব্যে প্রমাণিত হয়েছে তিনি নিজেই জঙ্গি এবং জামায়াত-শিবিরের পৃষ্ঠপোষক।

    তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি প্রার্থী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডারদের জড়ো করছেন।

    বেলা ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসএম কামাল বলেন, বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু আমাকে জঙ্গির হুমকি দিয়েছেন। এতেই বোঝা যায় তারাই জঙ্গির পৃষ্ঠপোষক আর বিএনপি আমলেই খুলনা সন্ত্রাসের নগরীতে পরিণত হয়েছিল।

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি দীর্ঘ সময় ধরে দেশের ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু তারা দেশবাসীর ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। বিএনপি এখন বাংলাদেশকে পাকিস্তানের মতো একটি অকার্যকর দেশে পরিণত করতে চাইছে।

  • পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুর কন্যার পাশে থাকা পরিবারের সন্তান আমি : জাকির

    পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুর কন্যার পাশে থাকা পরিবারের সন্তান আমি : জাকির

    ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন বলেছেন, ‘১৯৭৫ এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারকে হত্যা করা হয়। সেসময় বিদেশে বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে ছিল আমার পরিবার। আমি সিলেটের সেই পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছি। সে পরিবারের সন্তান হিসেবে আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন কর্মী থেকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।’

    শুক্রবার রাজধানীতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের ২৯তম সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট পেশের সময় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে মঞ্চে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    জাকির বলেন, ‘জননেত্রীর দেয়া দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের চেষ্টা করেছি। জানি না আমরা কতটুকু সফল হয়েছি। ছাত্রলীগকে গ্রাম-গঞ্জে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করেছি। যে কাজ করেছি তার সব কর্তৃত্ব আপনাদের (ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের)। তারপরও যদি কোনো ভুল থাকে তা আমি ও আমার সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ মাথা পেতে নিচ্ছি।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর ৯ মাসের মধ্যে ১০৯টি শাখার কমিটি গঠন করি। প্রতিটি বিভাগ, জেলা, উপজেলায় কমিটি গঠন করেছি। নতুন করে ৭০২টি পৌরসভার কমিটি দিয়েছি।

    এ সময় সংগঠনটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে গেছি। সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে ছাত্রলীগ পাশে ছিল। মাদক ও জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গঠন করার জন্য কাজ করেছি। পাশাপাশি ছাত্রলীগকে সচেতন করার জন্য চেষ্টা করেছি।’

    ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘রাজনীতি শেখার পাঠশালা হচ্ছে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের তিনটি কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা। এই তিনটি কাজ করলে আপনারা পরাজিত হবেন না। ভালো ছাত্র হয়ে ছাত্রলীগ পরিচালনা করতে হবে।’

  • খালেদা জিয়ার বৃটিশ আইনজীবীকে ভিসা দিচ্ছে না সরকার: রিজভী

    খালেদা জিয়ার বৃটিশ আইনজীবীকে ভিসা দিচ্ছে না সরকার: রিজভী

    কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলার আইনজীবী টিমের পরামর্শক ব্রিটিশ আইনজীবী লর্ড কার্লাইলকে সরকার ভিসা না দিয়ে বাংলাদেশে আসতে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি।
    মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
    তিনি বলেন, লর্ড কার্লাইল ৮ মে’র সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের শুনানিতে ডিফেন্স টিমে অংশ নিতে তিনি গত কয়েক সপ্তাহ আগে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ভিসার জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু হাইকমিশন তাকে  ‘হ্যাঁ’ ও বলেননি, ‘নাও’ বলেনি। এতে স্পষ্ট যে, সরকার প্রত্যক্ষভাবে আইনজীবী লর্ড কার্লাইলকে বাংলাদেশে ঢুকতে বাধা দিচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার যে শক্তিশালী লিগ্যাল টিম আছে তা যাতে আরো শক্তিশালী না হয়, সেটাকে বাধাগ্রস্ত করতেই বেআইনিভাবে তাকে ভিসা দেয়া হয়নি।
    রিজভী লর্ড কার্লাইল আল জাজিরায় দেয়া সাক্ষাৎকারের বক্তব্য তুলে ধরে রিজভী বলেন, আজকে লর্ড কার্লাইভকে ভিসা দেয়া হলো না। অথচ ১/১১ এর সময়ে আজকের প্রধানমন্ত্রী যখন জেলে ছিলেন তখন তিনি কানাডার একজন আইনজীবী প্রফেসর প্যায়াম একাদাম ও ব্রিটেনের একজন আইনজীবী চেরি ব্লেয়ারকে নিয়োগ দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছিলেন এবং তারা সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রেখেছিলেন। আমরা বার বার বলে এসেছি, প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে এবং তাকে সাজা দেয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল খালেদা জিয়ার জামিনে ন্যায়বিচার পাবে বলে প্রত্যাশা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিচার বিভাগ সাংবিধানিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন। সেখান থেকে আমরা ন্যায়বিচার পাবো।
  • ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা হবে :মোহাম্মদ নাসিম

    ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা হবে :মোহাম্মদ নাসিম

    ভোলা প্রতিনিধি  : আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি বলেছেন, আগামী ২০১৯ সালে নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনেই হবে। ওই নির্বাচনে বিএনপি আসতে বাধ্য হবে এবং হারবে। কারণ, শেখ হাসিনার উন্নয়ন দেখে মানুষ আবারো আওয়ামী লীগকেই ভোট দেবে।

    মঙ্গলবার (৮ মে) দুপুরে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, আগামী বছরের ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা হবে। খেলা হবে দু’দলের মধ্যে আর মাঠে রেফারির দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। আমরা খালি মাঠে গোল দিতে চাই না।

    এসময় শেখ হাসিনা উন্নয়নের নেত্রী উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্ব বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করছে। ছিটমহল উদ্ধার, পদ্মাসেতু নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ সব ক্ষেত্রেই উন্নয়নের মডেল এখন বাংলাদেশ।

    সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি।

    চরফ্যাশনের ব্রজগোপাল টাউন হলে আয়োজিত সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ভোলার সিভিল সার্জন ডা. রথীন্দ্রনাথ মজুমদার।

    সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সিরাজুল হক খাঁন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এ মাহী। চরফ্যাশন উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম ভিপি প্রমুখ।

    দুপুরে মধ্যাহ্ন ভোজ ও বিশ্রাম শেষে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সু-উচ্চ জ্যাকব টাওয়ার ও বিনোদন পার্ক পরিদর্শন, চরফ্যাশন-মনপুরার সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম অধ্যক্ষ মিয়া মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের কবর জিয়ারত করেন।