Category: রাজণীতি

  • খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতির খবরে লেবার পার্টির উদ্বেগ

    খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতির খবরে লেবার পার্টির উদ্বেগ

    খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতির খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শ‌রিক বাংলাদেশ লেবার পার্টি। সোমবার সকালে এক বিবৃতিতে ‌লেবার পা‌র্টির নেতারা এ উদ্বেগের কথা জানান।

    লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তা‌ফিজুর রহমান ইরান ছাড়াও বিবৃতি দাতাদের মধ্যে আরও রয়েছেন পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাস‌চিব প্রকৌশলী ফ‌রিদ উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান লোকমান হা‌কিম, মো. ফারুক রহমান, মো. মোসলেম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট আ‌মিনুল ইসলাম রাজু, মাহবুবুর রহমান খা‌লেদ, মো. জ‌হুরুল হক চৌধুরী জ‌হির, মো. আ‌মিনুল ইসলাম, এসএম ইউসুফ আলী।

    বিবৃতিতে লেবার পার্টির নেতারা বলেন, কারা কর্তৃপক্ষের সুপারিশের পরও খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ব্যাপারে সরকারের উদাসীনতা দেখে আমরা মর্মাহত। সরকারের এ স্বেচ্ছাচারী অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

    তারা আরও বলেন, খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির চেয়ারপারসনই নন, তিনি তিনবারের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি কারাগারে নানা জটিল রোগে আক্রান্ত। তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে সরকার।

    ‘আমাদের প্রত্যাশা, সরকার অবিলম্বে উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।’

  • জনগণ দেখ‌লেই ভয় পায় সরকার

    জনগণ দেখ‌লেই ভয় পায় সরকার

    জনগণ দেখ‌লেই ভয় পায় সরকার জানিয়ে বিএন‌পির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, খালেদা জিয়া বর্তমানে নানাবিধ জটিল রোগে ভুগলেও তার সুচিকিৎসার দাবি আমলে না নিয়ে বরং আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিষ্ঠুর রসিকতা করছেন। তিনি বলেন, সরকার জন আত‌ঙ্কে ভুগ‌ছে। বি‌রোধী দল‌কে কোনো কর্মসূ‌চি পালন কর‌তে দি‌চ্ছে না। সরকা‌রের এমন অগণতা‌ন্ত্রিক আচার‌ণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
    আজ নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এ কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া প্রতিহিংসার শিকার। এজন্য জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে দায়ের করা মামলায় অন্যায় সাজা দিয়ে তাকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। বিএন‌পি চেয়ারপ‌ারসন বেগম খা‌লেদা জিয়ার মু‌ক্তির দা‌বি‌তে সমা‌বে‌শের অনুম‌তি দেয়নি। পু‌লিশ জা‌নি‌য়ে দি‌য়ে‌ছে বিএন‌পি‌কে কোথাও সমা‌বে‌শের অনুম‌তি দেওয়া হবে না।

    এ সময় বিএন‌পি চেয়ারপারস‌নের উপ‌দেষ্টা আব্দুস সালাম, বিএন‌পির যুগ্ম মহাস‌চিব সৈয়দ মোয়া‌জ্জেম হো‌সেন আলাল, সহ-সাংগঠ‌নিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর সম্পাদক বেলাল আহ‌মেদ প্রমুখ উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

  • খালেদা জিয়ার মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে বিএনপি’র সমাবেশ

    খালেদা জিয়ার মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে বিএনপি’র সমাবেশ

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক (এমপি), উত্তর জেলা বিএনপি সভাপতি ও বিক্ষোভ সমাবেশের সভাপতি অধ্যাপক মেজবা উদ্দিন ফরহাদ বলেছেন, দেশের বিচার বিভাগের উপর ভোটারবিহীন আওয়ামী সরকারের শাষন ভর করার কারনে বিচারপতিরা দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

    দেশের বিচারপতিরা অবৈধ আওয়ামী সরকারের মন খুশি করার মত যদি রায় প্রদান না করে তাহলে তাদেরকে সরিয়ে দিচ্ছে। অবৈধ সরকার উন্নয়নের দোহাই দিয়ে দেশের মানুষকে বোকা বানিয়ে গনতন্ত্রকে নির্বাসিত করার অপচেষ্ঠা করে যাচ্ছে। তাই দেশ নেত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গনতন্ত্র উদ্বারের আন্দোলন আরো বেগবান করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের স্বোচ্চার হওয়ার আহবান জানান।

    আজ সোমবার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সু-চিকিৎসা নিঃ শর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে বরিশাল উত্তর জেলা ও দক্ষিন জেলা বিএনপি সহ মহানগর বিএনপি পৃথক ভাবে বিক্ষোভ প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। সকাল ১১টায় অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে উত্তর জেলা ও দক্ষিন জেলা বিএনপি যৌথভাবে এক প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

    প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বরিশাল কোতয়ালী বিএনপি সভাপতি এ্যাড. এনায়েত হোসেন বাচ্চু, উত্তর জেলা বিএনপি সহ-সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম লাবু, উত্তর জেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক ও মুলাদী উপজেলা বিএনপি সভাপতি আঃ ছত্তার খাঁন, কোতয়ালী বিএনপি সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন লাবু, দক্ষিন জেলা বিএনপি নেতা ও বরিশাল আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক এ্যাড. নাজিম উদ্দিন আহমেদ পান্না, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক ওয়াহেদুল ইসলাম প্রিন্স, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন দিপেন, বরিশাল দক্ষিন জেলা বিএনপি দপ্তর সম্পাদক আলহাজ্ব মন্টু খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান পিন্টু, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আমিনুল ইসলাম লিপন, জেলা ছাত্রদল যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সুজন প্রমুখ।

    জেলা ও মহানগর বিএনপি দলীয় কার্যলয়ের সামনে একই দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ করে বরিশাল মহানগর বিএনপি। মহানগর বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান খান ফারুকের সভাপত্বি প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার, সহ-সাপতি রফিকুল ইসলাম রুনু সরদার, আব্বাস উদ্দিন বাবলু, আলমগীর হোসেন আলম(সুন্দর আলম), এ্যাড. আখতার হোসেন মেবুল, জেলা যুবদল সাবেক সাধারন সম্পাদক শাহেদ আকন , মহানগর যুবদল সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম রতন,সাজ্জাদ হোসেন,জেলা মহানগর ছাত্রদল যুগ্ম সম্পাদক আরিফুর রহমান মুন্না। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি উপদেষ্ঠা মুক্তিযোদ্দা নুরুল আলম ফরিদ সহ মহিলাদলের নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ গ্রহন করেন।
    বিএনপির তিনটি দলের বিক্ষোভ প্রতিবাদ সমাবেশকে ঘিড়ে টাউন হল চত্বরে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

  • আন্দোলনের ধরন পরিবর্তন হতে পারে : নজরুল ইসলাম খান

    আন্দোলনের ধরন পরিবর্তন হতে পারে : নজরুল ইসলাম খান

    খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনে বিএনপির আন্দোলনের ধরন পরিবর্তন হতে পারে।

    রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘অ্যাকটিভ সিটিজেন অব বাংলাদেশ’ আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বিএনপির মতো একটি রাজনৈতিক দল, শুধু আন্দোলনের বর্তমান ধরণটাই জানে বা বুঝে কিংবা আর কোনো ধরণ জানে না- সেটা ঠিক নয়। প্রয়োজনে জনগণের স্বার্থে আন্দোলনের ধরণও পরিবর্তন হতে পারে।’

    আগামী ৮ মে খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি বিষয়ে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, খালেদা জিয়াকে আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত করার চেষ্টা করা ‍হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়ায় না হলে, এরপরে কী করা যাবে সেটা দল সিদ্ধান্ত নেবে।

    বিএনপিকে বাদ দিয়ে সরকার নির্বাচন করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করে নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনে গেলে আওয়ামী লীগের জেতার সম্ভাবনা নাই। যা তারা (ক্ষমতাসীনরা) নিজেরাও জানে, খালেদা জিয়াকে ছাড়া আমরা নির্বাচনে যাবো না। তাই বেআইনিভাবে তাকে আটকে রাখতে চায় ক্ষমতাসীনরা।

  • ফের রাজনীতি শুরুর ঘোষণা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের

    ফের রাজনীতি শুরুর ঘোষণা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের

    আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, আমি অনেক দিন মাঠে ছিলাম না। আজ এসেছি, এখন থেকে আবার রাজনীতি শুরু করবো।

    রবিবার সচিবালয় সংলগ্ন আব্দুল গণি রোডে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের পশ্চিম পাশে যানবাহন মেরামত কারখানার জমিতে বহুতল কার পার্কিং ও মাল্টিপারপাস ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।

    সরকারি যানবাহন মেরামত কারখানার ৬৮ হাজার ৭৫০ বর্গফুট জায়গার ওপর একটি ১০তলা ও একটি ২৫ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ভবনের দু’টি বেজমেন্টে ১০৭টি ও গ্রাউন্ড ফ্লোরে ১১টি পার্কিং করা যাবে। দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত ৩০ হাজার ২০০ স্কয়ার ফুটের প্রতি ফ্লোরে ৬২টি করে গাড়ি পার্কিং করা যাবে।

  • টঙ্গীতে বিএনপি নেতা নোমানসহ ১৬ নেতাকর্মী আটক

    টঙ্গীতে বিএনপি নেতা নোমানসহ ১৬ নেতাকর্মী আটক

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানসহ ১৬ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার বিকালে টঙ্গীতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের বাসভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাদের আটক করে।

    হাসান উদ্দিন সরকারের বাসভবনে অবস্থান নেওয়া বিএনপির আরেক ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসান সরকারের বাড়িও ঘিরে রেখেছে শতাধিক পুলিশ। বাসায় অবস্থান করছেন নেতাকর্মীরা।

  • বর্তমান ইসির পক্ষে সুষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব নয়: মওদুদ

    বর্তমান ইসির পক্ষে সুষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব নয়: মওদুদ

    নির্বাচন কমিশন(ইসি) পুনর্গঠনের দাবি জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, এই কমিশনের পক্ষে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করা সম্ভব নয়। কারণ গাজীপুর ও খুলনায় সরকার সমর্থকরা প্রতিদিন নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছে। কিন্তু কমিশন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি।

    শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

    নির্বাচন কমিশন সরকারের স্বার্থে কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন মওদুদ। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যত পদক্ষেপ নিচ্ছে সব সরকারি প্রার্থীদের বিজয়ী ও বিরোধীদের পরাজিত করার জন্য।

    বিএনপি যাতে আগামী নির্বাচনে অংশ না নেয় সেজন্য সরকারের সব আয়োজন চলছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, যতই নির্বাচনের কাছাকাছি যাচ্ছি ততই মনে হয় সরকার আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সুষ্ঠু নির্বাচন রুখতে যত রকমের ষড়যন্ত্র করা যায় সেগুলো তারা করছে।

  • বরিশালেও প্রার্থী বদলের দাবি বিএনপিতে

    বরিশালেও প্রার্থী বদলের দাবি বিএনপিতে

    গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২০১৩ সালের বিজয়ী দুই প্রার্থীকে বিএনপি পাল্টে দেয়ার পর বরিশালে কী হয়, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এই মহানগরে পাঁচ বছর আগে নির্বাচিত আহসান হাবীব কামালকে নিয়ে বিএনপিতে বিভেদের আভাস স্পষ্ট।

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে যে পাঁচ মহানগরে ভোট হবে তার মধ্যে প্রথম দফায় হচ্ছে গাজীপুর এবং খুলনায়। ১৫ মে এই ভোট শেষে ঈদের পর রাজশাহী বরিশাল ও সিলেটে হবে ভোটের তফসিল।

    আপাতত গাজীপুর ও খুলনার দিকে দেশবাসীর দৃষ্টি থাকলেও যে তিন নগরে ভোটের প্রস্তুতি চলছে, সেসব এলাকায় নেতা-কর্মীরা নানা হিসাব কষতে ব্যস্ত।

    প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিতে মনোনয়নের জন্য চলছে নেতাদের চেষ্টা, তদবির। সেই সঙ্গে চলছে গণসংযোগ।

    ২০০৮ সালে বরিশালে বিজয়ী আওয়ামী লীগের শওকত হোসেন হীরনকে ২০১৩ সালে ২২ হাজার ভোটে হারিয়ে মেয়র হন আহসান হাবীব কামাল।

    বর্তমান সরকারের আমলে মহানগরগুলোতে বিএনপির মেয়ররা মামলা সাময়িক বরখাস্তের  পড়লেও সে তুলনায় নিরাপদেই ছিলেন বরিশালের কামাল।

    এই বিষয়টি নিয়ে বিএনপিকে কামালকে নিয়ে কিছুটা সন্দেহ, অবিশ্বাস দানা বেঁধেছে। দলের একটি অংশ প্রকাশ্যেই তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। বিভিন্ন সময় দলীয় কর্মসূচিতে তাকে নানাভাবে লাঞ্ছনার চেষ্টাও হয়েছে।

    জেলা বিএনপির একটি বড় অংশই গাজীপুর এবং খুলনার মতো বরিশালেও প্রার্থী পাল্টানোর পক্ষে। তারা সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ারকে আবার মনোনয়ন দেয়ার দাবি তুলছেন।

    তবে মেয়র কামাল আশা করছেন, দলীয় প্রতীকে ভোটেও তাকেই প্রার্থী করবে দল। আর মনোনয়ন পেলে গতবারের চেয়ে বেশি ভোটে জয় আশা করছেন তিনি।

    কামাল বলেন, দল যদি মনোনয়ন দেন তাহলে অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। আর দলের নেতাকর্মীরা যেসব অভিযোগ করেছেন সেগুলো সঠিক নয়।

    এর বাইরে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম খান রাজন, বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিণ, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়া ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শাহীনও কেন্দ্র দেন দরবার করছেন।

    প্রার্থী হতে আগ্রহী কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আফরোজা খানম নাসরিনও।

    তিনি বলেন, ‘দলের জন্য কাজ করছি। দল যা করবে তাই মেনে নেব। এই জন্য দ্বন্দ্বের প্রশ্ন আসে না।’

    বিলকিস আক্তার জাহান শিরিণ বলেন, ‘দলের জন্য কাজ করেছি, করব। দল কখনোই নিরাশ করবে না। বিএনপির প্রার্থিতা পেলে আওয়ামী লীগের সামনে একজন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়াতে পারব বলে মনে করি।’

    জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, ‘প্রার্থী কে হবে, সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে নির্বাচন নিয়ে আমাদের মধ্যে সন্দেহ আছে। সরকার সকল জায়গায় প্রভাব খাটায়। এই নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিয়ে সংশয় রয়েছে।’

    বিএনপি ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ২০০৩ সালে বরিশালে সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর প্রথম নির্বাচনে মেয়র হন সরোয়ার। তবে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তিনি নির্বাচন করতে পারেননি। আর সে সময় বিএনপির একাধিক প্রার্থীর সুযোগে জিতে যান আওয়ামী লীগের প্রার্থী শওকত হোসেন হিরণ।

    এমনিতে বরিশাল সদর আসন বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু হীরন মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর আওয়ামী লীগের অবস্থান যে শক্তিশালী হয়েছে, সেটা ২০১৩ সালের নির্বাচনেই স্পষ্ট। আগের নির্বাচনে বিএনপির তিন প্রার্থীর মধ্যে ভোট ভাগাভাগিতে জিতেছিলেন হীরন। আর ২০১৩ সালে বিএনপিতে ছিল একক প্রার্থী। আর তার কাছে হীরনের হার হলেও আগের নির্বাচনের চেয়ে বেশি ভোট পান তিনি।

    গত পাঁচ বছরে মেয়র কামালের কাজ নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে প্রশ্ন আছে। এমনটি তার দল বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরাও যে খুব একটা সন্তুষ্ট তা নয়।

    বরিশাল যুবদলের এক নেতা বলেন, ‘মেয়র কামাল পাঁচ বছর পদে থাকাকালে দলের কাজে অংশ নেননি। কোনো কর্মসূচিতেই তাকে পাওয়া যায় না। এই সময়ে তিনি নিজের আর নিজ পুত্রের জন্য কাজ করেছেন। দলের জন্য তার ত্যাগ শূন্য।’

    আরেক আলোচিত প্রার্থী বিলকিস জাহান শিরিন সম্পর্কে জানতে চাইলে তার ওই যুবদল নেতা বলেন, ‘তিনি তো সব সময় ঢাকায়ই থাকেন। তবে তিনি বিএনপির একজন শক্ত প্রার্থী সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’

    মহানগর বিএনপির একজন নেতা বলেন, ‘সব কিছুই এখন নির্ভর করছে বিএনপির নীতি নির্ধারকদের উপর। বরিশাল সিটি নির্বাচনে একজন শক্ত প্রার্থী দরকার।’

  • কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণের সাথে জড়িতরা ছাত্রদলের কেউ নয়

    কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণের সাথে জড়িতরা ছাত্রদলের কেউ নয়

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥

    বরিশাল নগরীর কাশিপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষণকারীদের নিয়ে বিভিন্ন পত্র পতিকা, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, গ্রেফতারকৃত ধর্ষণকারীরা ছাত্রদলের নেতাকর্মী।

    এ সংবাদের ভিন্নমত প্রকাশ করেছে বরিশাল মহানগ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। রবিবার বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক খন্দকার আবুল হাসান লিমন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গ্রেফতারকৃত ধর্ষণকারীরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছত্রদলের কোন ওয়ার্ড, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মহানগর ও জেলা শাখার কোন সদস্য বা দলের সক্রিয় কর্মী নহে।

    তারা ধর্ষনকারীদের সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে সর্বচ্চো শাস্তির দাবী জানিয়েছে।

  • আমাদের কথা বলার অধিকার নেই: মির্জা আব্বাস

    আমাদের কথা বলার অধিকার নেই: মির্জা আব্বাস

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, আমাদের কথা বলার অধিকার নেই, কথা বলার জায়গা নেই। আমরা কোথাও সভা সমাবেশ করতে চাইলে আমাদের মাঠ দেওয়া না। কোথাও সভা-সমাবেশ করতে চাইলে আমাদের ওপর হামলা ও নির্যাতন করা হয়।

    বুধবার বেলা ১১টার দিকে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ঘণ্টাব্যাপী এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আপনারা নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে সবাইকে সংগঠিত করুন। এমন সময় আসবে আমাদের রাজপথে কঠোর আন্দোলন করতে হবে। তখন আমাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন এ সরকারকে পরাজিত করে গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনবো।

    মানবন্ধনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জয়নুল আবদীন ফারুক, ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন, উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুল হক উপস্থিত ছিলেন।